একতার কণ্ঠঃ শিল্প প্রতিষ্ঠান হক ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদম তমিজি হকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন টাঙ্গাইলের আদালত।
বৃহষ্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে চেক ডিসঅনারের দুটি মামলায় টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও টাঙ্গাইল সদর থানা আমলী আদালতের বিচারক মো. মাহমুদুল মোহসীন আদম তমিজি হকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ দেন।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, আদম তমিজি হকের স্ত্রী হক ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুসরাত আক্তার হক, তার আরেক স্ত্রী হক ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক লিজা আক্তার হক, হক ফুডের জিএম (ফিন্যান্স এন্ড একাউন্টস) মো. রেজাউল করিম ও সিনিয়র জিএম (বিডি এন্ড লজিস্টিকস) মুশফাকুর রহমান।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম এ মালেক আদনান জানান, ঢাকার মাহবুব গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান কে.বি.সি এগ্রো প্রোডাক্টস (প্রা:) লিমিটেডের সাথে হক ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবসা ছিল। ব্যবসায়িক লেনদেনে হক ফুড ১৯ লাখ ৪৫ হাজার ৩’শত টাকা বকেয়া করেন। আসামিরা এই বকেয়া টাকা পরিশোধের জন্য কে.বি.সি কোম্পানীকে দু’টি চেক প্রদান করেন। কিন্তু চেক দু’টি ‘এডভাইস নট রিসিভ্ড’ মন্তব্যে ব্যাংক কর্তৃক ডিসঅনার হয়। পরে কে.বি.সি কোম্পানীর পক্ষে ইমরান হোসেন (ম্যানেজার রিকোভারী) বাদি হয়ে ২০২৩ সালের ৭ ডিসেম্বর হক ফুডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদম তমিজি হকসহ পাঁচজনকে আসামি করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টাঙ্গাইল সদর থানা আমলী আদালতে মামলা করেন।
তিনি আরও জানান, বিচারক মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে সমনের আদেশ দেন। বৃহষ্পতিবার (২৩ মে) ছিল মামলার ধার্য তারিখ। কিন্তু আসামিরা আদালতে হাজির না হওয়ায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন এবং আগামী ২১ আগস্ট মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।
একতার কণ্ঠঃ যারা সরকারি ভাতার কার্ড দিতে টাকা নেয়, তাদের হুঁশিয়ার করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সমাজ কল্যাণমন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে যদি ভাতা কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা এই ধরনের অনৈতিক কাজে লিপ্ত তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতাল পরিদর্শন ও কুমুদিনী উইমেন মেডিকেল কলেজের বিদায় অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, ইদানীং দেখা যাচ্ছে ভাতার সিম অনেকে হাতিয়ে নেয় ও একটি চক্র গড়ে উঠেছে যারা রকেট, নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে পিন কোড নিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এই চক্রের বিরুদ্ধেও মন্ত্রনালয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। কেউ যাতে প্রতারকের ফাঁদে না পড়ে সেজন্য বিভিন্ন ভাবে সচেতনতাবৃদ্ধি কবার জন্য প্রচার চালিয়ে যাচ্ছি।
মন্ত্রী ঝিনাইদহের এমপি আনোয়ারুল ইসলাম আজিম আনার বিষয়ে শোক প্রকাশ করে বলেন, আমাদের একজন জনপ্রিয় সংসদ সদস্যকে হারালাম। ভারতীয় পুলিশ ও বাংলাদেশ পুলিশ আসামিদেরকে আটক করেছে। আশা করছি, খুব দ্রুত মূল ঘটনা জানা যাবে।
পরে দুপুরে কুমুদিনী কমপ্লেক্সে প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ এবং ভারতের কেরালার প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব প্যালিয়েটিভ মেডিসিনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজিব প্রসাদ সাহা, পরিচালক প্রতীভা মুৎশুদ্দি, শ্রীমতি সাহা, শম্পা সাহা, কুমুদিনী হাসাপতালের পরিচালক ড. প্রদীপ কুমার সাহা।
অনুষ্ঠান শেষে সমাজ কল্যাণমন্ত্রী দীপু মনি ‘কমপ্যাশিয়নেট কুমুদিনী’ নামে একটি কমিউনিটি ভিত্তিক উদ্যোগ চালুর উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে অক্ষম ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যদের প্যালিয়েটিভের বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) এলাকায় ছাত্রীদের একটি মেসে ভিডিও ধারণের অভিযোগের যথাযথ বিচার না পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানায় বিশ্ববিদ্যালয়টির সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বেলা ১১টায় শিক্ষার্থীরা মুক্তমঞ্চে অবস্থান নেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মুক্তমঞ্চে অবস্থা করছিলেন শিক্ষার্থীরা।
