/ হোম / টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর ছবি পোস্ট, বিএনপি কর্মী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর ছবি পোস্ট, বিএনপি কর্মী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কটুক্তি করার অভিযোগে মো. আতিকুর রহমান মঞ্জু (৪০) নামে এক বিএনপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত বিএনপি কর্মী মঞ্জু উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কর্ণা গ্রামের মো. আরশেদ আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের মধ্যে কর্ণা গ্রামের মো. আরশেদ আলীর ছেলে মো. আতিকুর রহমান মঞ্জু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গত শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে একটি আপত্তিকর ছবি পোস্ট দেয়। বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে আসে। পরে সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় স্থানীয় নবরত্ন বাড়ী বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

যদিও বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় জামুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক মোঃ জালাল উদ্দিন আলহাজ্ব ঘাটাইল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার পূর্বেই সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে বিএনপি কর্মী রঞ্জুকে গ্রেপ্তার করে ঘাটাইল থানা পুলিশ।

এ প্রসঙ্গে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, আসামি মো. আতিকুর রহমান রঞ্জুকে পূর্বের একটি চলমান নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, যেহেতু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করা হয়েছে, তাই অভিযুক্ত রঞ্জুর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্টের বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে পরামর্শ করা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৫৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে দিল উপজেলা প্রশাসন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে দিল উপজেলা প্রশাসন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে নিষিদ্ধ চায়না জালের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর ) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত উপজেলার সদর ইউনিয়নের মিরিকপুর বিলে অবৈধ চায়না জাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বাসাইল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৌরভ কুমার দে জানান, নিষিদ্ধ চায়না জাল যত্রতত্র ব্যবহার রুখতে অভিযান চালিয়ে ১১টি চায়না জাল আটক করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পাপিয়া আক্তার জানান, চায়না জাল দিয়ে মাছ শিকার করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। ছোট মাছ, মা মাছ রক্ষার্থে এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধ এ ধরনের জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিতভাবে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:০০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিজ্রের কাজ ফেলে ঠিকাদার উধাও - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিজ্রের কাজ ফেলে ঠিকাদার উধাও

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কালিদাস-জিসি-বহুরিয়া ইউপি সড়কের করটিয়াপাড়া বাজারের উত্তর পাশে কাকড়ার জোড়া নামক স্থানে নির্মাণাধীন পিএসসি গার্ডার বিজ্রের কাজ এক বছরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দুই বছরেও শেষ হয়নি।

স্থানীয় এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল কাকড়ার জোড়া নামক স্থানে একটি টেকসই ব্রিজের। সে দাবির প্রেক্ষিতে সরকারের শক্তিশালীকরণ প্রকল্প উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের আওতায় ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। দুই কোটি ২৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৩১ টাকা ব্যয়ে ২৫ মিটার দৈর্ঘ্যের পিএসসি গার্ডার ব্রিজের কাজটি ঢাকার মাইন উদ্দিনবাসী নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পায়।

২০২১ সালের ১৬ ফেব্রয়ারি কাজটি শুরু হয়ে ২০২২ সালের ১৭ ফেব্রয়ারি শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঠিকদারি প্রতিষ্ঠান মাত্র ২-৩ মাস কাজটি শুরু করে অজ্ঞাত কারণে ফেলে রেখে উধাও হয়ে যায়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কাগজপত্রে ২৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন দেখালেও উপজেলার করটিয়াপাড়া বাজারের উত্তর পাশে কাকড়ার জোড়া নামক স্থানে নির্মাণাধীন পিএসসি গার্ডার ব্রিজটির বাস্তবে মাত্র কয়েকটি পিলার, পাইলিং হয়েছে।

