একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার ঘোষণা করেছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশের পর স্মার্ট বাংলাদেশের পরিকল্পনা এ শতাব্দীর সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ এবং দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সিদ্ধান্ত।
রবিবার (৫ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমাণে আপনাদের বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে। মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর আদর্শের দিকে তাকান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব এবং তাঁর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নের দিকে তাকান, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদ, অকুতভয় মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন। আজ দেশ ও জাতি আপনাদের দিকেই তাকিয়ে আছে। আপনাদের মেধা, শ্রম ও গবেষণার দ্বারাই এই জাতির যাবতীয় সংকটের অবসান ঘটবে। আপনারা দেশ ও জাতির সামনে আশার আলোস্বরূপ। আপনাদের কর্মস্পৃহা এই দেশকে সব প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে একটি দেশের সার্বিক উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদে ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। আমাদের মতো দেশে যাঁদের প্রাকৃতিক সম্পদ খুব সীমিত, সেখানে দক্ষ মানবসম্পদ বেশি গুরত্বপূর্ণ। আপনাদের মতো তরুণরাই আমাদের দেশের বিরাট শক্তি ও প্রকৃত সম্পদ। এই তারুণ্যের শক্তি কাজে লাগাতে বর্তমান সরকারও নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এই বাস্তবতায় আপনাদের নিজেদেরও দক্ষ করে তুলতে হবে।’

খাদ্য নিরাপত্তার প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯, রাশিয়া-ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধ, অবরোধ-পাল্টা অবরোধের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। বিশ্বব্যাপী ‘খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা’ বেড়েছে। বেড়েছে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে বাংলাদেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে এবং বহুমুখী দুর্যোগের মধ্যেও বিশ্বে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তব্য দেন পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র বা সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অফ দ্য প্যারালাইজডের (সিআরপি) পরিকল্পক ও প্রতিষ্ঠাতা ভ্যালেরি অ্যান টেইলর। অন্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরহাদ হোসেন, সহ–উপাচার্য এআরএম সোলাইমান, রেজিস্ট্রার তৌহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, ছানোয়ার হোসেন ও খন্দকার মমতা হেনা, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ সেণ্টার ফর দ্যা রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্যা প্যারালইজডের (সিআরপি) প্রতিষ্ঠাতা ও কো-অর্ডিনেটর ভ্যালেরি অ্যান টেইলর টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বলেছেন, আজ এই শুভ দিনে সরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আপনারা ডিগ্রি গ্রহণ করে জীবনের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে চলেছেন।
আপনাদের শিক্ষার জন্য রাষ্ট্রের প্রচুর টাকা ব্যয় হয়েছে। এই টাকা এসেছে এদেশের কৃষকের কাছ থেকে, শ্রমিকের কাছ থেকে, মেহনতি মানুষের কাছ থেকে। তাই রাষ্ট্রের জনগণের প্রতি আপনাদের কৃতজ্ঞ হতে হবে। তাদের প্রতি আপনাদের অনেক দায়িত্ব পালন করতে হবে। রবিবার (৫ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে তিনি বক্তব্য রাখছিলেন।
তিনি বলেন- আশাকরি, আপনাদের মেধা, শ্রম, সেবা, নেতৃত্ব ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সমাজকে আধুনিকায়ন, বিজ্ঞানমুখী ও প্রগতিশীল করতে এগিয়ে আসবেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সুবিধার সঙ্গে যুক্ত হয়ে দেশকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাবেন এবং নিজেও সফলতা অর্জন করবেন।
ভ্যালেরি বলেন, শুরুতে জ্ঞান অর্জনের জন্য শিক্ষা গ্রহণ করা হত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেখা গেল জ্ঞান শক্তির বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে জীবিকা, সম্পদ ও মানবসেবাও করা যায়। এভাবে শিল্প, প্রযুক্তি ও চিকিৎসা বিজ্ঞানসহ জ্ঞানের বিভিন্ন শাখার বিকাশ ঘটে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রভাবে মানুষের ধারণা, দৃষ্টিভঙ্গি বদলে গেছে।
তিনি বলেন, মানব সভ্যতার জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি অপরিহার্য। প্রযুক্তি জ্ঞানের ব্যবহারিক দিক এবং এটি বিজ্ঞানের অনুশীলনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। পশ্চিমে আধুনিক বিজ্ঞানের অগ্রগতি মূলত বাস্তব পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমেই অর্জিত হয়েছে। অনেক মহান বিজ্ঞানী, দার্শনিক এবং পন্ডিত এই অগ্রগতিতে অবদান রেখেছেন।
