একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেয়ালে দেয়ালে ছেঁয়ে গেছে স্কুল ছাত্র শিহাব হত্যার বিচার ও দোষীদের ফাঁসি দাবির পোস্টার। হত্যাকান্ডের দিন থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিচারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে।
মামলাসহ আবাসিক ভবনের এক শিক্ষক গ্রেপ্তাতারের পর হত্যার ২৭ দিনেও রহস্য উদঘাটন ও প্রকৃত দোষী গ্রেপ্তাতার না হওয়ায় নিহত স্কুল ছাত্রের পরিবার, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরাসহ হতাশায় ভুগছেন অভিভাবকমহল।
রোববার (১৭ জুলাই) শহীদ মিনার চত্তর, শহরের ভিক্টোরিয়া রোড, নিরালা মোড়, শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি সড়কের দেয়াল, মার্কেট চত্তরে ওই পোস্টার দেখা গেছে।
টাঙ্গাইল জেলার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে সৃষ্টি একাডেমির চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রিপনের ছবি সম্বলিত ছাপানো পোস্টারে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবনে পঞ্চম শ্রেণীর শিশু শিক্ষার্থী শিহাব মিয়ার উপর পাশবিক নির্যাতনের মাধ্যমে ন্যাক্কারজনক হত্যাকান্ডটি ভিন্নধারায় প্রবাহের সৃষ্টি একাডেমিক স্কুল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা ও পৃষ্টপোষকতায় হত্যাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার মিথ্যা ও ভিত্তিহীন নাটকীয়তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোসহ হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি করা হয়েছে।
এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে পরেছে ওই পোস্টার। ফেসবুকেও দোষীদের ফাঁসি দাবি করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইল জেলা সংবাদ নামের এক ফেসবুক পেইজেও গেল ১ ঘন্টা আগে আল আমিন শিকদার হিমু নামের এক যুবকের পোস্ট দেখা গেছে সেখানে লেখা রয়েছে- আমি মৃত শিহাবের (ফুপাতো ভাই) বড় ভাই। সোনার বাংলাদেশ।
দশ বছরের শিশুকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হলো এর কোনো বিচারই হলো না। টাকার বিনিময়ে সব বিক্রি হয়ে গেছে। আইন শৃঙ্খলাবাহিনী, জেলা প্রশাসন, এমপি, মন্ত্রী, সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, মানবাধিকার সংস্থা, সংবাদমাধ্যম এসব লোকদের লজ্জা হওয়া উচিত। বেঁচে থাকতে আমি অন্তত এদের সম্মান দিবো না। এরা রক্ষক না তো বক্ষক। সব কিছুর হিসেব দিতে হবে, হয় এ কালে না হয় পরকালে। যারা খুন করছে তারা যেমন খুনী, তেমনি যারা টাকা খেয়ে এ ঘটনাটি ধামাচাপা দিতেছে তারা ও সমান দোষী।
এতো প্রমাণ থাকা সত্তেও শিহাব হত্যার কেনো বিচার হচ্ছে না কেন? এই আন্দোলন থামবে না। কারণ আমি চাই না আমার পরিবারের মতো আর কোনো পরিবার তাদের সন্তানকে হারিয়ে বিচারের জন্য রাস্তায় রাস্তায় ঘুরুক। আর এই হত্যাকান্ডের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই যাতে করে সমাজে আর কোনো নরপশু কোনো মায়ের বুক খালি করতে না পারে। আবারো রাস্তায় নেমে আন্দোলন করা হবে।
যত দিন না সঠিক বিচার হচ্ছে আমি তো আন্দোলন করবোই, সাথে সবার অংশ গ্রহণ আশা করছি। আমার একজনের আন্দোলনে কিচ্ছু হবে না, কিন্তু সবাই একত্র হলে শিহাব হয়তো ওর বিচার পাবে। ঈদের বন্ধের কারণে সব থেমে গেছে কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি আবার আন্দোলন করা হবে। সবাই দয়া করে আসবেন।
শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুঈদ হাসান তরিৎ বলেন, আমরা খুব শীঘ্রই শিহাব হত্যার বিচার নিয়ে আন্দোলনে নামবো।
তরিৎ বলেন, শিহাব হত্যার বিচার দাবি করে দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার লাগানো হয়েছে বলে শুনেছি। আন্দোলনরত আমরা সকলেই শিক্ষার্থী, পোস্টার ছাপানোর মত এত টাকা খরচ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। শহর জুড়ে পোস্টার লাগানো কি অন্য কোন সংগঠনের আন্দোলন নাকি আমাদের আন্দোলন বন্ধ করার ষড়যন্ত্র। এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান জানান, শহরের বিভিন্ন দেয়ালে দেয়ালে শিহাব হত্যার বিচার দাবিতে পোস্টার লাগানো হয়েছে বলে শুনেছি। এটা আন্দোলনের একটি প্রক্রিয়া, এটা চলবেই। ওই স্কুল ছাত্র হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলমান রয়েছে। আশা করছি দ্রুতই এর রহস্য উম্মোচন হবে।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুন শহরের বিশ্বাস বেতকা সুপারি বাগান এলাকার সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ছাত্রাবাস থেকে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ছাত্রাবাসের আবাসিক শিক্ষকরা তার মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। নিহত শিহাব সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ী গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে। শিহাবকে চার মাস আগে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলে ভর্তি করা হয়। সে সুপারি বাগান এলাকায় ওই স্কুলের একটি ছাত্রাবাসে সপ্তম তলায় থাকতো।
