/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ট্রাকের চাপায় রহিম বাদশা (২৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৪ নভেম্বর)সকালে উপজেলার সাগরদীঘি-গারোবাজার আঞ্চলিক সড়কের মুরাইদ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সাগরদীঘি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক আতোয়ার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত রহিম বাদশা মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের টিক্কার বাজার এলাকার ময়েজ আলীর ছেলে। তিনি ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের সানবান্ধা এলাকার ইকো ফ্রেন্ডস গ্রিন ব্রিকস কম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।

সোমবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল যোগে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথে সাগরদীঘি-গারোবাজার সড়কের মুরাইদ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবাহি ট্রাক তার মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং মাথা থেঁতলে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

সাগরদীঘি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক আতোয়ার রহমান জানান, ট্রাকটিকে আটক করা যায়নি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৪২:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মেয়ের মৃত্যুশোকে মায়ের আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মেয়ের মৃত্যুশোকে মায়ের আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একমাত্র মেয়ের মৃত্যুশোকে হেক্সিসল পান করে বাসন্তী বণিক (৫১) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।

শুক্রবার (১১ নভেম্বর) সকালে উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের নগর ভাতগ্রাম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বাসন্তী বণিক নগর ভাতগ্রাম গ্রামের প্রাণকৃষ্ণ বণিকের স্ত্রী। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।

শুক্রবার দুপুরে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাসন্তী ও প্রাণকৃষ্ণ দম্পত্তির একমাত্র সন্তান পূজা বণিক (১৮) কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর)সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় পূজার মত্যু হয়।

শুক্রবার ভোরে একমাত্র সন্তানের মরদেহ বাড়িতে আনা হলে বাসন্তী শোকবিহ্বল হয়ে পড়েন। মেয়ের মৃত্যুশোক সহ্য করতে না পেরে সবার অজান্তে বাথরুমে ঢুকে হেক্সিসল পান করেন তিনি। পরে অসুস্থ অবস্থায় মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়‌ বিদারক। পরিবার আবেদন করলে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩৫:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রেমিক বিয়ে করতে রাজী না হওয়ায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রেমিক বিয়ে করতে রাজী না হওয়ায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রেমিক বিয়ে করতে রাজী না হওয়ায় নবম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

শুক্রবার (১১ নভেম্বর)সকালে তার নানা বাড়ী উপজেলার তক্তারচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রিয়া বোয়ালী গ্রামের প্রবাসী রিপন মিয়ার মেয়ে।

জানা যায়, রিয়া আক্তার উপজেলার তক্তারচালা গ্রামে তার নানা ফয়েজ আলীর বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি স্কুলে নবম শ্রেণীতে লেখাপড়া করতো।

সম্প্রতি ক্লাসেরই এক ছেলের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রিয়ার পরিবার বিষয়টি জানার পর অন্যত্র তার বিয়ে ঠিক করে। রিয়া তার প্রেমিককে বিয়ে করার জন্য চাপ দিলে ছেলেটি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। অভিমানে শুক্রবার সকালে তার ঘরের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।

এ ব্যাপারে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. নভেম্বর ২০২২ ১১:৫৬:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদক পাচার মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদক পাচার মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে মাদক পাচারের দায়ে চার ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায়ে দণ্ডিতদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (০৯ নভেম্বর)দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সুরুজ সরকার এ আদেশ দেন।

দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন- ঢাকা মহানগরীর ছোট দিয়াবাড়ী এলাকার আব্দুল হাকিমের ছেলে মাহমুদুল হাসান ওরফে পিয়াস, সাভারের বেগুনবাড়ী এলাকার আমজাত আলীর ছেলে খোরশেদ আলম, পাবনা সদর উপজেলার শিবপুর গ্রামের মোশারফ শেখের ছেলে ইকবাল শেখ ও মনোহোরপুর গাছপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলাম শেখের ছেলে হারুন অর রশিদ শেখ।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলী মনিরুল ইসলাম খান জানান, ২০১৯ সালের ২৬ অক্টোবর র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) একটি দল টাঙ্গাইল শহরের বাইপাসের রাবনা মোড়ে দুটি ট্রাকে তল্লাশি চালায়। এ সময় একটি ট্রাক থেকে ৯৮৬ বোতল এবং অপর একটি ট্রাক থেকে ৯৫৭ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।
পরে দুই ট্রাকে থাকা চার জনকে আটক করা হয়।
এরপর জিজ্ঞাসাবাদে দণ্ডিত মাহমুদুল হাসান র‌্যাবকে জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ সীমান্ত থেকে তারা এসব ফেনসিডিল সংগ্রহ করেন। পরে দুই ভাগে ভাগ করে দুইটি ট্রাকে লুকিয়ে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন।

