একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটির অভিযানে তিনটি দোকানে সাড়ে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীদেরকে সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৮ অক্টোবর)সকালে সদর উপজেলার করটিয়া বাজারের পাইকারী ও খুচরা দোকানে পরিচালিত এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়ার সহকারী কমিশনার মাহমুদুল হাসান।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর মূল্য ব্রদ্ধি রোধ, পণ্যের অবৈধ মজুদ প্রতিরোধ এবং বাজারে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতকরনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হতে গঠিত জেলা পর্যায়ে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটির অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে কয়েকটি দোকানের অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রী এবং পণ্য বিক্রির মূল্য তালিকা টানানো না থাকার অপরাধে তিনটি দোকানে সাড়ে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও কয়েকটি দোকানের মালিকদের সর্তক করা হয়।
অভিযানে টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ও বিশেষ টাস্ক ফোসের সদস্য সচিব শাহীনুর আলম, কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলাা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও বিশেষ টাস্ক ফোর্সের সদস্য আবু জুবায়ের উজ্জলসহ ছাত্র প্রতিনিধি, কৃষি বিপনীন ও মৎস অদিদপ্তরের প্রতিনিধিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কন্ঠঃ বাংলাদেশ সোসাইটি ফর দ্যা ইনফোর্সমেন্ট অব হিউম্যান রাইটস এর উদ্যোগে “মানব পাচার মামলার বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধিকতা দূরীকরণের উপায়” বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইউএসএইড এর অর্থায়নে উইনরক ইন্টারন্যাশনাল এর সার্বিক সহযোগিতায় সোমবার ( ২৮ অক্টোবর )বিকেলে শহরের এসএসএস রেস্ট হাউজের কনফারেন্স রুমে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক (জেলা জজ) কাউসার আহমেদ।
সরকারি সা’দত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন,মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, আইনজীবী ও সাংবাদিক আতাউর রহমান আজাদ।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ,জেলা বার সমিতির সভাপতি এ কে এম শামীমুল আক্তার, সাধারণ সম্পাদক শাহানশাহ সিদ্দিকী মিন্টু, টাঙ্গাইল ল কলেজের অধ্যক্ষ খান মোহাম্মদ খালেদ, জেলা শ্রম ও কর্মসংস্থান অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো: আনোয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন পযার্য়ের সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী ও সাংবাদিকরা।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্যতা, বেকারত্ব, কর্মসংস্থানের অভাব আর উন্নত জীবনের হাতছানি -এ সব কারনেই নারী-পুরুষ ও শিশু পাচার ক্রমশ বেড়ে চলেছে। প্রেম, বিয়ে কিংবা বিদেশে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এধরণের ঘটনা গুলো ঘটে। সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র নারীদের পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করে। পাচারের কাজে শুরু থেকে শেষ পর্ষন্ত বিভিন্ন পযার্য়ে একাধিক ব্যক্তি এই কাজের সাথে জড়িত থাকে। জেলায় বর্তমানে ১৮টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর থেকে মুক্তি পেতে হলে অবৈধ পথে মানুষকে বিদেশে চাকুরীর জন্য যাওয়ার প্রবনতা ঠেকাতে হবে। সেই সাথে আইন শৃঙ্খলার আরো উন্নতি ঘটিয়ে নিশ্চিত জীবন যাপনের সুযোগ তৈরি করতে হবে। এছাড়া মানব পাচার মামলায় ভিকটিমরা কিভাবে সঠিক ও ন্যায় বিচার পাবে এবং এ মামলা গুলোতে যে সকল প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয় তা থেকে কিভাবে পরিত্রাণ পাওয়া যায় সে বিষয়গুলোর উপর আলোচনা করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সিএনজিকে পাশ কাটাতে গিয়ে পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক আকাশ (২৪) নামে এক কাঠ ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
রবিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার মুলিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় তার স্ত্রী তানজিনা রাস্তার ছিটকে খাদে পড়ে আহত হলেও অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন।
নিহত মোটরসাইকেল চালক আকাশ কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের আউলিয়াবাদ মধ্যেপাড়া গ্রামের হারুনের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিজ বাড়ি থেকে আকাশ স্ত্রীকে সাথে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে টাঙ্গাইলের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে কালিহাতীর মুলিয়া এলাকায় পৌঁছলে মোটরসাইকেলটি একটি সিএনজি পাশ কাটাতে গিয়ে পিকআপের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই আকাশের মৃত্যু হয়।
