একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় ১২০ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ৩৩২ জনের নমুনা পরীক্ষার রির্পোটে ১২০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শতকরা ৩৬ দশমিক ১৪ ভাগ ।রবিবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন জানান,আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৭০ জন, দেলদুয়ারে ৬ জন, সখিপুরে ৮ জন, মির্জাপুরে ১১ জন, ঘাটাইলে ১০ জন, কালিহাতীতে ৭ জন, মধুপুরে ১ জন, গোপালপুরে ২ জন, বাসাইলে ২ জন, ধনবাড়ীতে ৩ জন নিয়ে মোট ১২০ জন।
তিনি আরো জানান, এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৭৪০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ্য হয়েছে ১৬ হাজার ৭৯৫ জন। জেলায় সর্বমোট মৃত্যুবরণ করেছেন ২৬১ জন। গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করেনি।
সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, করোনা প্রতিরোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার দাবিতে ডেভেলপমেণ্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুয়র (ডরপ)- এর উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ডরপ টাঙ্গাইলের ফ্যাসিলিটেটর গুলজার হোসেন, যুব ফোরামের সদস্য নূর পলাশ, সাব্বির হোসেন, বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের জীবন সাহা প্রমুখ।
এসময় বিড়ি শ্রমিক, যুব গ্রুপ এবং সুশীল সমাজের সদস্যবৃন্দ, ডেভেলপমেণ্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুয়র (ডরপ) এর কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।বক্তারা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি ৬টি সংশোধনীর দাবি করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সোমবার (১৮ অক্টোবর) প্রথম বার সরকারিভাবে ‘শেখ রাসেল দিবস’ উদযাপন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল- শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুস্পাঞ্জলী, চিত্রাঙ্কন, উপস্থিত বক্তৃতা ও রচনা প্রতিযোগিতা, সেমিনার, কেক কাটা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ইত্যাদি।
টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সোমবার সকালে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, জেলা পরিষদ ও টাঙ্গাইল পৌরসভাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের পক্ষ থেকে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। পরে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস- অদম্য আত্মবিশ্বাস’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন খান, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
এরআগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ ছেলে শেখ রাসেলের ৫৮ তম জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শেখ রাসেলের জীবনের উপর উপস্থিত বক্তৃতা প্রাতযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ‘শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক যোগাযোগ কার্যক্রম পঞ্চম পর্যায়’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(৪ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিধান চন্দ্র কর্মকার।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার সত্যেন্দ্র নাথ পাল, টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, বিটিভি’র জেলা প্রতিনিধি জে সাহা জয় প্রমুখ।
জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিসের যৌথ আয়োজনে ওই সমাবেশে সমাজের বিভিন্ন স্তরের নারীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রাইস মিলের জ্বলন্ত চুল্লি থেকে সুরমা আক্তার (৩২) নামে এক নারী এনজিওকর্মীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।বুধবার( (১৪ মে)সন্ধ্যায় উপজেলার পৌরসভাধীন চাটিপাড়া এলাকায় রাইস মিলের চুল্লিতে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে।
