/ হোম / টাঙ্গাইল
খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে টাঙ্গাইলে বিএনপি’র অনশন - Ekotar Kantho

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে টাঙ্গাইলে বিএনপি’র অনশন

একতার কণ্ঠঃ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে প্রেরণ, সংসদ বিলুপ্ত ও ১দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে কেন্দ্রিয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলে অনশন কর্মসূচী পালন করেছে জেলা বিএনপি।

শনিবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শহরের বেপাড়ীপাড়া ঈদগাহ্ মাঠ প্রাঙ্গনে এ অনশন কর্মসূচী পালন করা হয়।

এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।

পরে টাঙ্গাইল জেলা বার সমিতির সভাপতি এডভোকেট মাঈদুল ইসলাম শিশির, জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের আহ্বায়ক ফায়জুর রহমান ফায়েজ, জেলা বার সমিতির সাবেক সভাপতি এডভেকেট শফিকুল ইসলাম রিপন অনশনরত নেতাকর্মীদের পানি পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান।

অনশনে জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ, বিএনপি নেতা আবুল কাশেম, কাজি শফিকুর রহমান লিটন, জেলা শ্রমিকদলের সাধারন সম্পাদক একেএম মনিরুল হক মনির, জেলা যুবদল আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি তারিকুল ইসলাম ঝলক, জেলা মহিলাদলের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদীহাসান আলীম, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি দূর্জয় হোড় শুভসহ বিভিন্ন উপজেলার সভাপতি-সম্পাদক ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মহাসড়ক ঘিরে চলছে চোরাই মালের রমরমা ব্যবসা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মহাসড়ক ঘিরে চলছে চোরাই মালের রমরমা ব্যবসা

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পর্যন্ত পরিবহনের মাধ্যমে চোরাই মালামাল লোড-আনলোড করে গুদামজাত ও স্থানান্তর করে একটি চক্র চোরাই মালের রমরমা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।

জানা গেছে, ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের পূর্বপাড় থেকে এলেঙ্গার ভাবলা, সল্লা, আনালিয়াবাড়ীর বিভিন্ন পয়েন্টে ট্রাক, বাস, লড়িসহ বিভিন্ন পরিবহনে আনা চোরাই মালামাল লোড-আনলোড ও ক্রয়-বিক্রয়ের নিরাপদ পয়েন্ট হিসাবে বেছে নিয়েছেন চোরাকারবারিরা। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত ওই সকল পয়েন্টে প্রকাশ্যে চলে চোরাই মাল লোড আনলোড ও ক্রয় বিক্রয়ের কারবার।

দীর্ঘদিন ধরে চোরাই ব্যবসায়ীরা তাদের মালামাল গুদামজাত করার জন্য চরভাবলা ও বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপাড়ে রেল স্ট্রেশন এলাকায় বেশ কয়েকটি ঘর ভাড়া নিয়ে গোডাউন হিসাবে ব্যবহার করে নিরাপদে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এই চক্রটি ট্রাক, বাস, লড়িতে করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রড, স্টীলসীট, কেরোসিন ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন, গম, ভুট্টা, আদা রসুন, জিরা, এলাচ, লংসহ মশলা জাতীয় পণ্য, ভারতীয় শাড়ী এমনকি বিভিন্ন নেশা জাতীয় পণ্যে এনে জেলায় নির্বিঘ্নে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ ওঠেছে।

এলেঙ্গা পৌরসভার চরভাবলা গ্রামের শহিদুল ইসলাম শান্ত নামের জনৈক সরকারি কর্মচারী জোকারচরের রমজান আলী ও চরভাবলার প্রভাবশালী ৮ থেকে ৯ জন ব্যক্তিকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। এই সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন যাবত নির্বিঘ্নে চোরাই মালের ব্যবসা করে অগাধ বিত্তবৈভবের মালিক বনে গেছেন। প্রতিটি পয়েন্টে তাদের ১০ থেকে ১২ জন শ্রমিক সারারাত পরিবহনে আসা চোরাই মালামাল লোড-আনলোড করে গুদামজাত ও স্থানান্তরের কাজ করে থাকেন। পরিবহন চালক সুপারভাইজার ও হেলপারদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে তারা নির্ধারিত পয়েন্টে ওইসব মালামাল আনলোড করে এবং মূল্য পরিশোধ করে থাকেন।

অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম শান্ত জানান, চোরাই মালামাল লোড-আনলোড ও ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে আমি জড়িত নই।

এ বিষয়ে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান, এলেঙ্গা থেকে ব্ঙ্গবন্ধু সেত পূর্ব এই এলাকাটি বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অধিনে বিধায় এ বিষয়ে আমার কোন ধারনা নেই।

বঙ্গব্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আলমগীর আশরাফ জানান, তিনি এই থানায় নতুন এসেছেন তাই এই চোরা কারবারিদের সম্পর্কে কোন ধারণা নেই তার।

এ প্রসঙ্গে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হুসেইন মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন না। তবে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্য্যবস্থা নেয়ার কথা জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:২৭:এএম ৩ বছর আগে
বাসাইলে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপে উত্তেজনা, চেয়ার ভাংচুর - Ekotar Kantho

বাসাইলে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপে উত্তেজনা, চেয়ার ভাংচুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলামের আয়োজনে সরকারের উন্নয়নমূলক শোভাযাত্রার প্রস্তুতি সভাকে ঘিরে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শনিবার (১৪ অক্টোবর) বিকালে প্রস্তুতি সভাকে ঘিরে এ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

জানা যায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বাসাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সরকারের ১৫ বছরের উন্নয়নমূলক শোভাযাত্রার প্রস্তুতি সভা আহবান করেন। এক পর্যায়ে সভা শুরুর পূর্বে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিয়ার রহমান গাউস ও সাধারণ সম্পাদক মির্জা রাজিকের নেতৃত্বে একটি মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাসাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এক পর্যায়ে প্রস্তুতি সভার আয়োজনে ব্যবহৃত চেয়ার ভাংচুর করা হয়। এ সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে উন্নয়ন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সাবেক এমপি অনুপম শাহজাহান জয় অংশ নেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিয়ার রহমান গাউস বলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বিএনপি-জামায়াতের লোকজন নিয়ে সরকার বিরোধী কর্মকান্ডের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে আমরা তা প্রতিহত করেছি।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, আমাদের সভা শুরুর দেড় ঘণ্টা পূর্বে সভাপতি মতিয়ার রহমান গাউস ও সাধারণ সম্পাদক মির্জা রাজিকের নেতৃত্বে বিএনপি নেতা বাদলের লোকজন ১০ থেকে ১৫ টি চেয়ার ভাংচুর করে। এ সময় আমাদের লোকজন উপস্থিত হলে তারা চলে যায়। পরে আমরা যথারীতি প্রস্তুতি সভা করেছি।

বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল আমিন জানান, দু’গ্রুপের উত্তেজনার খবর পেয়ে আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনি। এর পূর্বে কয়েকটি চেয়ার ভাংচুর করা হয়েছে বলে শুনেছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অক্টোবর ২০২৩ ০২:০৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কেটে পালালেন স্ত্রী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কেটে পালালেন স্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কেটে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার দক্ষিণ বিলডগা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগির নাম হায়দার আলী খান। তিনি উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের দক্ষিণ বিলডগা গ্রামের মৃত ইদ্রিস খানের ছেলে।

হায়দার আলীর চাচা হাতেম আলী খান বলেন, প্রতিবন্ধী হায়দার আলী রেলওয়ে চাকরি নিয়ে জয়দেবপুরে কর্মরত ছিলেন। এরআগে বেলুয়ার একটি মাদরাসায় শিক্ষকতা ও উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বড়শিলার একটি মসজিদে ইমামতি করতেন। প্রথম স্ত্রী থাকা পরও হায়দার আলী আবার বিয়ে করেন। দ্বিতীয় স্ত্রী বাবার বাড়িতে থাকতেন। উভয় সংসারে একটি করে ছেলে হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে একটি গরু কিনে বাড়িতে আসলে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর সকালে ঘুম থেকে উঠে পুরো ঘরে রক্ত ছিটিয়ে থাকতে দেখে তিনি চিৎকার শুরু করেন। প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে তাকে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এদিকে ঘটনার পর রাতেই প্রথম স্ত্রী বাড়ি থেকে পালিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা।

গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলিম আল রাজি জানান, রক্তক্ষরণের কারণে রোগীর অবস্থা গুরুতর। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। বিশেষ অঙ্গটি সম্পূর্ণ কেটে ফেলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল মোর্শেদ জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তের মা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অক্টোবর ২০২৩ ০১:১৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আ’বিমা উৎসব উদযাপিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আ’বিমা উৎসব উদযাপিত

একতার কণ্ঠঃ ‘শেকড়ের টানে প্রজন্মের মেলবন্ধন’ এ স্লোগানে মুখরিত হয়ে নাচ গান ও মহামিলনের মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলের মধুপুরের পাহাড়ি জনপদে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি সম্প্রদায় উদযাপন করলেন আ’বিমা ফেস্টিভ্যাল -২০২৩।

আ’বিমা’র এ কৃষিররাজ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরের গভীর অরণ্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি গারো সম্প্রদায়ের বসবাস।

আ’বিমা হল একটি আচিক বা গারো শব্দ। এর অর্থ মাটির মা। গারোরা ভারতের মেঘালয়সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে জুম চাষ করতো। তাদের পূর্ব পুরুষেরা জুমের ফসল ফলনের দিক বিবেচনা করে মধুপুর অঞ্চলকে আ’বিমা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। মাটির উর্বরতার কারণে তারা মধুপুরের মাটিকে আ’বিমা অর্থাৎ মাটির মা বলে থাকে।

মধুপুর পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী গারো জনগোষ্ঠীর ফসল কেটে ঘরে তোলার পর শস্য দেবতা ও ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে সম্মিলিতভাবে বিশেষ প্রার্থনা ও নাচ গানের মধ্য দিয়ে প্রতিবছর আ’বিমা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন। এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গারো জনগোষ্ঠীর আদি সংস্কৃতি ও সভ্যতা সবাইকে স্মরণীয় করিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যেই এ আ’বিবা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গারো নারী পুরুষ ও শিশু-কিশোর তাদের আদি ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে ও সেজেগুজে অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত করে তুলেন। আ’বিমা মেলা হয়ে উঠে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রাণের মেলবন্ধন।

শুক্রবার(১৩ অক্টোবর) দিনব্যাপী উপজেলার মমিনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

প্রলয় নকরেক এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠান উদ্ভোধন করেন অজয় এ মৃ সভাপতি আ’বিমা কালচারাল ডেভেলপমেন্ট ফোরাম, অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রেমন্ড আরেং, ফুলবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট ইমদাদুল হক সেলিম, সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ হারুন, মধুপুর উপজেলার ভাইসচেয়ারম্যান যষ্ঠিনা নকরেক, জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ইউজিন নকরেক, আচিক মিচিক সোসাইটির সভাপতি সুলেখা ম্রং, অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির আহবায়ক মিঃ নির্জন সিমসাং, সদস্য সচিব পৌল সিমসাং প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন ব্যন্ডদল শিল্পী আচিক ব্লুজ, ব্রিং, দি রাবুগা, ব্লিডিং ফর সারভাইভাল ও স্থানীয় সঙ্গীত শিল্পী বৃন্দ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অক্টোবর ২০২৩ ০২:৪৩:এএম ৩ বছর আগে
বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত - Ekotar Kantho

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে ছিল- জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, পায়রা-বেলুন ও ফেস্টুন উড়ানো, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, কেক কাটা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ইত্যাদি।

বৃহস্পতিবার সকালে প্রশাসনিক ভবনে পতাকা উত্তোলন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন রিজেন্ট বোর্ড সদস্য, ডিন ও রেজিস্ট্রারকে নিয়ে পায়রা- বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুর‌্যাল ও মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। আনন্দ শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন নেতৃত্ব দেন। আনন্দ শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ১২তলা একাডেমিক ভবনের সামনে কেক কাটা অনুষ্ঠানে মিলিত হয়।

এছাড়া বাদ যোহর কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচি পালনকালে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর এআরএম সোলাইমান, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ডক্টর মো. সিরাজুল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রকাশ, ১৯৯৯ সালের ১২ অক্টোবর তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:০৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপি’র ৪০ নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে প্রেরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপি’র ৪০ নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে প্রেরণ

