/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দেড় লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন। মঙ্গলবার(৫জুলাই) দুপুরে আসামীর উপস্থিতিতে তিনি ওই রায় ঘোষনা করেন তিনি।
দন্ডিত ব্যক্তি টাঙ্গাইল পৌর শহরের আদি টাঙ্গাইল এলাকার মৃত আ: সালামের ছেলে মো: সুজন মিয়া (৩৫)।

টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস জানান, প্রায় ১৪ বছর পূর্বে মো: সুজন মিয়ার সাথে আদি টাঙ্গাইল দাসপাড়া (মাঝিপাড়া) শিউলী আক্তারের (২৭) বিয়ে হয়। বিয়ের পর দেড় লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে তার স্বামী বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো। ২০১৪ সালের ১৭ জুন সকাল ১১ টার দিকে তার স্বামী ঘরের দরজা বন্ধ করে যৌতুকের টাকার জন্য মারপিট করে। পরে পরিকল্পিতভাবে সেভেনআপের বোতল ভর্তি কেরোসিন তেল ঢেলে তার স্ত্রীর শরীলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় তার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরের দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিউলী আক্তারের মৃত্যু ঘটে। পরে তার ভাই মো: শিবলু মিয়া বাদী হয়ে ২০১৪ সালের ১৮ জুন টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জুলাই ২০২২ ০৯:৪১:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দেড় বছর পর হত্যা রহস্য উদঘাটন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দেড় বছর পর হত্যা রহস্য উদঘাটন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার দেওভোগ দক্ষিণপাড়া এলাকার ক্লু-লেস হযরত আলী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) টাঙ্গাইল।

হত্যাকান্ডে জড়িত নিহত হযরত আলীর নাতি আসিফকে গ্রেফতার করেছে পিআইবি। সোমবার (৪ জুলাই) দুপুরে এক প্রেসবিফিং এর মাধ্যমে এ তথ্য জানান পিবিআই।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,  ২০২১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় হযরত আলী ও তার বড় ছেলে জাহাঙ্গীর এবং নাতি আসিফ কুমুল্লির বিলে নিজেদের জায়গায় পানি সেচে মাছ ধরতে যায়। সেখান থেকেই নিখোঁজ হয় হযরত আলী। পরে ২০২১ সালের ৩ মার্চ সকালে বাদীর চাচাতো ভাই মোস্তফা ঘটনাস্থলের পাশে ইরি ক্ষেতে সার দিতে গিয়ে দূর্গন্ধ পায়। পরে সে তার ক্ষেতের পাশে পুকুরে কচুরী পানার মধ্যে একটি লাশ দেখতে পায়। এ সময় তার ডাক- চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। পরে বাদী সুজন মোল্লা তার পিতার লাশ সনাক্ত করে। এ বিষয়ে মির্জাপুর থানায় অজ্ঞাতনামা একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে মামলাটি পিবিআই তদন্তভার গ্রহণ করে। পিবিআই এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমীনের দিক নির্দেশনায় তথ্য প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার আশরাফুল কবির ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি চৌকশ দল অভিযান পরিচালনা করে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি এলাকা থেকে আসিফ (১৮) কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া আসিফ জানায়, হযরত আলী, সে ও তার মামা জাহাঙ্গীর মোল্লা ঘটনার রাতে মাছ ধরতে যায়। পরে জাহাঙ্গীর পিছন থেকে হযরত আলীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। এ সময় আসিফকে তার মামা জাহাঙ্গীর হত্যার বিষয়ে কাউকে কিছু বলতে নিষেধ করে এবং লাশ গুম করার জন্য সহযোগিতা করতে বলে। লাশ গুম করতে যদি সহযোগীতা না করে তাহলে তাকেও হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেয় জাহাঙ্গীর। পরে আসিফ ও তার মামা হযরত আলীর লাশ পুকুরের এক পাশে কচুরি পানা দিয়ে ঢেকে রাখে এবং রক্ত পানি ও কাঁদা দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখে। পরে তারা বাড়ি চলে যায়।

