একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ক্লিনিক বন্ধ করতে অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।
শনিবার (২৮ মে) সকাল থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রানুআরা খাতুনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুপুর ১২টা পর্যন্ত অভিযানে কোন বৈধ কাগপত্র না থাকায় চারটি ক্লিনিক সিলগালা ও দুইটি ক্লিনিক মালিককে জরিমানা করা হয়েছে।
সিলগালাকৃত ক্লিনিকগুলো হচ্ছে, স্বদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডিজি ল্যাব, পদ্মা ক্লিনিক, আমানত ক্লিনিক অ্যান্ড হসপিটাল।
এছাড়া দি সিটি ক্লিনিকে ২০ হাজার টাকা এবং কমফোর্ড হাসাপাতালকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রানুআরা খাতুন জানান, কোন বৈধ কাগপত্র না থাকায় এখন পর্যন্ত ৪টি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। অভিযান এখনো চলছে। অভিযান শেষ হওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে ৩ হাজার ৬০১ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব। শুক্রবার (২৭মে)ভোরে সদর উপজেলার পিচুরিয়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত মাদক কারবারি উপজেলার পিচুরিয়া গ্রামের আব্দুল আজিজ মিয়ার ছেলে আলম মিয়া (৪৫)।
উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ সময় একটি মোবাইল ফোন জব্দ করে র্যাব।
শুক্রবার (২৭ মে)দুপুরে র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আটককৃত মাদকদ্রব্য ইয়াবা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে টাঙ্গাইল জেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের নিকট তার চাহিদা অনুযায়ী বিক্রি করে আসছিলো। আটককৃত মাদক কারবারি আলম মিয়ার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় ২০১৮ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৩৬ (১) এর ১০ (খ) ধারায় মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মা ক্লিনিক এন্ড হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতিসহ নবজাতক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ক্লিনিকের ডাক্তার, নার্স, কতৃপক্ষ সহ সবাই পলাতক রয়েছে।
মৃত লাইলী বেগম (৩০) উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ি গ্রামের আতোয়ার হোসেনের স্ত্রী।
বুধবার (২৫ মে ) রাতে ভুঞাপুর বাজারস্থ অনুমোদনবিহীন মা ক্লিনিক এন্ড হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, লাইলী বেগমের প্রস্রব যন্ত্রণা হলে তার স্বজনরা ভুঞাপুর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক রোগীকে টাঙ্গাইল রেফার্ড করেন। এতে সেখানে থাকা ক্লিনিকের দালাল শামছুর খপ্পরে। পরে দালালের কথামত মা ক্লিনিক এন্ড হাসপাতালে নিয়ে যায়। ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়। পরে ওই ক্লিনিকে সার্জারি চিকিৎসক ও ভুঞাপুর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার এনামুল হক সোহেল ও অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক ডা. আল মামুন অস্ত্রপ্রচার শুরু করেন। পরে এক পর্যায়ে রোগী অপারেশন টেবিলেই মারা যায়। পরে স্বজনদের না জানিয়ে লাশ অ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়ে টাঙ্গাইলে পাঠিয়ে দেয়ার সময় স্বজন ও স্থানীয়রা বাঁধা দেয়।
রোগীর স্বজনরা জানান, প্রস্রব যন্ত্রণা শুরু হলে সরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে দালালের খপ্পরে পরে ক্লিনিকে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা দুই ঘন্টা ধরে অপারেশন থিয়েটারে রাখে। পরে রোগী মারা গেলে ক্লিনিকের সামনে রেখে চিকিৎসক, নার্স ও মালিকরা পালিয়ে যায়।
ভুঞাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আল মামুন বলেন, মা ক্লিনিকে আনার পর তার উচ্চ রক্ত চাপ (পেসার ) দেখা দেয়। পরে অপারেশনের আগেই রোগী বমি করার পরই মারা যায়।
ভুঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ক্লিনিকে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে ক্লিনিকের চিকিৎসক, নার্স ও মালিকরা পালিয়ে গেছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মাধব চন্দ্র পাল (৩৩) নামে এক যুবকের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৫ মে) দুপুরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাউদ হাসান এই রায় দেন। মাধব চন্দ্র পাল টাঙ্গাইল পৌরসভার এনায়েতপুর এলাকার সুশীল চন্দ্র পালের ছেলে।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌসুলি (পিপি) এস আকবর খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নবম শেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে মাধব পালের। একপর্যায়ে ওই ছাত্রীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। এতে ক্ষোভে ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই স্কুলছাত্রী।
