/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ উঠেছে।শুক্রবার (২০ আগস্ট) উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের কসবা আটিয়া গ্রামের আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বামী মো. আফাজ উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে।

মামলা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে এলাসিন ইউনিয়নের এলাসিন গ্রামের বানিছ মিয়ার স্ত্রী ছয় সন্তানের জননী ভানু বেগমকে (৫৫) ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করেন একই এলাকার মৃত রজব আলীর ছেলে মো. আফাজ উদ্দিন।

পরে স্বামী-স্ত্রী আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমে এসে কেয়ারটেকারের কাজ নেন। অভিযোগ রয়েছে, পালিয়ে আসার সময় ভানু বেগম প্রবাসী দুই ছেলের পাঠানো মোটা অংকের টাকা ও মেয়েদের স্বর্ণালংকার সঙ্গে নিয়ে আসেন।এ ঘটনার ১৫ দিন পর ভানুর সাবেক স্বামী মো. বানিছ মিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

ভানুর বড় ছেলে মো. শরিফ মিয়ার অভিযোগ, রাতে আফাজ তার মাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে খুন করে লাশ বৃদ্ধাশ্রমের পুকুরে ফেলে পালিয়ে গেছে।

বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারা শুক্রবার সকালে ভাসমান অবস্থায় লাশ দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীদের জানান। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।এ ব্যাপারে ভানুর বড় মেয়ের জামাতা আল আমিন বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।

দেলদুয়ার থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, ভাসমান অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অগাস্ট ২০২১ ০২:২৫:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিষাক্ত মদপানে তিন যুবকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিষাক্ত মদপানে তিন যুবকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাছ এলাসিন গ্রামে বিষাক্ত মদপানে তিন যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) রাত দেড়টায় ওই তিন যুবকের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হচ্ছেন উপজেলার পাছ এলাসিন গ্রামের জুলহাস মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ নাসির মিয়া (২২), বাবুল মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ পারভেজ মিয়া (৩৪) ও কাশেম মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আক্কাস মিয়া (২৩)।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে, তিন বন্ধু মিলে তাদের এক বন্ধু, নাসিরের মনোহারি দোকানে বসে মদপান করেন। এসময় মদের বিষক্রিয়ায় তিনজনই অচেতন হয়ে গেলে স্থানীয়রা পরিবারকে খবর দেয়। পরে পরিবার তাদের টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাসির এবং পারভেজকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর চিকিৎসারত অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে আক্কাসও মারা যায়।

এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, রাতে তিন বন্ধু মদ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। বিস্তারিত জানার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২১ ০৫:০০:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল কারাগারে বসে সন্ত্রাসীদের সংগঠিত করার অভিযোগে তদন্ত কমিটি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল কারাগারে বসে সন্ত্রাসীদের সংগঠিত করার অভিযোগে তদন্ত কমিটি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি কারাগারে অসুস্থ হওয়ায় বুধবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে তাকে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে সাবেক মেয়র মুক্তির বিরুদ্ধে জেলে বসে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্ন লোকদের সাথে যোগাযোগ ও সন্ত্রাসীদের সংগঠিত করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানাগেছে, টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মঙ্গলবার(১৭ আগস্ট) অনুষ্ঠিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির অভিযোগ করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি কারাগার থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাইরের বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং বিভিন্ন এলাকার সন্ত্রাসীদের সংগঠিত করছেন।

শহরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। পরে এ বিষয়টি তদন্ত করার জন্য টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান এবং একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও জেল সুপারের সমন্বয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর সহিদুর রহমান খান মুক্তি দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক ছিলেন। পরে গত বছরের ২ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

আদালত তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। তারপর থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে বন্দি থেকে জামিনে মুক্ত হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে থাকেন। সর্বশেষ মঙ্গলবার(১৭ আগস্ট) ১১তম বারও তার জামিন নামঞ্জুর করেন আদালত।

