/ হোম / টাঙ্গাইলে
টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ী আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ী আটক

একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব। বুধবার (০৮ জুন) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান ও স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি মোঃ এরশাদুর রহমান এর নেতৃত্বে সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পশ্চিম পাশে রাস্তার ওপর অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব । এসময় ১৬ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো, ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামের তায়েজ উদ্দিনের ছেলে শাহীন আলম (৩৪), উত্তর হুগড়া গ্রামের আয়নালের ছেলে কালাচান (২৭), চর হুগড়ার মকতেল মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (২৪), রফিকুল ইসলামের ছেলে খোরশেদ আলম(২৩) ও সাতানি হুগড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হালিমের ছেলে হাসান আলী (১৮)।

এ ব্যাপারে , র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বলেন, আটককৃত আসামীগণ জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার কার করে তারা মাদকদ্রব্য গাঁজা অবৈধভাবে জেলার সদর উপজেলার সহ বিভিন্ন উপজেলায় মাদক সেবীদের নিকট তাদের চাহিদা অনুযায়ী বিক্রি করে আসছিলো তারা।

তিনি আরো বলেন, আটককৃত আসামী ও পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৫:৩৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জেএমবি সদস্যের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জেএমবি সদস্যের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) এক সদস্যের পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

সোমবার (৩০ মে) বিকেলে জেলা ও দায়রা জজ ফাহমিদা কাদের এ আদেশ দেন। রায়ে দণ্ডিত ব্যক্তিকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও পাঁচ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

দণ্ডিত সুমন আকন্দ (৪০) বরিশাল জেলার কোতোয়ালি থানার কাওয়ার চর গ্রামের মকবুল আকন্দের ছেলে।

টাঙ্গাইল আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) টাঙ্গাইল শহরতলীর নগরজলফৈ এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করে। সুমন আকন্দ ওই চেকপোস্টের কাছে আসার পর তাকে তল্লাশির জন্য র‌্যাব সদস্যরা সংকেত দেন। এসময় তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব তাকে আটক করে। তার ব্যাগ থেকে চারটি জিহাদি বই, একটি স্টিলের ছুরি, চাকু, লোহার বাটালসহ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও মেকানিক্যাল যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জেএমবির সদস্য বলে স্বীকার করেন। তিনি ঢাকার রামপুরা এলাকায় অবস্থান করে জঙ্গিবাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। নাশকতার উদ্দেশ্যে টাঙ্গাইল এসেছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানান।

ওইদিনই র‌্যাব-১২ এর সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের তৎকালীন কোম্পানির উপ-সহকারী পরিচালক নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সুমন আকন্দকে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে টাঙ্গাইল সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী ২০২০ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত সুমন আকন্দকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. মে ২০২২ ০৩:৩৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ২ দিনে অবৈধ ৪৯টি ক্লিনিক সিলগালা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ২ দিনে অবৈধ ৪৯টি ক্লিনিক সিলগালা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় দুইদিনে ৪৯টি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়াও আরও কয়েকটিকে জরিমানা করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ মে) ও রোববার (২৯ মে) দিনব্যাপী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দুইদিনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১২টি, গোপালপুরে ১১টি, ধনবাড়ীতে ছয়টি, মির্জাপুর পাঁচটি, মধুপুর ও ভুঞাপুরে চারটি করে, নাপরপুর ও ঘাটাইলে তিনটি করে ও সখীপুরে একটি সিলগালা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রানুআরা খাতুন জানান, বৈধ কাগজপত্র না থাকায় শহরের স্বদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, পদ্মা ক্লিনিক, আমানত ক্লিনিক অ্যান্ড হসপিটাল, আশেকপুর চক্ষু হাসপাতাল, করটিয়া এলাকার রোকেয়া ক্লিনিক, মিতালী ক্লিনিক এবং ডিজিটাল ক্লিনিককে অনুমোদন না থাকায় সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়াও দুই দিনে কমফোর্ট হসপিটাল ও ডিজি ল্যাবের মালিককে ৩০ হাজার টাকা করে, দি সিটি হাসপাতালের মালিককে ২০ হাজার টাকা এবং সাবালিয়া এলাকার খিদমা স্পেশালাইস্ট হসপিটালকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বলেন, বৈধ কাগজপত্র না থাকায় দুইদিনের অভিযানে টাঙ্গাইল সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় ৪৯টি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়াও আরও কয়েকটিকে জরিমানা করা হয়েছে। যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই, সে বিষয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মে ২০২২ ০৬:১৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে খাদিজা আক্তার (২২) নামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৯ মে) সকালে উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কুটুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত খাদিজার ২ বছরের এক ছেলে সন্তান রয়েছে।

