/ হোম / অর্থনীতি
২৬ বছরে বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণ ব্যয়ের প্রায় দ্বিগুণ টোল আদায় - Ekotar Kantho

২৬ বছরে বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণ ব্যয়ের প্রায় দ্বিগুণ টোল আদায়

একতার কণ্ঠঃ প্রমত্তা যমুনা নদীতে নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু উদ্বোধনের পর থেকে গত ২৬ বছরে ৭ হাজার ৮৭৯ কোটি ২৯ লাখ ৭১ হাজার ৫০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

১৯৯৮ সালের জুন মাস থেকে চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত যানবাহন পারাপার থেকে এ টোল আদায় করা হয়- যা সেতু নির্মাণে বিনিয়োগের প্রায় দ্বিগুণ। বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, প্রথমে এ সেতুর নাম ছিল ‘যমুনা বহুমুখী সেতু’। পরে এর নামকরণ করা হয় ‘বঙ্গবন্ধু সেতু’। এ সেতু ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন। এর নির্মাণ ব্যয় হয়েছিল ৩ হাজার ৭৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

সেতু নির্মাণকালে ২৫ বছরে বিনিয়োগের টাকা তুলে আনার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের ৭ বছর আগেই এর নির্মাণ ব্যয় উঠে আসে। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের সড়কপথে যোগাযোগের জন্য ১৯৯৪ সালে যমুনা নদীর ওপর এ সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

সেতুটি যমুনা নদীর পূর্ব তীরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী(যদিও কাগজে-কলমে ভূঞাপুর) এবং পশ্চিম তীরে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে। ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন উদ্বোধনের পর যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণের পর এবারের ঈদুল আজহায় ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ যানবাহন পারাপার হয়েছে। ২৭ জুন রাত ১২টা থেকে ২৮ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত ৫৫ হাজার ৪৮৮টি গাড়ি সেতু পারাপারের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৩ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার ২০০ টাকা টোল আদায় হয়। এর আগে ২০২১ সালের ১৩ মে ২৪ ঘণ্টায় ৫২ হাজার ৭৫৩টি যানবাহন পারাপারের বিপরীতে টোল আদায় হয় ২ কোটি ৯৯ লাখ ১৮ হাজার ২৪০ টাকা।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের(বাসেক) বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল জানান, ১৯৯৮ সালের জুন মাসে ৯৮ লাখ টাকা টোল আদায় হয়। ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে ৬১ কোটি ২৭ লাখ, ১৯৯৯-২০০০ অর্থবছরে ৬৬ কোটি ৯৪ লাখ, ২০০০-০১ অর্থবছরে ৮২ কোটি ৮৪ লাখ, ২০০১-০২ অর্থবছরে ৯৩ কোটি ৫৮ লাখ, ২০০২-০৩ অর্থবছরে ১০৮ কোটি ৭২ লাখ, ২০০৩-০৪ অর্থবছরে ১৩১ কোটি ৮ লাখ, ২০০৪-০৫ অর্থবছরে ১৫২ কোটি, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ১৯৭ কোটি ৯৭ লাখ, ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ১৭৩ কোটি ৭৬ লাখ, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ২০১ কোটি ৯৬ লাখ, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ২১৪ কোটি ৪২ লাখ, ২০০৯-১০ অর্থবছরে ২৪২ কোটি ৯৯ লাখ, ২০১০-১১ অর্থবছরে ২৬৭ কোটি ১০ লাখ, ২০১১-১২ অর্থবছরে ৩০৬ কোটি ২৩ লাখ, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ৩২৭ কোটি ৯৮ লাখ, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৩২৫ কোটি ৩৮ লাখ, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৩৫১ কোটি ১৪ লাখ, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪০৪ কোটি ৮৮ লাখ, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৪৮৬ কোটি ৫২ লাখ, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৫৪৩ কোটি ৮০ লাখ, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫৭৫ কোটি ৩৪ লাখ, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৫৬০ কোটি ২৮ লাখ, ২০-২১ অর্থবছরে ৬৫৪ কোটি ৮২ লাখ, ২১-২২ অর্থবছরে ৭০৪ কোটি ৫৫ লাখ এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৬৮০ কোটি ৭৫ লাখ ৭১ হাজার ৫০০ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়ক দিয়ে উত্তরবঙ্গের ২৩টি জেলার যানবাহন চলাচল করে। স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন ১৮-২০ হাজার যানবাহন সেতু দিয়ে পারাপার হয়। ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবের ছুটিতে পরিবহনের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. জুলাই ২০২৩ ০৯:৪৫:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২১মে) সকালে জেলা প্রশাসকের সন্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. ওলিউজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফুদ্দীন, পৌর মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমূখ।

