/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে বিএনপি’র একাংশের বিক্ষোভ মিছিলে হামলা, আহত ১০ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপি’র একাংশের বিক্ষোভ মিছিলে হামলা, আহত ১০

একতার কণ্ঠঃ জ্বালানি তেল-গ্যাস সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতি, নজিরবিহীন লোডশেডিং, সরকারে লুটপাট-দুর্নীতি এবং হামলা-মামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিএনপির একাংশের পথসভায় অতর্কিত হামলায় ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদেরকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

বুধবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর শহরের সাবালিয়া এলাকায় সদর উপজেলা ও পৌর বিএনপির একাংশের বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ওই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। হামলার কারণে ওই বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভাটি পন্ড হয়ে যায়।

হামলায় আহতরা হলেন- জেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আশরাফ পাহেলী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সালেহ মোহাম্মদ সাফি ইথেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মমিনুল হক খান নিক্সন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সম্পাদক উজ্জল হোসেন, জেলা যুবদল নেতা কাজী শামসুল আজিজ লিন্টু, মো. রিপন ইসলাম, আরিফ বিল্লাহ্, কামাল হোসেন, দাইন্যা ইউনিয়ন যুবদল নেতা সাইফুল ও মামুন। এদের মধ্যে সাইফুল ও মামুনের অবস্থা গুরুতর।

পথসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন- জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সাবেক সহ-সভাপতি সাদেকুল আলম খোকা, সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আনিছুর রহমান আনিছ প্রমুখ।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আশরাফ পাহেলী অভিযোগ করেন, বিক্ষোভ মিছিল শেষে পথসভায় সাবালিয়ার স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২৫-৩০ জন নেতাকর্মী লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু জানান, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে আইনগত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এ বিষয়ে ১৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মিতুলের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও কল রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশাররফ হোসেন জানান, শহরের সাবালিয়া এলাকায় সদর উপজেলা ও পৌর বিএনপির পথসভায় হামলার একটি ঘটনা ঘটেছে। কে বা কারা হামলা চালিয়েছে তা নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. অগাস্ট ২০২২ ০৩:০২:এএম ৪ বছর আগে
আরিফের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

আরিফের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র আরিফ মিয়া (২১) হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) সকালে উপজেলার মূল ফটকের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন নিহতর পরিবার ও এলাকাবাসী।

আরিফের লাশ সামনে রেখে স্বজনরা খুনি জাহাঙ্গীরসহ যারা জড়িত তাদের ফাঁসির দাবী করেন। মানববন্ধনে নিহতের পিতা হোসেন মিয়া, নিহতের বোন ও সহপাঠীরা বক্তব্য দেন। আরিফের লাশ নিয়ে নাগরপুর সদর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করে এলাকাবাসী।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল শেষে নাগরপুর সরকারি কলেজ মাঠে নিহত আরিফের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা নামাজ শেষে সামাজিক কবর স্থানে দাফন সম্পর্ণ করা হয়।

উল্লেখ্যঃ- ০৮ আগস্ট উপজেলার নঙ্গীনা বাড়ি থেকে জাহাঙ্গীর আরিফকে মোটরসাইকেলসহ টাঙ্গাইল নিয়ে যায়। ১৯ আগস্ট মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী ব্রীজের নিচ থেকে আরিফের লাশ উদ্বার করে পুলিশ।

শুধুমাত্র একটি মোটরবাইকের জন্য নিজ চাচাতো ভাইয়ের হাতে নৃশংস ভাবে প্রাণ দিতে হলো অনার্স প্রথম বর্ষের মেধাবি ছাত্র আরিফকে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে ভিকটিমের চাচাতো ভাই উপজেলার নঙ্গিনা বাড়ি গ্রামের দারোগ আলীর ছেলে জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশের জিজ্ঞাসা বাদে ঘাতক জাহাঙ্গীর হত্যার দায় স্বীকার করে।

তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিত্বে শুক্রবার বিকেলে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী ব্রীজের নিচ থেকে তার লাশ উদ্বার করা হয়। পরে লাশটি সাটুরিয়া থানায় নেয়া হয়। এদিকে লুন্ঠিত মোটরসাইকেলসহ অপর আসামী দেলদুয়ার উপজেলার দুল্লা গ্রামের মোকছেদুর রহমানের ছেলে হাবিজুর রহমান রনিকে (৩৩) পুলিশ গ্রেফতার করে।

