একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার চেচুয়াজানী গ্রামের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী ১০ বছরের শিশুকে বড়ই খাওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ মামলার রায়ে এক জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল।
টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন সোমবার(২৫ জুলাই) দুপুরে এই রায় ঘোষনা করেন।
সেই সাথে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ১ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।
দন্ডিত ব্যক্তি নাগরপুর উপজেলার চেচুয়াজানী গ্রামের মৃত নয়ান আলীর ছেলে লিয়াকত আলী (৫৮)।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস জানান, ২০১৫ সালের ২১ মার্চ বিকেল ৩ টার দিকে চেচুয়াজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রী ১০ বছরের ওই শিশু বাড়ির পাশে খেলা করছিল। পরে একই গ্রামের দন্ডিত আসামী লিয়াকত আলী বড়ই খাওয়ার লোভ দেখিয়ে নিজ বসত ঘরে নিয়ে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ঘটনার কথা কাউকে বললে প্রাণে মেরে ফেলার ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে ভিকটিমকে ঘর থেকে বের করে দেয়। পরদিন ভিকটিম বাড়ীর লোকদের ঘটনার বিষয় জানায়। ধর্ষিত শিশুর পিতা প্রতিবন্ধি হওয়ায় পরে তার দাদা ২০১৫ সনের ২ এপ্রিল নাগরপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাগরপুর থানার এসআই মো: আব্দুল হক তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই আসামী লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, চিকিৎসকসহ মোট ৮ জন আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।
আসামীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক।
একতা কন্ঠ: জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলে প্রতিপক্ষের হামলায় মোহাম্মদ আলী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (২৪ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের ছোট বৈন্যাফৈর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোহাম্মদ আলী ওই গ্রামের মৃত নগর আলীর ছেলে।
দাইন্যা ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন জানান, প্রাচীর তোলাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সঙ্গে নিহতেে সাথে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা করে।
তিনি আরও জানান, পরে সাথে সাথে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন মোহাম্মদ আলী। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে । আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুনের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি খুলে টাকা দাবি করা যুবককে আটক করেছে সদর থানার পুলিশ। এ ঘটনায় শুক্রবার(২২ জুলাই) রাতে টাঙ্গাইল থানায় একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন ইউএনওর অফিসের জারীকারক মো. চাঁন মামুদ । পরে সদর থানার পুলিশ টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার ভারড়া গ্রামের রকমত আলীর ছেলে বিজয় খানকে মির্জাপুর থেকে গ্রেপ্তার করে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ইশরাত জাহান সিনথিয়া নামের ফেসবুক আইডি তৈরী করে তাতে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনের ছবি ব্যবহার করে প্রতারক বিজয় খান আইডিটি ব্যবহার করে আসছিল। ফেসবুকের তালিকায় থানা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে বিভিন্ন পরিমানের অর্থ দাবিপূর্বক আদায করে আসছিলেন তিনি। বিষটি ইউএনও জানতে পেরে নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে তার নাম ব্যবহারকারী কারো সাথে অবৈধ অর্থ লেনদেন করতে নিষেধ করে পোষ্ট করেন। এক পর্যায়ে ইশরাত জাহান সিনথিয়া নামীয় ফেসবুক আইডি বন্ধু তালিকা থাকা কয়েক জনের নিকট টাকা দাবি করেন ওই প্রতারক যুবক। বিষটি পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশসহ আটজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ১৭ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও ৩ রাউন্ড টিয়ারশেল ছুড়েছে।
শুক্রবার (২২ জুলাই) বিকেলে উপজেলার ধোপাখালি ইউনিয়নের বাঘিল এলাকায় ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ধনবাড়ী সরকারি কলেজে উপজেলা বিএনপির সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বাঘিল এলাকায় একটি গ্রুপের নেতাকর্মীরা সম্মেলনের বিপক্ষে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা করে। এক পর্যায়ে নেতাকর্মীরা মধুপুর-ধনবাড়ী সড়কে অবস্থান করে প্রতিবাদ জানালে পুলিশ তাদের সরে যেতে বলে।
পরে এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে নেতাকর্মীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৭ রাউন্ড শর্টগানের ফাঁকা গুলি ও ৩ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এতে পুলিশ সদস্যসহ বিএনপির বেশ কিছু নেতাকর্মী আহত হয়।
মধুপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরকার শহীদ জানান, নেতাকর্মীরা সম্মেলনে যাওয়ার পথে পুলিশ বাধা দেয়। পরে মধুপুরে অরণখোলা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুনকে আটক করে থানায় নেওয়ার সময় স্থানীয়রা বাধা দেয়। এতে পুলিশের সঙ্গে নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ৩ জন নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) চান মিয়া জানান, সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিএনপির একটি গ্রুপ বাঘিল এলাকায় বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করছিল। এ সময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে তার ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশ সদস্য আত্মরক্ষার্থে ১৭ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ও ৩ রাউন্ড গ্যাস গান নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে পুলিশের ৫ জন সদস্য আহত হয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে পরকীয়া প্রেমিকাকে সন্তুষ্ট করতে না পারায় ওড়না দিয়ে মুখ চেপে ধরে খুন করা হয় প্রেমিক শফিকুল ইসলামকে। পরে তার মরদেহ বস্তায় ভরে পাশের ব্রিজের নিচে ফেলে দেওয়া হয়। পরকীয়া প্রেমিকা মোরশেদা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্য জানান।
মোরশেদা আক্তার (৩৩) নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মানড়া নয়াপাড়া গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাবুল হোসেনের স্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মোরশেদার দেবর বারেক ও ভাসুর ফুলচানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
স্বীকারোক্তিতে মোরশেদা জানান, প্রতিবেশি মৃত সমেশ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪৫) নানা রোগে জর্জরিত। তার স্বামী বাবুল হোসেন ১ বছর ধরে সিঙ্গাপুরে চাকুরি করছেন।
সম্প্রতি শফিকুল সুসম্পর্কের (পরকীয়ার) জের ধরে তার সাথে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। পরকীয়ার সম্পর্ক থাকাকালে অসুস্থতার কারণে শফিকুল কখনোই মোরশেদাকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি।
সোমবার (১৮ জুলাই) বিকালে শফিকুল আবারও মোরশেদা আক্তারের বাড়িতে যান। ওই সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শফিকুল ইসলাম তার পরকীয়া প্রেমিকা মোরশেদা আক্তারের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়।
এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাগবিতন্ডার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। বাড়ির টিউবওয়েলের কাছে ধস্তাধস্তির সময় মোরশেদা তার পড়নের ওড়না দিয়ে শফিকুলের মুখ চেপে ধরেন।
এ সময় শফিকুল টিউবওয়েলের পাকা মেঝেতে পড়ে গুরুতর আহত হন। ওড়না দিয়ে মুখ চেপে ধরে রাখায় শফিকুলের মৃত্যু হয়। পরে তার মরদেহ পাশের টয়লেটে লুকিয়ে রাখে। পরে মোরশেদা বিষয়টি তার দেবর বারেক ও ভাসুর ফুলচানকে জানায়।
এরপর তারা মরদেহ লুকানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ওইদিনই রাত প্রায় ১২ টার দিকে মরদেহটি চটের বস্তায় ভরে বারেকের অটোরিকশায় উঠিয়ে গ্রামের ব্রিজের নিচে ফেলে দিয়ে চলে যায়।
বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন।
প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সকালে নাগরপুর উপজেলার মানড়া নয়াপাড়া গ্রামের ব্রিজের নিচ থেকে পুলিশ অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি শফিকুল ইসলামের বলে তার স্ত্রী মোছা. রাহেলা বেগম সনাক্ত করেন এবং নিজে বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের নির্দেশনায় এসআই মনোয়ার হোসেন ওই ঘটনার তদন্ত করেন। উন্নত তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ও সনাতন পদ্ধতির পুলিশি কৌশল ব্যবহার করে এসআই মনোয়ার হোসেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে ওই ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেন। একই সাথে বাকি অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে স্কুলব্যাগে রাখা ১০ বোতল নিষিদ্ধ ফেনসিডিলসহ শাকিল হোসেন(৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বিকালে উপজেলার জগৎপুরা উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে যমুনা নদীর অংশে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত শাকিল হোসেন ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার ভবানী ডাঙ্গা গ্রামের মো. খতিব আলীর ছেলে।
ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এএসআই মঞ্জুরুল হাসান ও কাজল কুমারকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলার জগৎপুরা উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে যমুনা নদীর তীরবর্তী অংশে অভিযান চালানো হয়। এসময় তার ব্যবহৃত স্কুলব্যাগ থেকে ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে জমি চাষ করার সময় ট্রাক্টরের ফলার আঘাতে সুমন আহমেদ (১৫) নামের এক কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে । সোমবার (১৭ জুলাই)সন্ধ্যায় উপজেলার যাদবপুর চাকলাপাড়া এলাকায় ওই দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমন আহমেদ ওই গ্রামের মৃত কবির মিয়ার ছেলে। খবর পেয়ে পুলিশ সুমনের খন্ডবিখন্ড লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠায়।
জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় সুমনের বাড়ির পাশে ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করার সময় চালককে সহযোগিতা করার জন্য ট্রাক্টরে ওঠ বসে সুমন। জমি চাষের একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত চলন্ত ট্রাক্টরের ফলার নিচে পড়ে গেলে তার দেহ খন্ডবিখন্ড হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।
সখীপুর থানার উপপরিদর্শক এসআই সজল বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এক ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (১৯ জুলাই ) সকালে উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মানড়া নয়াপাড়া এলাকায় বিজ্রের নিচ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নাগরপুর থানার এস আই জাহাঙ্গীর আলম তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ব্যক্তির নাম শফিকুল ইসলাম (৪৫)। সে উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মানড়া নয়াপাড়া গ্রামের মৃত সমেশ আলী ওরফে শুম্ভুর ছেলে।
নাগরপুর থানার এস আই জাহাঙ্গীর আলম
জানান, সকালে উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মানড়া নয়াপাড়া বিজ্রের নিচে লাশটি দেখতে পায় এলাকাবাসী। এরপর থানায় খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়।প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধকরে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, উদ্ধারের পর মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তবে এ বিষয়ে থানায় এখনও কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি বলে জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেয়ালে দেয়ালে ছেঁয়ে গেছে স্কুল ছাত্র শিহাব হত্যার বিচার ও দোষীদের ফাঁসি দাবির পোস্টার। হত্যাকান্ডের দিন থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিচারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে।
মামলাসহ আবাসিক ভবনের এক শিক্ষক গ্রেপ্তাতারের পর হত্যার ২৭ দিনেও রহস্য উদঘাটন ও প্রকৃত দোষী গ্রেপ্তাতার না হওয়ায় নিহত স্কুল ছাত্রের পরিবার, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরাসহ হতাশায় ভুগছেন অভিভাবকমহল।
রোববার (১৭ জুলাই) শহীদ মিনার চত্তর, শহরের ভিক্টোরিয়া রোড, নিরালা মোড়, শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি সড়কের দেয়াল, মার্কেট চত্তরে ওই পোস্টার দেখা গেছে।
টাঙ্গাইল জেলার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে সৃষ্টি একাডেমির চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রিপনের ছবি সম্বলিত ছাপানো পোস্টারে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবনে পঞ্চম শ্রেণীর শিশু শিক্ষার্থী শিহাব মিয়ার উপর পাশবিক নির্যাতনের মাধ্যমে ন্যাক্কারজনক হত্যাকান্ডটি ভিন্নধারায় প্রবাহের সৃষ্টি একাডেমিক স্কুল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা ও পৃষ্টপোষকতায় হত্যাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার মিথ্যা ও ভিত্তিহীন নাটকীয়তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোসহ হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি করা হয়েছে।
এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে পরেছে ওই পোস্টার। ফেসবুকেও দোষীদের ফাঁসি দাবি করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইল জেলা সংবাদ নামের এক ফেসবুক পেইজেও গেল ১ ঘন্টা আগে আল আমিন শিকদার হিমু নামের এক যুবকের পোস্ট দেখা গেছে সেখানে লেখা রয়েছে- আমি মৃত শিহাবের (ফুপাতো ভাই) বড় ভাই। সোনার বাংলাদেশ।
দশ বছরের শিশুকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হলো এর কোনো বিচারই হলো না। টাকার বিনিময়ে সব বিক্রি হয়ে গেছে। আইন শৃঙ্খলাবাহিনী, জেলা প্রশাসন, এমপি, মন্ত্রী, সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, মানবাধিকার সংস্থা, সংবাদমাধ্যম এসব লোকদের লজ্জা হওয়া উচিত। বেঁচে থাকতে আমি অন্তত এদের সম্মান দিবো না। এরা রক্ষক না তো বক্ষক। সব কিছুর হিসেব দিতে হবে, হয় এ কালে না হয় পরকালে। যারা খুন করছে তারা যেমন খুনী, তেমনি যারা টাকা খেয়ে এ ঘটনাটি ধামাচাপা দিতেছে তারা ও সমান দোষী।
