/ হোম / অপরাধ
ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে মাদ্রাসা সুপার কারাগারে - Ekotar Kantho

ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে মাদ্রাসা সুপার কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে শালিয়ারা আহম্মদিয়া বাজলুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেনকে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।

তিনি নাগরপুর উপজেলার বাটরা গ্রামের সোনা উল্যাহ মিয়ার ছেলে।

রবিবার ( ১৬ অক্টোবর) বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ও তদন্তকারী কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ পূর্বক এ আদেশ প্রদান করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বিগত ২৩ জুলাই ২০২০ সালে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় নিরাপত্তা কর্মী পদে লোক নিয়োগের ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শালিয়ারা আহম্মদিয়া বাজলুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। তখন অভিযোগকারী শাররীক প্রতিবন্ধী মোঃ আরজু সিকদারের(৭০) পুত্র মোঃ ইয়ামিন মিয়া উক্ত পদের প্রার্থী হিসেবে আবেদন করেন। আবেদনের পর অত্র মাদ্রাসার সুপার অভিযোগকারীকে আশ্বস্ত করে বলেন যে, তিনি তার সন্তানকে চাকুরী দিতে পারবেন। তবে তাকে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। প্রতিবন্ধী কৃষক বাবা গোয়ালের চাষের গরু বিক্রি করিয়া তার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য সরল মনে তার হাতে প্রথম পর্যায়ে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা তুলিয়া দেয়। এ সময় মামলার ২ নাম্বার আসামি মোঃ হাবিবুর রহমান (অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক) সহযোগিতায় মামলার স্বাক্ষীগণের সামনে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার অভিযোগকারীর বাড়ি হতে টাকা গুনিয়া ব্যাগে ভরে নিয়ে যায়। অভিযোগকারীকে আশ্বস্ত করে যে, অল্প কিছু দিনের মধ্যেই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ও বাকী ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নিয়োগ পরীক্ষা শেষে প্রদান পূর্বক তার চাকুরী নিশ্চিত করা হবে। পরবর্তীতে ২৮ ডিসেম্বর ২০ তারিখে স্বাক্ষাতকারের প্রবেশ পত্র পান ও ৮ জানুয়ারী ২১ তারিখে সাক্ষাতকার বোর্ডে উপস্থিত হইয়া সবগুলো প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রদান করেন।

সাক্ষাতকার পর্ব সন্তোষজনক হওয়ায় অভিযোগকারী অতি কষ্টে বাকি ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি নানা টালবাহানা শুরু করেন। উল্লেখিত পদে চাকুরী বা প্রদেয় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ফেরৎ দিবে না বলে অস্বীকার করেন। অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেন বিশ্বাস ভঙ্গ, টাকা আত্মসাৎ করেছে।

এতদ বিষয়ে মোকাম টাঙ্গাইল বিজ্ঞ সিনিঃ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী (নাগরপুর) আদালতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে। মামলা নং ১৫৩/২০২২ সি.আর (নাগরপুর)।

অভিযোগকারী মোঃ আরজু মিয়া জানান, আমি ও আমার পরিবার আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমার সন্তানের চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে মাদ্রাসা সুপার ঘুষ নিয়ে চাকুরীও দিচ্ছে না আবার টাকাও ফেরত দিচ্ছে না। বাধ্য হয়েই বিজ্ঞ আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছি।

আমি একজন শাররীক প্রতিবন্ধী কৃষক। পালের গরু ছাগল বিক্রি করে তাকে সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে টাকা দিয়েছিলাম।

মামলার ২ নং আসামি মোঃ হাবিবুর রহমান জামিনে মুক্ত হওয়ায় আমি চিন্তিত। তবে বিজ্ঞ আদালতের প্রতি আমার দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাস আছে আমি ন্যায় বিচার পাবো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. অক্টোবর ২০২২ ০৩:৪৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার কিশোরী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার কিশোরী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক কিশোরী (১৪)। শনিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার লাউহাটি এলাকার একটি পরিত্যাক্ত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই ভুক্তভোগী কিশোরী বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তবে এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