টাঙ্গাইলের জেল সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সহিদুর রহমান খান মুক্তি মঙ্গলবার সকালে বুকে ব্যথা অনুভব করেন। পরে কারাগারের চিকিৎসক আবিবুর রহমান পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিলে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তদন্ত কমিটি গঠন ও এর কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি জানান, কারা বিভাগের একটি বিষয়ের তদন্তে তিনি কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন। সুবিধাজনক সময়ে কমিটির সবাই বসে কর্মপন্থা নির্ধারণ বিষয়ে আলোচনা করে তদন্ত কাজ শুরু করা হবে।

হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের বিশেষজ্ঞ ডা. প্রণব কুমার কর্মকার জানান, সহিদুর রহমান খান মুক্তির বুকের ব্যথা পিঠেও ছড়িয়ে পড়ছে। শুয়ে থাকতে গেলে তার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। এছাড়া রক্তচাপও বেড়েছে। তাকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এছাড়া কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর তার চিকিৎসার ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রকাশ, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজ পাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। ২০১৪ সালের আগস্টে এ হত্যাকা-ে জড়িত সন্দেহে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে।

আদালতে ওই দু’জনের দেওয়া স্বাীকারোক্তিতে এ হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাঁকন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তৎকালীন সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি বেরিয়ে আসে। এর পর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আদালতে আত্মসমর্পন করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। তাদের অন্য দুই ভাই এখনও পলাতক।

সহিদুর রহমান খান মুক্তি চাঞ্চল্যকর ফারুক হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই ও টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২১ ০২:৫৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৭ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৭ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে উজ্জ্বল মিয়া (১৮) নামের এক কিশোরের বিরুদ্ধে ৭ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার আড়াইপাড়া দামিয়া এলাকায়  এই ঘটনাটি ঘটেছে।

অভিযুক্ত উজ্জ্বল মিয়া ওই গ্রামের ফজলুল হক ওরফে ফজল মিয়ার ছেলে। শিশুটির উপর এমন অমানবিক ঘটনা ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত ওই যুবকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ।

শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী উজ্জ্বল মিয়া গত সোমবার(১৬ আগস্ট) দুপুরে উজ্জ্বল ওই শিশুকে তাঁর বাড়িতে ডেকে নেন। বাড়িতে লোক না থাকায় শিশুকে জোরপূর্বক বলাৎকার করে। পরে চিৎকারে এক প্রতিবেশী এগিয়ে আসলে উজ্জ্বল দৌড়ে পালিয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় ওই শিশুকে প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

চিকিৎসকের বরাত দিয়ে শিশুটির বাবা জানান, শিশুটির পায়ু পথে এক থেকে দেড় ইঞ্চি পরিমান ক্ষত হওয়ায় একাধিক সেলাই দেওয়া হয়েছে। ছেলেটির পায়খানা করতে  কষ্ট হচ্ছে। ডাক্তার বলছে, সুস্থ হতে অনেক সময় লাগবে। হাসপাতালে ভর্তি থাকার কারণে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। এখান থেকে ফিরেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একে সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন, শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২১ ০২:৪১:এএম ৫ বছর আগে
একাধিক মামলার আসামি টাঙ্গাইল পৌর কাউন্সিলর মোর্শেদ গ্রেফতার - Ekotar Kantho

একাধিক মামলার আসামি টাঙ্গাইল পৌর কাউন্সিলর মোর্শেদ গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদকে যুবলীগ নেতা হত্যা, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলায় বৃহস্পতিবার(১৯ আগস্ট) দুপুরে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেপ্তারকৃত কাউন্সিলর মোর্শেদ ওই ওয়ার্ডের বিশ্বাস বেতকা এলাকার মরহুম আব্দুর রহিমের ছেলে। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সুপার জানান, পৌরসভার ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার পাঁচ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে এক যুবক মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের করার পর টাঙ্গাইল পৌরসভার সামনে থেকে সদর থানা এবং ডিবি পুলিশের একটি দল ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ আতিকুর রহমান মোর্শেদকে গ্রেপ্তার করে।

পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে তার বাসার দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালিয়ে একটি নাইন এমএম ও একটি ৬.৬২ পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি এবং দুইটি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়।

