/ হোম / অর্থনীতি
করটিয়ায় ইউটার্নের দাবীতে সড়ক অবরোধ - Ekotar Kantho

করটিয়ায় ইউটার্নের দাবীতে সড়ক অবরোধ

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের মাদারজানী এলাকায় ইউটার্নের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছে এলাকাবাসী।বুধবার(১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই অবরোধ কর্মসুচী পালন করা হয়।  একই দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন মাদারজানী এলাকার বিপুল সংখ্যাক নারী-পুরুষ।

পরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী ও করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু  বিষয়টি নিয়ে যথাযথ কতৃপক্ষের সাথে কথা বলার আশ্বাসের  প্রেক্ষিতে কর্মসুচী প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

অবরোধ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম শফি, ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এমদাদুল হক এনামুল , স্থানীয় মাদারজানী মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, মোস্তফা মুরাদ, আব্দুল গনি, বাবুল প্রমুখ।

অবরোধ চলাকালে বক্তারা বলেন, ঐতিহ্যবাহী করটিয়া কাপড়ের হাটের পাশ্ববর্তী এলাকা মাদারজানী । এখান দিয়ে শত-শত ব্যবসায়ী কাপড়ের গাড়ি নিয়ে এই রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করে।  মহাসড়কের এই অংশে ইউটার্ন না থাকায় বিপাকে হাজার-হাজার কাপড়ের মহাজন।

বক্তারা আরো বলেন,মাদারজানী গ্রামের মাঝখান দিয়ে মহাসড়ক হওয়ায় গ্রামটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করে ফেলেছে। ইউটার্ন না থাকায় মসজিদে নামাজ পড়া এবং মরদেহ সৎকার করা সম্ভব হচ্ছে না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:০৯:এএম ৫ বছর আগে
মধুপুর বনের হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে বন বিভাগের নানা উদ্যোগ - Ekotar Kantho

মধুপুর বনের হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে বন বিভাগের নানা উদ্যোগ

 

একতার কণ্ঠঃ মধুপুরে বনের হারানো ঐতিহ্য ফিরাতে শাল বনের সাথে মানান সই দেশী প্রজাতির বৃক্ষ রোপন কার্যক্রম শুরু করেছে বন বিভাগ। জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বন্য প্রাণীর খাদ্যের সংস্থান, নিরাপদ আবাস্থল টেকসই বনের জন্য বেত ও ভেষজ বৃক্ষের সমন্বয়ে বাগান করা হচ্ছে। টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের এ বনায়ন কার্যক্রমে মধুপুর শাল বনের হারানো ঐতিহ্য ফিরে আসবে এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

বন বিভাগের দোখলা রেঞ্জ সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল বন বিভাগের মধুপুরের দোখলা রেঞ্জের অরণখোলা মৌজায় সুফল প্রকল্পের মাধ্যমে ১শ হেক্টর দেশী নানা প্রজাতির ফলজ ও ৫০ হেক্টর বেত বাগান করা হয়েছে। জবর দখল রোধ, জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বন্য প্রাণীদের খাদ্যের সংস্থান, নিরাপদ আবাস্থল, বনের মধ্যে বেড়া হিসেবে বেত রোপন ও ভেষজ গাছের সমন্বয়ে এ বাগান করা হয়েছে।বনের ঐতিহ্য ফিরাতে ও পশু খাদ্যের জন্য দেশী প্রজাতির লটকন, ঢেউয়া, জলপাই, গোলাপজাম, তিতিজাম, ঢাকিজাম, কালোজাম, আমলকি, কাঠ বাদাম, তেঁতুল, চাপালিশ, বহেড়া, পেয়ারা, গাদিলা, নেওউর, গাব, আতাফল, জামরুল ও চালতা সহ নানা প্রজাতির ফলজের ১শ হেক্টর বাগান করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে সৃজিত বাগানে ফুল-ফল আসতে শুরু হয়েছে। ফুল ও ফলে বাগান সমৃদ্ধ হলে বন্য প্রাণীদের খাদ্যের সংস্থান হবে। এই বনের জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ হবে। বন রক্ষার পাশাপাশি জবর দখল রোধ হয়ে ফিরে আসবে মধুপুর শাল বনের হারানো ঐতিহ্য ।

