একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসার সালিস বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলায় হান্নান (২৬) নামের এক যুবক মারা গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় হান্নানের বড়ভাই আবু হানিফাও গুরুতর জখম হয়েছেন।
শনিবার ( ৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের আশ্রা দক্ষিণপাড়া মাস্টারবাড়ি মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আশ্রা গ্রামের আমজাদ হোসেন ও ইদ্রিস আলীর সঙ্গে প্রতিবেশী হাতেম আলীর জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার সালিস বৈঠক হয়। শনিবার বিকেলেও মাস্টারবাড়ি মোড়ে এ নিয়ে সালিস বৈঠক চলছিল। বৈঠক চলাকালেই হাতাহাতি ও মারামারি হয়। এর একপর্যায়ে বড়ভাই আবু হানিফার ওপর আক্রমণকারীরা চরাও হলে ছোট ভাই হান্নান ফেরাতে গিয়ে আক্রমণের শিকার হন। তখন হান্নান আত্মরক্ষার্থে দৌড়ে গিয়ে নিকট আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে গিয়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
স্থানীয় চিকিৎসক আব্দুল কাদের তার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হেলাল উদ্দিন জানান, ‘হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই রাস্তায় আহত রোগীর মৃত্যু হয়েছে।’
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল আমিন জানান, ‘জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মহিষমারা ইউপির এক নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সরাফত আলী ও তিন নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জুয়েল রানাকে লাউফুলা পুলিশ ফাঁড়িতে ডেকে আনা হয়েছে। এ নিয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে খলিলুর রহমান (৬০) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে একমাত্র আসামীকে টাঙ্গাইল জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নের ভাদুরীরচর গ্রামের মৃত মসলিম উদ্দিনের ছেলে ও ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য।
জানা যায়, শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) খলিলুর রহমান মাদরাসার গেট থেকে ওই ছাত্রীকে ডেকে নেন। তারপর চকলেট দেওয়ার কথা বলে কৌশলে পাশের পুকুর পাড়ের নির্জন ঘরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে আসামি দৌঁড়ে পালিয়ে যান।
গোপালপুর থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, ওই শিশুটির মা বাদি হয়ে শনিবার রাত, ১১ টায় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
তিনি আরো জানান, মামলার একমাত্র আসামী খলিলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে রবিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতির সংবাদ প্রচার করায় সময় টিভির বার্তাপ্রধান মুজতাবা দানিশের বিরুদ্ধে ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে করা মামলা ও পুলিশি হয়রানির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (০৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ঘণ্টাব্যাপী জেলায় নিয়োজিত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা পালন করেন এ কর্মসূচি।
এ সময় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও যুগান্তর পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার জাফর আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক ও আরটিভির স্টাফ রিপোর্টার কাজী জাকেরুল মাওলা, বাংলা ভিশনের জেলা প্রতিনিধি আতাউর রহমান আজাদ, প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখরসহ জেলায় নিয়োজিত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত হয়ে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
সমাবেশে সাংবাদিকরা জানান, ডিজিটাল অ্যাক্ট আইন করে প্রতিনিয়তই সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতির সংবাদ প্রচার করায় সময় টিভির বার্তাপ্রধান মুজতাবা দানিশ ও রংপুর ব্যুরোপ্রধান রতন সরকারের নামে ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে মামলা করে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই সাংবাদিক সমাজ মেনে নিতে পারে না।
সাংবাদিক নেতারা আরও বলেন, সম্প্রতি আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে সাংবাদিকদের কোনো সমস্যা হবে না বলে জানান। তারপরও এই আইনেই সাংবাদিকরাই হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন। তাই অনতিবিলম্বে সময় টিভির বার্তাপ্রধান ও সাংবাদিক রতন সরকারের নামে দায়ের করা ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে করা মামলা প্রত্যাহারসহ দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকরা মামলা প্রত্যাহার ও পুলিশি হয়রানি বন্ধ না হলে অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ।
