একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মাসহ দুই শিশু সন্তানের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার(৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের চকতৈল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেউলী ইউপি চেয়ারম্যান তাহমিনা হক।
তিনি জানান, শনিবার সন্ধ্যায় চকতৈল গ্রামের শাহেদের স্ত্রী মনিরা বেগম(২৫) তার দুই ছেলে মুশফিক (৫) ও মাশরাফিকে (২) হত্যা করে নিজে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
প্রতিবেশীরা খবর পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তাদের তিনজনের লাশ দেখতে পায়। খবর পেয়ে দেলদুয়ার থানা পুলিশ লাশ তিনটি উদ্ধার করে।
তবে একসঙ্গে দুই ছেলেকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা নাকি তাদেরকে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি হত্যা করেছে এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে।
স্থানীয়দের ধারণা, তিনজনকে হত্যা করে সিঁদ কেটে কেউ পালিয়ে গেছে।
এদিকে হত্যার আলোচনা উঠায় নিহত মনিরা বেগমের স্বামী শাহেদ পলাতক রয়েছে। ফলে সন্দেহের তীর শাহেদের দিকে। শাহেদ দেউলী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ফজলুর ছেলে।
স্বামীর আত্মগোপন ও মনিরা বেগমের ঝুলন্ত লাশ মাটিতে লেগে থাকায় সন্দেহের গভীরতা বাড়ছে।
দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, আমি ঘটনাস্থলে। লাশ তিনটি উদ্ধার হয়েছে। স্বামী শাহেদ পলাতক রয়েছ। শাহেদকে খুঁজে পেলে এবং লাশ তিনটি ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বিসিক শিল্প নগরীর মোবারক ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের বাজার তদারকি টিম।
বুধবার(৩ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলমের নেতৃত্বাধীন তদারকি টিম ওই জরিমানা করেন।
এ বিষয়ে সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম জানান, বাজার তদারকিমূলক অভিযান চলাকালে অনুমোদনহীন ভাবে কেক তৈরি, মোড়কে মূল্য ও মেয়াদ না থাকা, নোংরা পরিবেশ এবং বাসী কেক ও বিস্কুট পুনরায় ব্যবহার করায় মেসার্স মোবারক ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
তিনি জানান, তদারকি টিমের অভিযান পরিচালনাকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়।
তিনি আরো জানান, ব্যবসায়ীদের কেনা-বেচার রশিদ সংরক্ষণ, মূল্য তালিকা প্রদর্শণ করতে মাইকিং ও মচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। তদারকি টিম পরিচালনায় জেলা পুলিশ সহযোগিতা করে।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের সখীপুরে ভাগ্নে (নোনাশের ছেলে ) শাকিব হাসানের (২০) হাত ধরে দুই সন্তানের জননী মামী রত্না বেগম (৩০) পালিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২ মে) সকালে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ছাড়া রত্না বেগমের স্বামী কাচামাল ব্যবসায়ী আবদুল লতিফ সন্তানদের নিয়ে লোক-লজ্জার ভয়ে বাড়ীর বাইরে বেরোনো বন্ধ করে দিয়েছেন। ।
স্থানীয় ইউপি সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ জয়েন উদ্দিন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের আবদুল লতিফের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী রত্না বেগমের সাথে ভাগ্নে (আপন নোনাশের ছেলে) একই এলাকার মৃত সহিদ মিয়ার ছেলে প্রবাসী শাকিব হাসানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় তিন মাস আগে ভাগ্নে শাকিব দেশে ফিরলে তাদের সম্পর্কটা আরো গভীর হয়ে ওঠে। মঙ্গলবার সকালে ছোটবেলা থেকে সন্তানের মতো লালন-পালন করা ভাগ্নে শাকিবের সঙ্গে মামী রত্না বেগম তার সন্তানদের রেখে পালিয়ে যান।
এ ব্যাপারে লাঙ্গুলিয়া বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন ফন্নু এই ঘটনায় সমাজ ও গ্রামের মান ক্ষুন্ন হয়েছে দাবি করে ভাগ্নে শাকিব ও মামী রত্না বেগমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ বয়স গোপন রেখে চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করায় টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এক ছাত্রকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ মে) বাংলা ২য় পত্র চলাকালে কেন্দ্রের সভাপতি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান তাকে বহিষ্কার করেন।
ওই পরীক্ষার্থী নাগরপুর সদর ইউনিয়নের দুয়াজানী গ্রামের মো. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজের ছেলে এসএম শামীম আল মামুন।তিনি নয়ান খান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন।