অপর দিকে ছেলে হত্যার খবর শুনে ওই পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজাড়িতে সেখান কার আকাশ বাতাস ভারি হয়ে উঠে। শোকে নির্বাক বাবা মা কোন কথাই বলতে পারছেন না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২২ ০২:০৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই নারীসহ চার গরুচোর আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই নারীসহ চার গরুচোর আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গরু চুরি করে নিয়ে পালানোর সময় গরুসহ একটি সিএনজি ও চার চোরকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয়রা।

সোমবার (২২ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের আবেদআলী গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

আটককৃতরা হলেন- টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পাথুলিয়া ভবানীপুর গ্রামের ওয়াসীম আলীর স্ত্রী নূরজাহান বেগম (৩৮), বড় দিঘুলিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনর স্ত্রী সালমা বেগম (৪০), সুরুজ বড়রিয়া গ্রামের হাকিম মন্ডলের ছেলে শরীফ মন্ডল (৩২) ও তারুটিয়া গ্রামের নয়ন খানের ছেলে জহিরুল খান (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার আবেদআলী গ্রামের আলাল উদ্দিনের একটি ষাড় বাছুর সড়কের পাশে বাড়ির আঙিনায় বাধা ছিল। একজন মহিলা বাছুরটির বাধন খুলে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় তোলে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসীর নজরে আসে। তখন স্থানীয় জনতা সিএনজি সহ চার গরু চোরকে আটক করে। বিক্ষুব্ধ জনতা মারধর শুরু করলে ধৃতরা গরু চুরির কথা স্বীকার করেন । পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গরু সহ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

ঘাটাইল সাগরদিঘি তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মুহাম্মদ দুলাল আকন্দ জানান, আটকৃত চোরদের জিজ্ঞাসা চলছে, মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২২ ০৬:১২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিয়ের ২৩ দিনের মাথায় ২০ বছরের এক যুবতী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

রবিবার (২১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কোনাবাড়ি এলাকায় বাবার বাড়িতে ঘরের ধর্নার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।

নিহত গৃহবধূ আশা আক্তার (২০) ওই গ্রামের আরশেদ আলীর মেয়ে।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ দিন আগে উপজেলা সদরের দুয়াজানি গ্রামের মো. সজীব আহাম্মেদের সাথে বিয়ে হয়েছিল আশা আক্তারের । সম্প্রতি আশা তার বাবার বাড়িতে আসেন।

রবিবার দুপুরে আশার ভাই তাকে খাওয়ার জন্য ডাকতে গেলে আশার ঘরটি ভিতর থেকে বন্ধ পায়। ডাকাডাকি করে কোন সাড়া না পেয়ে এক পর্যায়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ধর্নার সাথে আশাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়।

পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয় নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর(ইউপি) মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২২ ০২:২৭:এএম ৪ বছর আগে
সখীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ১১ সদস্য আটক - Ekotar Kantho

সখীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ১১ সদস্য আটক

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের সখীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ১১ সদস্যকে আটক করেছে থানা পুলিশ।সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রবিবার (২১ আগস্ট) বিকালে পৌর এলাকার মোখতার ফোয়ারা চত্বর, হাসপাতাল গেট, সখীপুর পিএম পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজসহ পৌর এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে কিশোর গ্যাংয়ের ওই ১১ বখাটে ও উত্যক্তকারীকে আটক করা হয়।

আটককৃতদের বাড়ি পৌর এলাকা ও উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে।

সখিপুর থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মনিরুজ্জামান জানান, কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে স্কুল- কলেজের আশপাশ থেকে ছাত্রীদের উত্যক্তকারী ওই বখাটে ১১ কিশোরকে আটক করা হয়েছে।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম জানান, আটককৃতদের অভিভাবক ডেকে এনে মুসলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অগাস্ট ২০২২ ০৪:২৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে র‍্যাবের সিও পরিচয় দেওয়া প্রতারক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে র‍্যাবের সিও পরিচয় দেওয়া প্রতারক গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ  কখনও র‍্যাবের সিও আবার কখনও সরকারি কর্মকর্তার পরিচয়দানকারী মোস্তাফিজুর রহমান রাতুল নামে এক প্রতারককে টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

