/ হোম / সদর
টাঙ্গাইলে সংকুচিত হয়ে আসছে খেলার মাঠ, শিশু-কিশোররা ঝুঁকছে অনৈতিক কাজে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সংকুচিত হয়ে আসছে খেলার মাঠ, শিশু-কিশোররা ঝুঁকছে অনৈতিক কাজে

একতার কণ্ঠঃ ১৩৬ বছরের প্রাচীন ২৯.৪৩ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডে ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে খেলার মাঠ। বিগত ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যেই পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে হারিয়ে গেছে ১৬টি খেলার মাঠ। আরও বেশ কয়েকটি খেলার মাঠ হারাতে বসেছে। বর্তমানে বিভিন্ন ওয়ার্ডের শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সচেতন পৌর বাসিন্দাদের খেলাধুলা ও শরীর চর্চা করার মাঠগুলোতে গড়ে উঠেছে বড় বড় আকাশচুম্বী অট্টালিকা। কোন কোন মাঠে কাঁচা বাজার বসানো হয়েছে। আবার অনেক মাঠের জায়গার মালিকেরা প্লট আকারে বিক্রি করে দিয়েছেন তাঁদের ব্যক্তিগত জায়গা।

আবার কোন মাঠে বছর জুড়ে বানিজ্য মেলাসহ রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানেই ব্যস্ত থাকে। যে কারণে উঠতি বয়সী ছেলে মেয়েরা খেলাধুলার সুযোগ পাচ্ছে না। এতে অভিভাবকরা যেমন আতঙ্কিত তেমনি সুশীল সমাজের নাগরিকেরাও শংকিত। আর এসবের জন্য বিশেষজ্ঞরা দায়ী করছেন বর্তমান সমাজ ব্যবস্থাকে।

এছাড়া পৌর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে যে কয়টি খেলার মাঠ এখনো রয়েছে সেগুলোও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধীরে ধীরে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) তাঁদের গবেষণায় বলছে, শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য প্রতিদিন ন্যূনতম ১ ঘন্টা করে খেলাধুলা ও শারীরিক সক্রিয় কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থাকা প্রয়োজন।

টেকসই নগরায়ন-সংক্রান্ত জাতিসংঘের সংস্থা ইউএন-হ্যাবিটেটের মতে, হাঁটার দূরত্বে খেলার মাঠ থাকা উচিত। অতিঘন নগর এলাকায় প্রতি অর্ধবর্গ কিলোমিটারে জনসংখ্যা বিবেচনায় ন্যূনতম একটি করে খেলার মাঠ থাকা প্রয়োজন।

পর্যাপ্ত মাঠ না থাকায় টাঙ্গাইল পৌর শহরের উঠতি বয়সের শিশু-কিশোর ও যুবকেরা খেলাধুলার সুযোগ না পেয়ে ধীরে ধীরে ঝুঁকে পড়ছে মোবাইল গেমসহ বিভিন্ন ধরনের অনলাইন জুয়ায়। এলাকাভিত্তিক রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় তৈরি হচ্ছে কিশোরগ্যাং। বাড়ছে পৌর এলাকায় অপরাধমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড।

জেলা প্রশাসন, পৌর পিতাসহ টাঙ্গাইলের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের এ বিষয়ে নেই কোন মাথাব্যথা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ১৩নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশি খেলার মাঠের জায়গায় বসতভিটা গড়ে উঠেছে। এই ওয়ার্ডের থানাপাড়া এলাকার রেঞ্জার মাঠ, সবুজ সেনা মাঠ, থানাপাড়া ইস্টার্ন ক্লাব মাঠের (বাবুর্চির মাঠ) জায়গায় ইতিমধ্যে বসতি গড়ে উঠেছে। ব্যক্তি মালিকানাধীন এইসব মাঠগুলোর এখন আর অস্তিত্ব নেই। ঘনবসতিপূর্ণ এই ওয়ার্ডে ৩টি খেলাধুলার ক্লাব থাকলেও তাদের কোন খেলার মাঠ নেই।

২নং ওয়ার্ডের ঠাকুর বাড়ির মাঠটি মালিকানা দ্বন্দ্বে এলাকার শিশু-কিশোরদের ওই মাঠে খেলাধুলা প্রায় বন্ধ। স্থানীয়দের আন্দোলনের মুখে, বর্তমানে শিশু-কিশোররা ওই মাঠে খেলাধুলার সুযোগ পাচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে ওই মাঠের জায়গা প্লট আকারে বিক্রির আলোচনা চলছে।