এতো প্রমাণ থাকা সত্তেও শিহাব হত্যার কেনো বিচার হচ্ছে না কেন? এই আন্দোলন থামবে না। কারণ আমি চাই না আমার পরিবারের মতো আর কোনো পরিবার তাদের সন্তানকে হারিয়ে বিচারের জন্য রাস্তায় রাস্তায় ঘুরুক। আর এই হত্যাকান্ডের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই যাতে করে সমাজে আর কোনো নরপশু কোনো মায়ের বুক খালি করতে না পারে। আবারো রাস্তায় নেমে আন্দোলন করা হবে।
যত দিন না সঠিক বিচার হচ্ছে আমি তো আন্দোলন করবোই, সাথে সবার অংশ গ্রহণ আশা করছি। আমার একজনের আন্দোলনে কিচ্ছু হবে না, কিন্তু সবাই একত্র হলে শিহাব হয়তো ওর বিচার পাবে। ঈদের বন্ধের কারণে সব থেমে গেছে কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি আবার আন্দোলন করা হবে। সবাই দয়া করে আসবেন।
শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুঈদ হাসান তরিৎ বলেন, আমরা খুব শীঘ্রই শিহাব হত্যার বিচার নিয়ে আন্দোলনে নামবো।
তরিৎ বলেন, শিহাব হত্যার বিচার দাবি করে দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার লাগানো হয়েছে বলে শুনেছি। আন্দোলনরত আমরা সকলেই শিক্ষার্থী, পোস্টার ছাপানোর মত এত টাকা খরচ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। শহর জুড়ে পোস্টার লাগানো কি অন্য কোন সংগঠনের আন্দোলন নাকি আমাদের আন্দোলন বন্ধ করার ষড়যন্ত্র। এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান জানান, শহরের বিভিন্ন দেয়ালে দেয়ালে শিহাব হত্যার বিচার দাবিতে পোস্টার লাগানো হয়েছে বলে শুনেছি। এটা আন্দোলনের একটি প্রক্রিয়া, এটা চলবেই। ওই স্কুল ছাত্র হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলমান রয়েছে। আশা করছি দ্রুতই এর রহস্য উম্মোচন হবে।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুন শহরের বিশ্বাস বেতকা সুপারি বাগান এলাকার সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ছাত্রাবাস থেকে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ছাত্রাবাসের আবাসিক শিক্ষকরা তার মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। নিহত শিহাব সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ী গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে। শিহাবকে চার মাস আগে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলে ভর্তি করা হয়। সে সুপারি বাগান এলাকায় ওই স্কুলের একটি ছাত্রাবাসে সপ্তম তলায় থাকতো।
ওইদিনই শিহাবের মা আছমা আক্তার বাদি হয়ে আবু বক্করকে প্রধান আসামী করে ৬ জন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও সাত আট জনকে আসামী করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে শিহাবের ময়নাতদন্ত হয়। শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম মিয়ার নেতৃত্বে তিন সদস্যের চিকিৎসক দল শিহাবের ময়না তদন্ত করেন। পরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠান। শিহাবকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
শিহাবের মরদেহ উদ্ধারের পর মৃত্যুর কারণ ও হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে টাঙ্গাইল এবং ঢাকায় মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিকেলে শুনানী শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. শামসুল আলম ওই মামলায় স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্করের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
৩ জুলাই গ্রেপ্তাতারকৃত স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্করকে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে ধারাবাহিক শিহাব হত্যার বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নিউ ধলেশ্বরী নদীর কুর্শাবেনু এলাকায় সোমবার (১৮ জুলাই) বিকেলে উত্তোলিত বালু (ড্রেজড ম্যাটার) পরিমাপকারীদের ওপর হামলায় একজন প্রকৌশলী আহত ও এসি ল্যান্ডের গাড়িসহ তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীরা।
এ ঘটনায় র্যাব ঘটনাস্থল থেকে ৮ জনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।এলাকায় এখনও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, সম্প্রতি জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর গোল চত্বর পর্যন্ত মহাসড়ক চার লেন করার নিমিত্তে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃক উত্তোলিত বালু (ড্রেজড ম্যাটার) ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে লক্ষে মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেড নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পাউবো’র চুক্তি সম্পাদিত হয়।