শনিবার (২০ আগস্ট) রাতে টাঙ্গাইলর মধুপুর সদর উপজেলার মৌচাক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।টাঙ্গাইল র‌্যাব ১২ সিপিসি ৩ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃত মোস্তাফিজুর ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার রান্দিলা ধলিয়া গ্রামের মো. আবুল হোসেনের ছেলে।

গ্রেফতারের সময় মোস্তাফিজুরের কাছ থেকে ১টি ওয়াকিটকি সেট ও চার্জার, ৩টি মোবাইল, জনতা ব্যাংকের ২টি চেক, ২টি ভিকটিমদের (চাকরি দেওয়ার জন্য) বায়োডাটা, ৩টি মামলার এজাহারের ফটোকপি (তদন্ত অফিসার), কাস্টমস অফিসারের ছাড়পত্র লেখা সংযুক্ত ২টি মোটরসাইকেলের নিলামের ভুয়া ফটোকপি ১টি, খন্দকার রাতুল নামে আবাসিক প্রকল্পের ব্যানারের ছবি ১টি এবং ভিকটিমদের দেওয়া বিভিন্ন ডকুমেন্ট উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব-১২ এর তিন নম্বর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, মোস্তাফিজুর নিজেকে কখনও র‍্যাবের কর্মকর্তা আবার কখনও সরকারি বড় কর্মকর্তা পরিচয়ে বিভিন্ন জনের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিতেন। গত এক বছরে তার একটি ব্যাংক একাউন্টে ৯৬ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোস্তাফিজুর রহমান রাতুল নিজেকে প্রতারণার সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি স্বীকার করেছে। এমনকি তার নামে ২০০৭ সালে ময়মনসিংহ সদর থানায় ১টি প্রতারণার মামলাও রয়েছে। প্রতারণার ঘটনায় বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান র‌্যাব কমান্ডার।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অগাস্ট ২০২২ ০৪:১৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাগলের গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে শতাধিক পেঁপে গাছ কর্তন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাগলের গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে শতাধিক পেঁপে গাছ কর্তন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ছাগলে গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বে সাগর আকন্দের পেঁপে বাগানের শতাধিক গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী শাহিদা বেগমের বিরুদ্ধে। শনিবার (২০ আগস্ট) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় থানায় মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে কেটে ফেলা পেঁপে বাগান পরিদর্শন করেছেন ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. লিটন মিয়া।

জানা গেছে, পশ্চিম ভূঞাপুরে ২৫ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে পেঁপে ও কলা গাছের বাগান করেছিলেন কৃষি উদ্যোক্তা সাগর আকন্দ। ইতোমধ্যে বাগানের প্রত্যেকটি গাছে পেঁপে ধরেছিল। এতে কয়েক লাখ টাকার পেঁপে বিক্রির স্বপ্ন দেখেছিলেন সাগর।

সাগর আকন্দ বলেন, ‘প্রতিবেশী শাহিদার ছাগল প্রতিদিন বাগানে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছের চারা খেয়ে ফেলত। বিষয়টি ছাগলের মালিককে জানানো হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে বাগানের পাশেই ছাগল চড়াত।’

তিনি আরও বলেন, ‘শনিবার সকালে ছাগল বাগানে প্রবেশ করে এবং বেশ কয়েকটি পেঁপে, কলা ও বেগুন গাছ নষ্ট করে ফেলে। পরে ছাগলটি আটকে রাখলে ওই নারী ক্ষিপ্ত হয়ে পেঁপে ও কলা গাছগুলো কেটে ফেলে।’

সাগরের বাবা লাল মিয়া আকন্দ বলেন, ‘সাগর নারায়ণগঞ্জে একটি জাহাজ কোম্পানিতে চাকরি করতো। করোনাকালে তার চাকরি চলে গেলে বাড়িতে চলে আসে। পরবর্তীতে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ২৫ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে সবজি বাগান শুরু করে। গাছগুলো কেটে ফেলায় ছেলেটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে।’

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান ‘মৌখিকভাবে জানানোর পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।’