তিনি জানান, আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে ২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১০-১২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে যুবলীগের দুই নেতাসহ বেশ কয়েকজনকে হত্যা, পৌরসভার মেয়রকে মারধর, ধর্ষণ চেষ্টা, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র রাখা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২১ ০২:৩২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত সড়কে ধ্বস - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত সড়কে ধ্বস

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের হালুয়াপাড়া থেকে কর্মকারপাড়া পর্যন্ত ৯৫০ মিটার নবনির্মিত পাকা সড়কে ভাঙন দেখা দিয়েছে। নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় ইতোমধ্যে সড়কের দু’পাশে ধ্বস নেমেছে।

জানা যায়, বাসাইল উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের হালুয়াপাড়া থেকে কর্মকারপাড়া পর্যন্ত ৯৫০মিটার সড়ক জনগুরুত্ব বিবেচনায় পাকা করণের জন্য দরপত্র আহ্বান করে। ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯৫০ মিটার সড়ক পাকাকরণের কাজ পায় মেসার্স নাইস এণ্টারপ্রাইজ নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সড়ক নির্মাণে নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় সড়কের দু’পাশ ধ্বসে পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহন না করলে পুরো সড়কটিতেই ধ্বস নামার আশঙ্কা রয়েছে।

হালুয়াপাড়া গ্রামের জয়নাল মিয়া, আব্দুর রৌফ, জাহাঙ্গীর আলম সহ অনেকেই জানান, সড়কের দুই পাশে তিন ফুট প্রস্থের মাটি ভরাট করার কথা থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তা করেনি। এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অল্প পরিমানে নি¤œমানের বিটুমিন ব্যবহার করায় ইটের খোয়া দেখা যায়। কাজ করার সময় তারা অভিযোগ করায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেয়। সড়কটি জনগুরুত্বপূর্ণ বিধায় তারা এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে বার বার জানানোর পরেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে নবনির্মিত সড়কটি এক মাসের মধ্যে ভেঙে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে।

মেসার্স নাইস এণ্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী মো. নাইস জানান, নতুন মাটি ও বালুর ওপরে পিচ ঢালাই করা হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে তাই সড়কটির কিছু অংশ ধ্বসে গেছে। এ কারণে হয়তো স্থানীয়রা নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ভাঙা অংশ বর্ষার পরে ঠিক করে দেওয়া হবে এবং সড়কের দুইপাশে মাটিও দেওয়া হবে।

বাসাইল এলজিইডি’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান জানান, সড়কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করা হয়েছে। বর্ষা মৌসুম চলে গেলে তারা সড়কটি পুণুনির্মাণ করে দিবে। মাটির সমস্যার কারণেই সড়কটির এমন অবস্থা হয়েছে।

বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী(এলজিইডি) আব্দুল জলিল জানান, তিনি বাসাইল উপজেলায় দায়িত্ব নেওয়ার আগেই সড়কটির কাজ করা হয়েছে। তারপরও তিনি সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অগাস্ট ২০২১ ০২:৩৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চৌদ্দশ’ পিস ইয়াবা সহ যুবক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চৌদ্দশ’ পিস ইয়াবা সহ যুবক গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সল্লা বাসস্টেশনে সোনিয়া পরিবহনের কাউণ্টারের সামনে অভিযান চালিয়ে এক হাজার ৪০০পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো. হাফিজুর নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। বুধবার(১৮ আগস্ট) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মো. হাফিজুর(৩০) কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের বেড়ীপটল পশ্চিমপাড়ার মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে।

র‌্যাব-১২ প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার এএসপি মো. এরশাদুর রহমানের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি চৌকশ দল গোপনে খবর পেয়ে সল্লা বাসস্ট্যান্ডে সোনিয়া পরিবহনের কাউণ্টারের সামনে অভিযান চালায়। এ সময় এক হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো. হাফিজুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার নামে কালিহাতী থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬ (১) এর ১০(ক) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অগাস্ট ২০২১ ০২:১৭:এএম ৫ বছর আগে
কিভাবে বুঝবেন সন্তান মাদকাসক্ত - Ekotar Kantho