ওই কিশোরী জানায়, শনিবার দুপুরে বোনের বাড়ি বেড়াতে আসে সে। পরে সেখান থেকে একাই ঘুরতে বের হয়। এসময় স্থানীয় তিন বখাটে তাকে একটি নির্জন বাড়িতে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে দুই বখাটের পাহারায় একজন তাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দীন মৃধা জানান, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই কিশোরীকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসহাতালে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অক্টোবর ২০২২ ০৪:০১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অসুস্থ বোনকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অসুস্থ বোনকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অসুস্থ বোনকে দেখেতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক তরুণী (১৯)।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত আব্দুল হাইকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে ধনবাড়ী থানার পুলিশ। ধর্ষণে অপর সহযোগী আল-আমিন পলাতক রয়েছেন। তাঁরা উভয়েই ওই হাসপাতালের নৈশপ্রহরী পদে কর্মরত।

রোববার (১৬ অক্টোবর) ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে ধনবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেছে। তাঁকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত আব্দুল হাই উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের নরিল্যা গ্রামের আবু হানিফের ছেলে, অপর অভিযুক্ত আল-আমিন একই গ্রামের বাসিন্দা।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) ধনবাড়ী হাসপাতালে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে।

ভুক্তভোগী তরুণী জানান, গত বুধবার (১২ অক্টোবর) বড় বোন অসুস্থ হলে তাঁকে ধনবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাতপাতালে বোনকে দেখতে এসে আ. হাইয়ের সঙ্গে পরিচয় হলে তিনি কৌশলে মোবাইল নম্বর নেন। তারপর তিনি নানাভাবে সহযোগিতার কথা বলেন। এরপর গত বৃহস্পতিবার হাসপাতালের একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন আব্দুল হাই। তাঁকে সহযোগিতা করেন আল-আমিন। পরদিন আবারও ধর্ষণ করেন আব্দুল হাই।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহানাজ সুলতানা জানান, ‘এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। আইনের প্রতি আমরা সবাই শ্রদ্ধাশীল।’

ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিন জানান, ‘মেয়েটি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্ত আ. হাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সহযোগী আল-আমিনকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অক্টোবর ২০২২ ০৪:২৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আনোয়ারা বেগম (২৭) নামের এক গৃহবধূকে হত্যা মামলায় স্বামী মুফাজ্জল হোসেন ওরফে মুবাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) রাতে ঘাটাইল উপজেলার মুরাদ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, আনোয়ারা বেগম ও মুফাজ্জল হোসেন দম্পতি উপজেলার আজচগানা ইউনিয়নের বেলতৈল হাটুভাঙ্গা বাজারের শাহিদের বাড়িতে তাদের সাত বছরের পুত্র আশিককে নিয়ে ভাড়া থাকতেন। বুধবার সকালে ওই গৃহবধূর ঘরের বাইরে থেকে দরজার শিকল আটকানো ছিলো।

ঘরের ভেতর বাচ্চার কান্নার শব্দ শুনে বাড়ির মালিকের স্ত্রী দরজার শিকল খুলে ঘরের ভেতর গিয়ে দেখেন বাচ্চাটি বসে কান্না করছে আর গৃহবধূর নিথর দেহ পড়ে আছে। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা ও বাশহৈতল ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

এই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আবুল হোসেন বাদী হয়ে ওইদিনই মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। দুইদিন ধরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে মুবাজকে তার গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয়রা জানায়, আনোয়ারা তার প্রথম স্বামী ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা এলাকার পলাশ মিয়াকে মাদক সেবন থেকে ফেরাতে না পেরে কয়েক বছর আগে ডিভোর্স দেন।

মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত মুফাজ্জল হোসেন ওরফে মুবাজকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অক্টোবর ২০২২ ০৩:১১:এএম ৪ বছর আগে
যমুনায় “মা ইলিশ” ধরার অপরাধে ১৪ জেলের অর্থদণ্ড - Ekotar Kantho

