/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, যুবক আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, যুবক আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে প্রেমিকের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক কলেজছাত্রী। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় প্রেমিক আতিকসহ চার জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে অভিযোগ দায়ের করেছেন।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান ।

আতিক সদর উপজেলার ধুলুটিয়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে।

কলেজছাত্রীর পরিবার, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই কলেজ ছাত্রী সোমবার (২৫ জুলাই) দুপুরে তার প্রেমিক আতিকের সঙ্গে সিএনজি অটোরিকশা যোগে বেড়াতে যায়। পরে স্থানীয় স্কুল মাঠে প্রেমিকসহ তার বন্ধু কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করে। রাতে ওই কলেজছাত্রীকে ওই এলাকার নদীর পাড়ে নিয়েও ধর্ষণ করে। স্থানীয়রা টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ওই ছাত্রীর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেয়।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাতেই ধুলুটিয়া গ্রামের জাকির, শওকত আলী ও আব্দুল খালেক মণ্ডল নামের তিনজনকে আটক করে।

আতিকের বাবা আমিনুল ইসলাম জানান, ছেলে ও মেয়েকে আটক রাখা হয়েছে বলে রাতে তাকে খবর দেওয়া হয়। পরে তিনি সেখানে হাজির হয়ে তার ছেলে আতিক বাধা অবস্থায় দেখতে পান। তবে মেয়েটিকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। ধর্ষণের কারণে মেয়ের পরিবার তার ছেলের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানার পরিদর্শক তদন্ত মো. হাবিবুর রহমান জানান, রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে থানায় আনা হয়। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ করার পর প্রেমিক আতিককে আটক করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. জুলাই ২০২২ ১০:৫৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণকারী গ্রেফতার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণকারী গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ১০ বছরের শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশু কন্যাকে ধর্ষণকারী কৃষ্ণ চন্দ্র দাসকে(৫৫) গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। সোমবার (২৫ জুলাই) বিকেলে দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা।

অভিযুক্ত কৃষ্ণ চন্দ্র দাস নাগরপুর উপজেলার বেকরা ইউনিয়নের ভোর বাজার গ্রামের মৃত জিতেন্দ্র চন্দ্র দাস এর ছেলে।

শুক্রবার (২২ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের ভোর বাজারে এ ধর্ষনের ঘটনাটি ঘটে।
এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। তার বাবা চা বিক্রি করে কোন রকম সংসার চালায়। প্রতিদিন দুপুরে মেয়েকে দোকানে বসিয়ে রেখে বাড়ীতে খাবার খেতে যায়। শুক্রবার মেয়েকে রেখে জুমার নামাজ আদায় করতে যান তিনি। পরে নামাজ আদায় করতে গেলে কৃষ্ণ দাস নিজ দোকান থেকে বের হয়ে ওই চা দোকানে আসে।নামাজের সময় বাজারে লোকজন না থাকায় কৃষ্ণ দাস শিশু মেয়েটিকে ডেকে তার দোকানের ভিতর নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে সুকৌশলে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা নাগরপুর থানার এসআই মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, শিশুটিকে ধর্ষণকারী আসামি কৃষ্ণ চন্দ্র দাসকে সোমবার দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান,প্রাথমিক জিজ্ঞেসাবাদে আসামি কৃষ্ণ চন্দ্র দাস শিশুটিকে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছে। আসামিকে আদালতে মাধ্যমে মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) টাংগাইল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

প্রকাশ, ঘটনার পর ধর্ষককে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. জুলাই ২০২২ ০৮:৫৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুল থেকে ছাত্রী উধাও! - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুল থেকে ছাত্রী উধাও!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে স্কুল থেকে এক ছাত্রী উধাও হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের শালিয়াবহ চৌরাস্তা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রী (১৬) উধাও হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ওই ছাত্রীর পরিবার জানায়, প্রতিদিনের ন্যায় রবিবার সকালে ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। স্কুলেও আসে বলে জানায় তার কয়েকজন বান্ধবী। পরে ওই ছাত্রী স্কুল ছুটির পর বাড়িতে না গেলে পরিবারের লোকজন আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি খোঁজাখুঁজি শুরু করে এক পর্যায়ে জানতে পারে পাশের উপজেলা মধুপুরের আচরা এলাকায় ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক সূত্রে পালিয়েছে।

