/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রদল নেতার শ্বশুরবাড়িতে মৃত্যু, পরিবারের দাবি অস্বাভাবিক মৃত্যু - Ekotar Kantho

মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রদল নেতার শ্বশুরবাড়িতে মৃত্যু, পরিবারের দাবি অস্বাভাবিক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের (৩৫) অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মৃত্যুর সময় তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল বলে দাবি করেছেন তার পরিবার।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে পাশের গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার মেদি এলাকার খালপাড় গ্রামের শ্বশুরবাড়িতে তার মৃত্যু হয়।

জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে।

জাহাঙ্গীরের চাচা আমিনুল ইসলাম জানান, গত রমজানে জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে মামাতো বোন শিফা আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ের কথা চলছিল। এরমধ্যে শিফা অন্য এক ছেলের সঙ্গে চলে যান। বাবা সালাহউদ্দিন মেয়েকে খুঁজে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এরমধ্যে শিফা বাড়িতে একবার বিষপান করেন। এরপরও তিনমাস আগে জাহাঙ্গীর শিফাকে বিয়ে করেন এবং শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। বৃহস্পতিবার রাতে শ্বশুরবাড়িতে জাহাঙ্গীরের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে জাহাঙ্গীরের পরিবারের লোকজন নিয়ে সালাউদ্দিনের বাড়িতে যান। তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল এবং তার মৃত্যু অস্বাভাবিক বলে পরিবারের দাবি। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন জাহাঙ্গীরের পরিবার।

মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডিএম শফিকুল ইসলাম ফরিদ বলেন, জাহাঙ্গীর আলম সুদর্শন ও ভালো ছেলে। অল্প বয়সে তার মৃত্যুর বিষয়টি শুনে কষ্ট পেয়েছি। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।

গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রিয়াদ মাহমুদ বলেন, বিষয়টি জেনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২৪ ০৪:৪৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে জালসনদধারী সদস্যদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ৭ দিনের আল্টিমেটাম - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে জালসনদধারী সদস্যদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ৭ দিনের আল্টিমেটাম

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সদস্যদের মধ্যে যারা শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ দেখিয়ে সদস্য হয়েছেন তাদের আগামী ৭ দিনের মধ্যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় কেউ যদি জাল সনদ দেখিয়ে সদস্য হয়েছেন এমন প্রমাণিত হয় তাহলে তার/ তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার(২৫ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের ভিআইপি মিলনায়তনে প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারার সংশোধন কল্পে আয়োজিত এক বিশেষ সাধারন সভায় এই আহ্বান জানানো হয়।

প্রেসক্লাবের বিশেষ সাধারণ সভায় এই সময়সীমা বেঁধে দেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও জৈষ্ঠ্য সাংবাদিক খান মোহাম্মদ খালেদ।

তিনি বলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বিধান নূন্যতম গ্র্যাজুয়েট না হলে সদস্য হওয়া যাবেনা। তারপরেও অনেকে গ্র্যাজুয়েট না হয়েও সদস্যপদ চান বা সদস্যপদ লাভ করেছেন। অনেকে জাল সার্টিফিকেটে সদস্য হয়েছেন। এর চাইতে দুর্ভাগ্যজনক আর কিছু হতে পারেনা।

তিনি আরো বলেন, জাল সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে যারা সদস্য হয়েছেন তারা নিজের নৈতিকতা বিসর্জন দিয়েছেন। যারা প্রেসক্লাবকে ভুল বুঝিয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ দিয়ে সদস্যপদ নিয়েছেন যার যার সম্মান নিয়ে আগামী ৭দিনের মধ্যে সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করুন। অন্যথায় জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জানা গেছে, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭৪ জন। এর মধ্যে দুইজন মৃত্যু বরণ করেছেন।বাকি ৭২ জন সদস্যের মধ্যে অন্তত ১১ জন রয়েছেন যারা শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ দেখিয়ে সদস্য হয়েছেন।
এসব সদস্যরা দেশের প্রথম সারির বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিশেষ প্রতিনিধি ,জেলা প্রতিনিধি হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। এসব জাল সনদধারীদের সদস্যপদ বাতিলের জন্যে নানা সময়ে দাবি উঠলেও অজ্ঞাত কারনে তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য,গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন বিভিন্ন অপকর্মের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের নির্যাতিত ও বঞ্চিত সাংবাদিকসহ জেলায় কর্মরত বিক্ষুদ্ধ সাংবাদিকরা প্রেসক্লাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

