/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে মারা গেলেন বড় ভাইও - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে মারা গেলেন বড় ভাইও

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর শহীদ জিয়া মহিলা কলেজের শিক্ষক নূরুল আমিন (৫৮) রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে বড় ভাই আবুল হোসেন (৭০) সন্ধ্যায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি সরিষাবাড়ীর তারাকান্দি যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানির কর্মকর্তা ছিলেন।

শহীদ জিয়া মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মো. আবু সাদত বিপলু বলেন, জীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নূরুল আমিন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উচ্চ মাধ্যমিকের জীববিজ্ঞান পরীক্ষার প্রধান পরীক্ষক নিযুক্ত হন। এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) সপরিবারে তিনি ঢাকা যান। রাতে বড় ভাই আবুল হোসেনের বাসায় ছিলেন। শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে শিক্ষা বোর্ডে যাওয়ার পথে গুলশান-২ এলাকায় স্ট্রোক করেন। পরে পথচারীরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে তাঁর বড় ভাই আবুল হোসেন অসুস্থ থাকায় মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়নি। পরে সন্ধ্যায় ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর সংবাদ শুনে তিনিও স্ট্রোক করেন। পরে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকেও মৃত ঘোষণা করেন।

দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে পরিবার, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। রবিবার এশার নামাজের পর নূরুল আমিনকে এবং সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় তাঁর বড় ভাই আবুল হোসেনকে ভূঞাপুরের চর নিকলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে নিজ গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:০৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শ্যালিকাদের নিয়ে পুকুরে গোসলে নেমে লাশ হলেন নতুন জামাই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শ্যালিকাদের নিয়ে পুকুরে গোসলে নেমে লাশ হলেন নতুন জামাই

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিয়ের দুই দিনের মাথায় শ্যালিকাদের নিয়ে শ্বশুর বাড়ির পুকুরে গোসল করতে নেমে জাহাঙ্গীর হোসেন(২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর)দুপুরে মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের চাতারবাইদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত জাহাঙ্গীর ওই ইউনিয়নের আতেক্কার চালা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্ব) দুপুরে মহিষমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শুক্রবার জাহঙ্গীরের সঙ্গে চাতারবাইদ গ্রামের সেলিম উদ্দিনের মেয়ের বিয়ে হয়। এরপর রবিবার সকালে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ‘ফিরানী’ তে যান জাহাঙ্গীর। মেজবানি শেষে ওইদিন বিকেলেই আবার বাড়ি ফেরার কথা ছিল জাহঙ্গীরের। দুপুরে শ্বশুরবাড়ির পাশের পুকুরে শ্যালক-শ্যালিকাদের সঙ্গে গোসলে নামেন জাহাঙ্গীর। হঠাৎ পুকুরে ডুবে যান তিনি। এরপর ভেসে না উঠায় ডাকাডাকি শুরু করে শ্যালক-শ্যালিকারা। এ সময় আশপাশের সবাই এগিয়ে এসে পানিতে নেমে তাকে খুঁজতে শুরু করেন। প্রায় আধা ঘন্টা চেষ্টার পর জাহাঙ্গীরের নিথর দেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। এ সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, পুকুরে ডুবে জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয়। ধারনা করা হচ্ছে সাঁতার না জানায় মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটতে পারে।

তিনি আরও জানান,মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১১:০৯:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইঁদুর মারার বিষ পানে ২ শিশু ভাই-বোনের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইঁদুর মারার বিষ পানে ২ শিশু ভাই-বোনের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ ঘরে থাকা ইঁদুর মারার বিষ পান করে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুই শিশু ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের শালিয়াবহ গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

মৃত দুই শিশু হলেন, ওই গ্রামের শাহ-আলম মিয়ার ছেলে তাওহীদ মিয়া (৪) ও মেয়ে তানজিলা আক্তার (২)।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে পারিবারিক কাজে শাহ-আলমের স্ত্রী ব্যস্ত ছিলেন। এমন সময় ঘরে থাকা ইঁদুর মারার বিষ পান করে ফেলে তাওহীদ ও তানজিলা। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় পেঁচারআটা বাজারে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই দুই শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।