ওইদিনই শিহাবের মা আছমা আক্তার বাদি হয়ে আবু বক্করকে প্রধান আসামী করে ৬ জন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও সাত আট জনকে আসামী করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে শিহাবের ময়নাতদন্ত হয়। শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম মিয়ার নেতৃত্বে তিন সদস্যের চিকিৎসক দল শিহাবের ময়না তদন্ত করেন। পরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠান। শিহাবকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
শিহাবের মরদেহ উদ্ধারের পর মৃত্যুর কারণ ও হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে টাঙ্গাইল এবং ঢাকায় মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিকেলে শুনানী শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. শামসুল আলম ওই মামলায় স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্করের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
৩ জুলাই গ্রেপ্তাতারকৃত স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্করকে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে ধারাবাহিক শিহাব হত্যার বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নিউ ধলেশ্বরী নদীর কুর্শাবেনু এলাকায় সোমবার (১৮ জুলাই) বিকেলে উত্তোলিত বালু (ড্রেজড ম্যাটার) পরিমাপকারীদের ওপর হামলায় একজন প্রকৌশলী আহত ও এসি ল্যান্ডের গাড়িসহ তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীরা।
এ ঘটনায় র্যাব ঘটনাস্থল থেকে ৮ জনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।এলাকায় এখনও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, সম্প্রতি জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর গোল চত্বর পর্যন্ত মহাসড়ক চার লেন করার নিমিত্তে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃক উত্তোলিত বালু (ড্রেজড ম্যাটার) ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে লক্ষে মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেড নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পাউবো’র চুক্তি সম্পাদিত হয়।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড ও মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিনিধি সমন্বয়ে চুক্তি মোতাবেক উত্তোলিত বালু কুর্শাবেনু এলাকায় পরিমাপ করতে যায়। পরিমাপ করতে গেলে স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীরা পাউবোর ৪-৫ জন কর্মচারী ও মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেডের ডিজিএম মোস্তাফিজুর রহমানকে বাধা দেয়। এ নিয়ে স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী ও পরিমাপকারীদের মধ্যে বাগ-বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বালু ব্যবসায়ীরা উত্তোলিত বালু পাউবো নিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে এলাকার জনসাধারণকে যার কাছে যা আছে তাই নিয়ে একত্রিত হতে বলে। পরে এলাকার লোকজন একত্রিত হয়ে পরিমাপকারীদের ওপর হামলা করে এবং মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেডের ডিজিএম মোস্তাফিজুর রহমানের গাড়ি ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে কালিহাতী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল হাসান পুলিশ সঙ্গে নিয়ে কুর্শাবেনু যান। পথে তিনি মাইকের ওই ঘোষণা শুনতে পেয়ে টাঙ্গাইলে কর্মরত র্যাবকে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। ইতোমধ্যে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল হাসানকে বহনকারী গাড়ি ও পুলিশের গাড়ি কিছুটা দূরে রেখে মাইকের ওখানে পৌঁছান। এই ফাঁকে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা কামরুল হাসানকে (এসিল্যান্ড) বহনকারী গাড়ি ও পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। পরে র্যাব ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘটনাস্থল থেকে ৮ জনকে আটক করে।
আটকরা হচ্ছেন- আমিনুর, আজিম, মিণ্টু মিয়া, রাজ্জাক খান, মান্নান, সাইফুল, শরীফ ও মারুফ।
