/ হোম / অপরাধ
আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘি ইউনিয়ন পরিষদের আলোচিত চেয়ারম্যান ও যুবদল নেতা মালেক হত্যা মামলার আসামি হেকমত সিকদারের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মালেকের স্ত্রী মর্জিনা বেগম, বোন রোমেছা খাতুন, মামা বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছেদ, এলাকাবাসী রফিকুল ইসলাম, মো. শামসুদ্দিন প্রমুখ।

এই মানববন্ধনে প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে প্রায় তিন শতাধিক এলাকাবাসী অংশ গ্রহণ করে।

জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৮ মার্চ ঘাটাইলের সাগরদিঘি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাত ৩টায় গুলিতে আব্দুল মালেক (৪৫) নামে এক স্থানীয় যুবদল নেতা নিহত হন। পরদিন ২৯ মার্চ গুপ্তবৃন্দাবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

স্থানীয়রা জানায়, সাগরদিঘী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হেকমত সিকদারের লোকজন ব্যালট পেপারে সিল মারছে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুল্লাহ বাহারের সমর্থকসহ এলাকাবাসী সেখানে হামলা চালায়। এ সময় স্কুলঘরের ভেতর থেকে হামলাকারীদের প্রতি কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশও গুলি চালায়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আব্দুল মালেক নিহত হন।

তিনি গুপ্তবৃন্দাবন গ্রামের বাসিন্দা নেছার উদ্দিনের ছেলে। পরে ২ এপ্রিল আব্দুল মালেকের স্ত্রী মর্জিনা বেগম বাদি হয়ে ঘাটাইল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি একাধিক তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের পর সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইল সিআইডির পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান আকন্দ জানান, তারা সরেজমিনে ঘটনার পূর্বাপর তদন্ত শেষে রোববার (১ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে হেকমত সিকদারকে গ্রেপ্তারের পর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। সোমবার তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জানুয়ারী ২০২৩ ১১:৩৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভাতিজার দায়ের কোপে চাচা নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভাতিজার দায়ের কোপে চাচা নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ভাতিজার দায়ের কোপে চাচা নিহতের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার(৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার বানিয়াজান ইউনিয়নের বানিয়াজান দক্ষিণপাড়া বাবুল বাজারের এক চায়ের দোকানের পাশে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।

নিহত চাচা মো. শরিফ উদ্দিন (৩৫) ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

এই ঘটনায় ভাতিজা মো. ইদ্রিস আলীকে (৫০) উপজেলার বানিয়াজান ইউনিয়নের বানিয়াজান দক্ষিণপাড়া নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত ভাতিজা ইদ্রিস আলী একই গ্রামের মৃত করিম উদ্দিনের ছেলে । সে বানিয়াজান ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্তমান সভাপতি।

ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী চায়ের দোকানদার হায়দার আলীসহ স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দোকানের পাশে প্রস্রাব করতে বসে শরিফ। হঠাৎ করে ইদ্রিস ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর মাথায় কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়ারা তাঁকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের মা হাজেরা বেগম জানান, ‘রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপালের নেয়ার পথে মধুপুরে মারা যায় শরিফ। পূর্ব শত্রুতার জেরে ইদ্রিস শরিফকে খুন করেছে। আমরা এর বিচার চাই। শরীফ ও ইদ্রিস সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।

শরিফ উদ্দিনের স্ত্রী আফরোজা বেগম জানান ‘আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে আমার অবুঝ মেয়াটার এখন কি হবে। সে আর বাবা বলে ডাকতে পারবে না বলে কাঁদতে কাঁদতে মুর্ছা যান তিনি।

এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিচার দাবি করে স্থানীয় ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন জবান , ‘এই ঘাতকের কঠোর বিচার হওয়া দরকার।’

এদিকে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ইদ্রিস আলীর স্ত্রী খালেদা বেগম জানান ‘রাতে পুলিশ এসে তাঁর স্বামীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে।

ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচএম জসিম জানান, ‘ঘটনার সংবাদ পেয়ে রাতেই ঘাতককে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (৪ জানুয়ারি সকালে)আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান,নিহতের বড় ভাই বাবুল হোসেন বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জানুয়ারী ২০২৩ ১০:৩৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে এক সন্তানের জনক কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে এক সন্তানের জনক কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে প্রতিবেশি পাঁচ বছরের এক শিশুকে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত এক সন্তানের জনক মো. সুজন মিয়াকে (৩২) গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) আদালতে পাঠিয়েছে ধনবাড়ী থানা পুলিশ।

