/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে স্বাস্থ্য সহকারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বাস্থ্য সহকারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী জুয়েল সিদ্দিকীর (৫০) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) বিকেলে পৌর এলাকার কলেজ মোড়ে নিজ বাসা “খাজা প্লাজা” থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

জুয়েলের পরিবার জানায়, মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে জুয়েলকে বাসায় রেখে তার স্ত্রী ছেলেকে নিয়ে স্কুলে যান। ছেলের স্কুল শেষে বাসায় ফিরলে জুয়েলের রুমের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ দেখতে পান তিনি। ঘরের দরজায় বার বার কড়া নাড়লেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া-শব্দ পাওয়া যায়নি। এক ঘণ্টা চেষ্টার পর দরজা ভেঙে মা-ছেলে ঘরে ঢুকে জুয়েলের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে জুয়েলের লাশ উদ্ধার করে।

এ প্রসঙ্গে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, এ পর্যন্ত জুয়েলের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. অগাস্ট ২০২২ ০৫:১৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ৪ দিন পর যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ৪ দিন পর যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কন্ঠ: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে নিখোঁজের ৪ দিন পর জয় চন্দ্র আর্য্য (২৪) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) বিকেলে কালিহাতী পৌর এলাকার সিলিমপুর পাটিতা পাড়া বেত বন থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে,গত ২৯ জুলাই সকালে জয় চন্দ্র আর্য বাড়ি থেকে কাউকে কিছু না বলে চলে যায়। অনেক খুঁজাখুঁজি করে না পাওয়ায় গত ৩১ জুলাই নিহতের স্ত্রী আশা দাস বাদী হয়ে কালিহাতী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে মঙ্গলবার (৩১ জুলাই) দুপুরে স্থানীয় এক বৃদ্ধা লাকড়ি কুড়ানোর উদ্দেশ্যে বেত বনে গিয়ে একটি গাছের নিচে জুতা দেখতে পেয়ে উপর দিকে তাকিয়ে দেখে লাশ ঝুলে আছে। পরে সে ভয় পেয়ে দৌড়ে গিয়ে স্থানীয়দের জানালে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে এটা জয় চন্দ্র আর্য্যের লাশ বলে শনাক্ত করে এবং পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে আমি আমার অফিসার ফোর্স সহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বেত বনের ভিতরে একটি গাছের ১৫-১৬ ফিট উপর থেকে নিহত জয় চন্দ্র আর্য্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করি।পরে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে হার্ট ও কিডনি জনিত সমস্যায় ভূগছিলেন বিধায় হতাশাগ্রস্থ হয়ে আত্মহত্যা করতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. অগাস্ট ২০২২ ০৪:০৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বামীকে খুন করা হৃদয়বানু হবিগঞ্জে আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামীকে খুন করা হৃদয়বানু হবিগঞ্জে আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা ধোপাপাড়া এলাকায় স্বামীকে খুন করে আত্মগোপনকারী স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ সিপিসি ৩ এর কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিছুজ্জামান এক প্রেস বিফিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১, ৯ এবং র‌্যাব-১২ সিপিসি ৩ এর একটি আভিযানিক দল যৌথ অভিযান পরিচালনা করে হবিগঞ্জের রাজাপুর এলাকা থেকে ঘাতক স্ত্রী হৃদয় বানুকে আটক করা হয়।