ছাত্রীদের অভিযোগ, সন্তোষ ঘোষপাড়া এলাকার সরকার বাড়ির মেস মালিকের ছেলে কৌশলে ভেন্টিলেটর দিয়ে বাথরুমের ভেতর মোবাইল ক্যামেরা স্থাপন করেন। এক পর্যায়ে তা দেখে ফেলেন চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রী। ক্যামেরা দেখে তিনি চিৎকার করেন। বাইরে এসে মেসের অন্য মেয়েদের নিয়ে ক্যামেরা আসলো কী ভাবে তা দেখতে তারা ছাদে যান। সেখানেই দেখতে পান মেস মালিকের ছেলে তুহিন সরকারকে। ছাত্রীরা দিশেহারা ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দ্রুত নিজ বিভাগের চেয়ারম্যানকে ঘটনাটি জানান। চেয়ারম্যান বিষয়টি প্রক্টরিয়াল বডিকে জানাতে বলেন। পরে গত ৮ মে প্রক্টরিয়াল বডিকে লিখিত অভিযোগ দেন ওই ভুক্তভোগী ছাত্রী।

প্রক্টর অফিসে দেওয়া অভিযোগ পত্রে তিনি জানান, আমি সন্তোষ ঘোষপাড়ার হানিফ সরকারের ছাত্রী মেসের পঞ্চম তলায় ছিলাম, গত ৭ মে জরুরি প্রয়োজনে মেসে আসার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গোসলে ঢুকি। গোসলরত অবস্থায় বাথরুমের জানালায় আমি লাঠি জাতীয় কিছুর সাথে একটি ফোনের ক্যামেরার দিকটা বাধা অবস্থায় দেখতে পাই। তাৎক্ষণিক আমি মেসে যারা ছিল তাদের সবাইকে একসাথে চিৎকার করে ডেকে খুঁজে দেখতে বলি যে ছাদে কেউ আছে কি না, যখন সবাই ছাদে গিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে তখন তারা বুঝতে পারে কেউ লুকানোর চেষ্টা করছে, সিঁড়িঘরে ট্যাংকের পিছনে। যখন সবাই বুঝতে পারে এবং তাকে বের হয়ে আসতে বলে তখন সে কোনো শব্দ ছাড়া শুয়ে পড়ে, অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পর সেখান থেকে বাড়িওয়ালার ছেলে তুহিন সরকার বের হয়ে আসে এবং পুরো বিষয়টিকে অস্বীকার করে। তখন তার পরিবারকে জানানো হলেও তারা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। তারা চলে যাওয়ার পর পুনরায় খোঁজাখুজি করলে একটি লাঠি দড়ি বাঁধাসহ ট্যাংকের পাশে খুঁজে পাওয়া যায়। বর্তমানে মেসে অবস্থানরত মেয়েরা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে রয়েছে এই ভয়ে যে, এই লোক এই ধরনের ভিডিওগ্রাফি কতদিন যাবত করছে? কত মেয়ের অপ্রীতিকর ভিডিও এর আগে করা হয়েছে। এই মেসে অবস্থানরত মেয়েরা সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে এই ঘটনার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে অনুরোধ জানান মেসে অবস্থানরত মেয়ে শিক্ষার্থীরা।
এই ঘটনা জানাজানির পর ক্যাম্পাসে সকল শিক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। গত ১৯ মে সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপর্যুক্ত শাস্তির দাবিতে ভিসি কার্যালয়ে অবস্থান নেন। তারপরেও সুষ্ঠু বিচার না পেয়ে বৃহস্পতিবার মুক্তমঞ্চে অবস্থান নেন। বৃহস্পতিবার সকালে সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে অভিযুক্ত মেসে থাকা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা শিক্ষার্থীদের মালামালসহ তাদের প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসেন। নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে প্রক্টর অফিসে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
এ ব্যাপারে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর (দায়িত্বরত প্রক্টর) শাকিল মাহমুদ শাওনের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে শান্তা আক্তার (১৯) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী ও জিয়াউর রহমান (৪৪) নামে এক রং মিস্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ।
বুধবার (২২ মে) সকালে ও দুপুরে উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের কাশতলা দক্ষিণপাড়া গ্রাম ও দেওপাড়া ইউনিয়নের চৌরাশা গ্রাম থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের চৌরাশা গ্রাম থেকে শান্তা আক্তার নামে অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শান্তা উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের সাত্তার পাঠানের মেয়ে ও দেওপাড়া ইউনিয়নের চৌরাশা গ্রামের অটো চালক মামুনের স্ত্রী। বুধবার সকাল ১০টায় গৃহবধূ শান্তা আক্তার বাপের বাড়িতে যেতে চান। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। মামুন তার স্ত্রীকে পরদিন নিয়ে যাবে বলে বাড়ি থেকে ভ্যান নিয়ে বের হয়ে যান।
স্থানীয়রা আরও জানান, এরপর প্রতিবেশী এক মহিলা দুপুরে ওই বাড়িতে যান। এসময় তিনি শান্তাকে না দেখতে পেয়ে ডাক-চিৎকার করলে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে জানালা দিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে খবর দিলে ঘাটাইল থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।
