একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলায় ক্রিয়াশীল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুধীজনদের সমন্বয়ে রাজনৈতিক-সৌহার্দ্য-সংস্কৃতি এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) দুপুরে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে ইউকেএইড’র অর্থায়নে এ কর্মশালার আয়োজন করে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশলান, বাংলাদেশ চ্যাপ্টার।
কর্মশালায় রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের ধারণা, রাজনৈতিক পরিসরের ধারণা, রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের চর্চা সমুন্নত রাখার গুরুত্ব ও কৌশল এবং রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের চর্চা এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বিষয়ক আলোচনা করা হয়।
কর্মশালায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সমস্যাগুলি হলো- শহরের যানজট, বর্জ্য ব্যবস্থা ও জলাবদ্ধতা।
নাগরিক প্রত্যাশা বিষয়ক কর্মশালা হতে উঠে আসা বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমূহ উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের সামনে উপস্থাপনা করা হয়।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সকলের পরিকল্পনা উপস্থাপনের বিষয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আলোকপাত করেন শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ময়মনসিংহ অঞ্চলের সিনিয়র রিজিওলান ম্যানেজার নার্গিস আক্তার।
এতে অংশ নেয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, টাঙ্গাইল জেলা মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের সভাপিত নাজমুল হুদা নবীন, জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি নাছিমা বাছিদ, সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার রুনু, জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের (বিএনপি) সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন খান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রক্সি মেহেদী প্রমুখ।
উল্লেখ্য, মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরাম একটি বহুদলীয় স্বেচ্ছাসেবী রাজনৈতিক ফোরাম। যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে।
একতার কণ্ঠঃ”রুখবো দুর্নীতি, গরবো দেশ, হবে সোনার বাংলাদেশ” এই স্লোগানে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে দুর্নীতি দমন কমিশন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির যৌথ আয়োজনে এক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) সকালে স্থানীয় নয়ানখান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে এই বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. নুর আলম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নাদির আহম্মদ প্রমূখ।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক খোরশেদুন নাহার ভূইয়া, সদস্য জাহানারা আক্তার, মো. সালাউদ্দিন।
বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার কামরুল হাসান, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নুরুলহুদা।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা নাগরপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি এস.এম আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক বাবু।
উল্লেখ্য, বির্তক প্রতিযোগিতায় চুড়ান্ত রাউন্ডে নয়ানখান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ও শহীদ শামছুল হক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিচারকগণ শহীদ শামছুল হক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়কে ঘোষনা করেন। পরে বিজয়ীদের মধ্যে ক্রেস্ট, সনদ ও শিক্ষা উপকরন বিতরন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ দেশজুড়ে চলছে তীব্র তাপদাহ। তীব্র গরম হতে দেশবাসীকে রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন অর্জনের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এরই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে ওই ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের উদ্যোগে এ বৃক্ষরোপণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন প্রান্ত, ছাত্রলীগ নেতা আসিফ হোসেন, রাকিব, নিরব, রিপন, রামিম, নাসিম, স্বাধীন, আবির প্রমুখ।
টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন প্রান্ত বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের নির্দেশে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এই বৃক্ষরোপণ করা হয়। এসময় বিভিন্ন ধরনের ২০টি চারা রোপণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষস্থ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবন কমিটির উদ্যোগে ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবন কর্ম-পরিকল্পনা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ‘ইনোভেশন প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) সকালে তৃতীয় একাডেমিক ভবনের কনফারেন্স রুমে ওই প্রদর্শনীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও অফিসের উদ্ভাবনী উদ্যোগসমূহ স্থান পায়।
