একতার কণ্ঠঃ মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি পেতে হলে আগে জানতে হবে মাদকাসক্তি কী? নেশায় জড়িয়ে পড়া বা মাদকাসক্তি একটি ব্যাধি। সাধারণত চিকিৎসাবিদ্যায় মাদকাসক্তিকে বলা হয়, ক্রনিক রিলাক্সিং ব্রেইন ডিজিজ বা বারবার হতে পারে এমন স্নায়ুবিক রোগ।
এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য ও পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. মো. ওয়াজিউল আলম চৌধুরী।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একজন ব্যক্তিকে মাদকাসক্ত হিসেবে চিহ্নিত করার কিছু শর্ত আছে। প্রথমত, যেকোনো উপায়েই হোক নেশাদ্রব্য সংগ্রহ করতে হবে, যেটিকে ইংরেজিতে ক্রেভিং বলে। দ্বিতীয়ত, নেশাবস্তু গ্রহণের মাত্রা ক্রমশ বাড়িয়ে দেয় বা বাধ্য হয়, যেটিকে টলারেন্স বলা হয়। তৃতীয়, নেশাবস্তুর প্রতি দৈহিক এবং মানসিক নির্ভরতা গড়ে ওঠে। নেশাবস্তুটি গ্রহণ করতে না পারলে তার দৈহিক ও মানসিক অবস্থার ভারসাম্য নষ্ট হয়।
ভয়াবহ সংবাদ হলো, গোটা বিশ্বের মতো আমাদের দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশে সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, ১৮ বছরের বেশি ৩ দশমকি ৩০ শতাংশ, ১২-১৭ বছর বয়সী ১ দশমিক ৫০ ও ৭-১১ বছর বয়সীদের মধ্যে ০ দশমিক ২০ শতাংশ মানুষ মাদকাসক্ত। অর্থাৎ, ৭ বছরের শিশুও মাদকাসক্ত হয়েছে এমন প্রমাণ রয়েছে। সার্বিকভাবে দেখা যায়, পুরুষদের মধ্যে ৪ দশমিক ৮০ এবং নারীদের ০ দশমিক ৬০ শতাংশ মাদকাসক্ত।
মাদকাসক্তদের মধ্যে গাঁজায় আসক্ত ৪২ দশমিক ৭০, মদে ২৭ দশমিক ৫০, এমফেটামিন জাতীয় ওষুধে ১৫ দশমিক ২০, আফিম জাতীয় দ্রব্যে ৫ দশমিক ৩০ এবং ঘুমের বড়ি বা ট্যাবলেট খায় ৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। এ জরিপ থেকে আমরা আমাদের দেশে মাদকাসক্তের সার্বিক একটা চিত্র বুঝতে পারি।
খুব ভয়ের ব্যাপার হলো, দেশের তরুণ-তরুণী কিংবা কিশোর-কিশোরীরা মাদকে বেশি আসক্ত হচ্ছে। দেশে মাদকাসক্তের প্রায় ৬৩ শতাংশ তরুণ-তরুণী। কিশোর বা তরুণদের ক্ষেত্রে সঙ্গত কারণেই আমরা বলে থাকি, ওদের আবেগ অনিয়ন্ত্রিত এবং বয়সটিতে বন্ধুদের প্রভাব অনেক বেশি থাকে। এদের মধ্যে অনেকেই নিছক কৌতূহলের বশে নেশা করে। অনেকের ক্ষেত্রে সামাজিক বা ব্যক্তিগত কোনো হতাশা থেকে শুরু হয়। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত হয়েও অনেকে কিন্তু মাদকে ঝুঁকে পড়ে। দেশে নানা জাতীয় মাদকের সহজলভ্যতাও মাদকাসক্তির অন্যতম কারণ।
এ ছাড়া মাদকাসক্তের পেছনে পারিবারিক অনেক কারণও আমরা উপেক্ষা করতে পারি না। যেমন, কোনো সংসার বা পরিবারে পারিবারিক কলহ দিনের পর দিন চলতে থাকে, মা-বাবা কিংবা বড় ভাই-বোনদের কেউ মাদকাসক্ত, মা-বাবার সাথে শিশু-কিশোর বয়সে সন্তানের স্নেহপূর্ণ সম্পর্কের ঘাটতির কারণেও মাদকে আসক্তির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
এখন আসা যাক তরুণ-তরুণীরা মূলত কোন কোন মাদকে আসক্ত হয়। সাম্প্রতিক ডিএসএম-৫ বা ডায়াগনোস্টিক অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল ম্যানুয়াল অব মেন্টাল ডিস-অর্ডারসের পঞ্চম সংস্করণে ১০টি দ্রব্যকে মাদক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো, অ্যালকোহল বা মদ, ক্যাফেইন, ক্যানাবিস বা গাঁজাজাতীয় দ্রব্য, হ্যাল্যুসিনোজেনস বা বিভ্রম সৃষ্টিকারী দ্রব্য (এলএসডি, বিভিন্ন ধরনের ইনহ্যাল্যান্টস অর্থাৎ যেগুলো শ্বাসের সাথে গ্রহণ করা হয়), অপিওয়েডস বা আফিম জাতীয় দ্রব্য, সিডেটিভ বা উত্তেজনা প্রশমনকারী দ্রব্য (ঘুমের ওষুধ, হিপনোটিকস বা সম্মোহক পদার্থ), অ্যানজিওলাইটিকস বা উদ্বেগ প্রশমক দ্রব্য, স্টিম্যুলেন্টস বা স্নায়ু উত্তেজক দ্রব্য (অ্যামফিটামিন জাতীয় দ্রব্য বা কোকেইন) এবং বিভিন্ন তামাকজাতীয় দ্রব্য।