কালিহাতী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল হাসান জানান, তিনি পরিমাপকারীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। যাওয়ার পথেই তিনি স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা শুনতে পান। তারা কিছুটা দূরে গাড়ি রেখে মসজিদের কাছে গেলে উত্তেজিত জনতা তার ও পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালায়।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় উত্তেজিত জনতা মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেডের ডিজিএম মোস্তাফিজুর রহমানের গাড়িতে হামলা চালিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পরে র্যাব ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। র্যাব এ ঘটনায় নেতৃত্বদানকারী ৮ ব্যক্তিকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
তিনি জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও পরিতাপের। ভাঙচুরকৃত গাড়িগুলো থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চার বোতল বিয়ারসহ এক যুবকের আটক করেছে র্যাব। রবিবার (১৭ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আকুর টাকুর পাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত যুবক সদর উপজেলার আকুর টাকুর পাড়ার মো. আজাদের ছেলে মো. পিয়াস (২২)।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার এএসপি মো. এরশাদুর রহমান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেল পৌনে ছয়টার দিকে পৌর এলাকার আকুর টাকুর পাড়ায় অভিযান পরিচালনা করলে বিন্দুবাসিনী গার্লস স্কুলের পাশ থেকে চার বোতল বিয়ার ও ২ হাজার টাকাসহ পিয়াসকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান, আটককৃত পিয়াস দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক দ্রব্য বিয়ার অবৈধভাবে সংগ্রহ পূর্বক বিভিন্ন মাদক সেবীদের নিকট বিক্রয় করে আসছিল।। তার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সল্লা গ্রামে অভিযান চালিয়ে পাঁচ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো. শাহীন আলম নামে এক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের(ডিবি-দক্ষিণ)অফিসার ইনচার্জ মো. দেলোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত মো. শাহীন আলম(৪০) কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কদিম হামজানী গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে।
গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, গোপনে সংবাদ পেয়ে ডিবি দক্ষিণের এসআই মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কালিহাতী উপজেলার সল্লা গ্রামের একটি টেইলার্সের দোকানের ভেতর অভিযান চালায়।
অভিযানে পাঁচ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো. শাহীন আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের মূল্য প্রায় ১৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
তিনি আরও জানান, সল্লা গ্রামের জনৈক বিল্লাল হোসেনের বাড়ি ভাড়া নিয়ে মো. শাহীন আলম টেইলার্স চালানোর আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা বিক্রি করছিল। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে কালিহাতী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে । বৃহস্পতিবার (১৪জুলাই) ভোরে উপজেলার বিয়ারামারুয়া এলাকায় ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশন মাষ্টার আব্দুল মান্নান।
নিহত ওই ব্যক্তির নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে রংপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি বিয়ারামারুয়া এলাকায় পৌঁছালে ওই ব্যক্তি ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশন মাষ্টার আব্দুল মান্নান জানান, নিহত ওই ব্যক্তির নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। রেল পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে মরদেহ নিয়ে যাবে। পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়ায় লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে থানা দেলদুয়ার থান পুলিশ। বুধবার(১৩ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের নাটিয়াপাড়া নাসির গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজের পাশে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ঢাল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আরমান আলী জানান, এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশটি পানিতে অর্ধডুবন্ত অবস্থায় ছিল। ধারনা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার ভোড় ৪টার পরে পানিতে ডুবে যুবকটি মারা গেছেন। সে সনাতন ধর্মাবলম্বী বলে মনে হয়েছে। লাশের পড়নে ব্লু রঙের একটি ট্রাউজার ছিল। ময়না তদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আসল ঘটনা জানা যাবে। থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে সিরাজগঞ্জের এসআই পরিবহণ বাসের ধাক্কায় অটোরিক্সার দুইযাত্রী খালা ও ভাগ্নি মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত সেই ঘাতক বাস চালককে আটক করেছে র্যাব-১২।
