/ হোম / অর্থনীতি
 টাঙ্গাইলে শিশু ও নারীর উন্নয়নে মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

 টাঙ্গাইলে শিশু ও নারীর উন্নয়নে মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ‘শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক যোগাযোগ কার্যক্রম পঞ্চম পর্যায়’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(৪ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিধান চন্দ্র কর্মকার।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার সত্যেন্দ্র নাথ পাল, টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, বিটিভি’র জেলা প্রতিনিধি জে সাহা জয় প্রমুখ।

জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিসের যৌথ আয়োজনে ওই সমাবেশে সমাজের বিভিন্ন স্তরের নারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:১৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অধিকাংশ নদীতে বাড়ছে পানি, প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অধিকাংশ নদীতে বাড়ছে পানি, প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলায় বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে পানি ক্রমাগত বৃদ্ধির ফলে নিম্নাঞ্চলের কাঁচা-পাকা রাস্তা ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় অনেকে পাহাড়িয়া এলাকায় আত্মীয়ের বাড়ি ও উঁচু সড়কের পাশে আশ্রয় নিয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। অধিকাংশ এলাকায় পানীয় জল ও শুকনো খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যার্তদের জন্য জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় মাত্র ৪০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দিয়েছে।

সরেজমিনে জানা যায়, জেলার ভূঞাপুর উপজেলার চারটি ইউনিয়ন, কালিহাতী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের ৭টি, নাগরপুর উপজেলার ৯টি, বাসাইল পৌরসভা সহ সবকটি(৬টি) ইউনিয়ন, মির্জাপুর ৪টি ও দেলদুয়ার উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে খাল, বিল, নদী ও বাড়ির আঙিনা পানিতে থই থই করছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

বন্যার পানি বাড়ার সাথে সাথে ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধের উত্তর-পূর্বাংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পাছ বেথইর এলাকায় বাঁধের ১০০মিটারে ভাঙনের কবলে পড়ে ঝুঁকিতে রয়েছে। ওই এলাকা দিয়ে পানি প্রবেশ করলে টাঙ্গাইল শহরে পানি ঢুকে পড়বে। এছাড়া যমুনায় ভূঞাপুর, কালিহাতী, টাঙ্গাইল সদর ও নাগরপুর অংশে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে।

বন্যার পানিতে টাঙ্গাইল-পটলবাজার, টাঙ্গাইল-কাকুয়া, এলেঙ্গা-মগড়া, ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী বাজার থেকে ভালকুটিয়া পর্যন্ত পাকা সড়ক, বাসাইল পৌরসভার একটি ব্রিজ ও কাঞ্চনপুরের গ্রোথ সেণ্টার-কাজিরাপাড়া সড়কে কালভার্ট প্রবল স্রোতে ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এসব এলাকার কাঁচা-পাকা সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গ্রামীণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ওইসব এলাকায় এখনও লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় এবার ৮৯ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ করা হয়। এরমধ্যে ৭৯০ হেক্টর জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

এদিকে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি স্থিতিশীল থাকলেও ধলেশ্বরী, ঝিনাই সহ অভ্যন্তরীণ সব নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬৭ সেণ্টিমিটার, ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার ৭৮ সেণ্টিমিটার ও ঝিনাই নদীর পানি বিপৎসীমার ৯২ সেণ্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা দিলীপ কুমার সাহা জানান, জেলার ভূঞাপুর, কালিহাতী, টাঙ্গাইল সদর ও নাগরপুর এ চারটি উপজেলার বন্যা দুর্গতদের জন্য ৪০ মে.টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, বন্যার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপনের জন্য প্রতিটি উপজেলায় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তালিকা পেলে যথাস্থানে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।

টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আহসানুল বাশার জানান, চলতি বন্যার পানি এক সপ্তাহের মধ্যে নেমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত ৭৯০ হেক্টর জমির রোপাআমনের ৫০-৬০ ভাগ ধান রক্ষা পেতে পারে। তিনি জানান, পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে ক্ষতিগ্রস্ত জমিতে নাভি জাতের আমন রোপনের জন্য তারা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রণোদনার পাশাপাশি আগাম রবিশস্য চাষে সহায়তা দিয়ে তারা ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, বন্যায় পানি বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জেলার ৮০ কিলোমিটার নদী এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পানি কমে গেলে স্থায়ীভাবে নদী তীর সংরক্ষণে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:২৩:এএম ৫ বছর আগে
১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষামন্ত্রী - Ekotar Kantho

১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষামন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক,মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) চাঁদপুরে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হতে পারে। তবে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলাসংক্রান্ত বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিংয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ ও তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের সব মেডিকেল কলেজ খুলবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি থাকায় শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে সরকার ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। পরে কয়েক দফা চেষ্টা করেও এই মহামারির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আর খোলা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে।চলমান এই ছুটি আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে। সে অনুযায়ী, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলমান ছুটি অব্যাহত থাকবে।

