/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
কালিহাতীতে তিন আ’লীগ নেতা গ্রেফতার - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে তিন আ’লীগ নেতা গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে কোটা বিরোধী আন্দোলনের মামলায় তিন আওয়ামীলীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার(৫ অক্টোবর) রাতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, এলেঙ্গা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি মাজেদুর, ৪ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তার আলী ও কালিহাতী পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি মর্তুজ আলী।

কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি )মোহাম্মদ আবুল কালাম ভুইঞা জানান, কোটা বিরোধী আন্দোলনের সময় দায়ের করা টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী থানার মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অক্টোবর ২০২৪ ০১:২৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অনলাইন জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে সালিশি বৈঠকে যুবক খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অনলাইন জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে সালিশি বৈঠকে যুবক খুন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে অনলাইন জুয়া খেলার জেরে সালিশি বৈঠকে মুসলিম (৩৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের মাটিকাটা ব্রিজপাড় এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত মুসলিম নিকরাইল গ্রামের জোহেরের ছেলে।

এই ঘটনায় নিহত মুসলিমের বাবা ও চাচাসহ আরও ৫ থেকে ৬ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর পুলিশ তাৎক্ষণিক ভাবে হালিম নামে একজনকে আটক করেছে।

স্থানীয়রা জানায়, একই গ্রামের রাকিব ও সুজনের এক ভাগ্নের সঙ্গে অনলাইন জুয়ার মূলহোতা নয়নের অর্থ নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়। সেই বিরোধ মেটাতে শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় মাতাব্বরদের উদ্যোগে মাটিকাটা ব্রিজপাড়ে সালিশি বৈঠক বসে। বৈঠকে মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইন জুয়া খেলার বিষয়টি মাতাব্বররা ঠিকভাবে বুঝতে না পারায় মুসলিম তাদের সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিচ্ছিলেন। এসময় রাকিব ও সুজনের ভাগ্নের সঙ্গে মুসলিমের কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে রাকিব ও সুজন তাদের সঙ্গীদের ফোন করে সালিশি বৈঠকে ডেকে আনে। পরে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুসলিমকে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে আহত করে। মুসলিমের স্বজনরা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালায় তারা। স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মুসলিম মারা যান বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানায়।

এ বিষয়ে নিকরাইল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আমজাত হোসেন বলেন, অনলাইন জুয়া নিয়ে সালিশে বাক-বিতণ্ডার এক পর্যায়ে মুসলিমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনায় জড়িত হালিমকে আটক করা হয়েছে এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. অক্টোবর ২০২৪ ০১:২০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৪ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৪

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন।

শুক্রবার(৪ অক্টোবর) রাত ১টার দিকে ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সড়কের উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের শোলাকুড়া রোডে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এদের মধ্যে দুইজনের নাম পরিচয় পাওয়া গেছে,তারা হলেন, টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি উজেলার ঘাগড়া গ্রামের বাহার উদ্দিনের ছেলে মিজানুর রহমান (৩৩) ও জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার মহিষবায়ান গ্রামের মরহুম আব্দুর ওয়াজেদের ছেলে জিয়াউল হক (৩৪)। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নান্নু খান জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী একটি বাসের সাথে কালিহাতী থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আহত অপর দু’জনের মৃত্যু হয়।

এদিকে মহাসড়কে বৃষ্টি ও ছোটখাটো দুর্ঘটনার ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের রাবনা বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অক্টোবর ২০২৪ ০৮:২৫:পিএম ২ বছর আগে
খাগড়াছড়িতে নিহত শিক্ষকের টাঙ্গাইলের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম - Ekotar Kantho

খাগড়াছড়িতে নিহত শিক্ষকের টাঙ্গাইলের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম

একতার কণ্ঠঃ পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে ধর্ষণের অভিযোগে আবুল হাসনাত মোঃ সোহেল রানা নামে এক শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় নিহতের টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বাইমহাটি গ্রামে তার পরিবারে চলছে শোকের মাতম।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাইমহাটি এলাকায় গিয়ে দেখা যায় নিহতদের বাড়িতে মরদেহ পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পরেন তার পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজনেরা।
নিহত সোহেল রানা ওই এলাকার মৃত ইমাম হোসেনের ছেলে।
পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, সোহেল রানাকে পরিকল্পিতভাবে পাহাড়িরা পিটিয়ে হত্যা করেছে।
তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ সময় নিহতের বড় ছেলে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাওন বলেন, আমার বাবা অনেক ভালো মানুষ ছিলেন।এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার দাবি জানাই।