সমন্বয় সভায় বক্তারা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের বিষয়ে আলোচনা করেন।

মাসিক উন্নয়ন সভায় আরোও উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনছারী, বাশাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী ওলিদ ইসলাম, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাঃ সাদিকুর রহমানসহ উন্নয়ন সমন্বয় সভার সদস্যগণ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৩ ০২:১৪:এএম ৩ বছর আগে
উই’র টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি হলেন জ্যোতি - Ekotar Kantho

উই’র টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি হলেন জ্যোতি

একতার কণ্ঠঃ নারী উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ উইমেন এন্ড ই-কমার্স ট্রাস্ট ফোরাম (উই’র) টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি হলেন মাহবুবা খান জ্যোতি।

বৃহস্পতিবার (১৮ মে) বিকেলে বাংলাদেশ উইমেন এন্ড ই- কমার্স ট্রাস্ট ফোরাম (উই’র) সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশা টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধির দায়িত্ব দেন মাহবুবা খান জ্যোতিকে। এরপর থেকে তার সহকর্মী নারী উদ্যোক্তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসুবকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

উইমেন এন্ড ই-কমার্স ট্রাস্ট ফোরাম (উই’র) টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি মাহবুবা খান জ্যোতি বলেন, মাথার মুকুট অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা যেমন কঠিন তেমনি দায়িত্ব নেয়ার চেয়ে তা টিকিয়ে রাখা আরও বেশি কঠিন। আমাকে বিশ্বাস আর ভরসা করে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি সব সময় আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবো টাঙ্গাইল উইকে এগিয়ে নিতে।

তিনি আরও বলেন, উইতে আছি প্রায় ৩ বছর হয়ে গেল। আমি সব সময় নজর দিয়েছি আমার কাজের প্রতি। আমার কাছে সব কথার উত্তর কাজ আমি এটাই বিশ্বাস করি কাজ করেই নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হয়। টাঙ্গাইলের উদ্যোক্তারা আমাকে চেয়েছেন। আমার সাথে নতুন করে এগিয়ে যেতে চায় উই’র জেলা প্রতিনিধি হয়ে আমি যেনো সেই দায়িত্বটা পালন করতে পারি। ২ মাস পর টাঙ্গাইলে যেনো আরো ৫০ জন উদ্যোক্তা আমার নাম গর্ব করে বলতে পারে সেভাবেই কাজ করে যাব। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি উই’র উদ্যোক্তাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যেতে চাই। আপনারা আমার পাশে থাকবেন আমার জন্য দোয়া করবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. মে ২০২৩ ০২:৩৬:এএম ৩ বছর আগে
করটিয়ায় বহুকাঙ্খিত ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন - Ekotar Kantho

করটিয়ায় বহুকাঙ্খিত ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ায় বঙ্গবন্ধুসেতু-ঢাকা মহাসড়কের মাদারজানী এলাকায় বহুকাঙ্খিত ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা‌ হয়েছে।

সোমবার (১৫ মে) সকালে ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত এই ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় উপ-প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন,টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমান, বাসাইল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মির্জা রাজীক সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উদ্বোধনী বক্তৃতায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী বলেন, মাদারজানী গ্রামের মধ্যেদিয়ে মহাসড়ক নির্মিত হওয়ায় গ্রামটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। ফুটওভার ব্রিজ না থাকায় মহাসড়ক পারাপার হতে এখানে অনেক মানুষ অকালে প্রাণ হারিয়েছেন।