সম্প্রতি সচিব সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রুত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। এর পর থেকেই জোরেশোরে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন সংশ্লিষ্টরা।

সংবাদ সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:৪৭:এএম ৫ বছর আগে
বাসাইলে বর্ষার পানির প্রবল স্রোতে কালভার্ট ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন - Ekotar Kantho

বাসাইলে বর্ষার পানির প্রবল স্রোতে কালভার্ট ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে বর্ষার পানির প্রবল স্রোতে একটি কালভার্ট ভেঙে পড়েছে। এতে প্রায় ১০টি এলাকার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বুধবার(১ে সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার কাঞ্চনপুরের হালুয়াপাড়া গ্রোথ সেন্টার-কাজিরাপাড়া সড়কের কর্মকারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, উপজেলার কাঞ্চনপুরের হালুয়াপাড়া গ্রোথ সেন্টার- কাজিরাপাড়া সড়কের কর্মকারপাড়া এলাকায় প্রায় ৩০ বছর আগে এলজিইডির অধিনে নির্মিত হয় একটি কালভার্ট। কালভার্টটি প্রায় এক বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। ঝুঁকিতে থাকায় এলজিইডি কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি কালভার্টটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। পরে বুধবার ভোরে কালভার্টটি পানির প্রবল স্রোতে ভেঙে যায়। ফলে প্রায় ১০টি গ্রামের মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে করে এসব এলাকার মানুষ পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।
স্থানীয় আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমার সামনেই কালভার্টটি ভেঙে পড়ে। কালভার্টটি ভেঙে ১০-১৫টি গ্রামের মানুষের যাতায়াত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এ কারণে মানুষ চরম দুর্ভোগে নৌকাতে করে পারাপার হচ্ছেন।’

কাঞ্চনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ বলেন, কালভার্টটি প্রায় ৩০ বছর আগে নির্মাণ করা হয়। কালভার্টটি ঝুঁকিতে থাকায় কর্তৃপক্ষ পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। পরে বুধবার  সকালে কালভার্টটি ভেঙে পড়েছে।’

উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাজেদুল আলম বলেন, ‘কালভার্টটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে সেটি ভেঙে পড়েছে। সেখানে ২০ মিটারের একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো আছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:০৩:এএম ৫ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

একতার কন্ঠঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার(৩০ আগস্ট) রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাঙালি জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ উজ্জীবিত শিক্ষক সমাজের উদ্যোগে এক অনলাইন আলোচনা  অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেতা ফজলুর রহমান খান ফারুক।

অনুষ্ঠানের সভাপতত্বি করেন, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম সাইফুল্লাহ এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মীর মোঃ মোজাম্মেল হক।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, সংস্কৃতি ও নাগরিক অধিকার কর্মী মাহমুদ সেলিম, শিক্ষক, গবেষক ও নাট্যকার অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকী এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসুদার রহমান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২:২৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত

একতার কন্ঠঃ  দীর্ঘ ৭ বছর পর টাঙ্গাইলে জেলা ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার(৩১ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইনস্ মাল্টিপারপাস শেডে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা পুলিশ সুপার ও টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের সভাপতি সঞ্জিত কুমার রায়ের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ফুটবল এসোসিয়েশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইব্রাহীম নেসার, সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মাওলা ও তারেক মাহমুদ পুলু, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিল, জেলা ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কাজী নুসরাত এদীপ লুনা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন রেফারী টাইগার নজরুল ইসলাম।

সাধারন সভায় সর্বসন্মতিক্রমে আগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয়। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বেরের মধ্যে নতুন কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। ওই কমিটি গঠন ও নির্বাচন পরিচালনার জন্য ৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটির আহ্বায়ক হচ্ছেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন) কাজি নুসরাত এদিব লুনা। সদস্য হচ্ছেনঃ টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ও টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক কাজী জাকেরুল মাওলা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু ও জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিল ও টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট আলী ইমান তপন,।

পরে মধ্যন্ন ভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অগাস্ট ২০২১ ১১:৫৬:পিএম ৫ বছর আগে
বিমানের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’ - Ekotar Kantho

বিমানের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

একতার কণ্ঠঃ ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশ বিমানের পাইলট নওশাদ আতাউল কাইউম ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দিতে অনুমতির অপেক্ষা করছে। বিমানের একটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রোববার(২৯ আগস্ট) দুপুরে নওশাদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিমানের বেশ কয়েকটি অসমর্থিত সূত্র তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নওশাদের মৃত্যুর ঘোষণা এখনও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেয়নি। তিনি এখনও লাইফ সাপোর্টে আছেন।

