একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। গাণিতিক হারে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় টাঙ্গাইলকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
জেলায় করোনা ভাইরাস শনাক্তের হার বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামি শনিবার(১৯ জুন) থেকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর উপজেলায় সর্বাত্মক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার(১৪ জুন) বিকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে সোমবার বিকালে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আমিন মিঞা, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ উদ্দিন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর উপজেলায় মঙ্গলবার(১৫ জুন) থেকে মাস্ক পরিধান ও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পাশাপাশি মাইকিং করে করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রচারণাসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো শুরু হয়েছে।
এদিকে, টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭১টি নমুনা পরীক্ষায় জেলায় ৮৫জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৫৬, কালিহাতীতে ১২জন, মির্জাপুর উপজেলায় চার জন, দেলদুয়ারে ছয় জন, সখীপুরে তিন জন এবং নাগরপুর, ঘাটাইল, মধুপুর ও গোপালপুর উপজেলায় এক জন করে মোট ৮৫ জন রয়েছে। মঙ্গলবার(১৫ জুন) সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী উপজেলা উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার ট্রানজিট পয়েণ্ট হওয়ায় এ দুই উপজেলায় করোনা শনাক্তের হার অন্য উপজেলাগুলোর তুলনায় অনেক বেশি।
তিনি আরও জানান, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকারি নির্দেশনা, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে, অন্যকেও সচেতন করতে হবে।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ হাজার ৬১৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে চার হাজার ৩৩১ জন। এ পর্যন্ত জেলায় করোনাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে মোট ৯৫ জন।
একতার কণ্ঠঃ কয়েক দিন ধরে টাঙ্গাইলে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে। এ জন্য টাঙ্গাইলকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই শনাক্তের হার বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী শনিবার থেকে জেলার সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ তিন উপজেলায় সর্বাত্মক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপজেলাগুলো হলো টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর।
সোমবার( ১৪ জুন) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এই তিন উপজেলায় মঙ্গলবার থেকে মাস্ক পরিধান ও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, মাইকিং করে করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রচারণাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে সভায় সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন খান, শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আমিন মিঞা, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফ উদ্দিন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।
এদিকে টাঙ্গাইলে ৭৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ২৩১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এ আক্রান্ত শনাক্ত হয়। আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৩৯ জন, কালিহাতীতে ২১ জন, বাসাইলে ৫ জন, সখীপুরে ৪ জন, গোপালপুর ও ঘাটাইলে ৩ জন করে এবং মধুপুর ও দেলদুয়ারে ১ জন করে রয়েছেন। এ নিয়ে সোমবার সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৪ হাজার ৫৩২। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৯৫ জন।
সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন খান বলেন, টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতীতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেশি। করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকারি নির্দেশনা, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে, অন্যকেও সচেতন করতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে করোনা সংক্রমণের হার দিন দিন বাড়ছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৭৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণের শতকরা হার ৩৩.৩৩ শতাংশ। যা গত এক মাসে সর্বোচ্চ। এ পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ৯৫ জন।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ নিয়ে সোমবার(১৪ জুন) সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫৩২ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ৪ হাজার ৩২২ জন।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এ পর্যন্ত ৪১৯ জন রোগী ভর্তি হয়। হাসপাতালের করোনা ডেডিকেডেট ইউনিটে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২০ জন।কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৫ হাজার ১০০ জন।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন জানান, আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৩৯ জন, কালিহাতীতে ২১ জন, বাসাইলে পাঁচজন, সখীপুরে চারজন, গোপালপুর ও ঘাটাইলে তিনজন করে, মধুপুর ও দেলদুয়ারে একজন করে রয়েছেন।