সম্প্রতি টাঙ্গাইলে জেলা প্রশাসক ড. মো.আতাউল গনি, টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মো.জহিরুল হক, মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমীন সুফল প্রকল্পের এ বাগান পরিদর্শন করেন।এ সময় গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

দোখলা রেঞ্জকর্মকর্তা আব্দুল আহাদ জানান, সুফল প্রকল্পের মাধ্যমে দোখলা রেঞ্জে ১শ হেক্টর ফলজ ও ৫০ হেক্টর বেত বাগান সৃজন করা হয়েছে।জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ পশুখাদ্য ও নিরাপদ আবাস স্থলের জন্য দেশী প্রজাতির বহেড়া, আমলকি, কাঠবাদাম, জাম চালতা সহ আরো ২৫-৩০ প্রজাতির ফলজ বাগান করা হয়েছে। শাল বনের জীবন্ত বেড়া হিসেবে বেত বাগান করা হয়েছে। বাগানে ফুল-ফল ধরা শুরু হয়েছে।এ বাগান সমৃদ্ধ হলে মধুপুর বন তার হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাবে বলে তার ধারনা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:১৩:এএম ৫ বছর আগে
পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা থাকছে না: শিক্ষামন্ত্রী - Ekotar Kantho

পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা থাকছে না: শিক্ষামন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ ২০২৩ সাল থেকে পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) এবং অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা থাকবে না বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সোমবার( ১৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা উপস্থাপনের পর সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

দীপু মনি বলেন, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল মিলে হবে এইচএসসির ফল। এছাড়া দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাজন থাকবে না। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষাও হবে না।

পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) এবং অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষাও থাকবে না বলে জানান মন্ত্রী।

এছাড়া শুধু ১০ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে হবে পাবলিক পরীক্ষা হবে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৫২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভূমিকম্পের বিপদাপন্নতার মূল্যায়ন শীর্ষক কর্মশালা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভূমিকম্পের বিপদাপন্নতার মূল্যায়ন শীর্ষক কর্মশালা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডে ভূমিকম্পের বিপদাপন্নতার মূল্যায়ন (সামাজিক ও অবকাঠামো) শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার(১৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল পৌরসভার মিলনায়তনে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুল হাসান মামুনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অনলাইনে অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রাখেন, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক রাকিব আহসান, নগর পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক শাকিল আক্তার, সহকারী অধ্যাপক শেমন্তী আজিজ, নগর পরিকল্পনা বিভাগের প্রভাষক সাদিয়া আফরোজ।

এছাড়া পৌরসভা মিলনায়নে ১৩,১৪,১৫ নং ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর উল্কা বেগমসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বক্তরা বলেন, ভৌগলিকভাবে বাংলাদেশ একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ দেশ। তবে দুর্যোগের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়া, এগুলোর প্রভাব বা ক্ষয়ক্ষতি থেকে সর্বোচ্চ মাত্রায় রক্ষা পাওয়া, ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করা এবং তা পুষিয়ে নিয়ে পুনরায় জনগণকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। সে লক্ষে টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডে ভূমিকম্পের মোকাবেলায় সবাইক কাজ করতে হবে। একই সাথে সকলের সহযোগিতায় ভূমিকম্পের বড় ধরনের ক্ষতিক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:১২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৩৫০ কেজি চোরাই রাবারসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৩৫০ কেজি চোরাই রাবারসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনের সরকারি রাবার বাগান থেকে চুরি হওয়া অপরিশোধিত ৩৫০ কেজি রাবারসহ আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১২।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পীরগাছা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুর রাজ্জাক(৪২) একই উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের পীরগাছা গ্রামের আমির আলীর ছেলে।