নিহত এনজিওকর্মী সুরমা আক্তার উপজেলা সদরের চাটিপাড়া গ্রামের মৃত বেলায়েত হোসেনের মেয়ে ও স্থানীয় এনজিও সেবালয়ের কর্মী।
স্থানীয়রা জানায়, সুরমা আক্তার কি কারণে তিনি আগুনে পুড়ে মারা গেছেন তা জানাতে পারছেন না প্রতিবেশীরা। এরকম চুল্লিতে আত্মহত্যা করা সম্ভব নয়। কোনো রহস্য থাকতে পারে।
নিহতের বড় বোন সুমনা বলেন, ইফতারের পর রাইস মিলের পাশ থেকে লোকজনের কোলাহল শুনতে পাই। দৌড়ে গিয়ে দেখি চুল্লির ভিতরে একটা মানুষ আগুনে জ্বলছে। ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা এসে আগুন নেভাতে নেভাতেই মারা যায়, মৃত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করে।
সাত মাস আগে সুরমা আক্তারের ডিভোর্স হয় কালিহাতী পৌর এলাকার সওদাগর পাড়ার আসাদ সওদাগরের সঙ্গে।থ্রি স্টার রাইস মিলের ভাড়ায় চালিত মালিক শ্রীদাম জানান, চুল্লিতে আগুন দেওয়া শ্রমিক ঘটনা জানায়।
কালিহাতী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, প্রায় আধা ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে একটি পুরোপুরি পুড়ে যাওয়া লাশ উদ্ধার করে কালিহাতী থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেন।
কালিহাতী থানার ওসি সওগাতুল আলম জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে কেউ থানায় মামলা করেনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গরীব অসহায় দুস্থ এবং খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৪মে)সকালে বঙ্গবন্ধু সেনা নিবাসের উদ্যোগে এ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বঙ্গবন্ধু সেনানিবাসের লে. কর্নেল মোহাম্মেদ সোহেল রানা এবং মেজর ইমরুল কায়েসসহ সেনাবাহিনীর অন্যন্য অফিসারবৃন্দ।
এ সময় শতাধিক পরিবারের মধ্যে ঈদ সামগ্রী হিসেবে চাল, ডাল, তেল, আটা, চিনি, সেমাই, সাবান, নগদ টাকা বিতরণ করা হয়।এ প্রসঙ্গে সেনা কর্মকর্তারা জানান, ভবিষ্যতে তাদের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।
একতার কণ্ঠ : টাঙ্গাইল পৌর সভার বেড়াডোমা এলাকায় লৌহজং নদীর উপর অবস্থিত বেড়াডোমা ব্রিজের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার( ৩ মে) বেলা ১১ টায় টাঙ্গাইল পৌরসভার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পাইলিং শুরুর মধ্য দিয়ে এই কাজের উদ্বোধন করেন পৌর মেয়র এস,এম সিরাজুল হক আলমগীর।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী শিব্বির আহমেদ আজমী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাজীব কুমার গুহ, পৌর কাউন্সিলর সাইফুল সরকার, মামুন জামান সজল সহ পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
এ প্রসঙ্গে এস,এম সিরাজুল হক আলমগীর বলেন, বেড়াডোমা এলাকায় লৌহজং নদীর উপর নির্মিত ব্রিজটি দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কার হয়নি। ফলে ব্রিজটি ভেঙ্গে গিয়ে লৌহজং নদীর পশ্চিম পাড়ের জনগণ সহ পশ্চিম টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকার মানুষের টাঙ্গাইল শহরের সাথে যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়ে চরম ভোগান্তি শিকার হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এই ব্রিজের নির্মান কাজ সম্পন্ন হলে এই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল ও জনগণের ভোগান্তি নিরসন হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হাফেজ খানের ছেলে মো. আশরাফুল ইসলাম (৫৫)। তিনি কারণে-অকারণে সাধারণ মানুষের নামে মামলা করেন। কেউ তার কাছে টাকা পান, সেই টাকা চাইতে গেলে মামলা, তাকে কিছু বলতে গেলে মামলা, তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হলেও মামলাসহ অনেকটা অকারণেই তার মামলার শিকার হয়েছেন উপজেলার অর্ধশতাধিক মানুষ।