অপরদিকে, বুধবার ভোর ৫ টায় উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের কাশতলা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের জিয়াউর রহমান নামে এক রং মিস্ত্রি রান্নাঘরের ধন্নার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। গত এক সপ্তাহ আগেও তিনি বিষ পান করেছিলেন। পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। কিছুদিন যাবৎ তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, অন্তঃসত্ত্বা নারী আত্মহত্যা করেছেন নাকি হত্যা সেটি ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর জানা যাবে। এ বিষয়ে থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হবে।
তিনি আরও জানান, মানসিক ভারসাম্যহীন জিয়াউর রহমানের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ ময়না তদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করায় টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ফারুক হোসেনকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার (২২ মে) কেন্দ্রীয় বিএনপি’র পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এই তথ্য জানা যায়।
এ বিষয়টি রাতে নিশ্চিত করেছন জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা সখীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে (ঘোড়া) প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ফারুক হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় সখীপুর উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ফারুক হোসেনকে কেন্দ্রীয় বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিএনপি সংশ্লিষ্ট কেউ উপজেলা নির্বাচনে তার পক্ষে প্রচারণা বা কোনো নির্বাচনী কার্যক্রমে জড়িত থাকলে তাকেও সংশ্লিষ্ট সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৩ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি)।
বুধবার (২২ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আইডিইবি’র জেলা শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম জাহাংগীর আলম খান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ৪র্থ শিল্পবিল্পপ আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য প্রত্যেকটি চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে সুবিধাগুলো পেতে হলে আমাদের দক্ষ হতে হবে। এই দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ। এসব কার্যক্রমের জন্য আমাদের ৩ দফা দাবি অতি গুরুত্বপূর্ণ। দাবিগুলো হলো- কারিগরি ও বৃত্তিমূলক এ শিক্ষাকে জনপ্রিয় করার স্বার্থে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মান ও মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিএসসি (পাস) কোর্সের সমমান মর্যাদা প্রদানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে; জাতীয় মেধার অপচয় রোধ ও প্রশাসনে শ্রেণি স্বার্থ দ্বন্দ্ব নিরসনে এবং রাষ্ট্রের অর্থ অপচয় রোধে প্রশাসনিক ক্যাডারে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং সনদধারীদের প্রবেশ রোধে পেশা পরিবর্তনের আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রীয় আইনি কাঠামোর মাধ্যমে বন্ধ করতে হবে, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের পদোন্নতির কোটা ৫০ শতাংশে উন্নীতকরণ, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রাথমিক নিযুক্তিতে অন্যান্য পেশাজীবীদের ন্যায় একটি স্পেশাল ইনক্রিমেন্ট, পরিকল্পনা ও নকশা বিভাগে কর্মরত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার উপ-সহকারী প্রকৌশলীদেরকে সহকারী প্রকৌশলীদের ন্যায় ৩টি স্পেশাল ইনক্রিমেন্ট প্রদান ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং উত্তীর্ণদের ক্রেডিট ওয়েভার দিয়ে ২ বছরে ডিগ্রি ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করার যুযোগ প্রদানসহ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র শিক্ষক পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের ৩ দফা দাবী অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইডিইবি’র জেলা শাখার সভাপতি কাজী জাকেরুল মওলা, সাধারণ সম্পাদক মীর মহাম্মদ হোসেন চুন্নু, মহিলা ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক রিতা সাহা, টাঙ্গাইল পৌরসভার উপ সহকারী প্রকৌশলী জাবেদুল ইসলাম, আইডিইবি’র জেলা শাখার নির্বাহী সদস্য আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, সদস্য আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগেই এগিয়ে থাকা প্রার্থীদের নিয়ে জনসভা করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির। এসময় তিনি মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করায় জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
মঙ্গলবার (২১ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভূঞাপুর ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজ মাঠের মুক্ত মঞ্চে এই জনসভার আয়োজন করা হয়।