যমুনায় “মা ইলিশ” ধরার অপরাধে ১৪ জেলের অর্থদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যমুনা নদীতে মা ইলিশ ধরার অপরাধে ১৪ জেলেকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় জেলেদের কাছ থেকে উদ্ধার করা এক লাখ মিটার জাল পুড়িয়ে দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী, নিকরাইল, গাবসারা ও অর্জুনা ইউনিয়নের যমুনা নদীতে অভিযান চালিয়ে ১৪ জেলেকে ইলিশ ধরার জালসহ আটক করা হয়।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. ইশরাত জাহান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন।

অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন – শহীদ, শাহ আলম, আব্দুল হাকিম, আলিমুদ্দিন, সাইফুল, হযরত আলী, সাইফুল, আলমগীর, জসিম, মুঞ্জর আলী, সুরুজ্জামান, মজিদ, আব্দুল্লাহ ও কামরুল। তারা সবাই উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের বাসিন্দা।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ ভট্টাচার্য্য জানান, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে জেলেরা যমুনা নদীতে মা ইলিশ ধরছিল। খবর পেয়ে যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ইলিশ ধরার জালসহ ১৪ জেলেকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাদের অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এ সময় এক লাখ মিটার উদ্ধার হওয়া জাল পুড়িয়ে দেয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অক্টোবর ২০২২ ০১:৩৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার; স্বামী পলাতক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার; স্বামী পলাতক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

বুধবার (১২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের বেলতৈল এলাকায় একটি ভাড়া বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছে।

নিহত গৃহবধূ ঘাটাইল উপজেলার মুরাদ গ্রামের মৃত মফিজ মিয়ার ছেলে পলাশ মিয়ার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (২৮) বলে জানিয়েছেন আজগানা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের সিকদার।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বেলতৈল এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে ৮ বছরের ছেলে নিয়ে স্বামী-স্ত্রী থাকতো। সকালে ঘরের ভেতর কান্নার শব্দ পেয়ে বাড়ির মালিক দরজা খুলে দেখেন আনোয়ারা বেগমের মরদেহ পড়ে রয়েছে। নিহতের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে হত্যার আসল রহস্য উদঘাটন করা যাবে। নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছে। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অক্টোবর ২০২২ ০১:৩৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অনশনরত প্রেমিকাকে পেটালো প্রেমিকের পরিবার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অনশনরত প্রেমিকাকে পেটালো প্রেমিকের পরিবার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক শিমুলের বাড়িতে অনশনরত অবস্থায় শ্লীলতাহানি ও অমানুষিক নিযার্তনের শিকার হয়েছেন প্রেমিকা।

স্থানীয়রা অসুস্থ প্রেমিকাকে উদ্ধার করে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেছেন। চাঞ্চল্যকর এমন ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সূতি নয়াপাড়া গ্রামে।

গত ২৯শে সেপ্টেম্বর থেকে বিয়ের দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করে ওই তরুণী। সে দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলায় কেশবপুর গ্রামের আফজাল হোসেনের মেয়ে ফৌজিয়া আক্তার তানিয়া।

জানা যায়, দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার কেশবপুর গ্রামের আফজাল হোসেনের মেয়ে ফৌজিয়া আক্তার তানিয়ার সাথে গোপালপুর উপজেলার সূতি নয়াপাড়া গ্রামের সুরুজ মিয়ার পুত্র বরাতুল ইসলাম শিমুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরা উভয়ে গাজীপুরের একটি গার্মেন্টে চাকরি করতো। পরিনয়কে বিয়েতে রুপান্তরিত করার উদ্দেশ্যে বাবা-মা’র মতামত নেয়ার জন্য শিমুল গত ২৯শে সেপ্টেম্বর তানিয়াকে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসে। কিন্তু বাবা-মা রাজি না হওয়ায় তাদের বিয়ে হয়নি। তানিয়া শিমুলের বাড়িতে অবস্থান করতে থাকে। গত ১লা অক্টোবর গ্রামে একটি সালিশি বৈঠকে শিমুলকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে বাবা-মাসহ বাড়ি থেকে গাঢাকা দেয়।

কিন্তু তানিয়া বিয়ে না করে কর্মস্থলে ফিরে যেতে অস্বীকার করেন এবং ওই বাড়িতে অনশন শুরু করে।