টাঙ্গাইল পিবিআই পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমীন জানান, জায়গা জমির ভাগ বাটোয়ার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাপ-ছেলের মধ্যে বিরোধ চলছিল। আর এ কারণেই এই হত্যাকান্ড। রোববার(৩জুলাই) হত্যাকান্ডে জড়িত হযরত আলীর নাতি আসিফকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহত হযরত আলীর বড় ছেলে জাহাঙ্গীর মোল্লা আগে থেকেই কারাগারে রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জুলাই ২০২২ ০২:২৩:এএম ৪ বছর আগে
শিহাব হত্যা: তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারের অসন্তোষ - Ekotar Kantho

শিহাব হত্যা: তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারের অসন্তোষ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রাবাসে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিহাবের মৃত্যুর দুই সপ্তাহ পার হলেও তদন্তের অগ্রগতি ও তদন্তকারীদের আচরণ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ জানিয়েছে নিহত শিহাবের পরিবার।

রোববার (৩ জুলাই) এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় একমাত্র গ্রেপ্তারকৃত আসামি স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্করকে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন বিজ্ঞ-আদালত।

রোববার সকালে সদর থানা পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড শেষে আবু বক্করকে টাঙ্গাইলের সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট শামছুল আলমের আদালতে উপস্থাপন করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন আদালত পরিদর্শক তানভীর আহম্মেদ।

শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন জানান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মামলার এজহারভুক্ত বাকি ৫ আসামির কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করেনি।

তিনি আরো জানান, স্কুলের মালিকপক্ষ ধনাঢ্য ও প্রভাবশালী হওয়ায় একইসঙ্গে তদন্তকারীদের আচরণে আমি এখন সন্তান হত্যার ঘটনায় ন্যায়বিচার না পাওয়ার আশঙ্কা করছি।

উল্লেখ্য, গত ২০ জুন সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ি গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে শিহাবকে (১১) টাঙ্গাইল সৃষ্টি একাডেমী স্কুলের হোস্টেলে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করেন, শিহাব হোস্টেলের সপ্তম তলার একটি বাথরুমে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

পরে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে শিহাবের মৃত্যু শ্বাসরোধ বা গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

ঘটনার ৬ দিন পর গত ২৬ জুন শিহাবের মা আসমা আক্তার আবু বক্করসহ ওই স্কুলের ৬ আবাসিক শিক্ষককে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ প্রসঙ্গে, টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষকের দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুলাই ২০২২ ০১:৫০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। শনিবার (২ জুলাই) বিকেলে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে সখীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ধর্ষণের সহযোগী দুই যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

শুক্রবার ( ১ জুলাই) রাতে উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের বাসারচালা গ্রামে ওই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার হওয়া নাইস আহমেদ (২১) স্থানীয় একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও ফরহাদ হোসেন (২২) গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া দুই যুবক মামলার প্রধান আসামি সাগর আহমেদের বন্ধু। শুক্রবার রাতে মেয়েটির চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে দুই যুবককে আটক করলেও ধর্ষণের প্রধান আসামি সাগর আহমেদ (২১) ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

মেয়েটির বাবা জানায়, শুক্রবার রাতে তার মেয়ে প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে ঘর থেকে বের হলে তিনজন যুবক তার মেয়ের মুখ চেপে ধরে পাশের বনে নিয়ে রায়। এরপর প্রথমে সাগর তাকে ধর্ষণ করে। সাগরের বন্ধুরাও ধর্ষণের চেষ্টা করলে ওই সময় মেয়েটির চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সাগর দৌড়ে পালিয়ে যায়। ওই সময় স্থানীয়রা ওই দুই যুবকে আটক করে। পরে শনিবার সকালে গ্রামবাসী পুলিশকে খবর দিলে ওই দুই যুবককে সখিপুর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম গ্রামবাসীর হাতে আটক হওয়া দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেন। ধর্ষণের প্রধান আসামি সাগর আহমেদকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, মামলাটি রেকর্ড হওয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. জুলাই ২০২২ ০৩:১৯:এএম ৪ বছর আগে
দেলদুয়ারের পরাজিত নৌকা প্রার্থীর’ উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