কাজ ফেলে ঠিকাদার এখন উধাও। বারবার তাগাদা দিলেও ঠিকাদার এলাকায় আসছেন না। এতে প্রায় দুই বছরের অধিক সময় ধরে ব্রিজের দুই পাশে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন অন্তত ১৫-১৬টি গ্রামের মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল কাদের ,সবুর মিঞা, আব্দুল জলিল, আমিনুল ইসলামসহ অনেকেই জানান, কাকড়া জোড়ার ব্রিজটির নির্মাণ না হওয়ায় হতেয়া-রাজাবাড়ি, কালিদাস, ঠকাইনাপাড়া, ফুলঝুড়িপাড়া, ভাতকুড়াচালা, করটিয়াপাড়া, কালমেঘা, ছলংগা, বহুরিয়া চতলবাইদ, হারিঙ্গাচালাসহ অন্তত পক্ষে ১৫-১৬টি গ্রামের মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। ব্রিজটি না হওয়ায় এই এলাকার মানুষ সখীপুর শহরে বা অন্য এলাকায় যেতে চাইলে ২০-২৫ কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে অর্থ ও সময় দুটোই বেশি ব্যয় হচ্ছে।

কালিদাস ও করটিয়াপাড়ার বাজার ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান ও সাইফুল ইসলাম বলেন, দুই পাশে পাকা সড়ক থাকলে ওই ব্রিজের কারণে যানবাহন চলতে না পারায় কোনো মালামাল পরিবহন করা যাচ্ছে না। হাটবাজারগুলোতে আসতে মানুষের ভোগান্তির শেষ নইে।

কয়েকজন শিক্ষক বলেন, ব্রিজটি সম্পন্ন না হওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় স্থানীয় স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীরা সময় মতো বিদ্যালয়ে আসতে পারে না।

বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা জানান, ব্রিজের কাজ দুই বছর ধরে ফেলে রাখায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওই ইউনিয়নের লোকজন। ওই সড়ক ব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদে উপকারভোগী, বিভিন্ন সেবাপ্রার্থীদের আসা-যাওয়া করতে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিকল্প সড়ক ঘুরে অনেক সময় লেগে যায়। বৃদ্ধ মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ব্রিজটি নির্মাণের দাবি জানান তিনি।

এ ব্যাপারে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদ আহমেদ জানান, বারবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে তাগাদা দিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না। কাজটি সময় মতো শেষ না করায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ঢাকা অফিস থেকে চিঠি দিয়ে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বর্ষা মৌসুম গেলে প্রাক্কলন ব্যয় নির্ধারণ করে পুনরায় টেন্ডারের মাধ্যমে অসমাপ্ত কাজটি শেষ করা হবে। এদিকে, একই প্রকল্পের আওতায় ওই ব্রিজের দুই পাশে ১৮ ফুট প্রশস্ত করে সাড়ে ৩ কিলামিটার রাস্তা পাকাকরণের কাজ অন্য ঠিকাদার শেষ করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:৫৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের একদিন পর বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের একদিন পর বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের একদিন পর বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত জমি থেকে আরফান আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার হতেয়া উলিয়ারচালা গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

সে ওই এলাকার মৃত কুরবান আলীর ছেলে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, আরফান আলী রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাড়ি থেকে বের হলে রাতে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। তার পরিবার বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখোজির পর সোমবার দুপুরে পরিত্যক্ত জমিতে তার লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:৫৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বীমা করার কথা বলে অপহরণ, কিশোরসহ গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বীমা করার কথা বলে অপহরণ, কিশোরসহ গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বীমা করার কথা বলে আলমগীর হোসেন তালুকদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে এক কিশোরসহ ১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।

সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান উল্লাহ্ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অপহৃত আলমগীর হোসেনকে উদ্ধার করা হয়েছে। সে মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর ভূঞাপুর জোনাল অফিসের হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- জেলার কালিহাতী উপজেলার সিলিমপুর গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে রাজু আহমেদ (২৫) এবং একই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে কিশোর রাকিব মিয়া (১৫)।

এ ঘটনায় রাজু আহমেদ ও রাকিবকে আসামি করে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করেছে আলমগীর হোসেন তালুকদারের ছোট ভাই মাহমুদুল হাসান তালুকদার।

