একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হামলা, দোকানপাট, বাড়িঘর ও নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আহত হয়েছেন তিনজন।
শনিবার (১৮ মে) গভীর রাতে উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের তাড়াই, ধুবলিয়া গ্রামে ও পাছতেরিল্লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, রাতে ভাইস চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী টিউবওয়েল মার্কার সমর্থকরা মোটরসাইকেলে পাছতেরিল্লা যাচ্ছিলেন। এ সময় পথে তাড়াই এলাকায় তালা মার্কার সমর্থকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তারা। এরপর ফেরার পথে আবারও বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে তালা মার্কার সমর্থকরা একত্রিত হয়ে বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করে। হামলার ঘটনায় উভয়পক্ষের তিনজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধুবলিয়া গ্রামের রেজাউল, জয়নাল রনির বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এ ছাড়া রনির কম্পিউটারের দোকান ও পাঁছতেরিল্লার সোহেল তালুকদারের ওষুধের দোকান ভাঙচুর করে।
এর আগে রাত ১২টার দিকে একটি মিছিল বের হয়। এ সময় ওই মিছিলকারীদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা ছিল। মিছিলে থাকা লোকজন বাড়ি ঘর ভাঙচুর করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
ভুঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান উল্ল্যাহ জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ জানান, নির্বাচনী সহিংসতার বিষয়টি জেনেছি। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সদ্য অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি নাগরপুর উপজেলা শাখার নির্বাচনে বিজয়ী সকল শিক্ষক নেতৃবৃন্দদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৮ মে) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দরা এই শপথ বাক্য পাঠ করান।
এতে শিক্ষকদের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন, শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে ভূমিকা রাখাসহ শিক্ষার পরিবেশের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।
টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. সহিনুর রহমান খানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মুহা. সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশের সঞ্চালনায় উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাগরপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাহী সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল মালেক, মিডিয়া সম্পাদক জি এম শামীম সুমন, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. বজলুর রহমান, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, নির্বাহী সম্পাদক মো. রকিবুল ইসলাম রিপন, সহ সম্পাদক মরিয়ম খান মিলন, শিক্ষক নেতা নুর মোহাম্মদ বাবুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পাইকড়া ইউনিয়নের খরশিলা-রোয়াইয়াল গ্রামীণ রাস্তাটি ৩৫ বছরেও সংস্কার হয়নি। ফলে পাইকড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আজাদ হোসেনের বাড়ি সংলগ্ন ২০ লাখ ১২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি ব্রিজ গ্রামবাসীর কোন কাজেই আসছে না।
এর ফলে কৃষি জমির ফসল ঘরে তোলাসহ যাতায়তে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৮ সালে এই ব্রিজটির নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করেছিল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় (পিআইও)। ২০১৯ সালে এই ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শেষ হলেও ব্রিজটির দুই পাশের এপ্রোচের মাটি না ফেলায় স্থানীয়দের কোনো কাজেই আসছে না। গত পাঁচ বছর ব্যবহারের অনুপযোগী থাকায় স্থানীয় হাজারো মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। এছাড়া এই ব্রিজ নির্মাণে সরকারের ব্যয় করা ২০ লাখ ১২ হাজার টাকা এক প্রকার অপচয়ে পরিণত হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবেই ব্রিজটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
স্থানীয় খরশিলা গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ মিয়া জানান, দুটি গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। ব্রিজ থাকা সত্ত্বেও উৎপাদিত ফসল নিয়ে যেতে সমস্যা হচ্ছে। ব্রিজটি কোনো কাজেই আসছে না আমাদের। এছাড়া গত ৩৫ বছরে খরশিলা-রোয়াইয়াল সড়কটির কোন ধরণের উন্নয়ন না হওয়ায় দুটি গ্রামের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় রোয়াইয়াল গ্রামের বাসিন্দা আজাহার আলী বলেন, দুই গ্রামে দুটি স্কুল এবং দুই গ্রামের পাশে দুটি হাট-বাজার রয়েছে। জেলা সদর এবং উপজেলায় যাতায়াতের সহজ রাস্তা দুই কিলোমিটারের রোয়াইল-খরশিলা কাঁচা রাস্তাটি। দুই কিলোমিটার রাস্তার জন্য ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। এই রাস্তার ওপর পাকা ব্রিজটি নির্মাণে এলাকাবাসী খুব খুশি হয়েছিলেন। কিন্তু ঠিকাদার কোনো রকমে ব্রিজটি নির্মাণ কাজ শেষ করলেও ব্রিজের দুই প্রান্তে মাটি না ফেলায় এই ব্রিজের ওপর দিয়ে এলাকার জনসাধারণ যাতায়াত করতে পারছে না। আমরা দ্রুত ব্রিজের দুই পাশের এপ্রোচে মাটি ফালানোর দাবি করছি।