কিভাবে বুঝবেন সন্তান মাদকাসক্ত

একতার কণ্ঠঃ মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি পেতে হলে আগে জানতে হবে মাদকাসক্তি কী? নেশায় জড়িয়ে পড়া বা মাদকাসক্তি একটি ব্যাধি। সাধারণত চিকিৎসাবিদ্যায় মাদকাসক্তিকে বলা হয়, ক্রনিক রিলাক্সিং ব্রেইন ডিজিজ বা বারবার হতে পারে এমন স্নায়ুবিক রোগ।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য ও পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. মো. ওয়াজিউল আলম চৌধুরী।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একজন ব্যক্তিকে মাদকাসক্ত হিসেবে চিহ্নিত করার কিছু শর্ত আছে। প্রথমত, যেকোনো উপায়েই হোক নেশাদ্রব্য সংগ্রহ করতে হবে, যেটিকে ইংরেজিতে ক্রেভিং বলে। দ্বিতীয়ত, নেশাবস্তু গ্রহণের মাত্রা ক্রমশ বাড়িয়ে দেয় বা বাধ্য হয়, যেটিকে টলারেন্স বলা হয়। তৃতীয়, নেশাবস্তুর প্রতি দৈহিক এবং মানসিক নির্ভরতা গড়ে ওঠে। নেশাবস্তুটি গ্রহণ করতে না পারলে তার দৈহিক ও মানসিক অবস্থার ভারসাম্য নষ্ট হয়।

ভয়াবহ সংবাদ হলো, গোটা বিশ্বের মতো আমাদের দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশে সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, ১৮ বছরের বেশি ৩ দশমকি ৩০ শতাংশ, ১২-১৭ বছর বয়সী ১ দশমিক ৫০ ও ৭-১১ বছর বয়সীদের মধ্যে ০ দশমিক ২০ শতাংশ মানুষ মাদকাসক্ত। অর্থাৎ, ৭ বছরের শিশুও মাদকাসক্ত হয়েছে এমন প্রমাণ রয়েছে। সার্বিকভাবে দেখা যায়, পুরুষদের মধ্যে ৪ দশমিক ৮০ এবং নারীদের ০ দশমিক ৬০ শতাংশ মাদকাসক্ত।

মাদকাসক্তদের মধ্যে গাঁজায় আসক্ত ৪২ দশমিক ৭০, মদে ২৭ দশমিক ৫০, এমফেটামিন জাতীয় ওষুধে ১৫ দশমিক ২০, আফিম জাতীয় দ্রব্যে ৫ দশমিক ৩০ এবং ঘুমের বড়ি বা ট্যাবলেট খায় ৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। এ জরিপ থেকে আমরা আমাদের দেশে মাদকাসক্তের সার্বিক একটা চিত্র বুঝতে পারি।

খুব ভয়ের ব্যাপার হলো, দেশের তরুণ-তরুণী কিংবা কিশোর-কিশোরীরা মাদকে বেশি আসক্ত হচ্ছে। দেশে মাদকাসক্তের প্রায় ৬৩ শতাংশ তরুণ-তরুণী। কিশোর বা তরুণদের ক্ষেত্রে সঙ্গত কারণেই আমরা বলে থাকি, ওদের আবেগ অনিয়ন্ত্রিত এবং বয়সটিতে বন্ধুদের প্রভাব অনেক বেশি থাকে। এদের মধ্যে অনেকেই নিছক কৌতূহলের বশে নেশা করে। অনেকের ক্ষেত্রে সামাজিক বা ব্যক্তিগত কোনো হতাশা থেকে শুরু হয়। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত হয়েও অনেকে কিন্তু মাদকে ঝুঁকে পড়ে। দেশে নানা জাতীয় মাদকের সহজলভ্যতাও মাদকাসক্তির অন্যতম কারণ।

এ ছাড়া মাদকাসক্তের পেছনে পারিবারিক অনেক কারণও আমরা উপেক্ষা করতে পারি না। যেমন, কোনো সংসার বা পরিবারে পারিবারিক কলহ দিনের পর দিন চলতে থাকে, মা-বাবা কিংবা বড় ভাই-বোনদের কেউ মাদকাসক্ত, মা-বাবার সাথে শিশু-কিশোর বয়সে সন্তানের স্নেহপূর্ণ সম্পর্কের ঘাটতির কারণেও মাদকে আসক্তির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