তিনি আরোও বলেন, এছাড়াও এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের ফসল এ ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ। আশা করছি দুই-তিন মাসের মধ্যেই এ ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে। এলাকাবাসীসহ পথচারীরা এর সুফল পাবে।

উল্লেখ্য, সাসেক-২ প্রকল্পের আওতায় এম রহমান নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যায়ে ফুটওভার ব্রিজটি নির্মাণের কার্যাদেশ পেয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. মে ২০২৩ ০৩:১১:এএম ৩ বছর আগে
করটিয়া বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নব নির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

করটিয়া বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নব নির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের সা’দত বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নব নির্বাচিত কার্যকরী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার(১২ মে) বিকালে সা’দত বাজার মসজিদ রোডে এ অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল – ৫ (সদর) আসনের সাংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন।

উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সোনিয়া খান পন্নী। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী।

সা’দত বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো.ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সৈয়দ মাজেদুল আলম নাঈম, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আনছারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সিকদার, ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. আক্তার হোসেন,পুজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মলয় কুমার পাল,আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এমদাদুল হক এনামুল ,সা’দত কলেজের সাবেক এজিএস সোহেল আনছারী,উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ ফরিদ প্রমুখ।

অভিষেক অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সা’দত বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইমন তালুকদার রাজীব।

পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. মে ২০২৩ ০২:০৯:এএম ৩ বছর আগে
বঙ্গবন্ধু সেতুতে বাড়ছে যানবাহন, একদিনে টোল আদায় ২ কোটি - Ekotar Kantho

বঙ্গবন্ধু সেতুতে বাড়ছে যানবাহন, একদিনে টোল আদায় ২ কোটি

একতার কণ্ঠঃ আসন্ন ঈদুল ফিতরের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এই ঈদকে সামনে রেখে ঈদের ছুটির আগেই ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতিমধ্যে মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহন বৃদ্ধির ফলে বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে পারাপার ও টোল আদায় স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, গত সোমবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ৬ টাকা থেকে মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সেতুর উপর দিয়ে ছোট-বড় ২২ হাজার ৪৮৫টি যান পারাপার এবং ২ কোটি ৯ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

তার মধ্যে বঙ্গবন্ধু সেতু-পূর্ব টাঙ্গাইল অংশে ১১ হাজার ৫৫৮টি যানবাহন পারাপার করেছে ও টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৩ লাখ ১৬ হাজার টাকা এবং সেতু পশ্চিম সিরাজগঞ্জ অংশে ১০ হাজার ৯২৭টি যানবাহন পারাপার করেছে ও টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬ লাখ ৬২ হাজার ৯০০ হাজার টাকা।

এদিকে মঙ্গলবার ভোর থেকে মহাসড়কের টাঙ্গাইল রাবনা বাইপাস, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড ও বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশন এলাকায় ঘুরে মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ বাড়তে দেখা গেছে। তবে বেলা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চাপ বাড়লেও স্বাভাবিক গতিতেই যানবাহন চলাচল করছে।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু সেতু অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুল কবীর পাভেল জানান, যানবাহনের চাপ বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেতুতে ২২ হাজার ৪৮৫টি যানবাহন পারাপার এবং ২ কোটি ৯ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। ঈদে ঘরমুখো মানুষদের যাতে ভোগান্তিতে পড়তে না হয় সে লক্ষ্যে অতিরিক্ত টোল বুথ বসানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. এপ্রিল ২০২৩ ০৪:৪২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নারী উদ্যোক্তাদের উই হাটবাজার মেলা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নারী উদ্যোক্তাদের উই হাটবাজার মেলা

একতার কণ্ঠঃ ঈদ উপলক্ষে টাঙ্গাইলে নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে দিনব্যাপী উই হাটবাজার মেলা বসেছিলো।

