একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি করোনাকালে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রণোদনা ও অনুদানের দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে। বুধবার(১৮ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি স্মরকলিপি গ্রহন করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন। এরআগে শহরের ভিক্টোরিয়া রোড থেকে র্যালি নিয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে পুস্তক বিক্রেতারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ করে।
এ সময় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম খান, সহ-সভাপতি আ. সালাম, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হারুন-অর-রশিদ, সাবেক সভাপতি খন্দকার আবু হানিফ ও শাহ হারুন-অর-রশিদ, কোষাধ্যক্ষ মোর্শেদ আলী খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের বেতডোবা এলাকায় প্রবল বৃষ্টিতে রাস্তার আরসিসি ঢালাই ধ্বসে পড়ায় যাতায়াতে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কামরুল ইসলাম, সোহেল আরমান, সাব্বির রহমান, জুলফিকার হোসেন, গৃহবধূ আঁখি আক্তার সহ অনেকেই জানান, দক্ষিণ বেতডোবা এলাকায় পুকুরের পাশ দিয়ে রাস্তাটি আরসিসি ঢালাই করা হয়। গত কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণে রাস্তার তলদেশ থেকে ভরাটকৃত বালি(এসএফ) প্যালাসাইটিংয়ের নিচ দিয়ে পাশের পুকুরে ধ্বসে যায়। ফলে রাস্তার আরসিসি ঢালাই ভেঙে পড়েছে। এতে স্থানীয়রা যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।
তারা আরও জানান, কয়েকদিনের টানা বর্ষণে রাস্তায় প্রথমে ফাঁটল ধরেছিল। শুক্রবার(১৩ আগস্ট) ও শনিবারের(১৪ আগস্ট) ভারি বর্ষণে পুকুরের পাড়সহ রাস্তার তলদেশের মাটি ধ্বসে যায়। পরে রাস্তার আরসিসি ঢালাই ভেঙে প্রায় ১০০ মিটার এলাকা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। জরুরি ভিত্তিতে রাস্তাটির সংস্কার না করা হলে এবং বৃষ্টির এ ধারা অব্যাহত থাকলে কয়েকটি বসতঘর সহ পুরো রাস্তাটিই পুকুরে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কালিহাতী পৌরসভার মেয়র মো. নুরুন্নবী সরকার জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রবল বৃষ্টিতে রাস্তার ঢালাইয়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অজয় কুমার দে লিটনকে রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের নির্দেশনা দিয়েছেন। আগামি সোমবার (১৬ আগস্ট) থেকে মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনার সঙ্গে ২১ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে লিগ ওয়ানের ক্লাব পিএসজিতে যোগ দিয়েছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। পিএসজিতে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেসি হয়ে গেলেন ক্লাবটির সর্বোচ্চ বেতন পাওয়া খেলোয়াড়।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা বেশ কিছু ফরাসি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বলছে, পিএসজি থেকে বার্ষিক ৪০ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪০০ কোটি) করে পাবেন আর্জেন্টাইন এ অধিনায়ক। এছাড়া সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, পিএসজি থেকে কোনোপ্রকার বোনাস নেবেন না সাবেক এ বার্সা লিজেন্ড।
বার্ষিক ৪০ মিলিয়ন ইউরো আয়ের মাধ্যমে মেসি প্যারিসের ক্লাবটির সবচেয়ে বেশি উপার্জনকারী খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত হবেন। তাছাড়া ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে লিগ ওয়ানের সর্বোচ্চ বেতন এখন মেসির। একই ক্লাবের ফুটবলার নেইমারের বার্ষিক ৩৬.৮ এবং এমবাপ্পের ২৫ মিলিয়ন ইউরো উপার্জনের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছেন আর্জেন্টাইন এ ফরোয়ার্ড।
তবে মজার ব্যাপার হলো, আর্জেন্টাইন এ তারকাকে দলে ভেড়ানোর পর তার ৩০ নম্বর জার্সি বিক্রি করেই পিএসজি ও নাইকির যৌথ আয় আসবে ১ হাজার ৫৮০ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি টাকায় ১৫ হাজার ৭২৪ কোটি টাকারও বেশি)। যা বর্তমান সময়ের হিসেবে পিএসজিতে মেসির প্রায় ৪০ বছরের আয়!
বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) আর্জেন্টিনার বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ভেরোনিকা ব্রুনাতি তার টুইটার একাউন্টে এই তথ্য জানিয়েছেন।
ওই টুইট বার্তায় তিনি লেখেন, “মেসির প্রতিটি পিএসজি জার্সির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫৮ ইউরো। আর ‘নাইকি’ অনুমান করেছে যে, তারা এই মৌসুমে ১০ মিলিয়ন ‘মেসির পিএসজি জার্সি’ বিক্রি করবে! অংকটা এবার করুন… এটা মেসির চুক্তির থেকেও অনেক বেশি। ”
এর আগে আর্জেন্টাইন এ তারকাকে দলে ভেড়ানোর পর নিজেদের অফিসিয়াল অনলাইন স্টোরে তার ৩০ নম্বর জার্সি বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে ফরাসি জায়ান্টরা। ৯২ পাউন্ড (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১০,৭৩৫ টাকা) চড়া মূল্যেও রেকর্ড পরিমাণ সময়ে মাত্র ২০ মিনিটের মাথায় জার্সিটির স্টক ফুরিয়ে যায়। অথচ মেসির জার্সির দাম ছিল নেইমার-এমবাপ্পে-রামোসদের চেয়ে দেড় গুণ বেশি! তবে এর দাম দোকানভেদে এখন আরও বেশি রাখা হচ্ছে।
সংবাদ সূত্র-বাংলা নিউজ ২৪.কম
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের তিন গ্রামের চার কৃষকের ১২টি গরু চুরি হওয়ার পর দুইটি ষাঁড় চোরদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এক গৃহস্তের গোয়ালে ফিরে আসার ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয়রা জানায়, ঘাটাইল উপজেলার মাকড়াই, সরিষাআটা ও বাঘাড়া গ্রামের চারজন কৃষকের ১২টি গরু গত মঙ্গলবার(১০ আগস্ট) দিনগত রাতে চুরি হয়।
এরমধ্যে মাকড়াই খালপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের তিনটি, সরিষাআটা গ্রামের শহিদুল্লাহ সিকদারের চারটি, একই গ্রামের সোহেল মিয়ার একটি এবং বাঘারা গ্রামের জব্বার সিকদারের চারটি গরু রয়েছে।
চুরি হওয়া ১২টি গরুর মধ্যে দুইটি ষাঁড় বুধবার(১১ আগস্ট) সকালে সরিষাআটা গ্রামের শহিদুল্লাহর গোয়ালে ফিরে আসে।
কৃষক শহিদুল্লাহ সিকদার জানান, চোরের দল গোয়ালঘরের তালা ভেঙে বাছুর সহ একটি দুধেল গাভী ও দুটি ষাঁড় নিয়ে যায়। তার মধ্যে ষাঁড় দুটি চোরদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাড়ি ফিরে আসে। চুরি করা গরু গাড়িতে তোলার সময় ষাঁড় দুটি ভয় পেয়ে দৌঁড় দেওয়ায় চোরের দল আটকাতে পারেনি বলে তিনি ধারণা করছেন।
ধলাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান এজহারুল ইসলাম জানান, এলাকায় গরু চুরির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। চুরি ঠেকাতে তিনি পুলিশের টহল জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন।
ধলাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফুল হাসান জানান, চুরির বিষয়টি কেউ তাকে অবগত করেনি। খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির একাংশের উদ্যোগে করোনাকালীন সংকটে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১১ আগস্ট) দুপুরে নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর হাউজিং এলাকায় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন স্থানীয় তিন ৩ শতাধিক ব্যক্তির মাঝে ওই প্যাকেটজাত খাবার বিতরণ করেন।