এ সময় সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র পরিবর্তন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত প্রেসক্লাব এবং প্রেসক্লাবকে সাংবাদিক বান্ধব করতে গঠনতন্ত্রের পরিবর্তনসহ ব্যাপক সংস্কারের দাবিতে নানা কর্মসুচি পালন ও আল্টিমেটাম দেয়।

এরই প্রেক্ষিতে প্রেসক্লাবের জৈষ্ঠ্য সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র সংস্কারসহ নানা উদ্যোগ গ্রহন করেন। পরে প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদ বিশেষ সাধারন সভা আহবান করা হয়।

এর আগে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান খান আজাদকে আহবায়ক করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট গঠনতন্ত্র সংশোধনী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, প্রেসক্লাব সদস্য ও দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখর এবং প্রেসক্লাবের সদস্য ও ডেইলি স্টারের সাংবাদিক মির্জা শাকিল।

গঠনতন্ত্র সংশোধনের মধ্যদিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ ৬ নেতার সদস্যপদ পদ বাতিল করা হয়।
এছাড়াও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্থানীয় পত্রিকার দুই সম্পাদকের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার ফলে তাদের মনোনীত আরো দুইজনের সদস্যপদও বাতিল হয়ে যায়।
প্রেসক্লাবের সদস্যপদ বাতিল হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদ্যপ্রয়াত ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি ছানোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি খান আহমেদ শুভ ও কার্যকরী সদস্য সুজয় দেব এবং শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনি।

এছাড়াও, দৈনিক দেশবাসী পত্রিকার কোটায় সদস্যপদ পাওয়া নিলুফা ইয়াসমিন স্নিগ্ধা, দৈনিক টাঙ্গাইল সময় পত্রিকার মোজাম্মেল হক ও সাপ্তাহিক মৌ বাজার পত্রিকার আশিকুর রহমান পলাশ।

শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীনের সঞ্চালনায় এই বিশেষ সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ।

সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক বিমান বিহারী দাস, খান মোহাম্মদ খালেদ, আতাউর রহমান আজাদ, শামসাদুল আখতার শামীম, মাহমুদ কামাল, আবু রায়হান খান, কামনাশীষ শেখর, মির্জা শাকিল, মহব্বত হোসেন, সোহেল তালুকদার প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২৪ ০২:০৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সভায় ৬ আ’লীগ নেতাসহ ৯ জনের সদস্যপদ বাতিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সভায় ৬ আ’লীগ নেতাসহ ৯ জনের সদস্যপদ বাতিল

একতার কণ্ঠঃ অবশেষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র সংশোধন করা হয়েছে। গঠনতন্ত্র সংশোধনের মধ্যদিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ ৬ নেতার সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর)সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের ভিআইপি মিলনায়তনে আয়োজিত এক বিশেষ সাধারন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারার সংশোধন করা হয়।

এছাড়াও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্থানীয় পত্রিকার দুই সম্পাদকের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার ফলে তাদের মনোনীত আরো দুইজনের সদস্যপদও বাতিল হয়ে যায়।

এদিকে, সাপ্তাহিক মৌবাজার পত্রিকার সম্পাদক সাত্তার উকিল প্রায় তিন বছর আগে মুত্যুবরণ করায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এ পত্রিকার কোঠায় সদস্যপদ লাভ করা আরো একজনের সদস্যপদ বাতিল হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রেসক্লাবের সদস্যপদ বাতিল হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদ্যপ্রয়াত ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি ছানোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি খান আহমেদ শুভ ও কার্যকরী সদস্য সুজয় দেব এবং শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনি।

এছাড়াও, দৈনিক দেশবাসী পত্রিকার কোটায় সদস্যপদ পাওয়া নিলুফা ইয়াসমিন স্নিগ্ধা, দৈনিক টাঙ্গাইল সময় পত্রিকার মোজাম্মেল হক ও সাপ্তাহিক মৌ বাজার পত্রিকার আশিকুর রহমান পলাশ।

এই সংশোধনের ফলে প্রেসক্লাব রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠনে পরিনত হবে বলে ধারনা করছেন জেলায় কর্মরত সাংবাদিক ও সচেতনমহল।

জানা গেছে, ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকারের গত ১৬ বছর ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবকে কার্যত জেলা আওয়ামী লীগের বিকল্প কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