তিনি আরো জানান, টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী উপজেলা উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার ট্রানজিট পয়েন্ট হওয়ায় এ দুই উপজেলায় করোনা শনাক্তের হার অন্য উপজেলার তুলনায় অনেক বেশি। ইতোমধ্যে দুই দফায় কালিহাতী উপজেলার ৩৩টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলাকেও কড়া নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে জেনারেল হাসপাতালের নতুন করে আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজনের বাড়ি দেলদুয়ার ও একজনের বাড়ি কালিহাতী উপজেলায়। এ নিয়ে রোববার(১৩ জুন) সকাল পর্যন্ত জেলায় মোট ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, জেলায় নতুন করে আরও ২৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ঘাটাইলে ১০ জন, দেলদুয়ারে ৭ জন, কালিহাতীতে ৫ জন, গোপালপুরে একজন রয়েছেন।জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৪৫৫ জন। জেলায় মোট শনাক্তের হার ১৪.৪৭ ভাগ।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, শনিবার টাঙ্গাইল এবং ঢাকায় ৭১টি নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। এতে নতুন করে ২৩ জন করোনা ভাইরাস পজেটিভ শনাক্ত হয় এবং ৪৮ জনের করোনা নেগেটিভ আসে- যা একদিনে শতকরা শনাক্তের হার ৩২.৩৯ ভাগ।
করোনায় মোট সুস্থ হয়েছে চার হাজার ৩১২ জন, হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৪১৯ জন। বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে এক হাজার ২২ জন। এখন পর্যন্ত মোট ২৬ হাজার ৪১৩ জনকে কোয়ারেন্টাইনে আনা হয়েছিল।
এর মধ্যে ২৫ হাজার ৯০ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৬৯০টি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।
এর মধ্যে মোট পাঁচ হাজার ৪৫৫ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে জেলায় মোট করোনা শনাক্তের হার ১৪.৪৭ ভাগ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় ২১৩টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে জেলায় ৭০জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার আক্রান্তের শতকরা হার ৩২.৮৬ শতাংশ- যা গত এক মাসে সর্বোচ্চ। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আরও এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায়। এ পর্যন্ত জেলায় মৃত্যুবরণ করেছে ৯২ জন। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন শনিবার( ১২ জুন) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৩৯জন, নাগরপুরে একজন, দেলদুয়ারে পাঁচজন, মির্জাপুরে একজন, কালিহাতীতে ২১ জন, ঘাটাইলে একজন, মধুপুরে একজন ও ভূঞাপুর উপজেলায় একজন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী উপজেলা উত্তরাঞ্চল সহ দেশের বিভিন্ন জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার ট্রানজিট পয়েণ্ট হওয়ায় এ দুই উপজেলায় করোনা শনাক্তের হার অন্য উপজেলাগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। ইতোমধ্যে কালিহাতী উপজেলায় দুই দফায় ৩৩টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলা কড়া নজরদারীতে রাখা হয়েছে।
সিভিল সার্জর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ নিয়ে জেলার ১২টি উপজেলায় করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ হাজার ৪৩২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে চার হাজার ৩০৮ জন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে এ যাবৎ ৩৪০জন রোগী ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৪৪ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর(রেফার্ড) করা হয়েছে ৬০ জন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আইসিউ বেডে বর্তমানে ৬জন ও জেনারেল বেডে ১১জন নিয়ে মোট ১৭ জন করোনা ডেডিকেডেট ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায়। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা সিভিল সার্জন অফিসের সুত্র মতে, গত ২৪ ঘন্টায় ১৩০টি নমুনা পরীক্ষায় জেলায় সর্বোচ্চ ৪০জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ২০জন, দেলদুয়ারে ৬জন, সখীপুরে ৩জন, বাসাইলে ১জন, কালিহাতী ৯জন ও ঘাটাইলে ১জন নিয়ে মোট ৪০জন করোনায় আক্রান্ত।
এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ হাজার ২৭৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে ৪ হাজার ২৭৪ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৯০ জন।
এদিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে সর্বমোট ৩২৭ জন রোগী ভর্তি হয়। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২২৭জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে ৬০জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনালে হাসপাতালে আইসিউ বেডে ৬জন ও জেনারেল বেডে ১৭জন নিয়ে মোট ২৩জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দিন দিন করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় ১১৪টি নমুনা পরীক্ষায় ২৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১৩জন, বাসাইলে ২জন, কালিহাতী ৫জন, ঘাটাইল ১জন, মধুপুর ১ ও মির্জাপুরে ২জন নিয়ে মোট ২৪জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ।টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৫ হাজার ৭৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ৪ হাজার ২০৮ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৮২ জন।
এদিকে, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনা আইসোলেশন ইউনিটে সর্বমোট ৩০১জন রোগী ভর্তি হয়। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১৪জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে ৬০জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আইসিউ বেডে ৩জন ও জেনারেল বেডে ১৩জন নিয়ে মোট ১৬জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নুর-ই-খোদা রায়েজ নামে এক মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করছেন, চিকিৎসকের অবহেলায় ওই বীরমুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বিক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতালে ভাংচুর চালায়। এক পর্যায়ে নিহতের স্বজন ও হাসপাতালের কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে পাঁচ জন আহত হয়েছেন।
জানা যায়, মঙ্গলবার(১ জুন) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর-ই-খোদা রায়েজ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা না দিয়ে সিট না থাকায় মেঝের(ফ্লোরের) বিছানায় রাখা হয়। পরে কর্তব্যরত নার্স একটি ইনজেকশন দিতে তার স্বজনদের কাছে চার হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দেওয়ার পর অসুস্থ্য বীরমুক্তিযোদ্ধাকে ইনজেকশন দেওয়া হলেও কোন ডাক্তার তাকে দেখতে আসেন নি। মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর-ই-খোদা রায়েজ মারা যান। এ সময় বিক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চিকিৎসা অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে হাসপাতালের জানালা ভাংচুর করে।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক(আরএমও) ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব কয়েকজন কর্মচারী ও বহিরাগত ব্যক্তিকে নিয়ে বীরমুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের উপর পাল্টা হামলা চালায়। এ হামলায় নিহত বীরমুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের মধ্যে অন্তত পাঁচ জন আহত হয়। পরে স্বজনরা বীরমুক্তিযোদ্ধার লাশ নিয়ে বাড়ি যেতে চাইলে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক(আরএমও) ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব লাশ নিতে বাঁধা দেন। এ সময় আবার উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে নিহত মুক্তিযোদ্ধার ছেলে ইমরান ৯৯৯- এ ফোন করেন। ৯৯৯- এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর-ই-খোদা রায়েজের ছেলে ইমরান জানান, একজন বীরমুক্তিযোদ্ধাকে যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মারাত্মক অন্যায় করেছে। মৃত্যুর পর বীরমুক্তিযোদ্ধার মরদেহ স্বজনদের নিতে না দিয়ে আরএমও ডা. সজিব চরম ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। তিনি আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব ও তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
হুগড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা জানান, তার সামনেই হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব লোকজন নিয়ে নিহত বীরমুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের উপর হামলা চালিয়ে পাঁচজনকে আহত করেছে এবং মরদেহ নিতে বাধা দিয়েছেন। তিনিও অভিযুক্ত আরএমও’র শাস্তি দাবি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব জানান, রোগীর স্বজনরা অহেতুক হাসপাতালে ভাংচুর চালিয়েছে ও নার্সের শরীরে আঘাত করেছে। এ কারণে উপস্থিত হাসপাতালের স্টাফদের সাথে তাদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মীর মোশাররফ হোসেন জানান, এ ঘটনায় কোন পক্ষই থানায় অভিযোগ করেননি। কেউ অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় ১৭৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২০জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য সুত্রে জানা যায়, এদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৮ জন, কালিহাতীতে ৫জন, ধনবাড়িতে ২জন, দেলদুয়ার, বাসাইল, ঘাটাইল, ভুঞাপুর ও মধুপুরে একজন করে রয়েছেন।