র‌্যাব-১২ জানায়, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার গোলাম ফারুকের নেতৃত্বে একদল র‌্যাব সদস্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পীরগাছা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ৩৫০ কেজি অপরিশোধিত চোরাই রাবার সহ আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে মধুপুর মামলা দায়ের পূর্বক তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:০৯:এএম ৫ বছর আগে
প্রশস্ত হচ্ছে টাঙ্গাইল-কালামপুর সড়ক,ঢাকার সাথে দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার - Ekotar Kantho

প্রশস্ত হচ্ছে টাঙ্গাইল-কালামপুর সড়ক,ঢাকার সাথে দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার

একতার কণ্ঠঃ প্রশস্ত হচ্ছে টাঙ্গাইল-কালামপুর সড়ক। এ জন্য ‘টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া-কাওয়ালীপাড়া-কালামপুর বাসস্ট্যান্ড সড়ক আঞ্চলিক মহাসড়কের যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে, এক হাজার ৪৩৫ কোটি ৮৯ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।

প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে টাঙ্গাইল, দেলদুয়ার, নাগরপুর, ধামরাই ও সাটুরিয়া উপজেলার সাথে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার মধ্যে স্বল্পতম সময়ে নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হবে। এছাড়া প্রকল্প এলাকার জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি সাধিত হবে। তাই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে টাঙ্গাইল, দেলদুয়ার, নাগপুর, ধামরাই ও সাটুরিয়া উপজেলার সাথে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার মধ্যে স্বল্পতম সময়ে নিরবিচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় পিইসি (প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি) সভা। ওই সভায় দেওয়া সুপারিশগুলো প্রতিপালন করায় প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। অনুমোদন পেলে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদফতর।

প্রকল্প প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া (বালিয়াটি) সড়কটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা মহাসড়ক। যেটি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা থেকে শুরু হয়ে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি নামক স্থানে সমাপ্ত হয়েছে। জেলা মহাসড়কটির ঢাকা-টাঙ্গাইল জাতীয় মহাসড়ক এবং ঢাকা আরিচা জাতীয় মহাসড়কের মধ্যে ন্যূনতম সময়ে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেছে। উল্লিখিত মহাসড়কটিকে আঞ্চলিক মহাসড়কের যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় নির্মাণ করা হলে নাগপুরসহ টাঙ্গাইল অঞ্চলের মানুষ প্রায় ৪০ কিলোমিটার কম দূরত্ব অতিক্রম করে সহজে ঢাকায় যাতায়াত করতে পারবে।