শাহ-আলম বলেন, আমি কাজে বাড়ির বাইরে ছিলাম। এসময় তাওহীদের মা পারিবারিককাজে ব্যস্ত ছিল। এর ফাঁকে ছেলে-মেয়েরা ঘরে রাখা ঈদুরের বিষ খেয়ে ফেলে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মাহবুব উল হক মাছুদ বলেন, ঘরে থাকা বিষ খেয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জেনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। তারা তদন্ত করছে।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বলেন, শিশু দুটি কৃষক পরিবারের সন্তান। তাদের মা পারিবারিক কাজে ব্যস্ত ছিলনে। ধারণা করা হচ্ছে ঘরে রাখা কলা পাকানোর রাসায়নিক বা ইঁদুরের বিষ পান করে ফেলে শিশুরা। এক পর্যায়ে তাদের মৃত্যু হয়। বর্তমানে লাশ দুটি তাদের বাড়িতে রয়েছে।

ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মারুফ বলেন, মৃত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে আনা হয়েছিল। মৃত অবস্থায় আনার কারণে প্রাথমিকভাবে বিষের নমুনা পাওয়া যায়নি। তবে পরিবারের লোকজন বলছিল ইঁদুরের বিষ খেয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৩৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ১৭ দিনের ব্যবধানে দুই সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় রঞ্জু-রুপা দম্পতি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১৭ দিনের ব্যবধানে দুই সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় রঞ্জু-রুপা দম্পতি

একতার কণ্ঠঃ সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের রঞ্জু মিয়া ও রুপা আক্তারের দুই সন্তানকে ১৭ দিনের ব্যবধানে হারিয়ে পাগলপ্রায় এই দম্পতি। ১৭ দিন আগে তাদের ৫ মাস বয়সী ছেলে রিদওয়ান নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই অপহরণের শিকার হয় তাদের বড় মেয়ে সামিয়া (৯)। দুর্বৃত্তরা ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অডিও বার্তা পাঠানোর দুই দিন পর সামিয়ার গলাকাটা লাশ বাড়ির পাশেই মাটি খুঁড়ে পাওয়া যায়। শোকের ছায়া নেমে এসেছে সারা গ্রাম জুড়েই।

শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দাড়িয়াপুর গ্রামের এক বনের পাশের নালা থেকে মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা সামিয়া দাড়িয়াপুর (উত্তর) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

সরেজমিনে দেখা যায়, রঞ্জু মিয়ার বাড়িতে অসংখ্য মানুষ ভিড় জমিয়েছে। গ্রামের বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ তাদের প্রতি সমবেদনা জানাতে এসেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার আগে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গ থেকে সামিয়ার লাশ বাড়িতে আনার পর লোকজনের ভিড় আরও বেড়ে যায়।

রঞ্জু মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সবাই আমাকে সান্ত্বনা দিচ্ছে। কিন্তু আমি তো সান্ত্বনা নিতে পারছি না। আমি তো শান্ত হতে পারছি না। আমার কোলে তো আর তারা ফিরে আসবে না। কারা সামিয়াকে অপহরণ করে হত্যা করতে পারে, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এলাকায় মাদকসেবী বেড়ে গেছে। আমার ধারণা, মাদকসেবীরাই আমার মেয়েকে বনের ভেতর ধরে নিয়ে খুন করেছে। যারা আমার মেয়েকে খুন করেছে, তাদের আমি শাস্তি চাই।

দাড়িয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা স্কুলশিক্ষক মোজাম্মেল হক বলেন, এমন ঘটনায় এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সবার এক কথা, এলাকার মাদকসেবীরাই এমন ন্যক্কারজনক ও লোমহর্ষক ঘটনা ঘটিয়েছে। দাড়িয়াপুর উত্তরপাড়া এলাকায় পাকা রাস্তা নেই। কাঁচা রাস্তায় কাদা থাকায় এ গ্রামে পুলিশ আসতে পারে না। চারপাশে বনজঙ্গল। এ পাড়া যেন মাদকসেবীদের অভয়ারণ্য।