এ কারণে আশরাফুল ইসলাম এলাকায় ‘মামলাবাজ আশরাফ’ নামে পরিচিত। সেই মামলাবাজ আশরাফ এবার মামলার জালেই আটক হয়েছেন। বৃহস্পতিবার(২৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পৌরসভার কাঁচা বাজার এলাকা থেকে সখীপুর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার(৩০ এপ্রিল) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অর্থ আত্মসাৎ মামলায় আশরাফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ জানায়, ২০২০ সালের ৪০৬ ও ৪২০ ধারার মামলায় মো. আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক ও মনিরুজ্জামান বলেন, সে সখীপুরের একজন চিহ্নিত মামলাবাজ লোক। তার মেয়ের জামাই, জামাই বাড়ীর লোকজন ও স্থানীয় লোকজনের নামে বিভিন্ন সময় থানায় ও আদালতে মামলা করে আসছে। সে প্রায় ৩০টি মামলার বাদী।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তার মামলার শিকার এক ভুক্তভোগী জানান, মামলাবাজ আশরাফ অন্যের মামলা ক্রয় করে পরিচালনা করে। টাকার বিনিময়েও অন্যের পক্ষে মামলা করে দেয়। ওই ভুক্তভোগী আরও বলেন, আমি আমার ভায়রার পাওনা টাকা ফেরত দিতে বলায় সে একটি মামলায় আমার নাম ঢুকিয়ে দিয়েছিল। ওই মামলায় আমি ২১ দিন জেল খেটেছি। ওই মামলাবাজ বহু মানুষকে হয়রানি করেছে। এবার নিজেই মামলার ফাঁদে পড়েছে।
সখীপুর থানার ওসি একে সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মূলে মো. আশরাফুল ইসলাম নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সে একজন মামলাবাজ লোক, কম করে হলেও সে উপজেলার বিভিন্ন মানুষের বিরুদ্ধে ২০টি মামলার বাদী।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের কাশিল পশ্চিমপাড়া থেকে কনা আক্তার (২৪) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সকালে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন বাসাইল থানার অফিসার-ইন -চার্জ(ওসি) হারুনুর রশিদ।
নিহত গৃহবধূর পরিবার জানায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে কাশিল পশ্চিমপাড়া এলাকার বাবু মিয়ার দুবাই প্রবাসী ছেলে কবির মিয়ার সঙ্গে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের দরুন গ্রামের জয়নাল মিয়ার মেয়ে কনা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাকে যৌতুকের জন্য শাশুড়ি ও দুই ননাশের নানা নির্যাতন সহ্য করতে হয়। এরপর তার শাশুড়ি কহিনূর বেগম ও স্বামী কবির মিয়া পুনরায় প্রবাসে পাড়ি জমান।
ফলে ওই গৃহবধূ তার শিশু সন্তানকে নিয়ে বাকপ্রতিবন্ধী শ্বশুরের সঙ্গে বসবাস করছিলেন। এরমধ্যে এক ননাশের স্বামী অন্যত্র বিবাহ করায় ও আরেক ননাশের স্বামী প্রবাসে থাকায় তারা শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতেই অবস্থান নেয়। সেই থেকে দুই ননাশই গৃহবধূর উপর নানা ধরনের নির্যাতন চালাতে থাকে।
সর্বশেষ সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায়ও ওই গৃহবধূ কনাকে তার দুুই ননাশ মিলে মারধর করে। পরে (মঙ্গলবার) সকালে তার বসত ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত গৃহবধূর মা বলেন, ‘রাতের কোনও এক সময় তারা আমার মেয়েকে হত্যা করে লাশ ঘরের ধন্নার সাথে ঝুঁলিয়ে রেখে আমাদের খবর দেয়। খবর পেয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখি ঘরের বাইরে থেকে তালা লাগানো অবস্থায় রয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য আক্কাছ মিয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ এসে নিহতের লাশটি ঝুঁলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা কিছু বলা যাচ্ছে না।’
বাসাইল থানার অফিসার-ইন -চার্জ ( ওসি )হারুনুর রশিদ বলেন, ‘খবর পেয়ে নিহতের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেয়ে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে। এ ঘটনায় ইউডি মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি প্রাইভেটকারসহ ডাকাত দলের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার( ২২ এপ্রিল) রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার কোদালিয়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার(২৩ এপ্রিল) তাদের ৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো পটুয়াখালী জেলার মির্জাগজ্ঞ থানার নতুন শ্রীনগর গ্রামের ইলিয়াস হাওলাদারের ছেলে জুয়েল হাওলাদার (২৭), একই জেলা সদরের কালিচন্না গ্রামের চান মিয়ার ছেলে নুর আমিন (২৪) শরীয়পুর জেলার জাকিরা উপজেলার পালেরচর গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে মুরাদ (২৫), বড়গুনা জেলার আমতলী উপজেলার বনইবুনিয়া গ্রামের মাজেদ মৃধার ছেলে নজরুল মৃধা (৩২)।
