একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দিন দিন বেড়েই চলছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ৫৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এতে জেলায় একদিনে সর্বোচ্চ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলো।
বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত জেলায় মোট ৮৪৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলো। আক্রান্তরা জেলা শহরের হাসপাতাল ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদিকে ডেঙ্গু জেলা শহরের বাইরে গ্রাম অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এর আগে জেলায় গত ১ আগস্ট সর্বোচ্চ ৫৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলো। জেলায় এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪৮ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৬৯৮ জন। হাসপাতালে একজন রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৫০ জন রোগী। জেলা শহরের বাইরে উপজেলা পর্যায়ে সবার্ধিক ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে নাগরপুর উপজেলায়।
নতুন আক্রান্তদের মধ্যে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ১, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ২৪ জন, মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালে ২ জন, সদরে ১ জন, নাগরপুরে ৯ জন, ঘাটাইলে ৩ জন, মধুপুরে ৭ জন, গোপালপুরে ৬ জন এবং ধনবাড়ী উপজেলায় ৪ জন রয়েছেন।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদেকুর রহমান জানান, বর্তমানে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি মানুষের ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন রাখতে হবে। জমানো পানি পরিষ্কার রাখতে হবে। যাতে করে ডেঙ্গু বিস্তার করতে না পারে। আক্রান্ত রোগীদের জন্য মশারি টাঙিয়ে আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের পৌর এলাকার সাবালিয়ায় জাল কাগজপত্র তৈরি করে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের অভিযোগে চার চিকিৎসকসহ ১০জনকে জেলহাজাতে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৯ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল মোহসীন এ আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া চার চিকিৎসক হলেন- টাঙ্গাইল জেলা বিএমএ-এর সাধারণ সম্পাদক সিলেট মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. মো. শহিদুল্লাহ কায়সার, তার স্ত্রী ডা. আসমা আক্তার, টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার আজিজুল হক, গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার তাপস চন্দ্র সাহা।
এছাড়া অন্যরা হলেন- ডা. তাপস চন্দ্র সাহার স্ত্রী মুক্তা রানী প্রামাণিক, মো. ওয়ারেস, আতোয়ার রহমান, মামুনুর রহমান, আব্দুল্লা আল মিলন ও সুলতানা ইয়াসমিন।
আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, শহরের সাবালিয়া এলাকার সাজ্জাত হোসেন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়েরকৃত মামলায় অভিযোগ করেন, বিবাদিরা টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮নং ওয়ার্ডের সাবালিয়া এলাকায় তাদের ১০ শতাংশ জমি জাল পর্চা তৈরি করে ক্রয় বিক্রয় করেছেন।
তিনি আরও জানান, বুধবার মামলার তারিখে আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় লিটন মিয়া (২০) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার(৯ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি লিটন মিয়া জেলার মধুপুর উপজেলার পরীগাছা গরম বাজার গ্রামের ছোয়াদ আলীর ছেলে।
টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আলী আহমদ জানান, দণ্ডিত আসামী লিটন মিয়ার সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক হয়। এই সুবাদে তার সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে উঠে। ২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর বিকেলে ভিকটিমের মা বাড়ির বাইরে থাকায় দণ্ডিত আসামী ভিকটিমের বাড়িতে এসে তার ঘরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে ভিকটিম ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরে। পরে বিয়ের কথা বললে, ভিকটিমকে বিয়ে না করে হুমকি প্রদর্শণ করে। পরে ভিকটিমের মা বাদি হয়ে মধুপুর থানায় ২০২০ সালের ১৪ এপ্রিল নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে মধুপুর থানার এস আই ছানোয়ার হোসেন ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেন।
তিনি আরও জানান,ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুটির ভরণ পোষণের দায়িত্ব রাষ্ট্র বহন করবে।
উল্লেখ্য,বাদি পক্ষের মামলা দায়ের থেকে মামলার রায় ঘোষণা পর্যন্ত এই মামলায় আইনগত সহায়তা প্রদান করেন মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান আজাদ ও বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে এডভোকেট জিনিয়া বখ্শ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় চতুর্থ পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে আরো ৬৭ট ঘর ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার(৯ আগষ্ট ) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপহারের নতুন ঘর হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এর পর সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ৬৭ টি পরিবারের মাঝে ঘরের দলিল হস্তান্তর করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান বিন আলী, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) অতনু বড়ুয়া, বাঘিল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. এসএম মতিউর রহমান মন্টু, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান মজনু চৌধুরী দাইন্না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আফজাল হোসেন প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ নারীদের জন্য দেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক পেলেন টাঙ্গাইলের গর্ব, বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের স্ট্রাইকার কৃষ্ণা রাণী সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট হতে এই পুরস্কার গ্রহণ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় নারী ফুটবল দলের সকল খেলোয়াড়কে এ পুরস্কার তুলে দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পদক পাওয়ার পর কৃষ্ণা রাণী সরকার বলেন, নারীদের জন্য সর্বোচ্চ পদক বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক পেয়ে অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পদকের পাশাপাশি জাতীয় দলের সকল খেলোয়াড়কে ১ লাখ টাকা করে প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