সোহেল রানা খাগড়াছড়ি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন ও সেফটি বিভাগের চিফ ইনস্ট্রাক্টর ছিলেন।প্রতিষ্ঠানটি জেলা সদরের খেজুরবাগান এলাকায়।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর তিনি কিছুদিন কারাগারে ছিলেন। এরপর একই প্রতিষ্ঠানে তিনি যেন আবার যোগদান না করেন, সে জন্য শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করে।
গত মঙ্গলবার(১ অক্টোবর) দুপুরে আবার তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠে।

এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্কুলটির শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করতে থাকে। একপর্যায়ে সোহেল রানাকে অধ্যক্ষের কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে ১০ থেকে ১৫ জন পাহাড়ি তরুণ অভিযুক্ত শিক্ষক সোহেল রানাকে এলোপাতাড়ি মারতে থাকেন। এ সময় তাঁকে পুলিশসহ কয়েকজন রক্ষা করতে গিয়ে ব্যর্থ হন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অক্টোবর ২০২৪ ০৪:০০:এএম ২ বছর আগে
মহানবীকে কটূক্তিকারীর ফাঁসির দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ ও সমাবেশ - Ekotar Kantho

মহানবীকে কটূক্তিকারীর ফাঁসির দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

একতার কণ্ঠঃ ভারতে রাসুলুল্লাহ (সা.) কে কটূক্তিকারী মহারাষ্ট্রের হিন্দু পুরোহিত রামগিরি মহারাজ এবং তাকে সমর্থনকারী বিজেপি সংসদ সদস্য নিতেশ নারায়ন রানের ফাঁসির দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার(৩ অক্টোবর) দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে টাঙ্গাইল জেলা ইমাম ও মুয়াজ্জিন পরিষদের ব্যানারে এই বিক্ষোভ ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে শহরের শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।মিছিলটি শহরের গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা ইমাম ও মুয়াজ্জিন পরিষদের সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হযরত মাওলানা শামছুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শামছুল ইসলাম, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ইমাম ও মুয়াজ্জিন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হযরত মাওলানা রেজাউল করিম রাজু, সহ-সভাপতি মুফতী আশরাফুজ্জামান কাসেম ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।

এ সময় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ, শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলীমসহ টাঙ্গাইল জেলা ইমাম ও মুয়াজ্জিন পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অক্টোবর ২০২৪ ০১:৩৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাবার বাড়ি বেড়াতে এসে নববধূর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাবার বাড়ি বেড়াতে এসে নববধূর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বাবার বাড়ি বেড়াতে এসে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসি দিয়ে সুমাইয়া (১৮) নামে এক নববধূর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের আগতেরিল্ল্যা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সুমাইয়া আগতেরিল্ল্যা গ্রামের সোনা উল্লাহর মেয়ে ও জেলার পাশ্ববর্তী গোপালপুর উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নের সবুজের স্ত্রী।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়- প্রায় দেড় মাস আগে পাশ্ববর্তী পোপালপুর উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নের বাসিন্দা সবুজ নামে এক যুবকের সাথে পারিবারিকভাবে সুমাইয়ার বিয়ে হয়। তার আগে থেকেই মানুষিক ভারসাম্যহীন রোগী ছিল সুমাইয়া। গত ৩০ সেপ্টেম্বর সে স্বামীর বাড়ি থেকে তার বাবা সোনা উল্লাহর বাড়িতে বেড়াতে আসে।

এরপর তার সমস্যা আরও বেশি হয়। বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে হঠাৎ ঘরের সিলিংফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস গলায় নেয় সে। এ সময় তার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে সুমাইয়া মৃত্যুবরণ করে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে থানা নিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে ওই নববধূর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. অক্টোবর ২০২৪ ০২:৩৮:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বামীর ‘বিশেষ অঙ্গ’ কর্তন, কুড়ালের কোপে স্ত্রী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামীর ‘বিশেষ অঙ্গ’ কর্তন, কুড়ালের কোপে স্ত্রী নিহত

একতার কণ্ঠঃ পারিবারিক কলহের জেরে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন করেছে স্ত্রী। পরে স্বামী ময়নাল (৬০) তার স্ত্রী মনোয়ারাকে (৫০) কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ময়নাল দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর গ্রামের তোফান শেখের ছেলে এবং নিহত মনোয়ারা একই ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের মৃত তাহেরুল আমিনের মেয়ে।

সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, ময়নাল ও তার স্ত্রী একই সঙ্গে মঙ্গলবার সকালে ঢাকা থেকে এলাকায় আসে। পরে বাজার করা নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ময়নালের স্ত্রী তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন করে। পরে ময়নাল ঘরে থাকা গাছ কাটার কুড়াল নিয়ে তার স্ত্রীর ঘাড়ে দুটি কোপ দেয়। এতে সঙ্গে সঙ্গেই তার মৃত্যু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে ময়নালকে স্থানীয়রা আটক করে গাছে বেঁধে রাখে এবং পরবর্তীতে থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

এ বিষয়ে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়া মাত্রই তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, পারিবারিক কলহের জেরে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে। পরে ময়নালকে আটক করতে গিয়ে দেখা যায়, তার পুরুষাঙ্গ কাটা এবং পরনের লুঙ্গি রক্তাক্ত অবস্থায় রয়েছে। তখন তাকে উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে ময়নালকে টাঙ্গাইল জেলার হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং অভিযোগ প্রাপ্তি ও তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. হাবিবুর রহমান জানান, ময়নালের পুরুষাঙ্গের কিছু অংশ কাটা অবস্থায় ছিল। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. অক্টোবর ২০২৪ ০২:২০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাথায় গাছ পড়ে যুবকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাথায় গাছ পড়ে যুবকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মাথার ওপর গাছ পড়ে শাওন আহমেদ (২১) নামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের নলুয়া কানু মার্কেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শাওন উপজেলার চতলবাইদ পশ্চিম পাড়া গ্রামের রুবেল মিয়ার ছেলে। সে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও মৃত শাওনের স্বজনেরা জানান, ২০২৩ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করার পর কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পেরে রোজগারের উদ্দেশ্যে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন শাওন। এর মধ্যে তিনি গাছ কাটার শ্রমিক হিসেবেও কাজ করছিলেন। মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে শাওন আহমেদ নলুয়া কানু কার্কেট এলাকায় আকাশমণির বাগানে গাছ কাটতে যান। কুড়াল দিয়ে গাছ কাটার সময় আকস্মিক ভাবে গাছটি শাওনের মাথার ওপর ভেঙে পড়ে।

স্থানীয়রা গাছের নিচ থেকে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, এ ঘটনায় এখনো থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. অক্টোবর ২০২৪ ০১:৩৬:এএম ২ বছর আগে
রাবেয়া আক্তার কলির বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা - Ekotar Kantho

রাবেয়া আক্তার কলির বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা

একতার কণ্ঠঃ প্রতারণার অভিযোগে রাবেয়া আক্তার কলির বিরুদ্ধে নারায়নগঞ্জ আদালতে মামলা দায়ের করেছে এক ভুক্তভোগী। প্রতারণা মামলায় রাবেয়া আক্তার কলিকে ২নং আসামি করা হয়।

অভিযুক্ত রায়েবা আক্তার কলি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মানিকারহাট বাজার সংলগ্ন পেটমানিকা গ্রামের হানিফ মিয়ার মেয়ে। বর্তমানে কলি ঢাকা মহানগরের ডেমরা থানার মুসলিম নগর এস. এম. সি. স্পেশাল প্রাইভেট হাসপাতাল সংলগ্ল জুলেখার বাড়ীর ২য় তলায় দক্ষিণ পাশের ফ্ল্যাটের সাবলেট ভাড়টিয়া হিসেবে বসবাস করছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার পাঁচ বিবি গ্রামের ওয়াজিউদ্দিন আহম্মেদের ছেলে মেরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে নারায়নগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। যাহার ধারাঃ- ৪০৬/৪২০/৫০৬ (ii)দঃ বিঃ।

