একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই এলাকা থেকে ১০ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) দক্ষিণের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জেলার মির্জাপুর উপজেলার ছিট মাহমুদপুর গ্রামের মো. জালাল মিয়ার ছেলে মো. শাহ আলম (৩০) ও তার স্ত্রী মোছা. বাছির খাতুন (২৮)।
এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) দক্ষিণের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, গোপণ সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি চৌকষ দল বুধবার (৪ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে গোড়াই এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ১০ হাজার ২০০ পিস বিক্রি নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ওই স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের নামে মির্জাপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে উত্তরবঙ্গ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে স্থানীয় পর্যায়ে বিক্রি করছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে বলেও জানান ডিবির এই কর্মকর্তা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে অটোরিক্সা-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক প্রবাসীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।
বুধবার (৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলার ঘাটাইল-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের শুকনি ইলিরচালা নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত প্রবাসীর নাম কাজী সোহেল রানা (৪০)। সে ঘাটাইল পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের জয়নাবাড়ী এলাকার মৃত কাজী আব্দুস সালামের ছেলে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোহেল বুধবার রাতে মোটরসাইকেল যোগে ঝরকায় নিজ বাসায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে শুকনি ইলিরচালা এলাকায় পৌঁছলে একটি দ্রতগামী ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সার সাথে তার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে সোহেল মাথায় গুরুতর আঘাত পায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তার পরিবার আরও জানান , সোহেল চাকরি সূত্রে দীর্ঘ দিন সিঙ্গাপুর ছিলেন।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.লোকমান হোসেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,
নিহতের পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় পোস্টমর্টেম ছাড়াই নিহতের লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। বুধবার (৪ অক্টোবর) সকালে দিনটি উদযাপন উপলক্ষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) নাফিসা আক্তার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান বিন মোহাম্মদ আলী, সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা তাহলিমা জান্নাতি প্রমুখ।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক জাকেরুল মাওলার সভাপতিত্বে ও দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি শামীম আল মামুন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক মফস্বল পত্রিকার সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক দিনকাল পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক শামসাদুল আখতার শামীম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও মাছরাঙ্গা টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি একরামুল হক খান তুহিন, কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক সমকাল পত্রিকার টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি আব্দুর রহিম, সাহিত্য সম্পাদক কাজী তাজউদ্দিন রিপন, দফতর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ, কার্যকরী সদস্য ও ইন্ডিপেনডেন্ট টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মামুনুর রহমান মিয়া, আজকের টেলিগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক সাহাব উদ্দিন মানিক, ইংরেজি দৈনিক ডেইলী স্টার পত্রিকার টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি মির্জা শাকিল, এনটিভি’র নিজস্ব প্রতিবেদক মহব্বত হোসেন, সাপ্তাহিক কালেরস্বর পত্রিকার সম্পাদক কবি শামসুজ্জামান, জিটিভি টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মহিউদ্দিন সুমন, এশিয়ান টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, টাঙ্গাইল প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ইমরুল হাসান বাবু, দৈনিক বণিক বার্তা পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. পারভেজ হাসান, এখন টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. কাওছার হোসেন, দৈনিক