/ হোম / টাঙ্গাইলে
টাঙ্গাইলে দীর্ঘদিন পর সিদ্দিক ও খান পরিবার এক মঞ্চে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দীর্ঘদিন পর সিদ্দিক ও খান পরিবার এক মঞ্চে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের রাজনীতিতে খান পরিবার ও সিদ্দিক পরিবার নিয়ে রয়েছে নানা আলোচনা সমালোচনা। সব আলোচনা উপেক্ষা করে ৯০ দশকের পর এই প্রথম এক মঞ্চে বসলেন দুই পরিবার।

শনিবার (২ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সিদ্দিখালী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে শামসুর রহমান খান শাহজাহান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণীর আলোচনা সভায় তারা এক মঞ্চে বসেন।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতি) আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, এই পরিবারের সাথে আমার অনেক আগে থেকে সু-সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মাঝখানে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা দেখা দিলেও এখন আর নেই। রানা ও তার ভাইয়েরা যদি মনে করে যে আমাকে তারা মেনে চলবে তাহলে তাদের সাথে চলতে কোন বাঁধা নেই।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা বলেন, লতিফ চাচা আমাদের অভিভাবক তাই তার সাথে চলতে কোন বাঁধা নেই। আমরা চাই এক সাথে এক সঙ্গে রাজনীতি করতে।

এসময় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইরতেজা হাসান, ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালাম মিয়া প্রমূখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. মার্চ ২০২৪ ০২:১৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ২৮ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ২৮ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. নুর আলমকে (৪৯) প্রায় ২৮ বছর পর গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন বন্দর থানার গোরস্থান এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃত নুর আলম টাঙ্গাইল পৌরসভার ভাল্লুককান্দি এলাকার ফজলুল হকের ছেলে।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মো. সোহেল জানান, ১৯৯৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর পৌরসভার বেবিস্ট্যান্ড এলাকার মো. রফিককে তুলে নিয়ে যমুনা নদীর চরে গলাটিপে হত্যা করা হয়। পরে নিহত রফিকের বাবা আরশাব আলী বাদি হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় সদর থানার পৌরসভার ভাল্লুককান্দি এলাকার ফজলুল হকের ছেলে মো. নুর আলম ও একই এলাকার মাহতাবের ছেলে লতিফকে অভিযুক্ত করা হয়।

তিনি আরও জানান, শুনানী শেষে ১৯৯৫ সালে টাঙ্গাইলের সেশন জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুল কুদ্দছ রায়ে দু’জন আসামিকেই যাবজ্জীবন স্বশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন। রায়ের পর থেকে আসামি মো. নুর আলম ও লতিফ পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে বিভিন্ন স্থানে নানা নাম-পরিচয় ব্যবহার করে বসবাস করছিলেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, দীর্ঘ প্রায় ২৮ বছর পর হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. নুর আলমকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই মামলায় পলাতক আসামি লতিফকেও দ্রুত গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:০২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ফাঁদে ফেলে স্কুলছাত্রীকে বিয়ে করলেন ৭৭ বছরের আ’লীগ নেতা! - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফাঁদে ফেলে স্কুলছাত্রীকে বিয়ে করলেন ৭৭ বছরের আ’লীগ নেতা!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে অসহায় পরিবারকে ফাঁদে ফেলে স্কুলছাত্রীকে (১৪) বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার মুশুদ্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ইউপি) হযরত আলী মিয়ার (৭৭) বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান চলাকালে কৌশলে ওই স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে যান হযরত আলী মিয়া। সপ্তাহ গড়িয়ে গেলেও খোঁজ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়ে ভুক্তভোগী পরিবার। কিশোরীকে বিয়ে করার ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে, মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) হযরত আলীর বিরুদ্ধে ধনবাড়ী থানাসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করে ভুক্তভোগী পরিবার।

অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, নবম শ্রেণি পড়ুয়া কিশোরীর পরিবার ও হযরত আলী একই ইউনিয়নের বাসিন্দা। পরিবারটি দরিদ্র হওয়ায় ওই বাড়িতে বিভিন্ন সহযোগিতা করার সুযোগে যাওয়া-আসা করতেন হযরত আলী। পরে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাদের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