নিহত আকাশের স্ত্রী তানজিনা ছিটকে পাশের খাদে পড়ে আহত হলেও অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালিহাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন । সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়িতে চলে গেছেন বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুমি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এসআই রাহাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, টাঙ্গাইল- ময়মনসিংহ মহাসড়কের কালিহাতীর মুলিয়া এলাকায় পিকআপের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক আকাশ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। নিহতের মরদেহ আইনিগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যুবদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে৷ এই উপলক্ষে উপজেলা যুবদলের পক্ষ থেকে শোভা যাত্রা, আলোচনা সভা ও দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
দিনটি উপলক্ষে রবিবার (২৭ অক্টোবর)সকালে যুবদলের পক্ষ থেকে উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক খুররম মাসুদ সিদ্দিকী সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদ।
এর আগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়।শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় যুবদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কন্ঠঃ সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে টাঙ্গাইলের যমুনা নদীতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে ১১ জন জেলেকে ৭ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) দিনব্যাপী জেলার সদর উপজেলা ও কালিহাতি উপজেলায় যমুনা নদীতে ইলিশ মাছ সংরক্ষণ অভিযানে জেলেদের এ কারাদণ্ড আদেশ দেওয়া হয়।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার লোকমান মোল্লার ছেলে শফিকুল ইসলাম, আক্তার হোসেনের ছেলে বাদশা, রফিকুলের ছেলে হোসেন ও সোহাগ, আবু সাইদের ছেলে আসলাম, মাজম শেখের ছেলে আশরাফ।
এ ছাড়াও সিরাজগঞ্জের আবু সামার ছেলে আলিম, তুফানের ছেলে গোলাম, ছকেরের মোল্লার ছেলে লতিফ, শাহা আলমের ছেলে আসাদুল ইসলাম ও বোরহান মণ্ডলের ছেলে আসাদুল।
টাঙ্গাইলের মৎস কর্মকর্তা মো. আইয়ুব আলী জানান, অভিযানে জেলেদেরকে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল এবং মা ইলিশসহ হাতেনাতে ধরা হয়েছে। উদ্ধার করা জালের দৈর্ঘ্য প্রায় দশ হাজার মিটার। যার আনুমানিক মূল্য ৩ লক্ষ টাকা।
তিনি আরও জানান, মা ইলিশ মাছ সংরক্ষণের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোহাইমিনুল ইসলাম বলেন, আটক করা জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। ইলিশ মাছগুলো স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। আর অভিযানে আটকৃত ১১ জেলেকে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
অভিযানে কালিহাতি মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন ।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার উপ-শহর খ্যাত এলেঙ্গায় এলেঙ্গা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোঃ শাফী খান সমর্থক গোষ্ঠী ও যুবদলের নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে এলেঙ্গা জমিদার বাড়ি মাঠ চত্বরে এ মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন, এলেঙ্গা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোঃ শাফী খান।
আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে রোগী দেখেন, ডায়াবেটিস, মেডিসিন ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আবিদ হোসেন অপু। এ সময় প্রায় ৫০ জনকে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক যুবনেতা শহীদুল ইসলাম তানভীরের সভাপতিত্বে এলেঙ্গা পৌর বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো: আল আমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া হলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল আমিন, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আবু সাঈদ লিটন, আব্দুর রহিম মাষ্টার, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক বেলাল, পৌর বিএনপির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো: সুজন মাহমুদ, সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, পৌর বিএনপি নেতা শাহ আলম, পৌর যুবদল নেতা লাভলু তালুকদার, পৌর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মো: মোতালেব হোসেন, ৬নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো: ফরহাদ হোসেন ও ৪নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো: মনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের (৩৫) অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মৃত্যুর সময় তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল বলে দাবি করেছেন তার পরিবার।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে পাশের গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার মেদি এলাকার খালপাড় গ্রামের শ্বশুরবাড়িতে তার মৃত্যু হয়।
জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে।
জাহাঙ্গীরের চাচা আমিনুল ইসলাম জানান, গত রমজানে জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে মামাতো বোন শিফা আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ের কথা চলছিল। এরমধ্যে শিফা অন্য এক ছেলের সঙ্গে চলে যান। বাবা সালাহউদ্দিন মেয়েকে খুঁজে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এরমধ্যে শিফা বাড়িতে একবার বিষপান করেন। এরপরও তিনমাস আগে জাহাঙ্গীর শিফাকে বিয়ে করেন এবং শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। বৃহস্পতিবার রাতে শ্বশুরবাড়িতে জাহাঙ্গীরের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে জাহাঙ্গীরের পরিবারের লোকজন নিয়ে সালাউদ্দিনের বাড়িতে যান। তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল এবং তার মৃত্যু অস্বাভাবিক বলে পরিবারের দাবি। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন জাহাঙ্গীরের পরিবার।
মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডিএম শফিকুল ইসলাম ফরিদ বলেন, জাহাঙ্গীর আলম সুদর্শন ও ভালো ছেলে। অল্প বয়সে তার মৃত্যুর বিষয়টি শুনে কষ্ট পেয়েছি। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রিয়াদ মাহমুদ বলেন, বিষয়টি জেনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সদস্যদের মধ্যে যারা শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ দেখিয়ে সদস্য হয়েছেন তাদের আগামী ৭ দিনের মধ্যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় কেউ যদি জাল সনদ দেখিয়ে সদস্য হয়েছেন এমন প্রমাণিত হয় তাহলে তার/ তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
শুক্রবার(২৫ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের ভিআইপি মিলনায়তনে প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারার সংশোধন কল্পে আয়োজিত এক বিশেষ সাধারন সভায় এই আহ্বান জানানো হয়।
প্রেসক্লাবের বিশেষ সাধারণ সভায় এই সময়সীমা বেঁধে দেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও জৈষ্ঠ্য সাংবাদিক খান মোহাম্মদ খালেদ।
তিনি বলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বিধান নূন্যতম গ্র্যাজুয়েট না হলে সদস্য হওয়া যাবেনা। তারপরেও অনেকে গ্র্যাজুয়েট না হয়েও সদস্যপদ চান বা সদস্যপদ লাভ করেছেন। অনেকে জাল সার্টিফিকেটে সদস্য হয়েছেন। এর চাইতে দুর্ভাগ্যজনক আর কিছু হতে পারেনা।
তিনি আরো বলেন, জাল সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে যারা সদস্য হয়েছেন তারা নিজের নৈতিকতা বিসর্জন দিয়েছেন। যারা প্রেসক্লাবকে ভুল বুঝিয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ দিয়ে সদস্যপদ নিয়েছেন যার যার সম্মান নিয়ে আগামী ৭দিনের মধ্যে সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করুন। অন্যথায় জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জানা গেছে, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭৪ জন। এর মধ্যে দুইজন মৃত্যু বরণ করেছেন।বাকি ৭২ জন সদস্যের মধ্যে অন্তত ১১ জন রয়েছেন যারা শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ দেখিয়ে সদস্য হয়েছেন।
এসব সদস্যরা দেশের প্রথম সারির বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিশেষ প্রতিনিধি ,জেলা প্রতিনিধি হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। এসব জাল সনদধারীদের সদস্যপদ বাতিলের জন্যে নানা সময়ে দাবি উঠলেও অজ্ঞাত কারনে তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য,গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন বিভিন্ন অপকর্মের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের নির্যাতিত ও বঞ্চিত সাংবাদিকসহ জেলায় কর্মরত বিক্ষুদ্ধ সাংবাদিকরা প্রেসক্লাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
এ সময় সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র পরিবর্তন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত প্রেসক্লাব এবং প্রেসক্লাবকে সাংবাদিক বান্ধব করতে গঠনতন্ত্রের পরিবর্তনসহ ব্যাপক সংস্কারের দাবিতে নানা কর্মসুচি পালন ও আল্টিমেটাম দেয়।
এরই প্রেক্ষিতে প্রেসক্লাবের জৈষ্ঠ্য সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র সংস্কারসহ নানা উদ্যোগ গ্রহন করেন। পরে প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদ বিশেষ সাধারন সভা আহবান করা হয়।
এর আগে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান খান আজাদকে আহবায়ক করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট গঠনতন্ত্র সংশোধনী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, প্রেসক্লাব সদস্য ও দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখর এবং প্রেসক্লাবের সদস্য ও ডেইলি স্টারের সাংবাদিক মির্জা শাকিল।
