একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে । বৃহস্পতিবার (১৪জুলাই) ভোরে উপজেলার বিয়ারামারুয়া এলাকায় ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশন মাষ্টার আব্দুল মান্নান।
নিহত ওই ব্যক্তির নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে রংপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি বিয়ারামারুয়া এলাকায় পৌঁছালে ওই ব্যক্তি ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশন মাষ্টার আব্দুল মান্নান জানান, নিহত ওই ব্যক্তির নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। রেল পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে মরদেহ নিয়ে যাবে। পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়ায় লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে থানা দেলদুয়ার থান পুলিশ। বুধবার(১৩ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের নাটিয়াপাড়া নাসির গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজের পাশে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ঢাল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আরমান আলী জানান, এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশটি পানিতে অর্ধডুবন্ত অবস্থায় ছিল। ধারনা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার ভোড় ৪টার পরে পানিতে ডুবে যুবকটি মারা গেছেন। সে সনাতন ধর্মাবলম্বী বলে মনে হয়েছে। লাশের পড়নে ব্লু রঙের একটি ট্রাউজার ছিল। ময়না তদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আসল ঘটনা জানা যাবে। থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে সিরাজগঞ্জের এসআই পরিবহণ বাসের ধাক্কায় অটোরিক্সার দুইযাত্রী খালা ও ভাগ্নি মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত সেই ঘাতক বাস চালককে আটক করেছে র্যাব-১২।
আটক চালক নাজমুল হাসান (২৫) সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার জানপুর গ্রামের মো. হাসমত আলীর ছেলে। মঙ্গলবার বিকেলে দূর্ঘটনা কবলিত বাসসহ চালককে মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্লা থেকে আটক করা হয়।
বুধবার (১৩ জুলাই)দুপুরে র্যাব-১২ এর সিপিসি ৩ এর কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার দুপুরে সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় এলেঙ্গা থেকে গাজিপুরের দিকে যাচ্ছিলেন চারজন। এ সময় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকায় বেপরোয়া গতির এস আই পরিবহণের একটি বাসের ধাক্কায় সিএনজির দুই যাত্রী খালা-ভাগ্নি নিহত ও ২ জন গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় নিহতরা হলেন নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলা কাঠুয়াজারি গ্রামের কুদ্দুসের মেয়ে মৌসুমি ও তার ভাগ্নি জামালপুর জেলার চেকি মারি গ্রামের রেজাউল এর মেয়ে রিয়া মনি।
তিনি আরও জানান, যাত্রীবাহী সিএনজিকে ধাক্কা দেওয়ার পর ঘাতক চালক বেপরোয়া গতিতে বাসটি নিয়ে পালিয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে র্যাবের একটি আভিযানিক দল ঘাতক চালক ও বাসটিকে আটক করার জন্য বাসটির পিছু ধাওয়া করে। একপর্যায় মির্জাপুর উপজেলা পাকুল্লা এলাকা থেকে ঘাতক চালক নাজমুল হাসান (২৫) আটক করতে সক্ষম হয় র্যাব। আটক চালক নাজমুল হাসান সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার জানপুর
গ্রামের মো. হাসমত আলীর ছেলে।
রাতেই ঘাতক বাস চালকের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় ধারা-সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ১০৫/৯৮ ধারায় দায়ের করে র্যাব। বুধবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট ঘাতক চালক নাজমুল হাসান (২৫) কে সুস্থ্য অবস্থায় পরবর্তীতে প্রয়োজনীয়
আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের বেলটিয়াবাড়ী নামক স্থানে বুধবার(১৩ জুলাই) দুপুরে অভিযান চালিয়ে ৫০ বোতল ফেনসিডিল সহ মো. রাজিব আলী নামে এক যুবককে আটক করেছে র্যাব। র্যাব-১২ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আটককৃত মো. রাজিব আলী(২৫) নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার চকমাহাপুর গ্রামের মো. নুরনবী মন্ডলের ছেলে।
র্যাব-১২ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল র্যাব সদস্য বেলটিয়াবাড়ীস্থ টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সামনে অভিযান চালায়। অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিল(মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা), একটি মোটরসাইকেল ও নগদ একহাজার ৪৭০টাকা সহ মো. রাজিব আলীকে আটক করা হয়।