কিশোরীর বাবা বলেন, আমরা গরিব হওয়ায় সহযোগিতার কথা বলে হযরত আলী আমাদের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন। তাকে সরল মনে বিশ্বাস করতাম। মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে বিয়ে করেছেন। এতেই ক্ষান্ত হননি, অভিযোগ তুলে নিতেও হুমকি দিচ্ছেন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (ইউপি) মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব ওই কিশোরীকে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বয়স এফিডেভিট করে বিয়ে করেছেন, এমনটা শুনেছি।

তবে অভিযুক্ত হযরত আলীর সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ওই কিশোরী স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতার প্রথম স্ত্রী রয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। তবে এমন কাণ্ডে বিচার হওয়া দরকার বলে মনে করছেন বিভিন্ন সচেতন মহল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:২৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে খালাতো ভাই সেজে ওয়ার্কসপ কর্মচারীকে হত্যা, মা-ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে খালাতো ভাই সেজে ওয়ার্কসপ কর্মচারীকে হত্যা, মা-ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৫

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ওয়ার্কসপ কর্মচারীকে হত্যা মামলায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে আসামিদের বিভিন্ন জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জেলার ঘাটাইল উপজেলার কামারচালা গ্রামের সোহাগ (১৫), উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের নাজমুল (২০), উপজেলার কামারচালা গ্রামের প্রধান আসামী সোহাগের মা খাদিজা (৩৩), উপজেলার নলমা গ্রামের সালমান জাহান জান্নাত (২১) ও জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তরুনীআটা গ্রামের সাব্বির তালুকদার জীবন (১৭)। এ সময় লুন্ঠিত মোটরসাইকেলটিও উদ্ধার করা হয়।

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শরফুদ্দীন প্রেস ব্রিফ্রিংয়ে এ তথ্য জানান।

অতিরিক্তি পুলিশ সুপার শরফুদ্দীন বলেন, গত ২২ ফেব্রুয়ারি ঘাটাইল উপজেলায় মনির ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপের ভিতর থেকে নাহিদ হাসান (১৬) নামের এক ওয়ার্কসপ কর্মচারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এসময় হত্যাকারীরা একটি মোটরসাইকেল লুন্ঠন করে নিয়ে যান। পরে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার প্রধান আসামি হত্যার সাথে সরাসরি জড়িত সোহাগকে ঢাকার কদমতলী এলাকা থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, তার তথ্য মতে অপর আসামী নাজমুলকে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পোড়াবাড়ীর বাস স্টেশন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নাজমুলের দেওয়া তথ্য মতে খাদিজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। খাদিজার দেওয়া তথ্য মতে অন্য দুই আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোহাগ লুন্ঠিত মোটরসাইকেলের জন্য নাহিদকে হত্যা করে। এই হত্যা মামলার আসামী সোহাগ ছিল নাহিদের দু-সর্ম্পকের খালাতো ভাই। ঘটনার দিন তাদের ওয়ার্কসপের সামনে ঘুরাঘুরি করতে দেখা যায় তাকে। আশেপাশের যারা শ্রমিক ছিল তারা জিজ্ঞেস করলে সোহাগ বলে আমি নাহিদের খালাতো ভাই হই। সোহাগ রাতে নাহিদের সাথে ছিল।

সোহাগকে জিজ্ঞেসাবাদ করা হলে সে জানায়, মোটরসাইকেলের জন্য তারা ওয়ার্কসপ কর্মচারীকে হত্যা করে। তার মূল পরিকল্পনা ছিল এই মোটরসাইকেল সে নিবে। পূর্ব পরিকল্পনাভাবে নাহিদকে হত্যা করে মোটরসাইকেল নিয়ে যায়। এই মোটরসাইকেল সরানোর জন্য সহযোগিতা করেছে সোহাগের মা খাদিজা। খাদিজা অপর দুজন সালমান ও সাব্বিরকে ২০ হাজার টাকা দেয়। তারা দুজন মোটরসাইলে নিয়ে জামালপুর রেখে আসে। হত্যার আগে আসামিরা নাহিদকে নেশা খাইয়েছে। নাহিদ নেশা খেয়ে যখন ঢোলে পরে। তারপর নাহিদকে কম্বল চাপা দিয়ে হত্যা করে। এ কথা আসামীরা স্বীকার করেছে। আসামীরা চারজন শ্রমিক তারা বিভিন্ন জায়গায় কাজ করে।