যদিও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্ববর্তী ৩২ ঘণ্টা এবং ভোটগ্রহণ শুরুর পরবর্তী ৬৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে নির্বাচনী এলাকায় কোনো ব্যক্তি কোনো ধরনের জনসভা আহ্বান, অনুষ্ঠান বা তাতে যোগদান করতে বা কোনো মিছিল বা শোভাযাত্রা সংঘটিত করতে বা তাতে যোগদান করতে পারবেন না।
জনসভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আপনারা আপনাদের প্রার্থীর পক্ষে পরিশ্রম করে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন, এজন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই।
তিনি বলেন, আপনাদের কথামতোই সমর্থন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, উপজেলা আওয়ামী লীগ, শিক্ষকসহ সর্বস্তরের জনগণ সহযোগিতা করেছেন এ বিজয়ের জন্য। আমরা খুব দ্রুত তাদের সংবর্ধনার আয়োজন করবো।
পরে নির্বাচনে এগিয়ে থাকা চেয়ারম্যান প্রার্থী নার্গিস বেগম ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মনিরুল ইসলাম বাবু বক্তব্য দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এ বিষয়ে জানতে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম চৌধুরীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল ও ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে রাতে ঘোষিত ফলে দেখা যায়, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান নার্গিস বেগম পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও ঘাটাইলে আরিফ হোসেন ও কালিহাতীতে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এএসএম সিদ্দিকী ওরফে আজাদ সিদ্দিকী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাহমুদুল হাসান সোমবার (২০ মে) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত ওই নারীর নাম, তাসলিমা (৪৪)। তিনি মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের মঈন নগরের রাজু আহমেদের স্ত্রী।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌশুলি (পিপি) এস আকবর খান জানান, দণ্ডিত তাসলিমাকে মির্জাপুর থানা পুলিশ ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের কাছ থেকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে ৫৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। ওই দিনই মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে তাসলিমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন ২০১৭ সালের ২৮ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
তিনি আরও জানান, রায় ঘোষণার সময় তাসলিমা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ আলোচনা সভা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন বাংলা টিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়ছ।
রবিবার (১৯ মে) বিকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানর আয়োজন করা হয়।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলন, টাঙ্গাইল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ।
বাংলা টিভিকে শুভেচ্ছা জানান, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কাজী জাকেরুল মওলা, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন।
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি খন্দকার হাবিবুল্লাহ কামাল। এ সময় দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল, ডিবিসি টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি সোহেল তালুকদার, বাংলা টিভির বাসাইল প্রতিনিধি রুবল মিয়া, সাংবাদিক আবু সাঈদসহ টাঙ্গাইলে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হামলা, দোকানপাট, বাড়িঘর ও নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আহত হয়েছেন তিনজন।
শনিবার (১৮ মে) গভীর রাতে উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের তাড়াই, ধুবলিয়া গ্রামে ও পাছতেরিল্লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, রাতে ভাইস চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী টিউবওয়েল মার্কার সমর্থকরা মোটরসাইকেলে পাছতেরিল্লা যাচ্ছিলেন। এ সময় পথে তাড়াই এলাকায় তালা মার্কার সমর্থকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তারা। এরপর ফেরার পথে আবারও বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে তালা মার্কার সমর্থকরা একত্রিত হয়ে বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করে। হামলার ঘটনায় উভয়পক্ষের তিনজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধুবলিয়া গ্রামের রেজাউল, জয়নাল রনির বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এ ছাড়া রনির কম্পিউটারের দোকান ও পাঁছতেরিল্লার সোহেল তালুকদারের ওষুধের দোকান ভাঙচুর করে।
