একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে অপহরণের দুই দিন পর সামিয়া আক্তারের (৯) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার দাড়িয়াপুর উত্তরপাড়ায় শিশুটির বাড়ির কাছের একটি ঝোপ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। শিশুটির চাচা আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সামিয়াকে অপহরণের পর অডিও বার্তায় ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল।
শিশু সামিয়া উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের উত্তরপাড়া এলাকার রঞ্জু মিয়া ও রুপা বেগম দম্পতির মেয়ে। সে স্থানীয় মাঝিরচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
অপহৃত সামিয়ার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার সকাল ৮টার দিকে সামিয়া বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে এক শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়। পড়া শেষে সহপাঠীদের সঙ্গে বাড়ি ফিরছিল সে। পথে একটি দোকানে সহপাঠীরা কিছু কিনতে দাঁড়ালে সামিয়া একাই বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়।
এদিকে সামিয়ার বাড়ি ফিরতে দেরি হচ্ছে দেখে তার মা রুপা বেগম ওই শিক্ষককে ফোন দিয়ে জানতে পারেন পড়া শেষে অনেক আগেই সে বেরিয়ে গেছে। পরে রুপা বেগম মেয়েকে খুঁজতে বের হলে বাড়ির কাছাকাছি এক স্থানে তার ব্যবহৃত জুতা পড়ে থাকতে দেখেন। কিছুক্ষণ পর তাঁর মোবাইল ফোনের ইমোতে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে একটি অডিও বার্তা আসে। বিষয়টি পুলিশকে জানালে মেয়েকে মেরে ফেলা হবে বলে অডিও বার্তায় হুমকি দেওয়া হয়। সামিয়ার বাবা রঞ্জু মিয়া বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশের একাধিক ইউনিট সামিয়াকে উদ্ধারকাজে নামে।

শুক্রবার দুপুর ১২টায় সামিয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তার বাবা রঞ্জু মিয়া মোবাইল ফোনে জানান, থানায় মামলা করেছি। পুলিশ নানাভাবে আমার মেয়েকে উদ্ধারের চেষ্টা করছে। বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে অপহরণকারীরা তাঁর মেয়েকে মেরে ফেলবে সংশয় প্রকাশ করে তিনি এ বিষয়ে সংবাদ না করার অনুরোধ করেন।
কিন্তু বেলা ১টার দিকে সামিয়ার চাচা আমিনুল ইসলাম মোবাইল ফোনে জানান, সামিয়ার লাশ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন ও সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, মেয়েটিকে জীবিত উদ্ধারে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ‘বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের (ভিএফসি)’ উদ্বোধন হয়েছে। বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বিবেকানন্দ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে এর উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম।
বিবেকানন্দ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে’র সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আব্দুর রহিম সুজন, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের চেয়ারম্যান কামনাশীষ শেখর।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ।
পরে জেলা প্রশাসক বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের জার্সি উন্মোচন করেন।
এর আগে বেলুন উড়িয়ে বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার সকালে বিবেকানন্দ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া দল গুলো এবং সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে।
শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় কলেজ ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়। এ উপলক্ষে দিনব্যাপী ব্যান্ড সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।
আয়োজকরা জানান, বিবেকানন্দ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা এই ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের আয়োজন করেছে। এতে প্রাক্তন ছাত্রদের ১৪টি দল অংশ গ্রহণ করছে। আগামী শনিবার টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে এ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।
একতার কণ্ঠঃ ধর্মীয় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে পালিত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি, তথা শুভ জন্মাষ্টমী।
বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পৌর শহরের বড় কালিবাড়ী প্রাঙ্গণ হতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বড় কালিবাড়ী গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, স্থানীয় কাউন্সিলর কামরুল হাসান মামুন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর উল্কা বেগম, বড় কালিবাড়ী মন্দির কমিটির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র সাহা ও সাধারণ সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ চৌধুরীসহ হিন্দু ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও এই শোভাযাত্রায় সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ অংশ নেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কটুক্তি করার অভিযোগে মো. আতিকুর রহমান মঞ্জু (৪০) নামে এক বিএনপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত বিএনপি কর্মী মঞ্জু উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কর্ণা গ্রামের মো. আরশেদ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের মধ্যে কর্ণা গ্রামের মো. আরশেদ আলীর ছেলে মো. আতিকুর রহমান মঞ্জু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গত শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে একটি আপত্তিকর ছবি পোস্ট দেয়। বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে আসে। পরে সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় স্থানীয় নবরত্ন বাড়ী বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
যদিও বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় জামুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক মোঃ জালাল উদ্দিন আলহাজ্ব ঘাটাইল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার পূর্বেই সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে বিএনপি কর্মী রঞ্জুকে গ্রেপ্তার করে ঘাটাইল থানা পুলিশ।

এ প্রসঙ্গে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, আসামি মো. আতিকুর রহমান রঞ্জুকে পূর্বের একটি চলমান নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, যেহেতু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করা হয়েছে, তাই অভিযুক্ত রঞ্জুর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্টের বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে পরামর্শ করা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে নিষিদ্ধ চায়না জালের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর ) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত উপজেলার সদর ইউনিয়নের মিরিকপুর বিলে অবৈধ চায়না জাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বাসাইল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৌরভ কুমার দে জানান, নিষিদ্ধ চায়না জাল যত্রতত্র ব্যবহার রুখতে অভিযান চালিয়ে ১১টি চায়না জাল আটক করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পাপিয়া আক্তার জানান, চায়না জাল দিয়ে মাছ শিকার করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। ছোট মাছ, মা মাছ রক্ষার্থে এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধ এ ধরনের জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিতভাবে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কালিদাস-জিসি-বহুরিয়া ইউপি সড়কের করটিয়াপাড়া বাজারের উত্তর পাশে কাকড়ার জোড়া নামক স্থানে নির্মাণাধীন পিএসসি গার্ডার বিজ্রের কাজ এক বছরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দুই বছরেও শেষ হয়নি।
স্থানীয় এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল কাকড়ার জোড়া নামক স্থানে একটি টেকসই ব্রিজের। সে দাবির প্রেক্ষিতে সরকারের শক্তিশালীকরণ প্রকল্প উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের আওতায় ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। দুই কোটি ২৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৩১ টাকা ব্যয়ে ২৫ মিটার দৈর্ঘ্যের পিএসসি গার্ডার ব্রিজের কাজটি ঢাকার মাইন উদ্দিনবাসী নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পায়।
২০২১ সালের ১৬ ফেব্রয়ারি কাজটি শুরু হয়ে ২০২২ সালের ১৭ ফেব্রয়ারি শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঠিকদারি প্রতিষ্ঠান মাত্র ২-৩ মাস কাজটি শুরু করে অজ্ঞাত কারণে ফেলে রেখে উধাও হয়ে যায়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কাগজপত্রে ২৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন দেখালেও উপজেলার করটিয়াপাড়া বাজারের উত্তর পাশে কাকড়ার জোড়া নামক স্থানে নির্মাণাধীন পিএসসি গার্ডার ব্রিজটির বাস্তবে মাত্র কয়েকটি পিলার, পাইলিং হয়েছে।