এ বিষয়ে শালিয়াবহ চৌরাস্তা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক আবু হানিফ জানান, স্কুলে উপস্থিতি হাজিরা রয়েছে। তবে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পেরেছি, ওই মেয়ের বিভিন্ন ছেলের সাথে একাধিক প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে প্রেম ঘঠিত কারণে কোনো ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যেতে পারে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. জুলাই ২০২২ ০২:৩২:এএম ৪ বছর আগে
বেড়াডোমা সেতু নির্মাণে কোনো নিয়ম মানা হয়নি; দুদক টিম - Ekotar Kantho

বেড়াডোমা সেতু নির্মাণে কোনো নিয়ম মানা হয়নি; দুদক টিম

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বেড়াডোমা-ওমরপুর সড়কে লৌহজং নদীর উপর শহরের বেড়াডোমায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য ৩০ মিটার দীর্ঘ সেতুতে কোন নিয়ম মানা হয়নি বলে মন্তব্য করেছে দুদকের এনফোর্সমেণ্ট টিম।

টিম মনে করে, স্টিলের পাইপের পরিবর্তে বাঁশ ও কাঠের তৈরি খুঁটি দিয়ে সেতুর পার্ডার ও স্ল্যাবের সেণ্টারিং করা, সাইটে ঠিকাদারের প্রকৌশলীর অনুপস্থিত থাকা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণেই সেতুটি নির্মাণের আগেই ধ্বসে পড়েছে।

টাঙ্গাইলের লৌহজং নদীর উপর নির্মাণাধীন সেতুটি ১৬ জুন রাতে ধ্বসে পড়ার পর রোববার (২৪ জুলাই) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেণ্ট টিম সরেজমিন পরিদর্শন করে।

দুদকের এনফোর্সমেণ্ট টিম আরও জানায়, তারা সরেজমিনে দেখতে পায়- নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই ব্রিজটির মাঝখানে দেবে গেছে।

স্পেসিফিকেশন বহির্ভূতভাবে সেতু নির্মাণকাজ শুরু করা, গার্ডার ও স্ল্যাবের সেণ্টারিং কাজে স্টিলের পাইপের পরিবর্তে গজারি, ইউক্যালিপটাস ও বাঁশের পাইল ব্যবহার, ঠিকাদারের দায়িত্বে অবহেলা ও সাইটে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীর অনুপস্থিতিসহ নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় ৮ মিটার প্রস্থ ও ৩০ মিটার দীর্ঘ সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে তিন কোটি ৬০ লাখ ১৮ হাজার টাকা। বিগত ২০২০ সালের (১২ নভেম্বর) থেকে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করে।

গত ১১ মে সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলে এ পর্যন্ত মাত্র ৫৫ শতাংশ কাজ শেষ করা হয়েছে। জুনের মাঝামাঝি সময়ে সেতুর ওপরের অংশে ঢালাই কাজ করা হয়। কিন্তু ১৬ জুন রাতে সেতুর মাঝখানের সাটারিং সরে সাড়ে তিন ফুট দেবে যায়। ফলে নির্মাণাধীন সেতুটি ভেঙে আবার নতুন করে নির্মাণ করার প্রয়োজনীতা দেখা দিয়েছে।

পরিদর্শনকালে টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শিব্বির আহমেদ আজমি দুদকের টিমকে জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বার বার সতর্ক করা হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি তা অগ্রাহ্য করে নির্মাণ কাজ চালিয়েছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করে, প্রভাবশালী একটি মহল এই অনিয়মের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকায় অনিয়ম করা হয়েছে।

দুদকের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয় সহকারী পরিচালক ফেরদৌস রহমানের নেতৃত্বে একটি এনফোর্সমেণ্ট টিম গঠন করা হয়। টিমের অপর সদস্যরা হচ্ছেন- সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, কোর্ট পরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম, উপ-সহকারী পরিচালক মামুনুর রশিদ ও জাহেদ আলম।

দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল্লাহ জানান, একটি এনফোর্সমেণ্ট টিম টাঙ্গাইল পৌর সভার বেড়াডোমা-ওমরপুর সড়কের বেড়াডোমায় লৌহজং নদীর উপর নির্মিতব্য সেতু এলাকা পরিদর্শন করেছে।

অভিযোগের সত্যতা পেয়ে বিস্তারিত রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করেছে এবং এনফোর্সমেণ্ট টিম দুদকের উর্ধতন কর্মকর্তার কাছে দ্রুত প্রতিবেদন দাখিল করবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. জুলাই ২০২২ ০২:০০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলের শিশু ধর্ষণ মামলার একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের শিশু ধর্ষণ মামলার একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার চেচুয়াজানী গ্রামের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী ১০ বছরের শিশুকে বড়ই খাওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ মামলার রায়ে এক জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল।

টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন সোমবার(২৫ জুলাই) দুপুরে এই রায় ঘোষনা করেন।

সেই সাথে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ১ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

দন্ডিত ব্যক্তি নাগরপুর উপজেলার চেচুয়াজানী গ্রামের মৃত নয়ান আলীর ছেলে লিয়াকত আলী (৫৮)।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস জানান, ২০১৫ সালের ২১ মার্চ বিকেল ৩ টার দিকে চেচুয়াজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রী ১০ বছরের ওই শিশু বাড়ির পাশে খেলা করছিল। পরে একই গ্রামের দন্ডিত আসামী লিয়াকত আলী বড়ই খাওয়ার লোভ দেখিয়ে নিজ বসত ঘরে নিয়ে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ঘটনার কথা কাউকে বললে প্রাণে মেরে ফেলার ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে ভিকটিমকে ঘর থেকে বের করে দেয়। পরদিন ভিকটিম বাড়ীর লোকদের ঘটনার বিষয় জানায়। ধর্ষিত শিশুর পিতা প্রতিবন্ধি হওয়ায় পরে তার দাদা ২০১৫ সনের ২ এপ্রিল নাগরপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাগরপুর থানার এসআই মো: আব্দুল হক তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই আসামী লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, চিকিৎসকসহ মোট ৮ জন আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।

আসামীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. জুলাই ২০২২ ০৯:৩১:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

একতা কন্ঠ: জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলে প্রতিপক্ষের হামলায় মোহাম্মদ আলী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (২৪ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের ছোট বৈন্যাফৈর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোহাম্মদ আলী ওই গ্রামের মৃত নগর আলীর ছেলে।

দাইন্যা ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন জানান, প্রাচীর তোলাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সঙ্গে নিহতেে সাথে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা করে।

তিনি আরও জানান, পরে সাথে সাথে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন মোহাম্মদ আলী। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে । আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. জুলাই ২০২২ ১২:৪৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইউএনওর নামে ফেসবুক আইডি খুলে প্রতারণা: যুবক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইউএনওর নামে ফেসবুক আইডি খুলে প্রতারণা: যুবক গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুনের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি খুলে টাকা দাবি করা যুবককে আটক করেছে সদর থানার পুলিশ। এ ঘটনায় শুক্রবার(২২ জুলাই) রাতে টাঙ্গাইল থানায় একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন ইউএনওর অফিসের জারীকারক মো. চাঁন মামুদ । পরে সদর থানার পুলিশ টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার ভারড়া গ্রামের রকমত আলীর ছেলে বিজয় খানকে মির্জাপুর থেকে গ্রেপ্তার করে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ইশরাত জাহান সিনথিয়া নামের ফেসবুক আইডি তৈরী করে তাতে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনের ছবি ব্যবহার করে প্রতারক বিজয় খান আইডিটি ব্যবহার করে আসছিল। ফেসবুকের তালিকায় থানা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে বিভিন্ন পরিমানের অর্থ দাবিপূর্বক আদায করে আসছিলেন তিনি। বিষটি ইউএনও জানতে পেরে নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে তার নাম ব্যবহারকারী কারো সাথে অবৈধ অর্থ লেনদেন করতে নিষেধ করে পোষ্ট করেন। এক পর্যায়ে ইশরাত জাহান সিনথিয়া নামীয় ফেসবুক আইডি বন্ধু তালিকা থাকা কয়েক জনের নিকট টাকা দাবি করেন ওই প্রতারক যুবক। বিষটি পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. জুলাই ২০২২ ০৯:৫৫:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাই‌লে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ, ফাঁকা গুলি ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাই‌লে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ, ফাঁকা গুলি ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাই‌লের ধনবা‌ড়ী উপ‌জেলা বিএন‌পির স‌ম্মেলন‌কে কেন্দ্র ক‌রে পু‌লিশ ও বিএন‌পির নেতাকর্মী‌দের মধ্যে সংঘ‌র্ষের ঘটনা ঘ‌টে‌ছে। এ ঘটনায় পুলিশসহ আটজন আহত হয়েছেন। প‌রি‌স্থি‌তি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ১৭ রাউন্ড ফাঁকা গু‌লি ও ৩ রাউন্ড টিয়ারশেল ছুড়েছে।

শুক্রবার (২২ জুলাই) ‌বি‌কেলে উপ‌জেলার ধোপাখা‌লি ইউ‌নিয়‌নের বাঘিল এলাকায় ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘ‌টে।