৩নং ওয়ার্ডের মির্জা মাঠ ও হাউজিং মাঠে নিকট অতীতে ওই এলাকার শিশু-কিশোররা খেলাধুলা করতো। এছাড়া সকাল ও বিকালে স্বাস্থ্য সচেতন লোকজন শরীরচর্চা করতো এই মাঠ দুটিতে। বর্তমানে মাঠ গুলোতে বসতি গড়ে উঠেছে।

৬নং ওয়ার্ডের কলেজ পাড়ার বালুর মাঠে গড়ে উঠেছে বিশাল বিশাল ইমারত। একই এলাকার পানির ট্যাংকের মাঠে এখন আর শিশু-কিশোরদের প্রবেশ অধিকার নেই। দক্ষিণ কলেজ পাড়ার বড় বড় চক গুলোতে এক সময় ওই এলাকার শিশু-কিশোররা খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকতো। বর্তমানে সেখানে গড়ে উঠেছে বসতি।

১১নং ওয়ার্ডের খালপাড় মাঠে এখন গড়ে উঠেছে বসতি। ফলে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত মাঠ নেই এই ওয়ার্ডে।

টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ১৬নং ওয়ার্ডের ছোট কালিবাড়ী খেলার মাঠ ও কেওছার মাঠের এখন আর অস্তিত্ব নেই। এছাড়া নজরুল সেনা মাঠের জায়গায় গড়ে উঠেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান। এই ওয়ার্ডের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠে এক সময় টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন এলাকার শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় ব্যস্ত থাকতো। বর্তমানে এই মাঠের অধিকাংশ জায়গা জুড়ে বসেছে ট্রাকস্ট্যান্ড। ফলে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সের লোকজন শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই মাঠটি খেলাধুলা ও শরীরচর্চার জন্য এখন আর ব্যবহার করতে পারছে না। এই ওয়ার্ডের আউটার স্টেডিয়ামে ৮টি কংক্রিটের ক্রিকেট পিচ রয়েছে। কিন্তু বছরের প্রায় সময়ই এই জায়গায় বাণিজ্য মেলাসহ বিভিন্ন ধরনের মেলার আয়োজন করা হয়। ফলে বছরের অধিকাংশ সময় জেলা টিমের ক্রিকেটারসহ বিভিন্ন বয়সের ক্রিকেটারগণ অনুশীলনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকেন।

১৭নং ওয়ার্ডের শিমুলতলী এলাকার বালুর মাঠে এখন গড়ে উঠেছে বসতি ও বিভিন্ন ধরনের ফল ও গাছের বাগান।

১৮নং ওয়ার্ডের কোদালিয়া মাঠটি এখন শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একাডেমিক ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া একই ওয়ার্ডের সাবালিয়া এলাকার ফুলকুঁড়ি মাঠটি অনেক আগেই তার অস্তিত্ব হারিয়েছে।

শহরের নামকরা একটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্র জিসান আহমেদের (ছদ্মনাম) সাথে এই প্রতিবেদকের কথা হয় শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে। জিসান জানান, বিকেল থেকে অনেক রাত পর্যন্ত বন্ধুদের সাথে পৌর উদ্যানে আড্ডা দেন তিনি। এক সময় তার ওয়ার্ডে ৩টি খেলার মাঠ থাকলেও বর্তমানে কোন খেলার মাঠ নেই। ফলে খেলাধুলার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকটা বাধ্য হয়েই পৌর উদ্যানে এসে আড্ডা দেন তিনি।

শহরের আরেকটি স্বনামধন্য বেসরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র রাতিন খানের (ছদ্মনাম) সাথে এই প্রতিবেদকের কথা হয় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠে অবস্থিত বাঁশ বাজারে । রাতিন বলেন, তিনি একাদশ শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। তার এলাকায় মাঠ না থাকায় কোন ধরনের খেলাধুলার সুযোগ পাননি তিনি। মাদকাসক্তির পাশাপাশি তিনি অনলাইন জুয়ায় (ক্রিকেট বেটিং) আসক্ত হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে তিনি অনেক টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে হতাশায় ভুগছেন। তিনি আফসোস করে বলেন, তার এলাকায় খেলাধুলার মাঠ অথবা খেলাধুলার কোন ক্লাব থাকলে তিনি হয়তো এসবের মধ্যে নিজেকে জড়াতেন না।

