/ হোম / টাঙ্গাইলে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় শ্রমিক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় শ্রমিক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শরাফত আলী (৫০) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৪ মে) সকালে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার পচিশমাইল এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শরাফত মধুপুর উপজেলার আউশনারা ইউনিয়নের রামকৃষ্ণবাড়ী গ্রামের মৃত ইমান আলী মন্ডলের ছেলে।

জানা যায়, শরাফত আলী দিনমজুরী করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তিনি কাজে যোগ দেওয়ার জন্য সাইকেল যোগে টেলকী যাচ্ছিলেন। পচিশমাইল এলাকায় মহাসড়ক অতিক্রম করার সময় অজ্ঞাতনামা দ্রুতগামী একটি গাড়ি তাকে পেছন থেকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

মধুপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শফিকুল ইসলাম দুর্ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এই ব্যাপারে কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. মে ২০২৩ ০২:৪৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের আড়ালে পর্নোগ্রাফির ব্যবসা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের আড়ালে পর্নোগ্রাফির ব্যবসা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে পর্নোগ্রাফি ও মাদক সংক্রান্ত অপরাধের দায়ে পৃথক দুইটি অভিযান চালিয়ে চার যুবককে অর্থদণ্ড সহ ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

এ সময় পর্নোগ্রাফির কাজে ব্যবহ্যত ৬টি ল্যাপটপ, একটি ডেস্কটপ ও ১০ টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামীমা ইয়াসমীন এবং সহকারী কমিশনার( ভূমি) জাকির হোসাইন পৃথক দুটি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন, মধুপুর পৌর এলাকার কাইতকাই গ্রামের মো.শাহজাহান আলীর ছেলে সালমান খান(২২), মধুপুর সদরের ঝন্টু পালের ছেলে অনন্ত পাল(২১), একই এলাকার মেহেদী হাসান ফাহিম(২৩) ও ধনবাড়ী উপজেলার নরিল্যা গ্রামের মো.রফিকুল ইসলামের ছেলে আশিকুর রহমান(২১)।

উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্র জানা যায়, উপজেলার পৌর এলাকার টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের নয়াপাড়া মসজিদের পাশে সাইফুল ইসলামের বাসা ভাড়া নিয়ে ওই যুবকরা ফ্রিল্যান্সিংয়ের ব্যবসার আড়ালে পর্নোগ্রাফির মতো অপরাধমূলক কাজ করতো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমীন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) জাকির হোসাইনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ওই চার যুবকে আটক ও তাদের ব্যবহ্যত ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল জব্দ করা হয়। এ সময় তাদের অফিস থেকে মাদকও উদ্ধার করা হয়। তাদের ব্যবহিত অফিসটি সিলগালা করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পর্নোগ্রাফি ও মাদক রাখার অপরাধে তাদের প্রত্যককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।

উল্লেখ্য, উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় বাসা ভাড়া নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে ফ্রিল্যান্সিংয়ের নামে উঠতি বয়সের যুবকরা রাত জেগে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের আড়ালে পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে লাখ-লাখ টাকা উপার্জনে মেতে উঠে তারা। রাতভর তাদের ছুটাছুটি ও মাদক খেয়ে চিল্লাচিল্লিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে স্থানীয়ারা। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে ফ্রিল্যান্সিং, মাদক গ্রহন ও পর্নোগ্রাফির। স্থানীয় প্রশাসন এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌর এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালালে বেড়িয়ে আসে ফ্রিল্যান্সিংয়ের নামে প্রর্ণোগ্রাফির ব্যবসা ও মাদক সেবনের চিত্র।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. মে ২০২৩ ০২:৫৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে আলী আকবর বাপ্পী (৩৩) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা।

সোমবার (২২ মে) দিনগত রাত দেড়টার দিকে পৌর এলাকার পার দিঘুলীয়া শহীদ মিজানুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।