এর আগে সোমবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার যদুনাথপুর ইউনিয়নের এক গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মো. সুজন মিয়া পার্শ্ববর্তী জামালপুর জেলার দিকপাইত সদরের মাতারপাড়া গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে। সে ধনবাড়ীতে বিয়ে করে ঘর জামাই হিসাবে থেকে আসছিল।

ভুক্তভোগী শিশুর বাবা জানান, সোমবার দুপুরে শিশুটি তাঁর কয়েকজন সঙ্গীর সাথে বাড়ির পাশে খেলা করছিল। সঙ্গীরা চলে গেলে প্রতিবেশি সুজন মিয়া শিশুটিকে ডেকে নিয়ে নিজ ঘরে নির্যাতন চালায়। শিশুটির ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে সুজন মিয়াকে আটক করে। পরে এলাকাবাসী তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। রাতেই সুজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

ধনবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইদ্রিস আলী জানান, শিশুটির বাবা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে সুজন মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে করাগারে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জানুয়ারী ২০২৩ ০৩:০৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলের আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদীঘি ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার(১ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে সিআইডি’র একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়।

জানাগেছে, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদীঘি ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে স্থানীয়রা বিক্ষোভ-মানববন্ধন ও পাল্টা বিক্ষোভ-মানববন্ধনের কারণে তিনি আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিতি পান।

২০১৮ সালের ২৯ মার্চ(বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনের আগের রাতে সোনামুড়ি গুপ্ত বৃন্দাবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের সময় পুলিশের গুলিতে গুপ্ত বৃন্দাবন গ্রামের নেছার আলীর ছেলে যুবদল নেতা মালেক মিয়া নিহত হন। এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানায় পুলিশ বাদি হয়ে মামলা দায়ের করে। পরে নিহত যুবদল নেতা মালেক মিয়ার পরিবারের দায়েরকৃত মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারকে আসামি করা হয়। মামলাটি একাধিক তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের পর সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইল সিআইডি’র পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান আকন্দ জানান, তারা সরেজমিনে ঘটনার পূর্বাপর তদন্ত শেষে রোববার দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে হেকমত সিকদারকে গ্রেপ্তারের পর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানবীর আহাম্মেদ জানান, সিআইডি ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে উপস্থাপন করে। আদালত আগামি সোমবার(২ জানুয়ারি) রিমান্ড শুনানীর তারিখ নির্ধারণ করে হেকমত সিকদারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রকাশ, ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বদলি করার হুমকি, কর্মসৃজন প্রকল্পের অতিদরিদ্রদের টাকা আত্মসাৎ, বন বিভাগের জমি দখল করে লেবু ও কলা বাগান, ড্রাগন বাগান তৈরি করা, সংরক্ষিত বনের শাল ও গজারির বাগান কাটা, সরকারি ভূমি দখল করার এন্তার অভিযোগে স্থানীয়রা বিক্ষোভ-মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। এছাড়া তিনি সাগরদীঘি এলাকার অ্যাডভোকেট ফরহাদ হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত আসামি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. জানুয়ারী ২০২৩ ০৩:২২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৪ মাদক ব্যবসায়ী আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৪ মাদক ব্যবসায়ী আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৩৪০ বোতল ফেনসিডিলসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে দুইজন আপন সহোদর।

শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে ভূঞাপুর উপজেলার ছাব্বিসা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
এ সময় জব্দ করা হয় মাদক পরিবহনে কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ-২১-১৯৬৩)।

আটককৃতরা হলেন- ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার মহেন্দ্রগাঁও গ্রামের মো. সাহেব আলীর ছেলে মো. মরতুজা আলম (২৫) ও মো. সাহাবুদ্দিন আলম (২৩), মো. মফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. মাসুদ রানা (২১) ও পীরগঞ্জ উপজেলার খরসিংরা গ্রামের মৃত হযরত আলীর ছেলে মো. শহিদুল ইসলাম (৪২)।