ওই উদ্ভাবনী প্রদর্শনী উদ্বোধন ও বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্জ (ভিসি) প্রফেসর ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্জ (প্রো-ভিসি) প্রফেসর ডক্টর এআরএম সোলাইমান ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ডক্টর মো. সিরাজুল ইসলাম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিএ কমিটির ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবন কমিটির ফোকাল পয়েন্ট অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ শাহীন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, আইসিটি সেলের সহকারী রেজিস্ট্রার ও বিকল্প ফোকাল আরিফুল ইসলাম।
প্রদর্শনীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও অফিসের পক্ষ থেকে তাদের নিজেদের উদ্ভাবনী প্রদর্শন করা হয়। শেষে বিজয়ীদের মাঝে প্রধান অতিথি পুরস্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে তীব্র তাপদাহে তৃষ্ণার্ত রিক্সা, ভ্যান-অটো চালক, পথচারী এবং বয়স্কদের মাঝে বিশুদ্ধ পানীয় জল ও স্যালাইন বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (৫ মে) দুপুরে কালিহাতী উপজেলা চত্বর, বাসস্ট্যান্ড ও শহীদ শফি সিদ্দিকী চত্তরে প্রায় ১ হাজার বোতল বিশুদ্ধ জল ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কালিহাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মনিরুজ্জামান মতিন, সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান শেলী, সাধারণ সম্পাদক মুনসুর হেলাল বাদশা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, কার্যকরী সদস্য রশিদ আহাম্মদ আব্বাসী, দাস পবিত্র ও সদস্য নাহিদ খান প্রমুখ।
এ মানবিক কর্মসূচিতে একত্মতা ঘোষণা করে অংশ নেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লা, বাংড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হাসমত আলী ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ফাতেমা খাতুন বৃষ্টি।
ভ্যান চালক রহমত আলী বলেন সাংবাদিকদের এ উদ্যােগ খুবই প্রশংসনীয়। তৃষ্ণায় এক বোতল পানি পেয়ে আমি আনন্দিত।
রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যরা ভবিষ্যতেও এধরনের মানবিক কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের এক কর্মীসভায় রাজনীতিতে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী কায়ছার।
শনিবার (৪ মে) সন্ধ্যায় মধুপুর পৌরসভার কাঁঠালতলা এলাকায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী ছরোয়ার আলম আবু খাঁর নির্বাচনী কর্মীসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি রাজনীতিতে ফেরার আভাস দিয়েছেন।
সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী কায়ছার বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতি থেকে দীর্ঘদিন বাইরে থাকলেও বঙ্গবন্ধুর নীতি দর্শনের বাইরে নেই। আমি সাংস্কৃতিকভাবে আওয়ামী ঘরোনার এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার দিক থেকে আমার বড় বোনের মত ছিলেন, আছেন এবং চিরদিন থাকবেন। বাংলার নেত্রী শেখ হাসিনার আশীর্বাদ ও নির্দেশে আমি মধুপুরে এসেছিলাম। আমার জীবনে শ্রেষ্ঠ ঘটনা, শ্রেষ্ঠ উপহার মধুপুর। আমি ২৩ বছরেও রাজনীতিক অঙ্গনে মধুপুর আসিনি। তবে আজকে এসেছি। মনে প্রাণে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু খার বিজয় হোক এটাই চাই।
তিনি আরও বলেন, আগামীতে টাঙ্গাইলে সৃজনশীল সকল কর্মের সাথে যতদিন বেঁচে থাকি আমি অবশ্যই জড়িত থাকব। বৃহত্তর স্বার্থে সব কিছুইতো রাজনীতি। আজকে আমার এই কর্মীসভায় উপস্থিতি সেটাও রাজনীতি। আমি জনগণের দিকে তাকিয়ে থাকি। জনগণ আমার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে, আমিও জনগণের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকি। তারা চাইলেই যে কোনো প্রয়োজনে আবার আমাকে সক্রিয়ভাবে পাশে পাবে। মধুপুর যা আমাকে দিয়েছে তা অতুলনীয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ছরোয়ার আলম খান আবু বলেন, আবুল হাসান চৌধুরী মধুপুরের কৃতী সন্তান। তিনি মধুপুরের দুই দুইবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন। মধুপুরের সংসদ সদস্য আব্দুর রাজ্জাক সাবেক প্রতিমন্ত্রী কায়ছার চৌধুরীকে মধুপুরে তার নিজ বাড়িতে আসতে দেননি। তবে তিনি আবার দীর্ঘ ২৩ বছর পর মধুপুরের রাজনীতিতে সক্রিয় হলেন। দীর্ঘদিন পর তার সক্রিয় আগমনে মধুপুর ও আলোকদিয়ার মাটি ধন্য হল। তার উপস্থিতিতে এবারের দোয়াত কলম মার্কার আরও গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে বিকেলে সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী কায়ছারকে উপজেলার গাংগাইর এলাকা থেকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে হাজার হাজার নেতাকর্মী মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মাধ্যমে তাকে মধুপুরে কর্মীসভাস্থলে নিয়ে যান।
সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর মন্টুর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক পৌর মেয়র মাসুদ পারভেজ, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা রাসেল আহম্মেদ প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিএলএস চাষী উচ্চ বিদ্যালয়ে রাতের আঁধারে মোমবাতি জ্বালিয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পরিক্ষা স্থগিত করেন কর্তৃপক্ষ। শনিবার (৪ মে) রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, উপজেলার বিএলএস চাষী উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নয়জন পরীক্ষা দিতে যান। পরে প্রার্থীদের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও রাত ৮টার দিকে
বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা নেওয়া শুরু করে কর্তৃপক্ষ। রাতে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। রাত সাড়ে আটটার দিকে ঘটনাস্থলে সাংবাদিক উপস্থিত হলে কর্তৃপক্ষ পরীক্ষাটি স্থগিত করেন।