রান্না করা খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলাল, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, সাবেক প্রচার সম্পাদক অমল ব্যনার্জী, সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোমিনুল হক খান নিক্সন, সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম স্বপন, জেলা শ্রমিকদলের সাবেক সভাপতি বেল্লাল চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি শফিকুর ইসলাম শফি, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুবুর রহমান রিপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় জেলা বিএনপির ও সহযোগী সংগঠনের একাংশের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশ, জেলা বিএনপির কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে প্রায় তিন বছর ধরে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা পৃথকভাবে দলীয় কর্মসূচি পালন করছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে করোনাকালীন (দ্বিতীয় পর্যায়) ক্ষতিগ্রস্ত ৩২ জন সাংবাদিককে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আর্থিক সহযোগিতার চেক প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১ টার দিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে ওই চেক প্রদান করা হয়।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর আতাউল গণি। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সত্যেন্দ্র পাল।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক ইফতেখারুল অনুপম, কোষাধক্ষ্য আব্দুর রহিম, দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ।
পরে সাংবাদিকদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আর্থিক সহযোগিতার চেক প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে টাঙ্গাইলে কর্মরত ৩২ জন সাংবাদিক ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন।
আর্থিক সহায়তা পাওয়া সাংবাদিকগণ হচ্ছেনঃ সাপ্তাহিক গণবিপ্লব পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মাসুম ফেরদৌস, সময় মিডিয়ার চিত্র সাংবাদিক রাশেদ খান, বাংলাদেশ সমাচারের স্টাফ রিপোর্টার মনিরুজ্জামান মনির, আজকের দর্পণ জেলা প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন, সাপ্তাহিক পাপিয়ার প্রধান সম্পাদক সেলিম তরফদার, সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন ও তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রাকিব আদনান, আজকের দেশবাসীর স্টাফ রিপোর্টার নিলুফা ইয়াসমিন, কালের বার্তার চীফ রিপোর্টার খোরশেদ আলম, বনিক বার্তার জেলা প্রতিনিধি পারভেজ হাসান, ডেল্টা টাইমস জেলা প্রতিনিধি এম কবির, সাম্প্রতিক দেশকাল জেলা প্রতিনিধি নওশাদ রানা সানভী, ফিনান্সিয়াল এক্স্রপ্রেস জেলা প্রতিনিধি শাহাব উদ্দিন মানিক, বাংলা টিভি জেলা প্রতিনিধি খন্দকার হাবিবুল্লাহ কামাল, বাংলাদেশের আলো জেলা প্রতিনিধি শামীম আল মামুন, একুশের বানী জেলা প্রতিনিধি মোস্তাক হোসেন, মাতৃভমির খবর জেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ হোসেন, বাংলাদেশ নিউজ জেলা প্রতিনিধি মাসুদুল হক, ভোরের পাতা জেলা প্রতিনিধি আব্দুস সাত্তার, দেশের কন্ঠ জেলা প্রতিনিধি আব্দুল লতিফ তালুকদার, নবচেতনা জেলা প্রতিনিধি সাব্বীর আহমেদ আব্বাসী, আমার সংবাদ জেলা প্রতিনিধি রাইসুল ইসলাম, সকালের সময় জেলা প্রতিনিধি রাশেদ খান মেনন, ভাসানীর কথার স্টাফ রিপোর্টার সুজন মিয়া, জনতার কথা পত্রিকার সহ-সম্পাদক আব্দুল কাদের, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোকাদ্দেছ আলী, স্টাফ রিপোর্টার বজলুর রহমান খান সাবু, হাসান মিয়া ও জহিরুল ইসলাম, গুড মনিং জেলা প্রতিনিধি আতোয়ার রহমান, দেশবার্তা জেলা প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন ও আজকের বসুন্ধরা জেলা প্রতিনিধি সিরাজ আল মাসুদ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নবনির্মিত ১৫তলা ভবনের প্রথম এবং দ্বিতীয় তলায় করোনা রোগীদের চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সোমবার(২ আগস্ট) সকালে এ উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারী, পৌরসভার মেয়র এসএম. সিরাজুল হক আলমগীর এবং টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে কর্মকর্তা ও চিকিৎসকরা স্বাস্থবিধি মেনে উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি জানান, টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ১৫ তলা বিশিষ্ট ভবনটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন। হাসপাতাল ভবন উদ্বোধনের আগেই দেশে করোনা দুর্যোগ শুরু হওয়ায় ওই হাসপাতাল ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলা করোনা রোগীদের চিকিৎসা কাজে সাময়িকভাবে ব্যবহার করা হবে।
অপরদিকে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন খান জানান, টাঙ্গাইল জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুইজন ও উপসর্গ নিয়ে দুইজন মৃত্যুবরণ করেছেন। জেলায় ৯৮৯টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ২৪৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার শতকরা ২৪ দশমিক ৯৭ ভাগ।
তিনি জানান, এ পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৪ হাজার ১৭৩ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সাত হাজার ৭৭৮ জন। এ পর্যন্ত জেলায় ২১৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে একটি সড়কের সংস্কারের অভাবে দুই গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। নাগরপুরের দপ্তিয়র ইউনিয়নের ধূনাইল-দৌলতপুর চার কিলোমিটার দীর্ঘ একটি কাঁচা সড়ক থাকলেও দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় সারোটিয়া গাজি ও পাছ আরড়া গ্রামের মানুষ উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে পারছেনা। সড়কটির উন্নয়ন না হওয়ায় ওই দুই গ্রামের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিপণ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য মুখ থুবরে পশ্চাৎপদ জনপদ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
জানা যায়, টাঙ্গাইলের নাগরপুরের সাথে মানিকগঞ্জের(তৎকালীন ঢাকা জেলার) দৌলতপুরের যোগাযোগ স্থাপনে পাকিস্তান আমলে ধূনাইল-দৌলতপুর ভায়া সারোটিয়া গাজি ও পাছ আরড়া চার কিলোমিটার কাঁচা সড়ক নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় সড়কটি এখন সমতল ভূমিতে পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলে কাঁদা ও শুকনো মৌসুমে ধূলায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। ওই সড়কে নাগরপুর ও দৌলতপুরকে দ্বিখন্ডিত করেছে একটি খাল। বর্ষায় বানের পানিতে খালটি পরিপূর্ণ থাকে। বাধ্য হয়ে নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হয়।
সারোটিয়া গাজি গ্রামের আমিরুল ইসলাম আলোক ও মনির হোসেন সহ অনেকেই ক্ষোভের সঙ্গে জানান, বৃষ্টি হলে কাঁদা আর শুকনায় ধূলার সাগর পাড়ি দিয়ে চলাচল করতে হয়। রিকশা, সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলতে পারে না। এমনকি পায়ে হেঁটে চলাচলও কঠিন হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীরা স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় সময়মতো যেতে পারেনা। প্রসূতিদের সময়মতো হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়না। পণ্য পরিবহনে ঘোড়া ও গরুর গাড়ির কোন বিকল্প নেই।
তারা আরও জানান, এই সড়ক দিয়ে দুই গ্রামের হাজার হাজার মানুষের চলাচল। নির্বাচন এলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতারা নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে বার বার সড়কটি পাকা করার প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচিত হওয়ার পর কেউ কথা রাখেনি।
