একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি-দক্ষিণ) বাসাইল উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের টেংগুরিয়াপাড়া গ্রামে বুধবার(২৫ আগস্ট) দুপুরে অভিযান চালিয়ে ৮০০পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দুই বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- ওই এলাকার মো. সাগর মিয়া(২৫) ও মো. জাকির হোসেন রিপন(৩৮)।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের(ডিবি-দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ মো. দেলওয়ার হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মো. রাইজ উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি চৌকশ দল টেংগুরিয়াপাড়া গ্রামে অভিযান চালায়।
এ সময় ৮০০ পিস ইয়াবা সহ উল্লেখিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের বাজার মূল্য দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের আলোকদিয়া গ্রামে বুধবার (২৫ আগস্ট) ভোরে অভিযান চালিয়ে সাত বছরের এক প্রতিবন্ধী শিশুকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে শফিকুল ইসলাম(১৯) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত শফিকুল ইসলাম আলোকদিয়া গ্রামের আলতাফ প্রামাণিকের ছেলে।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লেফটেন্যাণ্ট কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন (জি) বিএন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আলোকদিয়া এলাকায় সাত বছরের একজন প্রতিবন্ধী মেয়েকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে লেবু বাগানে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চালিয়ে ধর্ষণে অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত শফিকুলের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার চাঞ্চল্যকর ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি সুজন হত্যা মামলার নিরপেক্ষ পুনঃতদন্ত ও আসামি পক্ষের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা ও হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার(২৪ আগষ্ট) সকালে মধুপুর প্রেসক্লাবে নিহত সুজনের পরিবার ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সংবাদসম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন মামলার বাদী ধলপুর গ্রামের মো. জয়নাল আবেদীন। তিনি বলেন, তার ভাই সুজন মিয়া একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। একই গ্রামের কাজিম উদ্দিনের ছেলে মহির উদ্দিনের সাথে বিদুৎতের মিটার সংযোগ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। ওই কথা কাটাকাটির জের ধরে গত ৩ জানুয়ারি একই গ্রামের রেজাউল করিম (৩৫), মো. উজ্জল মিয়া (৩২), মো. শামীম(৩০), মো. ইউসুব আলী(৫০), মো. ইয়ামিন(২৮), মহির উদ্দিন(৫০), বাদশা মিয়া (৫৫), মো. রাসেল(২২), মো. সেলিম মিয়া(৩০), রুহুল আমিন(২৬), জয়নাল আবেদীন(৪৬), রেজিয়া বেগম(৪৫)ও বোয়ালী গ্রামের আ. জলিলসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করে। এ বিষয়ে মধুপুর থানায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
তিনি বলেন, মামলার আসামিদের মধ্যে বর্তমানে পাঁচজন জেল-হাজতে রয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মধুপুর থানার এসআই আল আমিন (বর্তমানে কালিহাতী থানায় কর্মরত) তদন্ত শেষে ৭ জনকে বাদ দিয়ে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। চার্জশীটে বাদির অভিযোগ যথাযথভাবে উপস্থাপন না হওয়ায় তিনি আদালতে নারাজী আবেদন দাখিল করেন। আদালত নারাজী গ্রহন করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) মামলাটি পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেয়।
বাদি আরও বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামি কর্তৃক প্রভাবিত হয়ে সঠিকভাবে তদন্ত না করে এজাহারভুক্ত আসামীদের বাদ দিয়ে চার্জসীট দাখিল করেছেন। বর্তমানে বাদ পড়া আসামিরা নানাভাবে হুমকি- ধমকি দিচ্ছে। আসামিরা সুজন হত্যা মামলার বাদি পক্ষকে চারটি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