এরআগে অভিযোগের প্রেক্ষিতে রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে অভিযান চালিয়ে জেলার কালিহাতী উপজেলার সাতুটিয়া এলাকা থেকে রাকিব ও ঢাকা থেকে রাজু আহমেদকে আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকালে অভিযুক্ত রাজু ও রাকিব মোবাইল ফোনে একটি বীমা করার কথা জানায়। আলমগীর তাদের সাথে কথা বলে ওই বীমা কোম্পানীর ম্যানেজার তারিকুল ইসলাম তুহিনের সঙ্গে শিয়ালকোল ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত যান। পরে রাজু সেখানে আসে এবং আলমগীর হোসেনকে বলে আপনার বাড়িতে গিয়ে কথা বলি।

এরপর অভিযুক্তরা মোটরসাইকেলে উঠিয়ে তার বাড়ি ছয়আনি বকশিয়া না গিয়ে কালিহাতীর নিশ্চিন্তপুর এলাকার পরিত্যক্ত চাতালে নিয়ে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি ও অন্যথায় প্রাণনাশের হুমকি দেন। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে আলমগীর তালুকদার তার স্ত্রীকে ফোন করে নগদের পিন নম্বর নিয়ে মুক্তিপণের প্রায় ৪১ হাজার টাকা প্রদান করে।

অপহৃত আলমগীর হোসেনের স্ত্রী হাসিনা বেগম জানান, অফিসের কাজকর্ম শেষে প্রতিদিনের মতো যথাসময়ে বাড়ি না ফেরায় আামরা স্বজনদের বাড়িতে খোঁজাখুজি শেষে রাত প্রায় সাড়ে ৭ টার দিকে ফোনে আমার স্বামী আলমগীর জানায় তার ১০ হাজার টাকা প্রয়োজন বলে তার ব্যবহৃত ফোনের নগদের পিনকোড নেন।

তিনি আরও জানান, কয়েক দফায় টাকা চাওয়ায় আমার কাছে সন্দেহ হলে বুঝতে পারি তাকে কেউ অপহৃরণ করেছে। বিষয়টি দেবর মাহমুদুল হাসানকে জানানো হলে সে ভূঞাপুর থানা পুলিশকে জানায়। পরে থানা পুলিশ সদস্যরা রবিবার রাতে অভিযান চালিয়ে কালিহাতী ও ঢাকা থেকে অভিযুক্তদের আটক করে।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান উল্লাহ্ জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজু আহমেদ ও তার সহযোগী রাকিব নামে ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেইসাথে ৩৩ হাজার ৫’শ টাকা, ২টি মোবাইল ও রাজুর ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, তাদের বিরুদ্ধে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:২৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নদীতে নিখোঁজের ১৩ ঘন্টা পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদীতে নিখোঁজের ১৩ ঘন্টা পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পিকনিকের নৌকা থেকে পড়ে নিখোঁজের ১৩ ঘন্টা পর শাকিল(১৯) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল।

সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের খিলগাতী এলাকার আওরা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত  শাকিল মিয়া উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের রামপুর কুকরাইল গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, শাকিলসহ প্রায় ২৫ জন বন্ধু মিলে রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার রামপুর থেকে নৌকা যোগে পাশের সখিপুর উপজেলার বহেড়াতৈল বিলে নৌকা ভ্রমণে যায়। সেখান থেকে সন্ধ্যায় রওনা হয়ে কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের খিলগাতী এলাকায় পৌঁছলে রাত ৮ টার দিকে হঠাৎ নৌকা থেকে শাকিল পড়ে যায়। পরে বন্ধুরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পাওয়ায় ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। সোমবার সকালে টাঙ্গাইল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল এসে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে খিলগাতী এলাকার আওরা নদী থেকে শাকিলের মরদেহ উদ্ধার করে।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আলাউদ্দিন জানান, রবিবার বিষয়টি জানতে পারি। পরে সোমবার সকালে আমাদের ডুবুরি দল গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ফারুক জানান, নৌ পুলিশসহ আমাদের থানা পুলিশ উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১১:৩৭:পিএম ৩ বছর আগে
করটিয়ায় মাদক প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

করটিয়ায় মাদক প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার বানিজ্যিক এলাকা করটিয়ায় মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে, চুরি, ইভটিজিং ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে করটিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে চরপাড়া হাট বাইপাস এলাকায় এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী।

করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনুর সভাপতিত্বে ও করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সিকদারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) হাসান বিন মোহাম্মদ আলী, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল ছালাম (পিপিএম), দেলদুয়ার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জান খান,পাথরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু রামপ্রসাদ সরকার, সা’দত কলেজের সাবেক জিএস বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক প্রমূখ।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বীরপুশিয়া গ্রামের সমাজ সেবক শাহীনুর ইসলাম শাহীন, করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আনছারী, সা’দত কলেজের সাবেক জিএস মো.জিন্নাহ মিয়া, সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি মামুন সিকদার, করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এমদাদুল হক এনামুল, ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ মিয়া, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রধান বক্তা বলেন, করটিয়া ইউনিয়নে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাদক ব্যবসায়ীদের ছাড় দেওয়া হবে না। এ জন্য এলাকার জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হওয়ায় স্থানীয়দের সাথে কঠোর হতে পারিনা। এখানে উপস্থিত টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)’র প্রতি অনুরোধ থাকবে তারা যেন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে। বিশেষ করে মাদকসহ কেও গ্রেপ্তার হলে তারা যেন জনপ্রতিনিধিদের টেলিফোনে অপরাধীদের ছেড়ে না দেন।

এ মাদক প্রতিরোধ মতবিনিময় সভায় স্থানীয় ব্যবসায়ী, ছাত্র, যুবকসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ লোক উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৪৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর শহরের আকুর টাকুর পাড়ার বটতলা পুরাতন বাজারের পাশে একটি বহুতল ভবন থেকে রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় খাদিজা বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত খাদিজার বাড়ি কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামে। সে ওই গ্রামের মৃত নুরুল হকের মেয়ে।

স্থানীয়রা জানায়, নিহত খাদিজা বেগম ও তার স্বামী রাশেদুল ইসলাম বটতলা পুরাতন বাজারের পাশে একটি ছয়তলা ভবনের তিনতলার ফ্লাটে ভাড়া থাকতেন। পরে রাশেদুলের পরিচিত রিনা নামে এক নারীকে সাবলেট হিসেবে ভাড়ায় উঠায় সে।

রিনার সঙ্গে রাশেদুলের পরকীয়ার কারণে কয়েক দিন যাবত স্বামী-স্ত্রীর মাঝে পারিবারিক কলহ চলছিল। রবিবার তাদের ফ্ল্যাটে তালাবদ্ধ দেখে বাসার মালিক ও পাশের বাসার ভাড়াটিয়ারা তালা ভাঙলে খাদিজার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।

তাৎক্ষণিকভাবে স্বামী রাশেদুল ইসলাম ও পরকীয়া প্রেমিকা রিনার পরিচয় পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে পরকীয়ার জের ধরে গৃহবধূ খাদিজাকে হত্যার পর থেকে তার স্বামী রাশেদুল ও রিনা পলাতক রয়েছে।

নিহত খাদিজা বেগমের ভাই ইমাম আলী জানান, আমার বোনকে তার আগের স্বামীর কাছ থেকে প্রায় পাঁচ বছর আগে বিচ্ছেদ করানো হয়েছে। সে কিছু দিন যাবত টাঙ্গাইল আদালত প্রাঙ্গনে আইনজীবীর সহকারি হিসেবে কাজ করতো। কোন ছেলের সাথে বিয়ে বা সম্পর্ক হয়েছিলো কিনা, সেটি আমার জানা নেই।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ছালাম মিয়া জানান, খবর পাওয়ার পর খাদিজার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। তার পায়ের দুই রগ কাটা ছিল।

তিনি আরও জানান, এছাড়াও তার মুখে কাপড় পেঁচানো এবং বালিশের চাপ দেয়া ছিলো। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৩৩:এএম ৩ বছর আগে
বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক আতিকুর রহমান জামিলের দাফন সম্পন্ন - Ekotar Kantho

বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক আতিকুর রহমান জামিলের দাফন সম্পন্ন

একতার কণ্ঠঃ বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক, টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ডিএফএ) সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিলের (জামিল বস) দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাদ এশা তার জানাজার নামাজ টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থান মসজিদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে টাংগাইল বেবিস্ট্যান্ড কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়।

