একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ২ নারী সহ ৬ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ।
শনিবার (২৬ আগস্ট) বিকালে দেলদুয়ার-পাকুল্লা আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের সুবর্ণতলী এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাছির উদ্দিন মৃধা।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের নান্দুরিয়া গ্রামের মৃত সমেজ উদ্দিনের ছেলে মো. ফরহাদ হোসেন (৬০), মো. মনজু মিয়ার ছেলে মো. পায়েল আহমেদ (২৩), মো. শুকুর মিয়ার ছেলে মো. মিজান মিয়া (৩৫), নরসিংদি জেলার রায়পুরা উপজেলার মৃত আব্দুল হাইয়ের ছেলে মো. বিল্লাল হোসেন (২৫), মৃত আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী আছিয়া বেগম (৫০) ও সুমন মিয়ার স্ত্রী বৃষ্টি বেগম (২২)।
দেলদুয়ার থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেলদুয়ার-পাকুল্লা আঞ্চলিক সড়কের সুবর্ণতলী এলাকা থেকে ২ কেজি গাজা, ৩টি মোবাইল ফোন, নগদ ৩২ হাজার ২৫০ টাকাসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম বদলি হওয়ায় থানায় লাগানো এসি, টেলিভিশন, আইপিএস ও সোফা খুলে নিয়েছেন। এভাবে থানার জিনিসগুলো খুলে নেওয়ার ঘটনায় আলোচনা- সমালোচনার ঝড় বইছে।
শুক্রবার (২৫ আগষ্ট) রাত ৯টার দিকে থানার পুলিশ সদস্য উদয় ও বহিরাগত আরিফ এবং ভ্যান চালকের সহায়তায় থানার কক্ষ থেকে জিনিসপত্রগুলো খোলা হয়। এরপর সেগুলো থানা থেকে ভ্যানযোগে ওসির কোয়ার্টারে নেওয়া হয়।
এ দিকে থানার সৌন্দর্য্য বর্ধনের জন্য যারা জিনিসগুলো উপহার দিয়েছেন তারা বিরূপ মন্তব্য করেছেন। এছাড়াও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, একজন ওসি ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তা। সর্বসাকুল্যে তিনি ২২ হাজার টাকা মূল বেতন ও আনুষাঙ্গিক মিলিয়ে ৫০ হাজার টাকার মত বেতন পান। (হিসেবটি আনুমানিক ধরা হয়েছে, চাকরির মেয়াদ, ইনক্রিমেন্ট অনুযায়ী কমবেশি হতে পারে)
এ টাকার বেতনভুক্ত একজন সরকারি কর্মচারী একটি ১ টনের এসি, ৫৬” এলইডি স্মার্ট টেলিভিশন, সোফা সেট কেনার মতো আর্থিক সামর্থ্য রাখেন না। যদি না তিনি এসবকারও কাছ থেকে উপহার হিসেবে পান। সেই উপহারের জিনিস ওসি বদলি হওয়ায় খুলে নেওয়া এলাকাজুড়ে চলছে সমালোচনা, কানাঘুষা।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৪ আগষ্ট) পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার স্বাক্ষরিত স্মারক নং ৫১৭০/১ (৪৯) (আরওআই) আদেশে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার এই বদলির আদেশের পরের দিন শুক্রবার রাতে থানার এসি, টেলিভিশন, সোফা ও আইপিএস খুলে নেওয়া হয়।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক ব্যবসায়ীরা জানান, থানায় জিনিসপত্র ব্যক্তিগত কাউকে দেওয়া হয় না। থানায় যে ওসি আসবে সেই ব্যবহার করবে। এজন্যই জিনিসপত্রগুলো কেনার জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে। এতো নিচু মন মানসিকতার ওসির সেটা জানা ছিল না।
থানার পুলিশ সদস্য উদয় বলেন, ওসি স্যারের নির্দেশে জিনিসপত্রগুলো খুলে নেওয়া হয়েছে। এরপর সেগুলো ভ্যানযোগে ওসির কোয়ার্টারে রাখা হয়েছে।
নিকরাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জুরান মন্ডল বলেন, থানার সৌন্দর্য্য বর্ধন ও থানার যেই ওসি আসুক তারা যেন সুবিধা ভোগ করতে পারে সেজন্য বালু মহলের টাকা দিয়ে জিনিসপত্রগুলো দেওয়া হয়েছে। থানার স্বার্থে, কারও ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নয়। শুনেছি তিনি সেগুলো খুলে নিয়ে যাচ্ছেন, এটা ঠিক না। তাকে ব্যক্তিগতভাবে দেওয়া হয়নি। তার চেয়ারটাকে সম্মান করে দেওয়া হয়েছে।
ভূঞাপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. লুৎফর রহমান জানান, ওসির টাকায় কেনা জিনিসপত্র হলেতো সে নিতেই পারে। এই বিষয়ে আমার কোন মন্তব্য নেই।