তিনি জানান, আসামীদের জিজ্ঞোসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে। এ ঘটনার সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:১৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে রান্নাঘরে বাবার রক্তাক্ত লাশ, ছেলে উধাও - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে রান্নাঘরে বাবার রক্তাক্ত লাশ, ছেলে উধাও

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিজেদের রান্নাঘর থেকে আবদুস সামাদ (৫৫) নামের এক কৃষকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার বড়চওনা ইউনিয়নের দাড়িপাকা পশ্চিমপাড়া (বিন্নরীপাড়া) এলাকা থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

এদিকে ঘটনার পর থেকেই নিহত আবদুস সামাদের ছেলে ওয়াহেদুজ্জামান (৩০) পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের ধারণা, বাবাকে হত্যা করে ওয়াহেদুজ্জামান গা-ঢাকা দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিহতের ছোট ভাই আবদুর রশিদ বাদী হয়ে ভাতিজা ওয়াহেদুজ্জামানকে একমাত্র আসামি করে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিজ বাড়ির রান্নাঘরে আবদুস সামাদকে রক্তাক্ত অবস্থায় মৃত পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

স্থানীয়রা আরও জানান, ছেলে ওয়াহেদ মাদকাসক্ত। আগেও তিনি পরিবারের অন্য সদস্যদের মারধর করেছেন। সন্ধ্যায় তাঁকে বাড়িতেই দেখা গেছে। কিন্তু ঘটনার পর থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সম্ভবত কোনো কারণে ওই ছেলেই আবদুস সামাদকে আঘাত করে অবস্থা বেগতিক দেখে পালিয়ে গেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান জানান, নিহতের মাথায় ধারালো কিছু দিয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় সোমবার সকালে নিহতের ছোট ভাই আবদুর রশিদ বাদী হয়ে ভাতিজা ওয়াহেদুজ্জামানকে একমাত্র আসামি করে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ওয়াহেদুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৯:২১:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে লাইসেন্স না থাকায় ২টি ক্লিনিক সিলগালা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে লাইসেন্স না থাকায় ২টি ক্লিনিক সিলগালা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে লাইসেন্স না থাকায় ২টি ক্লিনিক সিলগালা ও মালিকদের ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পৌর শহরের দেওলা ও সাবালিয়া এলাকায় অবস্থিত ফেয়ার হসপিটাল ও রেহানা মর্ডান হসপিটালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানটি পরিচালনা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেড হাসান বিন মোহাম্মদ আলী।

হাসান বিন মোহাম্মদ আলী জানান, কোন বৈধ কাগজপত্র না থাকায় শহরের নতুন দেওলা ও সাবালিয়া এলাকায় অবস্থিত ফেয়ার হসপিটাল ও রেহানা মর্ডান হসপিটাল সিলগালা করা হয়।

তিনি আরও জানান, ফেয়ার হসপিটালের তিন মালিককে ৫ হাজার টাকা করে ১৫ হাজার টাকা ও রেহানা মর্ডান হসপিটাল মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

এসময় জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শরিফুল ইসলামসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০১:০৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুজনের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুজনের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পৃথক ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুজনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সাগরদিঘী এলাকার হাইস্কুল সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে মিনা আক্তার (৩৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত মিনা আক্তার বেইলা এলাকার সৌদি আরব প্রবাসী খসরু মিয়ার স্ত্রী। সে স্থানীয় আইনউদ্দিন কাজী নামে এক ব্যক্তির বাসায় ভাড়া থাকতেন।

সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ভিক্টর ব্যানার্জী বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘর থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে আত্মহত্যার কোনো কারণ জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, পৌরসভার খরাবর এলাকায় স্ত্রীর হাত-পা বেঁধে তার সামনেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আহাদ (২৮) নামে এক যুবক। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮ টার দিকে পৌরসভার খরাবর এলাকায় আলিম উদ্দিনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আহাদ নাটোর জেলার লালপুল থানার যুগাদা ইশ্বরদী গ্রামের ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি ‘আর এফ এল‘ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি এবং পৌরসভার খরাবর এলাকায় আলিম উদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাদের পারিবারিক কলহের জের ধরেই শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহাদ তাদের থাকার ঘরে দরজা দিয়ে স্ত্রী লিমা খাতুনের হাত পা চেয়ারের সাথে বেঁধে স্ত্রীর সামনেই সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় রশি দিয়ে ঝুলে পড়েন। এ সময় লিমা খাতুনের চিৎকারে স্থানীয়রা দরজা ভেঙ্গে আহাদকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, কী কারণে আহাদ আত্মহত্যা করতে পারে তা জানা যায়নি। তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উভয়ের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:০৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সুবিধাবঞ্চিত ২ শতাধিক শিশুদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের চৌরাকররা গ্রামে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের উদ্যোগে এই বই বিতরণ করা হয়।