চিকিৎসার পর সুস্থ হলে স্থানীয় সালিশ বৈঠকের পর মাধবের সঙ্গে তার বিয়ের দিন ধার্য হয়। বিয়ের তারিখ ঠিক হওয়ার পরে ওই ছাত্রীকে ফোনে মাধব জানান, তিনি চাপে পড়ে বিয়েতে রাজি হয়েছেন। বিয়ের পর তাকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না। ওই ছাত্রীকে আত্মহত্যা করতে বলেন তিনি।
মাধবের কাছ থেকে ফোন পাওয়ার পর ওই স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনার পর ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মাধব, তার বাবা সুশীল পাল, মা আলো রানী পালসহ নয় জনকে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার অরণখোলা ইউনিয়নের জলছত্র এলাকায় অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার(২৪ মে) ভোরে ২৮ বোতল বিদেশি মদ সহ জলছত্র এলাকার মৃত নিহার দফোর ছেলে তুষার রেমা(৩৫) নামে এক আদিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি- দক্ষিণ)।
টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি) দক্ষিণের অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেনের নির্দেশে ডিবির একটি দল মধুপুরের জলছত্র এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ২৮ বোতল বিদেশি মদ সহ তুষার রেমাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্র আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত তুষার রেমা চোরাই পথে বিদেশি মদ সংগ্রহ করে মাদকসেবীদের কাছে সরবরাহ করছিল।
এ বিষয়ে মধুপুর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইল শহরের দেওলা এলাকায় রিনা আক্তার মায়াকে আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় স্বামী ওয়াহেদুল ইসলাম প্রান্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার(২৪ মে) দুপুরে তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে সপর্দ করলে টাঙ্গাইল সদর আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রট সামছুল আলম একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছে আদালত পরিদর্শক মা. তানভীর আহম্মদ।
এ ঘটনায় নিহত কলেজ ছাত্রীর পিতা কালিহাতী উপজলার মহেলা গ্রামের মো. হাবেল উদ্দিন বাদী হয়ে রোববার(২২ম) রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ।
প্রকাশ, নিহতের বাবা হাবিল উদ্দিন জানান,গত দেড় বছর আগে শহরের বিশ্বাসবেতকা মুন্সিপাড়া এলাকার সামাল খাঁনর ছেলে ওয়াহেদুল ইসলাম প্রান্তর সাথে রিনা আক্তার মায়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে শাররীক ও মানুষিকভাব নির্যাতন করত। এ বিষয়ে মেয়ের বাবা হাবিল উদ্দিন মেয়ের জামাতার বাবার কাছে অভিযাগ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দেওলার ভাড়াটিয়া বাসায় যায়। বাসা ফাঁকা পেয়ে মায়ার উপর চড়াও হয় শান্ত। ধস্তাধস্তির একপর্যায় মায়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মায়ার মরদেহ গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানর সাথে ঝুলিয়ে রেখে ডাকচিৎকার করেন স্বামী। প্রতিবশীরা পুলিশকে খবর দিলে মরদহ উদ্ধার করে এবং স্বামী প্রান্তকে আটক করে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইল ও কালিহাতীতে পৃথক অভিযানে ৩১০ গ্রাম হিরোইন ও ১৫২ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র্যাব-১২)।
মঙ্গলবার (২৪ মে) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রুপসী যাত্রা এলাকা ও কালিহাতী উপজেলার রাজাবাড়ী সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে তাদের আটক করা হয়।র্যাব-১২, সিপিসি-৩ এর কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হলেন,ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার চান্দু শেখের ছেলে মো. নান্নু শেখ (৩৫) , টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রুপসী গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম (৩৮),দেলদুয়ার উপজেলার বেতরাইল গ্রামের শহিদুল মিয়ার ছেলে লুৎফর মিয়া(৩৪)।
র্যাব-১২ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, আটককৃতদের কাছ থেকে ১৫২ পিস ইয়াবা, ২টি মোবাইল এবং নগদ দুই হাজার ৬০ টাকা এবং ৩১০ গ্রাম হেরোইন (মূল্য অনুমানিক ৩১,০০,০০০ , টাকা)সহ জব্দ করা হয়।
