একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে নিখোঁজের পরের দিন সোয়েব তালুকদার ওরফে সুমন (৩৮) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে কালিহাতী থানা পুলিশ।
বুধবার (১৫ জুন) সকালে উপজেলার আউলটিয়া কানাইগাড়া শ্মশান ঘাটের পাশে গাবগাছের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুমন পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। সে কালিহাতীর বাংড়া ইউনিয়নের দয়থা গ্রামের আলতাফ মিয়ার ছেলে।
নিহতের স্ত্রী খালেদা ও স্বজনদের দাবি, সুমন মঙ্গলবার (১৪ জুন) রাতে এশার নামাজ পড়তে গিয়ে ভোর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পূর্বশক্রতার জের ধরে কেউ তাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে দিয়েছে বলে সন্দেহ তাদের।
কালিহাতী থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) মাহাবুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অনিল চন্দ্র দাস (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ছাগল চুরির সন্দেহে গোড়াই দক্ষিণ নাজিরপাড়া গ্রামের শাহিনুরের ছেলে রাফি (১৮) ও তার সহযোগীরা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার।
মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার গোড়াই শিল্পাঞ্চল এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করেছে।
নিহত অনিল চন্দ্র দাস কালিহাতী উপজেলার আগচারান গ্রামের রাজেন্দ্র চন্দ্র দাসের ছেলে। তারা গোড়াই নাজিরপাড়া এলাকার মেছের আলীর বাড়িতে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। স্ত্রী আন্নারানী দাস গোড়াই সাউথ ইস্ট ফেব্রিকস কারখানায় চাকরি করেন। অনিল রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, দক্ষিণ নাজিরপাড়া গ্রামের শাহিনুরের একটি ছাগল চুরি হয়। মঙ্গলবার দুপুরে শাহিনুরের ছেলে রাফি লাঠি হাতে কয়েকজন সহযোগী নিয়ে দক্ষিণ নাজিরপাড়া এলাকার ব্যবসায়ী আলম মিয়াকে ছাগল চুরির অপবাদ দিয়ে হুমকি দেন। এ সময় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তারা চলে আসেন। পথে আওয়ামী লীগ নেতা শওকত হোসেন ফালু মিয়ার বাড়ির পাশে মসজিদের সামনে অনিল চন্দ্র দাসকে ছাগল চুরির অপবাদ দেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।
এক পর্যায়ে রাফি ও তার সহযোগীরা লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই অনিল মারা যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে গোড়াই এলাকার রংধনু নামের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ক্লিনিকের সামনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে ভ্যানের ওপর মরদেহ রেখে স্থানীয়রা চলে যান।
খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ সুরতহাল শেষে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করে।
অনিলের স্ত্রী আন্নারানী দাস বলেন, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে স্বামী অনিল চন্দ্র দাসকে ঘুমন্ত রেখে তিনি কারখানায় যান। দুপুর ২টার দিকে বাসায় ফেরার পথে ভ্যানের ওপর স্বামীর মরদেহ দেখে বাড়ির মালিককে জানান। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
গোড়াই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আদিল খান জানান, রাফি তার সহযোগীদের নিয়ে ছাগল চুরির অপবাদ দিয়ে অনিল চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে খুন করেছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
এদিকে ঘটনার পর থেকে পলাতক রাফি। যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরে রাফির বাবা শাহিনুরের মোবাইলে কল দিলে নিলুফা বেগম নামের এক নারী তার ফুপু পরিচয় দিয়ে বলেন, ‘রাফি ও তার বাবা বাড়িতে নেই। পুলিশ এসে বাড়ি তল্লাশি করে কিছু না পেয়ে ভাইয়ের মোটরসাইলে নিয়ে গেছে।’
মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আইয়ুব খান জানান, গোড়াই দক্ষিণ নাজিরপাড়া গ্রামের শাহিনুরের ছেলে রাফি ও তার কয়েকজন সহযোগী অনীল চন্দ্র দাসকে ছাগল চুরির অপবাদ দিয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে খুন করেছে বলে লোকমুখে জানতে পেরেছি। পুলিশ রাফিসহ তার সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান চালাচ্ছেন বলে তিনি জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) নাটকের শ্যুটিং করতে এসে বখাটেদের হামলার শিকার হয়েছেন এক্সিকিউটিভ প্রযোজক সৌরভ ইশতিয়াক।