দেলদুয়ারের পরাজিত নৌকা প্রার্থীর’ উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি নির্বাচনের নৌকার পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী কৃষ্ণ কান্তিসহ তার অনুসারীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

বুধবার (২৯ জুন) বিকেলে উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের টাঙ্গাইল-আরিচা সড়কে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। হিঙ্গানগর গ্রামের কলাবাগানে সড়কের আয়োজিত মানববন্ধনে নারী, পুরুষ, শিশু বৃদ্ধসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশ নেয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহা, জেলা পুজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন দে, দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জ্ঞানেন্দ্র বাবু, সাধারণ সম্পাদক লায়ন শিবলী সাদিক, আটিয়া ইউনিয়নে নৌকার পরাজিত প্রার্থী কৃষ্ণ কান্ত দে সরকার, শিক্ষক সুনীল দে ও দেলদুয়ার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ওয়াদুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, এটা একটা পরিকল্পিত হামলা। কৃষ্ণ কান্তি দের উপর হামলারকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা না হলে পরবর্তীতে কঠোর থেকে কঠোরতর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দেলদুয়ার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মামুন মিয়া জানান, ২৭ জুন হামলার ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। আসামীরা পলাতক রয়েছে। এরপরও আসামী গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত ২৬ জুন রোববার বিকেলে ইউনিয়নের ছিলিমপুর বাজারে আওয়ামী লীগের পরাজিত প্রার্থী ও আটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগেরর সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ কান্তি দে সরকারসহ তার অনুসারীদের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. জুন ২০২২ ০৩:৫৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র শিহাব হত্যায় শিক্ষক রিমান্ডে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র শিহাব হত্যায় শিক্ষক রিমান্ডে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ছাত্রাবাসে শিশু শিক্ষার্থী শিহাব মিয়াকে হত্যা মামলায় ওই স্কুলের এক শিক্ষককে মঙ্গলবার (২৮ জুন) পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

ওই শিক্ষকের নাম আবু বক্কর (৩৫)। তিনি সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক শিক্ষক। রোববার (২৬ জুন) রাতে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। শিহাবের মা আসমা আক্তার বাদী হয়ে সোমবার (২৭ জুন) আবু বক্করকে প্রধান আসামি করে ছয় শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও সাত/আট জনকে আসামি করা হয়।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, মামলা দায়েরের পর আবু বক্করকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান সাত দিনের রিমান্ড চান। শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. শামসুল আলম পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রকাশ, গত ২০ জুন শহরের বিশ্বাস বেতকা সুপারি বাগান এলাকার সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ছাত্রাবাস থেকে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ছাত্রাবাসের আবাসিক শিক্ষকরা তার মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

শিহাব সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ী গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে। শিহাবকে চার মাস আগে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলে ভর্তি করা হয়। সে সুপারি বাগান এলাকায় ওই স্কুলের ছাত্রাবাসে সপ্তম তলায় থাকতো।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে শিহাবের ময়না তদন্ত হয়। শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম মিয়ার নেতৃত্বে তিন সদস্যের চিকিৎসক দল শিহাবের ময়না তদন্ত করেন। গত রোববার (২৬ জুন) টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠান। শিহাবকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

শিহাবের মরদেহ উদ্ধারের পর মৃত্যুর কারণ ও হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে দফায় দফায় মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছে শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুপুরে শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শিহাব হত্যার বিচারের দাবিতে জেলা ছাত্রলীগ সমাবেশ করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. জুন ২০২২ ০৩:২৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী ও সতীন আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী ও সতীন আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকালে উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়নের লোকদেও গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বামী, সতীন হাসনা ও তার সন্তান হাসান সহ বেশ কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হয়েছে। মধুপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শেফালি বেগম (৪৫) ওই গ্রামের গোলাপ হোসেনের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানা যায়, গোলাপ হোসেনের দুই স্ত্রী। পারিবারিক কলহের জেরে গত এক সপ্তাহ পূর্বে প্রথম স্ত্রী হাসনাকে তালাক দেন গোপাল হোসেন। পরে স্থানীয় লোকজন শালিসী বৈঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে প্রথম স্ত্রীর সকল পাওয়া-দেওনা পরিশোধ করতে হবে গোলাপ হোসেনকে।

এক পর্যায়ে প্রথম স্ত্রী একটি ঘর বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। ঘরটি পাঁচ হাজার টাকা দাম করে দ্বিতীয় স্ত্রী রেখে দিতে চাইলেও তাতে দ্বিমত পোষণ করেন হাসনা। সোমবার(২৭ জুন) সন্ধ্যায় তাদের দুই সতীনের মধ্যে বাক-বিতন্ডার সৃষ্টি হয়। বাক-বিতণ্ডার একপর্যায়ে প্রথম স্ত্রীকে দেখে নেয়ার হুশিয়ারি দেয় দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী ও তার সন্তান বাড়ি থেকে চলে গিয়ে এক প্রতিবেশির বাড়িতে রাত্রীযাপন করেন।

মঙ্গলবার সকালে প্রথম স্ত্রীর সন্তান তার বাবাকে বাড়িতে ডাকতে গেলে দ্বিতীয় স্ত্রী ক্ষতবিক্ষত লাশের পাশে গোলাপ হোসেনকে দেখতে পায়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরে স্থানীয়রা পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়।

এ প্রসঙ্গে গোলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বাবলু জানান, বিষয়টি তিনি জানার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। লাশ পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। লাশ ময়না তদন্ত শেষে পরিবারিকভাবে দাফন করা হবে।

মধুপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হাসান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণের করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী-সতীনসহ বেশ কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জুন ২০২২ ০৮:৫৮:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শিহাবের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে রাজপথে সাধারণ শিক্ষার্থীরা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিহাবের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে রাজপথে সাধারণ শিক্ষার্থীরা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকের পঞ্চম শ্রেণীর শিশু শিক্ষার্থী শিহাবের হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড় সংলগ্ন টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে  বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় সহস্রাধিক ছাত্র-ছাত্রী ওই কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধন শেষে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- জান্নাতুল মাওয়া শ্যামন্তী, ফারহান নিঝুম, মেহেদী হাসান, আসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা- পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র শিহাব মিয়ার হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এদিকে, সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিকে শিহাবের লাশ উদ্ধারের পর থেকেই সাধারণ শিক্ষার্থী, সচেতন মহল, ছাত্রলীগ ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে টাঙ্গাইল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে আসছে। তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রবিবার (২৬ জুন) ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রবিবার বিকেলে র‍্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের অধ্যক্ষসহ ৯ শিক্ষককে আটক করা হয়।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, রোববার(২৬ জুন) বিকেল ৪টার দিকে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকের দুই শিক্ষক আবু বকর ও মো. নাসিরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব কমান্ডার এএসপি এরশাদুর রহমান জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‍্যাব ৭ শিক্ষককে ও সদর থানার পুলিশ দুই শিক্ষককে নিয়ে গেছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২০ জুন সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা সুপারি বাগান এলাকায় সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক ভবন থেকে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র শিহাব মিয়ার লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান ভবনে দায়িত্বরত শিক্ষকরা।
মৃত শিহাব মিয়া (১১) জেলার সখিপুর উপজেলার বেরবাড়ি গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে।

ওইদিন শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ আনে তার পরিবার। পরে লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।

এঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জুন ২০২২ ০৪:১৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আব্দুর রহিম হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় দেন।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১১জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