পরে আটককৃত হৃদয় বানু জানান, তার স্বামী আবু সাঈদ সেন্টু ও সে দুজনেই সৌদি আরবে প্রাবাসী ছিলেন। সৌদি থাকাকালীন সমেয় তাদের মধ্যে সর্ম্পক হয় এবং পরে তারা বিয়ে করেন। বিয়ের তিন চার মাস পর হৃদয় বানুর গর্ভে সন্তান ধারণ করে। পরবর্তীতে ৭ মাস পর তার স্বামীর বড় ভাই খোরশেদের কাছে গাজীপুরের টঙ্গীতে পাঠিয়ে দেয়। হৃদয় বানু দেশে আসার এক মাস পরেই মৃত আবু সাঈদ দেশে ফিরে আসেন। স্বামী দেশে আসার পরও হৃদয় বানুকে স্বামীর বড় ভাইয়ের বাসায় রাখেন। সেখানে তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তান রেশমীর জন্ম হয়। পরবর্তীতে গত দুই মাস আগে টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা ধোপাপাড়া এলাকায় একটি টিনসেট বাসা ভাড়া নেয়। এরপর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝে মধ্যেই ঝগড়া হতে থাকে। এরমধ্যে স্বামী আবু সাঈদ বিদেশ যাওয়ার জন্য টিকেট কাঁটতে ২৫ হাজার টাকা লাগবে বলে স্ত্রীকে জানায় এবং তাকে সেই টাকা জোগাড় করতে বলেন। তার স্ত্রী ওইদিন রাতে ২৫ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে এনে স্বামীকে দেয়। এরপর স্বামী টাকা নিয়ে চলে যেতে চাইলে সে বাধা দেয়। রাতটুকু থেকে যেতে বলে। এ নিয়ে দুই জনের মধ্যে ব্যাপক ঝগড়া হয় এবং একপর্যায়ে স্বামী তাকে মারপিঠ করে। পরে এ ঘটনায় স্বামী সেখানে থেকে যায়। ওইদিন রাতে তারা একত্রে ঘুমিয়ে পড়ে। পরে আনুমানিক ভোর ৪টার দিকে স্ত্রী হৃদয় বানু বাড়িতে থাকা একটি চাকু দিয়ে স্বামী আবু সাঈদকে ঘুমন্ত অবস্থায় খুন করে পালিয়ে যায়।

র‌্যাব আরও জানায়, আটককৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ জুলাই টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা ধোপাপাড়া এলাকায় আবু সাঈদের মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তার ২য় স্ত্রী হৃদয় বানু পলাতক ছিলো। পরে আবু সাঈদের ১ম স্ত্রী নাহিদা খানম (৩২) বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. অগাস্ট ২০২২ ০৬:০৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা ছেলে আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা ছেলে আটক

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে বাবাকে হত্যার পর মসজিদের মাইকে প্রচার করতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন রাশেদ মিয়া (৩০) নামে এক যুবক।

সোমবার (০১ আগস্ট) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের চারান এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই ব্যক্তির নাম আলী আজগর (৬৫)। তাবে তার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানা গেছে।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাশেদ মানসিক ভারসাম্যহীন। রাতে হঠাৎ করেই কুড়াল দিয়ে তার বাবা আলী আজগরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেন তিনি।

তিনি আরো জানান, পরে রাশেদ স্থানীয় একটি মসজিদে গিয়ে ইমামকে বলেন যে- আমি আমার বাবাকে হত্যা করেছি এটা একটু মাইকে প্রচার করে দেন। এসময় ইমাম স্থানীয়দের সহযোগিতায় রাশেদকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। সকালে পুলিশ গিয়ে আলী আজগরের মরদেহ উদ্ধার ও রাশেদকে আটক করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. অগাস্ট ২০২২ ০৫:০৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিয়ের দাবিতে নবম শ্রেণির ছাত্রের বাড়িতে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর অনশন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিয়ের দাবিতে নবম শ্রেণির ছাত্রের বাড়িতে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর অনশন

একতার কণ্ঠঃ নবম শ্রেণি পড়ুয়া প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে বসেছে একই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির আরেক ছাত্রী। শনিবার (৩০ জুলাই) থেকে এই অনশনে বসে ওই কিশোরী।

অনশনের খবরে প্রেমিক মো. রনি আহমেদ বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে।

ঘটনাটি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায়। তাঁরা উভয়ই মুশুদ্দি আফাজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

ওই কিশোরী জানায়, রনি দেড় বছর আগে আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে থাকলে এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে বিয়ের প্রলোভনে কু-প্রস্তাব দিতে থাকে। রনি বিয়ে করার কথা বলে আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলে। বিয়ের চাপ দিলে নানা তালবাহানা করে প্রতারণা শুরু করে।

ওই ভোক্তভূগী কিশোরী আরও জানায় ‘আমার তো সব শেষ করেছে রনি। বিয়ে না করলে আমার কি উপায় হবে। এখন তো আমাকে অন্য কেউ আর বিয়ে করবে না। বিয়ের দাবিতে ওদের বাড়িতে এসেছি। ওর পরিবারের লোকজন রনিকে বাড়ি থেকে ভাগিয়ে দিয়েছে। যদি বিয়ে না করে আত্মহত্যা ছাড়া আমার কোন আর পথ নাই। এ বাড়ি থেকে আমার লাশ নিয়ে যেতে হবে।’