র‌্যাব-১৪ এর সিপিসি ৩ কোম্পানি অধিনায়ক রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, শুক্রবার ভোরের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছাব্বিসা এলাকায় তল্লাশি চৌকি স্থাপন করা হয়। পরে মাদক কারবারিদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছে থাকা একটি প্রাইভেটকারের ব্যাক ডালার ভেতর দুইটি প্লাস্টিকের বস্তা ও একটি স্কুল ব্যাগ থেকে ৩৪০ বোতল ফেনসিডিল জব্দ হয়। এছাড়াও তাদের কাছ থেকে নগদ তিন হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা মাদক কারবারে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। ঠাকুরগাঁও সীমান্ত থেকে মাদক সংগ্রহ করে গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতো তারা।’

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা জানান ‘গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ভূঞাপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. ডিসেম্বর ২০২২ ০২:৫৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মহিলা ইউপি সচিবকে লাঞ্ছনার ঘটনায় ইউপি মেম্বার আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মহিলা ইউপি সচিবকে লাঞ্ছনার ঘটনায় ইউপি মেম্বার আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সচিবকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় এক ইউপি সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।লাঞ্চনার সময় আহত হয়েছে আরও দুই মহিলা গ্রাম পুলিশ সদস্য।

বৃহস্পতিবার(২২ ডিসেম্বর) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কক্ষে তাঁর উপস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটে।

থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ও ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. তোফাজ্জল হোসেন তুলাকে আটক করেছে ধনবাড়ী পুলিশ। বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলাজুড়ে চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।

শারীরিকভাবে লাঞ্চনার সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান, একাধিক ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।

ওই ইউপি সচিব জানান, চেয়ারম্যানের সঙ্গে তাঁর কক্ষে আলোচনা চলছিল। এ সময় একাধিক ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কথা বলার একপর্যায়ে তুলা মেম্বার ক্ষিপ্ত হয়ে অতর্কিতভাবে আমার উপর হামলা করে কিল-ঘুষি মারতে-মারতে বাইরে আনে। তাঁকে বাঁধা দিলে রহিমা খাতুন ও পারুল আক্তার নামের দুই গ্রাম পুলিশ সদস্যদেরও আহত করে সে।

তিনি আরও বলেন, ‘অন্য ইউপি সদস্যরা আমাকে এ সময় উদ্ধার করে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়। তুলা মেম্বার বিভিন্ন সময় আমাকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। রাজি না হওয়ায় আমার উপর ক্ষিপ্ত সে। সঠিক বিচার চাই।

বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য বলেন, ‘সচিব আগে আমাকে থাপ্পর মেরেছে। আমি তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্চনা করেনি।

শারীরিকভাবে লাঞ্চনা করার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুশুদ্দি ইউপি চেয়ারম্যান আবু কাউসার।

ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আসলাম হোসাইন বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে ঘটস্থল পরিদর্শন করেছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ওই ইউপি সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত স্বাপেক্ষ আইনি ব্যবস্থা নেয়ো হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. ডিসেম্বর ২০২২ ০২:৫৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিয়ের দাবিতে অনশনে প্রেমিকা, প্রেমিক উধাও - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিয়ের দাবিতে অনশনে প্রেমিকা, প্রেমিক উধাও

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করছেন এক স্কুলছাত্রী। বুধবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল থেকে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের ভুয়াইদ এলাকার প্রেমিক রাসেলের (২০) বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন তিনি।

ঘটনার পর থেকে প্রেমিক রাসেল বাড়ি থেকে উধাও হয়ে গেছেন।

রাসেল ওই গ্রামের প্রবাসী সাইফুল ইসলামের ছেলে। সে কালিহাতী লাইয়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ কলেজে অধ্যায়নত রয়েছেন।

ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়নের তক্তারচালা জিনিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। সে এ বছর সখীপুর পিএম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেছেন।

ওই ছাত্রী জানান, প্রায় দেড় বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক। প্রেমের ফাঁদে ফেলে এবং বিয়ের প্রলোভনে প্রেমিক রাসেল তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। সম্প্রতি তার কয়েকটি বিয়েও ভেঙে দেয় রাসেল। পরে বিষয়টি দুই পরিবার জেনে যায়। এরপর থেকেই রাসেলকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন তিনি। রাসেলের পরিবার এই সম্পর্ক মানতে নারাজ। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে তিনি অনশন শুরু করেছেন। প্রেমিক বিয়ে না করলে আত্মঘাতি হবেন বলেও জানান ওই ছাত্রী।