এসময় শিশু শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া ২ শতাধিক শিশুর মধ্যে বিভিন্ন ধরণের ৪ শতাধিক বই বিতরণ করা হয়।বইয়ের মধ্যে ছিল- শিশুদের গল্পের বই, কবিতার বই, ছড়ার বই, বর্ণমালা পরিচিত বই, ফল-মূল ও পশু-পাখি ইত্যাদি নানা ধরণের পরিচিত বই। বই পেয়ে শিশুদের চোখে ছিল আনন্দ আর মুখে ছিল উচ্ছ্বাস।

বই বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের সভাপতি শাহজাহান মিয়া।

বিতরণকালে পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা কামরুজ্জামান, সদস্য শাকিল আহমেদ, সুমন চৌধুরী, রিপন মিয়া, সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার বলেন, আমার গল্পের বই পড়তে ভালো লাগে। আমি মাঝে মাঝে পাঠাগারে এসে বই পড়ি। আজ বই উপহার পেয়ে আমি আনন্দিত।

বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা কামরুজ্জামান বলেন, বই শিশুর বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি ও মনের সুপ্ত ভাবনার বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করে। শিশু বয়স থেকেই শিক্ষামূলক বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। তাই গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বই পড়ার সুযোগ করে দিতে আমরা বিনামূল্যে বই বিতরণ করে থাকি।

প্রসঙ্গত, “এসো বই পড়ি, নিজেকে আলোকিত করি” স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের চৌরাকররা গ্রামে ২০১০ সালে গড়ে ওঠে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাঠাগারটি গ্রামের মানুষের মধ্যে পাঠ্য অভ্যাস তৈরি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে সেলুন, বাসস্ট্যান্ড ও স্টেশন অণুপাঠাগার স্থাপনসহ শিক্ষামূলক কর্মকান্ডের পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৩২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গ্যারেজ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গ্যারেজ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নাহিদ হাসান (২৩) নামে এক গ্যারেজ মিস্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের বীর ঘাটাইল এলাকার একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত নাহিদ উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের পোয়াকোলাহা গ্রামের ধলা মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় মেসার্স মনির ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ নামে একটি গ্যারেজের মিস্ত্রী ছিলেন।

স্থানীয় একটি দোকানের কর্মচারী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, সকালে ভেকুর কাজ করছিলাম। নাট খোলার জন্য একটি যন্ত্রের প্রয়োজন হয়। নাহিদের গ্যারেজ বন্ধ দেখে দোকানের কাছে গিয়ে ডাকাডাকি করি। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে হঠাৎ খেয়াল করে দেখি গ্যারেজের একটি শার্টার সামান্য উঠানো। শার্টার পুরোটা উঠিয়ে নাহিদের কাছে গিয়ে ডাক দিলে সাড়া মেলেনি। শরীরে হাত দিয়ে ধাক্কা দিলে শরীর শক্ত লাগে। এরপর আশেপাশের লোকদের ডাক দিলে তারা এসে দেখেন নাহিদ মারা গেছেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

গ্যারেজ মালিক মনির হোসেন ব্যবসার কাজে চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন। তার বড় ভাই মনসুর আলী বলেন, নাহিদ তিন মাস ধরে এই গ্যারেজে কাজ করছেন। ঘটনাস্থলে দেখা যায় মোটরসাইকেলের লুকিং গ্লাস ও নম্বর প্লেট পড়ে আছে।