ওই সময়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও তিন এমপিসহ শীর্ষ ৬ নেতা সদস্যপদ লাভ করেন। সে সময় জেলার টেন্ডারবাজি, নিয়োগ বানিজ্য, মনোনয়ন বানিজ্য, দলীয় পদ বানিজ্যসহ সকল ধরনের অপকর্মের আস্তানায় পরিনত হয় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব।

গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন এসব অপকর্মের প্রতিবাদে প্রেসক্লাবের নির্যাতিত ও বঞ্চিত সাংবাদিকসহ জেলায় কর্মরত বিক্ষুদ্ধ সাংবাদিকরা প্রেসক্লাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

এ সময় সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র পরিবর্তন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত প্রেসক্লাব এবং প্রেসক্লাবকে সাংবাদিক বান্ধব করতে গঠনতন্ত্রের পরিবর্তনসহ ব্যাপক সংস্কারের দাবিতে নানা কর্মসুচি পালন ও আল্টিমেটাম দেয়।

এরই প্রেক্ষিতে প্রেসক্লাবের জৈষ্ঠ্য সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র সংস্কারসহ নানা উদ্যোগ গ্রহন করেন। পরে প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদ বিশেষ সাধারন সভা আহবান করে।

এর আগে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান খান আজাদকে আহবায়ক করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট গঠনতন্ত্র সংশোধনী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, প্রেসক্লাব সদস্য ও দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখর এবং প্রেসক্লাবের সদস্য ও ডেইলি স্টারের সাংবাদিক মির্জা শাকিল।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীনের সঞ্চালনায় এই বিশেষ সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন- টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ।

সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক বিমান বিহরী দাস, খান মোহাম্মদ খালেদ, আতাউর রহমান আজাদ, শামসাদুল আখতার শামীম, মাহমুদ কামাল, আবু রায়হান খান, কামনাশীষ শেখর, মির্জা শাকিল, মহব্বত হোসেন, সোহেল তালুকদার প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২৪ ১২:১৭:এএম ২ বছর আগে
ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের ঘোষনায় ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দ মিছিল - Ekotar Kantho

ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের ঘোষনায় ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দ মিছিল

একতার কণ্ঠঃ ‘সন্ত্রাসী’ কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্র লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণায় টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনন্দ মিছিল করা হয়েছে।

বুধবার(২৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০ টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের টাঙ্গাইলের সমন্বয়ক ও ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের মান্নান হলের সামনে থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের করা হয়‌। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের ১২ তলা ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

এসময় তারা ‘এই মুহূর্তে খবর এল, ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হল’…এমন স্লোগান দেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের টাঙ্গাইলের সমন্বয়ক মনিরুল ইসলাম বলেন, শুধু ছাত্রলীগই নয়, বরং আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গ সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হবে, মুজিববাদের কবর রচনা করতে হবে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের মতো সন্ত্রাসী দলের কোনো অস্তিত্ব আর থাকবে না। যারা দেশের মানুষকে দীর্ঘ ১৬টা বছর রাজনীতি করার অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে তাদের আর রাজনীতি করার অধিকার থাকতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, এই সন্ত্রাসী বাহিনীকে নিষিদ্ধ করায় তারা গর্তে লুকিয়েছে। তাদেরকে গর্ত থেকে টেনে বের করে সকল সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিচার করতে হবে। একটা একটা ছাত্রলীগ ধরে ধরে গণধোলাই দেওয়া হবে। সরকারকে বলতে চাই, চিরুনি অভিযান চালিয়ে একটা একটা ছাত্রলীগ ধরুন আর জেলে ভরে বিচারক করুন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. অক্টোবর ২০২৪ ০১:১৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে পার্ক বাজারে বিশেষ টাস্কফোর্সের অভিযান - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে পার্ক বাজারে বিশেষ টাস্কফোর্সের অভিযান

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি রোধ, পণ্যের অবৈধ মজুদ প্রতিরোধ এবং বাজারে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতকরণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অধিনে গঠিত জেলা পর্যায়ে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটির অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে পৌর শহরের সবচেয়ে বড় পাইকার বাজার পার্ক বাজারের পাইকারি ও খুচরা দোকানে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাফিসা আক্তার।

