/ হোম / আমাদের
টাঙ্গাইলের ২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাস করেনি কেউ! - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাস করেনি কেউ!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী ও নাগরপুর উপজেলার ২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৩০ জন এবছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও কেউ পাস করতে পারেনি।

প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- কালিহাতী উপজেলার সোমজানি উচ্চ বিদ্যালয় ও নাগরপুর উপজেলার ইসলামাবাদ দারুচ্ছুন্নাহ আলিম মাদ্রাসা।

জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানাগেছে, সোমজানি উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী ছিল ৩ জন ও নাগরপুরের ইসলামাবাদ দারুচ্ছুন্নাহ আলিম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল ২৭ জন। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এসব শিক্ষার্থীর কেউ পাস করতে পারেনি।

স্থানীয়রা জানায়, ২০০৪ সালে সোমজানি গ্রামের ডা. ক্যাপ্টেন আব্দুল বাসেত তার নিজ নামে ‘ডা. ক্যাপ্টেন আব্দুল বাসেত ইবনে আইনউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করেন। শুরুতে এটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছিল। পরে উচ্চ বিদ্যালয় করা হয়। প্রতিষ্ঠার পর ৭ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘ দিনেও এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে আসা বন্ধ করে দেন।

স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতা বিরোধী ভূমিকা পালন করেছেন- এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালে তার নাম স্কুল থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। নামকরণ করা হয় ‘সোমজানি উচ্চ বিদ্যালয়’। স্থানীয়দের ভাষায়, স্কুলে নিয়মিত ক্লাস হয় না। দুই চারজন শিক্ষার্থী এলেও শিক্ষকরা আসেন না।

স্কুলের শিক্ষক মো. মুছা মিয়া জানান, এমপিওভুক্ত না হওয়ায় কোনো শিক্ষক স্কুলে যান না। কাগজে কলমে তারা ওই স্কুলের শিক্ষক। কিন্তু বাস্তবে করোনাকালীন সময়ের পর থেকে কেউ স্কুলে যান না। মাঝে মধ্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক গিয়ে খোঁজ-খবর নেন।

তিনি আরও জানান, নিজে রতনগঞ্জ বাজারে ওষুধের দোকান করেন। অন্য শিক্ষকরা কেউ কোচিং সেন্টার অথবা অন্য কোনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েছেন।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রজ্জাক জানান, বিনা বেতনে শিক্ষকরা থাকতে চান না। এবার যে তিনজন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল তারা কর্মজীবী। তাই ভালো ফলাফল করতে পারেনি।

জেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, এবার জেলায় এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪০টি। মাদ্রাসায় পাশের হার ৭৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২২টি।

এছাড়া টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার নরিল্যা আ. খা. মহিলা দাখিল মাদ্রাসা এবং গাড়াখালি বালিকা দাখিল মাদ্রাসার একজন শিক্ষার্থীও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি।

নাগরপুর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাদির আহমদ জানান, ইসলামাবাদ দারুচ্ছুন্নাহ আলিম মাদ্রাসার ২৭ শিক্ষার্থীর একজনও কেন পাস করলো না এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। যেহেতু তিনি নতুন যোগদান করেছেন- তাই প্রতিষ্ঠানের বিগত ফলাফলের বিষয়ে অবগত নন। প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যাখ্যা পাওয়ার পরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. মে ২০২৪ ০৩:৪৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বামী-স্ত্রীর মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামী-স্ত্রীর মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মধ্যরাতে বাসার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে আটকে রেখে নগদ ৬০ হাজার টাকা ও আলমিরাতে থাকা ১৯ ভরি স্বর্ণ অলংকার ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাতদের বাঁধা দিলে গেলে তাদের দু’জনকে মারপিট করে আহত করা হয়।