সূতি নয়াপাড়া গ্রামের হাবেল উদ্দিন জানান, এক সপ্তাহ ধরে খেয়ে না খেয়ে তানিয়া নামের মেয়েটি ওই বাড়িতে অবস্থান করছিল। মঙ্গলবার ( ১১ অক্টোবর) সকাল নয়টায় গোপালপুর থানা পুলিশ তানিয়ার খোঁজখবর নেয়ার জন্য ওই বাড়িতে গেলে শিমুলের মামা এরশাদ আলী, মামাতো ভাই শাকিল, দুই খালা জল্পনা খাতুন ও আল্পনা খাতুন মিলে তানিয়াকে বেদম মারপিট করে এবং চুলের মুঠি ধরে ঘর থেকে বের করে আনে। এতে তার পরনের কাপড়ও ছিঁড়ে যায়।

পৌর কাউন্সিলর মো. শামছুল আলম জানান, তানিয়ার ডাকচিৎকারে এলাকাবাসীরা ছুটে আসে। পরে থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করেন। এ মারপিট ও নির্যাতনের ঘটনায় এলাকাবাসী ক্ষোভে ফুঁসে উঠে। পরে সহস্রাধিক গ্রামবাসি এ নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করে। তারা আহত তানিয়াকে একটি রিকশাভ্যানে উঠিয়ে বিক্ষোভ মিছিলসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ঘেরাও করেন।

সূতি নয়াপাড়া গ্রামের রাসেল মিয়া অভিযোগ করেন, গোপালপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক ছেলের পক্ষ নিয়ে প্রশাসনিক পর্যায়ে নানাভাবে দেনদরবার করায় ছেলেপক্ষ আপোষ রফায় না গিয়ে উগ্র হয়ে উঠে। পরিণতিতে মঙ্গলবার এ নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। তিনি এ নির্যাতনের দায় এড়াতে পারেন না।

তবে অভিযোগের বিষয়ে ভাইস চেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক জানান, তিনি বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ছেলেপক্ষ রাজি না হওয়ায় সমাধান হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ মল্লিক জানান, মেয়েটি প্রেমঘটিত কারণে ওই বাড়িতে আসেন। পরে মীমাংসার নামে কালক্ষেপণ করে। একপর্যায়ে মেয়েটির উপর অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনার কথা তিনি জানতে পারেন। নির্যাতনে কাবু মেয়েটিকে এলাকাবাসি অফিস প্রাঙ্গণে নিয়ে এলে তাকে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়। একজন নারীর উপর এধরনের নির্যাতন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায়না। ভিক্টিমকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক তাপস সাহা জানান, ভিক্টিমের শরীরে নির্যাতনের অনেক চিহ্ন রয়েছে। তার শরীর খুবই দুর্বল। তবে আশঙ্কামুক্ত।

এদিকে এ ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারী নির্যাতন আইনে গোপালপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, লিখিত অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অক্টোবর ২০২২ ০১:১৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণ; দুই ভাই গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণ; দুই ভাই গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের ঘটনায় দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় সোমবার (১০ অক্টোবর) রাতে উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের নলুয়া গ্রাম থেকে স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার ও মিরাজ ও সুমন নামের দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ধর্ষক ভূঞাপুর পৌরসভার পলিশা গ্রামের হাসমত আলীর ছেলে ও টেপিবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিরাজ এবং তার বড় ভাই সুমন (২২)।

শনিবার (৮ অক্টোবর) রাতে স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে চার জনের নামে ভুঞাপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

জানা গেছে, উপজেলার ওই স্কুলছাত্রীকে বিভিন্ন সময় উত্যক্ত করতো তারই সহপাঠী মিরাজ। এক পর্যায়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বড় ভাই সুমন, ভাবি লাবণ্য ও চাচা মনিরুজ্জামানের সহায়তায় তাকে রাস্তা থেকে শুক্রবার (৭ অক্টোবর) অপহরণ করা হয়।

এই ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে চার জনের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করে। পুলিশ স্কুলছাত্রীসহ মিরাজ ও তার ভাই সুমনকে গ্রেপ্তার করে।