সামিয়ার মা-বাবাকে সান্ত্বনা জানাতে স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের এমপি) শনিবার সন্ধ্যায় ২০-২৫ জন নেতা-কর্মী নিয়ে দাড়িয়াপুরের খোলাঘাটায় আসেন। সেখান থেকে সামিয়াদের বাড়ি পর্যন্ত আধা কিলোমিটার রাস্তায় কাঁদা থাকায় সংসদ সদস্য আর যেতে পারেননি। পরে নিহত সামিয়ার বাবা-মাকে খোলাঘাটায় ডেকে এনে সেখানে তাদেরকে সমবেদনা জানান সংসদ সদস্য। তিনি সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করার সময় বেঁধে দেন।

এর আগে দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আলমও সামিয়ার বাড়িতে গিয়ে রঞ্জু-রুপা দম্পতিকে সমবেদনা জানান বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, রঞ্জু মিয়া এক যুগেরও বেশি সময় কুয়েতে প্রবাসজীবন কাটিয়ে করোনার সময় দেশে ফেরেন। চার ছেলেমেয়েকে নিয়ে তার ছিল সুখের সংসার। গত বুধবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে সামিয়া বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে প্রাইভেট পড়তে যায়। পড়া শেষে সহপাঠীদের সঙ্গে সে বাড়ি ফিরছিল। পথে একটি দোকানে সহপাঠীরা কেনাকাটা করতে দাঁড়ালে সামিয়া একাই বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়। এদিকে বাড়ি ফিরতে বিলম্ব হওয়ায় মা রুপা আক্তার শিক্ষককে ফোন দিয়ে জানতে পারেন, তার মেয়ে অনেক আগেই বাড়ি চলে গেছে।

পরে মেয়েকে খুঁজতে বের হলে বাড়ির কাছাকাছি একটি স্থানে মেয়ের ব্যবহৃত জুতা পড়ে থাকতে দেখেন রুপা আক্তার। এর কিছুক্ষণ পর রঞ্জু মিয়ার মুঠোফোনে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে ইমোতে একটি অডিও বার্তা দেয় দুর্বৃত্তরা। ওই অডিও বার্তা পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পর পুলিশ বাড়ির ৪০০ গজ দূর থেকে একটি গহীন বনের পাশে মাটি খুঁড়ে সামিয়ার লাশ উদ্ধার করে।

দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সোহেল রানা বলেন, এই ওয়ার্ডে চিহ্নিত ৫০ জন মাদকসেবী রয়েছে। এর মধ্যে ছয়জন মাদক ব্যবসায়ী। তাদের একটি তালিকা পুলিশকে আগেই দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পরও পুলিশকে ১০ থেকে ১২ জন মাদকসেবীর নাম দেওয়া হয়েছে। শনিবার বিকেলে পুলিশ ইনভেস্টিগেশন অব ব্যুরো (পিবিআই) তদন্তে এসে তিনজন মাদকসেবীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে টাঙ্গাইল নিয়ে গেছে।

সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সালাউদ্দিন জানান, ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা মেয়েটিকে হত্যা করার পর বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে একটি অডিও বার্তা দেয়। এত অল্প সময়ে লাশ এমনভাবে পচে যাওয়ার কথা নয়। উদ্ধার হওয়া গলাকাটা, এক চোখ উপড়ে ফেলা লাশের ধরন দেখে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাবছে। মাদকসেবীদের নজরে রেখে তদন্ত চলছে। অপরাধীরা শিগগিরই ধরা পড়বে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৩২:এএম ৩ বছর আগে
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ উপহার পেলেন এক হাজার ভাঙন কবলিত পরিবার - Ekotar Kantho

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ উপহার পেলেন এক হাজার ভাঙন কবলিত পরিবার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীর ভাঙন কবলিত মানুষের পাশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার ত্রাণ নিয়ে দাঁড়িয়েছেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির।

রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার গোবিন্দাসী ও নিকরাইল ইউনিয়নের নদী ভাঙন এলাকার মানুষের হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার তুলে দেন এমপি। এসময় এক হাজার দুস্থ ও ভাঙন কবিলতদের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেল্লাল হোসেন, ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমান উল্লাহ্, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাহেরুল ইসলাম তোতা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বাবু, গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দুলাল চকদারসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন ।

খাদ্য সামগ্রী চাল পেয়ে খুশি পাটিতাপাড়া গ্রামের কুলসুম বেগম বলেন, বাড়িতে কিছুদিন আগে বন্যার পানি উঠেছে। কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। পানিবন্দি অবস্থায় ঘরে খাদ্য সংকটও দেখা দিয়েছিল। আমাদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। হাতে খুব একটা টাকা-পয়সাও নাই। রবিবার এমপি আমাদের চাল উপহার দিলেন। চাল উপহার পেয়ে তাও কিছুদিন চলে যাবে। বন্যার সময় চাল পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল-২ গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির জানান, উপজেলার গোবিন্দাসী ও নিকরাইল ইউনিয়নের চরাঞ্চলের অসংখ্য পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেকে কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাই তাদের খোঁজ নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলার আরও যেসব ইউনিয়নে নদী ভাঙন এলাকা আছে তাদের পাশে দাঁড়ানো হবে। এ সময় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের চিত্র তুলে ধরে চরাঞ্চলবাসীর কাছে নৌকায় ভোট প্রার্থনা করেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:৩৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নারী খামারিদের টাকা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পকেটে! - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নারী খামারিদের টাকা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পকেটে!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) অধীনে দেশি মুরগির ঘর নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া টাকা উপকারভোগীদের নানা ধরণের ভয়-ভীতি দেখিয়ে নিজে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুকুমার চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে। প্রকল্পের মুরগির ঘর নির্মাণের কাজ চলতি বছরের জুন মাসে শেষ করার কথা থাকলেও এখনো পুরোপুরিভাবে কাজ শুরু করা হয়নি।

রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে এলডিডিপি প্রকল্পের আওতায় উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে কোনো ঘর পাওয়া যায়নি। তবে, প্রকল্পের উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের মাদারিয়া এলাকায় তারাকান্দি-ভূঞাপুর আঞ্চলিক সড়কের ওপর মাদারিয়া দেশি মুরগির দল নামে একটি সাইনবোর্ড দেখা যায়। এছাড়া দু’একজন নারী খামারির বাড়িতে সিমেন্টের খুঁটি রাখলেও তা নিম্নমানের। সেগুলো স্থাপন করার আগেই কিছু খুঁটি ভেঙে গেছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) দেশি মুরগির ঘর নির্মাণের জন্য উপজেলার ৬৭ জন নারী খামারিকে জনপ্রতি ২০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়। এছাড়াও একই প্রকল্পে ভেড়া পালনের জন্য ঘর নির্মাণে ২৮ জনকে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এদিকে, সেই বরাদ্দের টাকা গত জুন মাসের আগেই খামারিদের নিজ ব্যাংক হিসাব নম্বরে জমা করা হয়। প্রকল্পের শর্তে বলা হয়, নির্ধারিত নিয়মে খামারিদের মুরগির ঘর করে নিতে হবে। এজন্য বরাদ্দকৃত অর্থের অতিরিক্ত ব্যয় হলে সংশ্লিষ্ট পিজি সদস্য (খামারি) উক্ত খরচ নিজে বহন করতে সম্মত থাকবেন। পরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে খামারিদের কাছ থেকে শর্তযুক্ত করে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে লিখিত রাখা হয়।

উপজেলার মাদারিয়া গ্রামের পিজি সদস্যরা বলেন, মুরগির ঘর করার জন্য ২০ হাজার টাকা দিয়েছিল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে। পরে সেই টাকার জন্য কৃষি ব্যাংকে ১ হাজার ১০০ টাকা খরচ করে অ্যাকাউন্ট করেছি। টাকা তুলে আনা হয়েছিল ঘর করার জন্য। কিন্তু উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নিজেই ঘর করে দেবেন বলে টাকা ফেরত দিতে চাপ দেন। পরে প্রকল্পের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ভয় দেখান। চাপ সৃষ্টি করলে টাকা দিয়ে দেওয়া হয়। তিন মাস অতিবাহিত হলেও এখনো তারা ঘরতো দূরের কথা একটা খুঁটিও পাননি মুরগির খামার করার জন্য।

