/ হোম / টাঙ্গাইলে
টাঙ্গাইলে বিয়ের পরিকল্পনায় দুই মাদ্রাসাছাত্রীর বাসাভাড়া, আটক করলো পুলিশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিয়ের পরিকল্পনায় দুই মাদ্রাসাছাত্রীর বাসাভাড়া, আটক করলো পুলিশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরের রামপুর চতিলা গ্রামের দাখিল পড়ুয়া এক ছাত্রীর বাড়িতে তার প্রেমের টানে ছুটে এসেছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আলিম পড়ুয়া আরেক ছাত্রী। পরে পুলিশ দুজনকে আটক করে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমদাদুল হক তৈয়ব।

জানা যায়, টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার চতিলা গ্রামের ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর সঙ্গে একবছর আগে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আলিম পড়ুয়া মেয়ের ফেসবুকে পরিচয় হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত বছরের আগস্টে টাঙ্গাইলের মেয়ের বাড়িতে আসে কিশোরগঞ্জের মেয়েটি। বান্ধবী পরিচয়ে একসঙ্গে তারা রাত্রিযাপন করে। এর ধারাবাহিকতায় ৩দিন আগে টাঙ্গাইলের মেয়েটির বাড়িতে আবারও চলে আসে কিশোরগঞ্জের মেয়েটি। উভয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকায় ১ হাজার ৫’শত টাকায় বাসা ভাড়া নেয়। তাদের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। রবিবার (২১ এপ্রিল) রাতে পুলিশ এসে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করে এবং বিয়ে করার সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বাসার মালিক আব্দুল বারী জানান, চাকরিজীবী পরিচয় দিয়ে তারা তিনদিন আগে বাসা ভাড়া নেয়, অসহায় ভেবে আমি তাদের রুম ভাড়া দেই, তাদের অনৈতিক সম্পর্ক আমি কল্পনাও করতে পারিনি।

গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমদাদুল হক তৈয়ব জানান, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে এসব ঘটছে। এজন্য অভিভাবকদের সতর্ক থাকা উচিত। রবিবার রাতে দুজনকে আটক করে সোমবার (২২ এপ্রিল) সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. এপ্রিল ২০২৪ ০২:৩৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বালিকা মাদ্রাসায় বোরকা পরে যুবক, গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বালিকা মাদ্রাসায় বোরকা পরে যুবক, গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ায় এক বালিকা মাদ্রাসায় বোরকা পরে সিয়াম নামের এক যুবক প্রবেশ করায় গণপিটুনির শিকার হয়েছে। পরে স্থানীয়দের গণপিটুনির কবল থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ।

সোমবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে করটিয়ার রওজাতুল মহিলা মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ওই যুবক টাঙ্গাইল সদর থানার পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

আটককৃত মো. সিয়াম হোসেন সিপু (১৯) টাঙ্গাইল পৌরসভার ধুলেরচর মাদ্রাসা সংলগ্ন বৈল্যা এলাকার মো. ফরহাদ আলীর ছেলে। সিয়াম এবছর বিবেকানন্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলো।

করটিয়া রওজাতুল বালিকা মাদ্রাসার পরিচালক মো. সিয়াম জানান, সোমবার সকালে মাহফিলের টাকা আদায়ের রশিদ নিয়ে বোরকা পরিহিত এক মহিলা বালিকা মাদ্রাসায় প্রবেশ করে। পরে তার কন্ঠ শুনে ও আচরণে সন্দেহ হলে তাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। পরে বোরকার উপরের অংশ খুলে চেক করা হলে সে যুবক বলে প্রমানিত হয়। একপর্যায়ে খবরটি ছড়িয়ে পরলে উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসা থেকে বের করে তাকে গণপিটুনি দিতে থাকে। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে বাঁচানোর জন্য তাকে দ্রুত করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও উৎসক জনতা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। সেখান থেকে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে আটক করে নিয়ে যায়।

করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু বলেন, পরিষদের কাজে আমি উপজেলা পরিষদে থাকায় শাহীন মেম্বার ও লতিফ মেম্বারের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারি। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদে উৎসুক জনতার ভিড় জমে গেলে দ্রুত পুলিশে খবর দেই। পরে পুলিশ এসে ওই যুবককে আটক করে নিয়ে যায়।