পলাতক থাকায় এ নিয়ে প্রেমিক রাসেলের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে রাসেলের এক স্বজন বলেন, ওই মেয়ের সঙ্গে রাসেলের প্রেমের সম্পর্ক নেই। তবে তাদের মধ্যে পরিচয় থাকতে পারে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মেজবাহ উদ্দিন বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, এ নিয়ে এখনো থানায় কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ডিসেম্বর ২০২২ ০৪:৪৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দেখা করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার কিশোরী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দেখা করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার কিশোরী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে এক কিশোরী (১৬) ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সোহেল রানা (২৩) নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।

পরে কিশোরীর বাবা মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায়  একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

বুধবার (২১ ডিসেম্বর) ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, আটককৃত যুবক সোহেলের সঙ্গে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর মোবাইলে পরিচয় হয়। সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে ওই কিশোরীর সঙ্গে দেখা করতে যান সোহেল। পরে তাকে নির্জন এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ করেন। কিশোরীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে সোহেলকে আটক করে পুলিশে দেয়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার  রাতে কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ডিসেম্বর ২০২২ ০২:৫২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছেলের কোপে আহত বাবার মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছেলের কোপে আহত বাবার মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ছেলের কুড়ালের কোপে আহত বাবা আজহার আলীর (৭০) মৃত্যু হয়েছে। ছেলে আব্দুর রহিমকে (৩২) জমি লিখে না দেওয়ায় গত ৬ ডিসেম্বর বাবা আজহার আলীকে কুড়াল দিয়ে জখম করেন ছেলে। সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের শহর গোপিনপুর চওনাপাড়া গ্রামে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, আজহার আলীর পাঁচ মেয়ে এক ছেলে। আব্দুর রহিম জমি বিক্রি করে মালেয়েশিয়া ও সৌদি আরবে প্রবাসজীবন কাটিয়ে বর্তমানে বাড়িতেই অবস্থান করছেন। আজহার ইতিমধ্যে জমিজমার প্রাপ্য অংশ মেয়েদের বুঝিয়ে দিয়েছেন। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বিবাদ ছিল। ৬ ডিসেম্বর রাতে বাবা-ছেলের ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে বাবার মাথায় কুড়াল দিয়ে কোপ দেন ছেলে আব্দুর রহিম।

এ সময় তার মা রহিমা বেগম আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে আহত আজহার আলীকে উন্নত চিকিৎসার জান্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দিবাগত রাতে মৃত্যু হয় তার।

গত ১২ ডিসেম্বর নিহতের মেয়ে রোকসানা বেগম বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায় মারামারির মামলা দায়ের করেন। মামলায় নিহতের ছেলে আব্দুর রহিম (৩২) ও তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তারকে আসামি করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধলাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) ফজলুল হক জানান, মারামারির ঘটনার মামলাটি এখন হত্যা মামলায় পরিবর্তিত হবে। মামলার অভিযুক্ত আসামিরা বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. ডিসেম্বর ২০২২ ০৩:৫০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বেসরকারি ক্লিনিকে মা ও গর্ভের শিশুর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেসরকারি ক্লিনিকে মা ও গর্ভের শিশুর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে গর্ভবতী এক মা ও তার গর্ভের শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার মা ও শিশু কেয়ার ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘ‍টে।

মৃত মাজেদা আক্তার(২৫) উপজেলার কচুয়া গ্রামের মো. আরিফুল ইসলামের স্ত্রী।

মৃত মাজেদার পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গর্ভবতী মাজেদার প্রসব বেদনা শুরু হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্দেশ্যে তাকে নিয়ে রওনা হয় তার পরিবার । উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার আগেই মা ও শিশু কেয়ার ক্লিনিকের দালালদের খপ্পরে পড়েন মৃত মাজেদার পরিবার। পরে মা ও শিশু কেয়ার ক্লিনিকে সোমবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ভর্তি করানো হয়। উপযুক্ত সময়ে সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে মঙ্গলবার ভোরে ওই গর্ভবতী নারীর মৃত্যু হয়। ওই ক্লিনিকের একমাত্র চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ শামসুল আলম সকাল সাড়ে সাতটার আগে মৃত মাজেদাকে দেখেননি বলেও অভিযোগ করেছে মাজেদার পরিবার।