এ নিয়ে মঙ্গলবার( ১ জুন) সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৫০৩৬ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৮২জন। আরোগ্য লাভ করেছেন ৪২০২ জন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩৫৬ জন। মোট কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৪৯৮০ জন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আবারোও করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ২৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য সুত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১২জন, বাসাইল ২জন, কালিহাতী ৪জন, ঘাটাইল ৪জন, গোপালপুর ২জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৫ হাজার ১৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে ৪ হাজার ২০১ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৮১ জন। ১২৭টি নমুনা পরীক্ষায় ২৪জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এদিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনা আইসোলেশন ইউনিটে সর্বমোট ২৮৮জন রোগী ভর্তি হয়।
এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২০৯জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে ৬০জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউ বেডে ৩জন ও জেনারেল বেডে ৬জন নিয়ে মোট ৯জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন দেশে এমন অন্তত দুজনের শরীরে ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ শনাক্ত হয়েছে। সম্প্রতি ভারতে বিরল ছত্রাকজনিত এই রোগটি ছড়িয়ে পড়ার পর বাংলাদেশে এ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে দুজন আক্রান্ত হওয়ার কথা জানা গেল।
চলতি মাসে রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতাল থেকে তাদের শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত করা হয়।বারডেম হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানান, গত ৮ মে ৪৫ বছর বয়সী এক রোগীর শরীরে মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এরপর গত ২৩ মে ৬০ বছর বয়সী আরেক জনের শরীরেও ছাত্রাকজনিত রোগটি শনাক্ত হয়।
বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল তাদের মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
এ বিষয়ে বারডেম হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. লাভলি বাড়ৈ বলেন, ‘আমাদের ল্যাবে দুজনের শরীরে মিউকরমাইকোসিস শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের চিকিৎসা দিচ্ছি এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছি।’
বারডেম হাসপাতালের ল্যাবরেটরিতে কোভিড-১৯ রোগীর শরীরে এবারই প্রথম ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হওয়ার কথা জানান তিনি।
আমরা সতর্কভাবে তাদের পর্যবেক্ষণ করছি’ উল্লেখ করে ডা. লাভলি বাড়ৈ বলেন, ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে অবস্থা গুরুতর হতে পারে। তাই, তাদের সতর্কভাবে চিকিৎসা দিতে হয়।’
তিনি আরও জানান, করোনা আক্রান্ত রোগীকে মাত্রা না বুঝে স্টেরয়েড দিলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে, যার ফলে রোগীর ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) মতে, মিউকরমাইসিটিস ছত্রাক থেকে মিউকরমাইকোসিস হয়ে থাকে। এটি বাতাসের চেয়ে মাটিতে এবং শীত ও বসন্তকালের চেয়ে গ্রীষ্ম ও শরৎকালে বেশি দেখা যায়। বেশিরভাগ মানুষই প্রতিদিন এই আণুবীক্ষণিক ছত্রাকের স্পোরের সংস্পর্শে আসে। সুতরাং এই মিউকরমাইসিটিসের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা প্রায় অসম্ভব।
তবে, বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে এই ছত্রাক ক্ষতিকর নয়। যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে তাদের শরীরে মিউকরমাইসিটিসের স্পোর প্রবেশ করলে ফুসফুস ও সাইনাস আক্রান্ত হতে পারে। যা পরে শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়ে।
সিডিসি’র মতে, এই বিরল ছত্রাকে আক্রান্তদের মৃত্যুহার ৫০ শতাংশ। তবে, ৯২৯টি ঘটনা নিয়ে করা ২০০৫ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে মৃত্যুহার ৫৪ শতাংশ।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সব বয়সী মানুষের এই ছত্রাকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি না থাকায় এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার তেমন কিছু নেই।