সূত্র: ডক্টর টিভি
একতার কন্ঠঃ বাংলাদেশের পুলিশের একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা বলেছেন, আফগানিস্তানে তালেবানের সাথে যোগ দিতে বাংলাদেশ থেকে কিছু ব্যক্তি সে দেশে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।
ঢাকার পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম শনিবার(১৪ আগস্ট) সাংবাদিকদের বলেছেন, তালেবানের সাথে যোগ দিতে বাংলাদেশ থেকে এরই মধ্যে কিছু মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যাবার পর সেখানে ধরা পড়েছে বলে পুলিশ ধারণা করছে।আফগানিস্তানে তালেবান যেরকম দ্রুত গতিতে একের পর এক জায়গা দখল করে নিচ্ছে, তার আঁচ কিছুটা হলেও পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশে।
ঢাকার পুলিশ কমিশনারের বক্তব্যে এ বিষয়টি নিয়ে কিছুটা হলেও ধারণা পাওয়া যায়।
সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, তালেবানের হাতে রাজধানী কাবুলের পতন এখন শুধুই সময়ের ব্যাপার ।
আফগানিস্তানের উগ্রপন্থীদের সাথে বাংলাদেশের নিষিদ্ধ উগ্রপন্থী সংগঠনগুলোর যোগাযোগ অনেক পুরনো বলে বিশ্লেষকরা ধারণা করেন।
এমন প্রেক্ষাপটে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে কিছু মানুষ এরই মধ্যে তালেবানের সাথে যোগ দিতে চলে গেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বলেন, “আফগানিস্তানে যুদ্ধে যাবার জন্য একটি আহবান জানানো হয়েছে তালেবানদের পক্ষ থেকে। এবং বাংলাদেশ থেকে কিছু মানুষ অলরেডি তালেবানদের সাথে যুদ্ধে যোগদান করার জন্য হিজরত করেছে। কিছু মানুষ আমরা ধারণা করছি যে ইন্ডিয়ায় ধরা পরেছে। আর কিছু পায়ে হেঁটে বিভিন্নভাবে আফগানিস্তানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।”
আফগানিস্তানে যাবার পথে কোন বাংলাদেশি ভারতে ধরা পড়েছে কিনা – সেটি ভারতের দিক থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
উগ্রপন্থীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে এমন গবেষণা সংস্থাগুলো বলছে, আফগানিস্তানের পট-পরিবর্তন বাংলাদেশকে প্রাভাবিত করবেই – তাতে কোন সন্দেহ নেই।
বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব পিস এন্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের চেয়ারপার্সন মেজর জেনারেল (অব.) মুনিরুজ্জামান ব্যাখ্যা বলেন, আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বিগ্ন হবার কারণ আছে।
“বাংলাদেশে ১৯৯০’র দশকের শুরুর দিকে যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু হয়, সে লগ্ন থেকে আফগান জিহাদের সাথে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সরাসরি একটি যোগসূত্র আমরা দেখতে পেয়েছি।”
১৯৯০’র দশকে আফগানিস্তানে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে বাংলাদেশ থেকে অনেকে আফগানিস্তান গিয়েছিল।
“যারা তখন আফগানিস্তানে গিয়েছিল, তারা সেখান থেকে ফিরে এসে বাংলাদেশে সন্ত্রাসের গোড়াপত্তন করে,” বলেন জেনারেল মুনিরুজ্জামান।
আফগানিস্তান এই অঞ্চলের দেশ হলেও বাংলাদেশের সাথে তাদের কোন সীমান্ত নেই। বাংলাদেশ থেকে কেউ অবৈধ পথে আফগানিস্তানে যেতে চাইলে তাকে ভারত ও পাকিস্তান পাড়ি দিতে হবে।
গত ১২ বছর যাবত ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নিরাপত্তা বিষয়ে যে জোরালো সহযোগিতা আছে – তাতে করে বাংলাদেশের সীমান্ত পেরিয়ে ভারত হয়ে পাকিস্তান পর্যন্ত যাওয়া উগ্রপন্থীদের জন্য কতটা সহজ হবে?
জবাবে মি. মুনিরুজ্জামান বলেন, ” ব্যাপারটা আপাতদৃষ্টিতে কঠিন মনে হলেও যারা এ ধরণের কর্মকাণ্ডের সাথে লিপ্ত – তাদের জন্য এটা বেশ সহজ। সিরিয়াতে যখন আইএস যুদ্ধ করছিল, তখনও বাংলাদেশ থেকে যোদ্ধাদের যাওয়া সম্ভব হয়েছিল। কাজেই বাংলাদেশ থেকে আফগানিস্তানে যাওয়াটা অপেক্ষাকৃত সহজ।”
পুলিশ বলছে, বাংলাদেশের ভেতরে উগ্রপন্থীদের একটি অংশ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছে।
কিন্তু তাদের এরই মধ্যে নানা অভিযানে আটক করা হয়েছে এবং কোন ধরণের হামলার ক্ষমতা তাদের সেই বলে পুলিশ দাবি করছে।
সংবাদ সূত্রঃ বিবিসি বাংলা অনলাইন
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ব্রাহ্মণবাড়ী গ্রামে বৃহস্পতিবার(১২ আগস্ট) দুপুরে অভিযান চালিয়ে এক হাজার ৬১০ কেজি অপরিশোধিত(কাঁচা) চোরাই রাবার সহ মো. বিল্লাল হোসেন(৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত মো. বিল্লাল হোসেন ব্রাহ্মণবাড়ী গ্রামের মৃত ছাবেদ আলী শেখের ছেলে।
র্যাব-১২ জানায়, গোপনে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার এএসপি মো. এরশাদুর রহমানের নেতৃত্বে এক দল র্যাব ব্রাহ্মণবাড়ী গ্রামে অভিযান চালায়।
অভিযানকালে মো. বিল্লাল হোসেনের বাড়ির ভেতর উঠানে মজুদ করে রাখা সরকারি বাগানের অপরিশোধিত(কাঁচা) এক হাজার ৬১০ কেজি(মূল্য প্রায় তিন লাখ ২২ হাজার টাকা) চুরিকৃত রাবার জব্দ করা হয়। এ সময় মো. বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত মো. বিল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বাগান থেকে অপরিশোধিত রাবার চুরি করে বিক্রি করছেন বলে স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের তিন গ্রামের চার কৃষকের ১২টি গরু চুরি হওয়ার পর দুইটি ষাঁড় চোরদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এক গৃহস্তের গোয়ালে ফিরে আসার ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয়রা জানায়, ঘাটাইল উপজেলার মাকড়াই, সরিষাআটা ও বাঘাড়া গ্রামের চারজন কৃষকের ১২টি গরু গত মঙ্গলবার(১০ আগস্ট) দিনগত রাতে চুরি হয়।
এরমধ্যে মাকড়াই খালপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের তিনটি, সরিষাআটা গ্রামের শহিদুল্লাহ সিকদারের চারটি, একই গ্রামের সোহেল মিয়ার একটি এবং বাঘারা গ্রামের জব্বার সিকদারের চারটি গরু রয়েছে।
চুরি হওয়া ১২টি গরুর মধ্যে দুইটি ষাঁড় বুধবার(১১ আগস্ট) সকালে সরিষাআটা গ্রামের শহিদুল্লাহর গোয়ালে ফিরে আসে।
কৃষক শহিদুল্লাহ সিকদার জানান, চোরের দল গোয়ালঘরের তালা ভেঙে বাছুর সহ একটি দুধেল গাভী ও দুটি ষাঁড় নিয়ে যায়। তার মধ্যে ষাঁড় দুটি চোরদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাড়ি ফিরে আসে। চুরি করা গরু গাড়িতে তোলার সময় ষাঁড় দুটি ভয় পেয়ে দৌঁড় দেওয়ায় চোরের দল আটকাতে পারেনি বলে তিনি ধারণা করছেন।
ধলাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান এজহারুল ইসলাম জানান, এলাকায় গরু চুরির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। চুরি ঠেকাতে তিনি পুলিশের টহল জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন।
ধলাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফুল হাসান জানান, চুরির বিষয়টি কেউ তাকে অবগত করেনি। খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ভূক্তা গ্রামে বৃহস্পতিবার(১২ আগস্ট) ভোরে অভিযান চালিয়ে নকল ব্যান্ডরোল লাগানো ১৩ হাজার ৯০ প্যাকেট মিষ্টি বিড়ি ও মোহিনী বিড়ি সহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গ্রেপ্তারকৃতদের নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- কালিহাতী উপজেলার সহদেবপুর ইউনিয়নের ভূক্তা গ্রামের মৃত আব্দুল হালিম বেপারীর ছেলে মো. তোফাজ্জল হোসেন(৩৫) ও একই গ্রামের মো. খোরশেদ আলমের ছেলে শিপু হোসেন(৩০)।