এখন আসা যাক তরুণ-তরুণীরা মূলত কোন কোন মাদকে আসক্ত হয়। সাম্প্রতিক ডিএসএম-৫ বা ডায়াগনোস্টিক অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল ম্যানুয়াল অব মেন্টাল ডিস-অর্ডারসের পঞ্চম সংস্করণে ১০টি দ্রব্যকে মাদক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো, অ্যালকোহল বা মদ, ক্যাফেইন, ক্যানাবিস বা গাঁজাজাতীয় দ্রব্য, হ্যাল্যুসিনোজেনস বা বিভ্রম সৃষ্টিকারী দ্রব্য (এলএসডি, বিভিন্ন ধরনের ইনহ্যাল্যান্টস অর্থাৎ যেগুলো শ্বাসের সাথে গ্রহণ করা হয়), অপিওয়েডস বা আফিম জাতীয় দ্রব্য, সিডেটিভ বা উত্তেজনা প্রশমনকারী দ্রব্য (ঘুমের ওষুধ, হিপনোটিকস বা সম্মোহক পদার্থ), অ্যানজিওলাইটিকস বা উদ্বেগ প্রশমক দ্রব্য, স্টিম্যুলেন্টস বা স্নায়ু উত্তেজক দ্রব্য (অ্যামফিটামিন জাতীয় দ্রব্য বা কোকেইন) এবং বিভিন্ন তামাকজাতীয় দ্রব্য।

সূত্র: ডক্টর টিভি

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অগাস্ট ২০২১ ০৫:০৯:এএম ৫ বছর আগে
বাংলাদেশ থেকে কিছু লোক তালেবানের সাথে যোগ দিতে চাচ্ছেঃঃঢাকার পুলিশ কমিশনার - Ekotar Kantho

বাংলাদেশ থেকে কিছু লোক তালেবানের সাথে যোগ দিতে চাচ্ছেঃঃঢাকার পুলিশ কমিশনার

একতার কন্ঠঃ বাংলাদেশের পুলিশের একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা বলেছেন, আফগানিস্তানে তালেবানের সাথে যোগ দিতে বাংলাদেশ থেকে কিছু ব্যক্তি সে দেশে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।

ঢাকার পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম শনিবার(১৪ আগস্ট) সাংবাদিকদের বলেছেন, তালেবানের সাথে যোগ দিতে বাংলাদেশ থেকে এরই মধ্যে কিছু মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যাবার পর সেখানে ধরা পড়েছে বলে পুলিশ ধারণা করছে।আফগানিস্তানে তালেবান যেরকম দ্রুত গতিতে একের পর এক জায়গা দখল করে নিচ্ছে, তার আঁচ কিছুটা হলেও পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশে।

ঢাকার পুলিশ কমিশনারের বক্তব্যে এ বিষয়টি নিয়ে কিছুটা হলেও ধারণা পাওয়া যায়।

সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, তালেবানের হাতে রাজধানী কাবুলের পতন এখন শুধুই সময়ের ব্যাপার ।

আফগানিস্তানের উগ্রপন্থীদের সাথে বাংলাদেশের নিষিদ্ধ উগ্রপন্থী সংগঠনগুলোর যোগাযোগ অনেক পুরনো বলে বিশ্লেষকরা ধারণা করেন।

এমন প্রেক্ষাপটে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে কিছু মানুষ এরই মধ্যে তালেবানের সাথে যোগ দিতে চলে গেছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বলেন, “আফগানিস্তানে যুদ্ধে যাবার জন্য একটি আহবান জানানো হয়েছে তালেবানদের পক্ষ থেকে। এবং বাংলাদেশ থেকে কিছু মানুষ অলরেডি তালেবানদের সাথে যুদ্ধে যোগদান করার জন্য হিজরত করেছে। কিছু মানুষ আমরা ধারণা করছি যে ইন্ডিয়ায় ধরা পরেছে। আর কিছু পায়ে হেঁটে বিভিন্নভাবে আফগানিস্তানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।”