উল্লেখ্য, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের তোয়াক্কা না করে ফল প্রকাশ, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীকে পাস করানোসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি ধরা পড়লেও বহাল তবিয়তে রয়েছেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সামসুল হক। বিতর্কিত সাবেক ভিসি ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর সময়কালে সংঘঠিত এসব অপকর্মের বিচার চাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সহকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন সাবেক ভিসি কলিমুল্লাহ চক্রের প্রভাবশালী সামসুল হক। সময় টিভিতে এসব সংবাদ প্রচারের অভিযোগে সময় টিভির বার্তাপ্রধান ও রংপুর ব্যুরোপ্রধানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে মামলা দায়ের করে হয়রানি করা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ নদী-চর-খাল-বিল গজারির বন, টাঙ্গাইল শাড়ী তার গরবের ধন। টাঙ্গাইলের ফুসফুস খ্যাত মধুপুরের শাল গজারির বন নব্বইয়ের দশক থেকে পর্যায়ক্রমে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখলদারিত্বের কারণে বিলীন হওয়ার পথে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, একসময় ৪৫ হাজার ৫৬৫.৩৮ একর এলাকা জুড়ে মধুপুরের শালবন বিস্তৃত ছিল। দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় প্রভাবশালীদের জবর দখলের কারণে শালবনের বিস্তৃতি এসে দাড়িয়েছে ৯ হাজার একরে। এ হিসেবে মধুপুর বনাঞ্চলের পাঁচ ভাগের চার ভাগই এখন জবর দখলকারীদের নিয়ন্ত্রণে।

অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন, রাজনীতিক ও বনাঞ্চলের নিকটবর্তী বিভিন্ন উপজেলা থেকে বহিরাগত প্রভাবশালীরা স্থানীয় নৃ-জনগোষ্ঠীদের অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে হাজার হাজার একর বনভূমি উজাড় করে নিচ্ছে। সম্প্রতি দোখলা রেঞ্জ অফিসের প্রায় ৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব পার্শ্বের গহীন শালবনের মাগিচোরাচালা এলাকায় গজারি, সিদা, আজুগিসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৩ শতাধিক গাছ কেটে নিয়ে গেছে স্থানীয় একটি চক্র।

সরেজমিনে, মধুপুর বনাঞ্চলের দোখলা রেঞ্জের আওতাধীন মাগিচোরাচালা এলাকায় গিয়ে দেখা যায় বনখেকো একটি চক্র বনাঞ্চলের বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নিয়ে গেছে। শুধু ডালপালাগুলো ওইখানে অযাচিতভাবে পড়ে আছে। উজারকৃত বনের পাশেই রয়েছে কয়েকটি উডলট বাগান। জয়নাগাছা গ্রামের দক্ষিণপার্শ্বে ওইসব উডলট বাগানের মালিক সেলিম মিয়া, রনজিত মেম্বার ও দেলু ফকির। তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা জানান, পার্শ্ববর্তী হরিনধরা গ্রামের তোতা মিয়া বন বিভাগকে ম্যানেজ করে প্রাকৃতিক বাগানের গাছ কেটে প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে আনারস রোপনের পায়তারা করছে।
তারা আরো জানান, দোখলা রেঞ্জ অফিসার হামিদুল ইসলাম তোতা মিয়ার চাচা শ্বশুর হওয়ার সুবাদে অর্থের বিনিময়ে তাকে ম্যানেজ করে গাছ কেটে আনারস বাগান করার পায়তারা করছে।

তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই বন কর্মকর্তাদের যোগসাজসে স্থানীয় প্রভাবশালীরা নতুন নতুন বনভূমির গাছ কেটে প্রথমে জমিটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন। পরে ওই জমিতে আনারস কলাসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করেন। এভাবেই পর্যায়ক্রমে মধুপুর গড়ের হাজার হাজার একর বনভূমি প্রভাবশালীদের দখলে চলে গেছে।
তোতা মিয়া জানান, তিনি কখনো কোন বনের জায়গা জবর দখল করেননি। তার পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমিতে আনারস কলাসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে থাকেন। এছাড়া অন্যের কলা বাগান কিনেও কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় কলা বিক্রি করে থাকেন। রেঞ্জ অফিসার হামিদুল হক তার চাচা শ্বশুর নন।
মধুপুর বনাঞ্চলের দোখলা রেঞ্জের দায়িত্বরত বিট কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম জানান, তিনি গত মাসে এই রেঞ্জে দায়িত্ব নিয়েছেন। দীর্ঘদিনের গাছকাটা এবং বনের জায়গা জবর-দখলের প্রচলন থাকলেও তিনি এসে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করছেন। স্থানীয় জবর-দখলকারীরাই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুৎসা রটাচ্ছেন।
টাঙ্গাইলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সাজ্জাদুর রহমান জানান, বনের গাছ চুরি ও ভূমি জবর-দখলের বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক মসজিদ ও মাদরাসার পেশ ইমাম মুফতি সাইফুল ইসলামের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে স্থানীয় আমরা মির্জাপুরবাসী নামে একটি সংগঠন। এসময় তারা আসামীদের গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম ঘোষণা দেন।
শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কুরনী জালাল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মুফতি আব্দুর রহমান, মুফতি এরশাদুল ইসলাম, নুর মোহাম্মদ, হাফেজ মাওলানা আব্দুর মামুন, জাকির হোসেন, মোহাম্মদ আলী, আব্দুর রহীম ও হাবিুল্লাহ প্রমুখ।
স্থানীয়রা জানান, সমজিদ ও মাদরাসার জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পেম ইমামের উপর হামলা করা হয়।
হামলায় অভিযুক্তরা হলেন যুবলীগ নেতা ও হাতকুড়া গ্রামের আব্দুল লতিফ আলীর ছেলে আসাদুল্লাহ আসাদ ও তার ভাই কদম আলী।
আয়োজকরা জানান, হাতকুড়া গ্রামের সামাজিক মসজিদ ও মাদরাসার জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ১৮ জানুয়ারি যুবলীগ নেতা আসাদ ও তার ভাই কদম আলীসহ কতিপয় সন্ত্রাসী মসজিদ ও মাদরাসার পেশ ইমাম মুফতি সাইফুল ইসলামের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এসময় তারা ইমামের মুখের দাড়ি কেটে নেয়।
জানা গেছে, এ বিষয়ে মির্জাপুর থানায় মামলা হলেও ঘটনার ১৫ দিন পার হলেও আসামিরা গ্রেপ্তার হয়নি। আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে শনিবার আমরা মির্জাপুরবাসী নামে একটি সংগঠন এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে।
প্রতিবাদ সমাবেশে আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার না করা হলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধসহ বৃহত্তর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন আয়োজকরা।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার সেকেন্ড অফিসার মো. মোশারফ হোসেন জানান, মামলার পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে গেছে। আসামিদের ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ছদ্মবেশ ধারণ করে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে কালিহাতী পৌর এলাকার সিলিমপুর চাটিপাড়া আক্তার হোসেনের মার্কেটের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো- ঘাটাইল উপজেলার জামালপুর গ্রামের মনিরুল ইসলাম মনির (৩৫) ও গোপালপুর উপজেলার কামাক্ষাবাড়ি গ্রামের সুমন ভূঁইয়া (৩২)।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, মাদক সমাজের জন্য ভয়ংকর অভিশাপ। সমাজ তথা দেশকে মাদক থেকে রক্ষার জন্য আমরা কঠোর পুলিশি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি।
তিনি জানান, তারই ধারাবাহিকতায় দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই মিন্টু চন্দ্র ঘোষ ও সঙ্গীয় ফোর্স লুঙ্গি-গামছা পরে ছদ্মবেশ ধারণ করে কালিহাতী পৌর এলাকার সিলিমপুর চাটিপাড়া আক্তার হোসেনের মার্কেটের সামনে থেকে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ ওই মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করেন।
তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রাতের আঁধারে চার কবর থেকে কঙ্কাল চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাতের কোন এক সময় উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের একটি কবরস্থান থেকে কঙ্কালগুলো চুরি হয়।
স্থানীয়রা জানান, সকালে গ্রামের লোকজন কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মাটির স্তূপ দেখে কাছে যান। সেখানে গিয়ে চারটি কবর থেকে কঙ্কাল চুরির বিষয়টি দেখতে পান। খবর পেয়ে গ্রামের মানুষ কবরস্থানে গিয়ে ভিড় করেন।
গোড়াইল গ্রামের নয়াপাড়ার বাসিন্দা মো. আলমগীর হোসেন জানান, চারটি কবর থেকে তিনজন নারী ও একজন পুরুষের কঙ্কাল চুরি হয়। এর আগেও দুই দফায় এ কবরস্থান থেকে আরও ৬টি কঙ্কাল চুরি হয়।
তিনি আরো জানান, কবরস্থানে সৌর বিদ্যুতের দুটি লাইট থাকলেও একটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল এবং অপরটিও মিটিমিটি করে জ্বলে।
গোড়াইল কবরস্থান কমিটির সভাপতি মো. মকবুর হোসেন জানান, দুর্বৃত্তরা পুরাতন কবর খুঁড়ে কঙ্কাল চুরি করে। এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, বিষয়টি কেউ পুলিশকে অবহিত করেনি।
এ প্রসঙ্গে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাফিজুর রহমান জানান, এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় দেওয়ান আখতারুজ্জামান ওরফে চপল (৫০) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে মুধু মিয়া (৬১) নামে অপরজনকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মোস্তফা শাহরিয়া খান এ আদেশ দেন।
দন্ডিত আখতারুজ্জামান ওরফে চপল ও মধু মিয়া টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ডের এনায়েতপুর এলাকার বাসিন্দা। মামলা চলাকালীন সময়ে জামিনে মুক্তি পেয়ে দণ্ডিত দুই জনই পলাতক রয়েছেন।
