/ হোম / সদর
ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেল, শিশুটির জৈবিক পিতা আ’লীগ নেতা বড় মনির নন - Ekotar Kantho

ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেল, শিশুটির জৈবিক পিতা আ’লীগ নেতা বড় মনির নন

একতার কণ্ঠঃ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা কিশোরীর জন্ম দেওয়া শিশুটির জৈবিক (বায়োলজিক্যাল) পিতা টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনির নন। শিশুটির ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে এ তথ্য এসেছে।

প্রতিবেদনটি উপস্থাপনের পর সোমবার (৯ অক্টোবর) শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ গোলাম কিবরিয়ার জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদেশের পর গোলাম কিবরিয়ার আইনজীবী মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, কিশোরীর জন্ম দেওয়া শিশুটির জৈবিক পিতা গোলাম কিবরিয়া নন বলে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে এসেছে। আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। এর ফলে গোলাম কিবরিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রইল। এখন তাঁর কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই।

মামলাটিতে গত ১১ জুলাই হাইকোর্ট রুল দিয়ে গোলাম কিবরিয়াকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করেছিল।

আবেদনটি গত ১২ জুলাই আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে। সেদিন চেম্বার আদালত গোলাম কিবরিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন। ধর্ষণের মামলা করা কিশোরীর জন্ম দেওয়া শিশুর ডিএনএ পরীক্ষা করে আদালতে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ২১ আগস্ট আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে বিষয়টি শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন।

ধার্য তারিখে বিষয়টি আপিল বিভাগে শুনানির জন্য ওঠে। সেদিন আপিল বিভাগ ডিএনএ পরীক্ষাসংক্রান্ত ১২ জুলাই চেম্বার বিচারপতির দেওয়া নির্দেশনা বাস্তবায়নে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনটি ৯ অক্টোবর শুনানির জন্য তারিখ রাখেন। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার শুনানি হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুজিত চ্যাটার্জি বাপ্পি। গোলাম কিবরিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন, গোলাম সারোয়ার ও তারেক মো. বিন আসাদ।

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুজিত চ্যাটার্জি বাপ্পি গণমাধ্যমকে বলেন, আপিল বিভাগের আদেশের পর শিশুটির ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে আসে। পরে প্রতিবেদনটি আদালতে দাখিল করা হয়।

গোলাম কিবরিয়া টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনিরের বড় ভাই। তিনি (গোলাম কিবরিয়া) জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতিরও মহাসচিব।

উল্লেখ্য, এক কিশোরী বাদী হয়ে গত ৫ এপ্রিল রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করে। গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী নিগার আফতাবকেও মামলায় আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে কিশোরী উল্লেখ করে, গোলাম কিবরিয়া তার আত্মীয় ও পূর্বপরিচিত। সম্প্রতি পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে ভাইয়ের সঙ্গে কিশোরীর বিরোধ সৃষ্টি হয়। এই বিরোধের বিষয়টি গোলাম কিবরিয়াকে জানানোর পর তিনি সমাধানের আশ্বাস দেন।

মামলায় কিশোরী অভিযোগ করে, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর গোলাম কিবরিয়া শহরের আদালতপাড়ায় নিজের বাড়ির পাশের একটি ভবনে তাকে (কিশোরী) ডেকে নেন। সেখানে তার মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাকে একটি কক্ষে আটকে রাখেন গোলাম কিবরিয়া। পরে তাকে ধর্ষণ করে তার আপত্তিকর ছবি তুলে রাখা হয়। বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য গোলাম কিবরিয়া তাকে ভয়ভীতি দেখান। আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে কিশোরী মামলায় অভিযোগ করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অক্টোবর ২০২৩ ০১:২৫:এএম ৩ বছর আগে
সরকারের উন্নয়নের ব্যানার খুলে ফেলার অভিযোগ ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে - Ekotar Kantho

সরকারের উন্নয়নের ব্যানার খুলে ফেলার অভিযোগ ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে

একতার কণ্ঠঃ বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার খুলে ফেলার অভিযোগ উঠেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগসহ আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার বিরোধীদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মীসভা উপলক্ষে নানা ধরণের ব্যানার ফেস্টুন লাগায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পাশাপাশি বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার লাগায় ছাত্রলীগ নেতা মানিক শীল।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নির্দেশে গত ৪ অক্টোবর (বুধবার) থেকে ছাত্রলীগের লাগানো সকল ব্যানার খোলা শুরু করে নিরাপত্তা শাখায় কর্মরত কর্মচারীরা। ছাত্রলীগ নেতা মানিক শীল সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার গুলো না খোলার জন্য অনুরোধ করলেও তা উপেক্ষা করেই ব্যানার গুলো খুলে ফেলা হয়।

ছাত্রলীগ নেতা মানিক শীলের অভিযোগ, বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার ছেঁড়ার ঘটনায় আমাদের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ যারা আওয়ামীপন্থী আছেন সবাই ক্ষুব্ধ। উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানারে আমার ব্যক্তিগত কোন ছবি নেই। ছাত্রলীগের সাধারন কর্মী হিসেবে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের প্রচারণা চালাচ্ছি। যা বিভিন্ন সরকারী অফিস বা দপ্তরেও প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তবে তারা আবার ব্যানার লাগিয়ে দিতে চেয়েছেন। ইতোমধ্যেই নাকি বড় বড় করে ব্যানার বানাতে দেয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নিবিড় পালের অভিযোগ, ১২ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অজুহাতে আর বিশ্ববিদ্যায়ল কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার গুলো খুলে ফেলা হয়েছে। তবে এটা খুবই দুঃখজনক। বর্তমান সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডগুলো ওই ব্যানারের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানতে পারতো। এতে সরকারের ভাবমুর্তি বৃদ্ধি পেত। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ব্যানার গুলো পুনরায় টাঙিয়ে দেয়ার কথা বললেও এখনও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের মিটিং হচ্ছে বলে ফোন কেটে দেন এস্টেট শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মুছা মিয়া।

প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক বলেন, মোবাইলে কোন বক্তব্য দিব না। প্রয়োজন থাকলে ক্যাম্পাসে আসেন।

মোবাইলে বক্তব্য দিতে রাজি হননি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন জানান, সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার খুলে ফেলার বিষয়টি ঠিক করেননি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কর্মীসভা উপলক্ষে ব্যানার গুলো যেহেতু টাঙানো হয়েছিল, কর্তৃপক্ষ ব্যানার গুলো সরিয়ে নেয়ার জন্য ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে বলতো তারা দায়িত্ব নিয়ে খুলে ঠিক করেননি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহি করতে হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২৩ ০২:০৪:এএম ৩ বছর আগে
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে টাঙ্গাইল জেলা মহিলা আ’লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন - Ekotar Kantho

বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে টাঙ্গাইল জেলা মহিলা আ’লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