সমাবর্তন বক্তা ভ্যালেরি বলেন, আমাদের সাধারণ ধারণা হলো সমাবর্তন শুধুমাত্র স্নাতকদের জন্য, তবে এটি সম্পূর্ণ সত্য নাও হতে পারে। সমাবর্তন যতটা ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ততটা তাদের অভিভাবকদের জন্য। আমি স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের অভিনন্দন ও স্বীকৃতি জানাই।
এসময় মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদের পক্ষে কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর এআরএম সোলাইমান, রেজিস্ট্রার ডক্টর মোহা. তৌহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ ডক্টর মো. সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের), সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর।
শনিবার (৪ মার্চ) দলটি থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিটে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত ১ টা ৩০ মিনিটের দিকে হৃদযন্ত্রের অসুস্থতাজনিত কারণে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে ভর্তি হন।
মৃত্যুকালে স্ত্রী এবং এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন ইকবাল সিদ্দিকী।
অকাল প্রয়াত এই নেতার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং শ্রদ্ধাও জ্ঞাপন করা হয় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের পক্ষ থেকে পাঠানো বার্তায়।
মরহুমের নামাযের জানাযা রবিবার (৫ মার্চ) বাদ যোহর গাজীপুর কচি-কাঁচা একাডেমি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।
তার মৃত্যুতে গাজীপুর জেলা প্রেসক্লাব সহ অসংখ্য সংগঠন শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছে।
একতার কণ্ঠঃ সমাবর্তন প্যান্ডেলের সামনে মানববন্ধন করেছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) অ্যালামনাই শিক্ষক ও সাবেক শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (৪ মার্চ) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তনে পদক প্রদানে নতুন নীতিমালা বৈষম্যমূলক দাবি করে তা বাতিলসহ আগের নীতিমালা বহালের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আগের দুইটি সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী চ্যান্সেলর, ভাইস চ্যান্সেলর এবং ডিনস তিনটি ক্যাটাগরিতে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর উভয় পদক দেওয়া হয়েছিল। আসন্ন তৃতীয় সমাবর্তনের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পদক দেওয়ার নীতিমালায় পরিবর্তন আনে। এতে বর্তমানে স্নাতক ডিগ্রির ক্ষেত্রে ডিনস লিস্ট ও পদক ক্যাটাগরি সম্পূর্ণ বাতিল এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রিকে পদকের জন্য বিবেচনা করা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অর্ডিন্যান্স পরিপন্থী।
বক্তারা আরও বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস লিস্ট ও পদক অতিগুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানীয় বলে বিবেচনা করা হয়।
তাই এ ধরেনের বৈষম্য আর অবমাননাকর সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তারা। সিদ্ধান্ত বাতিল করা না হলে সমাবর্তন অনুষ্ঠান বর্জনসহ নানা কর্মসূচি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন আয়োজকরা।

এসময় বক্তব্য দেন, অ্যালামনাই শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ইসতিয়াক আহমেদ তালুকদার, সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, মোছাদ্দিক হাসান, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদা আক্তার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের প্রভাষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. হাবিবুর রহমান।
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ এস এম সাইফুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মাসুদার রহমান, সিএসই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. তারেকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান বখতিয়ার, ইএসআরএম অ্যালামাইন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. বাদশা মিয়া, সিপিএস অ্যালামাইন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফয়সাল হক, সিপিএস অ্যালামাইন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মুনমুন বিনতে আজিজ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, সাবেক অ্যালামনাই শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জরুরি মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে ফোন কেটে দেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদ হোসেন।
প্রকাশ, টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তন রবিবার (৫ মার্চ) অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মনোনীত কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।
সমাবর্তনে বিশেষ অতিথি থাকবেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন, বাংলাদেশ সেন্টার ফর দি রিহ্যাবিলেশন অব প্যারালাইসড (সিআরপি) এর ফাউন্ডার ও কো-অর্ডিনেটর ভ্যালেরি অ্যান টেইলর। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আগামী নির্বাচনও সংবিধান অনুযায়ী হবে। নির্বাচনে না এলে বিএনপির অস্তিত্ব বিলীন হবে। গত তিনটি নির্বাচনে বিএনপির চরম বিপর্যয় হয়েছে, তাদের বর্তমান কর্মকাণ্ড দেখে মনে হয়- আগামী নির্বাচনে চতুর্থ বারের মতো বিএনপির বিপর্যয়ের সময় এসে গেছে। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বিএনপির শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। অস্তিত্বের স্বার্থে তাদের নেতৃবৃন্দ একটা পর্যায়ে গিয়ে নির্বাচনে আসতে বাধ্য হবেন।