র্যাব-১২ আরও জানায়, আটককৃত মো. রাজিব আলীর নামে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের পূর্বক টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে বিলের পানিতে ভাসমান অবস্থায় এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৩ জুলাই) দুপুরের দিকে বাসাইল ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকার বিল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, সকালে বিলের পানিতে ভাসমান অবস্থায় নবজাতকের লাশটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
বাসাইল থানার এসআই হাবিবুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে নবজাতক কন্যা শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশটিতে পঁচন ধরেছে। ধারণা করা হচ্ছে ৫ থেকে ৭ দিন আগে শিশুটিকে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে লাঙ্গুলিয়া নদীর পানির স্রোতের সঙ্গে লাশটি ভেসে এখানে এসেছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
একতার কণ্ঠঃ এবার শিহাবের পরিবারের সদস্যদের ঈদ আনন্দ নেই। শিহাব এর এই পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার সাথে সাথে শিহাবের পরিবারের ঈদ আনন্দ বিদায় নিয়েছে।
রোববার(১০ জুলাই) ঈদের দিন শিহাবের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সন্তান ও নাতির কথা মনে করে বারান্দায় বিলাপ করে কাঁদছেন শিহাবের মা ও দাদি।

কাঁদতে কাঁদতেই শিহাবের মা আসমা বেগম বলেন, ‘৩ বছর আগে একবার দেশে আসছিল শিহাবের বাপে। সেবারেই শিহাবের সঙ্গে ওর বাপের শেষ দেখা। গত কোরবানির ঈদে শিহাব ফোনে বাপেরে কইছিল যে সে একটা বড় গরু কোরবানি দিতে চায়। সেজন্য এইবার ওর বাপে আগেই ট্যাকা পাঠায়া দিছিলো। এইবার আমার শিহাব নাই, আমাগো ঈদও নাই।’
এই ঘটনায় গত ২৭ জুন আসমা বেগম সৃষ্টি স্কুলের ৬ আবাসিক শিক্ষককে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

শিহাবের মৃত্যুর পরের দিনই সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরে আসেন শিহাবের প্রবাসী বাবা ইলিয়াস হোসেন। তার অভিযোগ, শুরু থেকেই সৃষ্টি স্কুলের প্রভাবশালী মালিকপক্ষ তদন্তকাজে প্রভাব খাটাচ্ছে।
এদিকে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে তাদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে শিহাবের সহপাঠী, সৃষ্টি স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং টাঙ্গাইলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। দাবি আদায়ে আমরা এবার কঠোর আন্দোলনে নামব।’
মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে তদন্তকারী কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দেলোয়ার হোসেন জানান, মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তদন্ত চলছে। প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আটক হওয়া মো. আবু বকর (৩৫) নামের এক যুবক হাতকড়াসহ পালিয়ে গেছে বলে দাবি করছে বন বিভাগের লোকজন। তবে পরিবারের দাবি তিনি নিখোঁজ হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার কীর্তনখোলা কামারপাড়া এলাকা থেকে বনবিভাগের লোকজন আবু বকরকে আটক করে নিয়ে আসে। শনিবার সকালে তাঁর স্ত্রী বন বিভাগের কালিদাস বিটে গিয়ে স্বামীকে না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
কালিদাস বিট অফিস ও আবু বকরের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কীর্তনখোলা কামারপাড়া এলাকায় মো. বাচ্চু মিয়া নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিনের পুরাতন বাড়িতে একটি ঘর তুলছিল। প্রতিবেশী মো. আবু বকর ওই ঘর নির্মাণে শ্রমিকের কাজ করছিল। কিন্তু ওই জমি নিজেদের দাবি করে স্থানীয় বন বিভাগের লোকজন ঘর তুলতে বাধা দেয়। এ সময় ওই বাড়ির লোকজন পালিয়ে গেলেও আবু বকরকে হাতকড়া লাগিয়ে বন বিভাগের কালিদাস বিটে নিয়ে যায়।
আবুবকরের স্ত্রী শাহিনা আক্তার বলেন, গতকাল শুক্রবার রাত তিনটার সময় আমার স্বামীকে হাতকড়া লাগিয়ে বন বিভাগের লোকজন তুলে নিয়ে যায়। শনিবার সকালে আমার ভাসুরকে সঙ্গে নিয়ে কালিদাস বিট অফিসে গিয়ে স্বামীকে খোঁজে পাইনি। জানতে চাইলে বিট অফিসের লোকজন জানায়, তোমার স্বামী পালিয়ে গেছে।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, আমার স্বামী ঘটনাস্থল থেকে দৌড় দিতে সাহস পায়নি, তিনি বিট অফিসের ঘর থেকে কিভাবে পালিয়ে যাবেন?