একতার কণ্ঠঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ করেছেন টাঙ্গাইল জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছিমা বাসিত ও সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার রুনুর নেতৃত্বে এই শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মরিয়ম বিনতে হোসাইন খেয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মেহেনিগার হোসেন তন্ময়, টাঙ্গাইল জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সেলিনা বেগম, শামসুন্নাহার বেগম, মাহমুদা বেগম শেলী, ফাতেমা রহমান, ফরিদা বেগম, রেহানা বেগম, রুমা খান, হোসনে আরা রোজি, আফরোজা বেগম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফারজানা হোসেন মুক্তি, ডাঃ জাকিয়া ইসলাম জ্যোতি, সাংগঠনিক সম্পাদক ডলি আক্তার, মুক্তি হাসানসহ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেত্রীবৃন্দ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২৩ ০১:১৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। বুধবার (৪ অক্টোবর) সকালে দিনটি উদযাপন উপলক্ষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) নাফিসা আক্তার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান বিন মোহাম্মদ আলী, সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা তাহলিমা জান্নাতি প্রমুখ।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক জাকেরুল মাওলার সভাপতিত্বে ও দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি শামীম আল মামুন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক মফস্বল পত্রিকার সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক দিনকাল পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক শামসাদুল আখতার শামীম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও মাছরাঙ্গা টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি একরামুল হক খান তুহিন, কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক সমকাল পত্রিকার টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি আব্দুর রহিম, সাহিত্য সম্পাদক কাজী তাজউদ্দিন রিপন, দফতর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ, কার্যকরী সদস্য ও ইন্ডিপেনডেন্ট টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মামুনুর রহমান মিয়া, আজকের টেলিগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক সাহাব উদ্দিন মানিক, ইংরেজি দৈনিক ডেইলী স্টার পত্রিকার টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি মির্জা শাকিল, এনটিভি’র নিজস্ব প্রতিবেদক মহব্বত হোসেন, সাপ্তাহিক কালেরস্বর পত্রিকার সম্পাদক কবি শামসুজ্জামান, জিটিভি টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মহিউদ্দিন সুমন, এশিয়ান টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, টাঙ্গাইল প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ইমরুল হাসান বাবু, দৈনিক বণিক বার্তা পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. পারভেজ হাসান, এখন টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. কাওছার হোসেন, দৈনিক ঢাকা টাইমস পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি রেজাউল করিম, দৈনিক যুগধারা পত্রিকার সম্পাদক হাবিবুর রহমান সরকার, দীপ্ত টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি সুমন খান বাবু, সাম্প্রতিক দেশকাল পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি নওশাদ রানা সানভী, দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিন প্রত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি হাসান সিকদারসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স ও অনলাইন মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:৫৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ী রহিম হত্যাকান্ড; শাস্তির দাবিতে  মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ী রহিম হত্যাকান্ড; শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম হত্যা মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে তার এলাকাবাসী।

বুধবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে শহরের জেলা সদর রোডে অবস্থিত টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের উত্তর বেগুনটাল ও কাশিনগর গ্রামের প্রায় শতাধিক নারী পুরুষ বৃষ্টি উপেক্ষা করে এই কর্মসূচিতে অংশ গ্রহন করে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিহত ব্যবসায়ী আব্দুর রহিমের স্ত্রী মালেকা বেগম, ছেলে মোতালেব হোসেন বাবু, এলাকাবাসীর পক্ষে আব্দুল হালিম, মো. আরফান আলী, সুজাব আলী ও বরকত আলী প্রমুখ।

মানবন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে এই হত্যাকান্ডে জড়িত সকল আসামীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গুগড়া ইউনিয়নের উত্তর বেগুনটাল গ্রামে জমিতে কালাই বোনা নিয়ে সংঘর্ষে আব্দুর রহীমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনার পরদিন নিহতের ছেলে বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. অক্টোবর ২০২৩ ০২:১৯:এএম ৩ বছর আগে
সংবর্ধিত হলেন পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক সিবিএ’র নির্বাচিত টাঙ্গাইলের ৩ কৃতি সন্তান - Ekotar Kantho

সংবর্ধিত হলেন পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক সিবিএ’র নির্বাচিত টাঙ্গাইলের ৩ কৃতি সন্তান

একতার কণ্ঠঃ পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মচারী(সিবিএ) কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি, সহ-সভাপতি ও অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় টাঙ্গাইলের ৩ কৃতি সন্তান মো. এনামুল হক, মো. জাহিদুল ইসলাম ও শহিদুজ্জামানকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (৪ অক্টোবর) বিকালে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে টাঙ্গাইল পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মচারী ইউনিয়ন এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

টাঙ্গাইল জেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের আঞ্চলিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী। অনুষ্ঠানে বরেণ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হাসান বিন-মুহাম্মদ আলী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ প্রমুখ।

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মচারী সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, সহ-সভাপতি ও অর্থ সম্পাদককে সংবর্ধনা প্রদান করায় টাঙ্গাইলবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, সিবিএ’র নব-নির্বাচিত সভাপতি মো. এনামুল হক।

তিনি বলেন, আমি টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার সন্তান। আমি কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় আপনারা যে সংবর্ধনা প্রদান করলেন এতে আমি কৃতজ্ঞ ও সন্মানিত বোধ করছি। এই সংবর্ধনা ভবিষ্যতে আমাকে কাজ করতে আরও উৎসাহিত করবে। বিশেষকরে ধন্যবাদ ও কতৃজ্ঞতা জানাতে চাই পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মচারী ইউনিয়ন টাঙ্গাইল জেলা শাখার সকল সদস্যকে।