এ ঘটনায় র‌্যাবের অতিরিক্ত সহকারি পরিচালক শাহিনুল আলম মিয়া বাদি হয়ে ওই দিনই টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন ২০১৬ সালের ৮ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রায় দেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত চার জনই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. নভেম্বর ২০২২ ০১:৩৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শিশুকে অপহরণ-ধর্ষণের দায়ে একজনের যাবজ্জীবন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিশুকে অপহরণ-ধর্ষণের দায়ে একজনের যাবজ্জীবন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে দু’টি ধারায় আলাদাভাবে আলমগীর হোসেন (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (০৯ নভেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।

সেই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ভুটিয়া গ্রামের আবু হানিফের ছেলে।তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আলী আহমেদ এবং এপিপি মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস জানান, ২০০৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সকালে শিশুটি স্কুলে যায়।সেখান থেকে শিশুটিকে অপহরণ করে আলমগীর তার মামার বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরদিন ৮ সেপ্টেম্বর ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে আলমগীর হোসেনের নামে গোপালপুর থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর গোপালপুর থানার সেই সময়ের উপপরিদর্শক (এসআই) তাজাম্মেল হক একমাত্র আসামি আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/০৩) এর ৭ ধারা এবং ৯(১) ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় বুধবার এ দু’টি ধারায় আলাদাভাবে আসামিকে সাজা দেন আদালত। তবে উভয় অপরাধের সাজা একসঙ্গে চলবে বলেও বিচারক তার রায়ে উল্লেখ করেন। আসামি হাজতবাসের পর জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপন করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩৭:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কৃষি জমির মাটি লুটের দায়ে ৪ জনকে কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কৃষি জমির মাটি লুটের দায়ে ৪ জনকে কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের মধুপুরে কৃষি জমির মাটি লুট করে টাইলস কোম্পানিতে বিক্রি করার দায়ে এক ব্যবসায়ী, ট্রাকের দুই চালক ও এক ভ্যেকু চালককে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে জেল দিয়েছেন।

শনিবার( ৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমীন।

বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্তরা হলেন মাটি ব্যবসায়ী মধুপুর উপজেলার বিপ্রবাড়ী গ্রামের মৃত শহীদুল ইসলামের ছেলে মো. আলামিন (২৫), ভেকুর চালক ঘাটাইল উপজেলার চাঁনতারা গ্রামের খেজমত আলীর ছেলে মো. আহাম্মদ আলী (২৬), ট্রাকের ডাইভার ঘাটাইল উপজেলার উত্তর লক্ষীন্দর গ্রামের মো. মফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. রুবেল (২৯) ও মধুপুর উপজেলার গাছাবাড়ী গ্রামের সরুজ আলী ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলম (২৩)। ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রথম জনকে ৬ মাস, ২য় জনকে ১ মাস ও পরের জনকে ১৫ দিন করে জেল দিয়েছেন।

মধুুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শামীমা ইয়াসমীন জানান, কুড়াগাছা ইউনিয়নের এ বাইদ থেকে দীর্ঘদিন ধরে মাটি ব্যবসায়ীরা কৃষি জমি নষ্ট করে টাইলস কোম্পানিতে মাটি বিক্রি করে আসছে। বারবার তাদের মাটিসহ ট্রাক, ভেকু আটক করে জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান,কৃষি জমি নষ্টের ব্যাপারে সর্তক করলেও তারা গুরুত্ব দেয়নি। ৫ নভেম্বর পিরোজপুরের বলাইদ বাইদ থেকে ভেকু দিয়ে কৃষি জমি নষ্ট করে মাটি উত্তোলন করে ট্রাক ভর্তির সময় এক মাটি ব্যবসায়ী ৩ ড্রাইভার ও মাটি ভর্তি দু’টি ট্রাক আটক করা হয়। পরে বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪ ধারায় অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিনাশ্রম জেল প্রদান করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:২৮:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আটক সেই প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আটক সেই প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(৩ নভেম্বর) বেলা তিনটার দিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

বরখাস্তকৃত ওই শিক্ষকের নাম গৌরাঙ্গ সরকার (৪৮)। তিনি উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এর আগে বুধবার (২ নভেম্বর)রাতে ওই ছাত্রীর চাচা বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে সখীপুর থানার পুলিশ প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

একাধিক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেয় বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৭ অক্টোবর বিকেলে বিদ্যালয় ছুটি হওয়ার পর পঞ্চম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ডেকে নেন প্রধান শিক্ষক। সেখানে তিনি মুঠোফোনে গান বাজিয়ে ছাত্রীকে নাচতে বলেন। ছাত্রী রাজি না হওয়ায় তিনি তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাফিউল ইসলাম জানান, ‘যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ওই প্রধান শিক্ষককে বরখাস্ত করার চিঠিটি ই–মেইলে একটু আগে পেয়েছি। গ্রেপ্তার হওয়ার আগের দিন ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির লোকজন ওই শিক্ষকের বিচার দাবি করে আমার দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন।’