জানা যায়, এসএম শামীম আল মামুন ২০০০ সালে মো.শাহীনুর ইসলাম , পিতা. মো.রিয়াজ উদ্দিন নাম দিয়ে চৌহালী জনতা হাইস্কুল থেকে রাজশাহী বোর্ডে অধিনে ৬১৩ নম্বর পেয়ে মাধ্যমিক পাস করে।
পূর্নরায় ২০২০ সালে নাগরপুর উপজেলার বনগ্রাম শহীদ মেমোরিয়াল হাইস্কুল থেকে নাম পরিবর্তন করে এসএম শামীম আল মামুন পৃথিবী ও পিতা. মো.রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ নাম দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে ২০২৩ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন। রোববার( ৩০ এপ্রিল)বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষা চলাকালে বিষয়টি কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তার নজরে আসে। ওই কর্মকর্তা তার উর্ধ্বতন অফিসারকে বিষয়টি জানান। এসময় ওই ছাত্রের কাছে জানতে চাইলে অকপটে সব স্বীকার করে। পরীক্ষা শেষে এডমিট কার্ড ও রেজিঃ কার্ড জব্দ করে হল কর্তৃপক্ষ।
এসএম শামীম আল মামুন পৃথিবী বলেন, আমি ২০০০ সালে রাজশাহী বোর্ড থেকে এসএসসি পাস করেছি। সার্টিফিকেটে বয়স কমানোর জন্য নতুন করে ২০০৭ সালে জন্ম তারিখ দেখিয়ে জন্ম সনদ বের করে এবং ২০২০ সালে নাগরপুর উপজেলার বনগ্রাম শহীদ মেমোরিয়াল হাইস্কুল থেকে রেজিষ্ট্রেশন করে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করি।
কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক সহকারি কর্মকর্তা জিএম ফুয়াদ বলেন, আমি দায়িত্ব পালনকালে ওই ছাত্রকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি সে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানাই।
কেন্দ্র সচিব ও নয়ান খান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসেন আলী মনসুর বলেন, ওই ছাত্রর এনআইডি কার্ডে তার বয়স ১৯৮৪ আর জন্ম সনদে তার বয়স ২০০৭।
নাগরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.শাহীনুর ইসলাম জানান, ইতিপূর্বে সে এসএসসি পাস করেছে। সে ২০/২২ বছর পর আবার এসএসসি পরীক্ষা দিতে আসছে। মূল বয়স গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করাটা অপরাধ। এ কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পালিমা এলাকায় চাঞ্চল্যকর আবুল হোসেন (৫৬) হত্যা মামলায় চাচাতো ভাই মকবুল হোসেন, ভাতিজা শরিফ ও মনিরকে আটক করেছে র্যাব-১৪, সিপিসি-৩ এর সদস্যরা।
মঙ্গলবার (২ মে) ভোরে গাজীপুর জেলার বোর্ড বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানি কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালিহাতী উপজেলার পালিমা গ্রামের আবুল হোসেনকে জোরপূর্বক বিষপানে হত্যা মামলার আসামিদের ধরতে গাজীপুরে অভিযান চালায় র্যাব। মঙ্গলবার ভোরে জেলার বোর্ডবাজার এলাকা থেকে মকবুল, শরিফ ও মনিরকে আটক করা হয়। পরে তাদের কালিহাতী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বসত বাড়ির জমি ও শ্যালো মেশিন পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে ১১-১২ জন মিলে গত ২৭ এপ্রিল রাতে আবুল হোসেনকে হাত-পা বেঁধে জোরপূর্বক মুখে বিষ ঢেলে দেয়। পরবর্তীতে তিনি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় নিহত আবুল হোসেনের স্ত্রী মোছা. মনোয়ারা বেগম (৪৫) বাদী হয়ে কালিহাতী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গাতে বালুভর্তি ট্রাকচাপায় আবুল হোসেন (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২ মে) দুপুরে উপজেলার এলেঙ্গা-বল্লা আঞ্চলিক সড়কের চেচুয়া নামক স্থানে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় কাউন্সিলর হেলাল মিয়া।
নিহত আবুল হোসেন এলেঙ্গা পৌর এলাকার চিনামুড়া গ্রামের মৃত তফিল উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে আবুল হোসেন বাইসাইকেল যোগে ছেলের শশুরালয় থেকে চিনামুড়া নিজ বাড়ি ফিরছিলেন। ওই সময় চেচুয়া এলাকায় বল্লাগামী বালুবাহী একটি হাইড্রোলিক ট্রাক আবুল হোসেনকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল আমিন জানান, অজ্ঞাত একটি হাইড্রোলিক ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই আবুল হোসেনের মৃত্যু হয়। স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে বন থেকে এক শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ মে) দুপুরে উপজেলার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের তিলের তাল এলাকার একটি আনারস বাগান থেকে গাছের সাথে বাঁধা অবস্থায় শমসের আলী (৩০) নামের ওই শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করে মধুপুর থানা পুলিশ।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শমসের আলী উপজেলার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের হরিণধরা গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে। সে পেশায় একজন কুলি শ্রমিক ছিলেন।