সোমবার (১৩ মে) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কয়েড়া পশ্চিমপাড়ার আলীম আল রাজিম আকন্দের বাড়িতে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুরে কয়েড়া ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. রুবেল সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভুক্তভোগি আলীম আল রাজিম জানান, বাসার পেছনে লোহার গ্রিল কেটে মধ্যরাতে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে ডাকাত দল। তখন আনুমানিক রাত দেড়টা হবে। পরে হঠাৎ কোনো কিছুর শব্দে ঘুম ভাঙলে চিৎকার করার চেষ্টা করলে আমার ও সন্তানদের মাথায় দেশীয় অস্ত্র ঠেকিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় তারা।

এর একপর্যায়ে আমার স্ত্রীর ঘুম ভেঙে যায় এবং সে আমাকে বাঁচাতে চেষ্টা করলে তাকেও মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আলমারি ও লকারের চাবি চায় ডাকাত দল। পরে চাবি দিতে না চাইলে ডাকাতরা আমাদের সাড়ে ৩ ঘণ্টা আটকে রেখে ও মারধর করে নগদ ৬০ হাজার টাকা ও ১৯ ভরি স্বর্ণ লুটপাট করে নিয়ে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, তারা রাত ৪ টার দিকে পালিয়ে গেলে তাৎক্ষণিক আমি বাসা থেকে বেরিয়ে ডাক-চিৎকার করলে লোকজন আমাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে সেখানে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে আসি। এরআগে সকালে বিষয়টি ভূঞাপুর থানা পুলিশকে জানানো হয়।

এ ঘটনায় ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ্ জানান, মঙ্গলবার (১৪ মে) ভোরে ঘটনাটির ব্যাপারে ভুক্তভোগী জানালে দ্রুত টহলরত পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পরে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় ওই ভুক্তভোগী কোনো অভিযোগ না করলেও আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. মে ২০২৪ ০২:২২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে কলেজছাত্র নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে কলেজছাত্র নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. শিপন ইসলাম (২১) নামে এক কলেজছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪ জন।

মঙ্গলবার (১৪ মে) সকালে বঙ্গবন্ধু সেতু ভূঞাপুর-এলেঙ্গা আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার ছাব্বিশা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কলেজছাত্র শিপন ইসলাম উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের চরবিহারী গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে। সে ভূঞাপুর ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজের ডিগ্রি প্রথম বর্ষের পরীক্ষার্থী ছিল।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন- ঈমান আলীর ছেলে মনিরুজ্জমান (৪৮), হামিদের ছেলে হাবিবুর (২২), আইয়ুব আলীর ছেলে দুলাল হোসেন (২০)। আরেকজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এরমধ্যে হাবিবুরসহ অন্যজন ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। অপর আহতদের মধ্যে মনিরুজ্জামান ও দুলাল হোসেন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয়রা জানান, গোবিন্দাসী থেকে একটি মোটরসাইকেল ভূঞাপুরের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে ছাব্বিশা এলাকায় পৌঁছলে ভূঞাপুর থেকে আসা অপর একটি মোটরসাকেলের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শিপনসহ দুই মোটরসাইকেল আরোহী ৫ জন আহত হয়।

এরপর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিপন নামে একজন পরীক্ষার্থী মারা যায়।

প্রতিবেশি হ্যাপি আকন্দ জানান, শিপন ভূঞাপুর ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজের ডিগ্রি প্রথম বর্ষের পরীক্ষা দিচ্ছিল। মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলযোগে পরীক্ষা দিতে ঘাটাইল জিবিজি সরকারি কলেজ কেন্দ্রে যাচ্ছিলেন। পথেই ছাব্বিশা এলাকায় পৌঁছলে দুই মোটরসাইলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হয়ে শিপন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. জুলফিকার হায়দার বলেন, আহত অবস্থায় ৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয় লোকজন। পরে আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এছাড়া আহত অপর দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ্ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি জানা নেই এবং কেউ জানায়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. মে ২০২৪ ০১:৪০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাকের ধাক্কায় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কনস্টেবল নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাকের ধাক্কায় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কনস্টেবল নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সড়ক দিয়ে হেঁটে বাড়ি যাওয়ার সময় গরুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশের কনস্টেবল নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (১৩ মে) সকালে ভূঞাপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার অর্জূনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত পুলিশ সদস্য আলাউদ্দিন খান উপজেলার অর্জুনা গ্রামের মৃত মাজম আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, নিহত আলাউদ্দিন স্থানীয় অর্জুনা উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে সড়কের পাশ দিয়ে হেঁটে বাড়ির দিকে যাওয়ার সময় গরুবাহী ট্রাক তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে সে ঘটনাস্থলে গুরুত্বর আহত হয়ে সড়কের উপর পরে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরে টাঙ্গাইল যাওয়ার পথেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. খাদেমুল ইসলাম জানান, সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তার শারিরীক অবস্থা খারাপ হওয়ায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান উল্ল্যাহ জানান, সড়ক দূর্ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার বিষয়ে কোন তথ্য জানা নেই।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মে ২০২৪ ০২:০৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৩ চেয়ারম্যান ও ২ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৩ চেয়ারম্যান ও ২ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