আটককৃত সিয়ামের পিতা মো. ফরহাদ আলী জানান, তার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন। মাঝেমধ্যেই নানান কান্ড ঘটায়। তাকে বাসায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সোমবার সকালে সিয়াম নানীর বাসায় যাবে বলে বাসা থেকে বের হয়। তারপর পুলিশের কাছে খবর পাই তাকে করটিয়া থেকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, সিয়ামের মানসিক সমস্যার কারণে এ বছর সে বিবেকানন্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরিক্ষা দেওয়ার কথা থাকলেও দিতে পারেনি। তাকে নিয়ে প্রায়ই আমরা নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি।

টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ রাব্বানী জানান, খবর পেয়ে করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিয়াম নামের এক যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তদন্তের পর ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. এপ্রিল ২০২৪ ০৫:৩৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে স্ত্রী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে স্ত্রী নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে স্ত্রী নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় গুরুত্বর আহত হয়েছেন তার স্বামী।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের পরিবার।

নিহতের নাম পাপিয়া বেগম (৪৫)। সে ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের পাঞ্জানা গ্রামের আনিছুর রহমানের স্ত্রী।

নিহতের ভাতিজা ফারুক হোসেন জানান, তার চাচা আনিছুর রহমান ঘাটাইল উপজেলা সহকারি মৎস কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। তার গ্রামের বাড়ি ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের পাঞ্জানা গ্রামে। তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাসা ভাড়া করে পাশ্ববর্তী উপজেলা কালিহাতীতে থাকতেন। শুক্রবার সকালে কালিহাতী থেকে মোটরসাইকেল যোগে স্ত্রী পাপিয়াকে নিয়ে তিনি গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন। সকাল ৮ টার দিকে বাড়ির কাছাকাছি বানিয়াপাড়া এলাকায় পৌঁছলে তার স্ত্রী মোটরসাইকেলের পেছন থেকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আনিসুর রহমান নিজেও মহাসড়কে পড়ে যান।

তিনি আরও জানান, স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পাপিয়া বেগম। চিকিৎসকের বরাদ দিয়ে ফারুক জানান, বর্তমানে তার চাচা আনিছ শঙ্কামুক্ত আছেন।

ঘাটাইল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সজল খান জানান, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে এ ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. এপ্রিল ২০২৪ ০৪:২১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে তাপমাত্রা রেকর্ড ৪০ ডিগ্রী, বিপর্যস্ত জনজীবন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে তাপমাত্রা রেকর্ড ৪০ ডিগ্রী, বিপর্যস্ত জনজীবন

একতার কণ্ঠঃ সপ্তাহব্যাপী তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জেলার শহর ও গ্রামের জনজীবন। এর সাথে অনাবৃষ্টি যোগ হওয়ায় এক প্রকার বাধ্য না হলে ঘর থেকে বের হচ্ছে না জেলা বাসী।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ৩টায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিস। এটিই জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বলে নিশ্চিত করেছেন অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক জামাল হোসাইন।

তিনি জানান, শুক্রবার দুপুর ৩টায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তবে আরও বাড়বে। সন্ধ্যা ৬টায় সর্বশেষ তাপমাত্রা মাপা হবে। আরও দুইদিন এ দাবদাহ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এ আবহাওয়াবিদ।

সরেজমিনে শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল শহর, দাইন্যা ও হুগড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, বাইরে আসা লোকজন গরম সইতে না পেরে চায়ের দোকান ও গাছপালার নিচে আশ্রয় নিচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষ। চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকায় দুর্ভোগ বেড়েছে আরও কয়েক গুণ।
রাস্তাঘাট এক প্রকার জন-মানব শূন্য। প্রখর সূর্যের তাপে রাস্তাঘাটে টেকা দায়। বাতাস এলে তার সাথে আসছে ধুলা-বালি ও গরম বাতাস। কেউ বাড়ি থেকে বের হলেও বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও ধুলাবালি থেকে বাঁচতে ছাতা ও মুখে মাক্স ব্যবহার করছে।

হুগড়া ইউনিয়নের বেগুনটাল বাজারে কথা হয় সবজি বিক্রেতা ঈমান আলীর সাথে। তিনি বলেন, প্রচন্ড গরমে বাজারে কোনো ক্রেতা নেই। পেটের দায়ে বাধ্য হয়েই তিনি সবজি নিয়ে বসে আছেন বিক্রির আশায়। গরমের কারণে তার বিক্রি অর্ধেক কমে গেছে।

দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুর বাজারে কথা হয় আখের রস বিক্রেতা মুন্না মিয়ার সাথে। তিনি বলেন, গত কয়েকদিন যাবত তার আখের রস বিক্রি অনেক গুন বেড়েছে। প্রচন্ড গরমে মানুষ বাধ্য হয়েই আখের রস বেশি বেশি খাচ্ছে। বেচা-বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় মুন্নার মুখে তৃপ্তির হাসি।

টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠে কথা হয় সাহান হাসানের সাথে। তিনি বলেন, আমি বটতলা থেকে মার্কাস মসজিদে নামাজ পড়তে এসেছিলাম। মসজিদের ভিতরেও প্রচন্ড গরম। এছাড়া ঈদগাহ্ মাঠ যেন ধুলা-বালির রাজত্ব। গরম ও ধুলা-বালিতে টাঙ্গাইল শহরে বসবাস করাই দায়। এর সাথে যুক্ত হয়েছে মশা। কবে যে বৃষ্টি হবে একমাত্র আল্লাহ্ পাক ভালো জানেন।

এ অবস্থায় দেশব্যাপী শুক্রবার তিন দিনের জন্য সতর্কতামূলক হিট অ্যালার্ট জারি করেছে আবহাওয়া অফিস।

শুক্রবার আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিকের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কতা জারির কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়- দেশের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ আরও তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে। পাশাপাশি তাপমাত্রা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলীয়বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়।

এছাড়া সারা দেশে হিট আল্যার্ট জারি থাকলেও কিছু স্থানে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

অন্যদিকে তাপদাহের চাপে রোগী বেড়েছে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে। গরমে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু, বৃদ্ধ ও শ্রমজীবীরা।

এমন পরিস্থিতিতে বেশি করে বিশুদ্ধ পানি, খাবার স্যালাইন ও তরল খাদ্য গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন জেলার
সিভিল সার্জন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. এপ্রিল ২০২৪ ০৩:৪৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চাঁদার দাবিতে নারী প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চাঁদার দাবিতে নারী প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চাঁদার দাবিতে সৌদি প্রবাসী এক নারীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৩ এপ্রিল) রাতে পৌর শহরের ৬নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কলেজ পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

এবিষয়ে সৌদি প্রবাসী এই নারী হেনা বেগম (৩৮) শনিবার রাতেই টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়া সোমবার (১৫ এপ্রিল) হেনা বেগম টাঙ্গাইলের র‍‍্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডারের বরাবর আরও একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, মোছা. হেনা বেগম টাঙ্গাইল শহরের দক্ষিণ কলেজপাড়া এলাকার মৃত হায়াত আলীর মেয়ে। সে ও তার স্বামী দীর্ঘ ৮ বছর যাবত সৌদি প্রবাসী। ঈদুল ফিতর উদযাপনের জন্য সম্প্রতি ২ মাসের ছুটি নিয়ে দেশে আসেন তিনি। তার স্বামী এখনো সৌদি আরবে থাকায় তিনি তার বাবার বাড়ি দক্ষিণ কলেজ পাড়ার বাসায় ওঠেন। হেনা বেগমের কাছে প্রতিবেশী মো. মুন্না, মো. আকাশ, মো. হিটলু, মো. মোজাম্মেল, হাসি বেগম ও মুন্নি ঈদ উপলক্ষে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। হেনা বেগম চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীগণ একজোট হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শনিবার রাত ৯টার দিকে তার ও তার ভাই বিজিবিতে কর্মরত মো. জহিরুল ইসলামের বসত বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এসময় ঘরে রক্ষিত আসবাবপত্র ভাঙচুর ও ঘরে থাকা স্টিলের আলমারি ভেঙে নগদ ৪০ হাজার টাকা ও স্বর্ণের কানের দুল, গলার চেইন ও হাতের আংটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এসময় হেনা বেগমের নানু নুরজাহান বেগম বাধা প্রদান করলে তাকেও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা হয়। যাওয়ার সময় তারা হুমকি দিয়ে যায় দাবিকৃত চাঁদা না দিলে হেনা বেগমের পরিবারের সকল সদস্যকে মেরে গুম করে ফেলা হবে।