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, মামলায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৪০:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মারধরের শিকার এক শিক্ষক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মারধরের শিকার এক শিক্ষক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মারধরের শিকার হয়েছেন এক শিক্ষক।

বুধবার (২ নভেম্বর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের বর্ণি গ্রামের এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযাগ সূত্রে জানা গেছে, ডুবাইল ইউনিয়নের বর্ণি সুফিয়া ওমর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ৬ মাস ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল একই বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র আব্দুর রহমান দেওয়ান।

ঘটনাটি ওই ছাত্রী তার বাবা একই স্কুলের ধর্মবিষয়ক শিক্ষক লুৎফর রহমান শেখকে জানায়। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

বুধবার মোটরসাইকেলে করে মেয়েকে নিয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হন শিক্ষক লুৎফর রহমান শেখ। হামলাকারী অভিযুক্ত আব্দুর রহমান ও তার সঙ্গীরা মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে লুৎফর রহমান ও তার মেয়েকে নামিয়ে লাঠি ও জুতা দিয়ে বেদম মারধর করে।

দেলদুয়ার থানার ওসি মো. নাছির উদ্দিন মৃধা বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:২১:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ৬ দিন পর গর্ভবতীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ৬ দিন পর গর্ভবতীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গর্ভবতী ফাতেমা আক্তার (৩৫) লাশ উদ্বার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। বুধবার (২ নভেম্বর) সকালে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের দক্ষিন সহবতপুর গ্রাম থেকে নিখোঁজের ৬ দিন পর ঝুলন্ত অবস্থায় তার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

মৃত ফাতেমা আক্তার সহবতপুর গ্রামের মৃত সমাজ মিয়ার ৩য় কন্যা।

পবিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ফাতেমার বিয়ের কয়েক বছর পর সন্তান সহ ১ম স্বামী আলীম, ফাতেমাকে তালাক দেয়। ফাতেমা সংসারের অভাবের তারনায় সৌদি পাড়ি দেন। টানা ৫ বছর প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরত আসে। পরে ফাতেমা ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরী নেন। চাকুরী সুবাদে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার মো. আরশেদ আলীর ছেলে রুবেল মিয়া সাথে প্রথমে প্রেম পরে বিয়ে হয়। বিয়ের প্রায় ২ মাস পর রুবেলের ছোট ভাই শামীমের সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে ফাতেমা। পরে রুবেলকে তালাক দিয়ে ছোট ভাই শামীমকে বিয়ে করে সাত মাস ধরে ঘর সংসার করে আসছিল। এরই মধ্যে চার মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে ফাতেমা।

গত (২৭ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার স্বামীসহ ফাতেমা তার বাবার বাড়ী সহবতপুর আসেন। পরের দিন সকালে স্বামী শামীম ঘুম থেকে উঠে তার স্ত্রী ফাতেমাকে আর খোঁজে পান না। ফাতেমার বাড়ীর লোকজন স্বামী শামীমকে চাপ সৃষ্টি করলে শামীম কোন কিছু উত্তর না দিয়ে পালিয়ে ঢাকা চলে যায়। নিহত ফাতেমার বাড়ীর লোকজন শামীমের মোবাইল ফোনে যোগযোগ করলে শামীম নানা রকম কথা বার্তা বলে। নিখোঁজের ৬ দিন পর বাড়ির পাশ থেকে মাটি আনতে গিয়ে ঝোপের মধ্যে ফাতেমার ঝুলান্ত লাশ দেখতে পান চাচাতো ভাবি পারুল।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (তদন্ত) হাসান সরকার জাহিদ বলেন, সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্বার করে ময়নাতদন্ত জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসাপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:২৫:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাহাবুব আলম মহিন (৪২) নামে ব্যাটারিচালিত এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের আছিমতলা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মাহাবুব আলম মির্জাপুর পৌরসভার বাওয়ার কুমারজানী পূর্বপাড়া গ্রামের মিনহাজ উদ্দিনের ছেলে। দুর্বৃত্তরা অটোরিকশাটি ছিনতাই করতেই তাকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, মাহাবুব প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত মির্জাপুর বাজারে অটোরিকশা চালাতেন। প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার সন্ধ্যায় তিনি অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যান। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। তার গলায় স্কচটেপ পেঁচানো এবং মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন মরদেহ দেখে পরিচয় শনাক্ত করে।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, দুর্বৃত্তরা অটোরিকশাটি ছিনতাই করতেই তাকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩৫:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীর নগ্ন ভিডিও ফেসবুকে, সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীর নগ্ন ভিডিও ফেসবুকে, সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তানিয়া নামে এক কলেজছাত্রীর নগ্ন ভিডিও ফেসবুকে ছাড়ায় সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা করেছেন।বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে ভাতগ্রাম ইউনিয়নের সিংজুরী গ্রামে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।