সরকারি সৈয়দ মহাব্বত আলী কলেজর সহকারী অধ্যাপক মো. শাহজাহান মিয়া একতার কণ্ঠকে বলেন, পৌর শহরে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ না থাকার ফলে শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তারা ধীরে ধীরে ঝুঁকে পড়ছে বিভিন্ন ধরনের অনলাইন গেম ও জুয়াতে।

তিনি আরও বলেন, এছাড়া একশ্রেণীর উঠতি বয়সী শিশু-কিশোর মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। এদের এসবের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য পৌর এলাকায় শিশু-পার্ক ও খেলার মাঠের কোন বিকল্প নেই। পৌর শহরে যে কয়টি খেলার মাঠ এখনো অবশিষ্ট আছে সেগুলো রক্ষা করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস,এম সিরাজুল হক আলমগীর একতার কণ্ঠকে বলেন, ব্যক্তি মালিকানাধীন মাঠগুলোর ব্যাপারে পৌর কর্তৃপক্ষের করণীয় কিছু নেই। তবে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্, জেলা পরিষদ মাঠ ও শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে পৌরসভার উন্নয়নমূলক কাজের জন্য কিছু জিনিসপত্র রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী ১ মাসের মধ্যেই মাঠগুলো পরিষ্কার করে আবার খেলাধুলার উপযোগী করা হবে। এছাড়া ৩নং ওয়ার্ডের হাউজিং স্টেটে শিশু-কিশোরদের জন্য একটি খেলার মাঠ তৈরি করার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন একতার কণ্ঠকে বলেন, পৌরসভার নিয়ন্ত্রণাধীন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠ, জেলা পরিষদ মাঠ, কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ মাঠ ও জেলখানার পাশে যে মাঠটি রয়েছে আমাদের সর্বাত্মক চেষ্টা হচ্ছে মাঠগুলোতে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার উপযুক্ত করে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা। বিশেষ করে শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠটি শুধুমাত্র শিশু-কিশোরাই খেলাধুলা করে না। এখানে স্বাস্থ্য সচেতন বিভিন্ন বয়সের লোকজন সকাল বিকাল শরীর চর্চা করে থাকেন। ঈদগাহ্ মাঠকে যত দ্রুত সম্ভব খেলাধুলার উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। ইতিমধ্যে আমি এ বিষয়ে পৌর মেয়রের সাথে আলোচনা করেছি।

তিনি আরও বলেন, শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা ও মানসিক বিকাশের জন্য টাঙ্গাইল পৌর শহরের অদূরে দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুরে নির্মিত হচ্ছে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন বলেই দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মিনি স্টেডিয়াম তৈরীর প্রকল্প হাতে নিয়েছেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২৩ ০২:২৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হাসানের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে ছাত্রলীগের একাংশ। এরআগে সোমবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধায় শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হাসানের উপর হামলার ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) সকালে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্থানীয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।

সভায় শহর ছাত্রলীগের সভাপতি মীর ওয়াছেদুল হক তানজীল, সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রাসেল আলম মামুন, যুগ্ম-আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম হৃদয়, সখীপুর শহর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান, এলেঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মো. মিজান, ঘাটাইল পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তপু চন্দ্র ঘোষ, টাঙ্গাইল টেক্সাইল ইন্সটিটিউটের সভাপতি আকাশ আহমেদ সূর্য, সাধারণ সম্পাদক মীর আজিজ, টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক মুক্তার দুর্জয়, ভূঞাপুর ইব্রাহিম খাঁ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হায়দার আলী, ভূঞাপুর শহর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান চকদার প্রমুখ অংশ নেন।

প্রতিবাদ সমাবেশে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হাসান অভিযোগ করে বলেন, টাঙ্গাইল শহর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনি কারাগারে যাওয়ার আগে তাকে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গেলে বড় মনির ৪ থেকে ৫ জন অনুসারী তার উপর হামলা করে। জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল শহর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনি জানান, একটি সাজানো যৌন নিগ্রহের মামলায় তিনি সবেমাত্র জামিনে মুক্ত হয়ে অসুস্থাবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। এরই মধ্যে অপর একটি ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের উপর হামলার বিষয়টি তাদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে ঘটে থাকতে পারে। এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। অহেতুক তাকে দোষারোপ করে একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:৫৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক কালবেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার (১৬ অক্টোবর) আলোচনা সভা ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) আইরিন আক্তার।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন, র‌্যাব-১৪ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসাদুল আখতার শামীম, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া।

অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, দৈনিক কালবেলার জেলা প্রতিনিধি মো. আবু জুবায়ের উজ্জল।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দৈনিক কালবেলা পত্রিকা নবযাত্রার প্রথম বছর অতিক্রম করে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ করেছে। পত্রিকাটি এই অল্প সময়ে মানুষের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অক্টোবর ২০২৩ ০২:১৮:এএম ৩ বছর আগে
দখল ও দূষণে মৃত প্রায় এককালের খরস্রোতা লৌহজং নদী - Ekotar Kantho

দখল ও দূষণে মৃত প্রায় এককালের খরস্রোতা লৌহজং নদী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের এক সময়ের খরস্রোতা নদী লৌহজং। যা টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম পাশ দিয়ে বয়ে গেছে। সময়ের বিবর্তনে নদীটি এখন অবৈধ দখলদারদের দখলে।

প্রতিনিয়ত পড়ছে দূষণের কবলে। ভরা মৌসুমে ঢেকে আছে কচুরিপানায়। নাব্যতা হারিয়ে পরিণত হয়েছে মরা খালে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় নদীটি যেমন জেলার অংশীদার ছিল তেমনি শোভাবর্ধন করেছিল জেলা শহরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যেরও।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের কাশিনগর এলাকায় ধলেশ্বরী নদী থেকে উৎপত্তি হয়ে ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ লৌহজং নদী জেলা শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে জেলার মির্জাপুর উপজেলার বংশাই নদীতে পড়েছে। এক সময় এই নদীকে কেন্দ্র করে শহরের নিরালা মোড় এলাকায় নৌবন্দর ছিল। দেশ-বিদেশ থেকে লঞ্চ, স্টিমার, জাহাজ ও বড় বড় নৌকা বাণিজ্যে আসতো এই নৌবন্দরে। মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশ ছিল এখানে। বর্তমানে এসবের কিছুই নেই।

উজানে যমুনা ও এর শাখা ধলেশ্বরীতে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়ে লৌহজং নদীতেও। ফলে নাব্যতা হারাতে থাকে নদীটি ফলে বন্ধ হয়ে যেতে থাকে বড় নৌকার চলাচল।

পরে পানি উন্নয়ন বোর্ড বন্যা কর্ম পরিকল্পনার (ফ্লাড অ্যাকশন প্ল্যান/ ফ্যাপ-২০) অধীনে ১৯৯১ সালে সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের কাঠুয়া যোগিনীতে লৌহজং নদীতে স্লুইস গেট নির্মাণ করায় মরে যেতে শুরু করে নদীটি। শুকিয়ে যাওয়ার ফলে এর তীর দ্রুত দখল হয়ে যেতে শুরু করে। শুরু হয় ঘর নির্মাণ ও ধান ও সবজি চাষ।

পাশাপাশি, পৌর এলাকার বসতবাড়ি থেকে নির্গত ময়লা পানি, আবর্জনা ও বিসিক শিল্প এলাকার কয়েকটি কারখানা ও সদর উপজেলার ক্ষুদিরামপুরে টেক্সটাইল মিল থেকে নির্গত বর্জ্য সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নদীটিকে মারাত্মকভাবে দূষিত করতে থাকে। লৌহজংয়ের পানি মানুষ ও গবাদি পশুর ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পড়ে। নদীর জলজ প্রাণীও বিলুপ্ত হয়ে যায়।

দীর্ঘদিন যাবৎ ড্রেজিং না করায় নদীটি তার নাব্যতা হারিয়েছে। এই সুযোগে দুই পাড়ের সুবিধাবাদী মহল কৌশলে প্রথমে ময়লা আবর্জনা ফেলে দখল করেছে। পরবর্তীতে স্থায়ী ভবন, দেয়াল ও স্থাপনা নির্মাণ করে নদীটি দখল করেছে।

নদীটি দূষণ ও দখলমুক্ত করার জন্য ২০১৬ সালে আন্দোলনে নামে স্থানীয়রা। ওই বছরের ২৯ নভেম্বর নদীটি দূষণ ও দখলমুক্তকরণ শুরু করেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. মাহবুব হোসেন। শহরের পুলিশ লাইনস হাজরাঘাট এলাকা থেকে বেড়াডোমা ব্রিজ পর্যন্ত চার কিলোমিটার দূষণ ও দখলমুক্ত করা হয়। এরপর তিন বছরের মাথায় এ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এরই ফাঁকে অবৈধ দখল আর দূষণে ফিরে যাচ্ছে আগের রূপে। কলকারখানার বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে নদীর পানি। নদীর স্বাভাবিক গতি হারিয়ে সরু খালে পরিণত হয়েছে।