জানা যায়, কোকডহরা ইউনিয়নের কুটুরিয়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে সৌদি প্রবাসী আবু হানিফের সাথে প্রায় ৪ বছর পূর্বে পার্শ্ববর্তী বলধী গ্রামের আব্দুল খালেকের মেয়ে খাদিজার বিয়ে হয়। তার স্বামী আবু হানিফ দেশে ছুটি কাটিয়ে দু’মাস পূর্বে পুনরায় সৌদী চলে যান। তারপর থেকেই শশুর-শাশুড়ী খাদিজাকে বিভিন্নভাবে অত্যাচার করে আসছিল বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবার। গত দু’দিন আগে শাশুড়ি ও খাদিজার সাথে শাশুড়ীর স্বর্ণের চেইন হারানো নিয়ে নিয়ে ঝগড়া হয়। পরে রোববার সকালে স্টোক করেছে বলে খাদিজাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় তার শশুর-শাশুড়ী। এসময় চিকিৎসক মৃত খাদিজার গলায় চিহ্ন দেখে শাশুড়ি হালিমনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন ফাঁসি দিয়েছে।

নিহত খাদিজার ভাই শফিকুল ইসলাম বলেন, খাদিজাকে হত্যা করে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে তার শাশুড়ি হালিমন আমাদের জানায় সে অসুস্থ্য। পরে জানতে পারি পুলিশ খাদিজার লাশ থানায় নিয়ে গেছে।
খাদিজার বাবা খালেক বলেন, আমার মেয়ে খাদিজাকে তার শশুর-শাশুড়ী হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করেছি। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।

অন্যদিকে, শাশুড়ী হালিমনের দাবী গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে খাদিজা। তাকে বাঁচাতে ফাঁস থেকে নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার  ফাতেমা জানান, রাতের শিফটের ডাক্তার সকালেও ডিউটি করেছেন। খাদিজা নামে এক গৃহবধুকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ওটা ব্রড ডেড, হ্যাংগিং কেস চিহ্ন পাওয়া গেছে। পুলিশ এসে লাশ নিয়ে গেছে। পোস্টমর্টেমের পর মূল বিষয় জানা যাবে।

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সংবাদ পাওয়ার পর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মে ২০২২ ০৩:৩৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অজ্ঞাত বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী এক যুবক নিহত হয়েছেন।

রোববার (২৯ মে) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত নাজিম উদ্দিন (৩৭) নাটোর সদর উপজেলার বদিউর রহমানের ছেলে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত নাজিম উদ্দিন সকালে ঢাকায় যাওয়ার পথে বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাত একটি বাস তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহতের লাশ থানায় রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মে ২০২২ ০২:৪০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন

একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের নাগরপুরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সৎ ভাই সুমন মিয়াকে (২৫) হত্যা করেছেন বড় ভাই আতোয়ার মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তি।

সোমবার (৯ মে) সকালে নাগরপুর উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের ডাকাতিপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমন ও অভিযুক্ত আতোয়ার ওই গ্রামের কলিম উদ্দিনের দুই স্ত্রীর সন্তান।

নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সকালে ছোট ভাই সুমনকে ফলা দিয়ে আঘাত করেন বড় ভাই আতোয়ার মিয়া।

এতে গুরুতর আহত হন সুমন। এ অবস্থায় তাকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৯:৫৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বেতনের দাবিতে মহাসড়কে শ্রমিক অবরোধ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেতনের দাবিতে মহাসড়কে শ্রমিক অবরোধ

একতার কণ্ঠঃ বেতন-বোনাসের দাবিতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াইয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক অবরোধ করেছে নাহিদ কটনমিলের শ্রমিকরা।

বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে অবরোধ শুরু হয়। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সড়কের দুইপাশে প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। ঈদে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

শ্রমিকরা জানান, শ্রমিকদের ঈদের বোনাস না দিয়ে শুধু অর্ধেক বেতন দিতে চায় কারখানার মালিক। এ কারণে শ্রমিকরা ক্ষিপ্ত হয়ে ভাংচুর শুরু করে। একপর্যায়ে বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা মহাসড়কের অবস্থান নেয়। তবে পরে পুলিশের আশ্বাসে তারা অবরোধ তুলে নেয়।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলম চাঁদ জানান, শ্রমিকরা তাদের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। পরে তাদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. এপ্রিল ২০২২ ০৩:৪৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পরকীয়া সিংগাপুরে আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পরকীয়া সিংগাপুরে আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরের মেহেদী হাসান সজীব (২২) নামের এক যুবক প্রেমিকা ভাবীর সাথে অভিমান করে সিংগাপুরে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত

রবিবার (৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত ৮ টার দিকে তার নিজ বাসার গোসলখানার গ্রিলের সাথে গলায় রশি বেধে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে সে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সজীবের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় সিংগাপুর পুলিশ।

নিহত মেহেদী হাসান সজীব উপজেলার বেড়বাড়ী দাখিল মাদ্রাসা এলাকার মতি মিয়ার ছেলে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নিহত মেহেদী হাসান সজীবের সঙ্গে প্রতিবেশী এক ভাবীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া ছিল। রবিবার তাদের মধ্যে মুঠোফোনে কথা কাটাকাটি হলে রাত ৮ টার দিকে সিংগাপুরের নিজ বাসার গোসলখানার গ্রীলের সঙ্গে গলায় রশি বেধে  আত্মহত্যা করে সজীব ।

যাদবপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন ধলা সজীবের আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সরকারের কাছে সন্তানের লাশ দেশে আনার সহায়তা চান নিহতের বাবা- মা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৬:২৪:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্রদলের একাংশের বিক্ষোভ সমাবেশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্রদলের একাংশের বিক্ষোভ সমাবেশ

 একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা, পৌর শহর, এমএম আলী কলেজ, সা’দত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের অর্থের বিনিময়ে নবগঠিত কমিটি ঘোষণার অভিযোগ এনে এবং এ কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ করেছে ছাত্রদলের একাংশের নেতা-কর্মীরা।

বৃহস্পতিবার(৩১ মার্চ) বিকেলে শহরের ভাসানী হল এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এসে এক সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক মো. আব্দুল আলীমের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম-আহবায়ক নয়ন ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান, কাব্য, কালিহাতী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক আমিনুর ইসলাম, এলেঙ্গা পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব রকি মোল্লা, মধুপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়ির যুগ্ম আহবায়ক হারুন অর রশিদ, ধনবাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক আব্দুল বাতেন, মধুপুর উপজেলা ছাত্রনেতা মানিক মিয়া প্রমুখ।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মগড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আলী হোসেন সরকার ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সুজন মাহমুদ।

বিক্ষোভ সমাবেশে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা, পৌর শহর, এমএম আলী কলেজ, সা’দত বিশ^বিদ্যালয় কলেজ, মধুপুর-ধনবাড়ী ও কালিহাতী উপজেলা ছাত্রদলের নেতারা অংশ নেয়।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির কতিপয় নেতা ও জেলা ছাত্রদলের কয়েক জন নেতার যোগসাজশে তৃণমূল ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মতামতকে উপেক্ষা করে এ কমিটিগুলো করা হয়। এই পকেট কমিটির অধীনে এবং ছাত্রলীগ নেতা দিয়ে কমিটির অধিনে রাজনীতি করা সম্ভব নয়। অর্থের বিনিময়ে নবগঠিত কমিটি ঘোষণা করেছে জেলা ছাত্রদল। ছাত্রদলের মামলা হামলা খাওয়া ও ত্যাগী নেতাদের মুল্যায়ন করা হয়নি। এ কমিটিকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৯:৫৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে মসজিদের ইমামকে হুমকি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে মসজিদের ইমামকে হুমকি

একতার কণ্ঠঃ উপহার বক্সে কাফনের কাপড় আর চিঠি দিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে মসজিদের ইমামকে। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এতে থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছেন নারান্দিয়া বাজার মসজিদের পেশ ইমাম ও মাদ্রাসার সুপার ওসমান গণি (৫৮)। তিনি মধুপুর উপজেলার মেহাবী গ্রামের মৃত. আব্দুল কাদেরের ছেলে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু

থানার জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মার্চ সকালে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি নারান্দিয়া মাদ্রাসার সালমান (৬) নামের এক ছাত্রের কাছে জন্য একটি উপহার বক্স পাঠানো হয়। বক্সটি খুলে দেখা গেছে ভিতরে কাফনের কাপড় আর হত্যার হুমকি দেয়া একটি চিঠি। ঘটনাটি কয়েক দিন পরে জানাজানি হয়।

বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মসজিদের পেশ ইমাম ও মাদ্রাসার সুপার ওসমান গণি জানান বক্সটি খুলে আমি দেখতে পাই ভিতরে কাফনের কাপড় আর হত্যার হুমকি দিয়ে লেখা একটি চিঠি। আমি কালিহাতী থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছি। এরপর থেকে তিনি নিরাপত্তাহীন ভুগছেন।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

একতার কণ্ঠ

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৯:০৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা: সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৩৫ জন কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা: সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৩৫ জন কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে নির্বাচনী সহিংসতার মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৩৫ জনের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠিয়েছন আদালত।

রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাউদ হাসান তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করে। টাঙ্গাইল আদালতের পরিদর্শক তানবীর আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আসামিরা হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের অন্তবর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। রোববার নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত তা না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, ইউপি নির্বাচনে উপজেলার ফলদা ইউনিয়নে গুজব ছড়িয়ে নির্বাচনে সহিংসতা, সরকারি কাজে বাঁধা, নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপর হামলা চালানো হয়। এছাড়া কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, র‌্যাব, পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ রাখা হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য তাদের উদ্ধার করে। পরে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। মামলার তদন্ত শেষে ৪১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২৫০০-৩০০০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় তদন্তকারী কর্মকর্তা। এতে ৪১ আসামীর মধ্যে ফলদা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আকবর হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হান্নানসহ ৩৫ জন হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা  ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনায় মামলা করা হয়। তদন্ত শেষে ৪১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২৫০০-৩০০০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়। এরমধ্যে এজাহারনামীয় ৩৫ জন নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন চাইলে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৯:২৩:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছেলেকে কাছে রাখতে না পেরে অভিমানে আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছেলেকে কাছে রাখতে না পেরে অভিমানে আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ আল-আমীন (৪০) ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক পাশ করেন। ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইকবাল খানের বড় ছেলে তিনি।

বিয়ে করেছিলেন একই উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের তালতলা গ্রামের ইউসুফ আলীর মেয়ে শিলাকে। সম্প্রতি তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে।

আশরাফুল নামে তাদের দুই বছরের এক ছেলে রয়েছে। কিন্তু স্ত্রী শিলার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সন্তানকে কাছে রাখতে না পেরে হতাশায় ভুগছিলেন তিনি।

এই হতাশা থেকে বিষপান করে আত্মহত্যা করেন আল-আমীন। শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে ঘাটাইল থানা পুলিশ মরদেহ নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

এর আগের দিন শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে আল-আমীন বিষপান করেন। প্রথমে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান। একটি চিরকুট লিখে যান তার ছোট ভাই মাহমুদের কাছে। সেই চিরকুটে আত্মহত্যার কারণ লিখে যান আমীন।

চিরকুটটির হুবহু তুলে ধরা হলো: ‘ভাই আমার জীবন আর চালাই নিতে পারছিনারে ভাই। প্রতিটি মুহূর্ত যন্ত্রণার। মাহমুদ, অনেক ভালোবাসি ভাই তোকে। আমাকে মাফ করে দিস। আমার সংসারটা শিলার বাবা, মা আর ওর ভাই নাহিদ নষ্ট করে দিছে। আমার কলিজা টুকরাকেও নিয়ে গেছে ওরা। ভাই, প্রতিদিনের এই যন্ত্রণা কষ্ট থেকে এটা ছাড়া উপায় ছিলনা। ভাই আমার অসহায়ত্ব আর চোখের পানিও ওদের কাছে হাসি তামাশার মনে হয়েছে। ভাই বাবুকে দেখে রাখিস। আর পারলাম না ভাই। একটু একটু করে মরার চেয়ে একেবারেই মরে যাওয়া ভালো। তাও যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাব। আমার আব্বা মাকে মাফ করে দিতে বইলো ভাই। আল-আমীন ১৭/২/২২’।

Ekotar kantho

আল-আমীনের হাতে লেখা চিরকুট

আর সেই সুইসাইড নোটটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডি থেকে পোস্ট করেছেন মাহমুদ।

মাহমুদের চাচা আবুল খায়ের খান বলেন, আল-আমীনের বিবাহ বিচ্ছেদের সময় ছেলে আশরাফুলকে স্ত্রী (শিলা) নিয়ে যাওয়ার কারণে আমিন মানুষিকভাবে ভেঙে পড়ে।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি আত্মহত্যা। মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৭:৪০:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।