২০১৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর অপর আসামি ময়েজ উদ্দিন মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সেজনু মিয়া ও মিজানুর রহমান, একই গ্রামের ফয়জ উদ্দিনের ছেলে মুনসুর আলী এবং গঙ্গাবর গ্রামের মৃত আলী ফকিরের ছেলে জামাল ফকির।

সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে সেজুন মিয়া পলাতাক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালতের সরকারি কৌশলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, ২০০৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামে আসামিরা একটি জমি দখলে নিয়ে চাষাবাদ করতে যান। জমির মালিক আব্দুর রহিম তাদের বাধা দেয়। এ সময় আসামিরা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আব্দুর রহিমকে গুরুতর আহত করে। আহত অবস্থায় আব্দুর রহিমকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ৩১ ডিসেম্বর আব্দুর রহিম মারা যান।

তিনি আরো জানান, ওই ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. সুলতান মিয়া ২০০৫ সালের ৩ জানুয়ারি ধনবাড়ী থানায় ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ধনবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল আলম ২০০৫ সালের ২৭ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণা করলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. জুন ২০২২ ০৯:২৮:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হামলার শিকার নৌকার পরাজিত প্রার্থী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হামলার শিকার নৌকার পরাজিত প্রার্থী

একতা কন্ঠ: টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে আটিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কার পরাজিত প্রার্থী কৃষ্ণকান্ত দে সরকারকে পিটিয়ে আহত করেছে দলের জলের ভিতর থাকা প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ। রোববার (২৬ জুন) বিকেলে উপজেলার ছিলিমপুর বেবিস্ট্যান্ডে ওই হামলার ঘটনাটি ঘটে। কৃষ্ণক্রান্ত দে বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। হামলার এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আহত কৃষ্ণকান্ত আটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক।

জানা যায়, গত বুধবার (১৫ জুন) সম্পন্ন হওয়া উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে কৃষ্ণকান্ত দে সরকার নির্বাচনে পরাজিত হন। হামলাকারীরা নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে ঘোড়া প্রতিকের নির্বাচন করেন। এ নিয়ে কৃষ্ণকান্ত দে দলীয় কোন্দল ও শৃঙ্খলার অভাবকে দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। এ ঘটনার জেরে রোববার বিকেলে কৃষ্ণকান্ত টাঙ্গাইল শহর থেকে ফেরার পথে উপজেলার ছিলিমপুর বেবিস্ট্যান্ডে পৌঁছালে তার উপর হামলা করা হয়।

এ  প্রসঙ্গে কৃষ্ণ কান্ত দে বলেন, হামলাকারীরা নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে ঘোড়া প্রতিকের নির্বাচন করেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান কাঠের লাঠি দিয়ে এলোপাথারী পেটাতে শুরু করে। হাবিবের সঙ্গে তার সহযোগী কামরুজ্জামান কফি, ওহাব ও আটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম মন্টুর ভাই কাওছারও মারপিট শুরু করে। তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় রাতেই মামলা করা হবে বলে জানিয়েছে কৃষ্ণ কান্ত দে।

এসময় কৃষ্ণকান্তের স্ত্রী স্কুল শিক্ষিকা দূর্গা রানী সরকার কেও অপমান করে হামলাকারীরা।

দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ফেসবুকে নির্বাচন কেন্দ্রীক পোষ্ট দেওয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দলীয় এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দেলদুয়ার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. জুন ২০২২ ০৮:২৮:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র শিহাবকে শ্বাসরোধে খুন করা হয় - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র শিহাবকে শ্বাসরোধে খুন করা হয়

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক ছাত্র শিহাবকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ময়নাতদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে। রোববার (২৬ জুন)দুপুরে টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন আবুল ফজল মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা লুৎফর রহমান আজাদকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট ময়নাতদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন, ডাক্তার তানভীর আহম্মেদ ও আবাসিক ফিজিসিয়ান ডাক্তার মো. কামরুজ্জামান। শরীরে কোনো দাগ বা আঘাতের চিহ্ন নেই। শুধু গলায় দাগের চিহ্ন রয়েছে। সেখানে কোনো কিছু পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ময়নাতদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিহত শিহাব টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ী এলাকার সিঙ্গাপুর প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে।