শনিবার (৪ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল শহরের কুমুদিনী সরকারি মহিলা কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন দেখে মানুষ খুবই খুখি। মানুষ উন্নয়নের প্রশংসা করছে। মহান স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল- ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত দেশ বিনির্মাণের, সে লক্ষ্যেই দেশ এগিয়ে চলেছে। কাজেই দেশের জনগণ আবার শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনবে।
পোল্ট্রি মুরগির দাম নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ডক্টর রাজ্জাক বলেন, করোনার সময় থেকে শুরু করে দীর্ঘদিন যাবৎ পোল্ট্রি ব্যবসায়ী, খামারি, উদ্যোক্তারা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছিলেন- ক্ষতি দিচ্ছিলেন। হঠাৎ করে গত দুই মাস ধরে পোল্ট্রি মুরগির দাম অনেক বেশি। শোনা যাচ্ছে- তৃণমূলের প্রান্তিক খামারিরা ঠিকমতো দাম পাচ্ছেন না। এ বিষয়টি আমি সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে তুলে ধরব। এমন একটা নীতি আমাদের নির্ধারণ করতে হবে- যার মাধ্যমে পোল্ট্রি মুরগির দাম সহনশীল রাখা যাবে। যাতে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে এবং একইসঙ্গে ব্যবসায়ী, খামারি ও উদ্যোক্তারা লাভবান হয়।
কুমুদিনী সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক বদরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের) এমপি, মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী এমপি, কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুল করিম মিঞা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
একতার কণ্ঠঃ বাৎসরিক ওরশ মাহফিলে যাওয়ার পথে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে তিন নারী যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৮-২০ জন।
বুধবার (১ মার্চ) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব মহাসড়কের উপজেলার আনালিয়াবাড়ী নামক এলাকায় ১০ নং ব্রীজের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তিন নারী যাত্রী হলেন- জামালপুর সদর উপজেলার গান্দাইল এলাকার গাদুগানের মেয়ে শাহারা ওরফে শাহানা বেগম (৬০), পেচামানিক এলাকার মাহতাব আলীর মেয়ে নুর জাহান (৫০) এবং অপরজন টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার গৌরাং এলাকার জাবেদ আলীর মেয়ে ফিরোজা বেগম (৬০)।
এদিকে, আহতরা সবাই জামালপুর সদর উপজেলার গান্দাইল ও পেচামানিক এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে বেশির ভাগই গুরুতর আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে। তারা ওরশ মাহফিলের যাত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, জামালপুর সদর উপজেলা থেকে ছেড়ে আসা একটি খোলা পিকআপযোগে ৩০/৩৫ জন যাত্রী নিয়ে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর ওরশ মাহফিলে যাচ্ছিল। তারা দুপুরে মহাসড়কের আনালিয়াবাড়ী পৌঁছলে ঢাকাগামী একটি বাস ওভারটেকিং করতে গিয়ে পিকআপটিকে চাপ দেয়।
এসময় পিকআপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে উল্টে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে পিকআপের দুই নারী যাত্রী মারা যায়। আহত হয় কমপক্ষে ১৮-২০ জন যাত্রী। পরে খবর পেয়ে এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে। পরে তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে গুরুতর আহত আরও এক নারী মারা যায়।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্যটি নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয় এবং ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদেরকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রেরণ করা হয়। আইনগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন।
তিনি আরো জানান, নিহতদের লাশ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক অপারেটর গ্রামীণফোন নেটওয়ার্কে হঠাৎ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে এই বিপর্যয় দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ গ্রাহকদের।
এ প্রসঙ্গে গ্রামীণফোনের মুখপাত্র গণমাধ্যমকে জানান, বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ করেই এই অভিযোগ আসে। অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করে জানা গেছে দেশের উত্তরাঞ্চলের ৩টি ভিন্ন স্থানে ফাইবার ক্যাবল কাটা পড়ার কারণে এই নেটওয়ার্ক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে গ্রামীণফোনের ভেরিফায়েড পেজে একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফাইবার অপটিক ক্যাবল বিছিন্ন হওয়ার কারণে সাময়িকভাবে কল করতে অসুবিধা হওয়ায় আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। দ্রুত সমস্যা সমাধানে আমাদের টিক সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে কাজ করে যাচ্ছে।