বিকেল থেকে বারবার ফোন করার পর শনিবার সন্ধ্যায় কালিদাস বিট কর্মকর্তা মো. শাহ আলম বলেন, এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আবু বকরকে পেলেই থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বন বিভাগের হতেয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ বলেন, `আমি ছুটিতে বাড়ি আছি। তবে শুনেছি, আটক করা আবু বকর রাতের বেলায় পালিয়ে গেছে। এখন তার পরিবারের লোকজন নিখোঁজের মিথ্যা অভিযোগ তুলছে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম বলেন, এ বিষয়ে বন কর্মকর্তা বাদী হয়ে সখীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশার চালকসহ চারজন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৮ জুলাই) দিনগত রাত পৌনে ১২টার দিকে জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কের বানিয়াজান বাসস্ট্যান্ডের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- জামালপুর সদর উপজেলার তুলসীপুর গ্রামের প্রাণকৃষ্ণ কর্মকারের ছেলে অটোরিকশাচালক বাবুল কর্মকার (৫০), রামনগর গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (২২) তার ছোট ভাই মৃদুল হাসান (১৫) ও একই গ্রামের বজলুল মিয়ার ছেলে হাসান মিয়া (১৯)।
শনিবার (৯ জুলাই) সকালে ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চান মিয়া জানান, রাতে শেরপুর থেকে ছেড়ে আসা এস কে জননী পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে, ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে তিনজন অটোরিকশার যাত্রী নিয়ে জামালপুর সদরে উপজেলায় যাচ্ছিলেন চালক। রাস্তা ফাঁকা পেয়ে বেপরোয়া গতিতে টানছিল বাসটি। এ সময় বাস আর অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই চালক বাবুল কর্মকার ও সাইফুল ইসলাম নিহত হন। গুরুতর আহতাবস্থায় মৃদুল ও হাসানকে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি চান মিয়া আরও জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের লোকজনের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘাতক বাসটি ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে চালক ও তার সহকারী পলাতক। এ বিষয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ভিজিএফের চাল চুরির অভিযোগে দুই ইউপি সদস্যকে গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
গণপিটুনির শিকার ওই দুই ইউপি সদস্য হলেন মো. রেজাউল করিম ও আব্দুস ছালাম।
স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকে দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন থেকে ঈদ উপলক্ষে হতদরিদ্রদের মধ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণ চলছিল।
কিন্তু ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের চাল বিতরণ শেষ না করেই বিকেলে ১২৫ বস্তা চাল অটোরিক্সায় তুলে বিক্রি করতে যান ইউপি সদস্য রেজাউল করিম ও আব্দুস ছালাম। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা রাস্তা আটকে দিয়ে চালসহ দুই ইউপি সদস্যকে ঘেরাও করে রাখে।
পরে উত্তেজিত জনতা তাদের দুজনকে গণপিটুনি দেয়। এ সময় স্থানীয় জনগণের তোপের মুখে ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হেপলু দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে ঘাটাইল থানার পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন গিয়ে চালসহ জনতার হাতে আটক দুই ইউপি সদস্যকে উদ্ধার করে।
ইউপি সদস্য আব্দুস ছালাম বলেন, চাল চুরির কোনো ঘটনা ঘটেনি। ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হেপলুর নির্দেশে তারা চালের বস্তাগুলো সরিয়ে নিয়ে দেলুটিয়া থেকে বিতরণ করতে চেয়েছিলেন।
ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হেপলু বলেন, চাল চুরির ঘটনা সঠিক নয়। বিতরণের সুবিধার জন্য চালগুলো দেলুটিয়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। একটি পক্ষ ভুল বুঝিয়ে জনতাকে উত্তেজিত করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, চালগুলো উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে সিলগালা করে রাখা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিহাবের মৃত্যুর ঘটনা সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (৬ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘প্রশাসনের আশ্বাসে আমরা আন্দোলন স্থগিত করে ঘরে ফিরে গিয়েছিলাম, কিন্তু ঘটনার পর ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও তদন্তে কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেননি তারা।’