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. হুমায়ূন কবির জানান, ‘বিষয়টি শুনেছি। সরেজমিনে গিয়ে প্রশাসনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অগাস্ট ২০২২ ০১:১৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজ কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজ কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নিখোঁজ হওয়ার ১১ দিন পর কলেজ ছাত্র আরিফ মিয়ার (২১) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে পার্শ্ববর্তী মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী ব্রিজের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন।

আরিফ নাগরপুর সদর ইউনিয়নের নঙ্গিনাবাড়ী গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. হোসেন মিয়ার ছেলে। সে টাংগাইল কাগমারীর সরকারি এমএম আলী কলেজের বিএ (অনার্স) প্রথম বর্ষের ছাত্র।

এ ব্যাপারে নাগরপুর থানায় নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর (১০ আগস্ট) নিহতের চাচা মো. হাসান মিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন।

এ প্রসঙ্গে, নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, গত ৮ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আরিফ নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীরের সঙ্গে বাড়ি থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে বের হয়ে যান। ওই দিন বিকেলে জাহাঙ্গীর একা বাড়ি ফিরে আসেন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যা

তিনি আরো জানান, এসময় বাড়ির লোকজন জাহাঙ্গীরের কাছে আরিফের কথা জানতে চাইলে বিভিন্ন টালবাহানা করে একেক সময় একেক তথ্য দিয়ে পরিবারকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। অবশেষে দুই দিন পেরিয়ে গেলেও আরিফের কোনো সন্ধান না পেয়ে ১০ আগস্ট নাগরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করা হয়। বিকেলে মানিকগঞ্জ থানা পুলিশ আরিফের মরদেহ উদ্ধার করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২২ ০৩:০৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মারিয়া আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার(১৮ আগস্ট) রাতে মির্জাপুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের গোড়াকী গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মারিয়াকে হত্যার পর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার বড় ভাই মারুফ হোসেন।

পুলিশ ও মারিয়ার পরিবার জানান, গত ৭ মাস আগে তরফপুর ইউনিয়নের ডৌহাতলী গ্রামের মৃত সোনা মিয়ার মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে একই উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের গোড়াকী গ্রামের বাবর আলী ওরফে বাবু খানের সিঙ্গাপুর প্রবাসী ছেলে শাকিল খানের সঙ্গে বিয়ে হয়।

বিয়ের কয়েক দিন পর থেকে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ শুরু হয়। এ নিয়ে শাকিল মাঝে মধ্যে মারিয়ার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। বিয়ের দুই মাস পর শাকিল সিঙ্গাপুর চলে যান। বিদেশ থেকেও শাকিল তার স্ত্রী মারিয়াকে মুঠোফোনে গালিগালাজ করতো।
বৃহস্পতিবার রাতে মারিয়া লাশ তার বসত ঘরের ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়।

মারিয়ার বড় ভাই মারুফ হোসেন জানান, রাতে খবর পেয়ে আমরা বোনের বাড়ি গিয়ে দেখি ঘরের দরজা খোলা। মারিয়া ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল কিন্তু পা খাটের মধ্যে ভাঁজ হয়ে আছে।ওরা আমার বোনকে হত্যার পর ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমি বোনের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে শাকিল খানের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

লতিফপুর ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার মো. আমিন উদ্দিন জানান, শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে মারিয়ার ভালো সম্পর্ক ছিল। তবে স্বামীর সঙ্গে মারিয়ার কি হয়েছে তা তিনি বলতে পারবেন না।

লতিফপুর ইউপির চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন রনি জানান, পুলিশ মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।

মির্জাপুর থানার ডিউটি অফিসার মো. আরিফ তালুকদার জানান, সুরতহাল শেষে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। থানায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অগাস্ট ২০২২ ১০:১৫:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চোলাই মদসহ আটক ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চোলাই মদসহ আটক ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৫০ লিটার দেশীয় চোলাই মদ সহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব। শুক্রবার (১৯ আগস্ট)সকালে পৌর শহরের কান্দাপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটককৃতর নাম সুরুজ রবি দাস (৫০)। সে শহরের কান্দাপাড়া এলাকার মৃত কার্তিক রবিদাসের ছেলে।