একতার কণ্ঠঃ ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলে ঋণ খেলাপির দায়ে ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, একজন মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান এবং হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় একজন ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

রবিবার (১২ মে) চতুর্থ ধাপের নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইকালে তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন মির্জাপুর, বাসাইল এবং সখীপুর উপজেলা নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী।

যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা হলেন- বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সোহরাব হোসেন, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন লাভলু, মির্জাপুর উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী রেজাউল করিম, বাসাইল উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাম্মী আক্তার মুক্তি এবং ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম খান।

রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী বলেন, প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. মে ২০২৪ ০৩:৪৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হাটকয়েড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসাইনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও অর্থ আত্মাসাতের অভিযোগ উঠেছে।

আর প্রধান শিক্ষকের এসব কর্মকান্ডের ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে। ফলে অভিভাকরা ক্রমাগত তাদের সন্তানদের পার্শ্ববর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করায় বিদ্যালয়টি প্রায় শিক্ষার্থী শূন্য হয়ে পরার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় গ্রামবাসী ও অভিভাবকদের মতে প্রধান শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতায় বিদ্যালয়টি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাড়িয়েছে। ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের অভিযোগ প্রধান শিক্ষক আসবাবপত্র ক্রয় ও মেরামতের নামে প্রতিষ্ঠানের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও অভিভাবকরা জানান, গত ২০১১ সালের ২৭ মার্চ ঘাটাইল উপজেলার হাটকয়েড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মো. সোহরাব হোসাইন। পার্শ্ববর্তী গ্রামে তার বসবাস হওয়ার কারণে স্থানীয় প্রভাবে যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্র ক্রয়ে রয়েছে ব্যাপক অনিয়ম। এছাড়া প্রতি বছর স্লীপ ফান্ডের অর্থ কোথায় কিভাবে ব্যয় করেন এ ব্যাপারে কমিটির অন্যরা কিছুই জানেন না।

ওই গ্রামের বাসিন্দা ও ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী জানান, প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসাইন যোগদানের সময় ওই বিদ্যালয়ে বিভিন্ন ক্লাসে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় আড়াইশ। বর্তমানে ওই বিদ্যালয়ে প্রকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা শতকের নীচে।

সরেজমিনে ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মাহমুদুল হাসান মুকুল, কামরুল হাসান, অভিভাবক আবুল কালাম, গিয়াস উদ্দিন, নিতাই সুত্রধর সহ অনেকেই জানান, বিদ্যালয়ে পড়াশুনার কোন পরিবেশ নেই। প্রধান শিক্ষক নিজে চারজন সহকারী শিক্ষিকা নিয়ে অফিস রুমে প্রায়ই টাঙ্গাইলের কৌতুক অভিনেতা আহসানের ভাদাইমা নাটক দেখে সময় কাটান। এছাড়াও তিনি দাম্ভিকতার সাথে বলেন সরকারি চাকুরি করেন। এ স্কুলে শিক্ষার্থী না থাকলেও তার চাকুরি যাবেনা।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শামীম আল মামুন জানান, তিনি সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রধান শিক্ষক কোন মাসিক প্রতিবেদনে স্বাক্ষর নেয়নি। এছাড়া বিদ্যালয়ের ভাউচারের বিপরীতে তার স্বাক্ষর জাল করে প্রধান শিক্ষক টাকা উত্তোলন করেছেন। বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও শিক্ষার মানোন্নয়ন হয়নি। বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ লাইন থাকলেও দীর্ঘদিন যাবত তা বিচ্ছিন্ন। বিদ্যালয়ের একমাত্র নলকূপটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