মামলার অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, রাবেয়া আক্তার কলি ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে গত ২০২৩ সনের ২ মে রেজিস্ট্রিকৃত ভাবে বিবাহ হয় মামলার বাদীর সাথে। বিবাহের পর থেকেই বাদীর কাছ থেকে ব্লাকমেইলের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করার নেশা ছিল রাবেয়া আক্তার কলির। তাদের বনিবনা না হওয়ায় গত ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট মাসে দেনমোহর পাওনা বাবদ ৬ লক্ষ টাকা পরিশোধ করার মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় তাদের। বিবাহ বিচ্ছেদের চুক্তি নামায় কারো বিরুদ্ধে কোন পক্ষই কোন মামলা অথবা প্রতারণার আশ্রয় নিতে পারবেনা বলে অঙ্গীকার নামা লেখা হয়। মামলার বাদীর কাছ থেকে চুক্তি অনুযায়ী ধার নেওয়া ২০ লক্ষ টাকা অভিযুক্ত রাবেয়া আক্তার কলি ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও অঙ্গীকারনামা অনুযায়ী বাদীর পাওনা ২০ লক্ষ টাকা যড়যন্ত্র মুলক মামলার ২নং আসামি রায়েয়া আক্তার কলিসহ সকল আসামীরা ওই টাকা আত্মসাৎকরেন। মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, কলি দাঙ্গাবাজ, চাঁদা আদায়কারী ও টাকা আত্মসাতকারী বটে।

মামলার বাদী মেরাজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, মামলার ২নং আসামি রাবেয়া আক্তার কলির একাধিক বিবাহ হয়। কলি তার প্রথম স্বামী রুবেল নামক যুবকের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়। কাবিনের সিরিয়াল অনুযায়ী তিনি ৩নং স্বামী ছিলেন। বর্তমানে আবুল কালাম আজাদ নামক যুবককে স্বামী দাবী করে কলি। আবুল কালাম তার ৪নং স্বামী। রাবেয়া আক্তার কলির বর্তমান দাবীকরা স্বামীও প্রতারনা মামলার আসামি।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, তার কাছ থেকে নেওয়া ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করতে বর্তমান পরিচয়দানকারী রাবেয়া আক্তার কলির স্বামী আবুল কালামসহ সকল আসামিরা ষড়যন্ত্রমূলক সাইবার নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন তার বিরুদ্ধে।

কলির গ্রামের বাড়ি ভোলা জেলার মানিকারহাট বাজার এলাকার স্থানীয়রা জানান, ট্রাক চালকের মেয়ে কলি বর্তমানে ঢাকায় থাকেন। প্রাইভেটকার যোগে আসতেন ঢাকা থেকে তার গ্রামের বাড়িতে। হঠাৎ আনুমানিক ২৩ বছরের কলি এত টাকা কোথায় পেলেন এমন প্রশ্ন তাদের। তবে রাবেয়া আক্তার কলি ঢাকায় কি কাজ করছেন? এমন প্রশ্ন করে বাংলাদেশের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করলে অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে জানান তারা।

অভিযোগ প্রসঙ্গে রাবেয়া আক্তার কলির কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা দাবী করেন।

তিনি আরও বলেন, মিরাজ নামক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. অক্টোবর ২০২৪ ০১:২৮:এএম ২ বছর আগে
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশটা ভালো চলে নাই: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশটা ভালো চলে নাই: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, সমাজটাকে বদলাতে হবে। অল্প ক’দিনের মধ্যে একটি বিরাট পরিবর্তন হয়েছে, এটাকে মহাবিপ্লব বলা চলে। গত ১৬ থেকে ১৭ বছর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশটা ভালো চলে নাই। অনেকে মনে করেন আওয়ামী লীগের সরকার, আমি বলবো না। আওয়ামী লীগের সরকারও ছিল না, মানুষের সরকারও ছিল না। শেখ হাসিনা সরকার ছিল এবং যতকিছু অন্যায় করেছে তার ৯০ ভাগ শেখ হাসিনা, বাকি বাধ্য হয়ে হয়তো ২ থেকে ৪ জন করেছে। এর পরিবর্তন দরকার। এই বিপ্লব যদি ব্যর্থ হয় তাহলে ভবিষ্যত বাংলাদেশের জন্য অন্ধকার। সেজন্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনের সফলতা ধরে রাখতে হবে। সেইখানে আমাদের সন্তানদের জীবনদান আল্লাহ গ্রহণ করুক এই শেষ ব্যক্তি হোক। যার দ্বারা আমাদের আইনশৃঙ্খলা ফিরে আসুক।