স্থানীয় মিলটন মিয়া জানান, ‘বিয়ের প্রলোভনে ওই ছেলে, মেয়েটির সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলে। মেয়েটি বিয়ের চাপ দিলে ছেলে বিয়ে করতে অস্বীকার করলে মেয়েটি বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে বিয়ের দাবিতে শনিবার হতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করে অনশন করেছে

ওই কিশোরীর বাবা জানান, ‘সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া আমার অবুঝ মেয়েকে বিয়ের কথা বলে সর্বনাশ করেছে। আমরা গরীব মানুষ। এর সুষ্ঠু সমাধান চাই।’

রনির বাবা আ. ছাত্তার বলেন, ‘আমার ছেলে বাড়িতে নাই। ছেলে বাড়িতে আসলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। মেয়েটি আমার বাড়িতেই থাকুক।’

মুশুদ্দি আফাজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম এ বিষয়ে এখনো কিছু জানেন না বলে জানান।

স্থানীয় মুশুদ্দি ইউপি চেয়ারম্যান আবু কাউসার জানান, ‘ঘটনাটি তিনি জেনেছেন। রবিবার (৩১ জুলাই) রাত্রে এর ফয়সালা করা হবে।’

ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. চান মিয়া জানান, ‘বিষয়টি তার জানা নেই। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. অগাস্ট ২০২২ ০৮:৫৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভাতিজার সঙ্গে স্ত্রীর পরকীয়া; বেকায়দায় প্রবাসী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভাতিজার সঙ্গে স্ত্রীর পরকীয়া; বেকায়দায় প্রবাসী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার শুভকি এলাকায় স্ত্রীর সঙ্গে আপন ভাতিজার পরকীয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তার প্রবাসী স্বামী চরম বেকায়দায় পড়েছেন।

উপজেলার শুভকী এলাকার রফিকুল ইসলাম। পরিবারের অভাব-অনটন আর ভাগ্য বদলের আশায় দীর্ঘ ১২ বছর আগে পাড়ি জমান প্রবাসে। তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার কারণে পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরে আসলেও বৈবাহিক জীবনে নেমে আসে কালো মেঘ। আপন ভাতিজার বিরুদ্ধে তার পরিবারের সুখ কেড়ে নেয়ার অভিযোগ করেছেন প্রবাসী রফিকুল ইসলাম।

রফিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি প্রবাসে থাকার সুযোগে আপন ভাতিজা মাজিদুর রহমান তার স্ত্রীকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত। এক পর্যায়ে সেই উত্ত্যক্ত পরকীয়ায় রূপ নেয়। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে শুরু হয় পারিবারিক দ্বন্দ্ব। রফিকুল ইসলাম বারবার তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনদের এ বিষয়ে জানালেও এ নিয়ে কোনো লাভ হয়নি। এরই মধ্যে তাদের পরকীয়া সম্পর্ক আরও গভীর হতে থাকে। এক পর্যায়ে তার স্ত্রী গর্ভবতী হওয়ার সংবাদ পায় রফিকুল। এটি বুঝতে পেরে তার স্ত্রী অ্যাবরশন (গর্ভপাত) করিয়ে ফেলেন। পরে কৌশলে ভাতিজার মোবাইল থেকে ভাতিজা ও তার স্ত্রীর অনৈতিক সম্পর্কের বেশ কিছু ছবি ও অডিও রেকর্ড সংগ্রহ করে।

এরপর রফিকুল লোকলজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু না বলে তার স্ত্রীকে দিয়ে ভাতিজার বিরুদ্ধে একটি ইভটিজিংয়ের মামলা করান। সেই মামলায় ভাতিজা বেশ কিছুদিন কারাভোগ করেন। তারপরও থেমে নেই তাদের পরকীয়া সম্পর্ক।

এদিকে আপন ভাতিজার সাথে পরকীয়ার কারণে পরিবারের অন্য সদস্যরা ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে রফিকুল এ ঘটনার পর থেকেই তার স্ত্রীকে তালাক দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও প্রবাসে থাকার কারণে সেটি সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে চাচি-ভাতিজার পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। রফিকুলের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ কোনো কথা বলার সাহস পাচ্ছে না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক এলাকাবাসী জানান, রফিকুলের স্ত্রীর সাথে ভাতিজা মাজিদুরের পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে এটি তিনি শুনেছেন। মাজিদুর তার চাচিকে ইভটিজিং করার দায়ে জেলও খেটেছেন। পরিবারটি প্রভাবশালী হওয়ায় এ বিষয় নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি।