বর্তমানে নদীটি কচুরিপানায় ভর্তি। পানি থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এতে নদীর দুই পাড়ের পরিবেশ চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। প্রভাব পড়ছে পুরো জীববৈচিত্র্যে। নদীটি দখল ও দূষণমুক্ত করার দাবি স্থানীয়দের।

২০২০ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে পুনরায় উচ্ছেদ অভিযান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত সচিব ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক মাহবুব হোসেন।

শহরের প্যারাডাইস পাড়া এলাকার বাসিন্দা আরমান কবীর জানান, ১৫ বছর আগেও যে নদীতে গোসল ও গৃহস্থালি কাজ করতাম, সেই নদীর পানি বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী। নদীতে মাছ তো দূরের কথা, পানিতে বসবাসকারী কোনও পোকাও থাকে না। নদীটি উদ্ধার কার্যক্রম শুরুর পর দখলমুক্ত হলেও কার্যক্রম না থাকায় আবার নদীর পাড়ের বাসিন্দারা কৌশলে দখলের চেষ্টা করছে।

শহরের আকুর টাকুর পাড়া এলাকার সাহান হাসান বলেন, বিভিন্ন কারখানার বর্জ্য ফেলে নদীটি বিভিন্নভাবে দূষণ করা হচ্ছে। পানি থেকে পচা দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। নদীটি উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু হলেও আবার বন্ধ হয়ে যায়। এটি উদ্ধার হলে টাঙ্গাইল শহরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়বে। তাই নদীটি উদ্ধারের জোর দাবি জানাচ্ছি।

টাঙ্গাইল নদী, খাল-বিল, জলাশয়, বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন কমিটির সাধারণ সম্পাদক রতন সিদ্দিকী জানান, লৌহজং নদী উদ্ধারে ২০১৬ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. মাহবুব হোসেনের নেতৃত্বে টাঙ্গাইলের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে অভিযান শুরু হয়। এই নদী উদ্ধারে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছিলাম। ওই সময় তিনি আমাদের নদীটি উদ্ধারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এজন্য আমরা আর আন্দোলনে যাইনি। বর্তমানে নদীটি পুনঃখননের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডে অনুমোদিত হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বিভাগীয় সমন্বয়কারী গৌতম চন্দ্র বলেন, কয়েক বছর যাবৎ লৌহজং নদীর উদ্ধার কার্যক্রম থমকে আছে। বিষয়টি নিয়ে এনজিও সমন্বয় সভায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ পরিবেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। বর্তমানে আইন লঙ্ঘন করে নদী দখল করা হচ্ছে। এ ছাড়াও শহরের বিভিন্ন ড্রেনের লাইন নদীতে দেওয়া আছে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় বাসিন্দারাও ময়লা আবর্জনাসহ বাসায় টয়লেটের লাইন নদীতে দিয়ে দূষণ করছেন। নদী দখল ও দূষণে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান জড়িত। নদীটি উদ্ধারে যথাযথ আইন প্রয়োগ করা প্রয়োজন।

টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, লৌহজং নদীটি পুনঃখননের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো আছে। অনুমোদন পেলে নদীটি খনন করা হবে। এ ছাড়াও ধলেশ্বরীসহ সংযুক্ত কয়েকটি নদী পুনঃখননের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো আছে।

জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম জানান, লৌহজং নদী উদ্ধার কার্যক্রম আগামী জানুয়ারি মাস থেকে শুরু করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:৩০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ঘরে অগ্নিকাণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ঘরে অগ্নিকাণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ঘরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। প‌রে ফায়ার সার্ভিস এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

রবিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৯টার দি‌কে জেনারেল হাসপাতালের আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ঘরের মাঝে এ আগুনের ঘটনা ঘটে।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার ইদ্রিস আলী জানান ,খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এখনো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বলা যাচ্ছে না। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুন লাগতে পারে। যে জায়গায় আগুন লেগেছে সেখানে বড় মাইক্রোওয়েভ মেশিন দিয়ে মেডিকেল বর্জ্য পোড়ানো হয়।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদিকুর রহমান জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে তদন্ত কমিটি গঠন করে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানানো হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. অক্টোবর ২০২৩ ০২:৫৯:এএম ৩ বছর আগে
খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে টাঙ্গাইলে বিএনপি’র অনশন - Ekotar Kantho

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে টাঙ্গাইলে বিএনপি’র অনশন

একতার কণ্ঠঃ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে প্রেরণ, সংসদ বিলুপ্ত ও ১দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে কেন্দ্রিয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলে অনশন কর্মসূচী পালন করেছে জেলা বিএনপি।

শনিবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শহরের বেপাড়ীপাড়া ঈদগাহ্ মাঠ প্রাঙ্গনে এ অনশন কর্মসূচী পালন করা হয়।

এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।

পরে টাঙ্গাইল জেলা বার সমিতির সভাপতি এডভোকেট মাঈদুল ইসলাম শিশির, জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের আহ্বায়ক ফায়জুর রহমান ফায়েজ, জেলা বার সমিতির সাবেক সভাপতি এডভেকেট শফিকুল ইসলাম রিপন অনশনরত নেতাকর্মীদের পানি পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান।

অনশনে জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ, বিএনপি নেতা আবুল কাশেম, কাজি শফিকুর রহমান লিটন, জেলা শ্রমিকদলের সাধারন সম্পাদক একেএম মনিরুল হক মনির, জেলা যুবদল আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি তারিকুল ইসলাম ঝলক, জেলা মহিলাদলের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদীহাসান আলীম, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি দূর্জয় হোড় শুভসহ বিভিন্ন উপজেলার সভাপতি-সম্পাদক ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত - Ekotar Kantho

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে ছিল- জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, পায়রা-বেলুন ও ফেস্টুন উড়ানো, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, কেক কাটা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ইত্যাদি।

বৃহস্পতিবার সকালে প্রশাসনিক ভবনে পতাকা উত্তোলন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন রিজেন্ট বোর্ড সদস্য, ডিন ও রেজিস্ট্রারকে নিয়ে পায়রা- বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুর‌্যাল ও মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। আনন্দ শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন নেতৃত্ব দেন। আনন্দ শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ১২তলা একাডেমিক ভবনের সামনে কেক কাটা অনুষ্ঠানে মিলিত হয়।

এছাড়া বাদ যোহর কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচি পালনকালে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর এআরএম সোলাইমান, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ডক্টর মো. সিরাজুল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রকাশ, ১৯৯৯ সালের ১২ অক্টোবর তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:০৫:এএম ৩ বছর আগে
তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে বিএনপি’র সঙ্গে আপসের সুযোগ নেই: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে বিএনপি’র সঙ্গে আপসের সুযোগ নেই: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে বিএনপি’র সঙ্গে আপস করার কোনো সুযোগ নেই। তবে এখনও আওয়ামী লীগের দরজা খোলা আছে। তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। তারা নির্বাচনে আসবে। আন্দোলন সংগ্রাম করে সরকার পতন ঘটাবে, এটি কোনোভাবেই পারবে না।

বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিতসভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেছেন।

মন্ত্রী বলেন, ৯০ দিন বিএনপি দেশ অচল করার চেষ্টা করেছে, গাড়িতে আগুন দিয়ে মানুষ মেরেছে, স্কুল কলেজে আগুন দিয়েছে, রেল লাইন তুলেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের পতন ঘটাতে পারেনি।

সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন ইস্যুতে বিদেশিদের চাপ রয়েছে, এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, কোনো চাপের কাছে আওয়ামী লীগ মাথানত করবে না। জেল জুলুমের ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ নেই। প্রয়োজনে আমরা জেলে যাব। তবুও কোনো চাপে আমরা মাথানত করব না। বিএনপি বলছে, তারা তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। সংবিধানে সুস্পষ্ট লেখা আছে যে, সরকার থাকবে তার অধীনেই নির্বাচন হবে। সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনকে সার্বিক সহযোগিতা করবে। যেকোনো আন্দোলন রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করা হবে।

এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপি, কেন্দ্রীয় সদস্য তারানা হালিম, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মামুন উর রশিদ, এমপি ছানোয়ার হোসেন, তানভীর হাসান ছোট মনির, হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী, আহসানুল ইসলাম টিটু, আতাউর রহমান আজাদ ও খান আহমেদ শুভ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ বর্ধিতসভা শেষে বৃহস্পতিবার বিকালে মন্ত্রী টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলীতে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় অংশ নেয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অক্টোবর ২০২৩ ০২:৩৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপি’র বিক্ষোভ মিছিলে দফায় দফায় পুলিশের বাধা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপি’র বিক্ষোভ মিছিলে দফায় দফায় পুলিশের বাধা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো, সংসদ বিলুপ্ত ও একদফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ বাধা দিয়ে শান্তিকুঞ্জ মোড়ে আটকে দেয়। পরে সেখানেই বিএনপি নেতাকর্মীরা সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে।

সোমবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে শহরের ভাসানী হলের সামনে এসে সমবেত হয়। সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করতে চাইলে প্রথম দফায় পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশি বাধায় নেতাকর্মীরা শহরের বেপারীপাড়া এলাকায় গিয়ে সমবেত হয়। পরে সেখান থেকে পুনরায় বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরে প্রবেশ করতে চাইলে শান্তিকুঞ্জ মোড় এলাকায় পুলিশ তাদেরকে দ্বিতীয় দফায় বাধা দেয়। পরে সেখানেই তারা সংক্ষিপ্ত সমাবেশে করে।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফকির মাহাবুব আনাম স্বপন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।

এ সময় জেলা বিএনপি, বিভিন্ন উপজেলা বিএনপির সভাপতি-সম্পাদক এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অক্টোবর ২০২৩ ০২:১৭:এএম ৩ বছর আগে
ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেল, শিশুটির জৈবিক পিতা আ’লীগ নেতা বড় মনির নন - Ekotar Kantho

ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেল, শিশুটির জৈবিক পিতা আ’লীগ নেতা বড় মনির নন

একতার কণ্ঠঃ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা কিশোরীর জন্ম দেওয়া শিশুটির জৈবিক (বায়োলজিক্যাল) পিতা টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনির নন। শিশুটির ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে এ তথ্য এসেছে।

প্রতিবেদনটি উপস্থাপনের পর সোমবার (৯ অক্টোবর) শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ গোলাম কিবরিয়ার জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদেশের পর গোলাম কিবরিয়ার আইনজীবী মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, কিশোরীর জন্ম দেওয়া শিশুটির জৈবিক পিতা গোলাম কিবরিয়া নন বলে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে এসেছে। আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। এর ফলে গোলাম কিবরিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রইল। এখন তাঁর কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই।

মামলাটিতে গত ১১ জুলাই হাইকোর্ট রুল দিয়ে গোলাম কিবরিয়াকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করেছিল।

আবেদনটি গত ১২ জুলাই আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে। সেদিন চেম্বার আদালত গোলাম কিবরিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন। ধর্ষণের মামলা করা কিশোরীর জন্ম দেওয়া শিশুর ডিএনএ পরীক্ষা করে আদালতে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ২১ আগস্ট আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে বিষয়টি শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন।

ধার্য তারিখে বিষয়টি আপিল বিভাগে শুনানির জন্য ওঠে। সেদিন আপিল বিভাগ ডিএনএ পরীক্ষাসংক্রান্ত ১২ জুলাই চেম্বার বিচারপতির দেওয়া নির্দেশনা বাস্তবায়নে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনটি ৯ অক্টোবর শুনানির জন্য তারিখ রাখেন। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার শুনানি হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুজিত চ্যাটার্জি বাপ্পি। গোলাম কিবরিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন, গোলাম সারোয়ার ও তারেক মো. বিন আসাদ।

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুজিত চ্যাটার্জি বাপ্পি গণমাধ্যমকে বলেন, আপিল বিভাগের আদেশের পর শিশুটির ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে আসে। পরে প্রতিবেদনটি আদালতে দাখিল করা হয়।

গোলাম কিবরিয়া টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনিরের বড় ভাই। তিনি (গোলাম কিবরিয়া) জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতিরও মহাসচিব।

উল্লেখ্য, এক কিশোরী বাদী হয়ে গত ৫ এপ্রিল রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করে। গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী নিগার আফতাবকেও মামলায় আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে কিশোরী উল্লেখ করে, গোলাম কিবরিয়া তার আত্মীয় ও পূর্বপরিচিত। সম্প্রতি পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে ভাইয়ের সঙ্গে কিশোরীর বিরোধ সৃষ্টি হয়। এই বিরোধের বিষয়টি গোলাম কিবরিয়াকে জানানোর পর তিনি সমাধানের আশ্বাস দেন।

মামলায় কিশোরী অভিযোগ করে, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর গোলাম কিবরিয়া শহরের আদালতপাড়ায় নিজের বাড়ির পাশের একটি ভবনে তাকে (কিশোরী) ডেকে নেন। সেখানে তার মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাকে একটি কক্ষে আটকে রাখেন গোলাম কিবরিয়া। পরে তাকে ধর্ষণ করে তার আপত্তিকর ছবি তুলে রাখা হয়। বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য গোলাম কিবরিয়া তাকে ভয়ভীতি দেখান। আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে কিশোরী মামলায় অভিযোগ করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অক্টোবর ২০২৩ ০১:২৫:এএম ৩ বছর আগে
সরকারের উন্নয়নের ব্যানার খুলে ফেলার অভিযোগ ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে - Ekotar Kantho

সরকারের উন্নয়নের ব্যানার খুলে ফেলার অভিযোগ ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে

একতার কণ্ঠঃ বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার খুলে ফেলার অভিযোগ উঠেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগসহ আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার বিরোধীদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মীসভা উপলক্ষে নানা ধরণের ব্যানার ফেস্টুন লাগায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পাশাপাশি বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার লাগায় ছাত্রলীগ নেতা মানিক শীল।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নির্দেশে গত ৪ অক্টোবর (বুধবার) থেকে ছাত্রলীগের লাগানো সকল ব্যানার খোলা শুরু করে নিরাপত্তা শাখায় কর্মরত কর্মচারীরা। ছাত্রলীগ নেতা মানিক শীল সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার গুলো না খোলার জন্য অনুরোধ করলেও তা উপেক্ষা করেই ব্যানার গুলো খুলে ফেলা হয়।

ছাত্রলীগ নেতা মানিক শীলের অভিযোগ, বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার ছেঁড়ার ঘটনায় আমাদের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ যারা আওয়ামীপন্থী আছেন সবাই ক্ষুব্ধ। উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানারে আমার ব্যক্তিগত কোন ছবি নেই। ছাত্রলীগের সাধারন কর্মী হিসেবে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের প্রচারণা চালাচ্ছি। যা বিভিন্ন সরকারী অফিস বা দপ্তরেও প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তবে তারা আবার ব্যানার লাগিয়ে দিতে চেয়েছেন। ইতোমধ্যেই নাকি বড় বড় করে ব্যানার বানাতে দেয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নিবিড় পালের অভিযোগ, ১২ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অজুহাতে আর বিশ্ববিদ্যায়ল কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার গুলো খুলে ফেলা হয়েছে। তবে এটা খুবই দুঃখজনক। বর্তমান সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডগুলো ওই ব্যানারের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানতে পারতো। এতে সরকারের ভাবমুর্তি বৃদ্ধি পেত। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ব্যানার গুলো পুনরায় টাঙিয়ে দেয়ার কথা বললেও এখনও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের মিটিং হচ্ছে বলে ফোন কেটে দেন এস্টেট শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মুছা মিয়া।

প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক বলেন, মোবাইলে কোন বক্তব্য দিব না। প্রয়োজন থাকলে ক্যাম্পাসে আসেন।

মোবাইলে বক্তব্য দিতে রাজি হননি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন জানান, সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার খুলে ফেলার বিষয়টি ঠিক করেননি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কর্মীসভা উপলক্ষে ব্যানার গুলো যেহেতু টাঙানো হয়েছিল, কর্তৃপক্ষ ব্যানার গুলো সরিয়ে নেয়ার জন্য ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে বলতো তারা দায়িত্ব নিয়ে খুলে ঠিক করেননি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহি করতে হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২৩ ০২:০৪:এএম ৩ বছর আগে
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে টাঙ্গাইল জেলা মহিলা আ’লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন - Ekotar Kantho

বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে টাঙ্গাইল জেলা মহিলা আ’লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

একতার কণ্ঠঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ করেছেন টাঙ্গাইল জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছিমা বাসিত ও সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার রুনুর নেতৃত্বে এই শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মরিয়ম বিনতে হোসাইন খেয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মেহেনিগার হোসেন তন্ময়, টাঙ্গাইল জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সেলিনা বেগম, শামসুন্নাহার বেগম, মাহমুদা বেগম শেলী, ফাতেমা রহমান, ফরিদা বেগম, রেহানা বেগম, রুমা খান, হোসনে আরা রোজি, আফরোজা বেগম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফারজানা হোসেন মুক্তি, ডাঃ জাকিয়া ইসলাম জ্যোতি, সাংগঠনিক সম্পাদক ডলি আক্তার, মুক্তি হাসানসহ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেত্রীবৃন্দ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২৩ ০১:১৮:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।