দপ্তিয়র ইউপি চেয়ারম্যান এম ফিরোজ সিদ্দিকী জানান, গ্রাম দুটির যোগাযোগ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নাজুক। ইউনিয়ন পরিষদের ছোট-খাট প্রকল্প দিয়ে এ সমস্যার সমাধান আদৌ সম্ভব নয়। মেগা প্রকল্প গ্রহন করার যোগ্যতা ইউনিয়ন পরিষদের নেই। তবে তিনি বিষয়টি উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় উত্থাপন করবেন।
একতার কণ্ঠঃ জমে উঠেছে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ভুরভুরিয়া গরু-ছাগলের হাট। প্রতিবারের মতো এবছরও কোরবানীর পশুর ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখর হয়ে উঠেছে এই হাট।বাদ যায়নি পাইকার ও দালালদের আনাগোনা।আসন্ন ঈদুল-আজহা উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলায় বেশ কয়েকটি কোরবানীর পশুর হাট বসানোর অনুমোদি দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে ভুরভুরিয়ায় অবস্থিত গরু-ছাগলের হাট অন্যতম ।
শনিবার(১৭ জুলাই) থেকে শুরু হয়েছে এই পশুর হাটটি।চলবে আগামী মঙ্গলবার(২০ জুলাই) ঈদুল-আজহার আগের দিন পর্যন্ত।এ হাটের সাথে টাঙ্গাইল,মানিকগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন অংশের যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত ভালো।টাঙ্গাইল-নাগরপুর আঞ্চলিক সড়কের পাশে, টাঙ্গাইল সদর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দুরে এই হাটের অবস্থান ।ফলে হাট বসার দ্বিতীয় দিনেই রবিবার(১৮ জুলাই) গরু-ছাগল নিয়ে হাজির জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সাধারন কৃষক-খামারী। আদরে পালন করা খাসি নিয়ে হাটে হাজির বেশ কয়েকজন গৃহবধু।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভুরভুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রায় ২ একর জায়গায় বসেছে গরুর হাট। বিদ্যালয় মাঠের পাশে মাছ বাজারে বসানো হয়েছে ছাগলের হাট। বিদ্যালয় ভবনেই পাইকার ও বিক্রেতাদের থাকার ব্যবস্থা করেছে হাট কতৃপক্ষ। যে কোন মূল্যের গরুর জন্য রওনা(খাজনা) ৫ শত টাকা আর ছাগল-খাসির জন্য ৩ শত টাকা ধার্য করেছেন হাট কতৃপক্ষ। এতে হাটে পশু কিনতে আশা ক্রেতাগণ অত্যন্ত খুশী। ইতিমধ্যে সারি সারি কোরবানীর গরুতে ভরে গেছে হাট প্রাঙ্গন। ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে পশু কেনা নিয়ে দরদাম চলছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রাকে করে গরু এনে নামাচ্ছেন খামারীগণ।বেশ একটা উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যায় হাট জুড়ে। পাশের মাছের বাজারে বসেছে ছাগল-খাশির হাট। এখানে বেশ কয়েকজন গৃহবধু খাসি নিয়ে এসেছেন বেচার জন্য। খাশির হাটও জমজমাট।

টাঙ্গাইল শহরের মুসলিম পাড়া থেকে হাটে গরু কিনতে আসা রাশেদ সিদ্দিকি বলেন,তিনি প্রতি বছর এই হাট থেকে কোরবানীর গরু কেনেন। এবার তিনি দেখতে এসেছেন গরুর দাম কেমন যাচ্ছে। যদি দামে মিলে যায় তবে এখান থেকেই এ বছরও কোরবানীর গরু কিনবেন।
তিনি আরো বলেন, এখানে যে কোন মূল্যের গরুর রওনা(খাজনা) মাত্র ৫ শত টাকা। যোগায়োগ ব্যবস্থাও ভালো। সহজেই গরু কিনে বাড়ী ফেরা যায়। হাট ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত ভালো। করোনা কালে শহরের ভিড় এড়িয়ে তাই আগে ভাগেই তিনি খোলামেলা এই হাটে এসেছেন কোরবানীর গরু কেনার জন্য।
এ ছাড়া পাথরাইল ইউনিয়নের বান্দাবাড়ী গ্রামের তাহেরুল ইসলাম,রেজাঊল করিম ও এনামুল হক পাশের অলোয়া বকুলতলী গ্রামের মোঃ ফজলুল হক, নাগরপুরের ভাররার আব্দুল মান্নান, বাঘিল ইউনিয়নের পাইকমুড়িল গ্রামের কবির খান, কাতুলির চৌবাড়ীয়া গ্রামের রাশেদ দেওয়ান জানান, এখানে অন্যন্য হাটের তুলনায় কোরবানীর পশুর দাম তুলনামূলক ভাবে অনেক কম।যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো, কোন ধরনের উটকো ঝামেলা নেই এই হাটে। তাই প্রতি বছর এই হাটেই আসেন তারা কোরবানীর গরু-ছাগল কিনতে।