ঢাকা টাইমস পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি রেজাউল করিম, দৈনিক যুগধারা পত্রিকার সম্পাদক হাবিবুর রহমান সরকার, দীপ্ত টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি সুমন খান বাবু, সাম্প্রতিক দেশকাল পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি নওশাদ রানা সানভী, দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিন প্রত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি হাসান সিকদারসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স ও অনলাইন মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম হত্যা মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে তার এলাকাবাসী।
বুধবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে শহরের জেলা সদর রোডে অবস্থিত টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের উত্তর বেগুনটাল ও কাশিনগর গ্রামের প্রায় শতাধিক নারী পুরুষ বৃষ্টি উপেক্ষা করে এই কর্মসূচিতে অংশ গ্রহন করে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিহত ব্যবসায়ী আব্দুর রহিমের স্ত্রী মালেকা বেগম, ছেলে মোতালেব হোসেন বাবু, এলাকাবাসীর পক্ষে আব্দুল হালিম, মো. আরফান আলী, সুজাব আলী ও বরকত আলী প্রমুখ।
মানবন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে এই হত্যাকান্ডে জড়িত সকল আসামীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান।
প্রসঙ্গত, গত ২৪ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গুগড়া ইউনিয়নের উত্তর বেগুনটাল গ্রামে জমিতে কালাই বোনা নিয়ে সংঘর্ষে আব্দুর রহীমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনার পরদিন নিহতের ছেলে বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রিন্স আন্তনি রোজারিও (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার (০৪ অক্টোবর) বিকালে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-ভূঞাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের সিরাজকান্দী বাজার (নিশান মোড়) নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে।
প্রিন্স আন্তনি রোজারিও ঢাকার নবাবগঞ্জের নয়ানগর এলাকার ফিলিপ রোজারিও’র ছেলে।
তিনি যমুনা নদীর ওপর নির্মাণাধীণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের আইএইচআই কোম্পানির এক কর্মচারী এবং সহকারী বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, প্রিন্স আন্তনি রোজারিও নামে ব্যক্তিটি দুপুরের খাবার খেয়ে মোটরসাইকেল যোগে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে সিরাজকান্দী বাজারে পৌঁছলে তার সামনে থাকা বালুভর্তি একটি ট্রাক ওভারটেক করার চেষ্টা করে। সেসময় বালুভর্তি ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু বরণ করে যায়।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) লিটন মিয়া জানান, খবর পেয়ে সন্ধ্যার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের টাঙ্গাইল জন্য জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে।
এসআই লিটন মিয়া আরও জানান, নিহত ব্যক্তি নির্মাণাধীণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের আইএইচআই কোম্পানিতে সহকারী বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পুনাবার্সন গ্রামে পরিবার নিয়ে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মচারী(সিবিএ) কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি, সহ-সভাপতি ও অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় টাঙ্গাইলের ৩ কৃতি সন্তান মো. এনামুল হক, মো. জাহিদুল ইসলাম ও শহিদুজ্জামানকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (৪ অক্টোবর) বিকালে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে টাঙ্গাইল পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মচারী ইউনিয়ন এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
টাঙ্গাইল জেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের আঞ্চলিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী। অনুষ্ঠানে বরেণ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হাসান বিন-মুহাম্মদ আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ প্রমুখ।
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মচারী সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, সহ-সভাপতি ও অর্থ সম্পাদককে সংবর্ধনা প্রদান করায় টাঙ্গাইলবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, সিবিএ’র নব-নির্বাচিত সভাপতি মো. এনামুল হক।
তিনি বলেন, আমি টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার সন্তান। আমি কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় আপনারা যে সংবর্ধনা প্রদান করলেন এতে আমি কৃতজ্ঞ ও সন্মানিত বোধ করছি। এই সংবর্ধনা ভবিষ্যতে আমাকে কাজ করতে আরও উৎসাহিত করবে। বিশেষকরে ধন্যবাদ ও কতৃজ্ঞতা জানাতে চাই পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মচারী ইউনিয়ন টাঙ্গাইল জেলা শাখার সকল সদস্যকে।
তিনি আরও বলেন, এই প্রতিকুল আবহাওয়ার মধ্যেও আপনাদের এই বিপুল উপস্থিতি আমাকে কাজের অনুপ্রেরনা জোগাবে।
সকাল থেকে প্রতিকুল আবহাওয়া সত্বেও সংবর্ধনা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক টাঙ্গাইল জেলা শাখার বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে অভিযান চালিয়ে ১০টন নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন জব্দ করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের ক্ষুদিরামপুর শুভ হোটেলের সামনে একটি কাভার্ডভ্যানে অভিযান চালিয়ে ওই পলিথিন জব্দ করা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা রাজিয়া ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে গঠিত ভ্রাম্যমান ওই অভিযান চালায়।
টাঙ্গাইল জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জমির উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার দুপুরে গোপণে সংবাদ পেয়ে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার খুদিরামপুর শুভ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে একটি কাভার্ডভ্যানে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় ওই কাভার্ডভ্যান থেকে ১০টন নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন জব্দ করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত কাভার্ডভ্যানের ড্রাইভারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পলিথিন ভর্তি কাভার্ডভ্যানটি রাজশাহী যাচ্ছিল।
তিনি জানান, অভিযানকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুুলতানা রাজিয়া, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সজীব কুমার ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমান আদালতের প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তুুহিন আলম। এ সময় জেলা পুলিশের সদস্যরা সহযোগিতা করে।
একতার কণ্ঠঃ পাঁচ বন্ধু কলেজে পড়েন। তারা সবাই ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। থাকেন ঘাটাইল উপজেলার শাহপুর এলাকার রাকিব ম্যানশন ছাত্রাবাসে। এই ছাত্রবাসের পাশেই রয়েছে পুকুর। সেই পুকুরে সোমবার (২ অক্টোবর) দুপুরে গোসল করতে নামেন এই পাঁচ বন্ধু। চার বন্ধু সাঁতরে পাড়ে উঠলেও মাঝ পুকুরে ডুবে যান নূর ইসলাম (১৮)। প্রায় দেড়ঘণ্টা পর পুকুর থেকে স্থানীয়রা তার লাশ উদ্ধার করেন।
নিহত কলেজ ছাত্র নূর উপজেলার গারোবাজার এলাকার নতুন বাজার গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে।
নূরের সঙ্গে পুকুরে গোসল করতে যাওয়া নাহিদ হাসান বলেন, আমি, নূর, রাসেল মিয়া, কাউসার আহমেদ ও আব্দুল্লাহ ছাত্রাবাসের পাশের পুকুরে গোসল করতে যাই। পুকুরটি বেশ বড়। পুকুরের লম্বালম্বি এপার থেকে ওপার সাঁতার দেই আমরা। আমরা তিন জন সাঁতরে পাড়ে উঠলেও নূরকে দেখতে পাইনি। এসময় পুকুরে সাঁতাররত কাউসারকে জিজ্ঞেস করি নূরের অবস্থান।
নাহিদ জানান, এমন কথায় কাউসার শুরুতে ভাবেন তার সঙ্গে মজা করা হচ্ছে। কিছুক্ষণ পর সবাই মিলে নূরকে অনেকক্ষণ ধরে ডাকাডাকি করি। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে খোঁজ করেন ছাত্রাবাসে। সেখানেও দেখা না পেয়ে বিষয়টি অবগত করেন ছাত্রাবাসের বড় ভাইদের। এরই মধ্যে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম ফোন করেন ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে। ফায়ার সার্ভিস আসার আগে পুকুরে প্রায় দেড় ঘণ্টা স্থানীয় লোকজন উদ্ধার কাজ চালান। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল পুকুরে নামার আগে স্থানীয় লোকজন নূরের লাশ উদ্ধার করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম বলেন, ঘটনাটি তার বাড়ির পাশেই। বিষয়টি জানার পর তিনি পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসকে অবগত করেন। স্থানীয় যুবকরা খবর পেয়ে উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। মাঝ পুকুরেই ওই কলেজ ছাত্র ডুবে যায়।
ঘাটাইল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সুজন মিয়া বলেন, খবর পেয়েই তারা ঘটনাস্থলে যান। পুকুরে ডুবুরি নামাতে যাবেন ঠিক সেই সময় স্থানীয় একজনের পায়ের সঙ্গে নূরের মরদেহ উঠে আসে।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পুকুরের মাঝখানে ডুবে যান নূর। তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনীপ্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ভাসানী হলের দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালিয়ে ৪ মাদকসেবীকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত। পরে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন এই আদালত।
মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুল ইসলাম এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে মাদকসেবীদের ১ জনকে ১ বছর ও ৩ জনকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।
জানা গেছে, ভ্রাম্যমাণ আদাল টাঙ্গাইল পৌরসভার কালিপুর এলাকার স্বর্গীয় নগা কর্মকারের ছেলে উদয় কর্মকারকে (৩৫) ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডাদেশ প্রদান করে।
এছাড়া ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রাপ্ত তিনজন হলেন – টাঙ্গাইল পৌরসভার বেড়াডোমা এলাকার স্বর্গীয় পরেশ মেহতার ছেলে রবিদাস মেহতা (৪৬), একই টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের বীরপুষিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে হোসেন মিয়া (২৯) ও গালা ইউনিয়নের বেলটিয়াবাড়ী গ্রামের আবু সাঈদের ছেলে ফজলু (৪২)।
ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুল ইসলাম জানান, শহরের পরিত্যক্ত ঘোষিত ভাসানী হলে প্রায়ই মাদকাসক্তদের আসর বসে থাকে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছিল। মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সকালে এমন গোপন খবর পেয়ে ভাসানী হলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৪ জন মাদকসেবীকে হাতে-নাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, অভিযান পরিচালনাকালে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও জেলা পুলিশ সহযোগিতা করে। মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজি চলক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার হাতিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সিএনজি চালক উপজেলার সল্লা ইউনিয়নের দেউপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মাজম ফকিরের ছেলে আজমত আলী (৬৫)।
বঙ্গবন্ধু সেতু পুর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর আশরাফ জানান, দুপুরে আজমত সিএনজি নিয়ে রেলক্রসিং পাড় হওয়ার সময় চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি সিএনজিকে ধাক্কা দিলে সিএনজিটি দুমড়ে মুচড়ে যায়।
তিনি আরও জানান, এতে ঘটনাস্থলেই চালক আজমত নিহত হন। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন মরদেহ ও সিএনজিটি উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে মানুষের কঙ্কালসহ ওমর আলী (৪০) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মোটেরবাজার এলাকা থেকে স্থানীয় পাহারাদাররা ওই যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
আটককৃত ওমর আলী উপজেলার বেরীবাইদ ইউনিয়নের গুবুদিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
পাহারাদার বয়েস উদ্দিন ও শাহজাহান আলী বলেন, বস্তায় কবর থেকে তুলে আনা মানুষের মাথার খুলি, হাত-পাসহ বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের হাড় থাকায় তাঁকে আটক করি। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে মারধর করে। খবর পেয়ে মধুপুর থানা-পুলিশ এসে তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
উপজেলার আউশনারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, সোমবার ভোরে মোটেরবাজার এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ওই যুবককে ঘোরাঘুরি করতে দেখে আটক করা হয়। এ সময় তার হাতে থাকা বস্তায় তল্লাশি চালিয়ে মৃত মানুষের কঙ্কাল পাওয়া যায়। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, বস্তা থেকে মাথা, ডান হাত, দুই পাসহ কোমরের নিচের অংশবিহীন মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় কঙ্কালসহ ওমর আলীকে আটক করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে, মেডিকেল কলেজে কঙ্কাল বিক্রি করার যে চক্র আছে, ওমর আলী সেই চক্রেরই সদস্য। বর্তমানে তিনি মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক এমপি’র পাঁচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পতিত জমিতে হচ্ছে ড্রাগন ফল চাষ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ে থাকা পতিত জমিতে লাগানো ড্রাগন ফল থেকে প্রতি মৌসুমে আয় হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। লাভের সেই টাকা ব্যয় হচ্ছে নিজ উদ্যোগে নির্মিত এতিমখানায়। এতে সুরক্ষিত হয়েছে এতিমখানাসহ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ।
একান্ত সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো. আবুল কাশেম।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দেলদুয়ার উপজেলায় দেউলি ইউনিয়নের আলালপুর গ্রামে পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা, সুফিয়া কাশেম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, আবুল কাশেম ট্রাষ্ট মসজিদ, আল জামিয়াতুল কাছেমিয়া ও জামেরুন্নেছা এতিমখানা, কমিউনিটি ক্লিনিক, পোস্ট অফিস ও সামাজিক কবরস্থান। প্রায় ১৮ একর জমির উপর গড়ে উঠা প্রতিষ্ঠানগুলো ১০ একর পতিত জমিতে চাষ করা হয়েছে ড্রাগন ফল।
বাগানের কৃষক মো. আব্দুল কাদের বলেন, ১০ একর জমির উপর এই ড্রাগন বাগান করা হয়েছে। বাগানে ড্রাগনের চারা রয়েছে পনের হাজার। আমাদের বাগানে লাল, গোলাপী, বেগুনী, হলুদ ও সাদা জাতের ফল রয়েছে।
তিনি বলেন, এখন ড্রাগন ফলের মৌসুম। তবে আমাদের বাগানে ফল বেশি বড় হচ্ছে না। কেজিতে ধরছে পাঁচ ছয়টা।

তিনি আরও বলেন, ড্রাগন ফল বাজারজাত করতে কোন কষ্ট হয় না। আমরা স্থানীয় পাইকারীদের কাছে বিক্রি করে থাকি। এছাড়াও নিজস্ব খরচে ঢাকায় পৌছিয়ে দিলে পাইকারীরা ন্যয্যমুল্যে দিয়ে থাকেন। প্রতিদিন প্রায় ৬শ থেকে ৮শ কেজি ড্রাগন ফল উত্তোলন করা যায়। তবে আমরা তা না করে মাসে মাসে উত্তোলন করছি। মাঝে মাঝে স্থানীয় পাইকারদের দাবির কারণে এর আগেও উত্তোলন করে বিক্রি করি। স্থানীয় পাইকারদের কাছে প্রতি কেজি দুই থেকে আড়াইশ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে আমাদের ড্রাগন ফল।
বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী কবিরসহ কয়েক জন জানায়, ড্রাগন ফলের বাগানে সজ্জিত আমাদের বিদ্যাপিঠ। এই বাগান দেখে শুধু আমরাই আনন্দ পাইনা, বিভিন্ন এলাকা থেকেও বাগানগুলো দেখতে মানুষ আসছেন। এছাড়াও আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি অনেক জায়গায় থাকায় পর্যাপ্ত আলো বাতাস পাওয়া যায়। শিক্ষা ব্যবস্থাও ভালো বলে জানান তারা।
আল জামিয়াতুল কাছেমিয়া ও জামেরুন্নেছা এতিমখানার মুহতামিম হাফেজ ইমরান হোসেন বলেন, এতিমখানা ও হিফজ শাখায় বর্তমানে অধ্যায়ন শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪২জন। অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের খানাপিনা ভোরণ পোষণের দায়িত্ব পালন করছেন প্রতিষ্ঠাতা টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো. আবুল কাশেম।
তিনি আরও বলেন, এতিমখানার শিক্ষার্থীদের ভোরণ পোষণের চাহিদা মেটাতে তিনি ১০ একর পতিত জমিতে ড্রাগন বাগান করেছেন। ওই ফল বিক্রির টাকা ব্যয় হচ্ছে এতিমখানার শিক্ষার্থীদের পিছনে বলেও জানান তিনি।
বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. ইব্রাহিম খলিল বলেন, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চারদিকে ড্রাগন ফলের বাগান। বাগানটি দেখতে অসাধারণ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা প্রকৃতির মনোরম পরিবেশে বেড়ে উঠছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান গুলোর প্রতিষ্ঠাতা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েই এই ড্রাগন বাগান করেছেন। উনার অবর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলো যেন বন্ধ না হয়, সে লক্ষেই উনার এই বাগান করা। বাগান থেকে উপার্জিত টাকা এতিমখানাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনায় ব্যয় করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও আবুল কাশেম ট্রাষ্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আবুল কাশেম জানান, ১৯৭৩ সালে আমার পিতা ইন্তেকাল করেন। উনার রুহের মাগফিরাতের জন্য ওই সালেই আমি এখানে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করি। আমার প্রতিষ্ঠিত বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসাটি বর্তমানে ডিগ্রী মাদ্রাসার উন্নিত হয়েছে। এর পাশাপাশি এখানে প্রতিষ্ঠা করেছি সুফিয়া কাশেম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, আবুল কাশেম ট্রাষ্ট মসজিদ, আল জামিয়াতুল কাছেমিয়া ও জামেরুন্নেছা এতিমখানা, কমিউনিটি ক্লিনিক, পোস্ট অফিস আর একটি সামাজিক কবরস্থান। এই প্রতিষ্ঠাগুলোর পরিচালনার ব্যয় মিটাতে আমার এই ড্রাগন বাগান করার উদ্যোগ।

তিনি জানান, আমার ১৮ একর জমির ৮ একর জমিতে প্রতিষ্ঠানগুলো নির্মিত হয়েছে। বাকি ১০ একর পতিত জমিতে ড্রাগন বাগান করা হয়েছে। আমার এই ড্রাগন বাগানের বয়স প্রায় দেড় বছর। এ বছর আমি প্রায় ১৩/১৪ লাখ টাকার ফল বিক্রি করতে পেরেছি। ড্রাগন ফল বিক্রির টাকা এতিমখানাসহ প্রতিষ্ঠানগুলোর পিছনে ব্যয় করা হচ্ছে। ওই টাকা আমি আমার ব্যক্তিগত কোন কাজে খাটাই না। আমার ইচ্ছে আমার সকল সম্পতি আমি ট্রাস্টের নামে দিয়ে যাবো। সম্পতির সকল আয়ে চলবে আমার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো।
তিনি আরও জানান, আগামীতে প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে পরনির্ভরশীল না হয় সেই লক্ষেই আমার এই বাগান করার উদ্যোগ। আমার প্রতিষ্ঠিত এতিমখানায় যাতে দুই থেকে তিনশ এতিম সন্তান থাকতে পারে। তাদের আর্থিক কোন কষ্ট না হয় সেটিকেই প্রাধান্য দিয়ে আমি ড্রাগন চাষে এগিয়ে যাচ্ছি। বাগানটি করতে আমাকে দেশের অনেক জায়গাতে ঘুরতে হয়েছে। সর্বশেষ নাটোর থেকে এই ড্রাগনের চারা এনে বপন করা হয়েছে।