তার জানাজার নামাজে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিন্টু, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদ সাইদুজ্জামান সোহেল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান  হাসান, টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বালা মিয়া, কাতুলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল মিয়া প্রমূখ।

এর পূর্বে রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় তার মরদেহ ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে আনা হয়। সেখানে টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিন্টু তার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে। এ সময় জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক সাবেক ও বর্তমান খেলোয়ারগণ উপস্থিত হয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলে ফুটবলার তৈরির কারিগর, টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফএ) এর সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিল (জামিল বস) রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি সংক্রান্ত জটিল রোগে ভুগছিলেন।

মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই কণ্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও কৃতি ফুটবলার রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন, টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক। এছাড়া টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোঃ কায়ছারুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিন্টু তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৫৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিদ্যালয়ে উত্ত্যক্তের বিচার, বাসায় ফিরে ছাত্রীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিদ্যালয়ে উত্ত্যক্তের বিচার, বাসায় ফিরে ছাত্রীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ স্কুলে যাওয়া-আসার পথে প্রায়ই উত্ত্যক্তের শিকার হতো এক শিক্ষার্থী। উল্টো তার ঘাড়েই দোষ চাপাতেন শিক্ষকরা। করতেন বকাঝকা। এসব সইতে না পেরে চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছে ভুক্তভোগী ছাত্রী। বুধবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের মটরা সাহাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী আলিফা খানম জুঁই বাসাইল উপজেলার লৌহজং উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

অভিযুক্ত বাঁধন ওরফে পিচ্চি বাঁধন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের বীরপুশিয়া নয়াপাড়া গ্রামের প্রবাসী কামরুল ইসলামের ছেলে।

এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) রাতে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা কারেছেন নিহত ছাত্রীর দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাইয়ুম।

আসামিরা হলেন, বাঁধন ওরফে পিচ্চি বাঁধন, লৌহজং উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরজু জমাদার, সহকারী শিক্ষক আব্দুল লতিফ ও সহকারী শিক্ষক তাছলিমা খাতুন ছবি।

জানা গেছে, মেয়েটির মা-বাবা ঢাকায় থাকেন। গ্রামের বাড়িতে দাদা-দাদির কাছে থেকে লেখাপাড়া করতো সে। বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে বাঁধন ওরফে পিচ্চি বাঁধন। সম্প্রতি উত্ত্যক্তের মাত্রা বেড়ে যায়। এসিড দিয়ে ছাত্রীর মুখ ঝলসে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে গত বুধবার বিকেলে বাঁধনসহ তার পরিবার এবং ছাত্রীসহ তার পরিবারকে ডেকে নেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। সেখানে বাঁধনকে শাসিয়ে দেওয়া হয়। ছাত্রীর ওপর দোষ চাপিয়ে বকাঝকা করা হয়। বিদ্যালয় থেকে বাড়িতে ফিরে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয় সে। পাশেই একটি চিরকুট পাওয়া যায়। তাতে লেখা ছিল ‘আমি দোষী নই।’ খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায় বাসাইল থানা পুলিশ।

শিক্ষার্থীর মা রূপা বেগম বলেন, বখাটে বাঁধনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরজু জমাদার বলেন, আমরা দুই পরিবারের লোকজন নিয়ে বসেছিলাম। সেখানে বাঁধনকে শাসিয়ে দেওয়া হয়। তারপরও মেয়েটি কেন আত্মহত্যা করল আমরা বুঝতে পারছি না।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মতিউর রহমান খানের ভাষ্য, খবর পেয়ে মেয়েটির বাড়ি ও বিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন। বখাটে বাঁধনের উত্ত্যক্তের বিষয়টি সত্য। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেস্তাফিজুর রহমান জানান, বিদ্যালয়ে পড়াশোনার জায়গা, বিচারের জন্য নয়। প্রধান শিক্ষক বিষয়টি প্রশাসন অথবা পুলিশকে জানাতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। উল্টো ওই ছাত্রীকেই বিচারের নামে বহু মানুষের সামনে দোষারোপ করেছেন। অপমান সইতে না পেরে সে চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পাপিয়া আক্তার জানান, উত্ত্যক্তের বিষয়টি আমাদের আগে জানানো হয়নি। জানলে হয়তো ব্যবস্থা নিতে পারতাম। যেহেতু মামলা হয়েছে, তাই পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে আমি আশা করি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:০৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করল শিক্ষার্থীরা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করল শিক্ষার্থীরা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছে স্থানীয় স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। উপজেলার কালিদাস থেকে বহুরিয়া সড়কের পানাউল্লাপাড়ায় এ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে।