নিহত বাপ্পী টাঙ্গাইল পৌর সভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চর দিঘুলীয়া এলাকার মৃত দেলবর বেপারির ছেলে।

টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২২ মে) রাত ১২ দিকে মোবাইল ফোনে এক বড় ভাইয়ের কল পেয়ে বাপ্পী স্থানীয় একটি মুদির দোকানে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে বাপ্পির স্ত্রী আখী আখতার শহীদ মিজানুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে বাপ্পির রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখতে পায়। স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া বলেন, সোমবার রাতে ব্যবসায়ী বাপ্পিকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করে পার দিঘুলীয়া শহীদ মিজানুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মডেল থানার উপপরিদর্শক সুলতান উদ্দিন খান ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

তিনি আরোও জানান, মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য কুপিয়ে জখম করার চিহ্ন রয়েছে। থানায় এখনো কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশ জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।

উল্লেখ্য,বাপ্পি টাঙ্গাইল পার্ক বাজারে মাছের ব্যবসা করতো। সে বিবাহিত ও তিন সন্তানের জনক। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিল বাপ্পি। মাত্র তিন মাস আগে বাপ্পি এক কন্যা সন্তানের জনক হন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে বাপ্পির পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. মে ২০২৩ ০১:১৯:এএম ৩ বছর আগে
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল - Ekotar Kantho

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল

একতার কণ্ঠঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।

সোমবার(২২ মে) বিকালে বিক্ষোভ মিছিল শেষে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে সমাবেশ করা হয়।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিডি জোয়াহের) এমপি’র নেতৃত্বে শহীদ মিনারের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আনিছুর রহমান আনিছ, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহা, জামিলুর রহমান মিরন, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদদক এমএ রৌফ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার প্রমুখ অংশ নেন।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. মে ২০২৩ ০৪:২০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পারভীনের রিপোর্ট দেখে পারভেজের পিত্তথলি কাটলেন ডা. তুহিন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পারভীনের রিপোর্ট দেখে পারভেজের পিত্তথলি কাটলেন ডা. তুহিন

একতার কণ্ঠঃ ভুল চিকিৎসায় এক যুবকের পিত্তথলি কাটার অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইল শহরের সোনিয়া নার্সিং হোমের সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. মো. তুহিন তালুকদারের বিরুদ্ধে।

রবিবার (২১ মে) দুপুরে ওই ভুক্তভোগী যুবক মো. পারভেজ প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা সিভিল সার্জন বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, গত ২৭ এপ্রিল পেটের ব্যথা নিয়ে সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. মো. তুহিন তালুকদারের কাছে যান পারভেজ। ওই চিকিৎসক পারভেজকে দেখে আল্ট্রাসনোগ্রাম ও এক্সরে করানোর পরামর্শ দেন।

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন পারভেজ। পরে সেই রিপোর্ট দেখালে চিকিৎসক তাৎক্ষনিক অপারেশন করতে হবে বলে জানান। ওই দিনই পারভেজের পেটে অস্ত্রোপচার করে পিত্তথলি কেটে ফেলেন ডা. মো. তুহিন তালুকদার।

অপারেশনের পরে রোগীর স্বজনদের পিত্তথলি দেখালে তাতে কোনও পাথর ছিল না। একপর্যায়ে জানানো হয়, কেটে ফেলা পিত্তথলিতে কোনও ক্যান্সারের জীবাণু রয়েছে কিনা সেটা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানোর কারণে পিত্তথলি নার্সিং হোমে রেখে দেওয়া হয়েছে।

অপারেশনের কয়েকদিন পরে পারভেজকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তখন রোগীর স্বজনরা দেখতে পান, পারভেজের স্থানে পারভীন নামের এক নারীর রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক তার পিত্তথলি কেটে ফেলেছেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিক চিকিৎসক ও নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেন।

পারভেজের স্ত্রী তামান্না হাসান বিজলি বলেন, ‘চিকিৎসক তুহিন ও নার্সিং হোমের মালিক আবুল কালাম রিজভী ভুল চিকিৎসার জন্য শুধু দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন তারা।’