গরু বিক্রেতা বান্দাবাড়ী গ্রামের আনোয়ার হোসেন বেপারী, সিলিমপুর ইউনিয়নের বরুহা গ্রামের মোনসের আলী গরু নিয়ে এসেছেন এই হাটে। আশা করছেন, তাদের গরু ভালো দামে বিক্রি হয়ে যাবে। ক্রেতার উপস্থিতি নিয়ে তারা সন্তষ্ট। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি গরু বিক্রি করেছেন তারা।
সিলিমপুর ইউনিয়নের চর পাকুল্ল্যা গ্রামের গৃহবধু হামিদা বেগম তার আদরে লালন-পালন করা খাসি নিয়ে এসেছেন ভুরভুরিয়া হাটে। তিনি তার খাসির দাম চাচ্ছেন ১৬ হাজার টাকা। তার আশা, এই দামেই তিনি খাসিটি বিক্রি করতে পারবেন।
বরুহা গ্রামের মীর শফিকুল ইসলাম জানান, এবছর কোরবানী দেওযান জন্য ১২ হাজার ৭ শত টাকা দিয়ে একটি খাসি কিনেছেন এই হাট থেকে। বাড়ি ফেরার পথে জানালেন, হাটের পরিবেশ ভালো। কোন রকম ঝামেলায় পড়তে হয়নি খাসি কিনতে গিয়ে।
ভুরভুরিয়া হাট পরিচালনা কমিটির সদস্য মোঃ শামিম-আল-মামুন জানান, ২০১১ সালে ভুরভুরিয়া হাটটি জেলা প্রশাসনের অনুমোদি নিয়ে বসানো হয়।হাটের আয়ের টাকা দিয়ে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান নিম্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারীদের বেতন ভাতা দেওয়া হয়।বিদ্যালয়টি এমপিও ভূক্ত না হওযায় হাটের আয়ের টাকা দিয়েই বিদ্যালয়ের সমস্ত ব্যয় নির্বাহ করা হয়।অন্য কোন খাতে এই হাটের আয়ের টাকা ব্যয় করা হয় না।
উল্লেখ,সরকারি হিসেবে জেলায় কোরবানির জন্য ৮৪ হাজার ২২০টি(গত দুই বছরের অনুপাতে) পশুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বেসরকারি হিসেবে এর সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানাগেছে, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় ছোট-বড় ৬ শতাধিক গরু মোটাতাজা করণের খামার রয়েছে। খামারগুলোতে ৯৫ হাজার ২০০ কোরবানির গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া জেলার কৃষক পর্যায়ে প্রায় ৫০ হাজার পশু মোটাতাজা করে কোরবানির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃদেশে লকডাউন শিথিল হওয়ায় মহাসড়কে বেড়েছে পরিবহন চলাচল। এতে দেশের বৃহৎ বঙ্গবন্ধু সেতুতে রেকর্ড পরিমাণ পরিবহন পারাপার হয়েছে। শুক্রবার (১৬ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে শনিবার (১৭ জুলাই) সকাল ৬টা পর্যন্ত সেতু দিয়ে প্রায় ৩৪ হাজার পরিবহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৯২ লাখ ৭৪ হাজার ৮০০ টাকা।
সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর দিয়ে বাস, ট্রাক ও অন্যান্য পরিবহন মিলে ৩৩ হাজার ৯১২টি পরিবহন পারাপার হয়েছে। এতে সেতুতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৯২ লাখ ৭৪ হাজার ৮০০ টাকা।
এর মধ্যে সেতুর পূর্বপাড়ে ১৭ হাজার ৫১৩টি পরিবহনের বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪৬ লাখ ৫ হাজার ১১০ টাকা এবং সেতুর পশ্চিমে ১৬ হাজার ৩৯৯টি পরিবহনের বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪৬ লাখ ৬৯ হাজার ৬৯০ টাকা।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বঙ্গবন্ধু সেতুর সাইট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে রেকর্ড পরিমাণ পরিবহন পারাপার হয়েছে। শনিবার(১৭ জুলাই) যে পরিমাণ গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত পরিবহন সেতু পারাপার হয়েছে তাতে আগামী ২৪ ঘন্টায় আরও বেশি হবে টোল আদায় হবে।