গত দুই মাস ধরে ব্যাপক দুর্ভোগে ছিলো ওই এলাকার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।

শিক্ষার্থীরা জানায়, ভেঙে যাওয়া গ্রমীণ সড়কের উপর দিয়ে পানির স্রোত থাকায় প্রায় এক মাস ধরে চলাচলে ব্যাপক অসুবিধা হচ্ছিল। স্কুল কলেজে যেতে আমাদের খুব কষ্ট হতো। তাই বন্ধের দিনে সম্মিলিতভাবে এলাকার বড় ভাইদের সঙ্গে নিয়ে এই বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছি।

ওই এলাকার কামরুল হাসান জানান, বহুরয়িা-কালিদাস সড়কের মাঝখানে প্রায় আড়াই কিলোমিটার সড়ক কাঁচা। এই কাঁচা সড়ক ভেঙে বৃষ্টির পানির ঢল যাচ্ছিলো।

তিনি আরও জানান, এমন দূরবস্থা দেখে এলাকার স্কুল-কলেজ পড়ুয়া রিফাত, মেজবা, রায়হান, রাতুল, মামুন, জীবন, আশিক, শামিম, খালিদ, হাসান সহ ১০-১২ জন শিক্ষার্থী মিলে বিভিন্ন বাড়ি থেকে বাঁশ সংগ্রহ করে এই সাঁকো নির্মাণ করায় এলাকাবাসী খুবই খুশি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:৪৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে লোকালয়ে পানি প্রবেশ, যমুনাসহ তিন নদীতে পানি বৃদ্ধি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে লোকালয়ে পানি প্রবেশ, যমুনাসহ তিন নদীতে পানি বৃদ্ধি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করায় বিপাকে পড়েছেন স্থানীয়রা। এছাড়া তিনটি নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার ভূঞাপুর, নাগরপুর ও কালিহাতীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কষ্টাপাড়া, ভালকুটিয়া ও নিকরাইল ইউনিয়নের পাটিতাপাড়া, কোনাবাড়ি ও চিতুলিয়াপাড়া এলাকায়। সম্প্রতি ভাঙনরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয়রা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম ইতোমধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কষ্টাপাড়া, খানুরবাড়ি এলাকাতেও পানি প্রবেশ করেছে। ফলে এলাকার মানুষজন পানিবন্দি হওয়ায় বিপাকে পড়েছে। তবে পানি আরও বৃদ্ধি পেলে সেইসব এলাকাগুলোতে যাতায়াত ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঝিনাই নদীর পানি জোকারচর পয়েন্টে আট সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি পোড়াবাড়ি পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার এবং ধলেশ্বরী নদীর পানি এলাসিন পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ছয় সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ভূঞাপুর উপজেলা কষ্টাপাড়া ঘোষপাড়া গ্রামের বন্ধনা রানী ঘোষ বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি ঘরের সামনে যমুনা নদীর পানি। হঠাৎ পানি আসাতে বিপাকে পড়েছি। যেভাবে পানি বাড়ছে তাতে বিকেলের পর আরও বিপাকে পড়তে হবে। লোকালয়ে পানি আসায় গীতাস্কুল ও কেন্দ্রীয় নাটমন্দিরে ধর্মীয় শিক্ষার ক্লাস কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

কষ্টাপাড়ার গীতাস্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্য শিশির দাস বলেন, যমুনা নদীর পানি উপচে গ্রামে প্রবেশ করেছে। এতে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টাঙ্গাইলের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাবে। তারপর থেকে পানি কমতে শুরু করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভূঞাপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেন বলেন, সরেজমিনে যমুনা নদীতে গিয়ে পানি বৃদ্ধি ও ভাঙনের চিত্র দেখেছি। ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে একটি এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:৪১:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।