ভুল চিকিৎসার শিকার মো. পারভেজ বলেন, ‘ওই দিন আমার সঙ্গে পারভীন নামের এক নারীর পিত্তথলির অপারেশন করা হয়। ডাক্তার ওই নারীর রিপোর্ট দেখে আমার চিকিৎসা করেছেন। পিত্তথলি কাটার পর থেকে পেটে এখনো ব্যথা করে। ব্যথার জন্য নিয়মিত ওষুধ খেতে হচ্ছে। ভুল চিকিৎসার প্রতিকার চাইলে নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষ হুমকি দিচ্ছে। ভুল চিকিৎসা ও প্রতারণার কারণে জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

সোনিয়া নার্সিং হোমের মালিক আবুল কালাম রিজভী বলেন, ‘সঠিকভাবেই ওই রোগীর পিত্তথলির অপারেশন হয়েছে। তবে তার রিপোর্টের স্থালে একজন নারীর রিপোর্ট চলে যায়। নার্সিং হোমে ওই দিন ৫টি অপারেশন হয়েছে। এছাড়া পিত্তথলির বায়োপসি রিপোর্ট হারিয়ে গেছে। এখন ওই রোগী টাকা ফেরত চাচ্ছে।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ডা. মো. তুহিন তালুকদারের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এরপর তাকে বারবার মুঠোফোনে খুদেবার্তা (মেসেজ) পাঠানো হলেও কোন জবাব দেননি তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৩ ০৩:১৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সন্ন্যাসী সেজে আসামী ধরলো পুলিশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সন্ন্যাসী সেজে আসামী ধরলো পুলিশ

একতার কণ্ঠঃ ডান হাতে ত্রিশুল ও বাম হাতে ঘটি (কলস) নিয়ে পুলিশের দুই সদস্য সাজাপ্রাপ্ত আসামির বাসায় হাজির।

রবিবার ( ২১ মে) সকালে ভিক্ষু সন্ন্যাসী সেজে আসামিকে গ্রেপ্তার করে মির্জাপুর থানার এস.আই রামকৃষ্ণ। তার সহযোগী হিসেবে ছিলেন, কনস্টেবল মো. দেলোয়ার হোসেন।

গ্রেপ্তারকৃত ওই নারী আসামীর নাম হোসনে আরা। তিনি উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের তেলিপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীরের স্ত্রী বলে জানা গেছে।

এস.আই রামকৃষ্ণ জানান, কোর্টের দুইটি মামলার ৩ মাসের সাজাপ্রাপ্ত (ওয়ারেন্টভুক্ত) আসামি হোসনে আরা। মামলার পর থেকেই পুলিশের ভয়ে বিভিন্নস্থানে রাত্রিযাপন করেন। দিনের বেলায় বাসায় থাকলেও প্যান্ট, শার্ট পরিহিত যেকোনো মানুষের উপস্থিতি টের পেলেই সে আত্মগোপনে চলে যেতো। তাই তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বিকল্প পন্থা অবলম্বন করেন, মির্জাপুর থানার এস.আই রামকৃষ্ণ।

তিনি আরোও জানান, রবিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ভিক্ষু সন্ন্যাসী সেজে ওই আসামীর বাসায় হাজির হন পুলিশের দুই সদস্য। পরে তেলিপাড়া বাঁশতৈল ইউনিয়নের আসামীর বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার দুপুরে তাকে কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৩ ০২:৪৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২১মে) সকালে জেলা প্রশাসকের সন্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. ওলিউজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফুদ্দীন, পৌর মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমূখ।

সমন্বয় সভায় বক্তারা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের বিষয়ে আলোচনা করেন।