পুলিশ জানায়, মহাসড়কে প্রাইভেটকার অথবা মাইক্রোবাস নিয়ে নিজেরাই যাত্রী ও চালক সেজে যানবাহনের জন্য অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের কম টাকা ভাড়ায় গন্তব্যে পৌছে দেয়ার কথা বলে গাড়ীতে উঠাতেন। পরে সুবিধামতো জায়গায় পৌঁছে তাদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে সর্বস্ব লুটে নিতো। অনেক সময় চলন্ত গাড়ী থেকে লাথি মেরে ফেলে দিয়ে পালিয়ে দিতো। কোন কোন ক্ষেত্রে অনেক যাত্রীকে মেরেও ফেলে।
গ্রেপ্তারকৃতরা মহাসড়কের বাইপাইল-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল এবং গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস থেকে মিরের বাজারসহ আশপাশের এলাকায় অপরাধ সংগঠিত করতো বলে মির্জাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রিজাউল হক জানিয়েছেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ি ইউনিয়নের কদিম খশিল্লা গ্রামে মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত এক স্কুলশিক্ষক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন।মঙ্গলবার(২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান শিক্ষক মিজানুর রহমান বাবুল।
এই হামলার ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
নিহত মিজানুর রহমান নাগবাড়ি গ্রামের আব্দুর রশিদ মাতাব্বরের ছেলে । তিনি বেহালাবাড়ি কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের শিক্ষক ছিলেন।
রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা ঘটেছে রবিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আট জনকে আসামি করে মামলা করেন নিহতের চাচা জিয়াউর রহমান।
মামলায় বিবরণে জানা যায়, মিজানুর রহমানের দাদি উপজেলার নাগবাড়ি ইউনিয়নে কদিম খশিল্লা গ্রামে মসজিদ নির্মাণের জন্য জমি দান করেন। মসজিদ ঘর নির্মাণ হলে স্থানীয় কোরবান আলী ও তার পরিবারের লোকজন আপত্তি জানান।
তারা মসজিদের ভেতরে নিজেদের জমি আছে বলে দাবি করেন। যদিও নির্মাণের আগে জমি পরিমাপের সময় তারা সম্মতি দেন।
গেল রবিবার মিজানুরের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় কোরবান আলীর। এক পর্যায়ে কোরবান ও তার গোষ্ঠীর লোকজন হামলা করেন। সাবল দিয়ে আঘাত করেন মিজানুরের মাথায়। এ সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে হামলার শিকার হন লাবু ও জাহিদ নামের দুইজন।
আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপালে পাঠানো হয়। অবস্থার অবনতি হলে মিজানুরকে নেয়া হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেখানে মৃত্যু হয় তার।
কালিহাতী থানার (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন , ৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করছেন নিহতের চাচা জিয়াউর রহমান। তারা সবাই পলাতক। আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে চাঁদাবাজি মামলায় পিতা শামসুল আলম (৬৫) পুত্র সরোয়ার আলমকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে সখীপুর থানা পুলিশ। পরে সোমবার(১৯ এপ্রিল) সকালে তাদের টাঙ্গাইল আদালতে উপস্থিত করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাদের জেল হাজতে প্রেরণ । তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবজি, জমি লুট,অগ্রণী ব্যাংক নলুয়া বাজার শাখায় ৬লাখ টাকার ঋণ খেলাপি সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
প্রকাশ, রবিবার (১৮ এপ্রিল) শামসুল আলমের ভাই স্কুল শিক্ষক শামীম আল মামুনের দায়ের করা চাঁদাবাজি মামলায় তাদেরকে উপজেলার বহুবিয়া চতলবাইদ গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক বলেন, চাঁদাবাজি মামলায় বাপ- বেটাকে গ্রেফতার করে সোমবার সকালে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়। পরে বিজ্ঞ আদালত তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করেন।