র্যাব-১২ জানায়, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার এএসপি মো. এরশাদুর রহমানের নেতৃত্বে র্যাবের একটি চৌকশ দল গোপনে খবর পেয়ে কালিহাতীর ভূক্তা গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানকালে ১৩ হাজার ৯০ প্যাকেট মিষ্টি ও মোহিনী বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল লাগানো অবস্থায় জব্দ করা হয়(যার মূল্য প্রায় দুই লাখ ৩৫ হাজার টাকা)। বিড়ির প্যাকেটে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করার অভিযোগে উল্লেখিত ব্যক্তিদ্বয়কে গ্রেপ্তার করা হয়।

র্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন যাবত বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল লাগিয়ে বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করছিল। তাদের বিরুদ্ধে কালিহাতী থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ক (ক)/২৫ক(খ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার রামপুর গ্রাম থেকে বুধবার(১১ আগস্ট) ভোরে অভিযান চালিয়ে ৫০ লিটার চোলাই মদ সহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- রামপুর গ্রামের মোতালেব মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান(৩০) ও একই এলাকার মিন্টু মিয়ার ছেলে সুজন বাবু(২৫)।
র্যাব-১২ জানায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার এএসপি মো. এরশাদুর রহমানের নেতৃত্বে একদল র্যাব রামপুর ব্রিজপাড়ে পাকা রাস্তার পাশে অভিযান চালায়। এ সময় ৫০ লিটার চোলাই মদ সহ উল্লেখিত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১২ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা অবৈধভাবে দেশীয় চোলাই মদ সংগ্রহ করে বিক্রি করছিল। গ্রেপ্তারকৃতদের নামে কালিহাতী থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬ (১) এর ২৪(খ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর, সখীপুর ও নাগরপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মঙ্গলবার(১০ আগস্ট) এক শিশু সহ চার জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্ব স্ব স্থানীয়রা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া সরকারি সা’দত কলেজের অফিস সহায়ক আমিনুল ইসলাম(৩৪) ফাঁসিতে ঝুঁলে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার সকালে কলেজের টিনসেড ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি পাশের গড়াসিন গ্রামের বাসিন্দা।
নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের বাড়িগ্রামের মৃত কাদেরের ছেলে মিয়া চাঁন (৬৫) সেচ পাম্প চালাতে গিয়ে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
এছাড়া উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের লক্ষীদিয়া এলাকায় যমুনার শাখা নদী নোয়াই থেকে মধ্য বয়সী এক অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে।
অপরদিকে, সখীপুর উপজেলার কালিদাস গ্রামের নমপাড়ায় মঙ্গলবার(১০ আগস্ট) সকালে ঘরের পেছনে খেলতে গিয়ে বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে স্মৃতি রাণী সরকার(৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটি ওই এলাকার রতন কুমার সরকারের মেয়ে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মোবাইল ফোনের পরিত্যক্ত একটি বাক্সের সূত্র ধরে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই)। রোববার(৮ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল পিবিআই কার্যালয়ে জণাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমিন ভূঞাপুরে অজ্ঞাত যুবতীর পরিচয় উদ্ধার ও মামলায় জড়িত চার ব্যক্তির গ্রেপ্তার সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কে বীরভরুয়া নামকস্থান থেকে গত ৩ আগস্ট এক অজ্ঞাত যুবতীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিচয় না পেয়ে মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে স্থানীয় ছাব্বিশা গোরস্থানে দাফন করা হয়। ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন করে টাঙ্গাইলের পিবিআই স্বপ্রণোদিত হয়ে গত ৫ আগস্ট মামলাটির দায়িত্ব নেয়। ওইদিনই পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আনসারীকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
পুলিশ সুপার জানান, পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আনসারীর নেতৃত্ব পিবিআইয়ের একটি চৌকশ টিম গঠন করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেন। বিভিন্ন সোর্স ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ধনবাড়ী উপজেলার বলিভদ্র ইউনিয়নের ইসপিনজারপুর গ্রামে মৃত মজিবর রহমানের ছেলে মো. মিজানুর রহমানের ভাড়া বাড়িতে যোগাযোগ করেন।
তদন্ত টিম মো. মিজানুরকে কৌশলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদকালে তার ঘরে পড়ে থাকা মোবাইল ফোনের পরিত্যক্ত একটি বাক্স কুড়িয়ে পায়। বাক্সটিতে দুটি মোবাইল ফোনের ভাঙা অংশ ছিল। পরে ওই বাক্সের গায়ে লেখা আইএমই নম্বরের সূত্র ধরে অজ্ঞাত যুবতীর বাবা গোপালপুর উপজেলার জয়নগর গ্রামের মো. খোকন মন্ডলের সন্ধান পান। ছবি ও পড়নের কাপড় দেখে মো. খোকন মন্ডল অজ্ঞাত ওই যুবতী তার মেয়ে খোদেজা খাতুন বলে শনাক্ত করেন।
মো. খোকন মন্ডল পুলিশকে জানান, তার মেয়ে খোদেজা খাতুন গত ২ আগস্ট তার নানিবাড়ি একই উপজেলার মনতলা থেকে বাড়ি আসার পথে নিখোঁজ হয়।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমিন জানান, অজ্ঞাত যুবতীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তদন্ত কাজ দ্রুত এগুতে থাকে। পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আনসারীর তদন্ত টিম তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে সোর্সের মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষার্থী খোদেজা খাতুনকে ধর্ষণ ও হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ঘাতক প্রেমিক সহ চার যুবককে গ্রেপ্তার করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন, গোপালপুর উপজেলার ভেঙ্গুলা গ্রামের স্বর্গীয় নগেন চন্দ্র দাসের ছেলে ঘাতক প্রেমিক কৃষ্ণ চন্দ্র দাস ওরফে সানি আহাম্মেদ(২৮), ধনবাড়ী উপজেলার ইসপিনজারপুর গ্রামের মো. মোশারফ হোসেনের ছেলে সৌরভ আহাম্মেদ হৃদয়(২৩), একই উপজেলার কেরামজানী গ্রামের মো. গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মো. মেহেদী হাসান টিটু(২৮) এবং একই উপজেলার ইসপিনজারপুর গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে মো. মিজানুর রহমান(৩৭)। গ্রেপ্তারকৃতদের রোববার দুপুরে ৩ দিনের করে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত কৃষ্ণ চন্দ্র দাস ওরফে সানি আহাম্মেদ পুলিশকে জানায়, পেশায় তিনি একজন নরসুন্দর(নাপিত)। মোবাইল ফোনে মিস কলের মাধ্যমে খোদেজা খাতুনের সাথে তার পরিচয় হয়। তিনি মুসলিম নাম সানি আহাম্মেদ ধারণ করে খোদেজার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন।
পরে দেখা করার কথা বলে ডেকে এনে তার বন্ধু সৌরভের মোটরসাইকেলে ধনবাড়ী উপজেলার ইসপিনজারপুর গ্রামে অপর বন্ধু মো. মিজানুর রহমানের ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে খোদেজা খাতুনকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে কৃষ্ণ চন্দ্র দাস একাধিকবার ধর্ষণ করেন।