একতার কণ্ঠঃ বিনম্ব শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মধ্যদিয়ে টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহিদ দিবস পালিত হয়েছে।
একুশের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের পুষ্পস্তবকের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়।
এসময় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
পরে জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, পৌরসভার পক্ষে পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের পক্ষে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের পক্ষে সভাপতি জাফর আহমেদ, জেলা পরিষদ, পিবিআই, নৌ পুলিশ, পৌরসভা, সদর উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা জনতা শহিদদের স্মরণে শহিদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এর আগে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে দেশাত্ববোধক গানের অনুষ্ঠান।
এছাড়া জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজনে দিনব্যাপী চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউয়িনের ভাতকুড়া গ্রামে ব্যাপক উত্তেজনার মধ্য দিয়ে তাবলিগ জামাতের সাদপন্থীদের জেলা ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়েছে।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, বিশৃংখলা এড়াতে শহরে ও ইজতেমাস্থলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।
বৃহস্পতিবার(১৬ ফেব্রুয়ারি) ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে এই ইজতেমা শুরু করা হয়।
অপরদিকে জুবায়েরপন্থীরা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে আলোচানার পর বুধবার(১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতেই শহরের মারকাজ মসজিদের অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করেছেন।
জানা যায়, তাবলিগ জামাতের জেলা ইজতেমার আয়োজনকে ঘিরে সাদ ও জুবায়েরপন্থীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। জুবায়েরপন্থীরা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এই আয়োজন বন্ধের দাবি জানায়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দেয়।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জুবায়েরপন্থীরা অভিযোগ করেন, ভাতকুড়া এলাকার ইজতেমায় নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হবে। তাই তারা ইজতেমার বন্ধের দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার ভাতকুড়ায় গিয়ে দেখা যায়, বিশাল মাঠজুড়ে প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। সেখানে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা কয়েক হাজার মুসল্লি অবস্থান করছেন। নিরাপত্তার জন্য সেখানে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে।
ইজতেমা আয়োজক কমিটির খাদেম মুফতি মোস্তফা খলিল চৌধুরী জানান, বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর থেকে ইজতেমার মূল আমল শুরু করা হয়েছে। ফজর থেকে সকাল আটটা পর্যন্ত তিনি প্রথমে বয়ান করেন। এরপর সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তালিমের মৌজ নিয়ে আলোচনা করেন মুফতি শহিদুল্লাহ। এরপর বিদেশি মেহমানেরা পুরো ইজতেমা মাঠকে ২০ ভাগে ভাগ করে আলাদা আলাদা তালিম করেছেন। জোহরের পর সৌদি আরবের মেহমান শেখ মোহাম্মদ আল খামিদ বয়ান করেন। আসরের নামাজের পর ঢাকার মাওলানা এহসান বয়ান করছিলেন।
তিনি আরো জানান, মাগরিবের নামাজের পর ঢাকার মুফতি ওসামা ইসলাম বয়ান করবেন। ইজতেমার প্রধান মাঠে ১২ হাজার মুসল্লি রয়েছেন। এছাড়া আশপাশের মাঠে আরও তিন হাজার মুসল্লিকে জায়গা দেওয়া হয়েছে। আগামিকাল শুক্রবার(১৭ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজে ১৫ হাজারের বেশি মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।
অপরদিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জুবায়েরপন্থী ও টাঙ্গাইল জেলা কওমী ওলামা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি শামছুল হক কাসেমী জানান, নেজামউদ্দিন অনুসারী সাদ পন্থীরা তাবলীগ জামাতের নামে ইসলামের অপব্যাখ্যা করে মুসলমানের মাঝে বিশৃংখলা সৃষ্টি করছে। এছাড়াও পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্বশীল কিছু কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। এতে তাদের দাওয়াতি কাজকর্ম ব্যপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এই বিষয়গুলোর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য তিনি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