সংবাদ সম্মেলনে নিহত সুজনের বাবা নজর আলী, মাতা ফাতেমা, বোন চায়না বেগম, ভাই দুলাল, আয়নাল হকসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি কারাগারে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার(২৪ আগস্ট) টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সহিদুর সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার ভাই ও টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগের সাংসদ আতাউর রহমান খানের ছেলে। আট মাস ধরে তিনি কারাগারে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত বুধবার (১৮ আগস্ট) বুকে ব্যথা অনুভব করায় সহিদুর রহমানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর পরীক্ষা–নিরীক্ষায় হৃদ্যন্ত্রে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। তবে থাইরয়েড ও কিডনিতে কিছু সমস্যা পাওয়া যায়। তাঁর চিকিৎসার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী গতকাল সোমবার করোনা পরীক্ষার জন্য তাঁর নমুনা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় করোনা পজেটিভ হন তিনি।
টাঙ্গাইল আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান জানান, চিকিৎসার জন্য সহিদুরের আইনজীবীরা বৃহস্পতিবার ও গতকাল সোমবার দুই দফা টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে অন্তর্বর্তী জামিন আবেদন করেন। তাঁরা সহিদুরের চিকিৎসার জন্য যেকোনো শর্তে জামিন প্রার্থনা করেন। আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ দুই দিনই তাঁর আবেদন নামঞ্জুর করেন।
প্রকাশ, ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর গত বছরের ২ ডিসেম্বর সহিদুর টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। তার পর থেকেই তিনি টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে। এ পর্যন্ত ১৩ বার আদালতে জামিন আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন।
একতার কন্ঠঃ অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুর রহমান ওরফে মোর্শেদের বিরুদ্ধে এবার স্ত্রীকে হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার(২৪ আগস্ট) টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মোর্শেদের দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা সৈয়দ শরিফ উদ্দিন (৫৬) বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল আলম মামলাটি গ্রহণ করেন। তিনি সাড়ে চার বছর আগের এ ঘটনার বিষয়ে কোনো মামলা বা তদন্ত হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি টাঙ্গাইলের আদালত পুলিশের পরিদর্শক তানভীর আহমেদ নিশ্চিত করেছেন। এত দিন কাউন্সিলর মোর্শেদের ভয়ে মামলার সাহস পাননি বলে এজাহারে উল্লেখ করেছেন বাদী।
মামলায় মোর্শেদ ছাড়াও আরও আটজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা তিন–চারজনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হচ্ছেন শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার মুন্সী তারেক পটন (৪৯), পারভেজ খান ওরফে রনি (৩৬), সোহেল ওরফে বাবু (২৭), অন্তর সূত্রধর (২৭), মোর্শেদের প্রথম স্ত্রী সুমা ওরফে মনা (৪৫), মুন্সী তারেক পটনের স্ত্রী লিনা (৪০), রাফসান (২৮), আয়নাল মিয়া (৪৫)।
মামলায় বাদী সৈয়দ শরিফ উদ্দিন অভিযোগ করেন, মোর্শেদের বাসার পাশে তিনি পরিবার নিয়ে বাসা ভাড়া থাকতেন। ২০১২ সালের জুন মাসে তাঁর মেয়ে সৈয়দ আমেনাকে মোর্শেদের লোকজন অপহরণ করেন। পরে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার গোলাম মোস্তফার মাধ্যমে মোর্শেদ আমেনাকে বিয়ে করেন। কিছুদিন পর জোর করে নিকাহ রেজিস্ট্রারের বালাম বই থেকে মোর্শেদ তাঁদের কাবিননামা ছিঁড়ে ফেলে দেন। তাঁদের সংসারে ছয় বছরের এক মেয়েও রয়েছে। দুই স্ত্রী থাকায় মোর্শেদের পরিবারে মাঝেমধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয়। ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি রাতে ওই এলাকার এক বাসায় দাওয়াতের কথা বলে মোর্শেদ আমেনাকে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে অন্য আসামিদের সহযোগিতায় মোর্শেদ তাঁকে হত্যা করে লাশ গুম করেন। এত দিন মোর্শেদের ভয়ে মামলা করতে সাহস পাননি বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোর্শেদকে গত বৃহস্পতিবার গোয়েন্দা পুলিশ ও সদর থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁর বিশ্বাস বেতকা এলাকার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দুটি বিদেশি পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি ও দুটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করে পুলিশ। গত শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোর্শেদকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। সোমবার তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ অস্ত্র মামলায় রিমান্ড শেষে টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুর রহমান ওরফে মোর্শেদকে সোমবার( ২৩ আগস্ট) বিকেলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিন দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শামীম হোসেন তাঁকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেন। পরে আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সামসুল আলম তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদকে গত বৃহস্পতিবার গোয়েন্দা পুলিশ ও সদর থানা-পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে পৌরসভার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁর বিশ্বাস বেতকা এলাকার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দুটি বিদেশি পিস্তল, ছয়টি গুলি ও দুটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করে পুলিশ। শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোর্শেদকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুই যুবলীগ নেতাকে হত্যা, ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা, ব্যবসায়ী তুহিন হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের এক ডজন মামলা হয়েছে
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, রিমান্ড জিজ্ঞাসাবাদে মোর্শেদ তাঁর ওই অস্ত্র এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য দিয়েছেন। তাঁর দেওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইল সদর থানা সূত্র জানায়, আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুই যুবলীগ নেতাকে হত্যা, ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা, ব্যবসায়ী তুহিন হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের এক ডজন মামলা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মোর্শেদ টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। পরে জেলা যুবলীগের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে দলীয় পদ না থাকলেও শহর আওয়ামী লীগের দলীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা মামলা রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের কামাক্ষার মোড়ে মো. সোহেল রানা(২৭) ও এলেঙ্গা পৌরসভার রাজাবাড়ী নামক স্থানে গৃহবধূ সুবর্ণা (২২) ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৩ আগস্ট) ভোর পাঁচ টার দিকে নিহত যুবক মো. সোহেল রানা সিরাজগঞ্জ জেলার শাহাজাদপুর উপজেলার উত্তর নন্দলালপুর গ্রামের মো. আব্দুল মান্নানের ছেলে এবং সকাল ১১ টার দিকে নিহত গৃহবধূ সুবর্ণা টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের নন্দবালা গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সোলায়মানের স্ত্রী।
সহদেবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান বালা জানান, নিহত গৃহবধূ সুবর্ণার বাবার বাড়ি সহদেবপুর ইউনিয়নের চামুরিয়া গ্রামে। তিনি স্বামীর সাথে এলেঙ্গা পৌরসভার মসিন্দা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। এনজিও’র ঋণের টাকা নিয়ে স্বামীর সাথে ঝগড়ার জেরে অভিমান করে গৃহবধূ সুবর্ণা উত্তরবঙ্গগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ট্রেনে কাটা পড়ে সাথে সাথে তার মৃত্যু হয়।
টাঙ্গাইল রেল স্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক(এসআই) মো. বেলাল হোসেন জানান, আইনী প্রক্রিয়া শেষে সিরাজগঞ্জের নিহত যুবক মো. সোহেল রানার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এলেঙ্গা পৌর সভার রাজাবাড়ীতে ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে গৃহবধূ নিহত হওয়ার বিষয়টি তারা জানতে পারেননি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ঘরের দরজা ভেঙ্গে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। সোমবার (২৩ আগস্ট) দিনগত রাত একটার দিকে পৌর এলাকার শান্তিনগর থেকে ওই লাশ উদ্ধার করা হয়।তার নাম সাইফুর রহমান বিপ্লব (৪৫)। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন। গ্রামের বাড়ী ঘাটাইল ইউনিয়নের বীরহামপুর গ্রামে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিপ্লব দীর্ঘদিন প্রবাসী ছিলেন। কিছুদিন পূর্বে দেশে ফিরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা কিনে নিজেই চালাচ্ছিলেন।কয়েকদিন আগে বিপ্লব সম্ভবত গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। সোমবার রাতে তালাবদ্ধ ওই ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হলে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। ঘাটাইল থানা পুলিশের সদস্যরা স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ঘরের তালা ভেঙ্গে বিপ্লবের অর্ধগলিত ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ।