কৃষ্ণা রাণী সরকারের মা নমিতা রানী জানান, আমার মেয়ে নারীদের সর্বোচ্চ সম্মাননা পদক পাওয়ায় আমি গর্বিত।
পদক পাওয়ার সংবাদে উচ্ছ্বসিত কৃষ্ণা রাণী সরকারের বাবা বাসুদেব সরকার জানান, আমার মেয়ে আগেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট হতে পুরস্কার পেয়েছে। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক মেয়ের সেরা প্রাপ্তি। কৃষ্ণা বারবার দেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসবে, এটাই সবসময় আশির্বাদ করি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল- বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ, আলোচনা সভা, সেলাই মেশিন বিতরণ, মোনাজাত ও দোয়া মাহফিল ইত্যাদি।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসনের জনসেবা চত্ত্বরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শামীম আরা রিনি, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর,আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীরপ্রতীক, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।
পরে দুস্থ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।
এদিকে, জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে স্থাপিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে তাঁর ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ সম্মেলনের দীর্ঘ ৯ মাস পর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি। সোমবার (৭ আগস্ট) দলের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে এই কমিটির অনুমোদনপত্রে সই করেছেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
অনুমোদনপ্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক। সহ-সভাপতিরা হলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিসুর রহমান আনিস, ছানোয়ার হোসেন, ডা. কামরুল হাসান খান, নাহার আহমদ, শাহজাহান আনসারী, কুদরত-ই-এলাহি খান, বাপ্পু সিদ্দিকী, তারেক শামস খান হিমু, ইনসাফ আলী ওসমানী।
এছাড়া সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের। কমিটিতে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদ পেয়েছেন সুভাষ চন্দ্র সাহা, তানভীর হাসান ছোট মনির ও মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু।
আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস. আকবর খান, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান হাসান। ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক নাজমুল হুদা নবীন, দপ্তর সম্পাদক খোরশেদ আলম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ মিয়া (চান মিয়া), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ তারেক পুলু, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান ফারুক।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রেজাউর রহমান চঞ্চল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শামীমা আক্তার, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আনোয়ার হোসেন, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এহসানুল ইসলাম আজাদ (সর্দার আজাদ), শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মহসীন শিকদার, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আহসানুল ইসলাম টিটু। শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ওয়াজির হাসান খান শরীফ হাজারী, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক আ ন ম বজলুর রহিম রিপন।
সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, সাইফুজ্জামান খান সোহেল, খান আহমেদ শুভ।
উপ-দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, কোষাধ্যক্ষ বাহারুল ইসলাম মিন্টু।
কমিটির সদস্যরা হলেন আতাউর রহমান খান, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ, সোহরাব আলী খান আরজু, মনোয়ারা বেগম, হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, মাহবুব আলম মল্লিক, আবু হানিফ আজাদ, সিরাজুল হক আলমগীর, অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম, খন্দকার মসিউজ্জামান রুমেল, আকরাম হোসেন কিসলু, অ্যাডভোকেট শামীমুল আক্তার, আমিরুল ইসলাম খান, আব্দুল গফুর মন্টু, কুতুব উদ্দিন, মাহমুদুল হাসান মারুফ, হারুনার রশীদ হীরা, ডা. মির্জা নাহিদা হোসেন বন্যা, আনিসুল মান্নান শাহেদ, ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ, ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি, খালিদ হোসেন খান পাপ্পু, ড. মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) খন্দকার আব্দুল হাফিজ, মাহমুদুর রহমান তালুকদার আজাদ, সাখাওয়াত হোসেন, ইয়াকুব আলী, জেবুন্নেছা চায়না, ডা. জাকিয়া ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (মঈন সিদ্দিকী), সুজয় দেব, অ্যাডভোকেট মাসুদুল হাসান, রাফিউর রহমান ইউছুফ জাই, আমিনুল ইসলাম তালুকদার বিদ্যুৎ।
একতার কণ্ঠঃ পুষ্পস্ববক অর্পন, স্মৃতিচারণ, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে শনিবার (৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামের সামনে শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।
সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জীবনী নিয়ে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর,সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বীর প্রতীক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার জহুরুল হক ডিপটি, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