জানা গে‌ছে, ধনবাড়ী সরকা‌রি ক‌লে‌জে উপ‌জেলা বিএন‌পির স‌ম্মেলনের আ‌য়োজন করা হয়। এ স‌ম্মেলন‌কে কেন্দ্র ক‌রে বা‌ঘিল এলাকায় এক‌টি গ্রু‌পের নেতাকর্মীরা স‌ম্মেল‌নের বিপ‌ক্ষে বি‌ক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা ক‌রে। এক পর্যা‌য়ে নেতাকর্মীরা মধুপুর-ধনবাড়ী সড়কে অবস্থান ক‌রে প্রতিবাদ জানা‌লে পু‌লিশ তা‌দের স‌রে যেতে ব‌লে।

প‌রে এক পর্যা‌য়ে পু‌লি‌শের সঙ্গে সংঘর্ষে জ‌ড়ি‌য়ে প‌ড়ে নেতাকর্মীরা। পু‌লিশ‌কে লক্ষ্য করে ইট-পাট‌কেল নি‌ক্ষেপ কর‌লে প‌রি‌স্থি‌তি নিয়ন্ত্রণে ১৭ রাউন্ড শর্টগা‌নের ফাঁকা গু‌লি ও ৩ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ‌তে পু‌লিশ সদস্যসহ বিএন‌পির বেশ কিছু নেতাকর্মী আহত হয়।

মধুপুর উপ‌জেলা বিএন‌পির সা‌বেক সাধারণ সম্পাদক সরকার শহীদ জানান, নেতাকর্মীরা স‌ম্মেল‌নে যাওয়ার প‌থে পু‌লিশ বাধা দেয়। প‌রে মধুপুরে অরণ‌খোলা ইউ‌পির সা‌বেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন‌কে আটক ক‌রে থানায় নেওয়ার সময় স্থানীয়রা বাধা দেয়। এ‌তে পু‌লি‌শের সঙ্গে নেতাকর্মী‌দের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ৩ জন নেতাকর্মী গু‌লিবিদ্ধ হয়। তাদের স্থানীয় হাসপাতা‌লে ভ‌র্তি করা হ‌য়ে‌ছে।

ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ও‌সি ) চান মিয়া জানান, স‌ম্মেলন‌কে কেন্দ্র ক‌রে বিএন‌পির এক‌টি গ্রুপ বাঘিল এলাকায় বিশৃঙ্খলার সৃ‌ষ্টি কর‌ছিল। এ সময় পু‌লিশ তা‌দের স‌রি‌য়ে দি‌তে গে‌লে তার ইট-পাট‌কেল নি‌ক্ষেপ ক‌রে। প‌রে পু‌লিশ সদস্য আত্মরক্ষা‌র্থে ১৭ রাউন্ড শর্টগা‌নের গু‌লি ও ৩ রাউন্ড গ্যাস গান নি‌ক্ষেপ ক‌রে প‌রি‌স্থি‌তি নিয়ন্ত্রণে আ‌নে। সংঘ‌র্ষে পু‌লি‌শের ৫ জন সদস্য আহত হ‌য়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. জুলাই ২০২২ ০১:০৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শারীরিক সম্পর্কে সন্তুষ্ট করতে না পারায় পরকীয়া প্রেমিককে খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শারীরিক সম্পর্কে সন্তুষ্ট করতে না পারায় পরকীয়া প্রেমিককে খুন

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে পরকীয়া প্রেমিকাকে সন্তুষ্ট করতে না পারায় ওড়না দিয়ে মুখ চেপে ধরে খুন করা হয় প্রেমিক শফিকুল ইসলামকে। পরে তার মরদেহ বস্তায় ভরে পাশের ব্রিজের নিচে ফেলে দেওয়া হয়। পরকীয়া প্রেমিকা মোরশেদা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্য জানান।

মোরশেদা আক্তার (৩৩) নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মানড়া নয়াপাড়া গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাবুল হোসেনের স্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মোরশেদার দেবর বারেক ও ভাসুর ফুলচানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

স্বীকারোক্তিতে মোরশেদা জানান, প্রতিবেশি মৃত সমেশ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪৫) নানা রোগে জর্জরিত। তার স্বামী বাবুল হোসেন ১ বছর ধরে সিঙ্গাপুরে চাকুরি করছেন।

সম্প্রতি শফিকুল সুসম্পর্কের (পরকীয়ার) জের ধরে তার সাথে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। পরকীয়ার সম্পর্ক থাকাকালে অসুস্থতার কারণে শফিকুল কখনোই মোরশেদাকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি।