এছাড়া টাঙ্গাইল জেলার সঙ্গে মানিকগঞ্জ জেলার মধ্যে ন্যূনতম সময়ে নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা সম্ভব হবে। ২৮ দশমিক ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া জেলা মহাসড়কটির সঙ্গে মানিকগঞ্জ সড়ক বিভাগাধীন গোলড়া-সাটুরিয়া জেলা মহাসড়কের ২ দশমিক ২৬ কিলোমিটার কাওয়ালিপাড়া-সাটুরিয়া জেলা মহাসড়কের ৪ দশমিক ২৪ কিলোমিটার, কালামপুর বাসস্ট্যান্ড-কাওয়ালিপাড়া-বালিয়া-ওয়ার্শি-মিজৃাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ১০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার, নতুন সড়ক নির্মাণ, বাঁকসরলীকরণ ৫ দশমিক ২ কিলোমিটার ও টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগাধীন টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার জেলা মহাসড়ক ১১ কিলোমিটারসহ মোট ৫টি মহাসড়কের ৬১ দশমিক ৫২ কিলোমিটার অংশকে একীভূত করে কালামপুর থেকে কাওয়ালীপাড়া, সাটুরিয়া, লাউহাটি, দেলদুয়ার হয়ে টাঙ্গাইল পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়ক মানে উন্নীতকরণ করা হলে নিরাপদ ও উন্নত সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পে টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া-কাওয়ালীপাড়া-কালামপুর বাসস্ট্যান্ড সড়কটিকে আঞ্চলিক মহাসড়কের যথাযথমানে উন্নীত করার মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে ৬১ দশমিক ৫২ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তশরণ ও মজবুতিকরণ, দূর্ঘটনা প্রবণ ঝুকিপূর্ণ স্থানে সড়ক বাঁক সরলীকরণ, বাজার এলাকায় রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ, ঝুকিপূর্ণ, ক্ষতিগ্রস্ত ও সরু সেতু কালভার্টের স্থলে ৪৪৬ মিটার ৩১টি কালভার্ট এবং ৩৮১ দশমিক ১৪ মিটার ৫টি সেতু পুনঃনির্মাণ করা হবে। এছাড়া পানি নির্গমনের জন্য ড্রেন ও সড়ক বাধ রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় রক্ষাপ্রদ কাজ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। টাঙ্গাইল ও মানিকগঞ্জের বিশাল জনপদে যোগাযোগের জন্য এটিই হবে মূল সড়ক এবং এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মূলত এই সড়কটিকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হবে। প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকার অধিকাংশ মানুষ পেশায় কৃষক এবং ব্যবসায়ী। তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য এবং অন্যান্য দ্রব্যাদিও দ্রুত ও সহজে পরিবহনের জন্য প্রস্তাবিত সড়কটি ব্যবহৃত হবে।

প্রকল্পের আওতায় মূল কার্যক্রমগুলো হচ্ছে, পেভমেন্ট প্রশস্তশরণ ও মজবুতিকরণ, ওভারলে সার্ফেসিং, সার্ফেসিং, গ্রেড সেপারেটেড ইন্টারসেকশন নির্মাণ, ইউ লুপ, আন্ডারপাস, আরসিসি রিজিড পেভমেন্ট, সসার ড্রেন এবং আরসিসি রিটেননিং ওয়াল নির্মাণ করা হবে।

এ বিষয়ে প্রকল্পটির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন আল রশীদ বলেন, প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে টাঙ্গাইল, দেলদুয়ার, নাগরপুর, ধামরাই ও সাটুরিয়া উপজেলার সাথে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার মধ্যে স্বল্পতম সময়ে নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হবে। এছাড়া প্রকল্প এলাকার জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি সাধিত হবে। তাই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:২৯:এএম ৫ বছর আগে
বাসাইলে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত , দুর্ভোগে মানুষ - Ekotar Kantho

বাসাইলে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত , দুর্ভোগে মানুষ

একতার কণ্ঠঃ যমুনা, ধলেশ্বরী, ঝিনাই নদীর পানি কমায় টাঙ্গাইলের কয়েকটি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে নিন্মাঞ্চল হওয়ায় বাসাইল উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত আছে। এ উপজেলার অধিকাংশ এলাকা এখনও বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে। এদিকে,পানি কমতে থাকায় এ উপজেলায় নদী ভাঙ্গন আবারো তীব্র আকার ধারন করেছে। বন্যা কবলিত এলাকার গ্রামীণ কাঁচা-পাকা সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বানভাসি মানুষগুলো গবাদিপশু নিয়ে পড়েছেন মহাবিপাকে।

পানিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে বীজতলা, রোপা আমন ধান ও সবজি খেত। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কালভার্ট। ভেঙ্গে গেছে রাস্তা-ঘাট। বানভাসিদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পারাপারের জন্য নৌকা কিংবা কলাগাছের ভেলাই একমাত্র ভরসা। শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে বেশ কিছু এলাকায়।

উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকার মধ্যে বেশি দুর্ভোগের শিকার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের আদাজান, কোদালিয়াপাড়া, যৌতুকি,জিকাতলী পাড়া, মটেশ্বর, তারাবাড়ি, সৈদামপুর পুর্বপৌলী, সিঙ্গারডাক, কালাচান পাড়াসহ ইউনিয়নের বেশিরভাগ গ্রাম। হাবলা ইউনিয়নের টেংগুরিয়াপাড়া, ছয়শত, জীবনেশ্বর, থুপিয়া, গুল্লা, বয়রা। ফুলকী ইউনিয়নের ফুলকী দক্ষিণপাড়া, বালিয়া, খাটরা, নিড়াইল, করোটিয়াপাড়া, ময়থা। কাশিল ইউনিয়নের ফুলবাড়ি, বাঘিল, স্থলবল্লা। কাউলজানী ইউনিয়নের বাদিয়াজান, সুন্না, বার্থা, গিলাবাড়ি, ডুমনীবাড়ি, কাঙ্গগাগলীছেও, এবং বাসাইল সদর ইউনিয়নের মিরিকপুর, রাশড়া, ইশ্বরগঞ্জ, হান্দুলী। এসব এলাকার মানুষের নৌকা ছাড়া যাতায়াতের কোন উপায় নেই।

বন্যা দুর্গত এলাকার কমলা রানী বলেন, গরু-বাছুর, হাস-মুরগী নিয়ে আমরা অনেক কষ্টে আছি। সবচেয়ে বেশি চিন্তা শিশু বাচ্চাদের নিয়ে। সব সময়ই আতংকে দিন কাটছে।

অসহায় ভূক্তভোগীরা জানান, করোনার ধকল না কাটতেই বন্যার জলে বন্ধি আমরা। কামাই-রোজি একবারে বন্ধ। অনেকেরই ঘরে চুলা জ্বলছে না। করোনার লকডাউন, আবার বন্যার পানি । জীবন আর চলে না।

কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন অর রশিদ জানান আমার ইউনিয়নে প্রায় প্রতিটি গ্রামের মানুষ পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে। পাকা কাঁচা রাস্তাগুলো তলিয়ে গেছে। কালর্ভাট ভেঙ্গে গেছে। রাস্তা ভেঙ্গে অনেকে জায়গায় বড়বড় খাদের সৃষ্টি হয়েছে। নৌকা ছাড়া চলাই যায় না।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনজুর হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ হতে আমরা বন্যা দুর্গত এলাকায় গিয়ে ত্রান পৌছে দিচ্ছি। ৩৩৩ নম্বরে কল দিলেও আমাদের পক্ষ হতে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়।ত্রাণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা উপজেলা প্রশাসনের রয়েছে।

বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, ভৌগলিক ভাবে বাসাইল একটি নীচু এলাকা। তাই প্রতি বছরই বন্যার সঙ্গে যুদ্ধ করেই বাঁচতে হয়। এবারও উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নেই মানুষ পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে। রাস্তা ঘাট ভেঙ্গে গ্রামীণ অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। পানি-বন্ধি সহায়তার জন্য ত্রাণ কার্যক্রম চলছে। এলাকায় আরও পর্যাপ্ত ত্রাণসহযোগিতার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:৪৩:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পানিবন্দি স্কুলের শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরা নিয়ে সংশয় - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পানিবন্দি স্কুলের শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরা নিয়ে সংশয়

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলে যমুনাসহ প্রধান নদীগুলোর পানি কমতে শুরু করায় জেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ, শ্রেনীকক্ষ আর রাস্তাঘাট পানির নীচে সেসব শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
ফলে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার পর তা খোলার সিদ্ধান্ত হলেও স্কুলে যাবার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হতে পারে পানিবন্দি এসব বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুরা।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের অয়নাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গিয়ে দেখা যায় স্কুলের মাঠে এখনো পানি প্রবাহিত হচ্ছে। স্কুলে যাতায়াতের রাস্তাটি পানির নীচে। আর বিদ্যালয়ের তিনটি ভবনের মধ্যে দুটির শ্রেনীকক্ষে পানি ঢুকেছে। ব্রেঞ্চগুলো বলতে গেলে পানির নীচে রয়েছে। সদর উপজেলার চর গালা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা একই অবস্থা। এ বিদ্যালয়ের মাঠে এখনো হাটু পানি রয়েছে। পশ্চিম দিকে একটি ভবনের প্রায় অর্ধেকটা রয়েছে পানির নীচে।