স্থানীয়দের ধারণা, রাতের কোনো এক সময় চোর মোটরসাইকেল চুরি করে নেওয়ার সময় নাহিদ দেখে ফেলায় তাকে হত্যা করা হতে পারে।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটা স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৫০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় দাখিল পরীক্ষার্থী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় দাখিল পরীক্ষার্থী নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় হাফেজ আবু রায়হান (১৭) নামে এক দাখিল পরীক্ষার্থীর নিহতের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের (পুরাতন সড়ক) পুষ্টকামুরী এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হাফেজ আবু রায়হানের বাড়ি উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে। সে এ বছর মির্জাপুর আফাজ উদ্দিন দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তার বাবা স্কুলশিক্ষক হাবিবুর রহমান। তাকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, আবু রায়হান এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে। বাবা হাবিবুর রহমান উপজেলার ছিট মামুদপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক। বাবার সঙ্গে মোটরসাইকেল যোগে মির্জাপুর সদরের আফাজ উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে যাচ্ছিল রায়হান। ছেলেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দিয়ে উপজেলার বাঁশতৈল পরীক্ষা কেন্দ্রে ডিউটিতে যাওয়ার কথা ছিল তার বাবার। পথিমধ্যে পুষ্টকামুরী এলাকায় পৌঁছালে সিএনজি চালিত অটোরিকশার সঙ্গে তাদের মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে আহত হন। এ সময় গরুভর্তি একটি পিকআপ পরীক্ষার্থী আবু রায়হানকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফজলু মিয়া জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ঘাতক পিকআপ নিয়ে চালক পালিয়ে গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১০:২৫:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এসএসসি পরীক্ষায় নকল সরবরাহের চেষ্টা, দুইজনকে কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এসএসসি পরীক্ষায় নকল সরবরাহের চেষ্টা, দুইজনকে কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এসএসসি পরীক্ষায় নকল সরাবরাহের সময় হাতে নাতে ধরা পড়ায় দুইজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এলেঙ্গা পৌরসভা এলাকায় পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের বাইরে থেকে নকল সরবরাহের চেষ্টাকালে আল আমিনকে ২১ দিন ও মহির উদ্দিনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক।

এ প্রসঙ্গে মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক জানান, এলেঙ্গা পৌরসভা এলাকায় পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের বাইরে থেকে নকল সরবরাহের চেষ্টাকালে ওই দুইজন ব্যক্তিকে নকল সহ হাতেনাতে ধরা হয়। পরে তাদের নিকট নকল সরবরাহের উপকরণ পাওয়া যায় এবং তারা অপরাধ স্বীকার করেন। এসময় একজনকে ২১ দিন এবং অপরজনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পরীক্ষায় যে কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা এবং অসদোপায় প্রতিরোধ ও কেন্দ্রের ভেতর এবং বাইরের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন সচেষ্ট আছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৩:৫০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চাঁদাবাজি মামলায় বেকসুর খালাস পেলেন সাংবাদিক বাবু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চাঁদাবাজি মামলায় বেকসুর খালাস পেলেন সাংবাদিক বাবু

একতার কণ্ঠঃ দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার নাগরপুর উপজেলা প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উপজেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুল হক বাবু একজন শিক্ষকের দায়ের করা মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন চাঁদাবাজি মামলায় আদালত থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত মামলাটি থেকে খালাস সংক্রান্ত একটি রি-কল পত্র নাগরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সাংবাদিক মো. আজিজুল হক বাবু বলেন, আমাকে হেনস্তা ও আমার পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন করতেই চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগে মামলা করা হয়েছিলো যা আদালতের সিদ্ধান্তে বেকসুর খালাসের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। সব প্রতিকূলতাকে পিছনে ফেলে সুষ্ঠু ধারায় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকতায় সামনে এগিয়ে যেতে চাই।

উল্লেখ্য, গত ২০২২ সালের ২১ এপ্রিল একটি বানোয়াট অভিযোগে দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে, নাগরপুর থানা পুলিশ সাংবাদিক আজিজুল হক বাবুকে আটক করে এবং থানা হাজতে রেখে পরের দিন ২২ এপ্রিল আদালতে প্রেরণ করে।

প্রায় একমাস কারাগারে থাকার পর পরবর্তীতে তিনি ওই বছরের ২৩ মে জামিনে মুক্তি পান।

এছাড়াও ভিত্তিহীন চাঁদাবাজি মামলায় আটকের প্রতিবাদে সে সময় নাগরপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা ও বিভিন্ন সাংবাদিক মহল মানববন্ধনসহ প্রতিবাদ সমাবেশ করেছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৩০:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।