এ সময় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়।
বাদ জোহর জেলার সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও সুবিধাজনক সময়ে সকল মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। বিকেল ৪ টায় টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়।
এর আগে গত ২ থেকে ৪ আগস্ট টাঙ্গাইল শিশু একাডেমিতে রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটুর মতবিনিময় ও প্রেসক্লাব মিলনায়তনের তিনটি সাউন্ড সিস্টেমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (৫ আগষ্ট) দুপুরে প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু কনভেনশন সেন্টারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীর প্রতীক, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রম, নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি )সাজ্জাদ হোসেন প্রমূখ।
পরে অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ পুত্র বিশিষ্ট ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপটেন শেখ কামালের ৭৪ তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়। কেক কাটা শেষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু মধ্যাহ্ন ভোজে অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় টাঙ্গাইল জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি মো. শামীম আল মামুনের পিতা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাবেক কর্মকর্তা বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ হাবিবুর রহমান বার্ধক্য জনিত কারনে মঙ্গলবার (১আগষ্ট) রাত ১১টা ৩০ মিনিটে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার বেড়াডোমায় তার নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। সে ২পুত্র, এক কণ্যা ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার জানাজার নামাজ বুধবার (২ আগস্ট) সকাল ১০টায় বেড়াডোমায় অবস্থিত শহীদ জাহাঙ্গীর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে টাঙ্গাইল বেবীস্ট্যন্ড কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়।
বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ হাবিবুর রহমানের আকষ্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করে মরহুমের রূহের মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষ।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপি-জামায়াত অশুভ শক্তির অগ্নিসন্ত্রাস নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সমাবেশ ও মিছিল করেছে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ।
মঙ্গলবার(১ আগষ্ট )দুপুরে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রতিরোধ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
পরে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের নেতৃত্বে প্রতিরোধ মিছিল বের করা হয়।
মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পৌর উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী, তানভীর হাসান ছোট মনির, খান আহমেদ শুভ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ সভাপতি আনিছুর রহমান আনিছ, খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, নাহার আহমেদ, শাহজাহান আনছারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহা, দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম প্রমুখ।
এসময় জেলা, উপজেলা, শহর ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ ২৫তম বিশ্ব স্কাউট জাম্বুরি ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস টিমে অংশ নিতে দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামানগুমে যাচ্ছেন টাঙ্গাইলের মো. সোলায়মান হোসেন।
বাংলাদেশের কন্টিনজেন্টের সদস্য হিসেবে শুক্রবার (২৮ জুলাই) রাতে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সে দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন সোলায়মান হোসেন।
আগামী ১ থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বিশ্ব স্কাউট জাম্বুরির এই আসরে বিশ্বের ১৫৮টি দেশের ৪৩ হাজার ২৮১ জন স্কাউট এতে অংশ গ্রহণ করবেন। বাংলাদেশ কন্টিনজেন্ট থেকে মোট ৭১০ জন স্কাউট, রোভার স্কাউট, ইয়াং অ্যাডাল্ট ও অ্যাডাল্ট লিডার অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছেন যার মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস টিমের সদস্য রয়েছেন ২২০ জন।
জাম্বুরির ক্যাম্পের দৈর্ঘ্য ৮ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ২ কিলোমিটার।
সোলায়মান বেতার শ্রোতা সংগঠন সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ জেলা শাখার সভাপতি ও মধুপুর রাণী ভবানী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন স্কাউট ও টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট রোভার স্কাউট গ্রুপের সাবেক সিনিয়র রোভার মেট।
মো. সোলায়মান হোসেনের সাফল্যে তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ বেতারের সাবেক পরিচালক ড. মির শাহ আলম, ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও রেডিও এক্টিভিস্ট দিদারুল ইকবাল, ভাইস চেয়ারম্যান তাছলিমা আক্তার লিমা, উপদেষ্টা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া এবং মহাসচিব নুর মোহাম্মদ, ক্লাবের শিশু সদস্য লাবীব ইকবাল।
ক্লাবের চেয়ারম্যান দিদারুল ইকবাল বলেন, স্কাউটের বিশ্ব আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারা অত্যন্ত সৌভাগ্যের ও গর্বের। সোলায়মানের এই সাফল্য ভবিষ্যতে ক্লাবের মুক্ত স্কাউট দলের সদস্যদের অনুপ্রাণিত করবে। ক্লাবের
প্রধান উপদেষ্টা ড. মির শাহ আলম বলেন, যারা স্কাউটিং এর সাথে জড়িত শুধু তারা নয় স্কাউটে যুক্ত নয় তারাও এতে উদ্ধুদ্ধ হয়ে স্কাইটিংয়ে সম্পৃক্ত হবে।
মো. সোলায়মান হোসেন বলেন, এ ধরনের বিশ্ব আসরে বাংলাদেশের হয়ে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনতে চাই।
প্রসঙ্গত, মো. সোলায়মান হোসেন এই নিয়ে তৃতীয়বার বিদেশে আন্তর্জাতিক ক্যাম্পে অংশ গ্রহনের সুযোগ পেলো। আগামী ১৪ আগস্ট তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।