গঠনতন্ত্র সংশোধনের মধ্যদিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ ৬ নেতার সদস্যপদ পদ বাতিল করা হয়।
এছাড়াও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্থানীয় পত্রিকার দুই সম্পাদকের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার ফলে তাদের মনোনীত আরো দুইজনের সদস্যপদও বাতিল হয়ে যায়।
প্রেসক্লাবের সদস্যপদ বাতিল হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদ্যপ্রয়াত ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি ছানোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি খান আহমেদ শুভ ও কার্যকরী সদস্য সুজয় দেব এবং শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনি।
এছাড়াও, দৈনিক দেশবাসী পত্রিকার কোটায় সদস্যপদ পাওয়া নিলুফা ইয়াসমিন স্নিগ্ধা, দৈনিক টাঙ্গাইল সময় পত্রিকার মোজাম্মেল হক ও সাপ্তাহিক মৌ বাজার পত্রিকার আশিকুর রহমান পলাশ।
শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীনের সঞ্চালনায় এই বিশেষ সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ।
সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক বিমান বিহারী দাস, খান মোহাম্মদ খালেদ, আতাউর রহমান আজাদ, শামসাদুল আখতার শামীম, মাহমুদ কামাল, আবু রায়হান খান, কামনাশীষ শেখর, মির্জা শাকিল, মহব্বত হোসেন, সোহেল তালুকদার প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ অবশেষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র সংশোধন করা হয়েছে। গঠনতন্ত্র সংশোধনের মধ্যদিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ ৬ নেতার সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর)সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের ভিআইপি মিলনায়তনে আয়োজিত এক বিশেষ সাধারন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারার সংশোধন করা হয়।
এছাড়াও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্থানীয় পত্রিকার দুই সম্পাদকের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার ফলে তাদের মনোনীত আরো দুইজনের সদস্যপদও বাতিল হয়ে যায়।
এদিকে, সাপ্তাহিক মৌবাজার পত্রিকার সম্পাদক সাত্তার উকিল প্রায় তিন বছর আগে মুত্যুবরণ করায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এ পত্রিকার কোঠায় সদস্যপদ লাভ করা আরো একজনের সদস্যপদ বাতিল হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রেসক্লাবের সদস্যপদ বাতিল হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদ্যপ্রয়াত ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি ছানোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি খান আহমেদ শুভ ও কার্যকরী সদস্য সুজয় দেব এবং শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনি।
এছাড়াও, দৈনিক দেশবাসী পত্রিকার কোটায় সদস্যপদ পাওয়া নিলুফা ইয়াসমিন স্নিগ্ধা, দৈনিক টাঙ্গাইল সময় পত্রিকার মোজাম্মেল হক ও সাপ্তাহিক মৌ বাজার পত্রিকার আশিকুর রহমান পলাশ।
এই সংশোধনের ফলে প্রেসক্লাব রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠনে পরিনত হবে বলে ধারনা করছেন জেলায় কর্মরত সাংবাদিক ও সচেতনমহল।
জানা গেছে, ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকারের গত ১৬ বছর ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবকে কার্যত জেলা আওয়ামী লীগের বিকল্প কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
ওই সময়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও তিন এমপিসহ শীর্ষ ৬ নেতা সদস্যপদ লাভ করেন। সে সময় জেলার টেন্ডারবাজি, নিয়োগ বানিজ্য, মনোনয়ন বানিজ্য, দলীয় পদ বানিজ্যসহ সকল ধরনের অপকর্মের আস্তানায় পরিনত হয় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব।
গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন এসব অপকর্মের প্রতিবাদে প্রেসক্লাবের নির্যাতিত ও বঞ্চিত সাংবাদিকসহ জেলায় কর্মরত বিক্ষুদ্ধ সাংবাদিকরা প্রেসক্লাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
এ সময় সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র পরিবর্তন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত প্রেসক্লাব এবং প্রেসক্লাবকে সাংবাদিক বান্ধব করতে গঠনতন্ত্রের পরিবর্তনসহ ব্যাপক সংস্কারের দাবিতে নানা কর্মসুচি পালন ও আল্টিমেটাম দেয়।
এরই প্রেক্ষিতে প্রেসক্লাবের জৈষ্ঠ্য সাংবাদিকরা গঠনতন্ত্র সংস্কারসহ নানা উদ্যোগ গ্রহন করেন। পরে প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদ বিশেষ সাধারন সভা আহবান করে।
