/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
মওলানা ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আলোচনা সভায় দুই উপদেষ্টা - Ekotar Kantho

মওলানা ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আলোচনা সভায় দুই উপদেষ্টা

একতার কন্ঠঃ যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, আমলা তন্তটা সব সময় জনগণ থেকে একটা দূরত্ব বজায়রেখে চলতো। আমরা মনে করি যে তারা জনগণের সেবক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সেই সেবাটা যেন তারা জনগনকে দেন এবং জনগনের পাশে দাড়িয়ে সেটা দেন। প্রভুমূলক বা প্রভুত্ত্যমূলক জায়গায় না থেকে দূরত্বটা যেন কমিয়ে আনা যায়। মাঠ প্রশাসন সরকার, সাথে জনগনের, তার জন্য আমরা আরও কাজ করবো। সামনে যেন এই দূরত্বটা কমে আসে এই অভিযোগগুলো যাতে না থাকে, তথ্যের ঘাটতি কিংবা তাকে পাওয়া যায় না এই অভিযোগ সামনের দিনে না থাকে সেজন্য আমরা কাজ করবো।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে “মওলানা ভাসানী ও নতুন বাংলাদেশ” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদানের পূর্বে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, আমরা আসার পর দেখলাম- যে কয়টা স্টেডিয়াম আছে এগুলোরই যথার্থ সংস্কার কিংবা যথার্থ ব্যবহার যোগ্যতা নাই। সে জায়গা থেকে আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে এগুলোকে সংস্কারের মাধ্যমে ব্যবহারে যোগ্য করে গড়ে তোলা। ইতোমধ্যে বিসিবি আমাদের একটি তালিকা দিয়েছে। সারা দেশে ৯টা স্টেডিয়াম আন্তজার্তিক পর্যায়ের, যেগুলোতে কখনো কখনো আন্তজার্তিক খেলা হতো। কয়েকটা আছে যে ২৬ বছর আগে খেলা হয়েছে তারপর আর ব্যবহার করা হয়নি। সেগুলোকে সংস্কারের মাধ্যমে প্রথমে ব্যবহার যোগ্য করা। একই সাথে আমরা বাফুফেকে নির্দশনা দিয়েছি আপনারাও একটি তালিকা দেন ফুটবল স্টেডিয়ামকে কোনগুলো রিভাইভ করতে পারি। খেলার উপযুক্ত করতে পারি। আপনারা জানেন জেলা ক্রীড়া সংস্থা, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলো বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলো পূর্ণগঠন চলছে। আমরা বলেছি- জবাবদিহিতা নিশ্চিতের মাধ্যমে একদম প্রান্তিক পর্যায়ে খেলাধুলাকে পৌছে দেয়া। আবার আগের টুর্নামেন্ট যেন আবার পরিচালিত হয় এবং তরুণরা-যুবকরা যাতে এর মধ্যে অংশগ্রহণ করতে পারে। আপনারও জানেন যে আমাদের প্রধান উপদেষ্টার সরাসরি তত্ত্বাবধায়নে একটা ইউস ফ্যাস্টিব্যাল করতে যাচ্ছি। বিপিএল খেলার যে সময়টা কেন্দ্র করে শুধু স্টেডিয়ামে না স্টেডিয়ামের বাইরেও সারাদেশে ইউস ফ্যস্টিব্যাল করার একটা পরিকল্পনা আমাদের আছে এবং সকল যুবক-তরুনদেরকে একসাথে সংযুক্ত হওয়ার আহবান থাকবে।

মওলানা ভাসানী পাঠ চক্রের আয়োজনে জাতীয় নাগরিক কমিটি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এরআগে দুই উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ ভাসানীর মাজার জিয়ারত করেন। পরে ভাসানীর গড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন শেষে আলোচনা সভায় যোগ দেন।

মাজার জিয়ারত শেষে উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেন, জনগনের অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা জনগণের নির্বাচিত সরকার। জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছি আমরা। জনগণের পক্ষের এবং এই দীর্ঘ লড়াইয়ের যারা স্বপক্ষে আছে তাদেরকে নিয়েই আমাদের এই সরকার গঠন করার পরিকল্পনা এবং সরকার ঐভাবেই চলমান আছে।

নতুন উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা মনে করি যে- যাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে তারা জনগণের আকাঙ্ক্ষার পক্ষেই থাকবেন। আপনারা এই সরকারের উপর আস্থা রাখতে পারেন। এই সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করবেন এবং যারা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন তারাও এই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্যে সামিল হবেন। কোন রকম সংশয়, সন্দেহ থাকলে আমরা মনে করি এটা কাজের মাধ্যমে প্রমান করা হবে যে তারা জনগনের পক্ষে আছেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কবি, ভাবুক ও রাষ্ট্র চিন্তক ফরহাদ মজহার।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর মো: আনোয়ারুল আলম আখন্দ, জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, ভাসানী ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. নভেম্বর ২০২৪ ০২:১৩:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়কে গতিরোধকের দাবীতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়কে গতিরোধকের দাবীতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার বেড়াডোমা এলাকায় টাঙ্গাইল-বাঘিল আঞ্চলিক সড়কে দুর্ঘটনায় চলতি সপ্তাহে দুজনের মৃত্যুর পর ঐ সড়কে গতি রোধকের দাবীতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে টাঙ্গাইল-বাঘিল আঞ্চলিক সড়কের বেড়াডোমা চৌরাস্তায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে শহীদ জাহাঙ্গীর উচ্চ বিদ্যালয়, শহীদ মডেল একাডেমি, জনসেবা ইসলামী ফাউন্ডেশন ও স্থানীয় এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করে।

এসময় বক্তব্য রাখেন শহীদ জাহাঙ্গীর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.শামসুল আলম, সাবেক কাউন্সিলর নুরুল আলম,জহুরুল ইসলাম আজাদ, যমুনা টেলিভিশনের স্টাফ করেসপনডেন্ট শামীম আল মামুন, ব্যবসায়ী রুহুল তালুকদার, শহীদ মডেল একাডেমির পরিচালক মাজহারুল ইসলাম সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এসময় বক্তারা দাবী করেন, টাঙ্গাইল-বাঘিল আঞ্চলিক
সড়কে সিএনজি ও অটোরিকশা বেপরোয়া গদিতে চলাচল করে। ফলে এক সপ্তাহের মধ্যেই এই সড়কে দুই জনের প্রাণ গেছে।

বক্তারা বলেন, এই সড়কে যাত্রী ও পথচারীদের নিরাপত্তা দিতে হবে। প্রত্যেকটি মোড়,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সামনে স্পিডব্রেকার দিতে হবে। সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও মোড়ে প্রয়োজনে ফুটওভার ব্রিজ চাই। যানবাহনের বেপরোয়া গতির নিয়ন্ত্রণ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. নভেম্বর ২০২৪ ১২:২৩:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্র নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্র নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে তানভীর হোসেন (১৫) নামের এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে তানভীরের এক বন্ধু।

মঙ্গলবার(১২ নভেম্বর )রাত ১০টার দিকে উপজেলার পেচারআটা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত তানভীর হোসেন জেলার সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দিঘীরচালা গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে।

সে একই উপজেলার সুরীরচালা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

দুর্ঘটনায় আহত হয় তানভীরের বন্ধু ফেরদৌস। সে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানা।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনাস্থল পার্শ্ববর্তী ঘাটাইল থানার আওতাধীন থাকায় আমাদের থানায় এ বিষয়ে কেউ কিছু জানাননি।

নিহত তানভীরের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তানভীর মঙ্গলবার বিকেলে নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোবাইল ফোনে খবর আসে তানভীর ঘাটাইলের পেচারআটা এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা নামক স্থানে তাঁর মৃত্যু হয়।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তানভীরের মরদেহ রয়েছে বলে জানান তার নানা আবুল কাশেম। তিনি বলেন, লাশ হাসপাতাল থেকে বাড়িতে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

তানভীরের বড় বোন বর্ষা আক্তার বলেন, অনেকবার বলার পর আমার ভাইকে মোটরসাইকেল কিনে দিয়েছিলাম, সেই মোটরসাইকেলই ভাইয়ের প্রাণ কেড়ে নিল। মানতে পারছি না ভাই আমার আর কোনো দিন আমার বাড়ি যাবে না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. নভেম্বর ২০২৪ ১১:২১:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ১ মাসেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র সিয়ামের - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১ মাসেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র সিয়ামের

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে রাহাত আহম্মেদ সিয়াম (১৩) নামে এক এতিমখানার ছাত্র ১ মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে। সিয়ামকে খুঁজে না পেয়ে চরম হতাশায় ভুগছেন এতিমখানার শিক্ষক ও তার পরিবারের লোকজন।

সিয়াম ভূঞাপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ডের শাহজাহান দারুস সুন্নাহ এতিমখানা ও ভূঞাপুর ফাজিল মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

মাদ্রাসা সূত্র জানা যায়, সিয়াম বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে গত ১০ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি নেয়। ছুটি শেষে মাদ্রাসায় ফিরে না আসায় শিক্ষকরা তার বাড়িতে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারে সে বাড়িতে যায়নি। পরে শিক্ষক ও পরিবারের লোকজন তার বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও সন্ধান না পেয়ে তার কয়েক দিন পর মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. জাহিদুল ইসলাম ভূঞাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

এতিমখানার সুপার মাওলানা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, সিয়াম নিখোঁজের ১ মাস পার হয়েছে। আজও সে ফিরে আসেনি। আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাইনি। সম্প্রতি আমি নিজে বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি। আমরা তার সন্ধান চাই। এ জন্য সবার সহযোগিতা চাচ্ছি। যদি কেউ সিয়ামের সন্ধান পান তাহলে ০১৭২৪-৫৭২৪২৫ নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ করছি।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন জানান, সিয়াম নামে ছেলেটি নিখোঁজ হয়েছে। সে এর আগেও দুইবার নিখোঁজ হয়েছিল। পরে তাকে কক্সবাজার ও জামালপুর থেকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ খুঁজে পায়। সম্প্রতি ছেলেটি বাড়ি যাওয়ার কথা বলে ছুটি নেয়। পরে ছুটি শেষে মাদ্রাসায় না ফিরে আসায় নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে মাদ্রাসা সুপার একটি অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা তার সন্ধানের জন্য কাযক্রম চালাচ্ছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. নভেম্বর ২০২৪ ০৩:৩২:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শহীদ স্মৃতি ক্রিকেটার্স কাপ টুর্নামেন্টে আমেনা স্পোর্টস চ্যাম্পিয়ন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শহীদ স্মৃতি ক্রিকেটার্স কাপ টুর্নামেন্টে আমেনা স্পোর্টস চ্যাম্পিয়ন

একতার কণ্ঠঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নিহত শহীদদের স্মরনে “শহীদ স্মৃতি ক্রিকেটার্স কাপ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২৪” ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলায় আমেনা স্পোর্টস হাউস চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল ক্রিকেট খেলোয়ার কল্যাণ সমিতির আয়োজনে ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং ওয়ালটনের সার্বিক সহযোগিতায় টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

ফাইনাল খেলায় আমেনা স্পোর্টস হাউস ও টাঙ্গাইল ইউনিক ক্লাব অংশগ্রহন করে। শুরুতে টাঙ্গাইল ইউনিক ক্লাব টসে জিতে ব্যাটিং করে ১৮ ওভার ১ বলে ৭১ রান করে। বিপরীতে আমেনা স্পোর্টস হাউস ২ উইকেট হারিয়ে ৮ ওভার ৪ বলে ৭৬ রান করে।
আমেনা স্পোর্টস হাউস ৮ উইকেটে বিজয়ী হয়।
এই খেলায় দেবাশীষ ২২ বলে ২১ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহ করে।

পরে বিজয়ী ও টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ স্কোরারদের মাঝে পুরষ্কার বিতরন করা হয়। পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সঞ্জয় কুমার মহন্ত, বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন,জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. আফাজ উদ্দিন, পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক (গেমস অ্যান্ড স্পোর্টস, মার্কেটিং) এফএম ইকবাল-বিন-আনোয়ার (ডন), টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারন সম্পাদক আলী ইমাম তপন, দৈনিক পথে প্রান্তরে পত্রিকার সম্পাদক ফিরোজ মান্না, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসএসএস এর সহকারী পরিচালক (মানব সম্পদ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ, টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের সদস্যসচিব তৌহিদুর ইসলাম বাবুসহ খেলায় অংশগ্রহনকারী ক্লাবের কর্মকর্তা, খেলোয়ার ও টাঙ্গাইল ক্রিকেট খেলোয়ার কল্যাণ সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল ক্রিকেট খেলোয়ার কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবু নাসের মানিক।

এ সময় ম্যান অফ দ্যা টুর্নামেন্ট রিজান, সর্বোচ্চ উইকেট রিফাত আল জাবির, সর্বোচ্চ রান তালহা, টুর্নামেন্টের সেরা ক্যাচ সোহাগ ও ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ মো. হাসানকে পুরস্কার দেয়া হয়। পরে দুই দলকে চ্যাম্পিয়ান ও রানারআপের পুরস্কার দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (১লা নভেম্বর) সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল ক্রিকেট খেলোয়ার কল্যাণ সমিতির আয়োজনে জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও ওয়ালটনের সার্বিক সহযোগিতায় টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে “ শহীদ স্মৃতি ক্রিকেটার্স কাপ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৪ ” শুরু হয়। এই টুর্নামেন্টে মোট ৮ টি ক্রিকেট দল অংশগ্রহণ করে।

এই ৮ টি ক্রিকেট দল গ্রুপ “এ” তে ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব, টাঙ্গাইল টাইগার্স, টাঙ্গাইল ইউনিক ক্লাব ও আরামবাগ স্পোর্টিং ক্লাব এবং গ্রুপ “বি” তে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাব, সখিপুর ক্রিকেট এলিভেন, কালিহাতী গ্রিন ওয়ারিয়স ও আমেনা স্পোর্টস হাউস অংশগ্রহণ করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. নভেম্বর ২০২৪ ০২:৩৭:এএম ১ বছর আগে
আমানুর ও তাঁর ভাইদের নির্দেশে ফারুক হত্যাকাণ্ড: তদন্ত কর্মকর্তা - Ekotar Kantho

আমানুর ও তাঁর ভাইদের নির্দেশে ফারুক হত্যাকাণ্ড: তদন্ত কর্মকর্তা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অশোক কুমার সিংহ সোমবার(১১ নভেম্বর )সাক্ষ্য দিয়েছেন।

তিনি আদালতকে বলেছেন, গ্রেপ্তার করা দুই আসামির ও প্রত্যক্ষদর্শী তিন সাক্ষীর আদালতে দেওয়া জবানবন্দি ও অন্যান্য আলামত থেকে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ হয়, সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তাঁর ভাইদের পরিকল্পনা ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে।

সোমবার (১১ নভেম্বর)তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলার সাক্ষীর পর্ব শেষ হলো।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান বলেন, এখন বাদী ও আসামি উভয় পক্ষের যুক্তিতর্কের পর মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তাঁর তিন ভাই এই মামলার আসামি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অশোক কুমার সিংহ বলেন, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মাহমুদুল হাসানের আদালতে তাঁর সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। বেলা আড়াইটা পর্যন্ত সাক্ষ্য গ্রহণ চলে। পরে আধা ঘণ্টা বিরতি দিয়ে আবার বেলা তিনটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্যদানের সময় তিনি আদালতকে জানিয়েছেন, ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি তিনি মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান।

তদন্তকালে বিভিন্ন উৎস থেকে জানতে পারেন, এই হত্যার সঙ্গে শহরের কলেজপাড়ার আনিসুল ইসলাম ওরফে রাজা ও মোহাম্মদ আলী জড়িত থাকতে পারেন। তাঁদের গ্রেপ্তার করলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে এই হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁরা আদালতে জবানবন্দি দেন। তাঁদের জবানবন্দিতে সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান, তাঁর ভাই পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার পরিকল্পনা ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড হওয়ার বিষয়টি বের হয়ে আসে।

এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ওয়াহেদ, আবদুল খালেক ও সনি আদালতে জবানবন্দি দেন। তাঁদের জবানবন্দিতেও হত্যার বর্ণনা উঠে আসে।

অশোক কুমার সিংহ সাক্ষ্য দেওয়ার পর আসামিদের আইনজীবীরা তাঁকে জেরা করেন।

এর আগে মামলার তদন্তের শেষ পর্যায়ে অশোক কুমার সিংহ পদোন্নতি পেয়ে বদলি হয়ে যান। পরে গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মাহফীজুর রহমান ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি আমানুররা চার ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

২০১৭ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। বাদীপক্ষের অভিযোগ, মামলার ২৬ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ হয় অনেক আগেই। কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ এলেই কারাগারে থাকা আসামিরা অসুস্থতাসহ নানা অজুহাতে আদালতে আসতেন না। তাঁদের সময়ক্ষেপণের কারণে বিচারের প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছিল।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর পৌরশহরের কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে এই হত্যায় সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর ও তাঁর ভাইদের নাম বের হয়ে আসে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. নভেম্বর ২০২৪ ০৪:৫৮:এএম ১ বছর আগে
১৫ দিনের রিমান্ডে সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক - Ekotar Kantho

১৫ দিনের রিমান্ডে সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দুটি হত্যা ও একটি ভাঙচুর মামলায় সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের ১৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

সোমবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকরা এ আদেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পিপি শফিকুল ইসলাম রিপন।

তিনি বলেন, সোমবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে মোট তিন মামলায় তার রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

এদিকে সকাল থেকে আদালত প্রাঙ্গণে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেয়। পরে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রাজ্জাককে আদালতে তোলার সময়ে তার ওপর ডিম নিক্ষেপ করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় বৈষম্যবিরোধী নানা স্লোগান দেন তারা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আল আমিন বলেন, আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা রাজ্জাকের উপযুক্ত বিচার চাই। যারা এখনো বাহিরে তাদের শিগগিরই গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

এ সময় আদালতে প্রচুর সংখ্যক উচ্ছুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সোমবার সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গন ও এর আশপাশের এলাকায় বিপুল পরিমাণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. নভেম্বর ২০২৪ ০১:৫৪:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্রদলের প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্রদলের প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন

একতার কণ্ঠঃ বিগত ১৫ বছর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নির্যাতনকারী ও ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সকল অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে জেলা ছাত্রদল।

রবিবার(১০ নভেম্বর )দুপুরে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা ছাত্রদলের আয়োজনে এ কর্মসূচির পালন করা হয়।

এ প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচিতে,জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ’র সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এম এ বাতেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ, শফিকুর রহমান লিটন, রকিব উদ্দিন বাবুল, আবুল কাশেম, শফিকুর রহমান শফিক, শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, সদর থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক আজিম উদ্দিন বিপ্লব প্রমুখ।

এ সময় জেলা বিএনপি, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সহযোগি অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. নভেম্বর ২০২৪ ০১:০৬:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৯ জুয়াড়ীসহ গ্রেপ্তার ১৯ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৯ জুয়াড়ীসহ গ্রেপ্তার ১৯

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৯ জুয়াড়ীসহ ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ।

রবিবার (১০ নভেম্বর)দুপুরে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন,উপজেলার মমিননগর গ্রামের আ. মালেক (৫৫) , মো. মিন্টু(৪৫),কোকরাইল গ্রামের শাহআলম (৩০), রাব্বি(২৯), দত্ত গ্রামের আল আমিন (৩৫),বেহেলাবাড়ি গ্রামের জুলহাস (৩৫),মিজানুর (৪৫), রুবেল(৪৪), ফারুক মিয়া (৩৪)সহ বিভিন্ন মামলায় নারীসহ আরো ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়,কালিহাতী থানার একদল পুলিশ শনিবার(৯ নভেম্বর )রাতে উপজেলার বেহেলাবাড়ি নদীর পাড়ে নাজমুলের বাড়ির সামনে ও মমিননগর জামতলার জামাল পাগলার পুকুর পাড়ে অভিয়ান চালিয়ে ওই ৯ জুয়াড়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়।এছাড়াও বিভিন্ন মামলার আরো ১০ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি )মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূইয়ার জানান, মাদকও জুয়ার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. নভেম্বর ২০২৪ ০১:৩২:এএম ১ বছর আগে
ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না : টুকু - Ekotar Kantho

ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না : টুকু

একতার কণ্ঠঃ বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশ কীভাবে রক্ষা করতে হয়, গণতন্ত্র কীভাবে রক্ষা করতে হয়; এ ব্যাপারে বিএনপি নেতাকর্মীরা ভালোভাবে বুঝে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে, অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। বেগম খালেদা জিয়া দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন।

শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে গণসমাবেশে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এসব কথা বলেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আরও বলেন, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তারেক রহমান লড়াই-সংগ্রাম করে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছেন। কাজেই দেশ কীভাবে রক্ষা করতে হয়, গণতন্ত্র কীভাবে রক্ষা করতে হয়, তা বিএনপি জানে। ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ৭২ থেকে ৭৫ পর্যন্ত দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু তারা সে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। দুর্ভিক্ষে হাজার হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল, গণতন্ত্র হরণ করা হয়েছিল। ত্রিশ হাজার রাজনৈতিক নেতাকর্মী হত্যার শিকার হয়েছিল।

ওবায়দুল হক নাছিরের সভাপতিতে গণসমাবেশে টেলিকনফারেন্সে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

গণসমাবেশে বিপুলসংখ্যক বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. নভেম্বর ২০২৪ ০৪:০৩:এএম ১ বছর আগে
আসিফ নজরুলকে হেনস্থাকারী আ.লীগ নেতা শ্যামলের শাস্তি চান এলাকাবাসী - Ekotar Kantho

আসিফ নজরুলকে হেনস্থাকারী আ.লীগ নেতা শ্যামলের শাস্তি চান এলাকাবাসী

একতার কণ্ঠঃ সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অন্তবর্তীকালীন সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে হেনস্তাকারী আওয়ামী লীগ নেতা শ্যামল খানের শাস্তি চান টাঙ্গাইলের সাধারণ মানুষ।

শ্যামল খান টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩ং ওয়ার্ডের পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়ার বাসিন্দা ও সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।শ্যামল খানের বিচার দাবি করেছেন স্থানীয় জন সাধারণ।

ওই এলাকার মনসুর বিন সাইদ বুলবুল বলেন, আইন উপদেষ্টার সাথে এই দুর্ব্যবহার করা শ্যামল খানের ঠিক হয়নি। আমরা তার শাস্তি দাবি করছি।

একই এলাকার মো. মামুন বলেন, বিগত দিনে জাতীয় নির্বাচনের সময় শ্যামল খান দেশে এসে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের টাকা দিতেন। তিনি আওয়ামী লীগের ডোনার ছিলেন। সেই টাকা দিয়ে অবৈধভাবে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। তিনি যে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছেন তা টাঙ্গাইলের জন্য মানহানিকর। আমরা তার বিচার চাই।

শ্যামলা খানের ভাই কামরুল হাসান খান বাবুল বলেন, শ্যামল খান প্রায় ৩০ বছর যাবত সুইজারল্যান্ডে বসবাস করে। পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে শ্যামল খান চতুর্থ। শুনেছি তিনি বিগত ১০ বছর যাবত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত।

প্রসঙ্গত, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গভর্নিং বডি এবং সংস্থাটির গুরত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) দেশে ফিরছিলেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। দূতাবাসের প্রটোকলে তিনি গাড়ি করে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা বিমানবন্দরে পৌঁছান। এ সময় দূতাবাসের প্রটোকল আইন উপদেষ্টার সঙ্গে ছিল। গাড়ি বিমানবন্দরে নামার পর একদল লোক এসে আইন উপদেষ্টাকে ঘিরে ধরেন। উপদেষ্টা জেনেভা বিমানবন্দরে প্রবেশের আগ পর্যন্ত হেনস্তাকারীরা তাকে বিরক্ত করেছেন।

সুইজারল্যান্ডের বেশ কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, সেখানে সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম জমাদার ও সাধারণ সম্পাদক শ্যামল খান উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. নভেম্বর ২০২৪ ০১:৪২:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সাদপন্থিদের ইজতেমা শুরু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাদপন্থিদের ইজতেমা শুরু

একতার কণ্ঠঃ সাদপন্থিদের টাঙ্গাইলে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা শুরু হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুর মিনি স্টেডিয়াম মাঠে এ ইজতেমার আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) ফজরের নামাজের পর মাওলানা সৈয়দ আনিসুজ্জামানের আমবয়ানের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী তাবলিগ জামাতের জেলা ইজতেমা শুরু হয়।

জুমার নামাজে ইমামতি করেন টাঙ্গাইলের মহেড়া পিটিসি মসজিদের মুফতি নিজাম উদ্দিন বকশি। জুমার নামাজ শেষে কাকরাইল মসজিদের মুরব্বি মাওলানা আরিফুর রহমান বয়ান করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাসাখানপুর মিনি স্টেডিয়াম মাঠজুড়ে বিশাল প্যান্ডেল বানানো হয়েছে। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা কয়েক হাজার মুসল্লি সেখানে অবস্থান করছেন। নিরাপত্তার জন্য সেখানে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

মুসল্লি রাসেল আহমেদ বলেন, এবারের ইজতেমাটা অনেক ভালো হবে। অনেক বড় জামাত হয়েছে। একসঙ্গে হাজারো মানুষ নামাজ আদায় করেছে। আমিও এই জায়গায় ভাগিদার হতে এসেছি। আমরা কোনো গ্রুপিং চাই না। সবাই মিলে দিনের কাজ করতে চাই।
আরেক মুসল্লি জাহিদ মিয়া বলেন, শুক্রবার ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমা শুরু হয়েছে। এক দিন আগেই আমরা ময়দানে চলে এসেছি। ময়দানে এসে খুবই ভাগ্যবান মনে হচ্ছে নিজেকে।

ইজতেমা পরিচালনা কমিটির সদস্য শামীমুল ইসলাম জানান, ইজতেমায় তাবলিগের মূল শিক্ষা, দাওয়াত ও তওবার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা চলছে। জেলার ১২ উপজেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মুসল্লিরা এসেছেন।

এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকে নয়জনের একটি দল ইজতেমায় অংশ নিয়েছে। জুমার নামাজে প্রায় ১৫ হাজার মুসুল্লি অংশ নেন। আগামী রবিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমা শেষ হবে।

এদিকে সাদপন্থিদের ইজতেমাকে পণ্ড করার জন্য শুক্রবার বিকেলে শহরের নিরালা মোড় এলাকায় যোবায়েরপন্থির অনুসারীরা সমবেত হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা দেখা গেছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানবীর আহাম্মেদ বলেন, জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে তাদের কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। নিরাপত্তার জন্য কোনো পুলিশ সদস্যও মোতায়েন করা হয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. নভেম্বর ২০২৪ ০৪:৩৩:এএম ১ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।