ঘাটাইল উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাজমুল হোসাইন জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে। তবে তিনি অন্যত্র বদলীর জন্য অফ লাইনে চেষ্টা করছেন।

টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুব্রত কুমার বণিক জানান, তিনি এ বিষয়ে অবগত নন। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. মে ২০২৪ ০২:২০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পূর্ব শত্রুতার জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পূর্ব শত্রুতার জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে জয়নাল মিয়া নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

দায়ের করা মিথ্যা মামলায় শিকার হয়েছেন উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের পাঁচগাও গ্রামের মৃত ইব্রাহিম খাঁর ছেলে মো. শুকুর আলী ও লালু শিকদারের ছেলে আব্দুল আজিজ।

জানা গেছে, গত ৩০ এপ্রিল রাত ৮ টার দিকে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির সামনে সামাদ দেওয়ানের মুদির দোকানে রাতের বেলায় রাস্তায় টর্চ জালানোকে কেন্দ্র করে মামলার বাদী জয়নাল মিয়ার ছেলে চাঁন মিয়ার সাথে স্থানীয় মো. রাব্বেস মিয়ার সাথে বাকবিতন্ডা হয়।

বাকবিতন্ডতার এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রুপ নেয়। সেখানে উপস্থিত বাদী জয়নাল মিয়ার হাতে থাকা টর্চ লাইট নিয়ে তাঁর ছেলে চাঁন মিয়ার মাথায় আঘাত করে অভিযুক্ত রাব্বেস। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে পরিবেশ শান্ত হয়। ঘটনায় সামান্য আহত চাঁন মিয়াকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে জামুর্কী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চাঁন মিয়া বাড়ী চলে যায়।

পরে শুক্রবার (১০ মে) মির্জাপুর থানায় মো. রাব্বেস মিয়া, মো. শুকুর আলী ও মো. আব্দুল আজিজকে হত্যা চেষ্টা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত করে জয়নাল মিয়া বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে মুদি দোকানদার সামাদ দেওয়ান বলেন, ঘটনার দিন রাতের বেলা অভিযুক্ত রাব্বেস তার মুদি দোকানের সামনে রাখা চেয়ারে বসেছিলো। হঠাৎ চাঁন মিয়া ও তার চাচাতো ভাই কালাম রাব্বেসকে বলে তুই আমার বাবার সাথে বেয়াদবি করেছিস কেন। তারপর হঠাৎ করেই রাব্বেসকে চাঁন মিয়া ও কালাম অতর্কিত কিল, ঘুষি মারতে শুরু করে। মারতে মারতে তাকে পাশের টিউবওয়েল পারে নিয়ে ফেলে দেয়। এসময় রাব্বেস আত্মরক্ষার্থে তার পাশে উপস্থিত চাঁন মিয়ার পিতা জয়নালের হাতে থাকা টর্চ নিয়ে চাঁন মিয়াকে আঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। মারামারির সময় শুকুর আলী ও আব্দুল আজিজ কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলোনা।

মামলার বাদী জয়নাল মিয়া বলেন, ঘটনার সময় বিদ্যুৎ না থাকায় মামলায় অভিযুক্ত শুকুর আলী ও আব্দুল আজিজ উপস্থিত ছিলো কিনা আমি দেখি নাই। তবে আমার মনে হয়েছে পাশেই অন্ধকারে তারা দাঁড়িয়ে ছিল এবং মারামারিতে তাদের ইন্ধন ছিল। এজন্যই মামলার এজাহারে তাদের নাম দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় ২নং ওয়ার্ড মেম্বার লতিফ রানা বলেন, মারামারির ঘটনা ঘটেছে এটা ঠিক। কিন্তু ঘটনাস্থলে শুকুর আলী ও আব্দুল আজিজ কেউ উপস্থিত ছিলোনা। তাদেরকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো সঠিক হয়নি।

বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেলাল দেওয়ান বলেন, ঘটনার দিন আমি মোটরসাইকেল নিয়ে সামাদ দেওয়ানের দোকানের সামনের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম, এসময় দোকানের সামনে লোকজনের জটলা দেখতে পাই। পরে আমি বাসার দিকে রওনা হই। কিছুদূর যাওয়ার পর লোকজনের ধর ধর চিৎকারে আমি মোটরসাইকেল থামালে রাব্বেসকে দৌড়িয়ে পালিয়ে যেতে দেখি। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারি রাব্বেসের সাথে চাঁন মিয়া ও কালামের মারামারি হয়েছে। পরে স্থানীয়রা চাঁন মিয়াকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে জামুর্কী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানতে পারি মামলার অভিযুক্ত শুকুর আলী ও আব্দুল আজিজ মারামারিতে জড়িত ছিলোনা। পূর্ব শত্রুতার জেরেই তাদেরকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. মে ২০২৪ ০২:৪৭:এএম ২ বছর আগে
সর্বজনীন পেনশন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রত্যাহারের দাবি - Ekotar Kantho

সর্বজনীন পেনশন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রত্যাহারের দাবি

একতার কণ্ঠঃ সর্বজনীন পেনশন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রত্যাহারের দাবিতে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

শনিবার (১১ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

মানববন্ধনে শিক্ষকরা বলেন, সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের নাম এসেছে। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার দরিদ্র ছেলে-মেয়েরা পড়ালেখা করেন। সর্বজনীন পেনশনে শিক্ষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে মেধাবীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিতে আর আগ্রহী হবে না। এতে দেশ মেধাশূন্য হবে।

তারা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বুঝিয়ে সুকৌশলে জাতিকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার পাঁয়তারা করা হচ্ছে।

দ্রুত সর্বজনীন পেনশন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সরিয়ে স্বতন্ত্র রাখার দাবি জানান শিক্ষকরা। দাবি না মানলে আগামীতে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষক নেতারা।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহীন উদ্দিন, অধ্যাপক ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক, সহযোগী অধ্যাপক ড. শিমুল রায়, সহকারী অধ্যাপক শাকিল মাহমুদ শাওনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. মে ২০২৪ ০৩:২৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রকৃতিতে শোভা ছড়াচ্ছে সোনালু ফুল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রকৃতিতে শোভা ছড়াচ্ছে সোনালু ফুল

একতার কণ্ঠঃ সবুজ পাতা ছাপিয়ে সোনালি রঙের ফুলে সেজেছে সোনালু গাছ। প্রতিটি গাছের গা থেকে যেনো হলুদ ঝরনা নেমে এসেছে। বাতাসে কিশোরীর কানের দুলের মতো দুলতে থাকে এ ফুল, আকৃষ্ট করে
পথচারীদের।

টাঙ্গাইল পৌর শহরের ধুলের চর মাদ্রাসার সামনের ডিসি লেকের পশ্চিম দিকের পাকা সিঁড়ির পাশে একটি, লেকের পাড়ের রাস্তার ধারে আরও দুটি ও উদ্যান তত্ত্ব অফিসের আঙিনায় আরও তিনটি সোনালু গাছ ফুলে শোভিত হয়ে আছে।

এই সড়কে চলাচলকারী পথচারী, মোটরসাইকেল আরোহী, প্রাইভেট কার আরোহীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্যের ভান্ডার এই সোনালু ফুল গাছগুলো।

জানা গেছে, সোনালু গাছ পাতা ঝরা মাঝারি আকৃতির বৃক্ষ। এটি আট থেকে ৯ মিটার উঁচু হয়। হলুদ বরণ এ ফুল দেখতে যেমন আকর্ষণীয় তেমনি আছে তার বাহারি নামও।

পরিচিত নামগুলো হলো- সোনালু, সোনাইল, সোঁদাল, বান্দরলাঠি ইত্যাদি। বৈজ্ঞানিক নাম,ক্যাসিয়া ফিস্টুলা, ইংরেজি নাম গোল্ডেন শাওয়ার ট্রি।