গত সোমবার (২০ জুন)সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক হলের বাথরুম থেকে শিহাবের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় শিহাবের বাবা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে শিহাবকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। ফুঁসে উঠে স্কুলের শিক্ষার্থীরাও। তারাও হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবিতে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে।

নিহত শিহাবের চাচা তুষার আহম্মেদ বলেন, আমরা আগেই বলেছিলাম শিহাবকে হত্যা করা হয়েছে। এত ছোট ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না। আমরা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করব।

সৃষ্টি শিক্ষা পরিবারের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রিপন বলেন, এ ঘটনার সাথে যেই জড়িত থাকুক সুষ্ঠু তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছি প্রশসানের কাছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক হলের বাথরুম থেকে ওই ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তখন থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এখন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অনুয়ায়ী হত্যা মামলা হবে।

পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুয়ায়ী অবশ্যই হত্যা মামলা হবে। রোববার বিকেল ৪টার দিকে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকের দুই শিক্ষক আবু বকর ও মো. নাসিরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

উল্লেখ্য,শিহাবের ফুপাতো ভাই আল আমিন সিকদার জানান, জানুয়ারি মাসে শিহাবকে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকে ভর্তি করা হয়। পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র শিহাব নিয়মিত ভালোভাবেই পড়াশোনা করছিল। হঠাৎ গত সোমবার বিকেলে সৃষ্টি স্কুল থেকে ফোন দিয়ে বলা হয় শিহাব অসুস্থ। আপনারা তাড়াতাড়ি আসেন। পরবর্তীতে ওই নাম্বারে ফোন দিয়ে শিহাবের অসুস্থতার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে বলা হয় সিএনজি দুর্ঘটনায় সে আহত হয়েছে।
পরে তাড়াহুড়ো করে সৃষ্টি স্কুল ভবনের কাছে গেলে সেখানে ঢুকতে না দিয়ে তারা বলে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে যাওয়ার জন্য। হাসপাতালে আসার পর শুনতে পাই শিহাব মারা গেছে। স্কুলের শিক্ষকদের ভাষ্য স্কুলের আবাসিকের বাথরুমে শিহাব আত্মহত্যা করেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. জুন ২০২২ ০১:০২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করলেন স্ত্রী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করলেন স্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবর জানতে পেরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন খালেদা আক্তার (৩২) নামের এক গৃহবধূ।শনিবার (২৫ জুন) সকালে জয়দেবপুর-যমুনা সেতু রেল সড়কের মির্জাপুর উপজেলার ধেরুয়া রেল সেতু এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।

খালেদা উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের রশিদ দেওহাটা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের প্রথম স্ত্রী।

এলাকাবাসী জানান, রশিদ দেওহাটা গ্রামের হালিম মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন মীর দেওহাটা গ্রামের খালেদা আক্তারকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে তিন সন্তান রয়েছে। আনোয়ার দুই বছর আগে রশিদ দেওহাটা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর মেয়ে রাশেদা আক্তারকেও গোপনে বিয়ে করেন। বিষয়টি গত এক সপ্তাহ আগে প্রথম স্ত্রী খালেদা জানতে পারেন। এরপর থেকে তাদের সংসারে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়।
শনিবার সকালে এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ধেরুয়া রেল সেতু এলাকায় ঈশ্বরদী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ঢাকা কমিউটার (৯৯) ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন খালেদা।

গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও রশিদ দেওহাটা গ্রামের বাসিন্দা মো. কামরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে মির্জাপুর রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. কামরুল হাসান জানান, খবরটি গাজীপুরের জিআরপি পুলিশকে জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. জুন ২০২২ ১০:৩৪:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।