শনিবার (১৫ এপ্রিল) টাঙ্গাইল পৌরসভা মিলনায়তনে নারী উদ্যোক্তাদের সংগঠন উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্স (উই) ট্রাস্টের উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়। সকাল ১১ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত একটানা চলে এ মেলা।

মেলায় ১৩টি স্টল বসেছিলো। যেখানে টাঙ্গাইলের সফল নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য সরাসরি পরখ করে কেনার সুযোগ মিলে ক্রেতাদের।

এখানে নারী উদ্যোক্তাদের হাতে তৈরি নানা ধরনের পণ্যে সাজানো হয়েছিল একেকটি স্টলে। কোনোটিতে দেশীয় তৈরি পোষাক, দেশীয় অলংকার, দেশীয় হস্তশিল্প, কোনো স্টলে বাহারি সাজসজ্জার উপকরণ। হাতে বানানো শীতল পাটির ব্যাগসহ বিভিন্ন পণ্য এ মেলায় উঠেছিলো।

মেলায় আসা তানজিন তালুকদার জানান, উই হাটবাজারে ঘুরে ভীষণ ভালো লাগলো। দেশি পণ্যের একসাথে সব সমাহার দেখে মন ভরে উঠে। সেই সাথে দামটাও আমার কাছে কম মনে হয়েছে মার্কেটের তুলনায়। সব ধরণের দেশি পণ্যই মোটামোটি ছিলো হাটবাজারের স্টলগুলোতে।

আয়োজকরা জানান, উই’র এ ধরনের উদ্যোগে স্থানীয় পর্যায়ে নারী উদ্যোক্তারা আরও উদ্বুদ্ধ হবে। দেশীয় পণ্য উৎপাদন ও প্রসারে ভূমিকা রাখবে। ছোট ছোট পরিসরে এমন মেলা স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনার খাত তৈরি করবে। নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলা, কর্মসংস্থান তৈরি করা, দেশীয় পণ্যের প্রসার এবং তৃণমূল পর্যায়ে উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যেই উই হাটবাজার মেলার আয়োজন।

তারা আরও জানান, ঢাকাসহ দেশের ৬৪ জেলায় উই হাটবাজার মেলা শনিবার থেকে শুরু হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলের নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে এ মেলার আয়োজন করা হয়। আশা করি, বিভিন্ন উৎসবে এ রকম আয়োজন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. এপ্রিল ২০২৩ ০৩:৫৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাসি ইফতার ও মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্য বিক্রির অভিযোগে অর্থদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাসি ইফতার ও মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্য বিক্রির অভিযোগে অর্থদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্য ও বাসী ইফতার সামগ্রী সংরক্ষণ করে বিক্রি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান-খাবার হোটল গুলোতে মূল্য তালিকা না থাকার অপরাধে ৪ হোটেল মালিক এবং ব্যবসায়ীকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়।

রবিবার (২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব এলাকার পাথাইলকান্দি বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিপ্তর টাঙ্গাইলের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সিকদার শাহীনুর আলমের নেতৃত্বে তদারকিমূলক এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জরিমানাপ্রাপ্ত হোটেল ও দোকানগুলো হচ্ছে-
মেসার্স বিসমিল্লাহ হোটেলকে ৫ হাজার টাকা, মেসার্স মৌচাক মিষ্টিঘরকে ২ হাজার। মূল্য তালিকা না থাকায় মেসার্স ভাই ভাই ব্রয়লারকে ৩ হাজার ও মেসার্স রুবেল পোল্ট্রি হাউজকে ৩ হাজার টাকা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা ধার্য ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

এ ব্যাপারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিপ্তরের টাঙ্গাইলের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সিকদার শাহীনুর আলম জানান, রমজান মাস উপলক্ষে হাট-বাজারগুলো নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ভূঞাপুর উপজেলার পাথাইলকান্দি বাজারেও তদারকির অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ফ্রীজে রেখে বাসি ইফতার, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য বিক্রি করা ও মূল্য তালিকা প্রদর্শন না থাকার অপরাধে ৪ হোটেল ও ব্যবসায়ীকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, অভিযানে সকলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন- ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাকলাপ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়া ব্যবসায়ীদের ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদ সংরক্ষণ, মূল্য তালিকা প্রদর্শন করতে জনসচেতনতার বৃদ্ধির লক্ষে হ্যান্ড মাইকে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। ভোক্তা অধিকারের এ ধরণের তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. এপ্রিল ২০২৩ ০২:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
সখীপুরে আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে সমিতির টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