সোমবার (১৮ জুলাই) বিকালে শফিকুল আবারও মোরশেদা আক্তারের বাড়িতে যান। ওই সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শফিকুল ইসলাম তার পরকীয়া প্রেমিকা মোরশেদা আক্তারের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়।

এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাগবিতন্ডার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। বাড়ির টিউবওয়েলের কাছে ধস্তাধস্তির সময় মোরশেদা তার পড়নের ওড়না দিয়ে শফিকুলের মুখ চেপে ধরেন।

এ সময় শফিকুল টিউবওয়েলের পাকা মেঝেতে পড়ে গুরুতর আহত হন। ওড়না দিয়ে মুখ চেপে ধরে রাখায় শফিকুলের মৃত্যু হয়। পরে তার মরদেহ পাশের টয়লেটে লুকিয়ে রাখে। পরে মোরশেদা বিষয়টি তার দেবর বারেক ও ভাসুর ফুলচানকে জানায়।

এরপর তারা মরদেহ লুকানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ওইদিনই রাত প্রায় ১২ টার দিকে মরদেহটি চটের বস্তায় ভরে বারেকের অটোরিকশায় উঠিয়ে গ্রামের ব্রিজের নিচে ফেলে দিয়ে চলে যায়।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সকালে নাগরপুর উপজেলার মানড়া নয়াপাড়া গ্রামের ব্রিজের নিচ থেকে পুলিশ অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি শফিকুল ইসলামের বলে তার স্ত্রী মোছা. রাহেলা বেগম সনাক্ত করেন এবং নিজে বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের নির্দেশনায় এসআই মনোয়ার হোসেন ওই ঘটনার তদন্ত করেন। উন্নত তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ও সনাতন পদ্ধতির পুলিশি কৌশল ব্যবহার করে এসআই মনোয়ার হোসেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে ওই ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেন। একই সাথে বাকি অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. জুলাই ২০২২ ০২:২১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ এক যুবক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ এক যুবক গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে স্কুলব্যাগে রাখা ১০ বোতল নিষিদ্ধ ফেনসিডিলসহ শাকিল হোসেন(৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বিকালে উপজেলার জগৎপুরা উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে যমুনা নদীর অংশে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত শাকিল হোসেন ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার ভবানী ডাঙ্গা গ্রামের মো. খতিব আলীর ছেলে।

ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এএসআই মঞ্জুরুল হাসান ও কাজল কুমারকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলার জগৎপুরা উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে যমুনা নদীর তীরবর্তী অংশে অভিযান চালানো হয়। এসময় তার ব্যবহৃত স্কুলব্যাগ থেকে ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. জুলাই ২০২২ ০২:০১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক্টর দুর্ঘটনায় কিশোরের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক্টর দুর্ঘটনায় কিশোরের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে জমি চাষ করার সময় ট্রাক্টরের ফলার আঘাতে সুমন আহমেদ (১৫) নামের এক কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে । সোমবার (১৭ জুলাই)সন্ধ্যায় উপজেলার যাদবপুর চাকলাপাড়া এলাকায় ওই দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সুমন আহমেদ ওই গ্রামের মৃত কবির মিয়ার ছেলে। খবর পেয়ে পুলিশ সুমনের খন্ডবিখন্ড লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠায়।

জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় সুমনের বাড়ির পাশে ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করার সময় চালককে সহযোগিতা করার জন্য ট্রাক্টরে ওঠ বসে সুমন। জমি চাষের একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত চলন্ত ট্রাক্টরের ফলার নিচে পড়ে গেলে তার দেহ খন্ডবিখন্ড হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক এসআই সজল বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুলাই ২০২২ ০৯:৫৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিজ্রের নিচ থেকে লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিজ্রের নিচ থেকে লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এক ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (১৯ জুলাই ) সকালে উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মানড়া নয়াপাড়া এলাকায় বিজ্রের নিচ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নাগরপুর থানার এস আই জাহাঙ্গীর আলম তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ব্যক্তির নাম শফিকুল ইসলাম (৪৫)। সে উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মানড়া নয়াপাড়া গ্রামের মৃত সমেশ আলী ওরফে শুম্ভুর ছেলে।

নাগরপুর থানার এস আই জাহাঙ্গীর আলম
জানান, সকালে উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মানড়া নয়াপাড়া বিজ্রের নিচে লাশটি দেখতে পায় এলাকাবাসী। এরপর থানায় খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়।প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধকরে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, উদ্ধারের পর মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তবে এ বিষয়ে থানায় এখনও কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুলাই ২০২২ ০৯:২৪:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।