আটক চালক নাজমুল হাসান (২৫) সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার জানপুর গ্রামের মো. হাসমত আলীর ছেলে। মঙ্গলবার বিকেলে দূর্ঘটনা কবলিত বাসসহ চালককে মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্লা থেকে আটক করা হয়।
বুধবার (১৩ জুলাই)দুপুরে র্যাব-১২ এর সিপিসি ৩ এর কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার দুপুরে সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় এলেঙ্গা থেকে গাজিপুরের দিকে যাচ্ছিলেন চারজন। এ সময় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকায় বেপরোয়া গতির এস আই পরিবহণের একটি বাসের ধাক্কায় সিএনজির দুই যাত্রী খালা-ভাগ্নি নিহত ও ২ জন গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় নিহতরা হলেন নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলা কাঠুয়াজারি গ্রামের কুদ্দুসের মেয়ে মৌসুমি ও তার ভাগ্নি জামালপুর জেলার চেকি মারি গ্রামের রেজাউল এর মেয়ে রিয়া মনি।
তিনি আরও জানান, যাত্রীবাহী সিএনজিকে ধাক্কা দেওয়ার পর ঘাতক চালক বেপরোয়া গতিতে বাসটি নিয়ে পালিয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে র্যাবের একটি আভিযানিক দল ঘাতক চালক ও বাসটিকে আটক করার জন্য বাসটির পিছু ধাওয়া করে। একপর্যায় মির্জাপুর উপজেলা পাকুল্লা এলাকা থেকে ঘাতক চালক নাজমুল হাসান (২৫) আটক করতে সক্ষম হয় র্যাব। আটক চালক নাজমুল হাসান সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার জানপুর
গ্রামের মো. হাসমত আলীর ছেলে।
রাতেই ঘাতক বাস চালকের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় ধারা-সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ১০৫/৯৮ ধারায় দায়ের করে র্যাব। বুধবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট ঘাতক চালক নাজমুল হাসান (২৫) কে সুস্থ্য অবস্থায় পরবর্তীতে প্রয়োজনীয়
আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের বেলটিয়াবাড়ী নামক স্থানে বুধবার(১৩ জুলাই) দুপুরে অভিযান চালিয়ে ৫০ বোতল ফেনসিডিল সহ মো. রাজিব আলী নামে এক যুবককে আটক করেছে র্যাব। র্যাব-১২ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আটককৃত মো. রাজিব আলী(২৫) নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার চকমাহাপুর গ্রামের মো. নুরনবী মন্ডলের ছেলে।
র্যাব-১২ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল র্যাব সদস্য বেলটিয়াবাড়ীস্থ টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সামনে অভিযান চালায়। অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিল(মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা), একটি মোটরসাইকেল ও নগদ একহাজার ৪৭০টাকা সহ মো. রাজিব আলীকে আটক করা হয়।
র্যাব-১২ আরও জানায়, আটককৃত মো. রাজিব আলীর নামে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের পূর্বক টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে বিলের পানিতে ভাসমান অবস্থায় এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৩ জুলাই) দুপুরের দিকে বাসাইল ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকার বিল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, সকালে বিলের পানিতে ভাসমান অবস্থায় নবজাতকের লাশটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
বাসাইল থানার এসআই হাবিবুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে নবজাতক কন্যা শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশটিতে পঁচন ধরেছে। ধারণা করা হচ্ছে ৫ থেকে ৭ দিন আগে শিশুটিকে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে লাঙ্গুলিয়া নদীর পানির স্রোতের সঙ্গে লাশটি ভেসে এখানে এসেছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
একতার কণ্ঠঃ এবার শিহাবের পরিবারের সদস্যদের ঈদ আনন্দ নেই। শিহাব এর এই পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার সাথে সাথে শিহাবের পরিবারের ঈদ আনন্দ বিদায় নিয়েছে।
রোববার(১০ জুলাই) ঈদের দিন শিহাবের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সন্তান ও নাতির কথা মনে করে বারান্দায় বিলাপ করে কাঁদছেন শিহাবের মা ও দাদি।

কাঁদতে কাঁদতেই শিহাবের মা আসমা বেগম বলেন, ‘৩ বছর আগে একবার দেশে আসছিল শিহাবের বাপে। সেবারেই শিহাবের সঙ্গে ওর বাপের শেষ দেখা। গত কোরবানির ঈদে শিহাব ফোনে বাপেরে কইছিল যে সে একটা বড় গরু কোরবানি দিতে চায়। সেজন্য এইবার ওর বাপে আগেই ট্যাকা পাঠায়া দিছিলো। এইবার আমার শিহাব নাই, আমাগো ঈদও নাই।’
এই ঘটনায় গত ২৭ জুন আসমা বেগম সৃষ্টি স্কুলের ৬ আবাসিক শিক্ষককে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