স্থানীয় আরেক বাসিন্দা হাসান মিয়া বলেন, ফসলের মাঠ অনেক দূরে হওয়াতে ফসল বাড়িতে নেওয়া অনেক কষ্ট হচ্ছে। রাস্তাটা ভালো হলে আমাদের জমির ফসল ভ্যান বা যানবাহনের মাধ্যমে অতি সহজে বাড়ি নেওয়া যাবে, কষ্ট কমে যাবে।
কালিহাতি প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সেহাব উদ্দিন জানান, আমি কালিহাতীতে যোগদান করার আগেই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন হয়েছিল। ব্রিজের এপ্রোচের মাটি সরে গেছে, বিষয়টি আমার জানা ছিলো না।
তিনি আরও বলেন, এখন ধান কাটার মৌসুম চলছে। ধান কাটা শেষ হলেই ব্রিজের দুই পাশের এপ্রোচে মাটি ফেলে রাস্তাটি চলাচলের জন্য উপযোগী করে তোলা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার(১৮ মে) সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার বীর বাসিন্দা ইউনিয়নের নোয়াবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, আফজাল হোসেন ও আমির হোসেন। তারা দিনাজপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার চকদফরপুর গ্রামের বাসিন্দা। নিহতরা সম্পর্কে আপন খালাতো ভাই।
স্থানীয়রা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে উপজেলার আউলিয়াবাদ বাজারে ঘর ভাড়া নিয়ে সেখানে থেকে আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ধান কাটার কাজ করতো তারা। পরে শনিবার ভোরে বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের নোয়াবাড়ী গ্রামের হযরত আলীর ধান ক্ষেতে তাঁরা ৬ জন শ্রমিক ধান কাটতে ব্যস্ত ছিল। এসময় বৃষ্টি শুরু হলে ধান ক্ষেত থেকে দৌঁড়ে বাড়িতে যাওয়ার সময় আফজাল ও আমীরের ওপর বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
বীরবাসিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন জানান, সকালে কয়েকজন শ্রমিক হযরত আলীর ক্ষেতে ধান কাটতে যান। এসময় গুড়িগুড়ি বৃষ্টি সাথে বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরো চারজন। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
কালিহাতী থানার এসআই রাজীব জানান, নিহতের স্বজনরা অপমৃত্যু মামলা দায়ের করলে ওসি স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মেহেদী হাসান মিশু (১৭) নামে এক কলেজ ছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (১৭ মে) রাত ১২টার দিকে উপজেলার ভূঞাপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু সড়কের কষ্টাপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ইউপি সদস্য রুবেল মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মেহেদী উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কয়েড়া গ্রামের স্কুলশিক্ষক রফিকুল ইসলাম মোল্লার ছেলে।
সে ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগের ছাত্র ছিল।
জানা যায়, মেহেদী হাসান শুক্রবার মধ্যরাতে মোটরসাইকেল যোগে ভূঞাপুর থেকে গ্রামের বাড়ি কয়েড়া ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ভূঞাপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু সড়কের কষ্টাপাড়া এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে একটি ট্রাক মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যায় মেহেদী।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। মেহেদী অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে তার অবস্থার আরো অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান উল্লাহ বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত নন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে হেলিকপ্টার প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে দোয়াত কলম প্রতীকের সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৭ মে) সকালে উপজেলার ভুঞাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এতে আহত হয় উপজেলার শিয়ালখোল গ্রামের আব্বস আলীর ছেলে রোমান।
আহত রোমান জানান, শুক্রবার সকালে চা খাওয়ার জন্য ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ডে শাহাদতের চায়ের দোকানে গেলে তাৎক্ষণিক দোয়াত কলমের সমর্থক জাহাঙ্গীরের নের্তৃত্বে একদল সন্ত্রাসী এসে আমার উপর হামলা করে। এসময় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করে তার। আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আমাকে মাটিতে ফেলে চলে যায়। যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে যায় যদি হেলিকপ্টার প্রতীকের নির্বাচন করি তাহলে তারা জানে মেরে ফেলবে আমাকে।