অভিনেতা মুশফিক ফারহান ও অভিনেত্রী তানজিন তিশা অভিনীত নাটকের শ্যুটিং ১১ জুন থেকে ১৩ জুন মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল, একাডেমিক ভবন, ক্যাফেটেরিয়া, মুক্তমঞ্চসহ বিভিন্ন পয়েন্টে শ্যুটিং হয়। তবে শ্যুটিংয়ের শেষ মুহূর্তে বহিরাগত কিছু বখাটেদের সাথে বাগবিতণ্ডার জেরে আক্রমণ ও মারধরের শিকার হন সৌরভ।
এ বিষয়ে প্রডিউসার সৌরভ মুঠোফোনে জানান, ১০/১২ জন যুবককে শ্যুটিং স্থান থেকে সরে যেতে বললে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে খারাপ ব্যবহার করে।
একতার কণ্ঠঃ নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ায় পুলিশের এক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহারের নির্দেশ এবং তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভোট স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার (১৩ জুন) ইসির যুগ্ম-সচিব ও পরিচালক (জনসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, নির্বাচনি পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ায় আগামী ১৫ জুন অনুষ্ঠেয় বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আন্ধারমানিক ও বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়ন এবং বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
এ ছাড়া, টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেলদুয়ার থানার ওসিকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত থাকবে বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে তার জামিন বিষয়ে রুল তিন সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্ট বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক মেয়র মুক্তিকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।
সোমবার (১৩ জুন) সকালে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।
আদালতে মুক্তির পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ।
এর আগে গত ২৮ এপ্রিল ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে মামলাটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
গত ২৭ এপ্রিল এই মামলায় সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে জামিন দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ মুক্তিকে জামিন দেন। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তর্বর্তী জামিন বাতিল হয়। এরপর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন মুক্তি।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি নিহত হন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদ। তার গুলিবিদ্ধ লাশ কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে এ দুই আসামির দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার সঙ্গে জড়িত সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা। তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন এবং ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।
পরে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিন পেয়ে মুক্ত আছেন। তাদের অপর দুই ভাই আত্মগোপনে রয়েছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে ২ হাজার ৩৮০ ইয়াবাসহ গৌরাঙ্গ গোস্বামী নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব-১২, সিপিসি-৩ এর সদস্যরা। শনিবার (১১ জুন) রাতে মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই বড়টেকি উত্তরা স্পিনিং মিল সংলগ্ন হানিফ কাউন্টারের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত গৌরাঙ্গ গোস্বামী সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার গাড়ামাসী গ্রামের লব গোস্বামীর ছেলে।
রবিবার (১২ জুন) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-১২, সিপিসি-৩ এর কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জব্দকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এসময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। মাদকবিরোধী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানায় র্যাব।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পরীক্ষার হলে ছুরি নিয়ে প্রবেশ করায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রোববার (১২ জুন) সকালে উপজেলা সদরের সরকারি এসকে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ে অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষা চলছে। রোববার ছিল অষ্টম শ্রেণির বিশ্বপরিচয় পরীক্ষা। ওই ছাত্র প্যান্টের পকেটে ছুরি নিয়ে ৫ নম্বর কক্ষে প্রবেশ করে। এ সময় পরীক্ষার কক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষিকা আলো রানী পোদ্দারের সন্দেহ হলে তিনি পকেট থেকে ছুরিটি বের করেন।
ওই শিক্ষিকা বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম খানকে জানান। পরে প্রধান শিক্ষক বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাফিজুর রহমানকে জানান। ইউএনও অভিযুক্ত ছাত্রের অভিভাবকের অঙ্গীকারনামা রেখে তাকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম খান জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে অভিযুক্ত ছাত্রের অভিভাবকের কাছ থেকে অঙ্গীকারনামা নিয়ে তাকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
একতার কন্ঠ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রেমের সম্পর্কের জেরে কলেজছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় কলেজছাত্রীর মা ভূঞাপুর থানায় অভিযোগ দিলে রুবেল (২৫) ও তার সহযোগী ওসমান গনিকে (৩৩) গ্রেফতার করে পুলিশ।
অভিযুক্ত রুবেল উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের খড়ক গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে ও তার সহযোগী ওসমান গনি একই গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে। রুবেল এক সন্তানের জনক। ধর্ষণের শিকার ওই মেয়েটি স্থানীয় একটি কলেজের ছাত্রী।
জানা যায়, রুবেলের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় কলেজছাত্রীর। ফেসবুকে নিয়মিত চলত কথাবার্তা। পরে দেখা-সাক্ষাৎ করে তারা। এভাবেই গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। পরে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে কলেজছাত্রী। এ সময়ে কৌশলে ভিডিও ধারণ করে রুবেল। পরে সেই ভিডিও ফেসুবকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় রুবেল। পরে তার কথামতো কাউকে না জানিয়ে কলেজছাত্রী চলে যায় চট্টগ্রামে। পরে সেখানে একটি ভাড়া বাসায় থাকত তারা।
এদিকে কলেজছাত্রী পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানেন না পরিবার। পরে মেয়েকে বাড়িতে না পেয়ে আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেন। গত ৩০ মে নিখোঁজ হয়েছে উল্লেখ করে ওই ছাত্রীর মা ৫ জুন ভূঞাপুর থানায় একটি জিডি করেন। তারপর রুবেলের মোবাইল নাম্বারের সূত্র ধরে অভিযান চালায় ভূঞাপুর থানার পুলিশ।
অভিযান চালিয়ে গত বুধবার(৮ জুন) চট্টগ্রামের একটি বাসা থেকে অভিযুক্ত রুবেল ও তার সহযোগী ওসমানকে গ্রেপ্তার করেন। সেইসঙ্গে কলেজছাত্রীকেও উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বৃহস্পতিবার (৯জুন)রাতে রুবেলের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন ছাত্রীর মা।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ ( ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত যুবক কলেজছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে এবং ভিডিও ধারণ করে। সেই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে নিয়ে চট্টগ্রামে চলে যায়। সেখানেও ধর্ষণের শিকার হয় কলেজছাত্রী। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বখাটে রুবেল ও তার সহযোগী ওসমানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত রুবেল ও তার সহযোগীকে শুক্রবার(১০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তার ফোনে ওই মেয়েটিসহ একাধিক মেয়েদের নানা ধরনের ছবি পাওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শনিবার আদালতের কাছে রিমান্ড চাওয়া হবে। এছাড়া মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে গণধষর্ণের পর হত্যার দায়ে তিনজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন। একই মামলায় আরেক আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৯ জুন) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জেলার গোপালপুর উপজেলার ভেঙ্গুলা গ্রামের মৃত নগেন চন্দ্র দাসের ছেলে শ্রী কৃষ্ণ দাস, ধনবাড়ী উপজেলার ইসপিঞ্জাপুর গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে সৌরভ আহমেদ হৃদয় ও একই গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান। এছাড়া একই গ্রামের মেহেদী হাসান টিটুকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