বদলি হওয়া ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, যেগুলো থানা হতে খোলা হয়েছে সেগুলো ব্যক্তিগত টাকা দিয়ে কেনা। সুতরাং সেগুলো আমি নিতেই পারি।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, কারও অনুদানের টাকায় কিনে থাকলে সেগুলো ওসি নিতে পারেন না। যদি ব্যক্তিগত টাকায় কেনা হয় তাহলে নিতে পারবেন। যদিও এই বিষয়ে কিছুই জানি না।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর এলাকার কলেজ পাড়া নিবাসী বিশিষ্ট চিকিৎসক,সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী এম এ হালিম ইন্তেকাল করেছেন।
তিনি শুক্রবার ( ২৫ আগস্ট) রাত ১০টায় ছোট মেয়ের ঢাকাস্থ বসুন্ধরার বাসভবনে বার্ধক্য জনিত কারনে মৃত্যু বরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর। তিনি স্ত্রী ,দুই পুত্র, পাঁচ কণ্যা, নাতি-নাতনি সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার বড় ছেলে মোঃ সাইফুর রহমান খোকন দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার ক্রীড়া বিভাগের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ডা: হালিমের প্রথম নামাজে জানাযা শনিবার(২৬ আগষ্ট ) সকাল ১০টায় পৌর শহরের কলেজ পাড়া পানির ট্যাংক মসজিদে ও বাদ যোহর করটিয়া ইউনিয়নের খুদিরামপুর জামে মসজিদ মাঠে দ্বিতীয় জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।পরে তাকে খুদিরামপুরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তার মৃত্যুতে টাংগাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আতোয়ার রহমান, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশীদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হামিদুল হক মোহন, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ১৩ নারীসহ ২৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার গোড়াই শিল্পাঞ্চলের গোড়াই এলাকায় ইয়ার গার্ডেন আবাসিক হোটেল থেকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়।
মির্জাপুর থানা সূত্রে জানা যায়, গোড়াই দক্ষিণ নাজিরপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোবারক হোসেন খান ও মোতালেব হোসেন খানের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় ইয়ার গার্ডেন নামের একটি আবাসিক হোটেল রয়েছে। সেখানে ১০টি কক্ষে প্রতিদিন নারীদের এনে অসামাজিক কার্যকলাপ চালানো হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এমন খবর পেয়ে পুলিশ শুক্রবার দুপুরে সেখানে অভিযান চালায়।
অভিযানে হোটেলের ম্যানেজারসহ অসামাজিক কাজের সঙ্গে জড়িত ১৩ নারী ও ১২ পুরুষকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- হোটেলের ম্যানেজার পিন্টু, বরিশালের উজ্জল হোসেন, কুড়িগ্রামের সাইদুল, রংপুরের মামুন, নারায়ণগঞ্জের আবু তালেব, লালমনিরহাটের সোহাগ, কুড়িগ্রামের ফারুক হোসেন, টাঙ্গাইলের মিজানুর রহমান, পাবনার আলম, বগুড়ার খাজা মোল্লা, কিশোরগঞ্জের মিম আক্তার, কুড়িগ্রামের জয়নব বেগম ও শিল্পী আক্তার, কুষ্টিয়ার হাসিনা বেগম ও রহিমা বেগম, গাইবান্ধার সাথি বেগম, শরিফা আক্তার ও সাবিনা আক্তার, গাজীপুরের কৃষ্টি আক্তার, বরিশালের সোনিয়া আক্তার, দিনাজপুরের হোসনে আরা বেগম, বরিশালের তানজিলা আক্তার ও শেরপুরের নাসিমা আক্তার।
মির্জাপুর থানার দেওহাটা ফাঁড়ির ইনচার্জ ও উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আইয়ুব খান জানান, গোড়াই শিল্পাঞ্চল এলাকায় আবাসিক হোটেলের নামে ইয়ার গার্ডেনে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চলে আসছিল। অভিযান চালিয়ে জড়িতদের আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ছাড়া জড়িত না থাকায় দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে অজ্ঞাত এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের সেনের মাকুল্লা গ্রামের বৈরাণ নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, স্থানীয় লোকজন নদীর ধারে কাজ করতে গিয়ে পানিতে ভাসমান অবস্থায় মৃতদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। লাল শার্ট ও প্যান্ট পড়া লাশের বিভিন্ন অংশ ফুলে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। মুখে রক্ত লেগে চেহারা বিবর্ণ রুপ ধারণ করেছে।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, স্থানীয়রা নদীর পাড়ে কাজ করতে গিয়ে পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত ওই যুবকের মরদেহটি দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