অভিযানে কয়েকটি দোকানের অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি এবং পণ্য বিক্রির মূল্য তালিকা টানানোর অপরাধে আর্থিক জরিমানা করা হয়।

এছাড়াও কয়েকটি দোকানের মালিকদের মৌখিক ভাবে সতর্ক করা হয়।

অভিযানে সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. রাকিবুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার মো. মোহাইমিনুল ইসলাম, টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ও বিশেষ টাস্ক ফোর্সের সদস্য সচিব শাহীনুর আলমসহ ছাত্র প্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. অক্টোবর ২০২৪ ০১:৪৯:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অবৈধ দুই সীসা তৈরির কারখানা উচ্ছেদ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অবৈধ দুই সীসা তৈরির কারখানা উচ্ছেদ

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুইটি অবৈধ সীসা তৈরির কারখানায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বুধবার(২৩অক্টোবর) দুপুর থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের মালির চালা ও আমবাগান এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালনা করেন ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট(ভূমি) কিশোর কুমার দাস ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তুহিন আলম ও পরিদর্শক মোতালেব হোসেন প্রমূখ।

টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তুহিন আলম জানান ,পুরাতন ব্যাটারী হতে সীসা উৎপাদনকারী দু’টি কারখানার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

তিনি আরও জানান,এ সময় ভ্যেকু দিয়ে কারখানার সকল স্থাপনা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযান পরিচালনার সময় কারখানার মালিকদের কাউকে পাওয়া যায়নি।পরিবেশ সুরক্ষায় টাঙ্গাইল জেলার অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

তিনি জানান,ঘাটাইল উপজেলার পুলিশ সদস্যবৃন্দ এই উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অক্টোবর ২০২৪ ০২:১৫:এএম ২ বছর আগে
পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন: প্রচারণায় এগিয়ে বটগাছ প্রতীকের মতি - Ekotar Kantho

পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন: প্রচারণায় এগিয়ে বটগাছ প্রতীকের মতি

একতার কণ্ঠঃ আগামী ২ নভেম্বর(শনিবার )ঐতিহ্যবাহী পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার সাধারন ব্যবসায়ী মালিক সমিতি নির্বাচনে সাধারন সম্পাদক পদে এগিয়ে রয়েছেন বটগাছ প্রতীকে মোঃ মতিয়ার রহমান মতি। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে সাধারন ভোটাদের মাঝে তিনি জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন।

এবারের নির্বাচনে পরির্বতন প্রত্যাশী এই বাজারের সাধারন ব্যবসায়ীরা আস্থা রাখতে চান ৪০ বছর ধরে ব্যবসা করা এই বাজারের পুরাতন ব্যবসায়ী মতিয়ার রহমান মতির উপর। ফলে নির্বাচনী প্রচারনায় আগ্রহের কেন্দ্রবৃন্দু হয়ে উঠছেন মতি। প্রচার প্রচারনায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন তিনি সাধারন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে।

জানাগেছে, আগামী ২ নভেম্বর টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার সাধারন ব্যবসায়ী মালিক সমিতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই উপলক্ষ্যে গত ১৩ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়।পরে ১৫ নভেম্বর চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়।এই নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৯৬৮জন। নির্দলীয় দুটি প্যানেলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন মোট ৫০জন সাধারন ব্যবসায়ী।

এদের মধ্যে মিজান-আকবার-মতি পরিষদের নির্বাচন করছেন মোট ২৫জন। এই প্যানেলে সভাপতি পদে চেয়ার মার্কায় দাড়িয়েছেন আলহাজ মিজানুর রহমান,গরুর গাড়ী মার্কায় সহ-সভাপতি আকবর আলী ও বটগাছ মার্কায় সাধারন সম্পাদক পদে মোঃ মতিয়ার রহমান মতি। তাদের প্রতিদ্বন্দী প্যানেল হচ্ছেন আলম-জাহিদ-আছু পরিষদ।

পাঁচআনী-ছয়আনী বাজারের বেশ কয়েক জন ব্যবসায়ী জানান, প্রতি দুই বছর পরপর নির্বাচন আসে, নির্বাচন চলে যায়। নির্বাচনের আগে প্রতিটি প্রার্থী গাল ভরা প্রতিশ্রুতি দেয় । নির্বাচিত হওয়ার পর তারা সেই প্রতিশ্রুতি বেমালুম ভূলে যায়।তাই এবার তারা বিগত নির্বাচনে বার বার সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত মোঃ মতিয়ার রহমান মতিকে বটগাছ প্রতীকে সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত করতে চান।