একতার কণ্ঠঃ ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, করোনাকালে অসহায়, গরীব-দুঃস্থ, খেটে খাওয়া ও কর্মহীন মানুষকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে খাদ্য ও নগদ অর্থসহ মানবিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন তা সারা বিশ্বে এক অনন্য নজির। দেশে খাদ্য নিয়ে কোন হাহাকার নেই। তারপরও এই ঈদুল আযহাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ কোটির বেশি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী চান, ঈদের দিনে কোনক্রমেই যাতে দেশের একটি মানুষকেও না খেয়ে থাকতে না হয়।
তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণরোধে আরোপিত লকডাউনে শ্রমজীবী ও স্বল্প আয়ের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয়ের পথ সংকুচিত হয়েছে। অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনার শুরু থেকেই খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে অব্যাহতভাবে এসব মানুষের পাশে আছেন।
শনিবার (১৭ জুলাই) সকালে তাঁর বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার যদুনাথপুর ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় গরীব অসহায় ব্যক্তি, দুঃস্থ পরিবার ও উপকারভোগীদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
যদুনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মীর ফিরোজ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ধনবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ হীরা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সামিউল হক, মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমিন, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর দখল থেকে উদ্ধার করা ৬৬ শতাংশ জমিতে শেখ রাসেল শিশুপার্ক প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী। রবিবার (১১ জুলাই) দুপুরে বৃহত্তর আকুরটাকুর পাড়া ও টাঙ্গাইলবাসীর ব্যানারে জেলা সদর রোডে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এরআগে গত বুধবার (৭ জুলাই) একই দাবিতে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে স্থানীয় দেড় শতাধিক ব্যক্তি সাক্ষরিত একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। স্মরকলিপির অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সহ বিভিন্ন দপ্তর ও জেলার জনপ্রতিনিধিদের কাছে দেওয়া হয়েছে। একই দাবিতে আগামি শুক্রবার (২৩ জুলাই) বৃহত্তর আকুর টাকুরপাড়ার উদ্যোগে গণসমাবেশ আহ্বান করা হয়েছে।
রবিবার দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মানবন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, কেএম জাকিরুল ইসলাম সংগ্রাম, মো. ওয়ালিদ হোসেন, গাজী সালাহ উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম স্বপন, এনামুল কবীর, ওয়ালিদ হোসেন, আকরাম হোসেন কিসলু প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল শহরের বৃহত্তর আকুর টাকুরপাড়া সবচেয়ে ঘণবসতিপূর্ণ এলাকা। এখানে শিশুদের বিনোদনের কোন জায়গা নেই। প্রাজ্ঞ রাজনীতিক আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর দখল থেকে উদ্ধার করা ৬৬শতাংশ জমিতে জেলা প্রশাসন প্রথমে শেখ রাসেল শিশুপার্ক নির্মাণ করার ঘোষণা দিলে আমরা উৎফুল্ল হয়েছিলাম। কিন্তু পরে জেলা প্রশাসন ওই জমি পৌরসভাকে বার্ষিক ইজারা দেয়। পৌরসভা সেখানে কাঁচাবাজার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ৬৭টি দোকান এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য উন্মুক্ত শেড নির্মাণকাজ শুরু করেছে।
বক্তারা আরও বলেন, জায়গাটি হঠাৎ করে পৌরসভাকে ইজারা দেওয়ায় আমরা খুবই মর্মাহত হয়েছি। ওই জায়গায় শেখ রাসেল শিশুপার্ক নির্মান না করে কাঁচাবাজার বসানোর তীব্র নিন্দা ও ঘোরতর বিরোধিতা করছি। অবিলম্বে কাঁচাবাজারের শেড নির্মাণ বন্ধ করে শেখ রাসেল শিশুপার্ক নির্মাণের জন্য আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।