তিনি আরও জানান, লাশের শরীরসহ মুখমণ্ডল পচে বিকৃত হয়ে গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে গিয়ে আরমান (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের সারপলশিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আরমান উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের সারপলশিয়া গ্রামের মো.বাদশা মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, শুক্রবার সকালে শিশু আরমান বাড়ির পাশে একটি পুকুরে গোসল করতে যায়। গোসল শেষে বাড়ি না ফেরায় বাবা-মাসহ প্রতিবেশীরা খুঁজতে থাকে। অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পুকুরে নেমে তল্লাশি চালায়। ঘন্ট্যাবাপী পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে পুকুর থেকে আরমানের মৃতদেহ উদ্ধার করে।
ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরফান আলী জানান, পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশুটির মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আলোচিত ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামকে জেলা পুলিশ লাইনে বদলি করা হয়েছে। জনস্বার্থে তাকে ভূঞাপুর থানা হতে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার আদেশ দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ আগষ্ট) পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার স্বাক্ষরিত স্মারক নং ৫১৭০/১ (৪৯) (আরওআই) আদেশে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইন (লাইনওআর) এ সংযুক্ত করা হল। একই আদেশে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত থাকা মো. আহসান উল্লাহকে ভূঞাপুর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে বদলি করা হয়।
এরআগে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে গণমাধ্যমে খবরের শিরোনাম হয়েছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বিশিষ্ট চিকিৎসক, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী ডা. হারুন অর রশীদ খান (ডা. এইচ আর খান) আর নেই।
বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) সকালে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া প্রদেশের রাজধানী মেলবোর্নের মোনাশ হেলথ সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি প্রায় দেড়বছর যাবত বার্ধক্য জনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।
মৃতুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। তিনি স্ত্রী, দুইপুত্র ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
শুক্রবার (২৫ আগস্ট) অস্ট্রেলিয়ার সময় সকাল দশটায় মেলবোর্নের ড্যানডেনঙের আলবেনিয়া মসজিদ প্রাঙ্গণে ডা. এইচ আর খানের জানাজার নামাজ শেষে সেখানকার বুনুরঙ মেমোরিয়াল পার্ক গোরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, ডা. এইচ আর খান বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন- বিএমএ টাঙ্গাইল শাখা, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল প্রাকটিশনার্স এসোসিয়েশন টাঙ্গাইল শাখা, বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি- এফপিএবি টাঙ্গাইল শাখা ও বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি- নাটাব টাঙ্গাইল শাখার সাবেক সভাপতিসহ বহু সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে দীর্ঘদিন ধরে পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করা ও প্লাস্টিকের বস্তায় চাল বিক্রির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২৩ আগস্ট) বিকালে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের গোবিন্দাসী বাজারে এ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অর্থদণ্ড প্রাপ্ত দুই ব্যবসায়ী হলেন- গোবিন্দাসী বাজারের মো: বেলাল হোসেন ও মো. আলমগীর। এদের মধ্যে বেলালকে ৩ হাজার ও আলমগীরকে ২ হাজার টাকা, মোট ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন- উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিমা বিনতে আখতার। এতে উপস্থিত ছিলেন- উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান খান।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিমা বিনতে আখতার জানান, পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন ২০১০-এর মাধ্যমে গোবিন্দাসী বাজারের দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এছাড়া সচেতনতায় লিফলেট বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মাহাবুবুর রহমান এ আদেশ দেন।