ফলদা মদনবাড়ী এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নারী পিজি সদস্যরা বলেন, পিজি সদস্যদের অফিসে ডেকে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় কথাবার্তা বলেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুকুমার দাস। এছাড়া মামলার ভয় ও তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলে টাকা দিতে চাপ দেন। তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। অথচ এই তিন মাসে মুরগিগুলো অনেক বড় হতো। এখন ঘর পাব কিনা জানি না।

মাদারিয়া দেশি মুরগির দল সমিতির সভাপতি জাহানারা বেগম বলেন, টাকা তোলার জন্য প্রাণিসম্পদ থেকে চেক দেওয়া হয়। পরে টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করি ঘর করার জন্য। কিন্তু আমাদের ঘর করতে দেওয়া হয়নি। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নিজেই ঘর করার জন্য টাকা ফেরত নিয়েছেন। সমিতির একজনও ঘর পাননি।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের ফলদা ইউনিয়নের মাঠকর্মী আব্দুল কাদের বলেন, ফলদা ইউনিয়নে ৩৮ জন সদস্য রয়েছেন। ঘর নির্মাণের জন্য তাদের চেক দেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নিজে ঘর করে দেওয়ার কথা বলে টাকা ফেরত চেয়েছেন। সদস্যরাও টাকা ফেরত দিয়েছেন। তবে ঘর নির্মাণ প্রকল্পের কমিটির একজন সদস্য হলেও এই বিষয়ে আমাকে কিছুই বলা হয়নি। ঘর করে দেবে কিনা, কবে করবে সেটা জানি না।

এলডিডিপির অধীনে দেশি মুরগির ঘর নির্মাণের জন্য বরাদ্দকৃত নিজে নেওয়া ও কাজে অনিয়মের বিষয়টি অস্বীকার করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুকুমার চন্দ্র দাস বলেন, কোনো সদস্যের টাকা আমি নেইনি। ঘর করার আসবাবপত্র প্রকল্প এলাকায় চলে গেছে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রানা মিয়া বলেন, প্রকল্পের মাধ্যমে ঘর নির্মাণের টাকা কর্মকর্তার কাছে রাখার নিয়ম নেই। ঘর করার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ঘর নির্মাণে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়ে থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:১২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে রাস্তা পাকাকরণের দাবিতে ধানের চারা রোপন করে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে রাস্তা পাকাকরণের দাবিতে ধানের চারা রোপন করে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের খুপিবাড়ী এলাকায় চার কিলোমিটার রাস্তা পাকা করণের দাবিতে ধানের চারা রোপন করে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইউনিয়নের কাহারের খাল ব্রীজ থেকে লাহিড়ীবাড়ী ও ফসল হয়ে চাপড়ী হাসান মোড় পর্যন্ত চার কিলোমিটার পাকা করার দাবিতে সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে এই মানববন্ধন করেন তারা।

এসময় বক্তব্য দেন ঘাটাইল উপজেলা কৃষকলীগের সদস্য সচিব এডভোকেট মো: আবুবকর সিদ্দিক, পল্লী চিকিৎসক তোফাজ্জল হোসেন খান, মমিনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গোপীনাথ সরকার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এনামুল হক খুররম, সংগ্রামপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো: রুমান খান খোকন প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, সংগ্রামপুর ইউনিয়নের খুপিবাড়ী কাহারের খাল ব্রীজ থেকে লাহিড়ীবাড়ী ও ফসল হয়ে চাপড়ী হাসান মোড় পর্যন্ত রাস্তা দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। বেহাল সড়কে শিক্ষার্থীসহ সর্বসাধারণের চলাচল করা দায় হয়ে পড়েছে। উপজেলা শহরে যোগাযোগের একমাত্র সড়কটি বেহাল দশা থাকায় রোগি নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের।