মাসিক উন্নয়ন সভায় আরোও উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনছারী, বাশাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী ওলিদ ইসলাম, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাঃ সাদিকুর রহমানসহ উন্নয়ন সমন্বয় সভার সদস্যগণ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৩ ০২:১৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্যাংক-লরির চালক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্যাংক-লরির চালক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা পিকআপভ্যানকে ট্যাংক-লরি পিছন থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই ট্যাংক-লরির চালক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ট্যাংক-লরির হেলপার আহত হয়েছে।

রবিবার (২১ মে) সকালে মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের পাছ বিক্রমহাটি নামকস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত চালক ময়মনসিংহ জেলার বোকাই নগর থানার গৌরিপুর গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে মো. রুবেল মিয়া(২৫)। আহত হেলপার কিশোরগঞ্জ জেলার কারাইল উপজেলার কাড়াইল এলাকার হযরত আলীর ছেলে মো. মোস্তাকিন মিয়া(২১)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চট্রগাম থেকে ছেড়ে আসা সওদাগর এক্সপ্রেস নামের একটি ট্যাংক-লরি টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের পাছ বিক্রমহাটি এলাকায় পৌঁছালে দাড়িয়ে থাকা পিকঅ্যাপভ্যানের পিছনে ধাক্কা দেয়। মুহুর্তে পিকঅ্যাপভ্যান ও ট্যাংক-লরিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

ঘটনাস্থলে ট্যাংক-লরির চালক মো. রুবেল মিয়া নিহত হয়। সাথে থাকা হেলপার আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই চালকের মরদেহটি উদ্ধার করে।

এ প্রসঙ্গে, এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির
উপ-পরিদর্শক(এসআই) মো. সাকিব হাসান জানান, ঘটনাস্থল থেকে নিহত চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত হেলপারকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরোও জানান, আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৩ ০২:২৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের উদ্বোধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুরে ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (২০ মে) দুপুরে এই নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু,দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আফজাল হোসেন, বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মো. আরাফাত রহমান প্রমূখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, গ্রামীণ জনপদে খেলাধুলাকে উৎসাহিত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ছিল প্রতিটি গ্রামে একটি করে খেলার মাঠ থাকবে। যেটার নামকরন তিনি করেছিলেন ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’।

তিনি আরোও বলেন, প্রথম প্রকল্পটি আমরা জায়গার জন্য করতে পারিনি, সেটা দ্বিতীয় প্রকল্পে আমরা বাসাখানপুরে দখলকৃত সরকারী জায়গা দখল মুক্ত করে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এছাড়া কিছু জায়গা ক্রয় করতে হয়েছে। এই মাঠটি পেয়ে এই গ্রামের মানুষ খুবই আনন্দিত।

জানা যায়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাবিত দেশের ১৮৬টি উপজেলায় ১৬শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলের বাসাখানপুরে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এই মিনি স্টেডিয়ামটি নির্মাণ করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শরীফ এন্ড সন্স ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম লিমিটেড।

এই মিনি স্টেডিয়ামের পশ্চিম রাস্তার পাশে তিনতলা প্যাভিলিয়ানসহ অফিস কক্ষ এবং দক্ষিনে ও পূর্বে ২টি গ্যালারী নির্মাণ করা হবে। স্টেডিয়ামটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে এখানে ফুটবল লীগ ছাড়াও অন্যান্য খেলার আয়োজন করা সম্ভব হবে।

বর্তমানে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে ক্রিকেট, ফুটবল, ভলিবল সহ বিভিন্ন খেলার আয়োজন করা হয়। ফলে খেলাধুলার বিভিন্ন ইভেন্ট আয়োজন করতে জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে হিমশিম খেতে হয়। এই ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ উদ্বোধন হলে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামের উপর চাপ কমবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. মে ২০২৩ ০৪:৩৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন ৭৬ চরমপন্থী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন ৭৬ চরমপন্থী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া, কাতুলি, দ্যাইন্যা ও কাকুয়া ইউনিয়ন নিয়ে টাঙ্গাইলের চরাঞ্চল। যমুনা ও ধলেশ্বরী নদী বেষ্টিত হওয়ায় এ অঞ্চলের চরমপন্থী আতঙ্কে দিন কাটতো সাধারণ মানুষের।