সাইফুর রহমান বিপ্লবের স্ত্রী জানান, তাকে কয়েকদিন আগে বিপ্লব তার বাবার বাড়ী পাঠিয়ে দেয়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার সময় তার সাথে মোবাইল ফোনে কথা হয়। তারপরে তার সাথে আর কোন কথা হয়নি এবং মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
পারিবারিক কোন দাম্পত্য কলহ বা কারও সাথে তার তেমন কোন শত্রুতা ছিল না বলে জানিয়ে বিপ্লবের স্ত্রী আরও বলেন, টেনশন থেকে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা হচ্ছে।
ঘাটাইল থানা অফিসার-ইন-চার্জ আজহারুল ইসলাম সরকার (বিপিএম) জানান, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটি একটি আত্মহত্যার ঘটনা। বিপ্লব তার স্ত্রীকে বাবার বাড়ী পাঠিয়ে দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত তার সাথে স্ত্রীর যোগাযোগ ছিল। আত্মহত্যার ঘটনাটি কয়েকদিন আগে সম্পন্ন হওয়ায় নিহতের শরীর অনেকটা বিকৃত হয়ে যায়। এলাকাবাসী খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইলে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে তিনি আরো জানান।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে স্ত্রী খুন হওয়ার তিন দিন পর প্রধান আসামি স্বামী আলফাজ মিয়া (৪৫) আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।সোমবার (২৩ আগস্ট) উপজেলার এলাসিন গ্রামে নিজ বাড়ির কাঁঠাল গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। দেলদুয়ার থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত আলফাজ মিয়া উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের আগ-এলাসিন গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় দেড় বছর আগে উপজেলার এলাসিন গ্রামের বানিছ মিয়ার স্ত্রী ও ছয় সন্তানের জননী ভানু বেগমকে বিয়ে করেন একই এলাকার আফাজ উদ্দিন। পরে স্বামী-স্ত্রী মিলে আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমে কেয়ারটেকারের কাজ নেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে তাদের মধ্যে কলহ বাঁধে। পরে আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমের পুকুর থেকে ভানু বেগমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বড় মেয়ের জামাই আল আমিন বাদি হয়ে দেলদুয়ার থানায় আফাজ উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।
দেলদুয়ার থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, গত ২০ আগস্ট আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমের পুকুর থেকে স্ত্রী ভানু বেগমের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান আসামি ছিলেন স্বামী আলফাজ মিয়া।সোমবার(২৩ আগস্ট) সকালে আফাজ উদ্দিনের নিজ বাড়ির কাঁঠাল গাছ থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ছয়মাস বয়সী শিশু সাইমনকে ফেলে নগদ ৮ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোচালকের সঙ্গে পালিয়েছেন এক প্রবাসীর স্ত্রী।এ ঘটনায় অটোচালক মো. আতিক মিয়াকে প্রধান আসামি করে আরো চারজনের নামে মামলা দায়ের করেছেন শিশু সাইমনের বড় চাচা মো. আনোয়ার হোসেন।
আতিক উপজেলার কাশীল ইউনিয়নের কাশীল উত্তর পাড়ার আজম মিয়ার ছেলে এবং প্রবাসীর স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার একই গ্রামের দক্ষিণপাড়ার মো. শফি মিয়ার মেয়ে। দুধের শিশুকে ফেলে প্রবাসী স্বামীর মোটা অংকের টাকা নিয়ে অটোচালকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের জিবনশ্বর উত্তর পাড়ার ঠান্ডু মিয়ার ছেলে প্রবাসী সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে সুমাইয়া আক্তারের বিয়ে হয়। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে সাদ্দাম ও সুমাইয়া দম্পতি’র ঘরে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। পূর্ব পরিচিত আতিকের অটোতে চলাচলের সুবাদে সুমাইয়ার সঙ্গে আতিকের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। প্রায়ই অটোচালক সুমাইয়ার বাড়িতে যাতায়াত শুরু করেন। সাইমনের জন্মের পর সাদ্দাম তার এলাকায় জমি ক্রয়ের জন্য ব্যাংকে গচ্ছিত টাকাগুলো স্ত্রী সুমাইয়ার কাছে রাখার বিষয়টি জানতে পারেন অতিক। তিনি সুমাইয়াকে বিয়ের প্রলোভন দেখান। ১৮ জুলাই আতিকের হাতধরে শিশু সাইমনকে রেখে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায় সুমাইয়া। কয়েকদিন পর সুমাইয়ার পরিবার তাকে উদ্ধার করে এবং গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার ফিরিয়ে দেয়ার শর্তে সাদ্দামের পরিবার সুমাইয়াকে গ্রহণ করে। এরপর টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার ফেরত চাইলে আবারো তিনি আতিকের সঙ্গে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় সাদ্দামের বড় ভাই আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমানের আমলী আদালতে ১৮ আগস্ট একটি মামলা দায়ের করেন।