এদের মধ্যে চপলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ছাড়াও ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং মধু মিয়াকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি টিম ২০১১ সালের ২০ জুলাই শহরের এনায়েতপুরের দেওয়ান আখতারুজ্জামানের বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানে তার ঘর থেকে ৫০ বোতল নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ সময় ওই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরো জানান, এরপর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক খোরশেদ আলম বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) বিথী চ্যাটার্জী ২০১১ সালের ২০ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ৬ জনকে আসামি করা হয়। এরমধ্যে ৫ জন সাক্ষ্য দেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ভাতিজার বউয়ের সাথে অনৈতিক কাজ করতে গিয়ে সোমবার (৩০ জানুয়ারী) রাতে জনতার হাতে আটক সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কাদের জোয়ারদার। পরে তাকে ঘরের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে জনতা। স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ছানোয়ার হোসেন জিম্বা হয়ে গভীর রাতে তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইতিপূর্বে অস্ত্রসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তার নামে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। সোমবার রাত ১১টায় মদ্যপ অবস্থায় তার ২নং ওয়ার্ড থেকে ৯নং ওয়ার্ডে ভাতিজা বউয়ের শ্লীলতাহানি করতে যায়। এসময় ভাতিজা বউ বাধাঁ দিলে বল প্রয়োগ করে ও বাজে ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। উপায়ন্তর না দেখে নিজের সন্মান বাচাতে তাকে স্থানীয় এলাকাবাসির সহায়তায় বসত ঘরের বারান্দার খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে। পরে ভোর হওয়ার আগেই ঐ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ছানোয়ার হোসেন তার জিম্মায় শালিশী বৈঠকের কথা বলে তাকে ছাড়িয়ে নেন।
এদিকে ভাতিজা বউ রাতেই বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কাদেরকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শরিফ।
মামলার বাদী ভাতিজা বউ জানান, সে আমার সম্পর্কে চাচা শশুর। দির্ঘদিন ধরে সে আমাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলো মদ খেয়ে বাড়ীর সামনে এসে মাতলামী করতো। কেউ কিছু বলতে গেলে তাকে মারতে যেতো ভয়ে কেউ কাছে যেত না। ঘটনার দিন নিজের ইজ্জত বাচাঁতে তাকে স্থানীদের সহায়তায় জাপটে ধরে বসত ঘরের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখি। পরে ছানোয়ার মেম্বার এসে রাত ৩টার দিকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় তাকে।
তিনি আরো জানান, পরে থানায় মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পোড়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাদত হোসেন জানান, “পাপে ছারেনা বাপেরে” তাকে এর আগে অনেকবার শাসন করা হয়েছে। সে আসলে ভাল হবার নয়। এখন মামলা হয়েছে, পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে এখন আইনি প্রক্রিয়া যা হবার তাই হবে। তবে সুষ্ঠ বিচার হোক এটাই আমার কাম্য।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ছালাম মিয়া পি.পি এম জানান, বাদি নিজে এসে সশরীরে থানায় উপস্থিত হয়ে মামলা করলে আমরা বিষয়টি আমলে নিয়ে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভারতেশ্বরী হোমসের এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে মির্জাপুর থানা পুলিশ।
সোমবার (৩০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে কুমুদিনী হাসপাতালের ইনসেন্টিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) থেকে শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেনে মির্জাপুর থানার উপ পরিদর্শক মো. মজিবর রহমান।
নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম মেহজাবিন সায়মা। তিনি ভারতেশ্বরী হোমসের দ্বাদশ শ্রেণী ও বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি নড়াইল জেলার নরাগাথি থানার কালিয়া উপজেলার জোগানিয়া গ্রামের কিয়ামত আলী সিকাদারের মেয়ে বলে জানা গেছে।
নিহত ওই ছাত্রীর বাবা মো. কিয়ামত সিকদার জানান, সোমবার দুপুর ২টার দিকে হোমস থেকে তাকে যত দ্রুত সম্ভব তাকে আসতে বলা হয়। হোমস কর্তৃপক্ষ জানায় তার মেয়ে বাথরুমের ঝর্ণার সাথে গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তিনি মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় ভারতেশ্বরী হোমস কর্তৃপক্ষের অবহেলা রয়েছে বলে দাবি করেন।