তিনি আরো জানান, আটককৃতরা ইয়াবা ও হিরোইন অবৈধভাবে সংগ্র করে জেলার বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করত। এ ঘটনায় র্যাব বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের দেওলা এলাকায় রিনা আক্তার মায়া নামে এক কলেজছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। রোববার(২২ মে) সন্ধ্যায় ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি সরকারি কুমুদিনী কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ও কালিহাতী উপজেলা মহেলা গ্রামের হাবিল উদ্দিনের মেয়ে। এ ঘটনায় পুলিশ কলেজছাত্রীর স্বামী প্রান্তকে আটক করেছে।
জানাগেছে, গত দেড় বছর আগে শহরের বিশ্বাস বেতকা মুন্সিপাড়া এলাকার সামাল খাঁনের ছেলে ওয়াহেদুল ইসলাম প্রান্তর সাথে রিনা আক্তার মায়ার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাকে শাররিক ও মানুষিকভাবে নির্যাতন করতো। এ কারনে ছাত্রীর বাবা হাবিল উদ্দিন মেয়ের জামাতা প্রান্তর বাবার কাছে অভিযোগ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রান্ত দেওলার ভাড়াটিয়া বাসায় যায়।
হাবিল উদ্দিন জানান, বাসায় অন্যদের অনুুপস্থিতির সুযোগে কলেজছাত্রী রিনা আক্তার মায়ার উপর চড়াও হন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে মায়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর মায়ার মরদেহ গলায় ওড়না পেচিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখে ডাকচিৎকার করে। প্রতিবেশিরা পুলিশকে খবরদিলে মরদেহ উদ্ধার করে এবং কলেজছাত্রীর স্বামী প্রান্তকে পুলিশ আটক করে।
প্রান্তর বাবা সামাল খাঁন জানান, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার একপর্যায়ে রীনা আক্তার মায়া গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তার ছেলে প্রান্তকে অহেতুক দোষারোপ করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, এ বিষয়ে মেয়ের বাবা বাদী হয়ে প্রান্তকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত প্রান্তকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ-দুর্নীতির অভিযোগ এনে শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (১৯ মে) দুপুরে ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী বাজার এলাকায় ঘণ্টা ব্যাপী ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন- সাগরদিঘী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা সামছ উদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন, হাবিবুল্লাহ বাহার, ইউপি সদস্য ওয়াজেদ সিকদার, মো. ফরহাদ আলী, গ্রাম পুলিশ লাল মিয়াসহ অন্যরা।
এ সময় বক্তারা জানান, ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, সরকারি খাসজমি দখল করে সুবিধাভোগ, ভর্তুকি দিয়ে রেশনের কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে অর্থ আত্মসাতসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন।
এ সময় সাগরদিঘী ইউনিয়নের প্রায় সহস্রাধিক বিক্ষোভকারী মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ গ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা সল্লা সমবায় উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুকান্ত কুমার সুত্রধরকে লাঞ্ছিত করেছে স্থানীয় বখাটে শিশির।এঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৯ মে) দুপুরে সল্লা সমবায় উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বখাটে শিশিরের বিচারের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে কালিহাতী উপজেলার সল্লায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে বিদ্যালযের শিক্ষার্থীরা।
এসময় মহাসড়কের দুইপাশে ১৫ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে কালিহাতী থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শিক্ষার্থীরা সকল প্রকার ক্লাশ-পরীক্ষা বর্জন করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে শিশিরকে গ্রেফতার করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন।