স্কুল শিক্ষার্থী জানায়, একই বিদ্যালয়ে পড়ার সুবাদে মিরাজ আমাকে বিভিন্ন সময় প্রেমের প্রস্তাব দিতো। শুক্রবার মিরাজ ও তার ভাইসহ সকলের সহায়তায় আমাকে প্রথমে গাজীপুরের টঙ্গী এবং পরে সাভার তাদের আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যায়। টঙ্গীতেই মিরাজের সাথে আমার বিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে এক সাথেই আমরা সাভার ও গাজীপুরে থেকেছি। পরে নলুয়াতে আসলে পুলিশ আমাদেরকে ধরে থানায় নিয়ে আসে।

স্কুল শিক্ষার্থীর মা জানান, নাবালিকা মেয়েটিকে ফুঁসলিয়ে অপহরণ করা হয়েছে। আমরা দরিদ্র পরিবার। পরে থানায় মামলা করলে পুলিশ অপহরণকারী মিরাজ ও তার ভাইকে গ্রেপ্তার করে এবং আমার মেয়েকে উদ্ধার করে। আসামিদের কঠোর শাস্তি দাবি করি।

ভূঞাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ জানান, থানায় মামলা দায়ের পর পুলিশ বিভিন্নস্থানে অভিযান পরিচালনা করে। অপহরণকারীরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মেয়েটিকে উদ্ধারসহ দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, মেয়েটিকে উদ্ধারসহ জড়িত দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই স্কুল ছাত্রীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ২২ ধারা জবানবন্দির জন্য টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, এদিকে গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাইকে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অক্টোবর ২০২২ ০১:৫০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অজ্ঞাত যুবকের লাশের পরিচয় সনাক্ত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অজ্ঞাত যুবকের লাশের পরিচয় সনাক্ত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বৈরাণ নদীতে ভাসমান অজ্ঞাতনামা সেই লাশের পরিচয় সনাক্ত করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যরা পুলিশের সহযোগিতায় পরিচয় সনাক্ত করেন।

সোমবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন তথ্যটি নিশ্চিত করেন।

এর আগে রোববার বিকালে পৌরসভার সূতি বলাটা ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন নদী থেকে তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করে।

নিহত মিজানুর রহমান (২৬) পৌর শহরের নন্দনপুরের ভূঞারচক এলাকার মৃত শহীর উদ্দিনের ছেলে।

জানা যায়, নিহত মিজানুর রহমান শনিবার বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরেনি। পরিবারের লোকেরা সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পায়নি। রোববার বিকালে সূতি বলাটা ঈদগাহ সংলগ্ন বৈরাণ নদীতে একটি মৃতদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহত যুবকের গলায় রূপার চেইন, পড়নে শর্টপ্যান্ট ও ডান পায়ে আগুনে পোড়ার মত দাগ ছিল।

পরে লাশের ছবি ও শারীরিক গঠনের বর্ণনা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা হয়। খবর পেয়ে নিহত ব্যক্তির পরিবারের লোকজন লাশের পরিচয় সনাক্ত করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অক্টোবর ২০২২ ০৪:৩৩:এএম ৪ বছর আগে
বিনা টি‌কিটে ট্রেন ভ্রমণ করায় টাঙ্গাই‌লে ২৭২ যাত্রী‌কে জ‌রিমানা - Ekotar Kantho

বিনা টি‌কিটে ট্রেন ভ্রমণ করায় টাঙ্গাই‌লে ২৭২ যাত্রী‌কে জ‌রিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাই‌লের বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব ও প‌শ্চিমের সয়দাবাদ রেল‌স্টেশ‌নে অ‌ভিযান চালি‌য়ে বিনা টি‌কিটে ভ্রমণকারী ২৭২ জন যাত্রী‌র জ‌রিমানা করা হ‌য়ে‌ছে। এ‌সব যাত্রী‌র কাছ থেকে ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা জ‌রিমানা আদায় করা হয়।

রোববার (৯ অ‌ক্টোবর) দিনব্যাপী পাকশী রেলওয়ে বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনের নেতৃ‌ত্বে এই দুই রেল‌স্টেশ‌নে অ‌ভিযান চালানো হয়।