কাজ ফেলে ঠিকাদার এখন উধাও। বারবার তাগাদা দিলেও ঠিকাদার এলাকায় আসছেন না। এতে প্রায় দুই বছরের অধিক সময় ধরে ব্রিজের দুই পাশে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন অন্তত ১৫-১৬টি গ্রামের মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল কাদের ,সবুর মিঞা, আব্দুল জলিল, আমিনুল ইসলামসহ অনেকেই জানান, কাকড়া জোড়ার ব্রিজটির নির্মাণ না হওয়ায় হতেয়া-রাজাবাড়ি, কালিদাস, ঠকাইনাপাড়া, ফুলঝুড়িপাড়া, ভাতকুড়াচালা, করটিয়াপাড়া, কালমেঘা, ছলংগা, বহুরিয়া চতলবাইদ, হারিঙ্গাচালাসহ অন্তত পক্ষে ১৫-১৬টি গ্রামের মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। ব্রিজটি না হওয়ায় এই এলাকার মানুষ সখীপুর শহরে বা অন্য এলাকায় যেতে চাইলে ২০-২৫ কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে অর্থ ও সময় দুটোই বেশি ব্যয় হচ্ছে।
কালিদাস ও করটিয়াপাড়ার বাজার ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান ও সাইফুল ইসলাম বলেন, দুই পাশে পাকা সড়ক থাকলে ওই ব্রিজের কারণে যানবাহন চলতে না পারায় কোনো মালামাল পরিবহন করা যাচ্ছে না। হাটবাজারগুলোতে আসতে মানুষের ভোগান্তির শেষ নইে।
কয়েকজন শিক্ষক বলেন, ব্রিজটি সম্পন্ন না হওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় স্থানীয় স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীরা সময় মতো বিদ্যালয়ে আসতে পারে না।
বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা জানান, ব্রিজের কাজ দুই বছর ধরে ফেলে রাখায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওই ইউনিয়নের লোকজন। ওই সড়ক ব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদে উপকারভোগী, বিভিন্ন সেবাপ্রার্থীদের আসা-যাওয়া করতে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিকল্প সড়ক ঘুরে অনেক সময় লেগে যায়। বৃদ্ধ মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ব্রিজটি নির্মাণের দাবি জানান তিনি।
এ ব্যাপারে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদ আহমেদ জানান, বারবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে তাগাদা দিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না। কাজটি সময় মতো শেষ না করায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ঢাকা অফিস থেকে চিঠি দিয়ে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বর্ষা মৌসুম গেলে প্রাক্কলন ব্যয় নির্ধারণ করে পুনরায় টেন্ডারের মাধ্যমে অসমাপ্ত কাজটি শেষ করা হবে। এদিকে, একই প্রকল্পের আওতায় ওই ব্রিজের দুই পাশে ১৮ ফুট প্রশস্ত করে সাড়ে ৩ কিলামিটার রাস্তা পাকাকরণের কাজ অন্য ঠিকাদার শেষ করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের একদিন পর বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত জমি থেকে আরফান আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার হতেয়া উলিয়ারচালা গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
সে ওই এলাকার মৃত কুরবান আলীর ছেলে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, আরফান আলী রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাড়ি থেকে বের হলে রাতে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। তার পরিবার বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখোজির পর সোমবার দুপুরে পরিত্যক্ত জমিতে তার লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বীমা করার কথা বলে আলমগীর হোসেন তালুকদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে এক কিশোরসহ ১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।
সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান উল্লাহ্ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অপহৃত আলমগীর হোসেনকে উদ্ধার করা হয়েছে। সে মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর ভূঞাপুর জোনাল অফিসের হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- জেলার কালিহাতী উপজেলার সিলিমপুর গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে রাজু আহমেদ (২৫) এবং একই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে কিশোর রাকিব মিয়া (১৫)।
এ ঘটনায় রাজু আহমেদ ও রাকিবকে আসামি করে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করেছে আলমগীর হোসেন তালুকদারের ছোট ভাই মাহমুদুল হাসান তালুকদার।
এরআগে অভিযোগের প্রেক্ষিতে রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে অভিযান চালিয়ে জেলার কালিহাতী উপজেলার সাতুটিয়া এলাকা থেকে রাকিব ও ঢাকা থেকে রাজু আহমেদকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকালে অভিযুক্ত রাজু ও রাকিব মোবাইল ফোনে একটি বীমা করার কথা জানায়। আলমগীর তাদের সাথে কথা বলে ওই বীমা কোম্পানীর ম্যানেজার তারিকুল ইসলাম তুহিনের সঙ্গে শিয়ালকোল ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত যান। পরে রাজু সেখানে আসে এবং আলমগীর হোসেনকে বলে আপনার বাড়িতে গিয়ে কথা বলি।
এরপর অভিযুক্তরা মোটরসাইকেলে উঠিয়ে তার বাড়ি ছয়আনি বকশিয়া না গিয়ে কালিহাতীর নিশ্চিন্তপুর এলাকার পরিত্যক্ত চাতালে নিয়ে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি ও অন্যথায় প্রাণনাশের হুমকি দেন। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে আলমগীর তালুকদার তার স্ত্রীকে ফোন করে নগদের পিন নম্বর নিয়ে মুক্তিপণের প্রায় ৪১ হাজার টাকা প্রদান করে।
অপহৃত আলমগীর হোসেনের স্ত্রী হাসিনা বেগম জানান, অফিসের কাজকর্ম শেষে প্রতিদিনের মতো যথাসময়ে বাড়ি না ফেরায় আামরা স্বজনদের বাড়িতে খোঁজাখুজি শেষে রাত প্রায় সাড়ে ৭ টার দিকে ফোনে আমার স্বামী আলমগীর জানায় তার ১০ হাজার টাকা প্রয়োজন বলে তার ব্যবহৃত ফোনের নগদের পিনকোড নেন।
তিনি আরও জানান, কয়েক দফায় টাকা চাওয়ায় আমার কাছে সন্দেহ হলে বুঝতে পারি তাকে কেউ অপহৃরণ করেছে। বিষয়টি দেবর মাহমুদুল হাসানকে জানানো হলে সে ভূঞাপুর থানা পুলিশকে জানায়। পরে থানা পুলিশ সদস্যরা রবিবার রাতে অভিযান চালিয়ে কালিহাতী ও ঢাকা থেকে অভিযুক্তদের আটক করে।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান উল্লাহ্ জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজু আহমেদ ও তার সহযোগী রাকিব নামে ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেইসাথে ৩৩ হাজার ৫’শ টাকা, ২টি মোবাইল ও রাজুর ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, তাদের বিরুদ্ধে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পিকনিকের নৌকা থেকে পড়ে নিখোঁজের ১৩ ঘন্টা পর শাকিল(১৯) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল।
সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের খিলগাতী এলাকার আওরা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শাকিল মিয়া উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের রামপুর কুকরাইল গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, শাকিলসহ প্রায় ২৫ জন বন্ধু মিলে রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার রামপুর থেকে নৌকা যোগে পাশের সখিপুর উপজেলার বহেড়াতৈল বিলে নৌকা ভ্রমণে যায়। সেখান থেকে সন্ধ্যায় রওনা হয়ে কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের খিলগাতী এলাকায় পৌঁছলে রাত ৮ টার দিকে হঠাৎ নৌকা থেকে শাকিল পড়ে যায়। পরে বন্ধুরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পাওয়ায় ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। সোমবার সকালে টাঙ্গাইল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল এসে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে খিলগাতী এলাকার আওরা নদী থেকে শাকিলের মরদেহ উদ্ধার করে।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আলাউদ্দিন জানান, রবিবার বিষয়টি জানতে পারি। পরে সোমবার সকালে আমাদের ডুবুরি দল গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ফারুক জানান, নৌ পুলিশসহ আমাদের থানা পুলিশ উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার বানিজ্যিক এলাকা করটিয়ায় মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে, চুরি, ইভটিজিং ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে করটিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে চরপাড়া হাট বাইপাস এলাকায় এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী।
করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনুর সভাপতিত্বে ও করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সিকদারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) হাসান বিন মোহাম্মদ আলী, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল ছালাম (পিপিএম), দেলদুয়ার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জান খান,পাথরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু রামপ্রসাদ সরকার, সা’দত কলেজের সাবেক জিএস বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক প্রমূখ।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বীরপুশিয়া গ্রামের সমাজ সেবক শাহীনুর ইসলাম শাহীন, করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আনছারী, সা’দত কলেজের সাবেক জিএস মো.জিন্নাহ মিয়া, সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি মামুন সিকদার, করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এমদাদুল হক এনামুল, ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ মিয়া, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান উপস্থিত ছিলেন।
এসময় প্রধান বক্তা বলেন, করটিয়া ইউনিয়নে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাদক ব্যবসায়ীদের ছাড় দেওয়া হবে না। এ জন্য এলাকার জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হওয়ায় স্থানীয়দের সাথে কঠোর হতে পারিনা। এখানে উপস্থিত টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)’র প্রতি অনুরোধ থাকবে তারা যেন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে। বিশেষ করে মাদকসহ কেও গ্রেপ্তার হলে তারা যেন জনপ্রতিনিধিদের টেলিফোনে অপরাধীদের ছেড়ে না দেন।
এ মাদক প্রতিরোধ মতবিনিময় সভায় স্থানীয় ব্যবসায়ী, ছাত্র, যুবকসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ লোক উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর শহরের আকুর টাকুর পাড়ার বটতলা পুরাতন বাজারের পাশে একটি বহুতল ভবন থেকে রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় খাদিজা বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত খাদিজার বাড়ি কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামে। সে ওই গ্রামের মৃত নুরুল হকের মেয়ে।
স্থানীয়রা জানায়, নিহত খাদিজা বেগম ও তার স্বামী রাশেদুল ইসলাম বটতলা পুরাতন বাজারের পাশে একটি ছয়তলা ভবনের তিনতলার ফ্লাটে ভাড়া থাকতেন। পরে রাশেদুলের পরিচিত রিনা নামে এক নারীকে সাবলেট হিসেবে ভাড়ায় উঠায় সে।
রিনার সঙ্গে রাশেদুলের পরকীয়ার কারণে কয়েক দিন যাবত স্বামী-স্ত্রীর মাঝে পারিবারিক কলহ চলছিল। রবিবার তাদের ফ্ল্যাটে তালাবদ্ধ দেখে বাসার মালিক ও পাশের বাসার ভাড়াটিয়ারা তালা ভাঙলে খাদিজার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
তাৎক্ষণিকভাবে স্বামী রাশেদুল ইসলাম ও পরকীয়া প্রেমিকা রিনার পরিচয় পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে পরকীয়ার জের ধরে গৃহবধূ খাদিজাকে হত্যার পর থেকে তার স্বামী রাশেদুল ও রিনা পলাতক রয়েছে।
নিহত খাদিজা বেগমের ভাই ইমাম আলী জানান, আমার বোনকে তার আগের স্বামীর কাছ থেকে প্রায় পাঁচ বছর আগে বিচ্ছেদ করানো হয়েছে। সে কিছু দিন যাবত টাঙ্গাইল আদালত প্রাঙ্গনে আইনজীবীর সহকারি হিসেবে কাজ করতো। কোন ছেলের সাথে বিয়ে বা সম্পর্ক হয়েছিলো কিনা, সেটি আমার জানা নেই।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ছালাম মিয়া জানান, খবর পাওয়ার পর খাদিজার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। তার পায়ের দুই রগ কাটা ছিল।
তিনি আরও জানান, এছাড়াও তার মুখে কাপড় পেঁচানো এবং বালিশের চাপ দেয়া ছিলো। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক, টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ডিএফএ) সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিলের (জামিল বস) দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাদ এশা তার জানাজার নামাজ টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থান মসজিদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে টাংগাইল বেবিস্ট্যান্ড কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়।
তার জানাজার নামাজে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিন্টু, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদ সাইদুজ্জামান সোহেল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান হাসান, টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বালা মিয়া, কাতুলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল মিয়া প্রমূখ।
এর পূর্বে রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় তার মরদেহ ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে আনা হয়। সেখানে টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিন্টু তার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে। এ সময় জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক সাবেক ও বর্তমান খেলোয়ারগণ উপস্থিত হয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলে ফুটবলার তৈরির কারিগর, টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফএ) এর সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিল (জামিল বস) রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি সংক্রান্ত জটিল রোগে ভুগছিলেন।
মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই কণ্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও কৃতি ফুটবলার রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন, টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক। এছাড়া টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোঃ কায়ছারুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিন্টু তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।