এ ঘটনার পর হেলিকপ্টার প্রতীকের প্রার্থী ফিরোজ চৌধুরী বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানা ও নির্বাচন কমিশন বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন।
তবে হামলার কথা অস্বীকার করেছেন দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী নার্গিস বেগম।
ভূঞাপুর থানার অফিসার (ওসি) আহসানুল্লাহ জানান, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষার ফল নিয়ে টাঙ্গাইলের সখীপুরের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার দাবি, বিদ্যালয়টি থেকে এবার কেউ পাস করেনি। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক বলছেন, পাসের হার ৫০ শতাংশ।
এমন বিভ্রান্তিমূলক ঘটনায় জেলা-উপজেলাজুড়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। উপজেলার কালিয়া আড়াইপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিবরণীতে বিদ্যালয়টি থেকে এবার পাঁচজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তারা সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। ফলে ওই বিদ্যালয়ে এবার পাসের হার শূন্য। এ নিয়ে বেশ কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে। আর এতে তোপের মুখে পড়েছেন ওই বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা।
তবে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, এ বছর সব শিক্ষার্থী ফেল করার তথ্যটি সঠিক নয়। আমাদের বিদ্যালয় থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে পাঁচজন পাস করেছে। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ১৭৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।
শিক্ষা অফিসের সঙ্গে তথ্যের গরমিল যাচাই করতে প্রধান শিক্ষকের কাছে অনলাইনে প্রকাশিত ফলাফলের তালিকা জানতে চাওয়া হয়। গত রবিবারে সরকারি ভাবে অনলাইনে প্রকাশিত ফলাফল তালিকায় দেখা যায়, ওই বিদ্যালয় থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ৫ জন কৃতকার্য হয়েছে।
বিষয়টি আরও নিশ্চিত হতে বিদ্যালয়ের এডুকেশনাল ইনস্টিটিউট আইডেনটিফিকেশন নম্বর (ইআইআইএন) দিয়ে যাচাই করা হলেও প্রধান শিক্ষকের কথার সত্যতা পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে সখীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, কেন্দ্র থেকে আমাকে যে ফলাফল সরবরাহ করা হয়েছে, আমি সেটাই সরবরাহ করেছি। তবে তথ্য আবারও যাচাই করা হবে।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, ২০০০ সালে উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের একটি খেলার মাঠের পাশে ‘কালিয়া আড়াইপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়টি এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে প্রধান শিক্ষকসহ ১১ জন শিক্ষক ও তিনজন কর্মচারী রয়েছেন। বিদ্যালয়টি ২০২১ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি পায়।
ওই বছর একজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়। পরে ২০২২ সালে দুজন এবং ২০২৩ সালে তিনজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হয়েছিল। এবার ১০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাঁচজন পাস করেছে।
তবে সবাই অকৃতকার্য হওয়ার ‘ভুল’ তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি টাঙ্গাইলের নাবিক সাব্বিরের বাড়িতে যেন ঈদের আনন্দ। জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত হওয়ার পর থেকেই তাঁকে কাছে পাওয়ার অপেক্ষা করছিল সাব্বিরের বৃদ্ধ মা-বাবা, বোন বন্ধুসহ স্বজনরা।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সকালে টাঙ্গাইল শহরের আদালত পাড়া তার বোনের বাড়িতে পৌঁছালে সাব্বিরকে দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে ঘরে তুলে নেন তাঁর মাসহ পরিবারের সদস্যরা।
সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হওয়ার ৬৫ দিন পর বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি ফিরেন সাব্বির।
সাব্বির বলেন, যখন জলদস্যুরা আমাদের জাহাজ তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়, তখন থেকে আমরা তাদের কাছে বন্দি ছিলাম। তবে জাহাজে আমরা যে যার কাজ ঠিকঠাক মতো করেছি, রোজা রেখেছি, নামাজও পড়েছি।
সাব্বির আরও বলেন, ‘ছাড়া পেয়ে সেই ঈদের আনন্দটাই আল্লাহ যেন এখন দিয়েছে। আমাদের ফিরিয়ে আনতে সিও স্যারসহ যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমকিা রেখেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।