হাজার বছর আগেও এ গাছ আমাদের উপমহাদেশে ছিল। এ গাছের বৈশিষ্ট্য হলো ঝাড় লণ্ঠনের মতো দীর্ঘ মঞ্জরি এবং উজ্জ্বল হলুদ ফুল। এ গাছের আদি নিবাস হলো ভারত, মিয়ানমার ও বাংলাদেশ। এর ফুল, ফল ও পাতা বানরের খুব প্রিয়। সোনালু কাঠের রং ইটের মতো লাল। ঢেঁকি ও সাঁকো বানানোর কাজেও এ গাছের কাঠ ব্যবহার করা হয়।

এই ফুলের সৌন্দর্য প্রসঙ্গে পথচারী মাহবুব চৌধুরী মনি বলেন, এই সময়ে আমি যতবার মোটরসাইকেল নিয়ে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করি, কিছুটা সময় হলেও মোটরসাইকেল থামিয়ে এই ফুলের শোভা উপভোগ করি। এই লেকের পাড়ে আরও আছে কৃষ্ণচূড়া, পলাশসহ বেশ কিছু গাছ, যেগুলো সব সময়ই আমাকে কাছে টানে। ইট-কাঠ-কড়ি-বরগার এই শহরে আরও কিছু এই ধরনের গাছ লাগানো জরুরি হয়ে পড়েছে।

টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ও কনস্ট্রাকশন ডিপার্টমেন্টের ষষ্ঠ সেমিস্টারের ছাত্র শৈবাল চৌধুরী বলেন, আমি জন্মসূত্রে কক্সবাজার জেলার হলেও পড়ালেখার কারণে টাঙ্গাইল পৌরসভার ধুলেরচর এলাকায় থাকি। যখনই আমি সময় পাই ডিসি লেকের এই ঘাটলায় বসে সোনালু ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করি। পড়ালেখা করতে করতে যখন একঘেয়েমি পেয়ে বসে তখনই আমি এই গাছগুলোর সামনে এসে দাঁড়াই। নিমিষেই আমার সেই একঘেয়েমি ও ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।

হাকিম মো. ইকবাল হোসেন বিইউএমএস( ঢাবি) জানান, সোনালু গাছের বাকল এবং পাতায় ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে। ব্লাডপ্রেসারে নাক দিয়ে রক্ত পরলে সোনালুর ফলমজ্জা আধা কাপ পানিতে মিশিয়ে তা ছেঁকে চিনি বা মধু দিয়ে পান করলে এই সমস্যার সমাধান হয়। অন্ত্রের সমস্যায় চার-পাঁচ গ্রাম ফলমজ্জা চার কাপ পানিতে সেদ্ধ করে ছেঁকে সকালে ও বিকালে পান করলে সুবিধা পাওয়া যায়। কোষ্ঠ্যকাঠিন্যও দূর হয়। এটি খুবই ঔষধি গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। ইউনানী চিকিৎসায় এখনো এই গাছের ব্যবহার রয়েছে।

টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. সাজাদুজ্জামান জানান, সোনালু গাছ একটি বনজ শোভা বর্ধনকারী গাছ। এই গাছটি ভারত উপমহাদেশের একটি গাছ। এই শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষ, পাখিদের আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। গাছের উজ্জ্বল হলুদ ফুল মৌমাছি ও প্রজাপতিদের আকর্ষণ করে পরাগায়নের সহযোগিতা করে থাকে। এই গাছ মূলতঃ সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য লাগানো হয়ে থাকে ‌। সোনালু গাছের সাথে কৃষ্ণচূড়া, পলাশ প্রভৃতি গাছ লাগালে আরও বেশি সৌন্দর্য বর্ধন করে থাকে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. মে ২০২৪ ০২:২৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে আগামী ২১ মে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের দুইদিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (১০ মে) দিনব্যাপি ভূঞাপুর ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজ হলরুমে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই)। প্রশিক্ষণ কর্মশালা ১১ মে সমাপ্তি হবে।