এ প্রসঙ্গে মোছা. হেনা বেগম বলেন, আমি ও‌ আমার স্বামী দীর্ঘ ৮ বছর যাবত সৌদি প্রবাসী। আমরা বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রাখছি। অথচ আমি আমার একমাত্র মেয়েকে নিয়ে বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিবাদীগণ প্রকাশ্যে আমাকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। যেকোনো সময় তাঁরা আমাদের উপর আবার হামলা চালাতে পারে। থানায় অভিযোগ দায়েরের পর তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, একজন রেমিটেন্স যোদ্ধা হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমি ও আমার পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো. মুন্না, মো. আকাশ, মো. হিটলু, মো. মোজাম্মেল, হাসি বেগম ও মুন্নি পলাতক থাকায় তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: মামুন জামান (সজল) বলেন, বিষয়টি আমি জানি। বাদী ও বিবাদীগণ পরস্পরের আত্মীয় হওয়ায় নিজেদের মধ্যে বসে মীমাংসা করার জন্য বলা হয়েছে। মীমাংসার সময় আমার তরফ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ইমানুর রহমান জানান, এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বর্তমানে বিষয়টির তদন্ত চলছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. এপ্রিল ২০২৪ ০২:০৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত

একতার কন্ঠ: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাস- মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মো রনি হোসেন নামে এক মোটরসাইকেল চালকের নিহতের ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের সরাতৈল নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মোঃ রনি হোসেন (৩০) কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর এলাকার চাঁদ প্রামাণিকের ছেলে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর আশরাফ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী বাসটি ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সরাতৈল এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হয় মোটরসাইকেল চালক। মোঃ রনি। এ সময় তার সাথে থাকা একজন আরোহীও আহত হয়।

তিনি জানান,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে থেকে আহত অবস্থায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই জনকে উদ্ধার করা হয়।পরে গুরুতর আহত মোটরসাইকেল চালক রনিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।হাসপাতাল নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. এপ্রিল ২০২৪ ০৩:৫৮:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গাছের ধাক্কায় ট্রেনের ছাদে থাকা যাত্রী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গাছের ধাক্কায় ট্রেনের ছাদে থাকা যাত্রী নিহত

একতার কন্ঠ: গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে একতা এক্সপ্রেসে ট্রেনের ছাদে থাকা হানিফ মিয়া নামে এক যাত্রীর নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে টাঙ্গাইল রেলস্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা।

নিহত হানিফ জয়পুরহাট জেলার আমতলী থানার আমতলী গ্রামের আ. হান্নানের ছেলে।

ঘারিন্দা রেলস্টেশন ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) আকবর জানান, জয়পুরহাট থেকে ঢাকাগামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের ছাদে উঠে নিহত হানিফ মিয়া।

পথিমধ্যে কোথায় কীভাবে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগেছে তা কেউ বলতে পারেনি। ট্রেনটি টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেল স্টেশনে এসে পৌঁছালে মরদেহটি দেখার পর উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, মরদেহটি রেলওয়ে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। নিহতের পরিবারের লোকজনকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. এপ্রিল ২০২৪ ০৯:০৬:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে সন্তান রেখেই পালালেন স্ত্রী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে সন্তান রেখেই পালালেন স্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে শিশু সন্তান রেখেই পালিয়েছেন স্ত্রী জাকিয়া (২৬)।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ক‌রে উপ‌জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নি‌য়ে যাওয়ার পর সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চি‌কিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতা‌লে পাঠায়।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) ভোরে উপ‌জেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের রাউৎবা‌ড়ী গ্রা‌মে এই ঘটনা ঘ‌টে।

ভুক্তভোগীর নাম ফিরোজ (২৯) সে স্থানীয় শাহজাহানের ছে‌লে এবং জাকিয়া পাশ্ববর্তী জিগাতলা গ্রামের জামিলের মেয়ে।

প্রতিবেশি ও স্বজনরা জানান, পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে ৬-৭ বছরের একটি শিশু ছেলে সন্তান রয়েছে তাদের। সংসার জীবনের মধ্যেই প্রায়ই এক অপরকে দোষারোপ করে বিভিন্ন সময় ঝগড়া করতো।

এনিয়ে সম্প্রতি একাধিকবার গ্রাম্য সালিশি হয়। মঙ্গলবার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে বুধবার ভোরে ফিরোজের গোপনাঙ্গ কেটে সন্তান রেখেই জাকিয়া পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী ফি‌রোজ জানায়, ভোরে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে লিঙ্গ কেটে ফেলে। পরে ডাক-চিৎকার শুনে পরিবার ও প্রতিবেশিরা এসে উদ্ধার করে এরআগে শিশু সন্তান রেখেই স্ত্রী জাকিয়া পালিয়ে যায়।