তারা আরো জানান, সাধারন ব্যবসায়ীদের কল্যানে বিগত বছর গুলোতে তেমন কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি।এছাড়া ছয়আনী বাজারের মূল ভবনটি ১৯৭৮ সালে নির্মানের পর আর কোন ধরনের সংস্কার করা হয়নি।বর্তমান ভবনটি মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে ঝুকিপুর্ন হয়ে পড়েছে।এছাড়া এই বাজারে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পরে। বিগত নির্বাচিত কমিটি গুলো এসব সমস্যা নিয়ে কাজ করেনি।
আমরা আশাবাদী, সাধারন সম্পাদক পদে মোঃ মতিয়ার রহমান মতি নির্বাচিত হলে এই সকল সমস্যা সমাধানের উদ্দ্যোগ গ্রহন করবেন।

এ প্রসঙ্গে মিজান-আকবার-মতি পরিষদের সাধারন সম্পাদক পদ প্রার্থী মোঃ মতিয়ার রহমান মতি জানান, তিনি ৪০ বছর যাবত এই বাজারে ব্যবসা করছেন। তিনি ইতিপুর্বে বারবার সহ-সভাপতি নির্বাতিন হলেও বাজার উন্নয়নে কাজ করতে পারেন নাই। তাই এবার সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচনে দাড়িয়েছি।
আমি নির্বাচিত হলে ছয়আনী বাজারের দশতালা ভবন নির্মান করতে কাজ করবো।সেই ভবনের পাঁচ তলায় সমিতির সভা কক্ষ ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মানের ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহন করবো।

তিনি আরো জানান, সমিতির সাধারন ব্যবসায়ীদের মাঝে জবাবদিহিতা ও সচ্ছতা বজায় রেখে সমিতির কার্যক্রম করবো।বাজারে ড্রেনেজ ব্যবস্থার সমস্যার সমাধন করবো। সমিতির সদস্যদের কল্যান তহবিল গঠনের উদ্যোগ গ্রহন করবো ।

সাধারন মানুষের উদ্দেশ্য জানান,বাজারে প্রতিটি দোকানে পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন করতে ব্যবস্থা নিবো।

উল্লেখ্য, আগামী ২ নভেম্বর শনিবার টাঙ্গাইল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা হতে বিরতিহীন ভাবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অক্টোবর ২০২৪ ০৮:২৫:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নগরজফৈ বাইপাস এলাকায় বাস চাপায় দুই মোটর সাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২১ অক্টোবর)বিকেল সোয়া ৫ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পুলিশ বক্সের দায়িত্বরত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, সোমবার বিকেলে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নগরজফৈ বাইপাস এলাকায় মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এসময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা উত্তরবঙ্গগামী একতা পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন এবং ঢাকায় নেওয়ার পথে আরেকজনের মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান,বাসটি আটক করলেও এর চালক ও সহকারি পলাতক রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২৪ ০২:১৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সফল ভাবে কফি চাষ: শুধু ছানোয়ারের বাগানে বছরে উৎপাদন ১ টন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সফল ভাবে কফি চাষ: শুধু ছানোয়ারের বাগানে বছরে উৎপাদন ১ টন

একতার কণ্ঠঃ শিক্ষকতা পেশা ছেড়ে সফল কৃষকের খ্যাতি পেয়েছেন টাঙ্গাইলের মধুপুরের মো. ছানোয়ার হোসেন (৫০)।

কলা, আনারস,ভূট্টা, পেঁপে, ড্রাগন ফল ও পেয়ারাসহ বিভিন্ন ধরণের শাকসবজির পর এবার কফি চাষেও সফল হয়েছেন তিনি। গড়ে প্রতি বছর প্রায় ১ টন কফি উৎপাদন করছেন কফি চাষী ছানোয়ার।

কফিসহ কমপক্ষে ১০ ধরনের ফলের চাষাবাদ হচ্ছে তার বাগানে। নিরাপদ ফল উৎপাদনে এলাকার মানুষের কাছে আদর্শ চাষীও এখন ছানোয়ার। অনেকেই গ্রামটিতে আসছেন তার কফি বাগান দেখাসহ চাষাবাদের পরামর্শও নিতে।