একতার কণ্ঠঃ উপজেলা আওয়ামীলীগের উপর হামলার অভিযোগে করা মামলায় টাঙ্গাইল বিএনপির ৪০ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান নূর তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত পরিদর্শক তানবীর আহমেদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কারাবন্দীরা হলেন, গোপালপুর উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু হানিফ কিসলু, ইউনিয়র সেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক আলম খান, যুবদলের সদস্য সচিব হারুন, শ্রমিকদলের সদস্য সচিব জাফর মিয়া ও উপজেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক বদিউজ্জামান বাদলসহ বিভিন্ন স্তরের ৪০ নেতাকর্মী।

আদালত পরিদর্শক তানবীর জানান, বৃহস্পতিবার সকালে গোপালপুর উপজেলা বিএনপি’র ৪০ নেতাকর্মী টাঙ্গাইল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জামিন নিতে আসেন। আদালতের বিচারক তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল জানান, গায়েবী ও মিথ্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছিলেন ওই নেতাকর্মীরা। উচ্চ আদালতের নির্দেশে অনুসারে বৃহস্পতিবার সকালে গোপালপুর উপজেলার বিএনপি’র ওই ৪০ নেতাকর্মী টাঙ্গাইল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন নিতে আসেন। আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে তাদের অন্যায়ভাবে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি আরও জানান, নিপীড়ন-নির্যাতনের নীতি অবলম্বন করে বিএনপির নেতাকর্মীদের নিশ্চিহ্ন করার পায়তারা চলছে। বিএনপির কর্মসূচিগুলোতে বিপুল জনসমাগম দেখে সরকার দিশেহারা বলেই জামিন বাতিলের হিড়িক পড়েছে। গ্রেফতার, জামিন বাতিল ও নির্যাতন করে আন্দোলনকে দমানো যাবে না। অবিলম্বে কারাবন্দী সকল নেতাকর্মীদের মুক্তির জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ১ সেপ্টেম্বর জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিক উদযাপন অনুষ্ঠানে গোপলপুর উপজেলা বিএনপি ও আওয়ামীলীগের মারামারির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ২ সেপ্টেম্বর ৬১জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালত থেকে ২৮ দিনের জামিন পান ওই মামলার আসামীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অক্টোবর ২০২৩ ০২:৫৩:এএম ৩ বছর আগে
তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে বিএনপি’র সঙ্গে আপসের সুযোগ নেই: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে বিএনপি’র সঙ্গে আপসের সুযোগ নেই: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে বিএনপি’র সঙ্গে আপস করার কোনো সুযোগ নেই। তবে এখনও আওয়ামী লীগের দরজা খোলা আছে। তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। তারা নির্বাচনে আসবে। আন্দোলন সংগ্রাম করে সরকার পতন ঘটাবে, এটি কোনোভাবেই পারবে না।

বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিতসভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেছেন।

মন্ত্রী বলেন, ৯০ দিন বিএনপি দেশ অচল করার চেষ্টা করেছে, গাড়িতে আগুন দিয়ে মানুষ মেরেছে, স্কুল কলেজে আগুন দিয়েছে, রেল লাইন তুলেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের পতন ঘটাতে পারেনি।

সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন ইস্যুতে বিদেশিদের চাপ রয়েছে, এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, কোনো চাপের কাছে আওয়ামী লীগ মাথানত করবে না। জেল জুলুমের ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ নেই। প্রয়োজনে আমরা জেলে যাব। তবুও কোনো চাপে আমরা মাথানত করব না। বিএনপি বলছে, তারা তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। সংবিধানে সুস্পষ্ট লেখা আছে যে, সরকার থাকবে তার অধীনেই নির্বাচন হবে। সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনকে সার্বিক সহযোগিতা করবে। যেকোনো আন্দোলন রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করা হবে।

এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপি, কেন্দ্রীয় সদস্য তারানা হালিম, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মামুন উর রশিদ, এমপি ছানোয়ার হোসেন, তানভীর হাসান ছোট মনির, হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী, আহসানুল ইসলাম টিটু, আতাউর রহমান আজাদ ও খান আহমেদ শুভ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ বর্ধিতসভা শেষে বৃহস্পতিবার বিকালে মন্ত্রী টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলীতে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় অংশ নেয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অক্টোবর ২০২৩ ০২:৩৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাংগাইলের সখীপুরে সাপের কামড়ে মো. জোবায়ের (১২) নামে ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার আড়াই পাড়া হামের মোড় সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শিশু জোবায়ের উপজেলার আড়াই পাড়া গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় ডাবাইল হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে জোবায়ের বাড়ির পাশের একটি পুকুরে বরশি দিয়ে মাছ ধরতে গেলে বিষাক্ত সাপ তাকে দংশন করে। তার চিৎকারে আশে পাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে। পরে তার পায়ে ডোর বেধে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জোবায়েরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে নিহতের লাশ বাড়িতে আনা হলে নিহতের স্বজনেরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অক্টোবর ২০২৩ ০২:৩৯:এএম ৩ বছর আগে
এমপি নির্বাচন করতে চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন ঠান্ডু - Ekotar Kantho

এমপি নির্বাচন করতে চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন ঠান্ডু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন পেতে তিনি চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

বুধবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সদ্য পদত্যাগকারী চেয়ারম্যান ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্বাক্ষরিত কাগজে বলা আছে- আমি গোপালপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি আমার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে চেয়ারম্যানের পদের দায়িত্ব পালন করতে পারছি না বিধায় আমি উক্ত পদ হতে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে ইচ্ছুক। আমাকে গোপালপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ হতে পদত্যাগ পত্র গ্রহণ করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।

জানা যায়, ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা পরিষদের তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি টাঙ্গাইল-২ (ভুঞাপুর-গোপালপুর) আসন থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। তিনি গত ১৭ সেপ্টেম্বর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের বরাবর আবেদন করেন। পরে ৩ অক্টোবর স্থানীয় সরকার বিভাগ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করেন।

সদ্য পদত্যাগকারী চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল-২ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু গণমাধ্যমকে বলেন, আমি গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলাম কিন্তু চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ না করায় দল আমাকে মনোনয়ন দেয়নি। আমি তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। ভূঞাপুর-গোপালপুরের জনগণ আমাকে এমপি হিসেবে দেখতে চান। জনগণের চাপের কারণে তফসিল ঘোষণার আগেই চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করলাম।

তিনি আরও বলেন, আমার দীর্ঘ বিশ্বাস জননেত্রী শেখ হাসিনা এবার আমাকে মনোনয়ন দিবেন। গোপালপুর-ভূঞাপুর আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নৌকা উপহার দিব। এই দুই উপজেলাকে স্মার্ট, মডেল ও সন্ত্রাসমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো।

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শামীম আরা রিনি গণমাধ্যমকে জানান, গোপালপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদত্যাগের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের বরাবর আবেদন করেন। পরে মন্ত্রণালয় পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মীর রেজাউল হক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক গণমাধ্যমকে জানান, আমি ভাররপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছি । আমি সঠিক ভাবে দায়িত্ব পাালনের চেষ্টা করবো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে একদিনের বৃষ্টিতে ভেসে গেছে ৮২ লাখ পোনা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে একদিনের বৃষ্টিতে ভেসে গেছে ৮২ লাখ পোনা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে একদিনের ভারী বৃষ্টির ফলে ভেসে গেছে মাছের পোনা। এতে করে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন মৎস্য চাষীরা। দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নতুন মৎস্য উদ্যোক্তারা। সরকারিভাবে প্রণোদনা সহায়তা না পেলে ঋনের বোঝা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হবে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ মৎস্য চাষিরা। এদিকে, বৃষ্টির পানিতে নদী-নালা, খাল-বিলসহ ফসলি জমির ধানও তলিয়ে নিমজ্জিত হয়েছে।

জেলা মৎস্য অফিস সূত্র জানিয়েছে, কয়েকদিন আগে টানা ভারী বৃষ্টির কারণে জেলার ১২ টি উপজেলায় ৩’শ ৬৭টি পুকুর তলিয়ে যায়। তারমধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৩০ জনের ৫০টি পুকুর, মির্জাপুরে ৫০ জনের ৫০ টি পুকুর, নাগরপুরে ৪৫ জনের ৪৫ টি পুকুর, সখীপুরে ৬২ জনের ১৬৭ টি পুকুর এবং ঘাটাইলে ৫৫ জনের ৫৫ টি পুকুর তলিয়ে যায়। এসব পুকুর থেকে ৮২ লাখ পোনা মাছ বেরিয়ে গেছে। যার মূল্য ৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