চিৎকার-চেঁচামেচিঁ করায় ঘরে থাকা গামছা গলায় পেঁচিয়ে তারা চার বন্ধু মিলে খোদেজাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে লাশটি বস্তাবন্দি করে একটি ভাড়াকৃত সিএনজি চালিত অটোরিকশায় উঠিয়ে ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কে বীরভরুয়া নামকস্থানে ফেলে রাখে। এরআগে তারা খোদেজার ওড়না ও ভ্যানিটিব্যাগ যমুনা নদীতে ফেলে দেয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি ইউনিয়নে একটি মাদ্রাসা নিয়ে বিরোধের জের ধরে তাতশ্রী জামে মসজিদ ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। ৩০০ পরিবারের সমাজ থেকে ৫০টি পরিবার আলাদা হওয়ায় ওই সমাজে দুই পক্ষের বিরোধ প্রকাশ্যে এসে দাঙ্গা-হাঙ্গামার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে।
জানা যায়, বিগত ১৯৯৬ সালের ১৬ জুন তাতশ্রী মৌজার ১৮১ ডিপি খতিয়ানের (সাবেক খতিয়ান ১৩৯) ৪৬৮ হাল দাগের (সাবেক দাগ ২৯৭) ২৪ শতাংশ ভূমি স্থানীয় পাঁচ ব্যক্তি তাতশ্রী দুখী হাজী এবতেদায়ী মাদ্রাসার নামে ওয়াক্ফ দলিলমূলে দান করেন।
২০০৫ সালে মাদ্রাসার আয় বাড়ানোর জন্য পাঁচ কক্ষ বিশিষ্ট একতলা মার্কেট নির্মাণ করা হয়। মার্কেটের কক্ষগুলোর মধ্যে স্থানীয় আব্দুল কাইয়ুম দুইটি ও ওসমান গনি একটি দোকান ভাড়া নেন। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দোকান তিনটি যথারীতি ভাড়া পরিশোধ করে পরিচালনা করা হয়। পরে কৌশলে দোকানের ভাড়া দেওয়া বন্ধ করে দিয়ে ওসমান গনি ও তার দুই ভাই বাদী হয়ে দোকান ঘরের মালিকানা দাবি করে টাঙ্গাইলের সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা(নং-৮/২০২০খ্রি.) দায়ের করেন।
মামলার নোটিশ পাওয়ার পর মাদ্রাসা ও মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে একাধিকবার বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করা হয়। সর্বশেষ গত ৩ এপ্রিল(শুক্রবার) বাদ জুমআ তাতশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে লাউহাটি ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম ফিরোজের সভাপতিত্বে এক গ্রাম সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন। সালিশে মাদ্রাসার দোকান ওসমান গনি মাদ্রাসা কমিটির কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। সালিশের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ওসমান গনির দখলে থাকা দোকানটি তালাবদ্ধ করে রেখেছেন।
তাতশ্রী দুখী হাজী এবতেদায়ী মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি মো. মনির উদ্দিন, স্থানীয় সাহাদাৎ হোসেন খান, তোফায়েল আহাম্মেদ, নুরনবী আলামিন, আবুল হাসেম মিয়া সহ গ্রামের অনেকেই জানান, তাতশ্রী জামে মসজিদের আওতাভুক্ত সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দান-অনুদানে দুখী হাজী এবতেদায়ী মাদ্রাসার মার্কেটটি নির্মাণ করা হয়েছে। তাছাড়া দুখী হাজী এবতেদায়ী মাদ্রাসার নামে ২৪ শতাংশ ভূমির বিএস রেকর্ড রয়েছে। ভূমির খাজনা-খারিজ ও ডিসিআর মাদ্রাসর সাধারণ সম্পাদকের নামে রয়েছে।
মামলার অন্যতম বাদী ইয়াছিন আলী জানান, পৈত্রিকসূত্রে তারা মাদ্রাসার ২৪ শতাংশের মধ্যে ১২ শতাংশের মালিক। তার চাচা মরহুম খোরশেদ আলী জীবদ্দশায় তার বাবা আহাদ আলীর অংশ সহ মাদ্রাসায় ওয়াক্ফ করে গেছেন। তাই তারা ভূমির স্বত্ত্ব দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