সাকিব মিয়া বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাসাইল দক্ষিণপাড়া গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, চলতি বছরের ১৪ মে দিবাগত রাতে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়া একজন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাবে বলে ওই গৃহবধূর স্বামীর মোটরসাইকেল নিতে আসে। মোটরসাইকেল নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই গৃহবধূর স্বামীকে মোটরসাইকেল ত্রুটির কথা বলে ডেকে নেন। এরই ফাঁকে তার সহযোগি সাইদুল মিয়া ও শাহেদ মিয়ার সহযোগিতায় সাকিব মিয়া ওই গৃহবধূকে কৌশলে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় গত ১৬মে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সাকিব ও তার দুই সহযোগী সাইদুল ও শাহেদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর তারা উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জন্য জামিন নেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সাকিব মিয়া আদালতে হাজির হন। পরে আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বাদিপক্ষের আইনজীবী জিনিয়া বখশ বলেন, মামলার প্রধান আসামি সাকিব মিয়া আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। পরে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরআগে মামলার বাকি দুই আসামি সাইদুল ও শাহেদ ১৫দিন কারাভোগের পর নিম্ন আদালত থেকে ২৩ জুলাই ফের জামিন পান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে র্যাব পরিচয়ে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। সোনালী ব্যাংক মির্জাপুর শাখা থেকে সৌদি প্রবাসী ইয়াকুব মোল্লার টাকা উত্তোলন করে হেলাল মোল্লা নামে তার এক চাচাত ভাই বাসযোগে বাড়ি যাচ্ছিলেন।
হেলাল মোল্লার বাড়ি মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের গবরা গ্রামে। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঘটনাটি ঘটলেও বুধবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে সোনালী ব্যাংক মির্জাপুর শাখায় পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার (ডিবি) সদস্যরা তদন্তে আসলে ঘটনাটি জানাজানি হয়।
জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে সৌদি প্রবাসী ইয়াকুব মোল্লার আনা কিছু স্বর্ণ চাচাত ভাই হেলাল মোল্লা মির্জাপুর বাজারের স্বর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ জুয়েলার্সে বিক্রি করেন। ৫ লাখ ২৮ হাজার টাকা নগদ এবং ১৪ লাখ টাকার চেক দেন ওই ব্যবসায়ী। পরে হেলাল মোল্লা সোনালী ব্যাংক মির্জাপুর শাখা হতে টাকা উত্তোলন করে মির্জাপুর বাইপাস বাস স্ট্যান্ড হতে বিনিময় পরিবহনের একটি বাসে উঠে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক হয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে শুভূল্যা নামক স্থানে একটি প্রাইভেটকার বাসের গতিরোধ করে।
পরে তারা র্যাবের পরিচয়ে টাকাসহ হেলাল মোল্লাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে প্রাইভেটকারে তুলে চোখ বেঁধে টাঙ্গাইলের দিকে রওনা হয়। টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে মহাসড়কের জামুর্কী কবরস্থান নামক স্থানে হেলালকে ফেলে ছিনতাইকারীরা কার নিয়ে চম্পট দেয়। ছিনতাইকারীদের পরনে র্যাবের কালো কটি ও হাতে পিস্তল এবং ওয়্যারলেস ছিল বলে হেলাল মোল্লা জানিয়েছেন।