রফিকুলের বড় ভাই আবু সাইম জানান, ভাতিজা মাজিদুরের বিরুদ্ধে রফিকুলের স্ত্রী একটি ইভটিজিং মামলা করেছিল। সেই মামলায় কয়েকদিন কারাভোগ করেছে। এরপর থেকেই রফিকুল চাইছে তার স্ত্রীকে তালাক দিতে। কিন্তু তিনি এবং পরিবারের সদস্যরা তাকে জানিয়েছেন রফিকুল যদি তার স্ত্রীকে তালাক বা অন্য কাউকে বিয়ে করার ইচ্ছে থাকে তাহলে দেশে এসে পারিবারিক ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে এর সমাধান করতে হবে। রফিকুল আসার পরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রফিকুলের স্ত্রী কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

সংবাদ সূত্র – সময় টিভি অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. অগাস্ট ২০২২ ০১:১৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে হট্রগোল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশের লাঠিচার্জ  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে হট্রগোল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশের লাঠিচার্জ 

একতার কণ্ঠঃ জ্বালানি তেল,গ্যাসের  মূল্যবৃদ্ধি ও বিদ্যুতের নজিরবিহীন লোডশোডিংয়ের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে নিজেদের মধ্যে হট্রগোল হয়েছে। পরে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে পুলিশ।

রবিবার(৩১ জুলাই) সকালে শহরের ভিক্টোরিয়া রোডস্থ জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহিনের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কবি আব্দুল হাই শিকদার।

এতে প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটো, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, যুগ্ম-আহবায়ক কাজী শাফিকুর রহমান লিটন, দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, অমল ব্যানার্জী প্রমুখ।

এসময় বিএনপির অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিচ্ছিন্ন ঘটনা সম্পর্কে বিএনপির নেতারা বলেন, সমাবেশকে বানচাল করতে কিছু পদবঞ্চিত নেতারা অতর্কিত হামলা চালানোর চেষ্টা করে পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে পুলিশ । পরে আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে সমাবেশ সম্পন্ন করি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. জুলাই ২০২২ ০৯:৪৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এনজিও কর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এনজিও কর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গায় বাংলার মেলা সংস্থা (বিএমএস) নামক এক এনজিও অফিস থেকে পারভেজ (২৩) নামের এক মাঠ সংগঠকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (৩১ জুলাই) সকালে কালিহাতী উপজেলা এলেঙ্গা শাখা বাংলার মেলা সংস্থা (বিএমএস) অফিসের দ্বিতীয় তলার একটি রুম থেকে ওই সংগঠকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত পারভেজ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হিরাকোটা গ্রামের বাহর আলীর ছেলে।

তিনি বাংলার মেলা সংস্থার মাঠ সংগঠক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বাংলার মেলার কর্মীরা জানান, প্রতিদিন রাতে পারভেজ কাজ শেষে অফিস রুমে ঘুমান। রবিবার সকালে অফিসে অন্য কর্মীরা তাকে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কোনও সাড়া না পেয়ে রুমের জানালা দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষ, মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. জুলাই ২০২২ ০৮:১৪:পিএম ৪ বছর আগে
পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েও, একই প্রশ্নে পুনরায় ব্যর্থ - Ekotar Kantho

পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েও, একই প্রশ্নে পুনরায় ব্যর্থ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ইউনিয়ন পরিষদ সচিব পদে লিখিত পরীক্ষায় দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষায় সকল প্রার্থীর চেয়ে সর্বোচ্চ নম্বর পান পরীক্ষার্থী আদ্রিতা রহমান। তিনি টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানমের মেয়ে ।

অভিযোগ উঠেছে আদ্রিতা রহমানের মা টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লায়না খানমের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে থাকা পরীক্ষা কেন্দ্র লিখিত পরীক্ষা হওয়ায় কেন্দ্র সচিব, সহকারী কেন্দ্র সচিব এবং প্রার্থীর কক্ষের পরিদর্শকদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় অস্বাভাবিক নাম্বার প্রাপ্ত হন আদ্রিতা।

পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পর ওই প্রাপ্ত নম্বর নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ বিস্ময় প্রকাশ করেন। স্থানীয় জনগণের সন্দেহের প্রেক্ষিতে ও অধিকতর যাচাইয়ের স্বার্থে একই প্রশ্নে পুনরায় আদ্রিতার লিখিত পরীক্ষা নেন টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন। তবে এবার লিখিত পরীক্ষায় তেমন কোন উত্তরই দিতে পারেননি এই পরীক্ষার্থী।

লিখিত পরীক্ষায় কথিত অসদুপায় অবলম্বনের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বুধবার (২৭ জুলাই) টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক এর কার্যালয় থেকে লিখিত ভাবে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগকে অবহিত করা হয়।

বিষয়টির প্রকৃত অবস্থা উদঘাটন এবং ভবিষ্যতে এ রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পুলিশের বিশেষ ইউনিট সিআইডির সহায়তা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড.মো. আতাউল গনি।

চিঠির মাধ্যমে জানা যায়, পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া আদ্রিতা রহমান যার রোল নাম্বার ২০০১১৯৮ তিন ধাপের পরীক্ষায় ৬৯ নম্বর পাওয়ায় বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ বিস্ময় প্রকাশ করেন। প্রার্থীর মেধা আচার আচরণের সাথে ফলাফলের সামঞ্জস্য না থাকায় নিয়োগ কমিটি সদস্যদের অবহিত করেন এবং অভিযোগ করেন আদ্রিতা রহমান, টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানমের মেয়ে। আরও অভিযোগ আছে, আদ্রিতা রহমানের মা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সরাসরি নিয়ন্ত্রণে থাকা পরীক্ষা কেন্দ্র “বিবেক আনন্দ হাই স্কুল এন্ড কলেজ টাঙ্গাইল” এ লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় কেন্দ্র সচিব, সহকারী কেন্দ্র সচিব এবং প্রার্থীর কক্ষের পরিদর্শকদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় অস্বাভাবিক নাম্বার প্রাপ্ত হন। অধিকতর যাচাইয়ের স্বার্থে প্রার্থীকে উপ পরিচালক, স্থানীয় সরকার তার অফিস কক্ষে গত ২১ জুলাই একই প্রশ্নে তার লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করেন। সেখানে প্রার্থীর এলোমেলো আচরণ করেন এবং তেমন কিছুই উত্তর দিতে সক্ষম হয়নি। এজন্য লিখিত পরীক্ষায় প্রার্থীর অসদুপায় অবলম্বনের বিষয়টি আরো স্পষ্ট হয়।

এমতাবস্থায় টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ড.মো. আতাউল গনি মন্ত্রী পরিষদ বিভাগে পাঠানো চিঠির অনুলিপি প্রদান করেন সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ,বিভাগীয় কমিশনার,অতিরিক্ত সচিব মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিবের একান্ত সচিব।

এ প্রসঙ্গে বিবেকানন্দ হাই স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে জানান,কেন্দ্রে ১১৬০ পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করেন। এ কেন্দ্রে আদ্রিতা রহমান নামের কোন পরীক্ষার্থী ছিল কিনা সেটি আমার জানা নেই।

তিনি আরও জানান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরীক্ষা গ্রহণের সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন। পরীক্ষা কেন্দ্রে সকল কার্যক্রম পরিচালনায় তিনি সহায়তা করেন। তবে কেন্দ্র সচিব, সহকারি কেন্দ্র সচিব বলে কোন দায়িত্ব ছিলনা। দুই সদস্য বিশিষ্ট পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির গঠণ করা হয় বলে জানান তিনি। ওই কমিটির সদস্যরা হলেন- আবু দাউদ ও আলহাজ্ব ফজলুর রহমান। এছাড়াও পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন ৪০জন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম জানান, আমার মেয়ে আদ্রিতা রহমান ইউনিয়ন সচিব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। তার পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল বিবেকানন্দ হাই স্কুল এন্ড কলেজ। পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছেন জেলা প্রশাসন। সেখানে আমার কোন প্রভাব ছিলনা।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড.মো. আতাউল গনি জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং জবাবদিহি ও দুর্নীতি রোধে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। যে বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তার প্রকৃত সত্য উদঘাটন হওয়া প্রয়োজন। যাতে অপরাধ করে কেউ পার না পান। ভবিষ্যতে যাতে কেউ এ ধরনের অপরাধ করতে সাহস না পান।

উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই লিখিত পরীক্ষায় এবং ১৭ জুলাই ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ইউনিয়ন পরিষদ সচিব পদে ১২ জন প্রার্থী চূড়ান্ত ভাবে উত্তীর্ণ হয়। এর মধ্যে টাঙ্গাইল বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্র পরীক্ষা দেন ২০০১১৯৮ রোল নম্বরধারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মেয়ে আদ্রিতা রহমান। এবং সকল পরীক্ষার্থীর চেয়ে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে পরীক্ষায় উওীর্ণ হন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. জুলাই ২০২২ ০৩:৪২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ আটক ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ আটক ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পাঁচ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব।শুক্রবার (২৯ জুলাই) বিকালে সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের সাপুয়া বাঘিল গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান শুক্রবার বিকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটককৃত ব্যাক্তি একই উপজেলার শ্রীফলিয়াটার (বাগিল বাজার) আ: কুদ্দুছের ছেলে শাহদাত (২৫) ও বাচ্চু মিয়ার ছেলে ফারুক আহম্মেদ (২৮)।

র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার বিকালে সদর উপজেলার সাপুয়া (বাঘিল) এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ কেজি গাঁজাসহ তাদের আটক করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৭০ হাজার টাকা। এসময় তাদের কাছ থেকে ১টি মোবাইল, ১টি সিমকার্ড ও নগদ ছয় শত টাকা জব্দ করা হয়।

তিনি আরো জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে টাঙ্গাইল মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. জুলাই ২০২২ ০১:৩১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যুবক খুন;শিশু সন্তান রেখে পালিয়েছে স্ত্রী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যুবক খুন;শিশু সন্তান রেখে পালিয়েছে স্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরে বিশ্বাস বেতকা ধোপাপাড়া এলাকায় আবু সাইদ (৩৫) নামে এক যুবক খুন হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্ত্রী হৃদয় বানু পালিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) দুপুরে তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিষয়টি টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

নিহত আবু সাইদ সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের তারটিয়া গ্রামের ওমর আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আবু সাইদ তার প্রথম ঘরের স্ত্রী সন্তান রেখে হৃদয় বানুকে বিয়ে করেন। হৃদয় বানুরও এর আগে বিয়ে হয়েছিলো। ছয় মাস আগে শহরের বিশ্বাস বেতকা ধোপাপাড়া এলাকায় তারা দুজনে বাসা ভাড়া নেন। সেখানেই হৃদয় বানু থাকতেন। মাঝে মাঝে আবু সাইদ তার কাছে যেতেন। বৃহস্পতিবার সকালে শিশুর কান্নার শব্দ শুনে স্থানীয়রা তাদের ঘরে যায়। এ সময় ঘরে আবু সাইদের লাশ দেখে তারাই পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। লাশের পাশে সাত মাসের একটি মেয়ে শিশু কান্না করছিলো।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান ,প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সাইদকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্ত্রী পলাতক রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জুলাই ২০২২ ১০:৫৮:পিএম ৪ বছর আগে
চেক জালিয়াতির মামলায় বিবেকানন্দ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের করণিক কারাগারে - Ekotar Kantho

চেক জালিয়াতির মামলায় বিবেকানন্দ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের করণিক কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ চেক জালিয়াতির মামলায় টাঙ্গাইল শহরের জেলা সদর রোডে (বটতলা) অবস্থিত বিবেকানন্দ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের করণিক আনোয়ার পারভেজকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৭ জুলাই) রাতে বিবেকানন্দ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আনোয়ার পারভেজ পৌর শহরের দেওলা এলাকার বাসিন্দা।

অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে জানান, শহরের সাবালিয়া এলাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে চার লাখ টাকা ধার নেন করণিক আনোয়ার। পরে ওই ব্যক্তির টাকা পরিশোধের জন্য তাকে একটি চেক দেন আনোয়ার। পরিশোধের নির্দিষ্ট তারিখে তার অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকায় আনোয়ার পারভেজের নামে একটি ডিজ-অনার মামলা করেন ওই ব্যক্তি। ওই মামলায় রোববার(২৪ জুলাই) আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জুলাই ২০২২ ০৮:৩৫:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।