শুধু আদর্শ চাষী হিসেবেই স্বীকৃতি পাননি ছানোয়ার, পেয়েছেন সফল কৃষক হিসেবে রাষ্ট্রীয় বঙ্গবন্ধু কৃষি স্বর্ণপদক।

পাশাপাশি জেলার মধুপুর গড়ের উঁচু ও লাল মাটিতে আনারস,কলা,পেঁপের মত কফি চাষের উজ্জল সম্ভাবনাও দেখিয়েছেন তিনি। যার ধারাবাহিকতায় কফি চাষকে এ অঞ্চলের কৃষিতে নতুন ফসল হিসেবে যোগ করতে কাজ শুরু করেছে কৃষি বিভাগ। সম্ভাবনা কাজে লাগাতে এরই মধ্যে কাজুবাদাম এবং কফি গবেষণা উন্নয়ণ ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কৃষি বিভাগও কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়াসহ কফির চারা বিতরণ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাকুরা নাম্নী।

মো. ছানোয়ার হোসেন টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মহিষমারা গ্রামের জামাল হোসেনের ছেলে। ১৯৮৮ সালে মধুপুরের চাপড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি, ১৯৯০ সালে কালিহাতী কলেজ থেকে এইচ.এস.সি আর ১৯৯২ সালে মধুপুর কলেজ থেকে ডিগ্রী সম্পন্ন করেন মো. ছানোয়ার হোসেন। পরবর্তীতে ১৯৯৩-৯৮ সাল পর্যন্ত সিলেটের রেঙ্গাহাজীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজী শিক্ষক আর পরবর্তী দুই বছর জেলার ঘাটাইলের গারোবাজার সুনামগঞ্জ পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক এর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপরই শিক্ষকতা পেশা ছেড়ে এসে গ্রামে শুরু করেন চাষাবাদ।

দেবদারু চারার মত অনেকটাই দেখতে কফির চারা। কফির পাকা গুটিগুলো দেখতে টক টকে লাল ও কোন কোনটা কাঁচা হলুদের মতো। কাঁচাগুলো সবুজ। মার্চ থেকে এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে প্রতিটি পরিপক্ক গাছে ফুল ধরা শুরু হয়। কফির পাশাপাশি ২৮০টি ড্রাগন পিলার, ১৯টি সৌদি খেজুর, ৫’শ পেঁপে, এক হাজার মাল্টা, ৫’শ লেবু, আনারস, ঔষধি, কলা, জাম্বুরা গাছে ভরপুর কৃষক ছানোয়ার হোসেনের বাগান। বর্তমানে প্রায় ১৫ একর জমিতে চলছে তার এই চাষাবাদ।

জানা যায়, মে থেকে জুন মাসের মধ্যে ফুল থেকে গুটিতে পরিণত হয়। আগষ্ট মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে গুটিগুলো পরিপক্ক হয়। লালচে হয়ে যাওয়া কফির ফল গাছ থেকে সংগ্রহ করে প্রথমে পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে হয়। এরপর লম্বা সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। একটু নরম হওয়ার পর কফির ওপরের চামড়া ছাড়িয়ে নিতে হয়। পরে গুটিগুলো রৌদে শুকিয়ে নিতে হয়। বাজারজাত ও কফিপান করার উপযোগী করতে মেশিনের মাধ্যমে গুড়া পাউডারের মতো করে নিতে হয়। আবার কফির বীজ থেকে চারা উৎপাদনও করা যায়।
আরও জানা যায়, ফলন ভাল ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে হেক্টর প্রতি ৭৫০ থেকে ১০০০ কেজি এবং বছরে গাছ প্রতি ৫ কেজি কফি পাওয়া সম্ভব। এছাড়াও ফলন দেওয়া শুরু হলে গাছগুলো থেকে একটানা ২০ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত কফি পাওয়া যায়।
মধুপুর উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, কাজুবাদাম এবং কফি গবেষণা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত মধুপুরের ১২০ জন কৃষক ৩৫ হেক্টর জমিতে কফি চাষ শুরু করেছে। চাষাবাদ বৃদ্ধিতে ২০২১-২২ অর্থ বছরে কফি গবেষণা উন্নয়ণ ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেয়াসহ প্রথম পর্যায়ে ৫৩ জন কৃষকের মধ্যে সাড়ে ৭ হাজার কফির চারা বিতরণ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৭ টি প্রদর্শনী বাস্তবায়ন করাসহ জনপ্রতি ১৩৫ টি করে মোট ৯৪৫ টি কফি চারা দেয়া হয়। কৃষিবিভাগ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কফির চারা বিতরণ করা হয়েছে।
বিশ্বে ৬০ প্রজাতির কফি থাকলেও এ এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে অ্যারাবিকা ও রোবাস্টা জাতের কফি চাষ শুরু হয়েছে। চাষ উপযোগী আবহাওয়া ও জলবায়ু অনুকুল থাকায় মধুপুর পাহাড়ী এলাকায় উন্নতমানের এবং ঘ্রাণের কফি চাষের বিশেষ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। রোবাস্টা জাতের কফি চাষে বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল ও টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ের আবহাওয়া আর মাটি যথেষ্ট উপযোগী বলেও জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