সখীপুরে আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে সমিতির টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে টেংরা মাদলা খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির বহিস্কৃত কোষাধ্যক্ষ ও আওয়ামীলীগ নেতা মান্নান শিকদারের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন করেছে ওই সমিতির সদস্যরা।

বুধবার (২৯ মার্চ) সকালে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের টেংরা মাদলা খাল সমিতির কার্যালয়ে সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানব বন্ধনে মান্নান শিকদারের বিরুদ্ধে সমিতি ও সদস‍্যদের ৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা আত্মসাতসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

মান্নান শিকদার কাকড়াজান ইউনিয়ন আ.লীগের সহ-সভাপতি এবং ওই সমিতির সাবেক কোষাধ্যক্ষ।

ওই সমিতির সদস‍্য রেবেকা বলেন, মান্নান শিকদার সমিতির অর্থ সম্পাদক থাকা কালে গাভী দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়েছে। টাকা চাইতে গেলে মামলার ভয় দেখায়। তাই ইউএনও’র কাছে অভিযোগ করেছি। আমার মত আরো ৫ জন সদস‍‍্যের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। আমরা এই প্রতারকের বিচার চাই।

ওসমান গণি বলেন, এ সমিতিতে বৃক্ষরোপনের একটি প্রকল্প আসে। মান্নান শিকদার তার লোকবল নিয়ে রাতের আঁধারে সেই গাছগুলো তুলে ফেলেছে। ওই প্রতারকের আমরা বিচার চাই।

টেংরা মাদলা খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির
সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস‍্য রুহুল আমীন জানান, ৬ জন সদস‍্য ও সমিতির নিজস্ব তহবিল হতে ৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মান্নান শিকদারকে সর্ব সম্মতিক্রমে কোষাধ্যক্ষ পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। টাকা আত্মসাৎ ঘটনায় আদালতে মামলা করা হয়েছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সে আমাদের বিরুদ্ধে নানাভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

এ বিষয়ে আওয়ামীলীগ নেতা মান্নান শিকদার জানান, আমি সমিতির কোন টাকা আত্মসাৎ করিনি। অভিযোগগুলো মিথ্যা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২৩ ০২:৩৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দোকান মালিক সমিতির সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দোকান মালিক সমিতির সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

একতার কণ্ঠঃ পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্য মূল্যের দাম গ্রাহক পর্যায়ে সহনীয় ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টাঙ্গাইল শহর দোকান মালিক সমিতির সাথে মতবিনিময় করেছেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) দুপুরে সদর থানা ও পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার সাধারণ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির উদ্যোগে বাজারের চালপট্টি এলাকায় এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার সাধারণ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, ব্যবসায়ী ঐক্যজোটের সভাপতি আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, ক্লিনিক মালিক সমিতির সভাপতি এম শিবলী সাদিক প্রমুখ।

মতবিনিময় সভাটি পরিচালনা করেন পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার সাধারণ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আহসান খান আছু।

মতবিনিময় সভায় রমজান ও ঈদ পরবর্তি সময়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে চুরি, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধে জেলা পুলিশের টহল টিম কাজ করবে বলে পুলিশ সুপার আশ্বাস দেন।

এ সময় পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, শহরের বিভিন্ন মার্কেটের ব্যবসায়ী, হোটেল ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২৩ ০২:১৭:এএম ৩ বছর আগে
করটিয়া সা’দত বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ইউসুফ সম্পাদক রাজীব - Ekotar Kantho

করটিয়া সা’দত বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ইউসুফ সম্পাদক রাজীব