মাজেদা আক্তারের স্বামী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, রাতে ভর্তি করানোর পরে ওই ক্লিনিকের কোন চিকিৎসক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই শুধু কয়েকটি স্যালাইন ছাড়া। উপযুক্ত চিকিৎসা না পেয়ে আমার স্ত্রী ও তার গর্ভের সন্তান মারা গেছে, আমি এর বিচার চাই।

এ বিষয়ে ওই ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, গর্ভবতী মাজেদা আক্তার রাত তিনটার দিকে আমাদের এখানে ভর্তি হয় ‌। ল্যাব টেকনোলজিস্ট রক্তের গ্রুপ ও পরিমাণ পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন। পরীক্ষার ফলাফলে রক্তের পরিমাণ ৮.৬ হওয়ায় রোগীর পরিবারকে রক্তের ব্যবস্থা করতে বলা হয়। পরিবারের লোকজন রক্তের ব্যবস্থা করতে পারেন নাই এবং ডাক্তার সাড়ে সাতটার দিকে এসে রোগীর অবস্থা মুমূর্ষ দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, রোগী মারা যাওয়ার পর হইহুল্লার সৃষ্টি হয় যার ফলে আসলেও গর্ভের বাচ্চাটির অবস্থা নির্ণয় করা হয়নি এটি আসলেও ভুলবশতই হয়েছে।

মা ও শিশু কেয়ার ক্লিনিকের পরিচালক ও চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ সামছুল আলম বলেন, ওই রোগী রাতে ভর্তি হলেও আমি জেনেছি ভোর রাতে। টেস্টে দেখি রক্তশূন্যতা ও শ্বাস কষ্ট রোগ রয়েছে। পরে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে রেফার্ড করি। রেফার্ডের রোগী অন‍্য হাসপাতালে নিতে বিলম্ব হওয়ায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

জানতে চাইলে এ বিষয়ে সখীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রেজাউল করিম জানান, এ বিষয়ে থানায় এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করে নাই।

প্রকাশ, গতকয়েক মাস আগেও ওই ক্লিনিকে চিকিৎসকের অবহেলায় এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ রয়েছে ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. ডিসেম্বর ২০২২ ০১:০০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতা ফারুক চেয়ারম্যানের ৯ম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতা ফারুক চেয়ারম্যানের ৯ম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুকের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে পৌর এলাকার সিলমী পার্টি সেন্টারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এড.আহমেদ আযম খান ।
সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন,সাধারণ সম্পাদক এড.ফরহাদ ইকবাল, নিহত রফিকুল ইসলাম ফারুকের ছোট ভাই দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম লাবু প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে নিহতের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে গণভোজের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান এড.আহমেদ আযম খান বলেন,একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে, শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমানের গড়া গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে এই কর্তৃত্ববাদী শাসক দূর্বিষহ করে তুলেছে। সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম কে পঙ্গু করে ফেলেছে এই সরকার। তিনি হত্যাকারীদের দ্রুত শাস্তি দাবি করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে ২০ ডিসেম্বর ভোরে টাঙ্গাইল শহরের বটতলা কাঁচাবাজারে কাছে রফিকুল ইসলাম ফারুককে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. ডিসেম্বর ২০২২ ০৮:১৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মায়ের উপর অভিমানে নববধুর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মায়ের উপর অভিমানে নববধুর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মায়ের উপর অভিমান করে কীটনাশক পানে মেরি আক্তার ফাতেমা (১৮) নামে এক নববধুর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে গোপালপুর থানা পুলিশ নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহত নববধু পৌরশহরের সওদাগর পাড়ার আলমগীর হোসেনের ছেলে শফিকুল ইসলামের স্ত্রী।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা মারফত থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর পূর্বে উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের মজিদপুর সওদাগর পাড়ার মারফতের মেয়ে মেরি আক্তার ফাতেমার সাথে শফিকুলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়েকে স্বামীর বাড়ী পাঠানো হয়নি। সেজন্য ফাতেমা বাবার বাড়ীতে বসবাস করত।

শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকালে সাংসারিক কাজ করা নিয়ে ফাতেমাকে তার মা রুনা বেগম বকাঝকা করে। এতে সে মায়ের উপর অভিমান করে ঘরে থাকা কীটনাশক পান করে। ঘটনা টের পেয়ে বাড়ীর লোকজন প্রথমে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মামুন ভূঞা জানান, নিহতের লাশ রবিবার ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে গোপালপুর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. ডিসেম্বর ২০২২ ০১:১০:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।