কফি চাষী ছানোয়ার হোসেন জানান, ২০১৭ সালে রাঙ্গামাটি জেলার রায়খালী থেকে ২’শ চারা সংগ্রহ করে এ উপজেলায় প্রথম আমি কফি চাষ শুরু করি। চাষ শুরুর দুই বছর পর থেকেই আমি কফি বিক্রি করতে পারছি। বর্তমানে আমার প্রায় ৫০ শতাংশ জমিতে কফির আবাদ রয়েছে। আমার বাগানে অ্যারাবিক ও রোবাস্টা জাতের কফি গাছ আছে। প্রতি বছর আমি গড়ে প্রায় ১ টন কফি বিক্রি করতে পারছি। এছাড়াও কফির বীজ থেকে চারাও তৈরি করছি।

তিনি আরও জানান,বর্তমানে আমার বাগানের ৫’শ কফি গাছে ফলন হচ্ছে। গত সাত বছরে কফি বাগান বাবদ আমার ৩ লাখ টাকার মত খরচ হয়েছে। তবে এরই মধ্যে আমি প্রায় দ্বিগুণ টাকা আয় করতে পেরেছি। এভাবে টানা ২০ বছর আয় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ছানোয়ার জানান, প্রসাধনী কোম্পানির মাধ্যমে আমি প্রতি কেজি উৎপাদিত গ্রীণ কফি দুই হাজার টাকা মূল্যে বিক্রি করছি। উৎপাদিত কফির মধ্যে ১৮ প্রকারের স্বাদ ও গন্ধ আছে। বাজারজাত ও কফিপান করার উপযোগী করতে মেশিনের মাধ্যমে কফিবীজ গুঁড়া করে নিতে হয়। কফি প্রক্রিয়াজাত করার কাজটিই কঠিন। এ কারণে আমি কফি প্রক্রিয়াজাত করার মেশিন কিনেছি। কফিকে একটি বড় শিল্পে পরিনত করাই এখন আমার স্বপ্ন।
মধুপুরসহ দেশের কয়েকস্থানে শখের বশে ও বাণিজ্যিকভাবে কফির সফল চাষাবাদ হচ্ছে। দেশের মাটিতে কফি চাষের বিরাট সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। কৃষকের আগ্রহ কাজে লাগিয়ে কফি চাষের বিপ্লব ঘটানো সম্ভব বলে মনে করেন ছানোয়ার।

মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাকুরা নাম্নী বলেন, এ উপজেলায় অ্যারাবিক ও রোবাস্টা জাতের কফি চাষ হচ্ছে। কৃষক ছানোয়ার হোসেন এ উপজেলায় ২০১৭ সাল থেকে কফি চাষ শুরু করলেও কাজু বাদাম এবং কফি গবেষণা উন্নয়ণ ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেয়াসহ কফির চারা বিতরণ করেছে কৃষি বিভাগ।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এ উপজেলা কফি চাষের কৃষক সংখ্যা ১২০জন আর আবাদ হচ্ছে ৩৫ হেক্টর জমিতে। এ উপজেলার কৃষক ছানোয়ার হোসেন ব্যক্তি উদ্যোগে কফি বিক্রি করলেও বাণিজ্যিক ভাবে প্রক্রিয়াজাতকরণ শুরু হয়নি।

