একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আব্দুল হাই নামে এক ইউপি সদস্যকে চুরি মামলায় জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত। সোমবার(১ মার্চ) চুরি মামলায় হাজিরা দিতে গেলে আদালতের বিচারক সুমন কুমার কর্মকার তাকে জেলহাজতে পাঠান। বাদী পক্ষের আইনজীবী গোলাম মোস্তফা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্ত আব্দুল হাই উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, আব্দুল হাই প্রায় ৬ মাস পূর্বে তরফপুর গ্রামের প্রবাসী জলিল দেওয়ানের বাড়িতে শিদ কেটে স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে পালানোর সময় গৃহকর্তৃ নুরজাহান দেখে ফেলেন। গ্রাম্য শালিসে চুরির বিষয়টি প্রমানিত হলেও স্বর্ণালঙ্কার ফেরত দেয়নি তিনি। পরে নুরজাহান বাদী হয়ে টাঙ্গাইল আদালতে মামলা করেন।
আদালত এই চুরির মামলাটি মির্জাপুর থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন। মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) একরামুল তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
সোমবার ইউপি সদস্য আব্দুল হাই টাঙ্গাইল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমন কুমার কর্মকারের আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠান।
একতার কন্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় ছয় বছরের শিশুকে খেলনা দেওয়ার প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে মো. রিপন মন্ডল নামে এক কিশোরকে বুধবার(২৪ ফেব্রুয়ারি) জেলা কারাগারের মাধ্যমে গাজিপুরের টঙ্গীস্থ কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত মো. রিপন মন্ডল(১৭) ওই উপজেলার চরদুর্গাপুর গ্রামের আনিছ মন্ডলের ছেলে।
আদালতের পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী(কালিহাতী) আদালতে অভিযুক্ত কিশোরকে উপস্থাপন করা হলে বিচারক শামসুল আলম তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করেন। বিকালে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন অভিযুক্ত রিপন মন্ডলকে জেলা কারাগারের মাধ্যমে গাজিপুরের টঙ্গীস্থ কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
জানা গেছে, কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের চরদুর্গাপুর গ্রামে মঙ্গলবার(২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে মো. রিপন মন্ডল প্রতিবেশি ছয় বছরের এক শিশুকে খেলনা দেওয়ার কথা বলে তার চাচার ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজনকে এগিয়ে আসতে দেখে মো. রিপন মন্ডল পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে ধরে ফেলে। পরে তাকে স্থানীয় মগড়া পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করে।
কালিহাতী থানার পরিদর্শক(তদন্ত) রাহেদুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাতেই অভিযুক্ত রিপন মন্ডলকে মগড়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে থানায় আনা হয়। রাতেই শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। বুধবার অভিযুক্ত রিপন মন্ডলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।