পরিবারে সাব্বিরকে ফিরে পেয়ে তাদের মধ্যে ঈদের আমেজ বিরাজ করছে। তাঁর ফিরে আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে আত্মীয়স্বজন, বন্ধু ও প্রতিবেশীরা তাঁকে এক নজর দেখার জন্য বাড়িতে ভিড় জমায়।
সাব্বিরের বোন মিতু আক্তার বলেন, এখন আমার ভাই ফিরে এসেছে, আমরা অনেক খুশি।
প্রকাশ, গত (১৪ এপ্রিল) ভোরে জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত হয় এম ভি আব্দুল্লাহ জাহাজসহ ২৩ নাবিক। এরপর জাহাজটি পৌঁছে দুবাই এর আল হামরিয়া বন্দরে। সেখান থেকে মিনা সাকার নামের আরেকটি বন্দরে চুনা পাথর ভর্তি করার পর চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়। সব মিলিয়ে ৬৫ দিন পর মুক্ত হয়ে নাবিকরা বাংলাদেশে এসে স্বজনদের কাছে ফিরলেন।
সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে ভারত মহাসাগর থেকে জিম্মি হন বাংলাদেশি জাহাজ এম ভি আব্দুল্লাহর ২৩ নাবিক। এদের মধ্যে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজলোর সহবতপুর ইউনিয়নের ডাঙা ধলাপাড়া গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে সাব্বিরও ছিলেন। শহরের কাগমারি সরকারি এম এম আলী কলেজ থেকে ২০১৬ সালে এইচএসসি পাস করে ভর্তি হন চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমিতে। সেখান থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করে সর্বশেষ ২০২২ সালের জুন মাসে এম ভি আব্দুল্লাহ নামক পণ্য বহনকারী একটি জাহাজে মার্চেন্ট কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি নেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একদিনের ব্যবধানে সাপের কামড়ে পৃথক স্থানে দুই গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর ও থলপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) বিকালে ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আব্দুর রউফ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার (১৪ মে) ও বুধবার (১৫ মে) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার ফতেপুর গ্রামের ফরিদ মিয়ার স্ত্রী আরিফা বেগম (২২) ও থলপাড়া গ্রামের ফারুক মিয়ার স্ত্রী রুলিয়া বেগম (৪০)।
জানা গেছে, বুধবার রাতে রুলিয়া বেগম তার বসতঘরের সোফায় বসে খাবার খাচ্ছিলেন। এ সময় একটি বিষধর সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। পরে বিষয়টি পরিবারের লোকজনদের জানালে তারা স্থানীয় এক ওঝাকে দিয়ে ঝাড়ফুঁক করান। এ সময় রুলিয়া বেগম অচেতন হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি।
এদিকে, মঙ্গলবার বিকালে গৃহবধূ আরিফা তার বাড়ির পাশে বসে তার বাচ্চাকে খাবার খাওয়াচ্ছিলেন। এ সময় একটি বিষধর সাপ এসে তার পায়ে কামড় দেয়। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
এ প্রসঙ্গে ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আব্দুর রউফ বলেন, সাপের কামড়ে এক গৃহবধূ হাসপাতালে নেওয়ার পথে এবং অপরজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান। দুই জনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেছেন, দেশে এখন চালের পুষ্টি ও গুণগত মানের কথা চিন্তা করে ধানের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করা হচ্ছে। স্বল্প জীবন কালের উচ্চ ফলনশীল জাত নিয়ে গবেষণা করে যাচ্ছে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। খরা সহিষ্ণু জাত, লবানাক্ততাসহ বিভিন্ন সহনশীল জাত উদ্ভাবন করা হচ্ছে। যে কারণে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অল্প সময়ে একই জমিতে বছরে অধিক ফসল উৎপাদন করে কিভাবে কৃষকরা লাভবান হবে, সে কথা চিন্তা করে ধানের জাত নিয়ে গবেষণা করছি। এখন চালের পুষ্টি, জিংক সমৃদ্ধ চাল উৎপাদনে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু ব্রি-১০০,১০৪ ও ১০৫ জাতের ধানের কথা উল্লেখ করে বলেন, এ ধানের পুষ্টিমান বেশি, উৎপাদন বেশি। এ ধানের চাল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও উপকারী।
এ সব জাতের ধান উৎপাদনের মধ্যে দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুষ্টির চাহিদাও পূরণ হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ির মুশুদ্দি গ্রামে সরিষা অন্তভুক্তির মাধ্যমে দুই ফসলী শস্য বিন্যাসকে তিন ফসলী বিন্যাসে উন্নয়ন প্রদর্শনীর বঙ্গবন্ধু ধান ব্রি- ১০০ ব্রি-ধান ১০৪ ও ১০৫ জাতের ধানের মাঠ দিবস ও মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধনবাড়ির মুশুদ্দি গ্রামে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউটের রাইস ফার্মিং সিস্টেমস বিভাগ এ মাঠ দিবস ও মতবিনিময় সভা বাস্তবায়নে গাজীপুরের ব্রি আরএফএসর বিভাগের সিএসও ড. মো. ইব্রাহীম এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. কবির হোসেন, ধনবাড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, ধনবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি আনছার আলী, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসেন প্রমুখ।