কক্সবাজারে ডাকাতদের হামলায় নিহত লেফট্যানেন্ট তানজিম সারোয়ার নির্জনের বাসায় মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) দুপুরে গিয়ে স্বজনদের সমবেদনা জানানোর পর তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের করের বেতকা গ্রামে নিহত লেফট্যানেন্ট তানজিমের পৈতিক বাড়ির উঠানে সাংবাদিকদের আরও বলেন, দেশটা কেমন জানি হয়ে গেছে। মানবিক মূল্যবোধ একেবারে ধ্বংস হয়ে গেছে। একটা সেনাবাহানীর গায়ে ডাকাত, লস্কর চোর আঘাতহানতে পারে তাহলে বুঝতে হবে সমাজে আইন-কানুন বলতে কিছু নাই। আমি এটাকে কোন গুরুত্ব দিতাম না। যদি একটা সাধারণ মানুষ হতো তার পিছনে ছোরা মারছে, চাকু মারছে বা দা দিয়ে আঘাত করেছে। কিন্তু সেনাবাহিনীর পোশাক পড়া একজন মানুষের গায়ে দুস্কৃতিকারীরা যখন আঘাত হানতে পারে বা সাহস পায় তখন বুঝতে হবে আইনশৃঙ্খলা বলে অথবা দেশের শাসন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের যে একটা শ্রদ্ধা ভালোবাসা, দুষ্ট লোকের যে ভয় থাকে তা কিছু নেই। আমি এসেছি মৃত্যু মানুষের জন্মের পরে অবধারিত সত্য, সে মৃত্যু হয়েছে। বাবা বেঁচে আছেন, বোন আছে তাদের বুক কেমন করছে। টাঙ্গাইলের মানুষ আমি দেখতে এসেছিলাম দেখে গেলাম।

এক প্রশ্নের জবাবে কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমি রাজনীতিকে ইবাদতের মতো মনে করে রাজনীতি করি। এজন্য আমি প্রচুর সম্মান পেয়েছি। প্রচুর অসম্মানও পেয়েছি। গলাগালিও শুনেছি। এতো দিন বেঁচে না থাকলে আমি গালাগালি শুনতাম না। আমি যদি ‘৭১ এর যুদ্ধ করতে না পারতাম যারা গালাগালি করেন তাদের অধিকাংশদের জন্ম হয়তো পাকিস্থানের জারস হিসেবে হতে পারতো। আমি আজকে একজন কাতর বাবা মা-বোন তাদের পাশে শুধু আল্লাহর কাছে দোয়া করবার জন্য এসেছি। অন্য কোন দিন আপনারা আমাকে ধরবেন তত্ত্ববাধয়ক সরকার কত দিন থাকবে, কতদিন থাকা দরকার, মানুষের চাহিদা কি আমি অকপটে বলবো আমি কোন কথা দ্বিধা করে বলার চেষ্টা করি না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. অক্টোবর ২০২৪ ০৩:৪২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নাজমুল হাসান (২০) নামে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের মুরাইদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নাজমুল হাসান উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের মুরাইদ গ্রামের গোলাম মোস্তফা ফকিরের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, রবিবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির পাশে ডিজিটাল স্কেল মেশিনের ঘরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হন নাজমুল। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় গারোবাজার নিউ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (ইসিজি) পরিক্ষার মাধ্যমে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে।

নিহত নাজমুলের বন্ধু আল আমিন জানান, মধুপুর শহীদ স্মৃতি স্কুল থেকে ২০২১ সালে এসএসসি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয় সে। পরে বিএফ শাহীন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে অনার্সে এডমিশন নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো নাজমুল। এমতাবস্থায় তার বন্ধুর মৃত্যুর খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নাজমুল ইসলাম জামাল মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সন্ধ্যার পরে ওদের নিজস্ব ডিজিটাল স্কেল মেশিনের ঘরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত হন নাজমুল। নাজমুলের অকাল মৃত্যুতে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন তিনি।

ঘাটাইল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে নিহতের পরিবারের সদস্যরা থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. অক্টোবর ২০২৪ ০২:৫২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চাচাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ভাতিজার বিরুদ্ধে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চাচাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ভাতিজার বিরুদ্ধে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে চাচাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর থেকে তার ভাতিজা রুবেল মিয়া পলাতক রয়েছেন।

রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের আজগানা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রিয়াজ হোসেন (৫০) একই এলাকার বাসিন্দা।

অভিযুক্ত ভাতিজা রুবেল একই গ্রামের সরোয়ার হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, রবিবার সকালে চাচা রিয়াজের কাছে রাস্তা বড় করার জন্য জমি ছেড়ে দিতে বলেন ভাতিজা রুবেল। কিন্তু রিয়াজ জমি ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে রুবেল চাচাকে পিটিয়ে হত্যা করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে রুবেল পালিয়ে যান।

তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০২:৫৫:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।