একটা সময় টাঙ্গাইলের চরাঞ্চল এলাকাকে বলা হতো ‘রক্তাক্ত জনপদ’। যেখানে খুন, লুট তরাজ, জিম্মি, ও অপহরণ ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এ সকল এলাকায় কথিত পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল) ও সর্বহারাসহ নানা চরমপন্থী গোষ্ঠীর উত্থান হয় নব্বইয়ের দশক থেকে।

চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফেরাতে ২০২০ সাল থেকে কাজ শুরু করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এর অংশ হিসাবে র‌্যাবের পক্ষ থেকে চরমপন্থীদের পরিবারের সদস্যদের স্বাভাবিক পেশায় পুনর্বাসিত করার লক্ষ্যে তাদের আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করতে নানা কর্মমুখী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

বর্তমানে টাঙ্গাইলে ৩০টি সর্বহারা পরিবারের নারী সদস্যদের হস্তশিল্প প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করতে ‘উদয়ের পথে’ নামক একটি পাইলট প্রোগ্রাম চলমান রয়েছে।

আগামীকাল রবিবার (২১ মে) সিরাজগঞ্জ স্টেডিয়ামে র‌্যাব-১২ এর তত্ত্বাবধানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের নিকট টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, রাজবাড়ী, পাবনা, বগুড়া, কুষ্টিয়া ও মেহেরপুরসহ দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন চরমপন্থী গোষ্ঠীর মোট ৩২৩ জন সদস্য দুই শতাধিক অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করবেন। এদের মধ্যে শুধুমাত্র টাঙ্গাইলের চরমপন্থি রয়েছেন ৭৬ জন।

সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের বেগুনটাল বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম ও শওকত আলী বলেন, একটা সময় ছিল টাঙ্গাইলের চরাঞ্চলের মানুষ দিনের বেলাতেও স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারতো না। সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণের খবরে আনন্দের জোয়ারে ভাসছে স্থানীয়রা। এ খবরে স্বস্তি ফিরেছে চরাঞ্চলে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের বেগুনটাল এলাকার সাবেক সর্বহারা দলের সদস্য বারেক মিয়া বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আমাদেরকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে। এসব দেখেই সর্বহারা দলের অন্য সদস্যরা সম্প্রতি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছে। রবিবার (২১ মে) র‌্যাব-১২ এর নিকট ৭৬ সর্বহারা সদস্য আত্মসমর্পণ করবে বলে জেনেছি।

সর্বহারা দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড লেবু মণ্ডল বলেন, গতকাল রাতেও আমি আতঙ্কে কাটিয়েছি। সর্বহারা দলের সদস্য হওয়ার পর থেকেই ঈদেও ছেলে-মেয়েদের থেকে দূরে থেকেছি। ডজন খানেক মামলা মাথায় নিয়ে ঘুরছি। এ জীবন যে কেমন, কষ্টের তা বলে বোঝানো যাবে না।

সর্বহারা দলের টাঙ্গাইল জেলার কমান্ডার জিয়াউর রহমান বলেন, আমাদেরকে ভুল বুঝিয়ে নেতারা পথভ্রষ্ট পথে নিয়েছিল। মুখে নীতি কথা বললেও কাজে ছিল পুরো উল্টো। সাধারণ মানুষ আমাদেরকে ঘৃণার চোখে দেখত। আমার সন্তানরাও এ জন্য এলাকায় মুখ দেখাতে পারতো না। তাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতেই আমারা ৭৬ সদস্য ৩৬টি অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গুলিসহ আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছি।