লাউহাটি ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম ফিরোজ জানান, তাতশ্রী দুখী হাজী মাদ্রাসার ভূমি যথারীতি ওয়াক্ফকৃত। গ্রাম্য সালিশে মাদ্রাসার মার্কেটের দোকান মাদ্রাসা কমিটির কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে মাদ্রাসাটি ‘দুখী হাজী’র নামে প্রতিষ্ঠা করায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি অসুস্থ থাকায় বিষয়টি সমাধান হয়নি, দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে বিষয়টির মিমাংসা করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার চান্দশী পশ্চিমপাড়ায় মঙ্গলবার(৩ আগস্ট) সকালে অভিযান চালিয়ে ২৯ গ্রাম হেরোইনসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২। মঙ্গলবার র্যাব-১২, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ মুশফিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- ঘাটাইল উপজেলার চান্দশী গ্রামের ফজর আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম(৩০), আজহার আলীর ছেলে হারুন(৩৮), একই উপজেলার পুরুলি মাইজবাড়ী গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে সজিব(২২) এবং টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বেড়াবুচনা(সবুজবাগ) গ্রামের নেওয়াজ আলীর ছেলে ফরিদ হোসেন(৪০)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৯ গ্রাম হেরোইন(যার মূল্য প্রায় দুই লাখ ৯০ হাজার টাকা) ও নগদ ৭০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
র্যাব কমান্ডার জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন যাবৎ হেরোইন সংগ্রহ করে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করছিল। গোপনে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ঘাটাইল থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা রেল ক্রসিংয়ের পাশে মঙ্গলবার(৩ আগস্ট) সকালে অভিযান চালিয়ে ৩০০ বস্তা সরকারি সার সহ একটি ট্রাক জব্দ করেছে র্যাব-১২। এ সময় মো. সোহাগ মিয়া(৩০) ও মো. মঞ্জিল ইসলাম(২০) নামে দুই কলোবাজারীকে নগদ দুই লাখ টাকা সহ র্যাব গ্রেপ্তার করে। র্যাব-১২’র সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ মুশফিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত মো. সোহাগ মিয়া জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার কান্দারপাড়া গ্রামের ছলিম উদ্দিনের ছেলে ও মো. মঞ্জিল ইসলাম টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কাইতকাই গ্রামের মো. মোতালেবের ছেলে।
র্যাব কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ মুশফিকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এলেঙ্গা রেল ক্রসিংয়ের পাশের সড়কে অভিযান চালানো হয়।এ সময় ময়মনসিংহগামী একটি ট্রাক থেকে অবৈধ ২০০ বস্তা পটাশ ও ১০০ বস্তা ডিএপি সরকারি সার জব্দ এবং উল্লেখিত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা অধিক মুনাফার আশায় সরকারি সার সংগ্রহ করে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে ময়মনসিংহ নিয়ে যাচ্ছিল। এ বিষয়ে কালিহাতী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক সড়কে পাশে অর্জুণা ইউনিয়নের ভরুয়া নামক স্থানে মঙ্গলবার(৩ আগস্ট) সকালে জলাশয় থেকে সাদা প্লাস্টিকের বস্তাবন্দি অজ্ঞাত(২৫) এক যুবতীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এলাকাবাসী জানায়, ভূঞাপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক সড়কে ভরুয়া নামক স্থানে জলাশয় থেকে মঙ্গলবার সকালে প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি ) আব্দুল ওহাব মিয়া জানান, বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হওয়া প্রায় ২৫ বছর বয়সী ওই যুবতীর পরিচয় পাওয়া যায়নি।
ধারণা করা হচ্ছে- রাতের কোন এক সময় কেউ তাকে হত্যার পর লাশ সড়কের পাশে ফেলে রেখে গেছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে