/ হোম / একতার কণ্ঠ
টাঙ্গাইলে দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে মিতানুর রহমান প্রভা (১৫) নামে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের কুঠিবয়ড়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে।

নিহত মিতানুর রহমান প্রভা কুঠিবয়ড়া গ্রামের মো: খলিলুর রহমানের মেয়ে। সে স্থানীয় অর্জুনা মহসিন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

প্রভার চাচা আলীম মোল্লা বলেন, মেয়েটির মা টাঙ্গাইল শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে ছিল। সে ঘরের নিজ রুমে একাই ছিল এবং ল্যাপটপ চালাচ্ছিল। পরে ডাকতে ডাকতে প্রভার খোঁজ নিতে গিয়ে তার কোন সাড়া শব্দ নেই। পরে ঘরে ঢুকে দেখি ঘরের ধরনার সাথে গলায় ওড়না পেঁছানো অবস্থায় ঝুলে আছে প্রভা।

অর্জুনা ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল আলম খান মাহবুব বলেন, আত্মহত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন ।

তিনি আরও বলেন- সে স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, হয়তো প্রেমঘটিত কারণে আত্মহত্যা করতে পারে।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানা অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল ওহাব জানান, মরদেহ হাসপাতাল থেকে থানায় আনা হয়েছে। এ ব্যাপারে মেয়ের মামার মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। আত্মহত্যার বিষয়ে তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তে রিপোর্ট পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০১:৩৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হত্যার ভয় দেখিয়ে প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হত্যার ভয় দেখিয়ে প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। এ ছাড়া ধর্ষণের বিষয়টি কাউকে জানালে সবাইকে মেরে ফেলা হবে বলেও তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়নে রোববার ( ২০ ফেব্রয়ারি) ওই ঘটনা ঘটেছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ছেলেকে কাছে রাখতে না পেরে অভিমানে আত্মহত্যা

অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত হযরত আলী ব্যাপারীকে (৬০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চার সন্তানের পিতা হযরত আলী ওই গৃহবধূর প্রতিবেশী ও মৃত তমড় আলী ব্যাপারীর ছেলে।

ওই গৃহবধূর বাবা বলেন, ‘সপ্তাহ দুয়েক আগে রাতে বাড়ি ফেরার সময় আমার মেয়েকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করে হযরত। বিষয়টি কাউকে বললে স্বামীসহ তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এই ঘটনার পর আমার মেয়ে অসুস্থ বোধ করলে হযরতের মামাতো ভাই সাদ্দাম হোসেন ও একই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের ছোট ভাই আল মাহামুদ তাকে উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়। এরপর থেকে সাদ্দাম ও মাহামুদ টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আমাদের সবাইকে হুমকি দিচ্ছে। আমরা এর বিচার চাই।’

এ ব্যাপারে আল মাহামুদের কাছে জানতে চাইলে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান। সাদ্দাম হোসেন ব্যস্ত থাকার কথা বলে ফোন কেটে দেন।

ধনবাড়ী থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) চান মিয়া জানান, প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০৩:৪৫:এএম ৪ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সোমবার (২১ ফেব্রয়ারি) রাত রাত ১২ টা ১ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন এর নেতৃত্বে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে ক্যাম্পাস্থ শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদ,বিভাগ, হল, মাওলানা ভাসানী রিসার্স সেন্টার, আইসিটি সেল, আইকিউএসি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ,অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন, ভাসানী পরিষদ, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি,বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ এবং ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে ১ মিনিট নিরবতা পালন ও ভাষা শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

এছাড়া ভোরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলন এবং বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সকল কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২২ ০৩:২৩:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ দেশাত্ববোধক গান পরিবেশন, শহীদ মিনারে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে ২১ শে ফেব্রুয়ারী (সোমবার) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহীদ দিবস পালিত হয়েছে।

সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২ টা ১ মিনিটে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথমে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে স্থানীয় সংসদ সদস্য, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে শহীদদের স্মরণে এক মিনিটের নিরবতা পালন করা হয়৷

এ সময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক,সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক আতাউল গণি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর পর  জেলা পরিষদ, পুলিশ প্রশাসন, পৌরসভা, প্রেসক্লাব, সিভিল সার্জন অফিস, পিবিআই, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও সর্বস্তরের জনসাধারন শহীদদের স্মরণে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

এর আগে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের দেশাত্ববোধক গানের অনুষ্ঠান। এছাড়াও জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০২:২৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে তরুণ নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে তরুণ নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ট্রাকের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার এক যাত্রী নিহত এবং অটোরিকশার চালকসহ চারজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার লক্ষীন্দর পঞ্চাতবাড়ি মোড়ে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইলের সাগরদিঘি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. আলাল ।

আরো পড়ুনঃ  ইয়াং টাইগার্স অনুর্ধ্ব-১৬ জোনাল ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের ফাইনালে টাঙ্গাইল

নিহত যাত্রীর নাম আতিকুল ইসলাম (২২)। তিনি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার আলীনগর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।

আহতরা হচ্ছেন, টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মাদিবাড়ী গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে মো. রুবেল (২২) ও জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার দিঘলকান্দি গ্রামের সিকদার মিয়ার ছেলে ফরিদুল ইসলাম (৩০)। আহত অপর দুই জনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

সাগরদিঘি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. আলাল জানান, উপজেলার রসুলপুর থেকে ইট নিয়ে ট্রাকটি সাগরদিঘী যাচ্ছিল। এসময় বিপরীত দিক থেকে চার যাত্রী নিয়ে আসা অটোরিকশাটির সঙ্গে লক্ষীন্দর পঞ্চাতবাড়ি মোড়ে সংঘর্ষ হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে এবং চালকসহ দুইজনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে আতিকুল ইসলামের মৃত্যু হয়। অপর দুইজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০৩:৫৬:এএম ৪ বছর আগে
ইয়াং টাইগার্স অনুর্ধ্ব-১৬ জোনাল ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের ফাইনালে টাঙ্গাইল - Ekotar Kantho

ইয়াং টাইগার্স অনুর্ধ্ব-১৬ জোনাল ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের ফাইনালে টাঙ্গাইল

একতার কণ্ঠঃ ইয়াং টাইগার্স অনুর্ধ্ব-১৬ জোনাল ক্রিকেটে সেন্টাল জোনের প্রথম সেমিফাইনালে মুন্সিগঞ্জ জেলা দলকে ৭ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে টুর্ণামেন্টের ফাইনালে উঠেছে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেট দল।

বৃহস্পতিবার(১৭ ফেব্রয়ারি) গোপালগঞ্জ শেখ কামাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ৫০ ওভারের এই খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দলের স্পিনারদের কাছে মুন্সিগঞ্জ জেলা দলের কোন ব্যাটসম্যান দাঁড়াতেই পারেনি। শুধুমাত্র মুন্সিগঞ্জ দলের ওপেনার শাহিনুল ইসলাম ৫৫ বলে ৩১ রান করতে সমর্থ হয়। টাঙ্গাইলের স্পিন দাপটে মাত্র ৩৩ ওভারে ১০৭ রানে থেমে যায় মুন্সিগঞ্জ জেলা দল। খেলায় টাঙ্গালের বাহাতি অফ স্পিনার রাদিল ৫ উইকেট ও খন্দকার তুহিন ৩ উইকেট লাভ করে।

সকালে টসে জিতে মুন্সিগঞ্জ জেলা দল টাঙ্গাইল জেলা দলকে ফিল্ডিং এর আমন্ত্রন জানায় । টাঙ্গাইল জেলা দলের পেসাররা সকালের বাতাসের আর্দ্রতার সুবিধা নিতে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে মুন্সিগঞ্জ জেলা দলের স্কোর দাড়ায় ১০ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে ৪৮ রান।

এর পর টাঙ্গাইল জেলা দল স্পিন আক্রমন শুরু করে। প্রথম দিকে টাঙ্গাইল দলের স্পিনাররা সাফল্য পাচ্ছিল না। ফলে ২৩ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলা দলের রান গিয়ে দাড়ায় ৭৯।

এর পর টাঙ্গাইল জেলা দলের তুরুপের তাস দুই স্পিনার রাদিল ও খন্দকার তুহিন ঝলসে উঠে। রাদিল ৯ ওভার বল করে একটি মেডেন সহ মাত্র ১৪ রান দিয়ে ৫টি উইকেট লাভ করে। অপর প্রান্তে আরেক স্পিনার খন্দকার তুহিন মাত্র ৭ ওভার ৫ বল করে চারটি মেডেন সহ ১৩ রান দিয়ে ৩ টি উইকেট শিকার করে। এ পর্যায়ে মুন্সিগঞ্জ মাত্র ৩৩ ওভার খেলে সব কটি উইকেট হারিয়ে ১০৭ রান করতে সক্ষম হয়।

১০৮ রানের জয়ের র্টাগেটে খেলতে নেমে টাঙ্গাইল জেলা দলের দুই ওপেনার ফাইয়াজ হাসান বাঁধন এবং মেহেদি হাসান ভালোই সামাল দেয় মুন্সিগঞ্জ জেলা দলের পেস বোলিং আক্রমণ।দলের রান যখন ৪৩ তখন ওপেনার বাঁধন রান আউটের শিকার হয়।

এর পর মধ্যাহ্ন বিরতির পর খেলা শুরু হলে টাঙ্গাইল জেলা দল অল্প সময়ের ব্যবধানে আরো দুইটি উইকেট হারায়। টাঙ্গাইল জেলা দলের তৃতীয় উইকেট জুটি রিফাত বেগ ও মুনতাসির রহমানের দৃঢ় ব্যাটিং এর ফলে আর কোন উইকেট না হারিয়েই টাঙ্গাইল জেলা দল জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।

রিফাত বেগ ৩৮ বলে ২৪ রান ও মুনতাসির রহমান ২৪ বলে ২৪ রানে অপরাজিত থাকে। খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দল ৭ উইকেটের বিশাল জয় লাভ করে।

খেলায় ম্যান অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হন টাঙ্গাইল জেলা দলের বাহাতি অফ স্পিনার রাদিল।

টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেট দলের খেলোয়ার গন হচ্ছেনঃ দেবাশিষ সরকার(অধিনায়ক) সামিউল সানমুন(উইকেট রক্ষক) রিফাত বেগ, মেহেদি হাসান, ফাইয়াজ আহমেদ বাঁধন, খন্দকার তুহিন, রাদিল, মুনতাসির রহমান, আবিদ মিঞা, আমির হামজা ও ইমরুল হাসান।

টাঙ্গাইল জেলা দলের ম্যানেজারে দায়িত্বে আছেন. জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ভ্রমর চন্দ ঘোষ ঝোটন। আর কোচের দায়িত্ব পালন করছেন বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা দলের ক্রিকেট কোচ মোঃ আরাফাত রহমান।

টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু শেখ কামাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে টাঙ্গাইল জেলা দলের খেলা উপভোগ করেন।

প্রকাশ, শুক্রবার(১৮ ফেব্রয়ারি) ময়মনসিংহ জেলা দল ও ফরিদপুর জেলা দলের মধ্যে দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী দলের সাথে ,আগামী রোববার(২০ফেব্রয়ারি) গোপালগঞ্জ শেখ কামাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টাঙ্গাইল জেলা দলের সাথে টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০২:১৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়িতে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের হামলা, গ্রেপ্তার ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়িতে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের হামলা, গ্রেপ্তার ৩

একতার কণ্ঠঃ কন্যাসন্তানসহ এক তৃতীয়লিঙ্গের ব্যক্তিকে আটকের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়েছে তৃতীয়লিঙ্গের লোকজন।এ সময় তাদের আক্রমণে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।বুধবার (১৬ ফেব্রয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার এলজিইডি মোড়ে অবস্থিত সদর পুলিশ ফাঁড়িতে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। এঘটনায় তিন তৃতীয়লিঙ্গের ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় যুবক নিহত

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনিকা নামের এক তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি কন্যাসন্তান নিয়ে সন্ধায় জামালপুর থেকে বাসযোগে ঢাকা যাচ্ছিলেন। এসময় বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের সন্দেহ হলে এক যাত্রী ‘৯৯৯’ এ ফোন নিয়ে বিষয়টি অবগত করেন। পরে টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসে। আটকের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে শহরের অন্যান্য তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিরা একত্রি হয়ে ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এসময় এক পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় জড়িত তৃতীয় লিঙ্গের তিন ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

আটককৃত মনিকা জানান, তার বাড়ি জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার শেহরীপূর্বপাড়া গ্রামে। তিনি আগে কামরুজ্জামান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০১০ সালে পারিবারিক ভাবে একই উপজেলার পপি খাতুন নামের এক নারীর সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের দুই বছর পর তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। এরপর থেকেই তার শারীরিক পরিবর্তন হতে থাকে। এ কারণে তার স্ত্রী পপি খাতুন তাকে ছেড়ে তার চাচাতো ভাইকে বিয়ে করে অন্যত্র চলে যান। ২০১৮ সালে তিনি তৃতীয় লিঙ্গে পরিণত হয়ে তার নাম রাখেন মনিকা। এরপর থেকেই তিনি তার কন্যা সন্তানানকে লালন-পালন করছেন। তিনি গ্রামের বাড়ি জামালপুর থেকে তার মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন। এসময় টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সদর ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক শামীম হোসেন বলেন, ‘মনিকা তার মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন। তার কোলে সন্তান দেখে বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের সন্দেহ হয়।এরপর এক নারী যাত্রী ৯৯৯এ ফোন করে জানায়। পরে তাকে শহরের রাবনা বাইপাস মোড় থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়। এ খবর পেয়ে অন্যান্য তৃতীয়লিঙ্গের ব্যক্তিরা একত্রিত হয়ে ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় তিনজন তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিকে আটক করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেনে আসে।’

Ekotar Kantho

তিনি আরও জানান, মনিকা ওরফে কামরুজ্জামানের সাবেক স্ত্রী পপি খাতুনকে খবর দেয়া হয়েছিল। তিনি এসেছেন এবং তার সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই সন্তান তাদেরই ঔরসজাত। তার স্বামীর শারীরিক পরিবর্তন হওয়ায় তিনি তাকে তালাক দিয়েছেন। এ কারণে তার সন্তানটি স্বামী মনিকা ওরফে কামরুজ্জামানের কাছেই থাকে। এজন্য মনিকাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আর আটককৃতদের বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০৬:০১:পিএম ৪ বছর আগে
আইপিএলে ১০ দলে কে কত পেলেন - Ekotar Kantho

আইপিএলে ১০ দলে কে কত পেলেন

একতার কণ্ঠঃ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) মেগা নিলামের পর্দা নেমেছে। রোববার (১৩ ফেব্রয়ারি) ব্যাঙ্গালুরুতে দুই দিনব্যাপী আইপিএল নিলাম শেষ হয়।

নিলাম থেকে মোট ২০৪ জন ক্রিকেটার দল পেয়েছেন। এর মধ্যে ৬৭ জন খেলোয়াড় ডাক পেয়েছেন বিদেশি কোটায়।
এবারের নিলামে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো মোট ৫৫১ কোটি ৭০ লাখ রুপি খরচ করেছে। সবচেয়ে বেশি ১৫ কোটি ২৫ লাখ রুপিতে বিক্রি হয়েছেন ভারতীয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ঈশান কিষাণ। ভারতীয় ব্যাটারকে কিনেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪ কোটি রুপিতে পেসার দীপক চাহারকে কিনেছে চেন্নাই সুপার কিংস। এছাড়া তৃতীয় সর্বোচ্চ ১২ কোটি ২৫ লাখ রুপিতে ভারতীয় ব্যাটার শ্রেয়াস আইয়ারকে কিনেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।

বিদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১১ কোটি ৫০ লাখ রুপিতে পাঞ্জাব কিংসে গেছেন ইংলিশ অলরাউন্ডার লিয়াম লিভিংস্টোন। বিদেশিদের মধ্যে লঙ্কান অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে ১০ কোটি ৭৫ লাখ রুপিতে কিনেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এছাড়া একই মূল্যে ক্যারিবীয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার নিকোলাস পুরানকে কিনেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক বিক্রি হওয়া ১০ দলের স্কোয়াড (মূল্য ভারতীয় রুপিতে)।

চেন্নাই সুপার কিংস

আগের ধরে রাখা: মহেন্দ্র সিং ধোনি (১২ কোটি), রবীন্দ্র জাদেজা (১৬ কোটি), মইন আলি (৮ কোটি), রুতুরাজ গায়কোয়াড় (৬ কোটি)।

নিলামে: তুষার দেশপান্ডে (২০ লাখ), আম্বাতি রায়াড়ু (৬ কোটি ৭৫ লাখ), দীপক চাহার (১৪ কোটি), কেএম আসিফ (২০ লাখ), ডোয়াইন ব্র্যাভো (৪ কোটি ৪০ লাখ), রবীন উথাপ্পা (২ কোটি), কে ভগত বর্মা (২০ লাখ), ক্রিস জর্ডান (৩ কোটি ৬০ লাখ), এন জগদীশান (২০ লাখ), হরি নিশান্ত (২০ লাখ), প্রশান্ত সোলাঙ্কি (১ কোটি ২০ লাখ), মুকেশ চৌধুরী (২০ লাখ), শুভ্রাংশু সেনাপতি (২০ লাখ), অ্যাডাম মিলিন (১ কোটি ৯০ লাখ), মিচেল স্যান্টনার (১ কোটি ৯০ লাখ), ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস (৫০ লাখ), ডেভন কনওয়ে (১ কোটি), সমরজিত সিং (২০ লাখ), রাজবর্ধন হাঙ্গার্গেকার (১ কোটি ৫০ লাখ), মহিশ থিকসানা (৭০ লাখ), শিবাম দুবে (৪ কোটি)।

দিল্লি ক্যাপিটালস

আগের ধরে রাখা: রিশাভ পান্ত (১৬ কোটি), আকসার প্যাটেল (৯ কোটি), পৃথ্বী শ (৭ কোটি ৫০ লাখ), আনরিক নরকিয়া (৬ কোটি ৫০ লাখ)।

নিলামে: শার্দুল ঠাকুর (১০ কোটি ৭৫ লাখ), মিচেল মার্শ (৬ কোটি ৫০ লাখ), মুস্তাফিজুর রহমান (২ কোটি), কেএস ভরত (২ কোটি), ডেভিড ওয়ার্নার (৬ কোটি ২৬ লাখ), কুলদীপ যাদব (২ কোটি), অশ্বিন হেব্বার (২০ লাখ), কমলেশ নাগারকোটি (১ কোটি ১০ লাখ), সরফরাজ খান (২০ লাখ), ভিকি ওস্তওয়াল (২০ লাখ), টিম সেফার্ত (৫০ লাখ), লুঙ্গি এনগিড়ি (৫০ লাখ), প্রবীণ দুবে (৫০ লাখ), রোভম্যান পাওয়েল (২ কোটি ৮০ লাখ), যশ ধুল (৫০ লাখ), রিপল প্যাটেল (২০ লাখ), ললিত যাদব (৬৫ লাখ), চেতন সাকারিয়া (৪ কোটি ২০ লাখ), খলিল আহমেদ (৫ কোটি ২৫ লাখ), মনদীপ সিং (১ কোটি ১০ লাখ)।

গুজরাট টাইটানস

আগের ধরে রাখা: হার্দিক পান্ডিয়া (১৫ কোটি), রশিদ খান (১৫ কোটি), শুবমান গিল (৮ কোটি।