তিনি আরও বলেন, এই প্রতিকুল আবহাওয়ার মধ্যেও আপনাদের এই বিপুল উপস্থিতি আমাকে কাজের অনুপ্রেরনা জোগাবে।

সকাল থেকে প্রতিকুল আবহাওয়া সত্বেও সংবর্ধনা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক টাঙ্গাইল জেলা শাখার বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. অক্টোবর ২০২৩ ০১:৫৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ ঘোষিত ১০টন পলিথিন জব্দ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ ঘোষিত ১০টন পলিথিন জব্দ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে অভিযান চালিয়ে ১০টন নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন জব্দ করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের ক্ষুদিরামপুর শুভ হোটেলের সামনে একটি কাভার্ডভ্যানে অভিযান চালিয়ে ওই পলিথিন জব্দ করা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা রাজিয়া ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে গঠিত ভ্রাম্যমান ওই অভিযান চালায়।

টাঙ্গাইল জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জমির উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার দুপুরে গোপণে সংবাদ পেয়ে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার খুদিরামপুর শুভ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে একটি কাভার্ডভ্যানে অভিযান চালানো হয়।

এ সময় ওই কাভার্ডভ্যান থেকে ১০টন নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন জব্দ করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত কাভার্ডভ্যানের ড্রাইভারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পলিথিন ভর্তি কাভার্ডভ্যানটি রাজশাহী যাচ্ছিল।

তিনি জানান, অভিযানকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুুলতানা রাজিয়া, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সজীব কুমার ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমান আদালতের প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তুুহিন আলম। এ সময় জেলা পুলিশের সদস্যরা সহযোগিতা করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:২৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল ‘ভাসানী হলে’ অভিযানে ৪ মাদকসেবীর কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল ‘ভাসানী হলে’ অভিযানে ৪ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ভাসানী হলের দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালিয়ে ৪ মাদকসেবীকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত। পরে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন এই আদালত।

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুল ইসলাম এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

অভিযানকালে মাদকসেবীদের ১ জনকে ১ বছর ও ৩ জনকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

জানা গেছে, ভ্রাম্যমাণ আদাল টাঙ্গাইল পৌরসভার কালিপুর এলাকার স্বর্গীয় নগা কর্মকারের ছেলে উদয় কর্মকারকে (৩৫) ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডাদেশ প্রদান করে।

এছাড়া ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রাপ্ত তিনজন হলেন – টাঙ্গাইল পৌরসভার বেড়াডোমা এলাকার স্বর্গীয় পরেশ মেহতার ছেলে রবিদাস মেহতা (৪৬), একই টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের বীরপুষিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে হোসেন মিয়া (২৯) ও গালা ইউনিয়নের বেলটিয়াবাড়ী গ্রামের আবু সাঈদের ছেলে ফজলু (৪২)।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুল ইসলাম জানান, শহরের পরিত্যক্ত ঘোষিত ভাসানী হলে প্রায়ই মাদকাসক্তদের আসর বসে থাকে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছিল। মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সকালে এমন গোপন খবর পেয়ে ভাসানী হলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৪ জন মাদকসেবীকে হাতে-নাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, অভিযান পরিচালনাকালে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও জেলা পুলিশ সহযোগিতা করে। মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অক্টোবর ২০২৩ ০২:০৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সাবেক এমপি’র  ড্রাগন বাগান, লাভের টাকায় চলছে এতিমখানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাবেক এমপি’র ড্রাগন বাগান, লাভের টাকায় চলছে এতিমখানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক এমপি’র পাঁচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পতিত জমিতে হচ্ছে ড্রাগন ফল চাষ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ে থাকা পতিত জমিতে লাগানো ড্রাগন ফল থেকে প্রতি মৌসুমে আয় হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। লাভের সেই টাকা ব্যয় হচ্ছে নিজ উদ্যোগে নির্মিত এতিমখানায়। এতে সুরক্ষিত হয়েছে এতিমখানাসহ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ।

একান্ত সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো. আবুল কাশেম।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দেলদুয়ার উপজেলায় দেউলি ইউনিয়নের আলালপুর গ্রামে পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা, সুফিয়া কাশেম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, আবুল কাশেম ট্রাষ্ট মসজিদ, আল জামিয়াতুল কাছেমিয়া ও জামেরুন্নেছা এতিমখানা, কমিউনিটি ক্লিনিক, পোস্ট অফিস ও সামাজিক কবরস্থান। প্রায় ১৮ একর জমির উপর গড়ে উঠা প্রতিষ্ঠানগুলো ১০ একর পতিত জমিতে চাষ করা হয়েছে ড্রাগন ফল।

বাগানের কৃষক মো. আব্দুল কাদের বলেন, ১০ একর জমির উপর এই ড্রাগন বাগান করা হয়েছে। বাগানে ড্রাগনের চারা রয়েছে পনের হাজার। আমাদের বাগানে লাল, গোলাপী, বেগুনী, হলুদ ও সাদা জাতের ফল রয়েছে।

তিনি বলেন, এখন ড্রাগন ফলের মৌসুম। তবে আমাদের বাগানে ফল বেশি বড় হচ্ছে না। কেজিতে ধরছে পাঁচ ছয়টা।

তিনি আরও বলেন, ড্রাগন ফল বাজারজাত করতে কোন কষ্ট হয় না। আমরা স্থানীয় পাইকারীদের কাছে বিক্রি করে থাকি। এছাড়াও নিজস্ব খরচে ঢাকায় পৌছিয়ে দিলে পাইকারীরা ন্যয্যমুল্যে দিয়ে থাকেন। প্রতিদিন প্রায় ৬শ থেকে ৮শ কেজি ড্রাগন ফল উত্তোলন করা যায়। তবে আমরা তা না করে মাসে মাসে উত্তোলন করছি। মাঝে মাঝে স্থানীয় পাইকারদের দাবির কারণে এর আগেও উত্তোলন করে বিক্রি করি। স্থানীয় পাইকারদের কাছে প্রতি কেজি দুই থেকে আড়াইশ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে আমাদের ড্রাগন ফল।

বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী কবিরসহ কয়েক জন জানায়, ড্রাগন ফলের বাগানে সজ্জিত আমাদের বিদ্যাপিঠ। এই বাগান দেখে শুধু আমরাই আনন্দ পাইনা, বিভিন্ন এলাকা থেকেও বাগানগুলো দেখতে মানুষ আসছেন। এছাড়াও আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি অনেক জায়গায় থাকায় পর্যাপ্ত আলো বাতাস পাওয়া যায়। শিক্ষা ব্যবস্থাও ভালো বলে জানান তারা।

আল জামিয়াতুল কাছেমিয়া ও জামেরুন্নেছা এতিমখানার মুহতামিম হাফেজ ইমরান হোসেন বলেন, এতিমখানা ও হিফজ শাখায় বর্তমানে অধ্যায়ন শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪২জন। অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের খানাপিনা ভোরণ পোষণের দায়িত্ব পালন করছেন প্রতিষ্ঠাতা টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো. আবুল কাশেম।

তিনি আরও বলেন, এতিমখানার শিক্ষার্থীদের ভোরণ পোষণের চাহিদা মেটাতে তিনি ১০ একর পতিত জমিতে ড্রাগন বাগান করেছেন। ওই ফল বিক্রির টাকা ব্যয় হচ্ছে এতিমখানার শিক্ষার্থীদের পিছনে বলেও জানান তিনি।

বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. ইব্রাহিম খলিল বলেন, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চারদিকে ড্রাগন ফলের বাগান। বাগানটি দেখতে অসাধারণ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা প্রকৃতির মনোরম পরিবেশে বেড়ে উঠছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান গুলোর প্রতিষ্ঠাতা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েই এই ড্রাগন বাগান করেছেন। উনার অবর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলো যেন বন্ধ না হয়, সে লক্ষেই উনার এই বাগান করা। বাগান থেকে উপার্জিত টাকা এতিমখানাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনায় ব্যয় করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও আবুল কাশেম ট্রাষ্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আবুল কাশেম জানান, ১৯৭৩ সালে আমার পিতা ইন্তেকাল করেন। উনার রুহের মাগফিরাতের জন্য ওই সালেই আমি এখানে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করি। আমার প্রতিষ্ঠিত বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসাটি বর্তমানে ডিগ্রী মাদ্রাসার উন্নিত হয়েছে। এর পাশাপাশি এখানে প্রতিষ্ঠা করেছি সুফিয়া কাশেম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, আবুল কাশেম ট্রাষ্ট মসজিদ, আল জামিয়াতুল কাছেমিয়া ও জামেরুন্নেছা এতিমখানা, কমিউনিটি ক্লিনিক, পোস্ট অফিস আর একটি সামাজিক কবরস্থান। এই প্রতিষ্ঠাগুলোর পরিচালনার ব্যয় মিটাতে আমার এই ড্রাগন বাগান করার উদ্যোগ।

তিনি জানান, আমার ১৮ একর জমির ৮ একর জমিতে প্রতিষ্ঠানগুলো নির্মিত হয়েছে। বাকি ১০ একর পতিত জমিতে ড্রাগন বাগান করা হয়েছে। আমার এই ড্রাগন বাগানের বয়স প্রায় দেড় বছর। এ বছর আমি প্রায় ১৩/১৪ লাখ টাকার ফল বিক্রি করতে পেরেছি। ড্রাগন ফল বিক্রির টাকা এতিমখানাসহ প্রতিষ্ঠানগুলোর পিছনে ব্যয় করা হচ্ছে। ওই টাকা আমি আমার ব্যক্তিগত কোন কাজে খাটাই না। আমার ইচ্ছে আমার সকল সম্পতি আমি ট্রাস্টের নামে দিয়ে যাবো। সম্পতির সকল আয়ে চলবে আমার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো।

তিনি আরও জানান, আগামীতে প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে পরনির্ভরশীল না হয় সেই লক্ষেই আমার এই বাগান করার উদ্যোগ। আমার প্রতিষ্ঠিত এতিমখানায় যাতে দুই থেকে তিনশ এতিম সন্তান থাকতে পারে। তাদের আর্থিক কোন কষ্ট না হয় সেটিকেই প্রাধান্য দিয়ে আমি ড্রাগন চাষে এগিয়ে যাচ্ছি। বাগানটি করতে আমাকে দেশের অনেক জায়গাতে ঘুরতে হয়েছে। সর্বশেষ নাটোর থেকে এই ড্রাগনের চারা এনে বপন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. অক্টোবর ২০২৩ ০২:৩৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে পুলিশ লাইন্সের মাল্টিপারপাস শেডে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শরফুদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) রাকিবুল হাসান রাসেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি আনন্দ মহন দে, সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার গুণ ঝন্টু প্রমুখ।

এ সময় বিভিন্ন থানার ওসি ও বিভিন্ন উপজেলার পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, গত বছর জেলায় পূর্জামণ্ডপের সংখ্যা ছিলো ১ হাজার ২৬৫টি। এ বছর পূর্জা মণ্ডপের সংখ্যা হলো ১ হাজার ২৮১টি। পূর্জামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা দেয়ার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্ততি নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি আনসার ও স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত থাকবে। প্রতিটি পূর্জামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। আশা করছি কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই এবারও পূর্জা অনুষ্ঠিত হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. অক্টোবর ২০২৩ ০১:৫১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাবের বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাবের বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন

একতার কণ্ঠঃ রবিবার (১ অক্টোবর) ৪র্থ বর্ষে পা রাখলো এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাব, টাঙ্গাইল। ২০২০ সালের ১ অক্টোবর আজকের এই দিনে ক্লাবটি যাত্রা শুরু করে। এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাব একটি শরীর চর্চা ও ক্রীড়া সংগঠন।

৪র্থ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে রবিবার দিনব্যাপি ক্লাবের পক্ষ থেকে বর্ণিল অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়।

সকাল ৭টা ৩০মিনিটে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বেলুন উড়িয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার শুভ উদ্বোধন করা হয়।

এর পর ক্লাবের সকল সদস্যের অংশগ্রহণে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে টাঙ্গাইল নিড়ালা মোড় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।

এরপর রবিবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০মিনিটে সুগন্ধা রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে দ্বিতীয় পর্বের  অনুষ্ঠান সূচি  র‌্যাফেল ড্র, পুরস্কার বিতরণী, আড্ডা ও নৈশভোজের ঘোষণার মাধ্যমে প্রথম পর্বের অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

এ সয়ম উপস্থিত ছিলেন এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাব টাঙ্গাইলের সমন্বয়ক সার্বিক সৈয়দ নাজমুল হোসেন, বর্ষপূর্তি উৎসব উদযাপন কমিটির আহবায়ক মোঃ নাজমুল হক রুমেল, যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব মোঃ মাহবুবুর রহমান খান নাজিম, যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন, সমন্বয়ক মানব সম্পদ এনাদি হোসেন খান, মোঃ শফিকুল ইসলাম, হরুন-অর রশিদ, আরফান আলী, মোঃ নাজমুচ্ছাকীব বক্ সী সহ ক্লাবের সন্মানিত সদস্য বৃন্দ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. অক্টোবর ২০২৩ ০১:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গোপসাগরের ঢেউয়ের মতো বার বার গাজীপুরের অতন্দ্র প্রহরী গোলরক্ষক মাহফুজের গায়ে টাঙ্গাইল জেলার আক্রমণ আচঁড়ে পড়লেও অটল মাহফুজকে পরাস্ত করতে পারেনি। উল্টো ৩৭ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে গোল হজম করা টাঙ্গাইলের পরাজয় দেখলো ক্রীড়ামোদী হাজারো দর্শক।

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে গাজীপুর জেলা ফুটবল দলের কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হলো টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল দল।

শুরুতে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার সাবিরুল ইসলাম।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এসময় ১১টি জেলার জেলা প্রশাসক, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ওলিউজ্জামান, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেনসহ ১২টি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

খেলার শুরু থেকে টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়গণ আক্রমণ করে খেলতে থাকে। দক্ষ স্টাইকারের অভাবে টাঙ্গাইল জেলা কাঙ্খিত গোল করে এগিয়ে যেতে পারেনি। উল্টো পাল্টা আক্রমণ থেকে ৩৭ মিনিটের সময় গাজীপুর জেলা দলের রানা আহমেদ গোল করে ১-০ গোলে দলকে এগিয়ে নেয়।

খেলায় পিছিয়ে পড়ে টাঙ্গাইল জেলা বার আক্রমণ করে খেলতে থাকে। কিন্তু গোল করে খেলায় সমতা আনতে ব্যর্থ হয়। দ্বিতীয়ার্ধের পুরো সময় টাঙ্গাইল একচেটিয়া আক্রমণ করে খেললেও গাজীপুরের গোলরক্ষক মাহফুজকে পরাস্ত করে গোল করতে পারেনি। গাজীপুরের গোলরক্ষক মাহফুজ টাঙ্গাইল জেলা দলের হেড কিংবা শট অসামান্য দক্ষতা ও ক্ষীপ্ততায় নিশ্চিত ৫টি গোল রক্ষা করেছেন।

টুর্নামেন্টে ঢাকা বিভাগের ১২টি জেলা “যমুনা”ও “পদ্মা” ২টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে গোল্ডকাপ চ্যাম্পিনশীপে অংশগ্রহণ করছে।

কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের “যমুনা” গ্রুপের জেলা ফুটবল দলগুলো হলো ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও স্বাগতিক টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল দল।

শরিয়তপুর স্টেডিয়ামে “পদ্মা” গ্রুপের দল গুলো হলো নারায়ানগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী ও স্বাগতিক শরিয়তপুর জেলা ফুটবল দল।

যমুনা ও পদ্মা গ্রুপ থেকে গ্রুপ ফাইনাল খেলে বিজয়ী দুটি জেলা শরিয়তপুর স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়নের জন্য ফাইনাল খেলায় মুখোমুখি হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. অক্টোবর ২০২৩ ০১:০২:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।