তিনি বলেন, সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ৭জন কৃষকের ৭ টি প্রদর্শনী বাস্তবায়ন করাসহ জনপ্রতি ১৩৫ টি করে মোট ৯৪৫ টি কফি চারা দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. কবির হোসেন জানান, মধুপুরের মাটির উর্বরতা শক্তি কফি চাষের উপযোগী। এ এলাকায় সহজে বন্যার পানি ওঠে না, তেমন খরাও হয় না। বৃষ্টিপাত ও মাটির গঠন বিন্যাস মিলে গড় এলাকার লাল মাটিতে কফি চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
কফিকে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজু বাদাম ও কফি গবেষণা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়াসহ কফির চারা বিতরণ করা হচ্ছে বলে জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অক্টোবর ২০২৪ ০২:৪৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাসের চাপায় মহিউদ্দিন আকন্দ (৩৮) নামে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন।

শনিবার (১৯ অক্টোবর)দুপুরে ঢাকা-যমুনা সেতু মহাসড়কের উপজেলার চরভাবলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মহিউদ্দিন আকন্দ কালিহাতী উপজেলার দেউপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন আকন্দের ছেলে।

দুপুর ১ টার দিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। স্বজনরা তার লাশ বাড়িতে নিয়ে গেছেন বলে স্থানীয় ইউপি সদস্য সোনা মিয়া নিশ্চিত করে জানিয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে এলেঙ্গা দিকে যাচ্ছিলেন আকন্দ। উপজেলা চরভাবলা এলাকায় পৌঁছালে একটি বাসের চাপায় মহিউদ্দিন গুরুত্বর আহত হয়। এসময় স্থানীয়রা গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১টার দিকে মৃত্যু বরণ করেন তিনি।

যমুনা সেতু পূর্ব পার থানার এসআই আবিদ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই আহত মহিউদ্দিনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। দুপুরের পর জানতে পারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেল উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অক্টোবর ২০২৪ ০৪:৫২:এএম ২ বছর আগে
রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুকের দাফন সম্পন্ন  - Ekotar Kantho

রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুকের দাফন সম্পন্ন 

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুকের দাফন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৫ টায় শহরের বেবীস্টান্ড গোরস্থান মসজিদে জানাজা শেষে কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়।

জানাজা নামাজে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন স্তরের লোকজন অংশ নিলেও নিজ দলের উল্লেখযোগ্য কোনো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে বিকেল সাড়ে তিনটায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুকে কোনো প্রকার রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই সাধারণ ভাবে দাফনের দাবিতে জেলা প্রশাসকের সরকারি বাসভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।

এসময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থতির স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি তুলে নেন।

শনিবার সকালে ফারুকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার বাড়িতে জেলার বিভিন্ন স্তরের মানুষ সমবেদনা জানাতে জড়ো হলেও তার ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ ও নিজ দলের নেতাকর্মীদের দেখা যায়নি। প্রয়াত ফজলুর রহমান খান ফারুক ও তার ছেলে খান আহমেদ শুভ সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার আসামি।

ফারুকের পারিপারিক সূত্র জানান, দীর্ঘ দিন ধরে ফারুক শারীরিক নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। শনিবার সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ফজলুর রহমান ফারুক ১৯৪৪ সালের ১২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ওয়ার্শী ইউনিয়নের কহেলা গ্রামে জন্ম নেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্স পাস করেন। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ফজলুর রহমান খান ফারুক সাবেক গণপরিষদ সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য এবং টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।

১৯৬০ সালে ফারুক ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৬২ সালে টাঙ্গাইল মহকুমা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।

১৯৮৪ সাল থেকে ২০১৫ সালের ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সাল থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অক্টোবর ২০২৪ ০৩:৪৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দৈনিক কালবেলার দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দৈনিক কালবেলার দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক কালবেলার দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব অডিটরিয়ামে আলোচনা সভা, কেক কাটা মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

সকালে দৈনিক কালবেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসান রাসেল।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন,দৈনিক কালবেলার জেলা প্রতিনিধি মো. আবু জুবায়ের উজ্জল।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজামিল শাহীন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সদর থানা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ, বিএনপি নেতা শাহীন আকন্দ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় করেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ।

বক্তারা বলেন, দৈনিক কালবেলা পত্রিকা দ্বিতীয় বছর পার করে তৃতীয় বছরে পদার্পণ করছে। এই অল্প সময়ে পত্রিকাটি মানুষের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বক্তারা নতুন বাংলাদেশে তারুণ্যের স্বপ্নপূরনে দৈনিক কালবেলার পত্রিকার সঙ্গে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কাজী জাকেরুল মওলা, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি )তানবীর আহম্মেদ সহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থি ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অক্টোবর ২০২৪ ০৪:২৪:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।