স্থানীয়দের বরাতে শোলাকুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. ইয়াকুব আলী জানান, সোমবার রাতে শমসেরসহ ৪ বন্ধু মিলে স্থানীয় একটি বাড়িতে মদ পান করতে যায়। মদ পান করে ফেরার পথে তাদের মধ্যে কোন বিষয়ে ঝগড়া হতে পারে। এই ঝগড়ার জের ধরে শমসের আলীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। পরে সুরতহাল রির্পোট শেষে লাশটি ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে থানায় এখনো পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে সহকারী পুলিশ সুপার (মধুপুর সার্কেল) ফারহানা আফরোজ জেমি জানান, সোমবার রাতের কোন এক সময় শমসের আলী নামে এক শ্রমিককে হত্যা করে শোলাকুড়ি ইউনিয়নের তিলের তাল এলাকায় আনারস বাগানে ফেলে রাখা হয়। নিহতের মুখমন্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ রয়েছে। হত্যার কারন ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ বলে জানান এই কর্মকর্তা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি আব্বাস আলীর উপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো ঘটনা ঘটেছে।
সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ান ও স্থানীয় সন্ত্রাসী আজাদ দেওয়ান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্বাস আলী (৪৮)।
মঙ্গলবার (২ মে) বিকেল চারটার দিকে সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়নের এস ডি এস এলাকায় চায়না প্রজেক্টের কাজ দেখতে গিয়ে তিনি এ হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় ভাইস চেয়ারম্যানকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সুমন দেওয়ান ও আজাদ দেওয়ান এস.ডি.এস ও ধলেশ্বরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল, অবৈধভাবে বালু ও মাটি কাটায় বাঁধা প্রদান করায় ভাইস চেয়ারম্যানের ওপর এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
হামলার শিকার সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আহত আব্বাস আলী জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটা ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় মানববন্ধন করা হয়। এ কারণে সাবেক চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ানের সঙ্গে শ্রমিক নেতা আব্বাস আলীর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার মাটি কাটার বিষয়ে বাঁধা প্রদান করলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। বিকেল চারটার দিকে আমার সাথে লোকজন না থাকায় প্রতিপক্ষ সুমন দেওয়ান ও আজাদ দেওয়ান তার লোকজন নিয়ে আমার উপর আতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমি ও গাড়ী চালক জহুরুল ইসলাম (৩৪), সোলায়মান হাসান আইয়ুব (৩৮)সহ তিনজন আহত হয়েছি। বর্তমানে তিনজনই টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি।
অভিযুক্ত সাবেক কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ান জানান, হামলার ঘটনাটি আমি জানিনা। এছাড়া হামলার ঘটনায় আমি ছিলামও না। আব্বাস ও তার বাহামভুক্তরা দৈনিক এলাকায় বিচারের নামে চাঁদাবাজি করে। এ ক্ষোভে মহিলারা তাকে ধাওয়া দিয়েছে বলে আমি শুনেছি। আমার নাম অহেতুক জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ছালাম জানান, হামলার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এখনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বনের ভেতর থেকে সাকেদ আলী (৮০) নামে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ।
সোমবার (১ মে) বিকেলে উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের কোঁচপাড়া জাঙ্গাইলাচালা এলাকা থেকে তার লাশটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার।
পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের সাকেদ আলীর বাড়ি উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের হরিনাচালা গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত মফিজ উদ্দিন।
রবিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ ছিলেন সাকেদ আলী। সোমবার সকালে পায়ে হাঁটা পথ ধরে যাতায়াত করার সময় এলাকাবাসী উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নে বনের ভেতরে কোঁচপাড়া জাঙ্গাইলাচালা নামক স্থানে ওই বৃদ্ধকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে বিকাল তিনটার দিকে তার লাশ উদ্ধার করে।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে স্বাভাবিক মৃত্যু মনে হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে অবৈধ মাটি ভর্তি ট্রাফি ট্রাক্টরের চাপায় নাসরিন আক্তার (৪০) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছে।