জান যায়, বিদ্যালয়ের ইংরেজি সহকারী শিক্ষক সুশান্ত কুমার সূত্রধর ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বৃহস্পতিবার সকালে বখাটে শিশির স্কুল প্রাঙনে প্রবেশ করে তাকে শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করে পালিয়ে যায়। শিশির সল্লা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আবু নাসিরের ছেলে। এদিকে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনা শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে পরলে তারা একত্রিত হয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম জানান, বিদ্যালয়ে যাওয়া আসার সময় মাঝে মধ্যেই এই বখাটে শিশির ছাত্রীদের উত্যক্ত করে।তিনি শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বখাটে শিশিরের শাস্তির আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা বাড়িতে চলে যায়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাদেক আলী মোল্লা জানান, শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে শিক্ষকদের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বখাটে শিশিরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, শিক্ষক অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের বাসাইলে চাচির গোসলের নগ্ন ভিডিও ধারণ করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী বাসাইল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মান্দারজানি গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে শরিফুল ইসলাম শরীফ (২৮) কৌশলে তার চাচির গোসলের নগ্ন ভিডিও ধারণ করে। পরে ওই ভিডিও হৃদয় খান নামে একটি ইমো আইডি থেকে তার সৌদি প্রবাসী চাচাকে পাঠায়। দুই লাখ টাকা না দিলে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে ভাইরাল করে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি তিনি তার স্ত্রীকে জানান। পরে স্ত্রী বাদী হয়ে বাসাইল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারীর গোসলখানাটি অভিযুক্ত শরীফের ঘরের উত্তর পাশে অবস্থিত। ভুক্তভোগী ওই নারীর গোসলখানা দরজাবিহীন। ছবিটির ফ্রেম বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ছবিটি অভিযুক্ত শরীফের ঘর থেকে তোলা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শরীফের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে চুরিসহ নানা অপকর্মে জড়িত থাকায় এলাকায় একাধিক গ্রাম সালিশ হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী বলেন, শরিফ ইতোপূর্বে আমার ঘরে ঢুকে খাবারের সাথে বিষজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে আমাদের সবাইকে মেরে ফেলারও চেষ্টা করেছিল। শুধু ভাতিজা বলে এতদিন সকল অত্যাচার সহ্য করেছি। আমি ওর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এ বিষয়ে সৌদি প্রবাসী মুঠোফোনে বলেন, যে ইমো আইডি হৃদয় খান থেকে আমাকে ভিডিওটি পাঠানো হয়েছে ওই একই আইডি থেকে আমার ভাতিজা শরীফ আমার সাথে যোগাযোগ করেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম শরীফ বলেন, আমাদের বাড়িতে পুলিশ এসেছিল। আমি পুলিশকে আমার মোবাইল ফোন দিয়ে দিয়েছি। আমার চাচির সাথে এমন কাজ করতে পারি না। অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেও তিনি দাবি করেন।
বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতারকণ্ঠ: টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে মাটি ভরাট করে জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় বনমালি গ্রামের মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে মো. হানিফা।বুধবার (১৮ মে) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটিরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,দীর্ঘদিন যাবত পৈত্রিকভাবে পাওয়া সম্পত্তি ভোগ দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালা করে আসছি। সম্প্রতি বনমালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শামীমা ইয়াসমীন ঝর্না জোরপুর্বক বিদ্যালয় সংলগ্ন ৪২ শতাংশ ভূমি দখলের পায়তারা করে আসছে। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিঃ আদালতে তিনি দুইটি মামলা দায়ের করেছেন। প্রধান শিক্ষক প্রভাবশালী ব্যক্তির ক্ষমতাবলে জমি দখল করার জন্য সোমবার(১৮ মে) সকালে ঝিনাই নদীতে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে মাটি উত্তোলন শুরু করছে।তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন,ইতোপুবে জমির বিষয়ে রফা করতে প্রধান শিক্ষিকা তার কাছে উৎকোচ দাবী করে। সেই উৎকোচ না দেওয়ায় স্থানীয় প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় আমার পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্ঠা করছে। তিনি অবৈধ ড্রেজার দিয়ে মাটি তুলে সম্পত্তি জবরদখল বন্ধের জোর দাবি জানাচ্ছি ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে যথাযথ কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
সংবাদ সম্মেলনে টাঙ্গাইলের কর্মরত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।