এর আগে রাত ১২টার দিকে একটি মিছিল বের হয়। এ সময় ওই মিছিলকারীদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা ছিল। মিছিলে থাকা লোকজন বাড়ি ঘর ভাঙচুর করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
ভুঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান উল্ল্যাহ জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ জানান, নির্বাচনী সহিংসতার বিষয়টি জেনেছি। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সদ্য অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি নাগরপুর উপজেলা শাখার নির্বাচনে বিজয়ী সকল শিক্ষক নেতৃবৃন্দদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৮ মে) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দরা এই শপথ বাক্য পাঠ করান।
এতে শিক্ষকদের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন, শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে ভূমিকা রাখাসহ শিক্ষার পরিবেশের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।
টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. সহিনুর রহমান খানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মুহা. সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশের সঞ্চালনায় উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাগরপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাহী সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল মালেক, মিডিয়া সম্পাদক জি এম শামীম সুমন, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. বজলুর রহমান, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, নির্বাহী সম্পাদক মো. রকিবুল ইসলাম রিপন, সহ সম্পাদক মরিয়ম খান মিলন, শিক্ষক নেতা নুর মোহাম্মদ বাবুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পাইকড়া ইউনিয়নের খরশিলা-রোয়াইয়াল গ্রামীণ রাস্তাটি ৩৫ বছরেও সংস্কার হয়নি। ফলে পাইকড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আজাদ হোসেনের বাড়ি সংলগ্ন ২০ লাখ ১২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি ব্রিজ গ্রামবাসীর কোন কাজেই আসছে না।
এর ফলে কৃষি জমির ফসল ঘরে তোলাসহ যাতায়তে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৮ সালে এই ব্রিজটির নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করেছিল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় (পিআইও)। ২০১৯ সালে এই ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শেষ হলেও ব্রিজটির দুই পাশের এপ্রোচের মাটি না ফেলায় স্থানীয়দের কোনো কাজেই আসছে না। গত পাঁচ বছর ব্যবহারের অনুপযোগী থাকায় স্থানীয় হাজারো মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। এছাড়া এই ব্রিজ নির্মাণে সরকারের ব্যয় করা ২০ লাখ ১২ হাজার টাকা এক প্রকার অপচয়ে পরিণত হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবেই ব্রিজটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
স্থানীয় খরশিলা গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ মিয়া জানান, দুটি গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। ব্রিজ থাকা সত্ত্বেও উৎপাদিত ফসল নিয়ে যেতে সমস্যা হচ্ছে। ব্রিজটি কোনো কাজেই আসছে না আমাদের। এছাড়া গত ৩৫ বছরে খরশিলা-রোয়াইয়াল সড়কটির কোন ধরণের উন্নয়ন না হওয়ায় দুটি গ্রামের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় রোয়াইয়াল গ্রামের বাসিন্দা আজাহার আলী বলেন, দুই গ্রামে দুটি স্কুল এবং দুই গ্রামের পাশে দুটি হাট-বাজার রয়েছে। জেলা সদর এবং উপজেলায় যাতায়াতের সহজ রাস্তা দুই কিলোমিটারের রোয়াইল-খরশিলা কাঁচা রাস্তাটি। দুই কিলোমিটার রাস্তার জন্য ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। এই রাস্তার ওপর পাকা ব্রিজটি নির্মাণে এলাকাবাসী খুব খুশি হয়েছিলেন। কিন্তু ঠিকাদার কোনো রকমে ব্রিজটি নির্মাণ কাজ শেষ করলেও ব্রিজের দুই প্রান্তে মাটি না ফেলায় এই ব্রিজের ওপর দিয়ে এলাকার জনসাধারণ যাতায়াত করতে পারছে না। আমরা দ্রুত ব্রিজের দুই পাশের এপ্রোচে মাটি ফালানোর দাবি করছি।
স্থানীয় আরেক বাসিন্দা হাসান মিয়া বলেন, ফসলের মাঠ অনেক দূরে হওয়াতে ফসল বাড়িতে নেওয়া অনেক কষ্ট হচ্ছে। রাস্তাটা ভালো হলে আমাদের জমির ফসল ভ্যান বা যানবাহনের মাধ্যমে অতি সহজে বাড়ি নেওয়া যাবে, কষ্ট কমে যাবে।
কালিহাতি প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সেহাব উদ্দিন জানান, আমি কালিহাতীতে যোগদান করার আগেই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন হয়েছিল। ব্রিজের এপ্রোচের মাটি সরে গেছে, বিষয়টি আমার জানা ছিলো না।
তিনি আরও বলেন, এখন ধান কাটার মৌসুম চলছে। ধান কাটা শেষ হলেই ব্রিজের দুই পাশের এপ্রোচে মাটি ফেলে রাস্তাটি চলাচলের জন্য উপযোগী করে তোলা হবে।