আনোয়ার হোসেন বলেন, ৬ মাস বয়সী ভাতিজাকে ফেলে চলে যাওয়ার পর শুধুমাত্র এই দুধের শিশুর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে দ্বিতীয়বার সুমাইয়াকে মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু তারপরও সে চলে গেলো। সে তার গর্ভের সন্তানের কথাও ভাবলো না।
সুমাইয়ার মা হেনা বেগম বলেন, ‘ওকে আমার মেয়ে বলতে চাইনা। দুধের বাচ্চাটার কথা ভেবেওতো সে ফিরে আসতে পারতো।
বাসাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) হারুনুর রশিদ জানান, পালিয়ে যাওযা বিষয়ে একটি মামলা হয়েছে এবং এটি তদন্তাধীন রয়েছে। আসামিরা পলাতক। তাদের আটক করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নে রাতের আঁধারে একটি সরকারি রাস্তা কেটে ফেলায় ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেই সাথে প্রবল পানির স্রোতে ভাঙ্গনের শংকায় পড়েছে অন্তত ২০ টি পরিবার।
জানা যায়, উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের ভাদ্রা-টেপরি রাস্তার (পাতিলা পাড়া-বাদ বেহালী) সীমানায় পাতিলা পাড়া মসজিদ সংলগ্ন স্থানে কে বা কারা রাতের আঁধারে রাস্তাটি কেটে দেওয়ায় শেওলাইদ, বাদবেহালী, পাতিলা পাড়াসহ কয়েকেটি গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি বাড়ি ভাঙ্গনের হুমকিতে পড়েছে।
গ্রামবাসী জানায়, রবিবার (২২ আগস্ট) ভোরের দিকে একদল দুষ্কৃতিকারী সরকারি রাস্তাটি কেটে দিয়েছে। তারা ভোর রাতের দিকে অবৈধভাবে সরকারি রাস্তা কেটে দিয়ে পানির প্রবাহের গতিপথ পরিবর্তনের অপচেষ্টা চালিয়েছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ স্থানীয় এক ইউপি সদস্যর দিকে।স্থানীয়রা আরও দাবি করে, ওই ইউপি সদস্য কয়েক মাস পূর্বে খাল আটকে একটি বাধ নির্মাণ করে, সেই বাধকে রক্ষা করতে এই রাস্তা রাতের আঁধারে কেটে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ভাদ্রা ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, গতরাতে তিনি বাড়িতেই ছিলেন না। এ ঘটনাটি শুনেছেন, তবে ঘটনাস্থলে যেতে পারেননি তিনি।
ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব জানায়, রাতের আঁধারে কে বা কারা সরকারী রাস্তাটি কেটে ফেলেছে তাদেরকে সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে । এখন যেহেতু বর্ষাকাল চলছে তাই পানি নেমে না যাওয়া পর্যন্ত রাস্তটি মেরামত করা যাচ্ছে না। পানি নেমে গেলে খুব দ্রুতই রাস্তাটি মেরামত করা হবে বলে তিনি জানান।
একতার কণ্ঠঃ স্ত্রী ডিভোর্সের পর দুধ দিয়ে গোসল করলেন আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন অমিত রাজ নামে এক আওয়ামী যুবলীগ নেতা। দাম্পত্য কলহের জের ধরে তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়। ডিভোর্সের পর যুবলীগ নেতার দাদী মোনোয়ারা বেগম অমিত রাজকে দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে দেন। স্ত্রীকে ডিভোর্সের পর দুধ দিয়ে গোসল করার ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যের পাশাপাশি নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার(২১ আগস্ট) টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর গ্রামে। অমিত রাজ ওই গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে ও ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সক্রিয় সদস্য।
অমিত রাজ মুঠোফোনে জানান, তার স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে তিন মাস আগে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি(জিডি) করেছিলেন। কিছুদিন পর তার পালিয়ে যাওয়া স্ত্রী ফিরে এসে তার পরিবারের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করেন। শনিবার(২১ আগস্ট) ডিবি কার্যালয়ে বসে দেনমোহরের ৩ লাখ টাকার পরিশোধের বিনিময়ে তাদের ডিভোর্স হয়। এরপর তিনি তিন বছরের ছেলেকে বুঝে নিয়ে বাড়ি ফিরে এসে দুধ দিয়ে গোসল করেন।
তিনি আরও জানান, প্রেম করার পর প্রেমিকাকে বিয়ে করেও সুখী হতে না পারার ব্যর্থতায় তিনি ডিভোর্স করেছেন।