একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কেরোসিন ঢেলে শরীরে আগুন ধরিয়ে এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।সোমবার (১৫ মার্চ) উপজেলার আনাইতারা ইউনিয়নের চামারী ফতেপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত চামারী ফতেপুর গ্রামের রেজন মিয়ার মেয়ে রোজিনা আক্তার (২৩)। সে লাউহাটি এম.আরফান আলী ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী বলে জানা গেছে।
নিহতের পরিবার সূত্র জানায়, নিহত রোজিনা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত (প্রতিবন্ধী) ছিলো। একমাস ভালো থাকলে অন্য মাস খারাপ থাকতো। কোনো চিকিৎসা করেও সুফল পায়নি তার পরিবার। সোমবার সকালে হঠাৎ তাদের ঘরের ভেতরের (গোসলখানা) থেকে ধোয়া বের হতে থাকলে সেটি দেখে ভিড় জমায় স্থানীয়রা।
পরে গোসলখানার দরজা ভেঙ্গে দেখতে পায় কেরোসিন ঢেলে শরীরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে রোজিনা। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পরে নামাজের জানাযা শেষে বাদ আসর তাকে তার গ্রামের সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এ বিষয়ে মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রিজাউল হক জানান, আত্মহত্যার খবর শুনেছি। তবে এ ব্যাপারে কেউ কোন অভিযোগ করেননি।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মালবাহী একটি লরি থেকে ৭৪ কেজি গাঁজাসহ দুইজনকে আটক করেছে র্যাব-৩ এর সদস্যরা। ৭৪ কেজি গাঁজার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৯ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
শনিবার (৬ মার্চ) ভোর ৬টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গোড়াই ইউনিয়নের জোরপুকুর এলাকা থেকে ৭৪ কেজি গাঁজা, একটি মালবাহী লরি এবং ড্রাইভার ও হেলপারকে আটক করে র্যাব-৩।
আটককৃতরা হলেন, কুমিলা থানার উলুরচর গ্রামের মৃত বশরত এর ছেলে মো. জামাল (৩৬) এবং একই থানার তারাপুর গ্রামের এসহাক মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন (৩৫) বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, গ্যাসের চুলার সরঞ্জাম নিয়ে ঢাকা থেকে রাজশাহী গামী একটি লরি (চট্ট মেট্রো ঢ-৮১২২৭৫) গ্যাসের চুলার সরঞ্জামের সাথে বিপুল পরিমাণ গাঁজা নেয়া হচ্ছে। এমন গোপন তথ্য পেয়ে মহাসড়কের জোরপুকুর এলাকায় অবস্থান নেয় র্যাব-৩ এর সদস্যরা। পরবর্তীতে ওই লরি থেকে ৭৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করতে সক্ষম হয় তারা। সেই সাথে লরি, ড্রাইভার ও হেলপারকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ( ওসি) মোহাম্মদ রিজাউল হক বলেন, এ ঘটনায় আটককতৃদের বিরুদ্ধে থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ প্রথমবারের মতো জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়েছে ঐতিহাসিক ৭মার্চ। দিবসটি উপলক্ষে রবিবার(৭ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমিতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক।মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ারহোসেন।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার কাজী নুসরাত এদীব লুনা।
সম্মানিত আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল জেলা সাবেক কমান্ডার মো. ফজলুল হক (বীর প্রতিক), খন্দকার জহুরুল হক ডিপটি, টাঙ্গাইর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ জাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ।
আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যদায় পুলিশ মেমোরিয়াল ডে পালন করা হয়েছে। সোমবার (১ মার্চ) সকালে জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে দায়িত্ব পালন কালে আত্ম-উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের সম্মানে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পন ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
পরে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেড মিলনায়তনে আয়োজিত স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক।
আয়োজিত স্মরণ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল-সদর(৫) আসনের সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমাড্যান্ট ডিআইজি মো. ময়নুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি আ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম।
এ সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দায়িত্ব পালনকালে আত্ম-উৎর্সকারী টাঙ্গাইলের ৭৯ পুলিশ সদস্যের পরিবারকে সম্মাননা, ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয় ।এদের মধ্যে গত বছর দায়িত্ব পালনকালে আত্ম-উৎর্সকারী আট পুলিশ সদস্যের পরিবারকে আইজিপি’র পক্ষ থেকে নগদ ৫০ হাজার করে টাকা, ক্রেস্ট, সম্মাননা স্মারকসহ উপহার সামগ্রী দেওয়া হয়।