তবে এ ব্যাপারে সরাসরি ও মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও হোমস কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি সোমবার দুপুরের পর থেকে ভারতেশ্বরী হোমসে প্রবেশাধিকারেও ছিলো কড়াকড়ি অবস্থান।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, সংবাদ পাওয়ার পর আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে খাদিজা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে হালিমন বেগম নামে এক শাশুড়িকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতের রুপন কুমার দাস এ রায় দেন। হালিমন বেগম কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কুটুরিয়া গ্রামের আমির আলীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাড়ে চার বছর আগে হালিমন বেগমের ছেলে সৌদি প্রবাসী আবু হানিফের সাথে পার্শ্ববর্তী বলদী গ্রামের আব্দুল খালেকের মেয়ে খাদিজার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে আড়াই বছরের এক ছেলে সন্তানও রয়েছে। খাদিজাকে তার শাশুড়ি বিভিন্নভাবে অত্যাচার করতেন। হত্যার দুই দিন আগে শাশুড়ির খাদিজার স্বর্ণের চেন হারানো নিয়ে নিয়ে ঝগড়া হয়। গত বছরের ২৯ মে সকালে খাদিজা আক্তার রোববার সকালে স্ট্রোক করেছে বলে খাদিজাকে হাসপাতালে নিয়ে যান তার শাশুড়ি। বিষয়টি নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হলে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। পরে ওই দিন কালিহাতী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়।
গত বছরের ২৫ নভেম্বর ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট পাওয়ার পর নিহত খাদিজা আক্তারের ভাই শফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে কালিহাতী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় শাশুড়ি বাছিরন বেগমকে প্রধান আসামি করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কালিহাতী থানার এসআই আলামিন বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে শাশুড়ি পলাতক ছিলেন। রোববার সন্ধ্যায় বিশেষ গাড়ি করে রাজশাহী থেকে কুমিল্লা যাওয়ার পথে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার দুপুরে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠালে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তিনি আরও বলেন, এ মামলায় খাদিজার ননদ কমলা বেগম ও প্রতিবেশি মনা বেগম গ্রেপ্তারের পর জামিনে মুক্ত রয়েছেন। এছাড়াও শ্বশুর আমির আলী ও প্রতিবেশি রফিকুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। অপর আসামি প্রতিবেশি মোন্নাব কারাগারে রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ বন রক্ষীদের কাছ থেকে কাঠ বোঝাই গাড়ি ও গুলি ছিনতাইয়ের ঘটনায় তিন বনদস্যুকে আটক করেছে র্যাব। একইসঙ্গে কথিত জ্বীনের বাদশাসহ দুই প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, গত ২৫ জানুয়ারি গভীর রাতে টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের অরণখোলা এলাকায় গজারী গাছ কেটে তা পাচার করছে বলে গোপন সংবাদ পান বন কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম। এরপর বন রক্ষীদের নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলে পৌছে বাঁধা দিলে ২৫/৩০ জন বনদস্যু তাদের বেদম মারপিট করে। এ সময় বনকর্মকর্তার কাছে থাকা রাইফেলের চার রাউন্ড গুলি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওইদিন মধুপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

পাঁচদিন পর র্যাব সদস্যরা টাঙ্গাইল ও গাজিপুরের বিভিন্ন স্থান থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে ছিনতাই হওয়া গুলি এখনও উদ্ধার করা যায়নি।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ভুটিয়া গ্রামের কুরবান আলীর ছেলে শাহাদত আলী (৩৫), একই এলাকার ছোরহাব ভূইয়ার ছেলে মালেক (৪২) ও একই এলাকার আব্দুল কদ্দুসের ছেলে মো: সাইদুল ইসলাম (৩০)।
একই দিনে কথিত জ্বীনের বাদশাসহ দুই প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এ চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভুতিকে কাজে লাগিয়ে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। র্যাব-১৪ এবং র্যাব-৮ এর যৌথ অভিযানে কথিত জ্বীনের বাদশা ও তার সহযোগীকে ভোলা জেলার বোরহান উদ্দিন থানার চকঢোষ গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, একই জেলার চকঢোষ গ্রামের আবুল কাশেম মাতাব্বরের ছেলে মো. আকবর আলী ও জলির মাতব্বরের ছেলে মো. মিরাজ হোসেন।
র্যাব -১৪ এর ৩নং সিপিসি কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের সংবাদ সম্মেলনে আরও জানান, টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার ছিলিমপুর গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে কথিত জ্বিনের বাদশা আকবর আলী। ধর্মীয় নানা প্রভোলন দেখিয়ে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে সাত লাখ টাকার বেশী হাতিয়ে নেয়। এ ঘটনায় ওই প্রবাসীর স্ত্রী বাদি হয়ে কাালিহাতী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে র্যাব সদস্যরা প্রতারক চক্রকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।