নতুন মৎস্য উদ্যোক্তা ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কয়েড়া গ্রামের মো. হযরত আলী। কথা হয় তার সাথে। তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো বাড়ির পাশে এবার ২ বিঘা জমিতে মাছ চাষ করেছিলাম। দু’মাসে বিভিন্ন প্রজাতের মাছের পোনা অবমুক্ত করি। গত কয়েকদিন আগে একদিনের বৃষ্টির পানিতে পুকুর তলিয়ে সব পোনা বের হয়ে যায়। এনজিও থেকে ঋন করে মাছ চাষ করেছিলাম। আমার লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর এলাকার মাছ চাষী মজিবুর রহমান, কদ্দুস মিয়া ও হুমায়ন কবীর বলেন, আমরা এ বছর ব্যক্তি মালিকানাধীন পুকুরে মাছ চাষ করেছিলাম। মাছের মধ্যে পাঙ্গাস, তেলাপিয়া, সরপুঁটি ও মিনার কার্ফসহ অন্যান্য প্রজাতির মাছ চাষ করি। সেগুলো বেশ বড় হয়েছিল। কিছুদিন আগে হঠাৎ করে ভারী বৃষ্টিতে পুকুর তলিয়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকার পোনা মাছ লোকালয়ে বের হয়ে গেছে। পুকুর নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল। বৃষ্টির পানিতে স্বপ্নগুলো ভেসে গেছে।

সখীপুর উপজেলার ইউসুফ হায়দার ও মন্টু সিকদারসহ আরও একাধিক মাছ চাষীরা বলেন, গত কয়েকতিন আগে হঠাৎ করে টানা ভারী বৃষ্টির পানিতে পুকুর তলিয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছি। এরআগে এমনভাবে কখনো ক্ষতি হয়নি। কিভাবে এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠব কিছু বুঝতে পারছি না। তাছাড়া এ পর্যন্ত মৎস্য অফিস থেকে কেউ খোঁজ-খবর নেয়নি। ক্ষতি কাটিয়ে উঠার লক্ষ্যে মৎস্য অফিস থেকে সরকারি প্রণোদনা ও সহযোগিতা কামনা করছি।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, গত কয়েকদিন আগে টানা বৃষ্টির পানির কারণে জেলার ৩৬৭টি ছোট-বড় পুকুর তলিয়ে ৮২ লাখ পোনা মাছ লোকায়ের খাল-বিলের পানিতে ভেসে গেছে। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৯ কোটি টাকা। ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ মাছ চাষীরা যদি ব্যাংক ঋণের জন্য সহযোগিতা চায় তাহলে দ্রুত তা ব্যবস্থা করার চেষ্টা করব।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:৩৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সাপ ধরতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাপ ধরতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সাপের কামড়ে কালাম মিয়া (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের মুরাইদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

কালাম মিয়া কালিহাতি উপজেলার বল্লা এলাকার সোহরাব আলীর ছেলে। তিনি মুরাইদ গ্রামে হযরত আলীর জামাতা। শ্বশুর বাড়িতেই থাকতেন তিনি।

কবির হোসেন নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, আমরা কয়েকজন মিলে চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরতাম। কালাম মাঝেমধ্যে এসে দেখত জালে সাপ আটকা পড়েছে কিনা। সাপ আটকা পড়লে তাকে জানাতে বলত। মঙ্গলবার সকালে একটি সাপ জালে ধরা পড়লে তাকে জানাই, সে চায়না জাল থেকে সাপ ধরতে গিয়ে ছোবল খায়।

গারোবাজার এলাকার মো. বুলবুল তরফদার নামে একজন জানান, সাপ নিয়ে ঘটনাস্থল মুরাইদ থেকে অটোভ্যান চালিয়ে সাপুড়ে ওস্তাদের উদ্দেশে সাগরদিঘি বাজারের দিকে রওনা দেন কালাম। কিন্তু রাস্তায় গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে কালামকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য আ. রাজ্জাক বলেন, সকালে খবর পাই একব্যক্তি সাপসহ রাস্তার পাশে পড়ে আছেন। তিনি পেশায় একজন অটোভ্যানচালক। ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়রা জানান লোকটি মাঝেমধ্যে সাপ ধরত। পরে এলাকার লোকজন এসে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অক্টোবর ২০২৩ ০২:১৫:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।