শিহাবের মৃত্যুর পরের দিনই সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরে আসেন শিহাবের প্রবাসী বাবা ইলিয়াস হোসেন। তার অভিযোগ, শুরু থেকেই সৃষ্টি স্কুলের প্রভাবশালী মালিকপক্ষ তদন্তকাজে প্রভাব খাটাচ্ছে।
এদিকে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে তাদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে শিহাবের সহপাঠী, সৃষ্টি স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং টাঙ্গাইলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। দাবি আদায়ে আমরা এবার কঠোর আন্দোলনে নামব।’
মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে তদন্তকারী কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দেলোয়ার হোসেন জানান, মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তদন্ত চলছে। প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আটক হওয়া মো. আবু বকর (৩৫) নামের এক যুবক হাতকড়াসহ পালিয়ে গেছে বলে দাবি করছে বন বিভাগের লোকজন। তবে পরিবারের দাবি তিনি নিখোঁজ হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার কীর্তনখোলা কামারপাড়া এলাকা থেকে বনবিভাগের লোকজন আবু বকরকে আটক করে নিয়ে আসে। শনিবার সকালে তাঁর স্ত্রী বন বিভাগের কালিদাস বিটে গিয়ে স্বামীকে না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
কালিদাস বিট অফিস ও আবু বকরের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কীর্তনখোলা কামারপাড়া এলাকায় মো. বাচ্চু মিয়া নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিনের পুরাতন বাড়িতে একটি ঘর তুলছিল। প্রতিবেশী মো. আবু বকর ওই ঘর নির্মাণে শ্রমিকের কাজ করছিল। কিন্তু ওই জমি নিজেদের দাবি করে স্থানীয় বন বিভাগের লোকজন ঘর তুলতে বাধা দেয়। এ সময় ওই বাড়ির লোকজন পালিয়ে গেলেও আবু বকরকে হাতকড়া লাগিয়ে বন বিভাগের কালিদাস বিটে নিয়ে যায়।
আবুবকরের স্ত্রী শাহিনা আক্তার বলেন, গতকাল শুক্রবার রাত তিনটার সময় আমার স্বামীকে হাতকড়া লাগিয়ে বন বিভাগের লোকজন তুলে নিয়ে যায়। শনিবার সকালে আমার ভাসুরকে সঙ্গে নিয়ে কালিদাস বিট অফিসে গিয়ে স্বামীকে খোঁজে পাইনি। জানতে চাইলে বিট অফিসের লোকজন জানায়, তোমার স্বামী পালিয়ে গেছে।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, আমার স্বামী ঘটনাস্থল থেকে দৌড় দিতে সাহস পায়নি, তিনি বিট অফিসের ঘর থেকে কিভাবে পালিয়ে যাবেন?
বিকেল থেকে বারবার ফোন করার পর শনিবার সন্ধ্যায় কালিদাস বিট কর্মকর্তা মো. শাহ আলম বলেন, এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আবু বকরকে পেলেই থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বন বিভাগের হতেয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ বলেন, `আমি ছুটিতে বাড়ি আছি। তবে শুনেছি, আটক করা আবু বকর রাতের বেলায় পালিয়ে গেছে। এখন তার পরিবারের লোকজন নিখোঁজের মিথ্যা অভিযোগ তুলছে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম বলেন, এ বিষয়ে বন কর্মকর্তা বাদী হয়ে সখীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশার চালকসহ চারজন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৮ জুলাই) দিনগত রাত পৌনে ১২টার দিকে জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কের বানিয়াজান বাসস্ট্যান্ডের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- জামালপুর সদর উপজেলার তুলসীপুর গ্রামের প্রাণকৃষ্ণ কর্মকারের ছেলে অটোরিকশাচালক বাবুল কর্মকার (৫০), রামনগর গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (২২) তার ছোট ভাই মৃদুল হাসান (১৫) ও একই গ্রামের বজলুল মিয়ার ছেলে হাসান মিয়া (১৯)।
শনিবার (৯ জুলাই) সকালে ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চান মিয়া জানান, রাতে শেরপুর থেকে ছেড়ে আসা এস কে জননী পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে, ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে তিনজন অটোরিকশার যাত্রী নিয়ে জামালপুর সদরে উপজেলায় যাচ্ছিলেন চালক। রাস্তা ফাঁকা পেয়ে বেপরোয়া গতিতে টানছিল বাসটি। এ সময় বাস আর অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই চালক বাবুল কর্মকার ও সাইফুল ইসলাম নিহত হন। গুরুতর আহতাবস্থায় মৃদুল ও হাসানকে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি চান মিয়া আরও জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের লোকজনের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘাতক বাসটি ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে চালক ও তার সহকারী পলাতক। এ বিষয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।