তারা আরও জানান, কোভিড-১৯ ও ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগী, যারা স্টেরয়েড নিচ্ছেন, ক্যান্সার আক্রান্ত অথবা যারা অঙ্গ প্রতিস্থাপন করেছেন, তারা সবচেয়ে বেশি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছেন।
বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় তাই নয়, কোভিড-১৯ চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের কারণেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
ডা. লাভলি বাড়ৈ বলেন, ‘যখন একজন বয়স্ক ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, তখন যথেচ্ছভাবে স্টেরয়েডের ব্যবহারের কারণেও তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এর ফলে তিনি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হতে পারেন।’
ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ভারতের স্বাস্থ্যখাতে নতুন হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার পর বাংলাদেশের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা গত রোববার জানান, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় তারা খুব শিগগিরই একটি নীতিমালা তৈরি করবেন।
স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজারি কমিটি কিছু সুপারিশ তৈরি করছে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের স্বাস্থ্যসেবা উপদেষ্টা কমিটিও এই রোগ প্রতিরোধে কিছু বিধিবিধান তৈরি করছে। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণের চিকিৎসায় এগুলো খুব শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।’
ডা. নাজমুল আরও জানান, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের কোনো অস্বাভাবিক সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি।
তবে, ভারতে এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ২০০ জনের শরীরে মিউকরমাইকোসিস শনাক্ত হয়েছে, তাদের মধ্যে ২১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে ভারতের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, যেসব কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় অতিরিক্ত স্টেরয়েড ব্যবহার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ বাড়ছে।
ভারতের তামিলনাড়ু, গুজরাট, ওডিশা, রাজস্থান ও তেলেঙ্গানা- এই পাঁচ রাজ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরিন বলেন, ‘রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা রোগীরা সবচেয়ে বেশি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার রোগীরা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হলে তাদের অবস্থা গুরুতর হতে পারে। তাই, তাদের সতর্কভাবে চিকিৎসা দেওয়া উচিত।’
সিডিসি’র গাইডলাইন বলছে, অ্যান্টি ফাঙ্গাল মেডিসিন ব্যবহার করে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস চিকিৎসা করা হয়। এসব ওষুধের বেশিরভাগই শিরা পথে দেওয়া হয়। ব্ল্যাক ফাঙ্গাস চিকিৎসায় সবচেয়ে প্রচলিত ওষুধের মধ্যে আছে অ্যাম্ফোটেরিসিন বি। এই ওষুধটি সম্প্রতি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস চিকিৎসায় ব্যবহার করা হচ্ছে।
সেরে উঠতে রোগীকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত এই ওষুধ দিতে হতে পারে। তবে, কত তাড়াতাড়ি রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা আরম্ভ করা হয়েছে তার ওপরও এটা নির্ভর করে।
সম্প্রতিকালে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রায় ক্ষেত্রেই অস্ত্রোপচার করে রোগীর ছত্রাক আক্রান্ত কোষ ফেলে দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। এতে কিছু রোগী তাদের ওপরের চোয়াল ও চোখ হারিয়ে থাকেন।
সংবাদ সূত্র- ডেইলি স্টার অনলাইন
একতার কণ্ঠঃ দেশে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট (ধরন) শনাক্ত হয়েছে।
শনিবার রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।
করোনার ভারতীয় ধরনটি ‘বি.১.১৬৭’ নামে পরিচিত। এ ধরনটিকে অতি সংক্রামক বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতে করোনার সংক্রমণ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে এ ধরন ভূমিকা রাখছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভারতের বর্তমান করোনা পরিস্থিতির জন্য তিনটি কারণ উল্লেখ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তার মধ্যে একটি হলো করোনার অতি সংক্রামক ধরনের বিস্তার।
এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান ধরনের অস্তিত্ব মেলে বাংলাদেশে। ঢাকার বনানীর ৫৮ বছর বয়সী এক নারীর শরীর থেকে সংগ্রহ করা নমুনায় এই স্ট্রেইন পাওয়া যায় বলে নিশ্চিত করে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) জিনোমিক রিসার্চ ল্যাবরেটরির গবেষক দল।
এছাড়া গত ৫ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে আসা ছয়জনের দেহে করোনাভাইরাসের আরেক নতুন ধরন পাওয়া যায় বলে আইইডিসিআর থেকে জানানো হয়। রূপান্তরিত এই নতুন ধরন গত ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হয়।