ফি‌রো‌জের মামা আরজু জানান, ‌বি‌য়ের পর থে‌কে স্বামী ও স্ত্রীর ম‌ধ্যে পা‌রিবা‌রিক কলহ চল‌ছিল। ভোরে ঘুমা‌নো অবস্থায় ভাগিনার লিঙ্গ কে‌টে ফে‌লে তার স্ত্রী। প‌রে পা‌শের লোকজন খবর পে‌য়ে তা‌কে উদ্ধার ক‌রে হাসপাতা‌লে নি‌য়ে আসে। তার স্ত্রী বা‌ড়ি থে‌কে পা‌লি‌য়ে‌ছে।

গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন চকদার বলেন- বিষয়টি জেনেছি। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি ফিরোজকে হাসপাতালে পাঠিয়েছে স্থানীয়রা।
তিনি আরও বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সাংসারিক ঝামেলা চলছিল। এনিয়ে সম্প্রতি একাধিকবার দরবার-সালিশ করা হয়েছে।

উপ‌জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকা‌রী মে‌ডি‌কেল অ‌ফিসার কাজল তালুকদার ব‌লেন, লি‌ঙ্গের পু‌রো অংশ কে‌টে ফেলায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হ‌য়। উন্নত চি‌কিৎসার জন্য তাকে টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতা‌লে পাঠা‌নো হ‌য়ে‌ছে।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ও‌সি) মো. আহসান উল্লাহ জানান, ঘটনা‌টি জেনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো কোন অ‌ভি‌যোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. এপ্রিল ২০২৪ ০৯:৩৫:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মা নিহত, ছেলে আহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মা নিহত, ছেলে আহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে পিকআপভ্যান ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে মা নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ছেলে। মঙ্গলবার (০৯ এপ্রিল) বিকেলে মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ি নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শি ও স্থানীয়রা জানান, কাইতকাই গ্রামের মুদি ব্যবসায়ী শাহজাহানের স্ত্রী ছাহেরা (৩৫) ও তার ছেলে সোয়াইব (৬) সিএনজিচালিত অটোরিকশা যোগে ধনবাড়ী থেকে স্বামীর বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে কাইতকাই সামাজিক বনায়ন নার্সারির কাছে পৌঁছালে একটি পিকআপভ্যানের সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।

এতে তারা দুজনই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদের মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে আহত ছাহেরা মারা যান। এ ঘটনায় পুলিশ পিকআপভ্যানটি আটক করলেও চালক পালিয়ে যান।

এ ব্যাপ্যারে মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে পিকআপটিভ্যানটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. এপ্রিল ২০২৪ ০৫:২১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অবৈধ ভারতীয় চিনি ভর্তি ট্রাকসহ আটক ৭ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অবৈধ ভারতীয় চিনি ভর্তি ট্রাকসহ আটক ৭

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ৪৩০ বস্তা অবৈধ ভারতীয় চিনি ভর্তি দুটি ট্রাকসহ ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাংড়া ইউনিয়নের শোলাকুড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করে কালিহাতী থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত ৭ জনের তাৎক্ষণিকভাবে নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কালিহাতী থানার এসআই মিন্টু ঘোষ জানান, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থেকে ৪৩০ বস্তা ভারতীয় চিনিসহ দুটি ট্রাক কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাংড়া ইউনিয়নের শোলাকুড়া এলাকা থেকে ট্রাকসহ ৭ জনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২৪ ০৪:২৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাইভেটকার চালক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাইভেটকার চালক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাইভেটকার চালক মিল্টন মিয়া (৩৮) নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) সকালে সখীপুর-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের কালিয়া বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মিল্টন মির্জাপুর উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের গাজেশ্বরী গ্রামের মোতাহার মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার কালিয়া বাজারে ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাইভেটকার চালক মিল্টন গুরুত্বর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহতের চাচাতো ভাই সাইফুল ইসলাম বলেন, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন মিল্টন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ প্রসঙ্গে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান জানান, কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. এপ্রিল ২০২৪ ০২:৫৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ইয়াবাসহ মা-ছেলেকে আটক করেছে সখিপুর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাতে উপজেলার বেলতলী এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়। বুধবার (৩ এপ্রিল) সকালে তাঁদের দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, আতিক হাসান (২৩) ও তাঁর মা আরজিনা আক্তার (৩৯)।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বেলতলী গ্রামের সেন্টু মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেন্টু মিয়ার স্ত্রী আরজিনা ও ছেলে আতিক হাসানের কাছ থেকে ২০৫টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে মা-ছেলের নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ইয়াবাসহ আটক মা-ছেলেকে বুধবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. এপ্রিল ২০২৪ ০২:০৭:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।