সোমবার (১ মে) সকালে উপজেলার কাকাড়াজান ইউনিয়নের জিতাশ্বরী দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত গৃহবধূ নাসরিন ওই গ্রামের জামাল বাদশার স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মহানন্দপুর গ্রামের মনির হোসেন এবং জিতাশ্বরী গ্রামের ফারুক নিষিদ্ধ ট্রাফি ট্রাক্টর দিয়ে মাটির ব্যবসা করে আসছিলেন। সোমবার সকালে ওই গ্রামের জামাল বাদশার বাড়িতে অবৈধ ট্রাফি ট্রাক্টর দিয়ে মাটি ফেলে। এক পর্যায়ে মাটি বোঝাই ট্রাক্টরটি গৃহবধূ নাসরিন আক্তারকে চাপা দেয়। এ সময় তাঁর মাথা পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে নিহত গৃহবধূর ছেলে হৃদয় মিয়া জানান, মা আমাদের তিন ভাই বোনকে এতিম করে চলে গেলেন। ঘাতক চালক একটু সচেতন থাকলে এমন হতো না।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে কোন অভিযোগ না পাওয়ায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ‘দুনিয়ার মজদুর “এক হও, এক হও” এই স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে মহান মে দিবস পালিত হয়েছে।
সোমবার (১ মে) সকালে টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে শহরের পৌর উদ্যানে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বালা মিয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক থানা আ’লীগ সভাপতি ও সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওলিউজ্জামান, সাবেক পৌর মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।
এসময় বিভিন্ন স্তরের শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ও তাদের কর্মী সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে, স্থানীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘পৌর এলাকার সর্বস্তরের শ্রমিকবৃন্দ’ ব্যানারে আয়োজিত সমাবেশে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, পৌরসভার মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম সিরাজুল হক বক্তব্য দেন। সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের বিগত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান সোহেল, দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান, ক্রীড়া সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেনসহ পদবঞ্চিত অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইলের বহুল আলোচিত খান পরিবারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত শ্রমিক লীগের সহসভাপতি আব্বাস আলী, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে তাঁদের অনুসারীরা অংশ নেন। মেয়রের সঙ্গে কয়েকজন পৌর কাউন্সিলরও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক জানান, টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে অনুষ্ঠিত সমাবেশটিই গ্রহণযোগ্য। এখানে সরকারি কর্মকর্তাসহ সকল শ্রমিক নেতাই অনুষ্ঠানে যোগদান করেছেন। এ সময় বিক্ষিপ্তভাবে শহরের প্রাণকেন্দ্রে আরেকটি র্যালি বা সমাবেশ কোনভাবেই কাম্য নয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাঁশ রাখার অভিযোগে বৈশাখ মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক ও ডেকোরেটরের মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।
সোমবার (১ মে) সকালে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বৈশাখ মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ভ্রাম্যমান আদালতে এ জরিমানা করা হয়।
জানা যায়, উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা মাঠে ঈদুল ফিতরের দিন থেকেই বৈশাখী মেলা চলছিলো। এসএসসি পরীক্ষার কারণে মেলাটি বন্ধ করে দেন উপজেলা প্রশাসন। মেলা বন্ধ হওয়ায় স্টলের ব্যবহৃত বাঁশ শহীদ বেদিতে রাখা হয়।
সোমবার মহান মে দিবস উপলক্ষে উপজেলা শ্রমিক নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে ফুল দিতে গেলে বিষয়টি সবার নজরে আসে। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে বৈশাখী মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রকৌশলী ফারজানা আলম জানান, শহীদ মিনারে মেলায় ব্যবহৃত বাঁশ রাখার অভিযোগে মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রকৌশলী ফারজানা আলম জানান, শহীদ মিনারে মেলায় ব্যবহৃত বাঁশ রাখার অভিযোগে মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।