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাণিজ্যিক এলাকা করটিয়া ঐতিহ্যবাহী সা’দত বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো. ইউসুফ আলী ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সায়মন তালুকদার রাজীব।

শনিবার(১৮ মার্চ) গভীর রাতে প্রকাশিত ফলাফলে সভাপতি পদে মো. ইউসুফ আলী(চেয়ার) ১৪৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান রিপন(গরুরগাড়ী) পেয়েছেন ১২৫৩ ভোট।

অপরদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে সায়মন তালুকদার রাজীব( দেয়ালঘড়ী) পেয়েছেন ১৮১৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. আব্দুর রশীদ হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৪৫ ভোট।

এছাড়া সমিতির নির্বাচিতরা হচ্ছেন,সহ-সভাপতি পদে আজাদ সিদ্দিকী (মোরগ), মো. জামিল আক্তার খান(মই),সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন রাজু(হাতি), নাজমুল ইসলাম মনির(আনারস),আইন বিচার ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহ্ শাহীন(মোমবাতি), কোষাধ্যক্ষ মো. শাজাহান সিরাজ শাহীন(দোয়াত কলম), দপ্তর সম্পাদক খন্দকার হাসান জোহেব(সিএনজি), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. সজীব মিয়া (ফুটবল), ধর্ম সম্পাদক(ইসলাম) মো. জামাল মিয়া (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়),ধর্ম সম্পাদক(হিন্দু) মলয় চন্দ্র পাল( বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়)।

কার্যকরি পরিষদের সদস্য পদে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তাইফুর রহমান শান্ত(১৪৭২)। এছাড়া মো. মোজাম্মেল হক তালুকদার(১৩৮৩) ও মো. রাকিব সিদ্দিকী(১২৬৮) কার্যকরি সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন করটিয়া এইচ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. সহিদুল ইসলাম। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ মাজেদুল আলম নাঈম। এই নির্বাচনে ১৩ টি পদে ২৮ জন প্রার্থী অংশ গ্রহনের মাধ্যমে উৎসবমুখোর পরিবেশে শান্তিপুর্ণভাবে ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়। সমিতির ২ হাজার ৯’শ ৪০ জন ভোটারের মধ্যে ২ হাজার ৭’শ ৫৮ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. মার্চ ২০২৩ ১০:৩০:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হাইব্রিড সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বাড়ছে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হাইব্রিড সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বাড়ছে

একতার কণ্ঠঃ কম খরচে অধিক ফলন হয় সূর্যমুখীর। তেল জাতীয় এ বীজ চাষ ভালো হওয়ায় সূর্যমুখীর হাসিতে হাসছে টাঙ্গাইলের কৃষক এবং গ্রাম-বাংলার ফসলি জমি। ভোর হলেই মিষ্টি সোনা রোদে ঝলমল করে উঠে সূর্যমুখী ফুলগুলো। দেখে মনে হয় সবুজ পাতার আড়াল থেকে মুখ উঁচু করে হাসছে সূর্যমুখী। সূর্যমুখী দেখতে কিছুটা সূর্যের মতো। সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে বলে এ ফুলের নাম সূর্যমুখী ফুল। সূর্যমুখীর বাগানে প্রায় প্রতিদিন চলে প্রজাপতি আর মৌ-মাছির মেলা। নয়ন জুড়ানো এ দৃশ্যে খুশি কৃষক, তেমনি মোহিত করছে ফুলপ্রেমী মানুষকে।

সূর্যমুখী শুধু দেখতেই সুন্দর নয়, এর রয়েছে অনেক গুণাগুণ। বাজারেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। কৃষি প্রণোদনার আওতায় টাঙ্গাইলে চাষ হয়েছে তেলজাতীয় ফসল এই সূর্যমুখী। আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় গতবারের ন্যায় এবারও সূর্যমুখীর ফলন ভালো হয়েছে এ জেলায়। এতে খুশি চাষিরাও। তা ছাড়া বর্তমানে আকাঁশ ছোয়া তেলের দাম বৃদ্ধিতে ভোজ্য তেলের চাহিদাও পূরণ করবে এ হাইব্রিড জাতের সূর্যমুখী। তাই কম খরচে ভালো ফলন হওয়ায় দিন দিন সূর্যমুখী চাষে ব্যাপক আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।