তানিয়া সিংজুরী গ্রামের হারুন মিয়ার মেয়ে এবং মির্জাপুর মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগের ছাত্রী ছিল।

পারিবারিক সূত্র জানায়, একই ইউনিয়নের বুড়িহাটি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে সুজন (২৪) প্রেমের ফাঁদে ফেলে তানিয়ার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। গোপনে তা ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তানিয়ার কাছ থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এছাড়া কলেজে যাওয়া আসার পথে আরও টাকার জন্য তাকে মারধর করাসহ নানাভাবে ভয় ও হয়রানি করত তানিয়াকে। গত পনের দিন আগে ওই ভিডিওটি ‘লোকাল সাফি’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে পড়লে তানিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এক পর্যায়ে বুধবার বিকালে তিনি সুইসাইড় নোট লেখে তাদের বসত ঘরে গলায় উড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।

এদিকে তানিয়ার আত্মহত্যার খবর জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত সুজন গা ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

তানিয়ার বাবা হারুন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, গত পনের দিন আগে তার মেয়ে কলেজ থেকে ফেরার পথে সিংজুরী ব্রিজের কাছে তানিয়াকে আটকিয়ে মারপিট করে সুজন। পরে খবর পেয়ে আমরা সুজনকে আটকে রাখি। ইউপি মেম্বার জাহাঙ্গীর আলম বাদশা এসে সুজনকে সর্তক করে তার বাবা-মার কাছে দিয়ে দেন। কিন্ত তারপরও সুজন তানিয়াকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে।

জাহাঙ্গীর আলম বাদশা মেম্বারের সঙ্গে কথা হলে তিনি এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

তানিয়ার বড় ভাই ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আবু তালেব অভিযোগ করে বলেন, ভিডিও ছাড়ার আগে হিলারি নামে তার দশম শ্রেণি পড়ুয়া ফুফাতো বোনের কাছে সুজন হুমকি দিয়ে এসএমএস পাঠায়। তাতে সে লেখে ‘তানি এখন বেশি বুঝল, ওর মরণ আছে’। এরপর ‘লোকাল সাফি’ আইডি থেকে ওই ডিডিও ছেড়ে দিলে তানিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ গিয়ে তানিয়ার মরদেহ থানায় নিয়ে আসে।

সুইসাইড় নোট: ‘আমারে তুমরা সবাই মাফ কইরা দিও, আমার জন্য তুমাগো অনেক মান সম্মান নষ্ট হইছে, আমি চাই না তুমাগো আরো মান সম্মান নষ্ট হক। তোমরা জানো না ঐতি কি কি করছে আমার সাথে। আমের জোর কইরা ধর্ষণ করছে। তারপর আমার ছবি তুইলা সেই ছবি দিয়া আমার কাছে থাইক দেড় লাখ টাকার জিনিস নিছে।’

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, তানিয়া নামে ওই কলেজ ছাত্রী ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। একটি সুইসাইড় নোট উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আত্মহত্যার কারণ উদঘাটন করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৫:০৪:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলের আমৃত্যু কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলের আমৃত্যু কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলের আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডিত ব্যক্তির নাম মো. হাসমত আলী (৪২)।বাবা ছামেদ আলীকে হত্যার দায়ে মঙ্গলবার (৩১ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ ফাহমিদা কাদের এ রায় দেন।

দণ্ডিত হাসমত ঘাটাইল উপজেলার রামদেবপুর হেংগারচালা গ্রামের ছামেদ আলীর ছেলে।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌশুলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, হাসমত ২০২০ সালের ১৭ অক্টোবর রাত ৯ টার দিকে তার বাবার কাছে নেশার জন্য টাকা চায়। তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করলে হাসমত তাকে পেটাতে শুরু করে। এসময় হাসমতের মা হাসনা বেগম এগিয়ে এলে তাকেও ধাওয়া করে। পরে বাড়িতে থাকা কোদাল দিয়ে ছামেদ আলীর গলা, মাথা ও ঘাড়ে আঘাত করে। এতে ঘরের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। পরে মা হাসনা বেগমকে কোপাতে গেলে এলাকার লোকজন এসে হাসমতকে ধরে ফেলে। রাতেই তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরদিন হাসমতের মা বাদি হয়ে ঘাটাইল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলায় তদন্ত শেষে ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল হাসান ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে হাসমত আলী জেল হাজতে ছিলেন। মঙ্গলবার তাকে আদালতে আনা হয়। রায় ঘোষণার পর তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. মে ২০২২ ১০:১১:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।