এ সময় স্থানীয় বেশ কয়েকজন লোকের সাথে কথা হয়। তারা জানান, বন্যার পানি নেমে না গেলে ছোট ছোট শিশুদের স্কুলে পাঠানো ঠিক হবেনা। কারন মাঠে এখনো পানি রয়েছে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পানি নেমে যাবে কিনা তার কোন নিশ্চয়তা নেই।

সদর উপজেলার ১৩ নং মগড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠেও পানি জমে রয়েছে। সেখানে অবস্থিত মগড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের মুল ভবনের সামনে জাল দিয়ে মাছ ধরার কাজে ব্যস্ত দেখা যায় স্থানীয়দের। বিদ্যালয়ের পুরো মাঠটি পানির নিচে রয়েছে।

এদিকে কালিহাতি উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের ১৪ নং সরকারী হাতিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলের মাঠ থেকে পানি নেমে গেলেও কাদায় পরিপুর্ন হয়ে রয়েছে।

এ স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ পারভিন বলেন, স্কুলের মাঠ থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। কিন্ত এখানকার বেশির ভাগ শিক্ষার্থীরা নদী পার হয়ে স্কুলে আসে। এছাড়াও স্কুলে আসার যে রাস্তাটি রয়েছে তা এখনো পানি নিচে রয়েছে। তার পরেও স্কুল খোলার সকল প্রস্তুতি নিয়ে তারা। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও শতভাগ আশা করছে স্কুল কতৃপক্ষ।

এসব স্কুলের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, পানির মধ্যেই ক্লাসে ফিরতে আগ্রহী। এতদিন পর স্কুলে যাবার জন্যে পুরো প্রস্তুতি রয়েছে তাদের। সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র রাজন জানায়, অনেকদিন ধরে স্কুলের বন্ধুদের সাথে দেখা হয়না। তাই যত কষ্ট হোক ১২ সেপ্টেম্বর থেকে তা স্কুলে যাবে। জানা গেছে, জেলার চরাঞ্চল ও নীচু এলাকার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চিত্র প্রায় একই রকম।

টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে, জেলার তিনশ’ ৬৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। এরমধ্যে ৩৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেনীকক্ষে এখনো পানি রয়েছে। অপরদিকে ৮৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। কিছু কিছু বিদ্যালয়ের পানি নেমে গেলেও রাস্তাঘাট ও বসতবাড়িতে এখনো পানি থাকার কারনে শিক্ষার্থীদের একটা অংশ ক্লাসে না ফেরার শংশয় রয়েছে।

এ ব্যাপারে সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী আহসান জানান, সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সকল প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। বন্যা কবলিত স্কুলগুলো নিয়েও কাজ করা হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও স্থানীয় ব্যাক্তিদের নিয়ে সমস্যা সমধানের চেষ্টা করা হবে। অর্থাৎ যে কোন উপায়ে ১২ সেপ্টেম্বর শতভাগ স্কুল খোলার নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনসারী জানান, বন্যা কবলিত স্কুলগুলোর পানি নামতে শুরু করেছে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে যাতে সবগুলো স্কুল খোলা যায় তার জন্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:১৮:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নদীতে কমছে পানি, বাড়ছে ভাঙণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদীতে কমছে পানি, বাড়ছে ভাঙণ