বিদ্যালয়ের জমিদাতা আব্দুর রশিদ বলেন, রাতের আঁধারে নিয়োগ পরীক্ষা হচ্ছিল, কিন্তু আমরা এলাকাবাসী বিষয়টি জানি না। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের আপন ভাই ও তার বোন জামাই পরীক্ষা দিচ্ছে। এ পরীক্ষা সুষ্ঠু হতে পারে না।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান বলেন, তার ভাই ও বোন জামাই পরীক্ষা দিচ্ছেন তাই এ নিয়োগ পরীক্ষায় তিনি কোনো দায়িত্ব পালন করছেন না।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হারুন অর রশিদ বলেন, আমরা বিকেল ৪টার দিকে পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করেছিলাম। বিদ্যুৎবিভ্রাটের কারণে পরীক্ষা নেওয়া দেরি হয়েছে। পরে সন্ধ্যার দিকে পরীক্ষা নেওয়া শুরু করা হয়। বিদ্যুৎবিভ্রাটের কারণে এক পর্যায়ে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।
রাতে পরীক্ষা নেওয়ার নিয়ম আছে কিনা এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমরা দিনেই পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করেছিলাম।
জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (শিক্ষা ও কল্যাণ শাখা) মো. আবুবকর সরকার বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় পরীক্ষা যথাসময়ে নেয়া সম্ভব হয়নি। প্রার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে সুবিধাজনক সময়ে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে সোহাগ নামে এক যুবক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (৫ মে) বিকেলে টাঙ্গাইল-ময়মেনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার বন বিভাগের বিশ্রামাগারের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সোহাগ মিয়া (২০) কালিহাতী পৌরসভার সোনা খড়িল্লা এলাকার লিটন মিয়ার ছেলে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর সাজেদুর রহমান জানান, এলেঙ্গা থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে টাঙ্গাইল-ময়মেনসিংহ মহাসড়কের কালিহাতী বন বিভাগের বিশ্রামাগারের সামনে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে চালক সোহাগ গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সোহাগকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রাজীব নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২ মে) সকালে উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের ভাদ্রা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিন।
নিহত রাজীব হোসেন (৩০) উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের ভাদ্রা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আলম মিয়ার ছেলে। সে ভাদ্রা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভাদ্রা গ্রামের আজাহার ও রাজীবের মধ্যে জমির সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার সকালে ওই বিরোধের জের ধরে বিরোধপূর্ণ জমিতে একটি বেল গাছ থেকে বেল পাড়া নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। পরে আজাহার ও তার পরিবারের লোকজন ধারালো দেশিও অস্ত্র দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রাজীবকে কোপাতে থাকে। এ সময় তার পরিবারের লোকজন বাঁধা দিতে গেলে তাদেরও কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজিবকে মৃত ঘোষণা করেন।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিন জানান, এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে ৫ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহত রাজীবের ময়নাতদন্ত মানিকগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ প্রচণ্ড তাপদাহের মধ্যে সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে টাঙ্গাইলে বিতরণ করা হয়েছে ছাতা। সেই সঙ্গে দেওয়া হয়েছে সুপেয় পানি ও বিস্কুট। কেন্দ্রীয় যুবলীগের নির্দেশে বুধবার (১ মে) দুপুরে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড মোড়ে জেলা যুবলীগের উদ্যোগে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
রোদে সুরক্ষার জন্য ছাতার পাশাপাশি সুপেয় পানি ও বিস্কুট পেয়ে খুশি পথচারীসহ নিম্ন আয়ের মানুষ। এ সময় ভ্যান চালকদের মাঝেও বিতরণ করা হয় ছাতা।
পথচারী বারেক মিয়া বলেন, মে দিবসের জন্য দোকানপাট বন্ধ। বিস্কুট ও পানি পেয়ে খুব উপকার হলো। এরকম কার্যক্রম চলমান থাকলে পথচারী ও ভ্যান চালকরা স্বস্তি পাবে।
জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব বলেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের নির্দেশে আমরা প্রথমদিনে ৫০ জনের মাঝে ছাতা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া পথচারী ও নিম্ন আয়ের এক হাজার মানুষকে সুপেয় পানি ও বিস্কুট দেওয়া হয়েছে। যতদিন অসহ্য তাপদাহ থাকবে, এ কার্যক্রম ততদিন চলবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের সভাপতি মাসুদ পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব, নুর মোহাম্মদ সিকদার মানিকসহ জেলা ও উপজেলা যুবলীগের নেতাকর্মীরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে টান টান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষ পৃথকভাবে মহান মে দিবস উপলক্ষে কর্মসূচি পালন করেছে।
বুধবার (১ মে) দুপুর ১১টার দিকে শহরের পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে শ্রমিক সমাবেশ করে এক পক্ষ। এর নেতৃত্বে ছিলেন, জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেডিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদসহ অনেকে।