এদিকে এ ঘটনায় মির্জাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হলে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরফুউদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার (ডিবি) সদস্যরা বুধবার বিকেলে সোনালী ব্যাংক মির্জাপুর শাখায় তদন্তে আসলে ঘটনাটি জানাজানি হয়।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) এস এম মুনসুর মুসা, মির্জাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) গিয়াস উদ্দিনসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরফুউদ্দীনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আশেকপুরে ৫নং জোবায়দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগমের বিরুদ্ধে পরীক্ষার ফি’র নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
তিনি বিদ্যালয়ের প্রায় ২ শত কোমলমতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে শ্রেনী ভেদে ৭০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত ফি আদায় করেছেন এমন তথ্য দিয়েছেন বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ।
টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবুল কালাম আজাদের জানান,প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা পরিচালনা ব্যায় নির্বাহের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি বিদ্যালয় আলাদা অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে কোনক্রমেই পরীক্ষার ফি’র টাকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা যাবে না। অথচ সরকারী প্রজ্ঞাপণের তোয়াক্কা না করে জোবায়দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুইশত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পরীক্ষা ফি বাবদ প্রায় ২০ হাজার টাকা আদায় করেছে। সরেজমিনে এমন অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।

জানা গেছে,টাঙ্গাইল পৌরসভার আশেকপুর এলাকায় ৫০ শতাংশ জায়গার উপর ১৯৬৪ সালে স্থাপিত এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ২শত। শিক্ষকের সংখ্যা ৮ জন। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে বিভিন্ন শ্রেনীর অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিদ্যালয়ের পরীক্ষা শেষে বেশ কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রীদের কথা বলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৭৫ টাকা হারে পরীক্ষা ফি আদায় করা হয়েছে। এছাড়া তৃতীয় শ্রেনী থেকে পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ১ শত টাকা হারে পরীক্ষার ফি আদায় করা হয়েছে।
তারা আরো জানায়, শুরুতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেনীর জন্য ১শত টাকা ও তৃতীয় শ্রেনী থেকে পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত ২শত টাকা পরীক্ষা ফ্রি নির্ধারন করা হয়।পরে অভিভাবকদের প্রতিবাদের মুখে পরীক্ষার ফি কমানো হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েক জন অভিভাবক জানায়,সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ালেখা থেকে শুরু করে বেতন-পরীক্ষা ফি সরকার বহন করে। এমনকি শিক্ষার্থীদের বছরের শুরুতেই বিনামুল্যে পাঠ্যপুস্তক দেওয়া হয়। এছাড়া মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখা উৎসাহ প্রদানের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে উপবৃত্তি প্রদান করা হয়।
অথচ জোবায়দা খানম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগমের একক সিদ্ধান্তের কারণে আমাদের সন্তানের কল্যাণ চিন্তা করে নিয়মবর্হিভুত ভাবে দাবি করা টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগম বলেন, তিনি কোন পরীক্ষা ফি বাবদ অতিরিক্ত টাকা আদায় করেননি। তার বিদ্যালয়ের কিছু ঈর্ষান্বিত সহকর্মী তাকে বিপদে ফেলার জন্য এসব অভিযোগ করেছে।
বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম জানান, তিনি ব্যবসা সুত্রে ঢাকায় থাকেন। যদি পরীক্ষা বাবদ অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগের সত্যতা মেলে তাহলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, কোন অবস্থাতেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি আদায় করা যাবে না। যদি কোন প্রধান শিক্ষক পরীক্ষার ফি নিয়ে থাকেন তবে তিনি আইনগতভাবে অপরাধ করেছেন।
তিনি আরো জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য বলা হয়েছে। যদি তদন্তে দোষী প্রমানিত হয় তবে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।