র‌্যাব ১২ এর অধিনায়ক (সিও) ও অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মারুফ হোসেন জানান, বিভিন্ন চরমপন্থী দলের নেতা ও সদস্যদের বিভিন্ন ভাবে আর্থিক প্রণোদনার মাধ্যমে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে র‌্যাব কাজ করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসাবে গরুর খামার, পোল্ট্রি ফার্ম, মাছ চাষের ব্যবস্থা, চায়ের দোকান, ভ্যান-রিকশা, সেলাই মেশিন দেওয়ার মাধ্যমে চরমপন্থী সদস্য ও তাদের পরিবারগুলোকে স্বাভাবিক পেশায় স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মে ২০২৩ ০৭:২৭:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কুয়েতের টাকায় বিল্ডিং করার নামে টাকা আত্মসাৎ; জামাই-শ্বশুর গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কুয়েতের টাকায় বিল্ডিং করার নামে টাকা আত্মসাৎ; জামাই-শ্বশুর গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে কুয়েতের একটি সংস্থার নাম করে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মূলহোতাসহ জামাই ও শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ মে) দুপুরে তাদের টাঙ্গাইল কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মামলার মূলহোতা সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার দড়িপাড়া গ্রামের গোলাম মোহাম্মদের ছেলে মাহবুবুল হক (৪৩), তার সহযোগী বগুড়া সদর উপজেলার ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত মোক্তার হোসেনের ছেলে আ. রউফ (৫৬) ও তার মেয়ের জামাই ভূঞাপুর পৌরসভার ফসলান্দি গ্রামের আক্তারুজ্জামান সিদ্দিকীর ছেলে নাজিম সিদ্দিকী (৩৭)।

এরআগে বৃহস্পতিবার (১৮ মে) মূলহোতা মাহবুবুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে থানা পুলিশ তাকে ৩ দিনের রিমান্ডে নেয়। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মাহবুবুল হক তার সহযোগী আ. রউফ ও তার মেয়ের জামাই নাজিম সিদ্দিকীর কথা বলেন।

এরআগে গত বুধবার (১৭ মে) উপজেলার ছাব্বিশা গ্রামের মাসউদ আলী খান বাদী হয়ে মাহবুবুল হককে প্রধান আসামী করে অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন।

জানা যায়, বিদেশি সংস্থা কুয়েত জয়েন রিলিফ সোসাইটির (কেজিআরসি) নামে একতলা ভবন নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে উপজেলার বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একতলা ভবনের জন্য মাহবুবুল হক ও তার সহযোগীরা মানুষজনের কাছ থেকে ৪-৫ লাখ টাকা করে নেয়। এসময় মানুষজনকে বিশ্বাস করানোর জন্য বেশ কয়েকটি ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করে তারা।

কিন্তু হঠাৎ করেই উধাও হয়ে যায় কেজিআরসির মাহবুবুল হক, আ. রউফ ও তার মেয়ের জামাই। পরে তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলেও কোন সুরাহা না পাওয়ায় ভুক্তভোগী মাসউদ আলী খান বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয় মাসউদসহ উপজেলার বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে গ্রেপ্তারকৃতরা ৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা প্রতারণা করে।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, মামলার মূল আসামির সাথে এজেন্ট হিসেবে কাজ করতো জামাই ও শ্বশুর। রিমান্ডে মাহবুবুল হক ওই দুই এজেন্টের কথা বলার পরই বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরোও জানান, শুক্রবার দুপুরে তাদের কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তারা কুয়েতের একটি সংস্থার কথা বলে মানুষজনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ভবন করে দেওয়ার আশ্বাস দেয়। এতে অনেক মানুষজন তাদের কথায় বিশ্বাস করে টাকা দিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মে ২০২৩ ০৩:৩৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিএনপি-জামায়াত অশুভ শক্তির অগ্নি সন্ত্রাস নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শান্তি সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ মে) বিকেলে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

টাঙ্গাইল-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশিদ মামুন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহাসহ জেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে আরোও উপস্থিত ছিলেন, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম লেবু প্রমূখ।

পরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপির নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মে ২০২৩ ০৩:৪৫:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।