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড ও মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিনিধি সমন্বয়ে চুক্তি মোতাবেক উত্তোলিত বালু কুর্শাবেনু এলাকায় পরিমাপ করতে যায়। পরিমাপ করতে গেলে স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীরা পাউবোর ৪-৫ জন কর্মচারী ও মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেডের ডিজিএম মোস্তাফিজুর রহমানকে বাধা দেয়। এ নিয়ে স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী ও পরিমাপকারীদের মধ্যে বাগ-বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বালু ব্যবসায়ীরা উত্তোলিত বালু পাউবো নিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে এলাকার জনসাধারণকে যার কাছে যা আছে তাই নিয়ে একত্রিত হতে বলে। পরে এলাকার লোকজন একত্রিত হয়ে পরিমাপকারীদের ওপর হামলা করে এবং মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেডের ডিজিএম মোস্তাফিজুর রহমানের গাড়ি ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে কালিহাতী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল হাসান পুলিশ সঙ্গে নিয়ে কুর্শাবেনু যান। পথে তিনি মাইকের ওই ঘোষণা শুনতে পেয়ে টাঙ্গাইলে কর্মরত র্যাবকে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। ইতোমধ্যে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল হাসানকে বহনকারী গাড়ি ও পুলিশের গাড়ি কিছুটা দূরে রেখে মাইকের ওখানে পৌঁছান। এই ফাঁকে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা কামরুল হাসানকে (এসিল্যান্ড) বহনকারী গাড়ি ও পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। পরে র্যাব ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘটনাস্থল থেকে ৮ জনকে আটক করে।
আটকরা হচ্ছেন- আমিনুর, আজিম, মিণ্টু মিয়া, রাজ্জাক খান, মান্নান, সাইফুল, শরীফ ও মারুফ।
কালিহাতী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল হাসান জানান, তিনি পরিমাপকারীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। যাওয়ার পথেই তিনি স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা শুনতে পান। তারা কিছুটা দূরে গাড়ি রেখে মসজিদের কাছে গেলে উত্তেজিত জনতা তার ও পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালায়।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় উত্তেজিত জনতা মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেডের ডিজিএম মোস্তাফিজুর রহমানের গাড়িতে হামলা চালিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পরে র্যাব ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। র্যাব এ ঘটনায় নেতৃত্বদানকারী ৮ ব্যক্তিকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
তিনি জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও পরিতাপের। ভাঙচুরকৃত গাড়িগুলো থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চার বোতল বিয়ারসহ এক যুবকের আটক করেছে র্যাব। রবিবার (১৭ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আকুর টাকুর পাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত যুবক সদর উপজেলার আকুর টাকুর পাড়ার মো. আজাদের ছেলে মো. পিয়াস (২২)।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার এএসপি মো. এরশাদুর রহমান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেল পৌনে ছয়টার দিকে পৌর এলাকার আকুর টাকুর পাড়ায় অভিযান পরিচালনা করলে বিন্দুবাসিনী গার্লস স্কুলের পাশ থেকে চার বোতল বিয়ার ও ২ হাজার টাকাসহ পিয়াসকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান, আটককৃত পিয়াস দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক দ্রব্য বিয়ার অবৈধভাবে সংগ্রহ পূর্বক বিভিন্ন মাদক সেবীদের নিকট বিক্রয় করে আসছিল।। তার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সল্লা গ্রামে অভিযান চালিয়ে পাঁচ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো. শাহীন আলম নামে এক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের(ডিবি-দক্ষিণ)অফিসার ইনচার্জ মো. দেলোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত মো. শাহীন আলম(৪০) কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কদিম হামজানী গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে।
গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, গোপনে সংবাদ পেয়ে ডিবি দক্ষিণের এসআই মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কালিহাতী উপজেলার সল্লা গ্রামের একটি টেইলার্সের দোকানের ভেতর অভিযান চালায়।
অভিযানে পাঁচ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো. শাহীন আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের মূল্য প্রায় ১৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
তিনি আরও জানান, সল্লা গ্রামের জনৈক বিল্লাল হোসেনের বাড়ি ভাড়া নিয়ে মো. শাহীন আলম টেইলার্স চালানোর আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা বিক্রি করছিল। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে কালিহাতী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।