তারা আরও বলেন, ‘আমরা জানতে চাই শিহাব হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের পর কেন শিহাবের পরিবারকে থানায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। আটক করার পরও কেন আসামিদের ছেড়ে দেওয়া হলো।’
এ ছাড়াও, শিহাবের মৃত্যুর ঘটনকে আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্য যারা বা যেসব মহল পায়তারা করেছে এবং প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
শিহাবের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা।
সমাবেশে শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘আমি একজন সাধারণ মানুষ। প্রবাসে পরিশ্রম করে রোজগার করা টাকায় ভাল লেখাপড়ার আশায় সন্তানকে তাদের কাছে পড়তে দিয়েছিলাম। কিন্তু বিনিময়ে আমি আমার সন্তানের লাশ পেয়েছি।’
জানতে চাইলে শিহাব হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামি রিমান্ডে পুলিশকে যেসব তথ্য দিয়েছেন সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার রহস্য উদঘাটনে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

প্রকাশ, গত ২০ জুন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ি গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের পুত্র শিহাবকে (১১) সৃষ্টি স্কুলের ছাত্রাবাসে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে, স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি শিহাব ছাত্রাবাসের বাথরুমে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে, শিহাবের মরদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করা।
ওই ঘটনার ছয়দিন পর গত ২৭ জুন শিহাবের মা আসমা আক্তার বাদী হয়ে আবু বক্করসহ সৃষ্টি স্কুলের ৬ আবাসিক শিক্ষককে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এরপর পুলিশ গ্রেপ্তার শিক্ষক আবু বক্করকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ডাকপ্লেগ রোগের মেয়াদোত্তীর্ণ ভ্যাকসিন প্রয়োগের পর রিপন সিকদার নামের এক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার প্রায় ১৪০০ হাঁসের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা রিপন সিকদার দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত রিপন জেলার বাসাইল উপজেলার ফুলকী ইউনিয়নের ময়থা উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে বেকার অবস্থায় থাকা যুবক রিপন সিকদার ৪২ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে ঘর তৈরি করে হাঁসের খামার করেন। প্রথম অবস্থায় তিনি এক হাজার হাঁস নিয়ে খামার শুরু করেন। প্রথমে তার বেশ কিছু টাকা লাভ হয়। এরপর দ্বিতীয়বারে তিনি নাগেশ্বরী জাতের ডিমের জন্য ১৭৩০টি হাঁসের বাচ্চা ও মাংসের জন্য বেলজিয়াম জাতের ৭০টিসহ মোট ১৮০০টি হাঁসের বাচ্চা খামারে তুলেন। বাচ্চাগুলোর এক মাস বয়সে গত ৫ জুন রিপন সিকদার বাসাইল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে ভ্যাকসিনের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) জাহিরুল ইসলামের কাছে ডাকপ্লেগ রোগের ভ্যাকসিনের জন্য যান। ওই সময় জাহিরুল ইসলাম তাকে ১৯টি ভ্যাকসিনের বোতল দেন। এরপর ৭ জুন রিপন হাঁসগুলোকে ওই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেন। ভ্যাকসিন প্রয়োগের একদিন পর থেকে হাঁসগুলো মারা যেতে শুরু করে। ক্রমেই মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকে। কয়েকদিনের ভেতরে প্রায় ১৪০০ হাঁসের মৃত্যু হয়। ওই সময় ভ্যাকসিনের বোতল চেক করলে দেখা যায় চলতি বছরের ২০ মে ভ্যাকসিনটির মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে।
রিপনের স্ত্রী তানিয়া আক্তার জানান, ‘উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে ভ্যাসকিন আনার পর প্রায় ১৭০০ হাঁসকে প্রয়োগ করা হয়। আর বাকিহাঁসগুলোকে একটি কোম্পানির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভ্যাকসিন প্রয়োগের পরেরদিন থেকে হাঁস মারা যাওয়া শুরু হয়। একদিনেই প্রায় ৫০০ হাঁসের মৃত্যু হয়। এভাবেই প্রায় ১৪০০ হাঁস মারা গেছে। এরপর বাকি প্রায় ৪০০ হাঁসকে বিলে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেখানেও হাঁস মারা যাচ্ছে। ঋণ নিয়ে এই খামারটি করেছিলাম। আমরা এখন নিঃস্ব হয়ে গেলাম।’