এর আগে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান খান আজাদকে আহবায়ক করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট গঠনতন্ত্র সংশোধনী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, প্রেসক্লাব সদস্য ও দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখর এবং প্রেসক্লাবের সদস্য ও ডেইলি স্টারের সাংবাদিক মির্জা শাকিল।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীনের সঞ্চালনায় এই বিশেষ সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন- টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ।
সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক বিমান বিহরী দাস, খান মোহাম্মদ খালেদ, আতাউর রহমান আজাদ, শামসাদুল আখতার শামীম, মাহমুদ কামাল, আবু রায়হান খান, কামনাশীষ শেখর, মির্জা শাকিল, মহব্বত হোসেন, সোহেল তালুকদার প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ ‘সন্ত্রাসী’ কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্র লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণায় টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনন্দ মিছিল করা হয়েছে।
বুধবার(২৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০ টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের টাঙ্গাইলের সমন্বয়ক ও ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের মান্নান হলের সামনে থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের ১২ তলা ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
এসময় তারা ‘এই মুহূর্তে খবর এল, ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হল’…এমন স্লোগান দেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের টাঙ্গাইলের সমন্বয়ক মনিরুল ইসলাম বলেন, শুধু ছাত্রলীগই নয়, বরং আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গ সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হবে, মুজিববাদের কবর রচনা করতে হবে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের মতো সন্ত্রাসী দলের কোনো অস্তিত্ব আর থাকবে না। যারা দেশের মানুষকে দীর্ঘ ১৬টা বছর রাজনীতি করার অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে তাদের আর রাজনীতি করার অধিকার থাকতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, এই সন্ত্রাসী বাহিনীকে নিষিদ্ধ করায় তারা গর্তে লুকিয়েছে। তাদেরকে গর্ত থেকে টেনে বের করে সকল সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিচার করতে হবে। একটা একটা ছাত্রলীগ ধরে ধরে গণধোলাই দেওয়া হবে। সরকারকে বলতে চাই, চিরুনি অভিযান চালিয়ে একটা একটা ছাত্রলীগ ধরুন আর জেলে ভরে বিচারক করুন।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি রোধ, পণ্যের অবৈধ মজুদ প্রতিরোধ এবং বাজারে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতকরণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অধিনে গঠিত জেলা পর্যায়ে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটির অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে পৌর শহরের সবচেয়ে বড় পাইকার বাজার পার্ক বাজারের পাইকারি ও খুচরা দোকানে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাফিসা আক্তার।
অভিযানে কয়েকটি দোকানের অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি এবং পণ্য বিক্রির মূল্য তালিকা টানানোর অপরাধে আর্থিক জরিমানা করা হয়।
এছাড়াও কয়েকটি দোকানের মালিকদের মৌখিক ভাবে সতর্ক করা হয়।
অভিযানে সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. রাকিবুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার মো. মোহাইমিনুল ইসলাম, টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ও বিশেষ টাস্ক ফোর্সের সদস্য সচিব শাহীনুর আলমসহ ছাত্র প্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুইটি অবৈধ সীসা তৈরির কারখানায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
বুধবার(২৩অক্টোবর) দুপুর থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের মালির চালা ও আমবাগান এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালনা করেন ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট(ভূমি) কিশোর কুমার দাস ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তুহিন আলম ও পরিদর্শক মোতালেব হোসেন প্রমূখ।
টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তুহিন আলম জানান ,পুরাতন ব্যাটারী হতে সীসা উৎপাদনকারী দু’টি কারখানার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
তিনি আরও জানান,এ সময় ভ্যেকু দিয়ে কারখানার সকল স্থাপনা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযান পরিচালনার সময় কারখানার মালিকদের কাউকে পাওয়া যায়নি।পরিবেশ সুরক্ষায় টাঙ্গাইল জেলার অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
তিনি জানান,ঘাটাইল উপজেলার পুলিশ সদস্যবৃন্দ এই উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন।