/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
ব্যবসায়ী হত্যায় একজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন - Ekotar Kantho

ব্যবসায়ী হত্যায় একজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান ভূইয়াকে হত্যার দায়ে একজনকে আমৃত্যু ও চার জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাসুদ পারভেজ এ রায় ঘোষণা করেন। আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত রেজাউল ইসলাম রেজা ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামানের ভায়রা। তিনি দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের শামছু মিয়ার ছেলে।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলো—রেজাউলের স্ত্রী আলো বেগম, বাসাইল উপজেলার খাটোরা গ্রামের মৃত নাসিম উদ্দিনের ছেলে লাল মিয়া, যশিহাটি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে রেজভী ও দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের ফজল মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি পিপি মনিরুল ইসলাম খান জানান, বাসাইল উপজেলার কাউলজানী গ্রামের আবু বক্কর ভূইয়ার ছেলে মনিরুজ্জামান ২০১০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হন। তিন দিন পর পার্শ্ববর্তী মহেশখালী গ্রামের জমির আইল থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা আবু বক্কর ভূইয়া অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে বাসাইল থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তে হত্যাকাণ্ডে মনিরুজ্জামানের ভায়রা রেজাউল ও শ্যালিকা আলো বেগমসহ দণ্ডিতদের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে।

তিনি আরও জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাসাইল থানার তৎকালীন উপ-রিদর্শক (এসআই) শ্যামল দত্ত ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আসামিদের মধ্যে আলমগীর, আলো বেগম ও লাল মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। রেজাউল ও রেজভী জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে পলাতক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. জুন ২০২২ ০২:১৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বর্ধিত সভায় লাঞ্ছিত জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার কাশেম - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বর্ধিত সভায় লাঞ্ছিত জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার কাশেম

একতার কণ্ঠঃ জাতীয় পার্টির বর্ধিত সভায় লাঞ্ছিত ও ধারালো অস্ত্রাঘাতের শিকার হয়েছেন পার্টির অন্যতম প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলার আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল কাশেম। বুধবার (৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে আয়োজিত জেলা জাতীয় পার্টির বর্ধিত সভাস্থলে প্রবেশ মুখে ঘটনাটি ঘটে।

এ হামলার অভিযোগ উঠেছে জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল হকের সমর্থক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার টাঙ্গাইল শহরস্থ ঢাকা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদশী নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে দলের পার্টির অন্যতম প্রেসিডিয়ার মেম্বার ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলার আহ্বায়ক আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল কাশেমের উপর হামলা চালানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সামনে জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল হকের অবস্থান আর পেশি শক্তি প্রকাশে সমর্থক নেতাকর্মীরা পরিকল্পিত ভাবে ঘটনাটি ঘটিয়েছে। হামলার তীব্র নিন্দা ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তারা।

জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক বলেন, এ ঘটনায় আমিও আহত হয়েছি। ঘটনাটি যারা ঘটিয়েছে তারা আমার সমর্থক বা দলের নেতাকর্মী নয়, হতে পারে বহিরাগতা। আমার সমর্থক নেতাকর্মীদের গায়ে আমার ছবি আর নামসহ গেঞ্জি ছিল। ফুটেজ দেখলে বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার কথা জানান তিনি।

জেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার নাজিম উদ্দিন বলেন, হামলার ঘটনাটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উচ্চাভিলাসী চিন্তা থেকে ঘটানো হয়েছে। হামলাকারীরা ছবিসহ গেঞ্জি পড়া ছিল।এরা আমাদের দলের নেতাকর্মী নয়। তারা আমাকে সভাস্থলে প্রবেশের সময় ধাক্কা মেরেছিল।

চিকিৎসারত পার্টির অন্যতম প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলার আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল কাশেম বলেন, এই সংসদীয় আসনের প্রার্থী হতে জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক ঘটনাটি ঘটিয়েছেন। হামলার ঘটনাটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রনোদিত আর তিনি ক্ষমতাবান সেটি প্রচার করতেই ঘটানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু জানান, আমার সামনেই হামলার এই ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনাটি খুবই খারাপ হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠণসহ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দলের মাঝে যারা এই সমস্ত গুন্ডামী মাস্তানি করবেন তাদের দলে জায়গা নেই। আমার সামনে ঘটনাটি ঘটানো কোন শুভনীয় কাজ হয়নি। যারা ঘটনাটি ঘটিয়েছেন তাদের ভবিষ্যত ভালো হবে না। কেননা জাতীয় পার্টি কখনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করে না।

বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। বিশিষ অতিথি ছিলেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও অতিরিক্ত মহাসচিব (ঢাকা বিভাগ) লিয়াকত হোসেন খোকা, প্রেসিডিয়াম মেম্বার মো. জহিরুল ইসলাম জহির, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার নাজিম উদ্দিন। বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্টির অন্যতম প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলার আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল কাশেম।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. জুন ২০২২ ১১:২৫:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতার গোপনাঙ্গ কাটলেন দুই শ্যালকের স্ত্রী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতার গোপনাঙ্গ কাটলেন দুই শ্যালকের স্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিএনপির এক নেতার গোপনাঙ্গ কেটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনৈতিক সম্পর্কের জেরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ইউনিয়নের বড় বেলতা গ্রামের মৃত হায়দার আলীর ছেলে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমানের গোপনাঙ্গ কেটে দিয়েছেন দুই শ্যালকের স্ত্রী।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (৬ জুন) গভীর রাতে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তৃতীয় তলার ৬ নং ওয়ার্ডে ভর্তি হন বজলুর রহমান।

বজলুর রহমানের চাচাতো ভাই স্থানীয় মেম্বার পোলু জানান, দীর্ঘদিন ধরে দুই শ্যালকের স্ত্রীর সাথে বজলুর রহমানের অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। সে বিভিন্ন সময় শ্বশুরবাড়িতে আর্থিক সহায়তা করতো। তার আর্থিক সহায়তায় দুই শ্যালক সৌদি যায়। তার এনজিও থেকে ঋণও দিয়েছিলেন। সেই সূত্রে নিয়মিত কিস্তির টাকার জন্য যাতায়াত ছিলো। গত সোমবার (৬ জুন) রাতে ওই দুই নারী কৌশলে তাকে গভীর রাতে ডেকে নিয়ে ব্লেড দিয়ে গোপনাঙ্গ কেটে দেয়। ঘটনাটি যেহেতু আত্মীয়ের মধ্যে ঘটেছে তাই মামলা হয়নি, দুই পক্ষ থেকে মীমাংসা করার আলোচনা চলছে।

অভিযুক্ত দুই প্রবাসীর স্ত্রী জানান, বজলুর রহমান নিয়মিত তাদের নির্যাতন করতো। সোমবার গভীর রাতে তাদের বাড়িতে গিয়ে দুইজনের সাথে মেলামেশা করার চেষ্টা করে। পরে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে হাতের কাছে থাকা ব্লেড দিয়ে বজলুর রহমানের গোপনাঙ্গ কেটে দেয়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা কাগমারি পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মাজেদ জানান, পরিবারের অভিযোগ নেই। তারা পারিবারিকভাবে মীমাংসা করছেন বলে উভয়ের অভিভাবক জানিয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. জুন ২০২২ ১০:৩৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদ্রাসাশিক্ষকের ওপর হামলা, জড়িতদের বিচার দাবি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদ্রাসাশিক্ষকের ওপর হামলা, জড়িতদের বিচার দাবি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মাদ্রাসার শিক্ষককে মারধর ও লাঞ্ছিতের ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী। মঙ্গলবার ( ৭ জুন) সকাল ৯টায় উপজেলার সিরাজকান্দি দাখিল মাদ্রাসার সামনে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাদ্রাসার ছাত্রীদের উত্যক্তে বাধা ও প্রতিবাদ করায় শিক্ষকদের বহিরাগত যেসব বখাটেরা লাঞ্ছিত ও মাধধর করে আহত করেছে তাদের সবাইকে দ্রুত গ্রেফতার করে বিচার ও শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ইভটিজিংকারী বখাটে অভিযুক্ত দুইজন গ্রেফতার হলেও বাকিদের গ্রেফতারে গড়িমসি করছে পুলিশ। তারা এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি করছি।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আব্দুল কদ্দুস, সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলামসহ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, বাকি আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত আছে।

উল্লেখ্য, গত ২৯ মে দুপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীদের কমনরুমের কাছে টয়লেটের উপর দিয়ে উঁকি দেয় জাহিদ ও সাগর নামের দুই বখাটে। এ সময় মাদ্রাসার শিক্ষকরা টের পেলে বখাটে দুইজনের মধ্যে সাগর পালিয়ে যায় এবং জাহিদকে ধরে অফিস কক্ষে নিয়ে আসে শিক্ষকরা।পরে জাহিদকে তার এক বড়ভাই ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।

পরের দিন সোমবার দুপুরে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলাম ও মুন্নাফ নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় পুনর্বাসনের কাছে পৌঁছলে জাহিদ, সাগর, শাহাদত, বাছেদ, স্বপনসহ ৮-১০ জন বখাটে তাদের মারার জন্য পথ আটকায়। একপর্যায়ে বখাটেরা রড ও ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে মাথায় ও হাতে আঘাত করে। পরে স্থানীয় ও শিক্ষকরা তাদের উদ্ধার করে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করেন

ঘটনার একদিন পর আহত শিক্ষক নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৫ জনের নামোল্লেখ করে ভূঞাপুর থানায় মামলা করলে টাঙ্গাইল র্যা ব-১২ সিপিসি ৩ এর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে গত বুধবার সাগর ও স্বপনকে গ্রেফতার করে ভূঞাপুর থানায় সোপর্দ করে র্যা ব।পরে বৃহস্পতিবার বিকালে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠায় ভূঞাপুর থানা পুলিশ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. জুন ২০২২ ০৬:৫৫:পিএম ৪ বছর আগে
মওলানা ভাসানীর মাজারে মৌসুমী ফলের উৎসব অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

মওলানা ভাসানীর মাজারে মৌসুমী ফলের উৎসব অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার প্রাঙ্গনে মৌসুমী ফলের উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুন) বাদ আসর এ মৌসুমী ফলের উৎসবে মওলানা ভাসানীর অনুসারী, ভক্ত ও মুরিদানগণ অংশগ্রহণ করেন।

মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তাঁর জীবদ্দশায় ভক্ত-মুরিদানদের নিয়ে প্রতি বছরই এ মৌসুমী ফল উৎসবের আয়োজন করতেন বলে জানা যায়।

অনুষ্ঠানে ন্যাপ ভাসানী ও খোদা-ই-খেদমতগারের সভাপতি হাসরত খান ভাসানী, ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য-সচিব আজাদ খান ভাসানীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. জুন ২০২২ ০৩:৪২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রী সুনিকা হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রী সুনিকা হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে কলেজ ছাত্রী সুনিকা খাতুনের হত্যার বিচার চেয়ে মানববন্ধন করেছেন তার সহপাঠীরা।

মঙ্গলবার (৭ জুন ) দুপুরে উপজেলার হেমনগর ডিগ্রী কলেজের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়।

এতে কলেজের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী, নিহত সুনিকার পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন।

মনববন্ধনে হেমনগর ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম, প্রভাষক সোহেল রানা, আজমত হোসেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহবুব হাসান টুটুল, কলেজ শাখা ছাত্র লীগের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শাকিল আহমেদ, ইউনিয়ন ছাত্র লীগের সাবেক সম্পাদক সবুজ আহমেদ, সুনিকার বাবা দুলাল হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

বক্তারা সুনিকার হত্যাকারী তার স্বামী সুমনের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি কার্যকরের দাবি জানান।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল হেমনগর ডিগ্রি কলেজর শিক্ষার্থী সুনিকার সঙ্গে সুমনের বিয়ে হয়। সুনিকা সুমনের দ্বিতীয় স্ত্রী হওয়ায় তাদের সংসার প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। গত ২১ মে টাঙ্গাইলের গোপালপুরের নতুন শিমলা পাড়া গ্রামের শ্বশুর বাড়িতে এসে স্ত্রী সুনিকা খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তার স্বামী সুমন (৩১)। ঘটনার পর সুনিকার বাবা গোপালপুর থানায় মেয়ের স্বামী সুমনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ে করেন। এরপরই পুলিশ সুমনকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. জুন ২০২২ ০২:২৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সহপাঠী হত্যার বিচার চেয়ে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সহপাঠী হত্যার বিচার চেয়ে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সহপাঠী সুমাইয়া হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন টাঙ্গাইলের কালিহাতীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

রোববার (৭ নভেম্বর) দুপুরে শামসুল হক কলেজ মোড় এলাকায় আয়োজিত মানববন্ধনে এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় ছাড়াও শামসুল হক কলেজ, লুৎফর রহমান মতিন কলেজ, এলেঙ্গা বিএম কলেজ, জিতেন্দ্রবালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আড়াইহাজার শিক্ষক, শিক্ষার্থী অংশ নেন।

এসময় বক্তব্য দেন- এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মোল্লা, সরকারি শামসুল হক কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ারুল কবীর, লুৎফর রহমান মতিন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, এলেঙ্গা বিএম কলেজের অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল করিম তালুকদার, জিতেন্দ্রবালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রদান শিক্ষক গোবিন্দ চন্দ্র সাহা ও নিহত সুমাইয়ার চাচা ফিরোজ মিয়া প্রমুখ।

ekotar kantho

একাধিক ছাত্রী বলেন, এ হত্যাকাণ্ডে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যারা জড়িত, তাদের চিহ্নিত করতে হবে। এছাড়া তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অপরদিকে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ, ইভটিজিং মুক্ত শিক্ষাঙ্গন এবং রাস্তাঘাটে মেয়েদের নিরাপত্তার দাবি জানান তারা।

নিহত সুমাইয়ার চাচা ফিরোজ মিয়া জানান, এ হত্যাকাণ্ড একা ঘটানো সম্ভব হয়নি। পুলিশ এ ঘটনায় কয়েকজনকে আটকও করেছিল। আমরা মামলা করার পরও তাদের আদালতে পাঠায়নি। প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাদেরও বিচার দাবি করছি। আমরা ধারণা করছি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা জড়িত।

এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা জানান, এলেঙ্গা ক্লাব থেকে কিশোর গ্যাংয়ের সৃষ্টি। এ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা সুমাইয়াকে হত্যা করেছে। কিশোর গ্যাং তৈরিতে যারা অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছে তাদেরও বিচার চাই। যে ছুরি দিয়ে সুমাইয়াকে হত্যা করা হয়েছে সেই ছুরি হাতে নিয়ে ৭২ ঘণ্টা আগে কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান মনির টিকটক করেছে। ভিডিওটি প্রশাসনের সব গোয়েন্দা সংস্থার হাতে আছে। এছাড়াও ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা হয়েছে। এলেঙ্গা শিক্ষা নগরীকে যারা অরক্ষিত বানাতে চায়, সেই হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি করছি। এই ফাঁসির মধ্য দিয়ে এলেঙ্গা আবার শান্তির নগরীতে পরিণত হবে।

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, মামলাটি তদন্তাধীন। তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে মনির ছাড়া হত্যাকাণ্ডে কিংবা পরিকল্পনায় আর কেউ জড়িত থাকলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২৭ অক্টোবর সকালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গার কলেজ পাড়া এলাকার খোকনের নির্মাণাধীন বাড়ির নীচতলার সিঁড়িকোঠা থেকে সুমাইয়ার মরদেহ ও আহত অবস্থায় মনিরকে উদ্ধার করা হয়। নিহত সুমাইয়া কালিহাতী পালিমা গ্রামের ফেরদৌস আলমের মেয়ে। পরদিন সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মনিরের মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার ভোরে ফেরদৌস আলম বাদী হয়ে মনিরকে আসামি থানায় মামলা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জুন ২০২২ ১১:১৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে রাতের আঁধারে বিক্রি হচ্ছে সরকারি বালু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে রাতের আঁধারে বিক্রি হচ্ছে সরকারি বালু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় বুড়িগঙ্গা নদী পানি প্রবাহ বৃদ্ধি প্রকল্পে উত্তোলনকৃত সরকারি বালু রাতের আঁধারে বিক্রি করছে একটি চক্র।

সরকারি বিধি নিষেধ তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছাঁয়ায় ওই মহলটি সরকারি বালু বিক্রির এই হরিলুট চালাচ্ছে। প্রশাসনের তৎপরতার কারনে বর্তমানে বালু বিক্রি বন্ধ থাকলেও, চক্রটি আবার বালু বিক্রির জন্য তৎপর হয়ে উঠছে।

জানাগেছে, এলেঙ্গা পৌরসভার কুড়িঘুড়িয়া ও ধলাটেঙ্গর নামকস্থানে স্থানীয় আশরাফ আলী, জহিরুল ইসলাম, আব্দুল বারেক, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও দশকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক ভুইয়ার ছেলে যুবলীগ নেতা রাসেল ভুইয়া, দেলোয়ার হোসেন, অছিমুদ্দিন, ফজল হক, হারুন , জাহাঙ্গীর, সোহেল রানা, রিপন মিয়া, অমিত ও জাকির মিয়া খননকৃত বালু রাতের আঁধারে ট্রাক দিয়ে দেদারছে বিক্রি করছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার কুড়িঘুড়িয়া ও দশকিয়া ইউনিয়নের ধলাটেঙ্গর নামকস্থানে নিউ ধলেশ্বরী নদীর পাশে খননকৃত সরকারি বালু রশিদের মাধ্যমে বিক্রি করছে। মাঝে মধ্যে প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করলে কিছুদিন বন্ধ রাখার পর আবার তৎপর হয়ে উঠে প্রভাবশালী এই চক্রটি। কোন ভাবেই সরকারি এই বালু বিক্রি বন্ধ করা যাচ্ছে না। ফলে সরকার বিপুল পরিমান আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, রাতের আঁধারে বালু বিক্রি করলে প্রশাসনের চোখকে অতি সহজেই ফাঁকি দেওয়া যায়। তাই রাতের আঁধারে ড্রাম ট্রাকের মাধ্যমে সরকারি উত্তোলনকৃত বালু বিক্রি করছে একটি চিহ্নিত চক্র। চক্রটি প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেনা।সারারাত বালু ভর্তি ট্রাক চলাচলের কারনে স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘুমসহ জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তারা দ্রুত এ অবৈধ বালু বিক্রি বন্ধের দাবি জানান।

এই অবৈধ বালু বিক্রি চক্রের হোতা আশরাফ আলীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, প্রশাসনের কড়া নজরদারীর কারনে দুদিন ধরে অবৈধ বালু বিক্রি বন্ধ আছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবার বালু বিক্রি শুরু হবে।

এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার( ইউএনও) নাজমুল হোসাইন জানান, অবৈধভাবে সরকারি উত্তোলনকৃত বালু বিক্রি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। ধলাটেঙ্গর ও কুড়িঘুড়িয়া নামকস্থানে যদি অবৈধভাবে বালু বিক্রি করা হয়ে থাকে, দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত। সরকারি উত্তোলনকৃত বালু রাতের আঁধারে বিক্রিকারীদের নাম উল্লেখ করে ইতোমধ্যে কালিহাতী উপজেলা প্রশাসনকে মামলা করতে বলা হয়েছে। আশাকরি, উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জুন ২০২২ ০২:৫০:এএম ৪ বছর আগে
নাগরপুরে প্রয়াত সাবেক প্রতিমন্ত্রী গৌতম চক্রবর্তী’র শ্রাদ্ধানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

নাগরপুরে প্রয়াত সাবেক প্রতিমন্ত্রী গৌতম চক্রবর্তী’র শ্রাদ্ধানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, বিএনপি কেন্দ্রীয় পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী’র আদ্য শ্রাদ্ধানুষ্ঠান সোমবার (৬ জুন) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ অনুষ্ঠান নাগরপুর উপজেলা সদর চৌধুরী বাড়ি এলাকায় অবস্থিত প্রয়াতের নিজ বাড়িতে নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আয়োজন করা হয়েছে। এসময় প্রয়াতের স্ত্রী, পুত্র, কন্যা ও আত্মীয়-স্বজন সহ শুভানূধ্যায়ীরা উপস্থিত থেকে পরলোকের আত্মার শান্তি কামনা করেন।

বিএনপি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, নির্বাহী কমিটি সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী এবং আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক উপ-কমিটি সদস্য তারেক শামস খান হিমু শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রয়াত এই কেন্দ্রীয় নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।

এছাড়াও সাবেক মন্ত্রী নূর মোহাম্মদ খান, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি আহ্বায়ক আহমেদ আযম খান, সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুগ্ম আহ্বায়ক এড. ফরহাদ ইকবাল, সদস্য আলী ইমাম তপন, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রবিউল আওয়াল লাভলু, নাগরপুর উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান হবি, সদস্য শরিফ উদ্দিন আরজু, সহবতপুর ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ মোল্লা সহ জেলা-উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা তার আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, এড. গৌতম চক্রবর্তী গত ২৭ মে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন। গৌতম চক্রবর্তী ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১, ২০০৬ মেয়াদ কালে তিনি পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ২০০৮ ও ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৬ সংসদীয় আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৮ বছর। দীর্ঘ সংসার জীবনে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে সন্তান সহ অসংখ্য রাজনৈতিক সহকর্মী, আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জুন ২০২২ ০১:০১:এএম ৪ বছর আগে
নানা কার‌ণে দেশে চা‌লের দাম বে‌ড়ে‌ছে : কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

নানা কার‌ণে দেশে চা‌লের দাম বে‌ড়ে‌ছে : কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, করোনা, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক বাজারে দামবৃদ্ধিসহ নানা কারণে চালের দাম কিছুটা বেড়েছে।

শীঘ্রই চালের বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে। এ বছরও পর্যাপ্ত চাল উৎপাদন হয়েছে। দেশে খাদ্য নিয়ে কোনো হাহাকার হবে না, খাদ্যের কোনো সংকট থাকবে না।

সোমবার (৬ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের গণ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আ‌য়ো‌জিত উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কৃ‌ষিমন্ত্রী ব‌লেন, আজকের আওয়ামী লীগ যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক সুসংহত, শক্তিশালী ও সচেতন। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম। দলের এই অবস্থাকে ধরে রাখতে হবে। সেজন্য যারা বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দলের সুনাম ক্ষুণ্ন করছে, তাদেরকে দলের নেতৃত্বে আনা যাবে না। দলের বিপদে-আপদে সব আন্দোলন-সংগ্রামে যারা সামনে থাকবে তাদেরকে নেতা নির্বাচন করতে হবে, দলে জায়গা দিতে হবে।

তি‌নি ব‌লেন, গত ১৪ বছরে আজকের দিন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের আমলে একজন মানুষও না খেয়ে মারা যায়নি। কোনো মানুষ না খেয়ে থাকার কষ্ট করেনি। আমাদের যে সম্পদ রয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার যে রিজার্ভ রয়েছে, তাতে যেকোনো পরিস্থিতি আমরা মোকাবিলা করতে পারব।

উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম ওরফে লেবুর সভাপতিত্বে সম্মেল‌নে উপ‌স্থিত ছি‌লেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রিয়াজুল কবীর কাওছার, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এম‌পি প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জুন ২০২২ ১২:৫৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শিশু গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পিবিআই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিশু গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পিবিআই

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে সূত্রহীন  (ক্লু-লেস) ২য় শ্রেনির ছাত্রী তিশা (৯) কে গনধর্ষণসহ হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করার দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) টাঙ্গাইল। গনধর্ষণ ও হত্যাকান্ডে জড়িত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার(৬ জুন) সকালে এ তথ্য প্রকাশ করে পিবিআই।

পিবিআই জানিয়েছে, শিশু তিশার প্রতি বিকৃত যৌন লালসা গ্রেফতারকৃত আসামিরা মনে পোষণ করে। সেই জেরে তিশাকে গনর্ধষণ ও হত্যা করার জন্য ওড়না দিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে পালিয়ে যায় আসামীরা।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলো- টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ভাটপাড়া এলাকার স্বপন মন্ডলের ছেলে গোবিন্দ মন্ডল (১৯), একই এলাকার আনন্দ মন্ডলের ছেলে চঞ্চল চন্দ্র মন্ডল (১৭) ও লালিত সরকারের ছেলে বিজয় সরকার (১৬)। আসামীরা শিশু তিশাকে গনর্ধষণ ও হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা পিবিআই এর কাছে স্বীকার করেছে।

টাঙ্গাইল পিবিআই এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমীন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানায়, গত ২৬ মে সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার বন্দে ভাটপাড়া গ্রামের মো: আবু ভূইয়ার কন্যা শহীদ ক্যাডেট একাডেমির ২য় শেনির ছাত্রী তিশা আক্তার (৯) কে বসত ঘরের উত্তর পাশের রুমে ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় পাওয়া যায়।

ওই সংবাদের ভিত্তিতে পিবিআই এর একটি চৌকস ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সংগ্রহ করে। পরে পিবিআই টিম জানতে পারে ঘটনার দিন সকালে মো: আবু ভূইয়ার স্ত্রী সম্পা বেগম তার ছেলে ৫ম শ্রেনির ছাত্র মো: শুভ ভূইয়া (১২) ও ২য় শ্রেনির ছাত্রী মেয়ে তিশা আক্তারকে (৯) স্থানীয় শহীধ ক্যাডেট একাডেমিতে নিয়ে যায়।

দুপুরে স্কুল ও কোচিং শেষ হলে তিশা বাড়িতে চলে আসে। ছেলে শুভ সময় মত বাড়িতে না আসায় তার মা তাকে খুঁজতে বের হয়। এসময় তিশা বাড়িতে একাই ছিলো। পরে শুভকে এলাকার ফজলুর দোকানে বসে থাকতে দেখে। এসময় শুভকে জুস কিনে দেয় এবং পাশের অমত মেম্বারের দোকান হতে বিস্কুট কিনেন ও দোকানদারের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।

এতে প্রায় ঘন্টাখানিক সময় দেরি হয় তাদের বাড়িতে ফিরতে। বাড়িতে ফিরে মা ও ভাই দেখতে পায় বসত ঘরের উত্তর পাশের রুমে তিশা খাটের উপর ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলে আছে। এসময় মা ও ভাই তিশাকে বাঁচানোর জন্য ফাঁসের ওড়না খুলে দেয়ে। পরে তাদের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে এবং তিশাকে অচেতন অবস্থায় প্রথমে বাসাইল উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এসময় দায়িত্বরত চিকিৎসকরা তিশাকে টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার্ড করে। কিন্তু তিশার অবস্থা ভালো না থাকায় টাঙ্গাইল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন চিকিৎসকরা। মেয়ের মা সম্পা বেগম মেয়েকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলে পথিমধ্যে এ্যাম্বুলেন্সটি নষ্ট হয়। এতে শিশু তিশার অবস্থা আরো থারাপ হতে থাকে। ফলে মেয়েকে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ মে বিকেলে শিশু তিশা মারা যায়। বাসাইল থানা পুলিশ তিশার লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত ও ময়না তদন্ত শেষে ২৯ মে তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেয়। এ ঘটনায় পিবিআই টাঙ্গাইল তাদের ছায়া তদন্ত অব্যাহত রাখে। এ ঘটনায় ২৯ মে বাসাইল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়।

পরবর্তীতে ৪ জুন তিশার ময়না তদন্ত রির্পোটে গনধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়। ওইদিনই তিশার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে বাসাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়। পরে পিবিআই টাঙ্গাইল গনধর্ষণ ও হত্যা মামলাটি নিজ উদ্যোগে তথ্য প্রযুক্তি, ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা ও বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (নি:) খন্দকার আশরাফুল কবিরের নেতৃত্বে একটি চৌখস দল অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সাথে জড়িত তিন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামী গোবিন্দ মন্ডল পেশায় একজন পিকআট ড্রাইভার, বিজয় সরকার তার সহযোগী ও চঞ্চল একজন অটো মেকানিক। এদের মধ্যে একজনকে বাসাইল পৌরসভার কাঁচাবাজার এলাকায় ও অপর দুই আসামীকে তাদের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা এ ঘটনার সাথে জড়িত হওয়ার কথা স্বীকার করে এবং তারা জানায়, তিশা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ও পুজায় চমৎকার নাচ করতো। তার নাচের প্রতিভায় সবাই মুগ্ধ ছিল।

পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় আসামিরা সকল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতো। তখন থেকে আসামিরা শিশু তিশার প্রতি বিকৃত লালসা তাদের মনে মনে পোষণ করে এবং বিভিন্ন ভাবে তিশাকে উতক্ত্য করতো। পরে তারা তিশার মায়ের গতিবিধি অনুসরণ করতে থাকে। একদিন আসামিরা জানতে পারে তিশার মা তিশাকে বাড়িতে একা রেখে ছেলেকে আনতে যায়। এই সুযোগে ঘটনার দিন বাড়িতে কেউ না থাকায় তিশার রুমে প্রবেশ করে তার হাত, মুখ, পা চেপে ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষনের ফলে তিশা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তখন আসামিরা ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য তিশার গলায় তার মায়ের ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পুলিশ সুপার আরো জানায়, এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিহত শিশু তিশার বড় ভাই শিশু শুভ কান্না জড়িত কন্ঠে ছোট্ট বোনটির হত্যাকারীদের বিচার দাবী করে বলে, আমি সব সময় বাড়িতে আমার ছোট বোনকে খুঁজে বেড়াই। কিন্তু ওকে কোথাও পাই না। তখন আমার অনেক কষ্ঠ লাগে। আমার বোনকে যারা হত্যা করেছে তাদের ফাঁসি চাই।

শিশু তিশার মা সম্পা বেগম বলেন, আমার ওই ছোট্ট মেযেটিকে কখনো ফুলের টোকাও দেয়নি। ওরা আমার অবুঝ মেয়েকে যে অমানবিক নির্যাতন করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেছে তাদের একই রকমভাবে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হোক। আমি এর বিচার চাই।

শিশু তিশার বাবা মো: আবু ভূইয়া বলেন, যারা আমার মেয়ের সাথে এ ধরনে কাজ করেছে তাদের কঠিন শাস্তি চাই। বিচার বিভাগের মাধ্যমে এমন একটি শাস্তি চাই যা দেখে আর কেউ যেন এমন করার সাহস না পায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জুন ২০২২ ০৪:০৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সাপের দংশনে সাপুড়ের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাপের দংশনে সাপুড়ের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে সাপের দংশনে হায়দার আলী মণ্ডল (৬৫) নামের এক সাপুড়ের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ( ৪ জুন) বিকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতিকালে তার মৃত্যু হয়। নিহতের জামাতা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত হাফিজুল ইসলাম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহত হায়দার আলী মণ্ডল মধুপুর উপজেলার ফুলবাগচালা ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত তহর মণ্ডলের ছেলে। ছোটবেলা থেকে সাপ ধরা, সাপ নিয়ে খেলা ছিল তার প্রধান শখ। খবর শুনলেই ছুটে যেতেন সাপ ধরতে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, শোলাকুড়ি দীঘির পশ্চিমপাড়ের ভাসানী মোড় এলাকা থেকে ধরা বিষধর সাপ শনিবার  সকালে হায়দার আলী মণ্ডলকে দংশন করে। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে টোটকা চিকিৎসা দেওয়া হয়। এতে কালক্ষেপণে আরও খারাপ অবস্থার দিকে আগাতে থাকে। বিকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতিকালে হায়দার আলীর মৃত্যু হয়।

স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক উপ-পরিচালক ডা. শামসুল হক জানান, প্রতিটি হাসপাতালেই এখন এন্টিভেনম (সেরাম)  থাকার কথা। অবৈজ্ঞানিক টোটকা চিকিৎসা আর অবহেলায় বিলম্ব না করে হাসপাতালে নিয়ে আসলেই এ পরিণতি নাও হতে

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. জুন ২০২২ ০৭:৩৩:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।