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি কোথাও উন্নতি আবার কোথাও স্থিতিশীল রয়েছে। এতে চরম দূর্ভোগে রয়েছেন পানিবন্দি মানুষ। বন্যা কবলিত অধিকাংশ এলাকায়ই দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানীয় জলের অভাব। চলতি বন্যায় জেলার ৮০ কিলোমিটার নদী বিধৌত এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জরুরী ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘন্টায় যমুনা, ধলেশ্বরী ও ঝিনাই নদীর পানি কমলেও বংশাইসহ অন্যান্য শাখা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যমুনা নদীর পানি ২৪ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার, ঝিনাই নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৭২ সেন্টিমিটার এবং ধলেশ্বরী নদীর পানি ৭ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৭২ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে বংশাই নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বংশাই নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার বাসাইল ও মির্জাপুর উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানায়, জেলার ভূঞাপুর উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন, কালিহাতী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের ৭টি ইউনিয়ন, নাগরপুর উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন, বাসাইল পৌরসভাসহ ৬ টি ইউনিয়ন, মির্জাপুর উপজেলার ৪টি ইউানয়ন ও দেলদুয়ার উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন। চলতি বন্যায় জেলার প্রায় দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানিতে নদী, খাল, বিল ও বাড়ির আঙিনা পানিতে থই থই করছে। এতে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বন্যা কবলিত এলাকায় এখনও লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। এতে চরম দূর্ভোগে রয়েছেন পানিবন্দি মানুষ। অধিকাংশ এলাকায়ই দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির অভাব।

বন্যার পানি বাড়ার সাথে সাথে ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধের উত্তর-পূর্বাংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পাছ বেথইর এলাকায় বাঁধের ১০০মিটারে ভাঙনের কবলে পড়ে ঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়াও ভূঞাপুর, কালিহাতী, বাসাইল, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল সদর আর নাগরপুর অংশে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। বন্যার পানিতে টাঙ্গাইল-পটলবাজার, টাঙ্গাইল-কাকুয়া, এলেঙ্গা-মগড়া, ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী বাজার থেকে ভালকুটিয়া পর্যন্ত পাকা সড়ক, বাসাইল পৌরসভার একটি ব্রিজ ও কাঞ্চনপুরের গ্রোথ সেন্টার-কাজিরাপাড়া সড়কে কালভার্ট প্রবল স্রোতে ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এসব এলাকার কাঁচা-পাকা সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গ্রামীণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানায়, জেলার ভূঞাপুর, কালিহাতী, টাঙ্গাইল সদর ও নাগরপুর উপজেলার বন্যা দুর্গতদের জন্য ৪০ মে.টন খাদ্যশষ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বন্যার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপনের জন্য প্রতিটি উপজেলায় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তালিকা পেলে যথাস্থানে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাঠানো হবে। এ ছাড়াও কালিহাতী উপজেলায় ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ১১৮ টি পরিবারের মাঝে নগদ ৫ হাজার টাকা ও ঢেউটিন দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ৯০টি পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়।

 

টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আহসানুল বাশার জানান, চলতি বন্যার পানি এক সপ্তাহের মধ্যে নেমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত ৭৯০ হেক্টর জমির আবাদকৃত রোপা আমনের ৫০-৬০ ভাগ ধান রক্ষা পেতে পারে। তিনি জানান, পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে ক্ষতিগ্রস্ত জমিতে নাভি জাতের আমন রোপনের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রণোদনার পাশাপাশি আগাম রবিশষ্য চাষে সহায়তা দিয়ে বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন তারা।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, জেলার ৮০ কিলোমিটার নদী এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পানি কমে গেলে স্থায়ীভাবে নদী তীর সংরক্ষণে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৫৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে চায়না জাল ধ্বংস - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে চায়না জাল ধ্বংস