টাঙ্গাইল আদালতের পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, ওই স্কুলছাত্রী ২০২১ সালের ২ আগস্ট বাড়ি থেকে নানির বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরে তাকে কোথাও না পেয়ে ৪ আগস্ট গোপালপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান বাবা। পরে থানা থেকে তাকে জানানো হয়, মেয়ের একটি ছবি নিয়ে আসতে হবে। এ কথা শুনে ছবি আনতে বাড়ি চলে যান তিনি। ওইদিন ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের ভূঞাপুর যমুনা নদীর পাড়ে বস্তাবন্দি একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ময়নাতদন্তের পর নিহতের কোনো পরিচয় না পাওয়ায় ওই দিনই বেওয়ারিশ হিসেবে মরদেহটি উপজেলার ছাব্বিশা কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরে পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে ছবি দেখে স্বজনরা উদ্ধার হওয়া মরদেহটি স্কুলছাত্রীর বলে শনাক্ত করে পরিবারের লোকজন। পরে নিহতের বাবা বাদী হয়ে ৬ আগস্ট ভূঞাপুর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।
মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) হস্তান্তর করা হয়। পরে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে গণধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িত শ্রী কৃষ্ণ দাস, সৌরভ আহমেদ হৃদয়, মিজানুর রহমান ও মেহেদী হাসান টিটুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে তিনজনের ফাঁসি ও একজনকে খালাস দেন। রায় ঘোষণার পর আসামিদের জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান ভূইয়াকে হত্যার দায়ে একজনকে আমৃত্যু ও চার জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাসুদ পারভেজ এ রায় ঘোষণা করেন। আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত রেজাউল ইসলাম রেজা ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামানের ভায়রা। তিনি দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের শামছু মিয়ার ছেলে।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলো—রেজাউলের স্ত্রী আলো বেগম, বাসাইল উপজেলার খাটোরা গ্রামের মৃত নাসিম উদ্দিনের ছেলে লাল মিয়া, যশিহাটি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে রেজভী ও দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের ফজল মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি পিপি মনিরুল ইসলাম খান জানান, বাসাইল উপজেলার কাউলজানী গ্রামের আবু বক্কর ভূইয়ার ছেলে মনিরুজ্জামান ২০১০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হন। তিন দিন পর পার্শ্ববর্তী মহেশখালী গ্রামের জমির আইল থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা আবু বক্কর ভূইয়া অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে বাসাইল থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তে হত্যাকাণ্ডে মনিরুজ্জামানের ভায়রা রেজাউল ও শ্যালিকা আলো বেগমসহ দণ্ডিতদের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে।
তিনি আরও জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাসাইল থানার তৎকালীন উপ-রিদর্শক (এসআই) শ্যামল দত্ত ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আসামিদের মধ্যে আলমগীর, আলো বেগম ও লাল মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। রেজাউল ও রেজভী জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে পলাতক।
একতার কণ্ঠঃ জাতীয় পার্টির বর্ধিত সভায় লাঞ্ছিত ও ধারালো অস্ত্রাঘাতের শিকার হয়েছেন পার্টির অন্যতম প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলার আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল কাশেম। বুধবার (৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে আয়োজিত জেলা জাতীয় পার্টির বর্ধিত সভাস্থলে প্রবেশ মুখে ঘটনাটি ঘটে।
এ হামলার অভিযোগ উঠেছে জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল হকের সমর্থক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার টাঙ্গাইল শহরস্থ ঢাকা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদশী নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে দলের পার্টির অন্যতম প্রেসিডিয়ার মেম্বার ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলার আহ্বায়ক আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল কাশেমের উপর হামলা চালানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সামনে জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল হকের অবস্থান আর পেশি শক্তি প্রকাশে সমর্থক নেতাকর্মীরা পরিকল্পিত ভাবে ঘটনাটি ঘটিয়েছে। হামলার তীব্র নিন্দা ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তারা।
জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক বলেন, এ ঘটনায় আমিও আহত হয়েছি। ঘটনাটি যারা ঘটিয়েছে তারা আমার সমর্থক বা দলের নেতাকর্মী নয়, হতে পারে বহিরাগতা। আমার সমর্থক নেতাকর্মীদের গায়ে আমার ছবি আর নামসহ গেঞ্জি ছিল। ফুটেজ দেখলে বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার কথা জানান তিনি।
জেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার নাজিম উদ্দিন বলেন, হামলার ঘটনাটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উচ্চাভিলাসী চিন্তা থেকে ঘটানো হয়েছে। হামলাকারীরা ছবিসহ গেঞ্জি পড়া ছিল।এরা আমাদের দলের নেতাকর্মী নয়। তারা আমাকে সভাস্থলে প্রবেশের সময় ধাক্কা মেরেছিল।
চিকিৎসারত পার্টির অন্যতম প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলার আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল কাশেম বলেন, এই সংসদীয় আসনের প্রার্থী হতে জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক ঘটনাটি ঘটিয়েছেন। হামলার ঘটনাটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রনোদিত আর তিনি ক্ষমতাবান সেটি প্রচার করতেই ঘটানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু জানান, আমার সামনেই হামলার এই ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনাটি খুবই খারাপ হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠণসহ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, দলের মাঝে যারা এই সমস্ত গুন্ডামী মাস্তানি করবেন তাদের দলে জায়গা নেই। আমার সামনে ঘটনাটি ঘটানো কোন শুভনীয় কাজ হয়নি। যারা ঘটনাটি ঘটিয়েছেন তাদের ভবিষ্যত ভালো হবে না। কেননা জাতীয় পার্টি কখনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করে না।
বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। বিশিষ অতিথি ছিলেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও অতিরিক্ত মহাসচিব (ঢাকা বিভাগ) লিয়াকত হোসেন খোকা, প্রেসিডিয়াম মেম্বার মো. জহিরুল ইসলাম জহির, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার নাজিম উদ্দিন। বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্টির অন্যতম প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলার আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল কাশেম।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিএনপির এক নেতার গোপনাঙ্গ কেটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনৈতিক সম্পর্কের জেরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ইউনিয়নের বড় বেলতা গ্রামের মৃত হায়দার আলীর ছেলে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমানের গোপনাঙ্গ কেটে দিয়েছেন দুই শ্যালকের স্ত্রী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (৬ জুন) গভীর রাতে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তৃতীয় তলার ৬ নং ওয়ার্ডে ভর্তি হন বজলুর রহমান।
বজলুর রহমানের চাচাতো ভাই স্থানীয় মেম্বার পোলু জানান, দীর্ঘদিন ধরে দুই শ্যালকের স্ত্রীর সাথে বজলুর রহমানের অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। সে বিভিন্ন সময় শ্বশুরবাড়িতে আর্থিক সহায়তা করতো। তার আর্থিক সহায়তায় দুই শ্যালক সৌদি যায়। তার এনজিও থেকে ঋণও দিয়েছিলেন। সেই সূত্রে নিয়মিত কিস্তির টাকার জন্য যাতায়াত ছিলো। গত সোমবার (৬ জুন) রাতে ওই দুই নারী কৌশলে তাকে গভীর রাতে ডেকে নিয়ে ব্লেড দিয়ে গোপনাঙ্গ কেটে দেয়। ঘটনাটি যেহেতু আত্মীয়ের মধ্যে ঘটেছে তাই মামলা হয়নি, দুই পক্ষ থেকে মীমাংসা করার আলোচনা চলছে।
অভিযুক্ত দুই প্রবাসীর স্ত্রী জানান, বজলুর রহমান নিয়মিত তাদের নির্যাতন করতো। সোমবার গভীর রাতে তাদের বাড়িতে গিয়ে দুইজনের সাথে মেলামেশা করার চেষ্টা করে। পরে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে হাতের কাছে থাকা ব্লেড দিয়ে বজলুর রহমানের গোপনাঙ্গ কেটে দেয়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা কাগমারি পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মাজেদ জানান, পরিবারের অভিযোগ নেই। তারা পারিবারিকভাবে মীমাংসা করছেন বলে উভয়ের অভিভাবক জানিয়েছেন।