এসময় বনলতা এক্স‌প্রেস, ধুম‌কেতু, সুন্দরবন, চিত্রা, দ্রুতযান, কু‌ড়িগ্রাম পদ্মা ও লালম‌নি এক্স‌প্রেস ট্রেনের বিনা টি‌কে‌টে ভ্রমণকারী যাত্রী‌দের জ‌রিমানা করা হয়।

এসময় উপ‌স্থিত ছি‌লেন, পাকশী রেলওয়ে বিভাগীয় সহকারী বাণিজ্যিক কর্মকর্তা ফারহান মাহমুদ, আবুহেনা শাহ্আলম, বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব স্টেশনের বুকিং ইনচার্জ রেজাউল করিম প্রমুখ।

পাকশী রেলওয়ে বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন জানান, বিনা টি‌কিটে যাত্রীরা যাতে ট্রেন ভ্রমণ না ক‌রেন সেই বিষ‌য়ে স‌চেতনতার পাশাপা‌শি অ‌ভিযান প‌রিচালনা ক‌রে জ‌রিমানা করা হয়।

তিনি আরো জানান, এধর‌নের অ‌ভিযান অব্যাহত থাক‌বে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অক্টোবর ২০২২ ০৩:১৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পুলিশি বাঁধায় বিএনপি’র শোক র‌্যালী পন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পুলিশি বাঁধায় বিএনপি’র শোক র‌্যালী পন্ড

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র নেতা কর্মীদের হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে জেলা বিএনপি’র শোক র‌্যালী পুলিশি বাঁধার মুখে পন্ড হয়ে গেছে।

সোমবার(১০ অক্টোবর) সকালে শহরের জেলা সদর রোডে অবস্থিত প্রেসক্লাবের সামনে খন্ড-খন্ড মিছিল নিয়ে বিএনপি’র নেতা কর্মীরা সমবেত হতে চাইলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয় । এক পর্যায়ে পুলিশ নেতাকর্মীদের কাছ থেকে শোক র‌্যালীর ব্যানার ছিনিয়ে নেয়।

পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে তাদের ধাওয়া দিলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় ব্যাপক পুলিশি তৎপরতায় সমাবেশটি পন্ড হয়ে যায়। ফলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে ছত্রভঙ্গ নেতাকর্মীরা শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর এলাকায় গিয়ে জড়ো হয়ে সেখানেই একটি সংক্ষিপ্ত শোক র‌্যালী বের করে।

র‌্যালী শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহবায়ক হাসনুজ্জামিল শাহীন, যুগ্ম আহবায়ক ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে জেলা বিএনপি আয়োজিত শোক র‌্যালীতে পুলিশ অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এ সময় তারা ব্যানার ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। পুলিশ বলেছে সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে না। সমাবেশে পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা জানান তারা।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আবু সালাম মিয়া জানান, জেলা বিএনপি শহরের ব্যস্ততম এলাকা জেলা সদর রোডে সমাবেশ করতে চাইলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়। তাদের জন্য নির্ধারিত স্থানে সমাবেশ করতে বলা হয়। পুলিশ তাদের সমাবেশ পন্ড করেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অক্টোবর ২০২২ ০৯:৩০:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নদী থেকে যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদী থেকে যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বৈরান নদী থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার ( ৯ অক্টোবর ) দুপুরে পৌরসভার সুতি ঈদগাঁ মাঠের পাশে বৈরান নদী থেকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়। গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুর ২ ঘটিকায় বৈরান নদীতে ভাসমান অবস্থায় একটি লাশ দেখতে পায় স্থানীয় এলাকাবাসী। পরে পুলিশকে খবর দিলে তাৎক্ষণিকভাবে গোপালপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশটি উদ্ধার করে।

গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, যুবকটির বয়স আনুমানিক ২৫ বছর। তার পরনে একটি কালো শর্ট ও কালো প্যান্ট রয়েছে। তার বাম পায়ে পাতার উপরে একটি সাদা দাগ রয়েছে।

তিনি আরো জানান,লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়া সাপেক্ষে লাশটি শনাক্তকরণ ও মৃত্যুরহস্য উদঘাটন করা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অক্টোবর ২০২২ ০১:৩০:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।