আফগানিস্তানে যাবার পথে কোন বাংলাদেশি ভারতে ধরা পড়েছে কিনা – সেটি ভারতের দিক থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

উগ্রপন্থীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে এমন গবেষণা সংস্থাগুলো বলছে, আফগানিস্তানের পট-পরিবর্তন বাংলাদেশকে প্রাভাবিত করবেই – তাতে কোন সন্দেহ নেই।

বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব পিস এন্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের চেয়ারপার্সন মেজর জেনারেল (অব.) মুনিরুজ্জামান ব্যাখ্যা বলেন, আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বিগ্ন হবার কারণ আছে।

“বাংলাদেশে ১৯৯০’র দশকের শুরুর দিকে যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু হয়, সে লগ্ন থেকে আফগান জিহাদের সাথে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সরাসরি একটি যোগসূত্র আমরা দেখতে পেয়েছি।”

১৯৯০’র দশকে আফগানিস্তানে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে বাংলাদেশ থেকে অনেকে আফগানিস্তান গিয়েছিল।

“যারা তখন আফগানিস্তানে গিয়েছিল, তারা সেখান থেকে ফিরে এসে বাংলাদেশে সন্ত্রাসের গোড়াপত্তন করে,” বলেন জেনারেল মুনিরুজ্জামান।

আফগানিস্তান এই অঞ্চলের দেশ হলেও বাংলাদেশের সাথে তাদের কোন সীমান্ত নেই। বাংলাদেশ থেকে কেউ অবৈধ পথে আফগানিস্তানে যেতে চাইলে তাকে ভারত ও পাকিস্তান পাড়ি দিতে হবে।

গত ১২ বছর যাবত ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নিরাপত্তা বিষয়ে যে জোরালো সহযোগিতা আছে – তাতে করে বাংলাদেশের সীমান্ত পেরিয়ে ভারত হয়ে পাকিস্তান পর্যন্ত যাওয়া উগ্রপন্থীদের জন্য কতটা সহজ হবে?

জবাবে মি. মুনিরুজ্জামান বলেন, ” ব্যাপারটা আপাতদৃষ্টিতে কঠিন মনে হলেও যারা এ ধরণের কর্মকাণ্ডের সাথে লিপ্ত – তাদের জন্য এটা বেশ সহজ। সিরিয়াতে যখন আইএস যুদ্ধ করছিল, তখনও বাংলাদেশ থেকে যোদ্ধাদের যাওয়া সম্ভব হয়েছিল। কাজেই বাংলাদেশ থেকে আফগানিস্তানে যাওয়াটা অপেক্ষাকৃত সহজ।”

পুলিশ বলছে, বাংলাদেশের ভেতরে উগ্রপন্থীদের একটি অংশ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছে।

কিন্তু তাদের এরই মধ্যে নানা অভিযানে আটক করা হয়েছে এবং কোন ধরণের হামলার ক্ষমতা তাদের সেই বলে পুলিশ দাবি করছে।

সংবাদ সূত্রঃ বিবিসি বাংলা অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অগাস্ট ২০২১ ০২:১৫:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দেড় হাজার কেজি চোরাই রাবার সহ এক জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দেড় হাজার কেজি চোরাই রাবার সহ এক জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ব্রাহ্মণবাড়ী গ্রামে বৃহস্পতিবার(১২ আগস্ট) দুপুরে অভিযান চালিয়ে এক হাজার ৬১০ কেজি অপরিশোধিত(কাঁচা) চোরাই রাবার সহ মো. বিল্লাল হোসেন(৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারকৃত মো. বিল্লাল হোসেন ব্রাহ্মণবাড়ী গ্রামের মৃত ছাবেদ আলী শেখের ছেলে।

র‌্যাব-১২ জানায়, গোপনে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার এএসপি মো. এরশাদুর রহমানের নেতৃত্বে এক দল র‌্যাব ব্রাহ্মণবাড়ী গ্রামে অভিযান চালায়।