এ সময় কৃষক-কৃষাণী কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।
পরে মুশুদ্দি গ্রামের বটতলায় সরিষা অন্তভুক্তির মাধ্যমে দুই ফসলী শস্য বিন্যাসকে তিন ফসলী বিন্যাসে উন্নয়ন প্রদর্শনীর বঙ্গবন্ধু ধান ব্রি- ১০০ ব্রি-ধান ১০৪ ও ১০৫ জাতের মাঠ দিবসে ধান কর্তন করা হয়। পরে বিভিন্ন প্রদর্শণী পরিদর্শন করেন তিনি।
এর আগে সকালে মধুপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজীপুরের বোরো ২০২৪ মৌসুমে স্থাপিত এসপিডিপি প্লটে চাষকৃত ব্রির ধান ১০২ জাতের ফসল কর্তণ ও মাঠ দিবস করেছে ফলিত গবেষনা বিভাগ ব্রি গাজীপুর।
মধুপুর কৃষি সম্প্রসারণের সহযোগিতায় মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ব্রি ফলিত গবেষনা বিভাগের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. হুমায়ুন কবির। মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাকুরা নান্মির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তাজবি নুর রাত্রি, মধুপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমানসহ কৃষকরা এসময় বক্তব্য রাখেন। এসময় মাঠ দিবসে কৃষক কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারি উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে স্ত্রীকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত স্বামী মো. রাকিব মিয়াকে (২২) আটক করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) দুপুরে গোপালপুর পৌর শহরের হাটবৈরান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত গৃহবধূর নাম নূরী বেগম (১৯)। সে উপজেলার সূতি লাঙ্গলজোড়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে রাকিবের সাথে নূরী বেগমের প্রেমের সম্পর্ক থেকে বিয়ের সম্পর্কে গড়ায়। বিয়ের পর থেকেই রাকিব নূরী বেগমের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাকিব নূরী বেগমকে মারধোর করে। এতে নূরী বেগম জ্ঞান হারালে রাকিব নিজেই তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করলে, রাকিব পালিয়ে যায়।
নিহত নূরীর বড় বোন মল্লিকা বেগম জানান, বিয়ের পর থেকেই মাদকাসক্ত রাকিব তার বোনের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো। এমনকি তাদের সাথে মোবাইল ফোনেও কথা বলতে বাঁধা দিত। আমি রাকিবের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সরোয়ার হোসেন খান সোহেল জানান, মৃত অবস্থায় নূরী বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে তার স্বামী রাকিব। কর্তব্যরত চিকিৎসক নূরীকে মৃত ঘোষণার পর রাকিব মরদেহ ফেলে রেখেই পালিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মরদেহের গায়ে নির্যাতনের পুরনো চিহ্ন রয়েছে।
এবিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব জানান, মরদেহের গায়ে নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। অভিযুক্ত রাকিবকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পরাজিত প্রার্থী ছরোয়ার আলম খান আবু’র কর্মী (দোয়াত কলম) সমর্থকদের ওপর হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ মে) বিকালে উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়নের শ্রীরামবাড়ী এলাকায় ভুক্তভোগী পরিবাররা বাড়ির সামনে ঘন্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।মানববন্ধনে ২০ টি পরিবারের নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করে।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা জানায়, বুধবার (৮ মে) রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকালে উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়নের শ্রীরামবাড়ী ও অরনখোলা ইউনিয়নের জলছত্র গ্রামে বিজয়ী প্রার্থী মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ্যাড. ইয়াকুব আলীর কর্মী সমর্থকরা হামলা ও ভাংচুর চালায় । হামলায় কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের শ্রীরামবাড়ীর বাসিন্দা ও দোয়াত-কলম প্রতীকের সমর্থক আল-আমিন বলেন, পরাজিত প্রার্থী আবু খানের নির্বাচন করায় বিজয়ী প্রার্থী ইয়াকুব আলীর সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়ীতে হামলা চালায়। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে তারা। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পড়ে রাত ১২টার দিকে সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল আলীম ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন, সোলায়মান, আসলাম, নুরু ড্রাইভার, মামুন, খোকাসহ দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোটা ও তার দলবল নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা ও ভাংচুর করে। এছাড়া ১৫ থেকে ২০ মন আবাদি ফসল ভূট্রা নিয়ে যায়।