এ ব্যাপারে সংগ্রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, খুপিবাড়ী কাহারের খাল ব্রীজ থেকে লাহিড়ীবাড়ী ও ফসল সড়কের চার কিলোমিটারের মধ্যে ইতোমধ্যে দেড় কিলোমিটার টেন্ডার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। খুব দ্রুতই ঠিকাদার নির্বাচন হলে উত্তর অংশে আধা কিলোমিটার ও দক্ষিণ অংশে এক কিলোমিটার রাস্তা পাকা করা হবে। বাকি অংশ পরবর্তীতে পাকা করণ করা হবে। আমি দায়িত্ব পেয়েছি মাত্র চার মাস। এরমধ্যেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কাজে হাত দিয়েছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:২২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মহিলা দলের র‌্যালীতে পুলিশের বাঁধা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মহিলা দলের র‌্যালীতে পুলিশের বাঁধা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর র‌্যালীতে বাঁধা দিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের কোর্ট চত্তর থেকে একটি বিশাল র‌্যালী বের হয়ে বটতলা বাজার এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ তাতে বাধাঁ দেয়। পরে সেখানেই বিক্ষোভ করে মহিলা দলের নেত্রীবৃন্দরা। বিক্ষোভ শেষে সেখানেই সংক্ষিপ্ত পথসভার আয়োজন করা হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন ও সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

জেলা মহিলাদলের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট রক্সি মেহেদীর সঞ্চালনায় ও সভানেত্রী নিলুফার ইয়াছমিন এর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলাদলের সহসভাপতি রেবেকা পারভীন, যুগ্ম সম্পাদক খালেদা আক্তার স্বপ্না, সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতানা বিলকিস লতা প্রমূখ।

এছাড়াও জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের মহিলাদলের নেত্রীরা এই র‌্যালী ও পথসভায় অংশগ্রহন করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:৫৫:এএম ৩ বছর আগে
বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ পেলো দুর্মর-২২ - Ekotar Kantho

বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ পেলো দুর্মর-২২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ‘বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৩’ এ ‘দুর্মর-২২’ শিরোপা জিতেছে। শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত ম্যাচে তারা জলন্ত-২৪ দলকে পরাজিত করে।

খেলার প্রথমআর্ধে জলন্ত-২৪ দলের রিয়াদ একটি গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। দ্বিতীআর্ধে দুর্মর-২২ এর গিয়াস গোল পরিশোধ করে খেলায় সমতা ফিরিয়ে আনেন। এরপর কোন পক্ষই গোল করতে পারেনি। পরে ট্রাইব্রেকারে দুর্মর-২২ পাঁচ গোল এবং জলন্ত-২৪ তিন গোল করে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেব বিজয়ী দলকে ট্রফি প্রদান করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন।

অনুষ্ঠানে বিবেকানন্দ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে, আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান কামনাশীষ শেখর বক্তৃতা করেন। এসময় প্রাক্তন কৃতি ফুটবল খেলোয়াররা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অনিক রহমান বুুলবুল।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইল শহরের বিবেকানন্দ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে ‘বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৩’ আয়োজন করা হয়। এতে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ১৪টি ব্যাচ অংশ নেয়। শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে ম্যাচের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন। এর আগে গত বুধবার বিবেকানন্দ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জার্সি উন্মোচন করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:৩৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাকসহ ভেঙে পড়েছে বেইলি সেতু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাকসহ ভেঙে পড়েছে বেইলি সেতু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বালুবাহী ট্রাক নিয়ে একটি বেইলি ব্রিজ ভেঙ্গে পড়েছে। এসময় ট্রাকটি ব্রিজ থেকে পড়ে পানিতে তলিয়ে যায়।

শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার আঞ্চলিক সড়কের সহেড়াতৈল-দুল্যা সংযোগস্থলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসময় আহত হয় চালকসহ ট্রাকের চার আরোহী। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার মধ্যরাতে টাঙ্গাইল থেকে দেলদুয়ারের দিকে একটি বালুবাহী ট্রাক যাচ্ছিল। ট্রাকটি দক্ষিণ প্রান্তে পৌঁছালে ব্রিজটি ভেঙে পড়ে। এসময় বিকট শব্দে ট্রাকটি পানিতে পড়ে যায়। উত্তর পাশে ব্রিজের অংশ সড়ক থেকে পূর্ব দিকে সরে গেছে। দক্ষিণ অংশের রেলিং ভেঙে যায়।

খবর পেয়ে দেলদুয়ার থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে। তবে এখন পর্যন্ত উদ্ধার কাজ শুরু হয়নি।

সেহরাতৈল গ্রামের আরশেদ আলী জানান, ব্রিজটি ঝুকিপূর্ণ। দুপাশে সতর্ক সংকেত দিয়ে সাইনবোর্ড টাঙানো রয়েছে। তারপরও অতিরিক্ত মালবোঝাই যানবাহন অহরহ চলাচল করে। গত শনিবার রাতে বালু বোঝাই ট্রাকসহ ব্রিজটি ভেঙে পড়ে।

ব্রিজটি ভেঙ্গে যাওয়ায় টাঙ্গাইল জেলা শহরের সাথে দেলদুয়ার উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে সব ধরনের যানবাহন চলাচল। নৌকা দিয়া পারাপারা হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন মৃধা বলেন, ঘটনা শোনার পর আমি রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। চারজন আহত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কারও মৃত্যু হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আলিউল হোসেন জানান, ঘটনাটি শুনেছি। ব্রিজটি সংস্কারের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শনিবার থেকেই ব্রিজ সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে। খুব দ্রুত সময়ে মেরামত করে যানবাহন চলাচলের জন্য ব্রিজটি খুলে দেওয়া হবে।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, এ পর্যন্ত ব্রিজটি চারবার ভেঙ্গে পড়ল। কাঠের সেতু থাকায় অবস্থায় দুবার। বেইলি ব্রিজ হওয়ার পর দুবার। ২০১৭ সালের ১৭ জুলাই সার বাহী একটি ট্রাক নিয়ে ব্রিজটি ভেঙ্গে পড়েছিল। ব্রিজটি সাময়িক মেরামতের পাশাপাশি নতুন করে ব্রিজ নির্মানের দাবী জানান এলাকাবাসী।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০১:০৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ভুল চিকিৎসায় মনোরঞ্জন দাস ( ৪৫) নামে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত সোনিয়া নাসিং হোমে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

নিহত মনোরঞ্জন দাস ( ৪৫) দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামের সোরা দাসের ছেলে।

জানা গেছে, মনোরঞ্জন দাস গত ৪ দিন যাবত জ্বরে ভুগছিলেন। শনিবার সকালে চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে এক দালালের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোনিয়া নাসিং হোমে রোগীকে ভর্তি করেন স্বজনরা। নিয়ম অনুযায়ী ইসিজি ও ডায়বেটিস টেষ্ট করানো হয়। রোগীর শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে কর্তব্যরত আবাসিক চিকিৎসক মো. মনিরুল ইসলাম রোগীকে ইনজেকশক পুশ করেন। ইনজেকশক দেওয়ার পরপরই রোগীর শ্বাসকষ্ট আরো বেড়ে যায় ও অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে ডাক্তার এক্সরে করার জন্য রোগীকে এক্সরে রুমে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

রোগীর শ্যালক বৃন্দাবন ও ভাতিজা জয় দাস বলেন, নিহত মনোরঞ্জনকে প্রথমে টাঙ্গাইল জেলারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন তারা। সেখানে ডাক্তার আসতে দেরি হওয়ায় এক দালালের মাধ্যমে সোনিয়া নাসিং হোমে নিয়ে যান। ক্লিনিকের কর্তব্যরত আবাসিক ডাক্তার মো. মনিরুল ইসলামের তত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু হয়। ডাক্তার ইনজেকশন পুশ করার পরপরই রোগীর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। শ্বাসকরষ্টের বিষয়টি ডাক্তারকে জানালে রোগীকে এক্সরে করার জন্য রুমে নেন, সেখানে মনোরঞ্জনের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পরে তার প্রেসকিপশনে ঢাকায় রেফার্ড লিখে দেন ডাক্তার।

তারা আরও বলেন, মেডিক্যাল অফিসার মনিরুল ইসলামের ভুল চিকিৎসায় তার বোন জামাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। এর প্রতিবাদ করায় নাসিং হোমের কর্মচারিরা আমাদের উপর চড়াও হয়। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান তারা।

সোনিয়া নাসিং হোমের ম্যানেজার বাবুল সরকার বলেন, গত চারদিন যাবত জ্বর থাকায় রোগীর প্রেসার কমে যায়। একারনেই তার মৃত্যু হয়েছে। এখানে ভুল চিকিৎসার জন্য মৃত্যু হয়েছে, এটা সঠিক নয়। রোগীর স্বজনদের উপর চড়াও হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন তিনি।

এ বিষয়ে সোনিয়া নাসিং হোমের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মনিরুল ইসলাম জানান, রোগীকে মুমুর্ষ অবস্থায় ক্লিনিকে আনা হয়। রোগীর প্রেসার কমে যাওয়ায় তাকে ঢাকায় রেফার্ড করি। রেফার্ড করার পর মৃত্যু হলে আমি কি করবো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০১:২৪:এএম ৩ বছর আগে
যমুনার দুর্গমচরে দেড় শতাধিক পরিবার পেল খাদ্য সহায়তা - Ekotar Kantho

যমুনার দুর্গমচরে দেড় শতাধিক পরিবার পেল খাদ্য সহায়তা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে দফায় দফায় পানি বৃদ্ধিতে দিশেহরা চরাঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষ। ফলে খেটে-খাওয়া অসংখ্য পরিবারের লোকজন খাদ্য সংকটে পড়ে থাকে। পানি বৃদ্ধির ফলে উপজেলার হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়। এসব পানিবন্দি দুঃস্থ ও নদী ভাঙন কবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোছা: নার্গিস বেগম। এরআগে তিনি বন্যা ও ভাঙন কবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।

শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলা চেয়ারম্যান মোছা: নার্গিস বেগমের নিজস্ব অর্থায়নে দিনব্যাপি উপজেলার গোবিন্দাসী, গাবসারা ইউনিয়নের পুংলিপাড়া, মেঘারপটল, রেহাইগাবসারা এবং অর্জুনা ইউনিয়নের বাসুদেবকোল, রামাইল ও গোবিন্দপুর বন্যা কবলিত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে প্রায় দেড় শতাধিক দুঃস্থ ও ভাঙন কবিলতদের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।

খাদ্য সামগ্রী চাল পেয়ে বাসুদেবকোল গ্রামের রহিম মোল্লা ও হাজেরা বেগম বলেন, কয়েকদিন ধরে বন্যার পানি বাড়িতে উঠেছে। কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। পানিবন্দি অবস্থায় ঘরে খাদ্য সংকটও দেখা দিয়েছিল।
কামকর্ম নেই। মানবেতর জীবনযাপন করতে হয়েছে। হাতে তেমন টাকা-পয়সাও নেই। চাল উপহার পেয়ে সপ্তাহ চলে যাবে। বন্যার সময় চাল পেয়ে অনেক খুশি হয়েছে।

চাল খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে গোবিন্দাসী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন চকদার, অর্জুনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল আলম খান মাহবুব, ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক ফরমান শেখ ও সদস্য আব্দুল লতিফ তালুকদারসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোছা: নার্গিস বেগম বলেন, বন্যা মৌসুমে উপজেলার গোবিন্দাসী, গাবসারা, অর্জুনা ও নিকরাইল চরাঞ্চলের অসংখ্য পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করে থাকে। অনেকে কর্মহীন হয়ে পড়ে। তাই তাদের খোঁজ নেয়ার জন্য চরাঞ্চলে এসে কিছু চাল সহায়তা উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে চরাঞ্চলবাসীর কাছে নৌকায় ভোট প্রার্থনা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:১৭:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।