অভিযানকালে মো. বিল্লাল হোসেনের বাড়ির ভেতর উঠানে মজুদ করে রাখা সরকারি বাগানের অপরিশোধিত(কাঁচা) এক হাজার ৬১০ কেজি(মূল্য প্রায় তিন লাখ ২২ হাজার টাকা) চুরিকৃত রাবার জব্দ করা হয়। এ সময় মো. বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত মো. বিল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বাগান থেকে অপরিশোধিত রাবার চুরি করে বিক্রি করছেন বলে স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২১ ০২:২৫:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চুরি হওয়া দুই ষাঁড় পালিয়ে ফিরল গৃহস্তের গোয়ালে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চুরি হওয়া দুই ষাঁড় পালিয়ে ফিরল গৃহস্তের গোয়ালে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের তিন গ্রামের চার কৃষকের ১২টি গরু চুরি হওয়ার পর দুইটি ষাঁড় চোরদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এক গৃহস্তের গোয়ালে ফিরে আসার ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয়রা জানায়, ঘাটাইল উপজেলার মাকড়াই, সরিষাআটা ও বাঘাড়া গ্রামের চারজন কৃষকের ১২টি গরু গত মঙ্গলবার(১০ আগস্ট) দিনগত রাতে চুরি হয়।

এরমধ্যে মাকড়াই খালপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের তিনটি, সরিষাআটা গ্রামের শহিদুল্লাহ সিকদারের চারটি, একই গ্রামের সোহেল মিয়ার একটি এবং বাঘারা গ্রামের জব্বার সিকদারের চারটি গরু রয়েছে।

চুরি হওয়া ১২টি গরুর মধ্যে দুইটি ষাঁড় বুধবার(১১ আগস্ট) সকালে সরিষাআটা গ্রামের শহিদুল্লাহর গোয়ালে ফিরে আসে।

কৃষক শহিদুল্লাহ সিকদার জানান, চোরের দল গোয়ালঘরের তালা ভেঙে বাছুর সহ একটি দুধেল গাভী ও দুটি ষাঁড় নিয়ে যায়। তার মধ্যে ষাঁড় দুটি চোরদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাড়ি ফিরে আসে। চুরি করা গরু গাড়িতে তোলার সময় ষাঁড় দুটি ভয় পেয়ে দৌঁড় দেওয়ায় চোরের দল আটকাতে পারেনি বলে তিনি ধারণা করছেন।

ধলাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান এজহারুল ইসলাম জানান, এলাকায় গরু চুরির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। চুরি ঠেকাতে তিনি পুলিশের টহল জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন।

ধলাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফুল হাসান জানান, চুরির বিষয়টি কেউ তাকে অবগত করেনি। খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২১ ০২:০৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল লাগানোয় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল লাগানোয় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ভূক্তা গ্রামে বৃহস্পতিবার(১২ আগস্ট) ভোরে অভিযান চালিয়ে নকল ব্যান্ডরোল লাগানো ১৩ হাজার ৯০ প্যাকেট মিষ্টি বিড়ি ও মোহিনী বিড়ি সহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গ্রেপ্তারকৃতদের নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- কালিহাতী উপজেলার সহদেবপুর ইউনিয়নের ভূক্তা গ্রামের মৃত আব্দুল হালিম বেপারীর ছেলে মো. তোফাজ্জল হোসেন(৩৫) ও একই গ্রামের মো. খোরশেদ আলমের ছেলে শিপু হোসেন(৩০)।

র‌্যাব-১২ জানায়, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার এএসপি মো. এরশাদুর রহমানের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি চৌকশ দল গোপনে খবর পেয়ে কালিহাতীর ভূক্তা গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানকালে ১৩ হাজার ৯০ প্যাকেট মিষ্টি ও মোহিনী বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল লাগানো অবস্থায় জব্দ করা হয়(যার মূল্য প্রায় দুই লাখ ৩৫ হাজার টাকা)। বিড়ির প্যাকেটে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করার অভিযোগে উল্লেখিত ব্যক্তিদ্বয়কে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন যাবত বিড়িতে নকল ব্যান্ডরোল লাগিয়ে বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করছিল। তাদের বিরুদ্ধে কালিহাতী থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ক (ক)/২৫ক(খ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অগাস্ট ২০২১ ০৬:৫৮:পিএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।