সূত্রে জানা গেছে, নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালে কোমায় থাকা নওশাদ ক্লিনিক্যালি ডেড। পাইলট নওশাদের স্বজনরা এখনই লাইফ সাপোর্ট খুলে দিতে চাচ্ছেন না। তাদের দাবি, নতুন করে মেডিকেল বোর্ড বসানো হোক। পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর তারাই সিদ্ধান্ত দিক। এ দাবিতে বিমান কর্তৃপক্ষেরও সায় রয়েছে।

বাংলাদেশ পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুবুর রহমান জানান, ক্যাপ্টেন নওশাদের মৃত্যুর খবর সঠিক নয়। এখনও তিনি লাইফ সাপোর্টে আছেন।

এদিকে নওশাদের দুই বোন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

গত শুক্রবার মাসকাট-ঢাকা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের শিডিউল ফ্লাইট বিজি ০২২ মোট ১২৪ যাত্রী নিয়ে ঢাকা আসার পথে পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরের ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করে। এরপর নাগপুরের ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তাকে ভর্তি করা হয়।

শনিবার রাতেই নওশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

এর আগে ওই হাসপাতালের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রোশান ফুলবান্ধে জানিয়েছিলেন, ক্যাপ্টেন নওশাদ ‘কোমায়’আছেন। মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাকে সম্পূর্ণ ভেন্টিলেশনে নেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অগাস্ট ২০২১ ০২:১৩:এএম ৫ বছর আগে
মধুপুর বনাঞ্চলে সুফল প্রকল্পের সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

মধুপুর বনাঞ্চলে সুফল প্রকল্পের সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের অরণখোলা রেঞ্জে রোববার(২৯ আগস্ট) সকালে বন অধিদপ্তরের টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিও’র সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য আকতার হোসেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কুড়াগাছা ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক সরকার, মধুপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম, সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির সভাপতি বাতেন তালুকদার, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল্লাহ ফকির, সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির অংশিদার রেজাউল করিম প্রমুখ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অরণখোলা রেঞ্জ অফিসার এসএম আব্দুর রশিদ। প্রকল্প বিষয়ে ধারণা প্রদান করেন ইএসডিও’র প্রতিনিধি আহসান হাবিব নয়ন।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট সিটি কমিউনিটি দরিদ্র সনাক্তকরণ কমিটি(সিআইপি) গঠন করা হয়। সভায় চাপাইদ, অরণখোলা ও পিরোজপুর গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অগাস্ট ২০২১ ০১:৩৮:এএম ৫ বছর আগে
জনতা ব্যাংকের উদ্যোগে কালিহাতীর নাগবাড়ি ইউনিয়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ - Ekotar Kantho

জনতা ব্যাংকের উদ্যোগে কালিহাতীর নাগবাড়ি ইউনিয়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

একতার কণ্ঠঃ স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৬তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে শনিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে  জনতা ব্যাংক লিমিটেড এর উদ্যেগে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক শ্যামল কৃষ্ণ সাহার মাধ্যমে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ি ইউনিয়নের অসহায়, দরিদ্র, কর্মহীনদের মাঝে খাদ্য  সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জনতা ব্যাংক লিমিটেড টাঙ্গাইল কর্পোরেট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম, নাগবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মিল্টন সিদ্দিকী, জনতা ব্যাংক টাঙ্গাইল কর্পোরেট শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ, ইউপি সদস্য আয়নাল হক ও আঃ হামিদ,     স্থানীয়  মন্দির কমিটিরসাধারন সম্পাদক স্বপন পাল সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জনতা ব্যাংকের এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বক্তাগণ নাগবাড়ি ইউনিয়নের কৃতিসন্তান জনতা ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক শ্যামল কৃষ্ণ সাহার প্রতি কৃতজ্ঞতা সহ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে বিতরণ কার্য সম্পাদিত হওয়ায় জনতা ব্যাংক লিমিটেড টাঙ্গাইল কর্পোরেট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক নাগবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ও উপস্থিত সুধীজনকে ধন্যবাদ জানিয়ে আগামীদিনে জনতা ব্যাংকের পাশে থাকার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সহ পচাত্তরের ১৫ আগস্টের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অগাস্ট ২০২১ ০২:৩৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে টানা ৪ দিনে করোনায় মৃত্যু নেই, কমেছে সংক্রমণের হার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে টানা ৪ দিনে করোনায় মৃত্যু নেই, কমেছে সংক্রমণের হার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে এক মাস পর টানা চার দিন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করেনি। গত সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার( ২৬ আগস্ট) পর্যন্ত এই চার দিনে আক্রান্তের হারও অনেক কম। চার দিনে ১৯৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার( ২৬ আগস্ট)  দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩১৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫১ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ১৯, মধুপুরে ১১, গোপালপুরে ৬, কালিহাতীতে ৪, ভুঞাপুর ও ধনবাড়িতে ৩ জন করে, দেলদুয়ার ও নাগরপুরে দুজন করে ও বাসাইলে একজন রয়েছেন। আক্রান্তের হার ১৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের মোট রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ২৭৫ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় কেউ মারা যায়নি। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ২৫১ জন। আরোগ্য লাভ করেছেন ১০ হাজার ৯৬৭ জন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৪৯৫ জন।

এর আগে করোনায় মৃত্যু শূন্য ছিল গত ২২ জুলাই। তার আগে মৃত্যুশূন্য দিন ছিল এক জুলাই। জেলায় প্রথম করোনা শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ এপ্রিল। করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুবরণ করে ওই বছরের ২০ এপ্রিল।

গত এপ্রিল থেকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়। জুন মাস থেকে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে। জুলাই মাসে সর্বাধিক ছয় হাজার ৩০ জন শনাক্ত হন এবং ১০৫ জন মৃত্যুবরণ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অগাস্ট ২০২১ ০২:২৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে

একতার কণ্ঠঃ উজানের ঢল ও ভারী বর্ষণের কারণে টাঙ্গাইলের নদ-নদীর পানি বাড়ছে। বৃহস্পতিবার(২৬ আগস্ট) সকালে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৭ সেণ্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া জেলার ধলেশ্বরীতে ৪ সেণ্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২৩ সেণ্টিমিটার এবং ঝিনাই নদীর পানি ৯ সেণ্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে এ তথ্য জানাগেছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) জানায়, গত দুই দিন যমুনা নদীর পানি স্থিতিশীল থাকার পর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণের করণে জেলার অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে পানি বাড়ছে। ফলে জেলার চরাঞ্চল, নিম্নাঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদী তীরবর্তী এলাকার ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি প্লাবিত হচ্ছে। নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলা, কালিহাতী, বাসাইল, ভূঞাপুর, মির্জাপুর, বাসাইল ও নাগরপুর উপজেলার নিচু এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। কোথাও কোথাও নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে।

টাঙ্গাইল পাউবো ও কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে পানি বাড়লেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে পানি বৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকলে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, যমুনা নদীসহ জেলার সব নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে নদীর পানি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অগাস্ট ২০২১ ০২:১৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত সড়কে ধ্বস - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত সড়কে ধ্বস

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের হালুয়াপাড়া থেকে কর্মকারপাড়া পর্যন্ত ৯৫০ মিটার নবনির্মিত পাকা সড়কে ভাঙন দেখা দিয়েছে। নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় ইতোমধ্যে সড়কের দু’পাশে ধ্বস নেমেছে।

জানা যায়, বাসাইল উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের হালুয়াপাড়া থেকে কর্মকারপাড়া পর্যন্ত ৯৫০মিটার সড়ক জনগুরুত্ব বিবেচনায় পাকা করণের জন্য দরপত্র আহ্বান করে। ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯৫০ মিটার সড়ক পাকাকরণের কাজ পায় মেসার্স নাইস এণ্টারপ্রাইজ নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সড়ক নির্মাণে নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় সড়কের দু’পাশ ধ্বসে পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহন না করলে পুরো সড়কটিতেই ধ্বস নামার আশঙ্কা রয়েছে।

হালুয়াপাড়া গ্রামের জয়নাল মিয়া, আব্দুর রৌফ, জাহাঙ্গীর আলম সহ অনেকেই জানান, সড়কের দুই পাশে তিন ফুট প্রস্থের মাটি ভরাট করার কথা থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তা করেনি। এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অল্প পরিমানে নি¤œমানের বিটুমিন ব্যবহার করায় ইটের খোয়া দেখা যায়। কাজ করার সময় তারা অভিযোগ করায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেয়। সড়কটি জনগুরুত্বপূর্ণ বিধায় তারা এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে বার বার জানানোর পরেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে নবনির্মিত সড়কটি এক মাসের মধ্যে ভেঙে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে।

মেসার্স নাইস এণ্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী মো. নাইস জানান, নতুন মাটি ও বালুর ওপরে পিচ ঢালাই করা হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে তাই সড়কটির কিছু অংশ ধ্বসে গেছে। এ কারণে হয়তো স্থানীয়রা নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ভাঙা অংশ বর্ষার পরে ঠিক করে দেওয়া হবে এবং সড়কের দুইপাশে মাটিও দেওয়া হবে।

বাসাইল এলজিইডি’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান জানান, সড়কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করা হয়েছে। বর্ষা মৌসুম চলে গেলে তারা সড়কটি পুণুনির্মাণ করে দিবে। মাটির সমস্যার কারণেই সড়কটির এমন অবস্থা হয়েছে।

বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী(এলজিইডি) আব্দুল জলিল জানান, তিনি বাসাইল উপজেলায় দায়িত্ব নেওয়ার আগেই সড়কটির কাজ করা হয়েছে। তারপরও তিনি সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অগাস্ট ২০২১ ০২:৩৬:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।