এদিকে সাদপন্থী তাবলীগ জামাতের জেলার জিম্মাদার এনামুল হক জানান, তাদের যেসব সদস্য টঙ্গী ইজতেমায় যেতে পারেনি তাদের জন্য মূলত ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে তিন দিনব্যপী ইজতেমা শুরু হয়েছে। এখানে ৯টি দেশের তাবলীগ জামাতের সদস্যরা অংশ নিচ্ছে। তারা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ইজতেমার আয়োজন করেছেন। মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালাচ্ছে কওমী ওলামা পরিষদ।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, জোবায়েরপন্থী কওমী ওলামা পরিষদের লোকজন তার কাছে গিয়েছিলেন। তাদেরকে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান পালনের জন্য বলা হয়েছে। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কোন ধরণের সংঘর্ষে জড়াবেন না। তারপরও বিশৃংখলা এড়াতে শহরে ও ইজতেমাস্থলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা সদরে নবনির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলা সদরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নবনির্মিত ওই শহীদ মিনারটির উদ্বোধন করা হয়।
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক শহীদ মিনারটির উদ্বোধন করেন।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ, মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজুর রহমান,মির্জাপুর পৌর মেয়র সালমা আক্তার শিমুল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আমিনুল ইসলাম বুলবুল প্রমুখ।

এ প্রসঙ্গে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজুর রহমান জানান, মির্জাপুর উপজেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভর নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ শহীদ মিনারটি নির্মাণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে মির্জাপুরের উয়ার্শী ইউনিয়নের সিয়াম একাডেমী স্কুল প্রাঙ্গণ, আনাইতারা ও বানাইল ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে তিনটি শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট দিয়ে নির্মিত শহীদ মিনার তিনটি স্থানীয় সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ উদ্বোধন করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টার দিকে টাঙ্গাইল-ময়মেনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের হরিপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- মধুপুর উপজেলার শামীম, ঘাটাইল উপজেলার লাউয়াগ্রাম এলাকার শহীদ হোসেনের ছেলে সোনামিয়া ও অস্টোচল্লিশা এলাকার আলমগীর হোসেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত ওই তিন জন মোটরসাইকেল যোগে টাঙ্গাইল থেকে ঘাটাইলের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মোটরসাইকেলটি মহাসড়কের উপজেলার হরিপুর এলাকায় পৌঁছলে বিপরীতমুখী একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই তিন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়।
এবিষয়ে ঘাটাইল থানার এসআই বাবুল হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ঘাটাইল থানায় নেওয়া হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ৭০ বছর ধরে বেদখল হওয়া ১০ একর সরকারি ভূমি উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। এক ইঞ্চি জমিও খালি রাখা যাবে না, প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনা কাজে লাগিয়ে সেই ভূমিতে সূর্যমুখী চাষ করে অপার সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখছেন উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ।
উৎপাদিত সূর্যমুখী বীজ সারা দেশে ছড়িয়ে দিয়ে সূর্যমুখী চাষের বিপ্লব শুরু করা সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ৭০ বছরের বিস্তীর্ণ গো-চারণ ভূমিতে সবুজের সমারোহ, বাতাসে দোল খাচ্ছে সূর্যমুখী গাছের সবুজ পাতা, দেখে বোঝাই যায় না এ ভূমি এক বছর আগেও অনাবাদি পড়ে ছিল।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঘোষণা আসে দেশের এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদী না থাকে। ঘোষণার পর থেকেই নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় গোপালপুর উপজেলার গোপালপুর মৌজার ভুয়ার পাড়া এলাকায় ৭০ বছর ধরে বেদখল হয়ে থাকা ১০ একর সরকারি ভূমি উদ্ধার করে উপজেলা প্রশাসন।

এরআগে জমিটি স্থানীয় লোকজন বেদখল করাসহ গো-চারণ ভূমি হিসেবে ব্যবহার করত। কৃষি অধিদফতরের পরামর্শক্রমে সেই জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হয়েছে। এরইমধ্যে সূর্যমুখীর সবুজ পাতা বাতাসে দোল খাচ্ছে। বিস্তীর্ণ এলাকায় সবুজের সমারহ দেখে যেনো চোখ জুড়িয়ে যায়। সূর্যমুখী চাষে একদিকে যেমন দেশে তেলের চাহিদা পূরণ হবে, অপর দিকে এ সব জমিতে কাজ করে স্থানীয় অনেক কৃষকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামীমা আক্তার জানান, আশানুরূপ ফলন পেলে আগামীতে আরও ব্যাপকভাবে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পারভেজ মল্লিক জানান, একইঞ্চি জমিও খালি রাখা যাবে না, প্রধানমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পর থেকেই ব্যক্তি মালিকানা অনাবাদি ভূমি মালিকদেরও বিশেষ কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। অন্যদিকে সরকারি জমিতে কৃষি বিভাগের মাধ্যমে বিভিন্ন ফল ও শাক সবজি আবাদ করা হচ্ছে। যাতে ভূমির শ্রেণী অনুযায়ী অনাবাদই জায়গাগুলো আর অনাবাদী না থাকে।
তিনি আরো জানান, চলতি বছরে ১০ একর জায়গা থেকে উৎপাদিত সূর্যমুখী বীজের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ১০ মেট্রিকটন। দেশে সরিষা আবাদে দ্বিতীয় বৃহত্তর জেলা টাঙ্গাইল, সূর্যমুখী ফলনে দেশসেরা জেলা হওয়ার লক্ষে কাজ করা হচ্ছে।