শুক্রবার সকালে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার এএসপি এরশাদুর রহমান প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুরুজ রবি দাসকে ৫০ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।যার বাজার মূল্য ১৫ হাজার টাকা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়,আটককৃত সুরুজ রবি দাস বহুদিন ধরে মাদক দ্রব্য দেশীয় চোলাই মদ অবৈধভাবে সংগ্রহ করে টাঙ্গাইল জেলার সদর থানাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন মাদক কারবারি ও মাদকসেবীদের নিকট বিক্রি করে আসছিল।তার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অগাস্ট ২০২২ ০৭:৪২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, দুলাভাই আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, দুলাভাই আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় ধর্ষণে এক স্কুলছাত্রী (১২) সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। এ ঘটনায় তার দুলাভাই সবুজ মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

বুধবার (১৭ আগস্ট) সকালে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আটককৃত সবুজ মিয়া ঘাটাইল উপজেলার গর্জনা গ্রামের শামছুল হকের ছেলে।

জানা গেছে, আটককৃত সুবজ প্রায় দেড় বছর আগে বিয়ে করেন। প্রায় সাত মাস আগে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন তিনি। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকায় শ্যালিকাকে ধর্ষণ করে সবুজ। পরে ভয় দেখিয়ে এভাবে তাকে আরো চার থেকে পাঁচ বার ধর্ষণ করে। এতে ভুক্তভোগী শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হলেও বাড়ির লোকজন টের পাননি।

এদিকে ভুক্তভোগী শিশুটি অসুস্থ হলে, পরিবারের সদস্যরা অসুস্থতার কারণ জানতে চাইলে দুলাভাই সবুজ তাকে ধর্ষণ করেছে বলে জানায়। পরে পরিবারের লোকজন কৌশলে সবুজকে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে আনেন। এর আগে ভুক্তভোগীর বাবা সবুজের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। পরে রাতে পুলিশ শ্বশুরবাড়ি থেকে সবুজকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজ জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়ে সবুজকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শ্যালিকাকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন তিনি। বুধবার সকালে ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।

তিনি আরো জানান,একই সঙ্গে সবুজকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. অগাস্ট ২০২২ ১২:১৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে ওয়াসিম মল্লিক নামের(৩৫) এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) ভোরে জেলা কারাগার থেকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

মৃত ওয়াসিম মল্লিক টাঙ্গাইলের নাগপুর উপজেলার খাসপাইকাল গ্রামের মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে।

জেলা কারাগার সুত্রে জানা গেছে, মৃত ওয়াসিম মল্লিক ২০২১ সালের ২১ জুলাই তার সৎভাইয়ের দায়ের করা মারপিটের মামলায় অসুস্থ অবস্থায় কারাগারে আসেন। কারাভোগকালীন অবস্থায় লিভার জনিত সমস্যায় কারা হাসাপাতাল , টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) ভোরে হাজতি ওয়াসিম অসুস্থ হয়ে পড়লে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের পক্ষে জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুর তদন্ত করতে আসা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপ ভৌমিক জানান, মৃত হাজতি ওয়সিমের শরীরে কোন ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে শারীরিক অসুস্থতার কারনে তার মৃত্যু হয়েছে।

জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, হাজতি ওয়াসিম কারাগারে আসার পর থেকেই অসুস্থ ছিলেন। ইতোপুর্বে ১৭ জুলাই সে লিভার জনিত রোগে অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জের মাধ্যমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গত ১০ অক্টোবর চিকিৎসা শেষে টাঙ্গাইল কারাগারে প্রত্যাবর্তন করে হাজতি ওয়াসিম। মঙ্গলবার ভোরে ফজরের নামাজের পর হাজতি ওয়াসিম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ওয়ার্ড থেকে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অচেতন হয়ে পড়লে কারা সার্জনের পরামর্শে দ্রুত টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরিক্ষা-নিরীক্ষার পরে তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

তিনি আরও জানান, মৃত হাজতির দেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রনোয়ণসহ ময়না তদন্ত কার্য সম্পাদনের নিমিত্তে ও একটি অপমৃত্যুও মামলা রুজু করার জন্য টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জকে লিখিত অনুরোধ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অগাস্ট ২০২২ ০২:০৭:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।