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে নিষিদ্ধ চায়না জালের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অফিস।সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কালিহাতী পৌরসভার সিলিমপুর, নিশ্চিন্তপুর, বাংড়া ইউনিয়নের দয়থা ও কোকডহরা ইউনিয়নের মহিষজোড়ায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৫০০ মিটার চায়না জাল জব্দ করেন কালিহাতী সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল হাসান। পরে জব্দকৃত চায়না জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চায়না জাল দিয়ে মাছ শিকার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। বর্ষাকালে দেশীয় মাছের প্রজনন মৌসুম। এই মৌসুমে অবৈধ চায়না জাল ব্যবহার করে ছোট মাছ ও ডিমওয়ালা মা মাছ নিধন করা হচ্ছে। ছোট মাছ রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী এ ধরনের অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিতভাবে  অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ সময় উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন ও কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন সহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:১৫:এএম ৫ বছর আগে
দীর্ঘ ২১ বছর পর ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজার অপারেশন - Ekotar Kantho

দীর্ঘ ২১ বছর পর ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজার অপারেশন

একতার কণ্ঠঃ নানা জটিলতায় প্রায় দুই যুগ ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারসহ সব ধরনের অপারেশন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। অবশেষে দীর্ঘ ২১ বছর পর সিজার অপরেশন শুরু হয়েছে। এই  উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভূঞাপুরবাসী। রবিবার( ৫ সেপ্টেম্বর) দু’টি সিজারের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রথম দিনে করা দু’টি সিজারের দু’জনেই সুস্থ আছেন। তাঁরা দু’জন হলেন, উপজেলার পূর্ব ভূঞাপুরের আসাদুজ্জামানের স্ত্রী হ্যাপি আক্তার (২৫) এবং পাশের ঘাটাইল উপজেলার যোগিহাটি গ্রামের মোস্তফার স্ত্রী তাহমিনা খাতুন (২০)।

সিজার দুটি সম্পূর্ণ করেন ডা. মোছা. সালমা জাহান। এ সময় তাঁকে সহযোগিতা করেন শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. খন্দকার সাঈদ হোসেন, অ্যানেসথেসিয়া ডা. মো. আজিজুল হক, আরএমও ডা. এনামুল হক ও ডা. নিশাদ সাইদা।

সিজারিয়ান দম্পতি ও তাঁদের পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বাইরের অন্যান্য ক্লিনিকের চেয়ে এখানে টাকা কম খরচ হয়েছে ও সিজারের সময়ও কম লেগেছে। মা ও নবজাতক দু’জনেই সুস্থ আছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. এএফএম সাহাবুদ্দিন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মহীউদ্দিন প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:২১:এএম ৫ বছর আগে
কালিহাতীতে সাংবাদিক আব্বাস আলীর বিচারের দাবীতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে সাংবাদিক আব্বাস আলীর বিচারের দাবীতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের চরহামজানী গ্রামের সাংবাদিক আব্বাস আলীর বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। রবিবার( ৫ সেপ্টেম্বর) সকালে চরহামজানী গ্রামের সাত্তার মাষ্টারের বাড়ীর রাস্তার পাশে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকাবাসী।মানববন্ধন শেষে আব্বাস আলীর বিচারের দাবীতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা  হয়।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে স্থানীয় ইউপি সদস্য সোলায়মানসহ দুর্গাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের সাধারন লোক অংশ গ্রহন করেন।

মানববন্ধনে ইউপি সদস্য সোলায়মান, আব্দুল মোতালেব,তপন পাল বলেন, বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর  ভয় দেখিয়ে আব্বাস আলী বেশ কয়েক জন গ্রামবাসীর কাছ ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অসহায় গ্রামবাসী প্রতিবাদ করলে তাদেরও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

বক্তরা আরো বলেন, স্থানীয়দের বিভিন্ন ভাবে হয়রানির পাশাপাশি অন্যের জমি দখল করে বাংলা ডেজার বসিয়ে সাধারণ মানুষের চাষের জমির ক্ষতি করছে,এ ছাড়া আরো বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে কথিত সাংবাদিক আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে।মানববন্ধন থেকে বক্তারা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে  আব্বাস আলীর বিচার দাবি করেন।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা দুর্গাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেন, এলাকায় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:১৮:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।