এদিকে একই সময়ে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে শ্রমিক সমাবেশ করে টাঙ্গাইল পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। এ সমাবেশে নেতৃত্ব দেন টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোয়াহের, টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, আমানুর রহমান খান রানা এমপি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনসারীসহ অনেকে।
মহান মে দিবসকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরেই চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। উভয় পক্ষ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে শ্রমিক সমাবেশের ডাক দিলে এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উভয়পক্ষকে একইস্থানে সমাবেশ না করার জন্য বলা হয়। পরে দু’পক্ষ পৃথক স্থানে সমাবেশের আয়োজন করে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) রাতে শহরের বটতলা থেকে নিরালা মোড় পর্যন্ত সব ধরনের সমাবেশ বন্ধ রাখা হয়।

রাত থেকেই প্রশাসন পৌর উদ্যানের প্রবেশ পথ, বটতলা মোড়, নিরালা মোড়, মডেল প্রাইমারি স্কুলের মোড়, প্রিন্স হোটের সামনে ও কলেজ পাড়া চৌরাস্তা বালুর ট্রাক দিয়ে আংশিক বন্ধ করে দেয়। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে শহরে কোন রকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই দুপক্ষের শ্রমিক সমাবেশ শান্তিপুর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ মহান মে দিবসে শ্রমিকদের নিয়ে বিশাল শোডাউনের মধ্যে দিয়ে শ্রমিক সমাবেশ করেছে পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।
বুধবার (১ মে) সকালে শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে ২২টি শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ এ সমাবেশের আয়োজন করে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোহের।

সমাবেশটি উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন। সমাবেশে এসে একাত্বতা প্রকাশ করেন টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা।
পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমীরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান সোহেল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রেজাউর রহমান চঞ্চল, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ওয়াজির হাসান খান শরীফ হাজারী, শিক্ষা ও মানব-সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকে মহসিন শিকদার, উপ-প্রচার বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির সভাপতি শামীমুল আক্তার শামীম, সদস্য আমিরুল ইসলাম খান ও আকরাম হোসেন কিসলু প্রমুখ।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার রুনু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ হাসান, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীব।
সমাবেশে এসে একাত্বতা প্রকাশ করেন জেলা স্বেচ্ছা সেবক লীগের সভাপতি মির্জা আনোয়ার হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মাতিনুজ্জামান খান সুখন ও টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল জেলায় ক্রিয়াশীল বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের বিগত দিনগুলোতে পকেট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তার প্রতিবাদে দুই বছর পূর্বে ২২টি শ্রমিক সংগঠন নিয়ে পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ গঠন করা হয়। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে এই সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে। এই সংগঠন যে সঠিক পথে চলছে, তার প্রমান এই প্রচন্ড তাপদাহ উপেক্ষা করে হাজার-হাজার শ্রমিকদের এই সমাবেশে উপস্থিতি।
বক্তারা আরও বলেন, টাঙ্গাইলে আর কোন শ্রমিক সংগঠনের পকেট কমিটি গঠন করতে দেওয়া হবেনা। প্রতিটি সংগঠনের নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করতে হবে।
এদিকে, শহরের শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা শ্রমিক ফেডারেশন পৃথক শ্রমিক সমাবেশ করেছে। উক্ত শ্রমিক সমাবেশে সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ, টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য অনুপুম শাজাহান জয়, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের সংসসদ সদস্য খান আহম্মেদ শুভ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছিমা বাছেদ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মে দিবসের কর্মসুচীকে কেন্দ্র করে জেলা আওয়ামী লীগের বিবাদমান দুটি পক্ষই শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে শ্রমিক সমাবেশের আহবান করে। এনিয়ে শহরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হলে প্রশাসন কোন পক্ষকেই পৌর উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়নি। পরে একটি পক্ষ জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের ব্যানারে শহরের শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ও অপরপক্ষ পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ব্যানারে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে সমাবেশ আহবান করে। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) রাত থেকেই প্রশাসন পৌর উদ্যানের প্রবেশ পথ, বটতলা মোড়, নিরালা মোড়, মডেল প্রাইমারি স্কুলের মোড়, প্রিন্স হোটের সামনে ও কলেজ পাড়া চৌরাস্তা বালুর ট্রাক দিয়ে আংশিক বন্ধ করে দেয়। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে শহরে কোন রকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই দুইপক্ষের শ্রমিক সমাবেশ শান্তিপুর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।