এ সময় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মামুনুর রশীদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা রিটার্নিং অফিসার জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- টাঙ্গাইল জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোহম্মদ মতিয়ুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ার মাহমুদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিমা বিনতে আখতার, ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ্ প্রমুখ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়- নির্বাচনের দিন ৭০ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৫১১ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ২৩ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। উপজেলায় ৬৭ টি কেন্দ্রে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে আগামী ২১ মে নির্বাচন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এদিন পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী নিয়োজিত থাকবে বলে জানা গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. মে ২০২৪ ০৩:৩৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে উপজেলা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপি নেতা আজগর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে উপজেলা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপি নেতা আজগর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী।

শুক্রবার (১০ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, বিএনপি নেতা আতাউর রহমান জিন্নাহ, সাদেকুল আলম খোকা, জিয়াউল হক শাহীন, কাজী শফিকুর রহমান লিটন, শহর বিএনপি’র সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, সাধারণ সম্পাদক ইজাজুল হক সবুজ প্রমুখ।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সদর উপজেলায় আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। ইতিপূর্বে দুইবার জনগণ আমাকে অনেক ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু এই সরকার আমার প্রাপ্ত ভোট ছিনিয়ে নিয়েছে। যে কারণে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ও জেলা বিএনপি’র নেতাকর্মীদের সুপারিশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলাম। শুক্রবারের মধ্যে আমি মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করবো।

জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল বলেন, প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ইসির তথ্যমতে প্রায় ৩৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই ইসি ও সরকারের অধীনে কোন নির্বাচনে দেশের সাধারণ মানুষের আস্থা নেই।

জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন বলেন, এ সরকারের অধীনে জাতীয় ও স্থানীয় কোনো নির্বাচনই অবাধ সুষ্ঠু হয়নি। তাই আমরা এ নির্বাচনে যাচ্ছি না। যে কারণে সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য দলের পক্ষ থেকে অনুরোধ করছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. মে ২০২৪ ০২:২৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। শুক্রবার (১০ মে) সকালে উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের কাঠুরী গ্রামের এক ধান ক্ষেতের আইল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড নাকি নিছক দুর্ঘটনা এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত গৃহবধূর নাম অঞ্জনা বেগম (৪২)। সে উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের বারাপুষা গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের স্ত্রী।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম জসীমউদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী বাহাদুর মিয়া জানান, শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে তার ধান ক্ষেতে পানি দেওয়ার জন্য শ্যালো মেশিন ঘরে যাওয়ার পথে ক্ষেতের আইলে একজন মহিলার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। পরে স্থানীয়দের খবর দিলে, তারা এসে পুলিশকে খবর দেয়।

নিহতের ছোট ছেলের স্ত্রী প্রিয়া আক্তার বলেন, বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকাল ১০টার দিকে বাবার বাড়ি যাওয়ার জন্য বেকড়া গ্রামের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন তার শাশুড়ি। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে খবর পান কাঠুরী গ্রামের নিজামুদ্দিনের বাড়ির পশ্চিম পাশের একটি ধান ক্ষেতের আইলে এক মহিলার মরদেহ পড়ে আছে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান আর শাশুড়ি মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন।

নিহতের স্বামী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে তিনি কাজে চলে যান। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে তার ছেলের বউয়ের কাছে তার শাশুড়ি কোথায় জানতে চাইলে বলে, অঞ্জনা (তার স্ত্রী) বাবার বাড়ি গেছেন। শুক্রবার সকালে খবর পাই আমরা স্ত্রীর মরদেহ ধান ক্ষেতের আইলে পড়ে আছে।

নিহত অঞ্জনা বেগমের পিতা মো. গনি মিয়া বলেন, আমার মেয়ে অঞ্জনা বৃহস্পতিবার তার বাড়ি বেকড়া গ্রামে যায়নি। শুক্রবার সকালে তার মৃত্যুর খবর পেয়ে ছুটে এসেছি।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম জসীমউদ্দীন জানান, স্থানীয়ভাবে খবর পেয়ে নিহত গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. মে ২০২৪ ০২:৫০:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।