ক্ষতিগ্রস্ত রিপন সিকদার জানান, ‘গত ৫ জুন আমি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে ভ্যাকসিনের দায়িত্বে থাকা জাহিরুল ইসলামের কাছে হাঁসের ডাকপ্লেগ রোগের ভ্যাকসিন আনতে যাই। তিনি আমাকে ১৯টি ভ্যাকসিনের বোতল দেন। এরপর আমি ৭ জুন প্রায় ১৭০০ হাঁসকে ওই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করি। ভ্যাকসিন প্রয়োগের পরেরদিন থেকে হাসগুলো মারা যেতে শুরু করে। একদিনে ৫০০ হাঁসের ওপরেও মারা গেছে। এভাবে কয়েকদিনের মধ্যে আমার খামারের প্রায় ১৪০০ হাঁস মারা গেছে। মৃত হাঁসগুলো মাটিতে পুতে রাখা হয়েছে। এরপর বাকি জীবিত হাঁসগুলো বিলে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেগুলোও মারা যাচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, ‘হাঁসগুলো মারা যেতে থাকলে ভ্যাকসিনের বোতল চেক করে দেখি প্রায় এক মাস আগে ভ্যাকসিনের মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে। জাহিরুল ইসলামের ভুলের কারনে আমার প্রায় ৭ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনার পর আমি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে গেলে জাহিরুল ইসলাম, তার ভুল হয়েছে বলে জানায়। তবে আমি ঋণ নিয়ে এই হাঁসের খামারটি করেছি। এই ক্ষতি আমার জীবন শেষ করে দিয়েছে। এই ক্ষতি পোষানোর মতো আমার ক্ষমতা নেই। এ কারণে আমি ক্ষতিপূরণ দাবি করছি। এ ঘটনায় আইনের আশ্রয় নেওয়া হবে।’
স্থানীয় বাসিন্দা শামছুল হক জানান, ‘রিপন ঋণ করে এই খামারটি করেছিল। প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের কর্মকর্তার ভুলের কারণে রিপনের অনেক ক্ষতি হয়ে গেলো। অভিযুক্ত কর্মকর্তার শাস্তি ও পাশাপাশি রিপনকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবী জানান তিনি।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য সুমন সরকার জামাল জানান, ‘একজন কর্মকর্র্তার ভুলের কারনে রিপনের ১৪০০ থেকে ১৫০০ হাঁসের মৃত্যু হয়েছে। রিপনের অনেক টাকা ক্ষতি হয়ে গেলো। এলাকাবাসী হিসেবে রিপনের ক্ষতিপূরণের দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) অভিযুক্ত জাহিরুল ইসলাম জানান, ‘রিপন নামের ওই ছেলেটা আমার কাছে গত ৬ জুন এসেছিল। পরে তাকে ২০টি ডাকপ্লেগ রোগের ভ্যাকসিন দেয়া হয়। কয়েকটি হাঁস মারা যাওয়ার পর রিপন আমার কাছে এসে ১০টি ভ্যাকসিন ফেরত দিয়ে গেছে। পরে চেক করে দেখি ২০ মে ভ্যাকসিনের মেয়াদ শেষ হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ওই ভ্যাকসিন গুলো দেখে আমাদের অফিসে থাকা বাকিগুলো ফেলে দিয়েছি। হঠাৎ করে আবার এসে সে বলছেন তার সর্বমোট ১৪০০ হাঁস মারা গেছে। ভ্যাকসিন গুলো তাকে দেওয়ার সময় আমি মেয়াদটি খেয়াল করিনি,এটাই আমার ভুল হয়েছে। তবে ভ্যাকসিনের মেয়াদ না থাকলে উপকার না হলেও ক্ষতি হবার কোন কারণ নেই বলে দাবি করেন তিনি।’
বাসাইল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্র্তা ডা. ফারুক আহাম্মদ জানান, ‘আমি এখানে নতুন এসেছি। এখানে এসেই হাঁসগুলোর মৃত্যুর ঘটনাটি জেনেছি। মেয়াদোত্তীর্ণ ভ্যাকসিন বিতরণ করে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও ভুক্তভোগীকে প্রণোদনার মাধ্যমে সহায়তা করা হবে।’
এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রানা মিয়া জানান, ‘এ ঘটনায় ওই কর্মকর্তার কোনও গাফিলতি থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার চরপাড়া গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছে এক কিশোরী। বুধবার (৬ জুলাই) সকালে ফাজিলহাটি ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
জানা গেছে, শনিবার (২ জুলাই) বিকেলে প্রেমিক পায়েলের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন ওই কিশোরী। এ সময় বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থানের কথা শুনে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান প্রেমিক পায়েল। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ফাজিলহাটি ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে পায়েলের সঙ্গে চলাফেরার সুবাদে পরিচয় হয় ওই কিশোরীর। এরপরে দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিক পায়েল ওই কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়।কিছুদিন আগে মেয়েটি পায়েলকে বিয়ের কথা বললে, সে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। পরে শনিবার বিকেল থেকে কিশোরী প্রেমিক পায়েলের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে।
অনশনরত এই কিশোরী জানান, পায়েল আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। সে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছে।এখন বিয়ের কথা বললে, তালবাহানা করছে। অনশন অবস্থায় আমাকে জোর করে কয়েকবার বাড়ি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
অনশন প্রসঙ্গে, স্থানীয় ইউপি সদস্য সেকান্দার আলী জানান, বিষয়টি শুনেছি। তবে ওই বাড়িতে যাওয়া হয়নি।
এ প্রসঙ্গে, ফাজিলহাটি ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন জানান, বিষয়টি শুনেছি। দু’পক্ষের লোকজনকে ডেকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।