টাঙ্গাইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ২৩০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আরও ১২ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে সূর্যমুখী। এনিয়ে জেলায় মোট ২৪২ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। ১২টি উপজেলার মধ্যে- টাঙ্গাইল সদরে ৪৫, বাসাইলে ৩৫, কালিহাতী ২০, ঘাটাইলে ১৫, নাগরপুরে ১৫, মির্জাপুরে ১৫, মধুপুরে ২০, ভূঞাপুরে ২০, গোপালপুরে ১২, সখীপুরে ১২, দেলদুয়ারে ১৫ ও ধনবাড়ীতে ১৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়।

গোপালপুর পৌরসভার ভূয়ারপাড়া এলাকার বয়োবৃদ্ধ নূরুল ইসলাম, তুলা মিয়া, হাসমত আলী, রাশিদা, জমিলা, রত্নাসহ অনেকেই জানান, জবরদখল হওয়া ১০ একর জমি উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন। সেখানে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। আরও দখলে খাকা জমিগুলো স্থানীয় প্রভাবশালীদের জবরদখলে থাকায় উদ্ধার করতে পারেনি।

ভূঞাপুর উপজেলার গাড়াবাড়ি এলাকার চাষি মুশফিকুর রহমান বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় ১০ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছি। প্রতিদিন বিকেল বেলায় আমার জমিতে ফোটা সূর্যমুখী ফুল দেখার জন্য দূর-দূরান্ত হতে অনেক দর্শনার্থীরা দেখতে আসত। সূর্যমুখী ফুলের সঙ্গে ছবি তুলে সময় কাটান বিনোদনপ্রেমীরা। তা দেখে আমার আনন্দ লাগে। তা ছাড়া আমাকে দেখে এলাকার অনেক কৃষকরা সূর্যমুখী ফুলের চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ বছর সূর্যমুখী চাষে ভালো সফলতা আসবে এবং অনেক লাভবান হতে পারব বলে আশা করছি।

সূর্যমুখীর মাঠে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও বিনোদনপ্রেমীরা ভিড় করেছেন সূর্যমুখীর মাঠে। সূর্যমুখী ফুলের সঙ্গে কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছে। স্থানীয় কৃষকরা চাষিদের সঙ্গে কথা বলে সূর্যমুখী চাষের জন্য নানা ধরনের পরামর্শ নিচ্ছেন। এ ছাড়া স্থানীয় কৃষি বিভাগ কৃষকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করছে।

টাঙ্গাইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক আহ্সানুল হক বাশার বলেন, চলতি মৌসুমে জেলার ২৩০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আরও ১২ হেক্টর জমি বেশি হওয়ায় জেলায় মোট ২৪২ হেক্টর জমিতে সূর্যমূখীর চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ১৪ হেক্টর বেশি। প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে সূর্যমুখীর বীজ ও সার দেওয়া হয়েছিল। গত বছর ৪৩৫ মেট্রিকটন সূর্যমুখীর বীজের ফলন পেলেও এ বছর ২৪২ হেক্টর জমি থেকে ৪৪২ মেট্রিকটন সূর্যমুখীর বীজের ফলন পাব বলে আশা করছি।

তিনি আরও জানান, এ বছর জেলায় সূর্যমুখী বেশিরভাগই চাষ করা হাইব্রিড জাতের এবং বাংলাদেশ গবেষণাগার থেকে বারি-১৪ সূর্যমুখীর উৎপাদন বেশি হয়। আর তেলের পরিমাণও বেশি থাকে। সব দিক বিবেচনা করে তেলের চাহিদা পূরণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ডাক দিয়েছেন যে, আমাদের দেশীয় তেল স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে হবে। সে লক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনায় আমরা টাঙ্গাইলে কাজ করে যাচ্ছি এবং সরিষার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত তেল জাতীয় সূর্যমুখীর চাষ বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২৩ ০১:১০:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।