নিলামে: নূর আহমেদ (৩০ লাখ), জেসন রয় (২ কোটি), মোহাম্মদ শামি (৬ কোটি ২৫ লাখ), রাহুল তেওয়াটিয়া (৯ কোটি), অভিনব সাদারঙ্গানি (২ কোটি ৬০ লাখ), লকি ফার্গুসন (১০ কোটি), আর সাই কিশোর (৩ কোটি), বরুণ অ্যারন (৫০ লাখ), গুরকিরাত সিং (৫০ লাখ), ম্যাথিউ ওয়েড (২ কোটি ৪০ লাখ), ঋদ্ধিমান সাহা (১ কোটি ৯০ লাখ), ডেভিড মিলার (৩ কোটি), প্রদীপ সাঙ্গওয়ান (২০ লাখ), আলজারি জোসেফ (২ কোটি ৪০ লাখ), যশ দয়াল (৩ কোটি ২০ লাখ), দর্শন নালকান্ডে (২০ লাখ), বিজয় শঙ্কর (১ কোটি ৪০ লাখ), জয়ন্ত যাদব (১ কোটি ৭০ লাখ), ডমিনিক ড্রেকস (১ কোটি ১০ লাখ)।

কলকাতা নাইট রাইডার্স

আগের ধরে রাখা: আন্দ্রে রাসেল (১২ কোটি), বরুন চক্রবর্তি (৮ কোটি), ভেঙ্কাটেশ আইয়ার (৮ কোটি), সুনিল নারাইন (৬ কোটি)।

নিলামে: শিবম মাভি (৭ কোটি ২৫ লাখ), শেল্ডন জ্যাকসন (৬০ লাখ), প্যাট কামিন্স (৭ কোটি ২৫ লাখ), শ্রেয়াস আয়ার (১২ কোটি ২৫ লাখ), নীতিশ রানা (৮ কোটি), আমান খান (২০ লাখ), উমেশ যাদব (২ কোটি), মোহম্মাদ নবি (১ কোটি), রমেশ কুমার (২০ লাখ), টিম সাউদি (১ কোটি ৫০ লাখ), অ্যালেক্স হেলস (১ কোটি ৫০ লাখ), স্যাম বিলিংস (২ কোটি), অশোক শর্মা (২০ লাখ), প্রথম সিং (২০ লাখ), অভিজিৎ তোমর (২০ লাখ), চামিকা করুণারত্নে (৫০ লাখ), বাবা ইন্দ্রজিত (২০ লাখ), রসিখ দার (২০ লাখ), অনুকুল রায় (২০ লাখ), রিঙ্কু সিং (৫৫ লাখ), আজিঙ্কা রাহানে (১ কোটি)।

লখনউ সুপার জায়ান্টস

আগের ধরে রাখা: লোকেশ রাহুল (১৭ কোটি), মার্কাস স্টয়নিস (৯ কোটি ২০ লাখ), রবি বিষ্ণই (৪ কোটি)

নিলামে: আবেশ খান (১০ কোটি), কুইন্টন ডি’কক (৬ কোটি ৭৫ লাখ), মার্ক উড (৭ কোটি ৫০ লাখ), মণীশ পান্ডে (৪ কোটি ৬০ লাখ), জেসন হোল্ডার (৮ কোটি ৭৫ লাখ), দীপক হুডা (৫ কোটি ৭৫ লাখ), ক্রুণাল পান্ডিয়া (৮ কোটি ২৫ লাখ), অঙ্কিত রাজপুত (৫০ লাখ), মায়াঙ্ক যাদব (২০ লাখ), এভিন লুইস (২ কোটি), করণ শর্মা (২০ লাখ), কাইল মায়ের্স (৫০ লাখ), আয়ূস বাদোনি (২০ লাখ), মহসিন খান (২০ লাখ), মনন ভোরা (২০ লাখ), শাহবাজ নদিম (৫০ লাখ), দুশমন্ত চামিরা (২ কোটি), কৃষ্ণাপ্পা গৌতম (৯০ লাখ)।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

আগের ধরে রাখা: রোহিত শর্মা (১৬ কোটি), জাসপ্রিত বুমরাহ (১২ কোটি), সূর্যকুমার যাদব (৮ কোটি), কাইরন পোলার্ড (৬ কোটি)।

নিলামে: বাসিল থাম্পি (৩০ লাখ), মুরুগান অশ্বিন (১ কোটি ৬০ লাখ), ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (৩ কোটি), ইশান কিষাণ (১৫ কোটি ২৫ লাখ), ফ্যাবিয়ান অ্যালেন (৭৫ লাখ), আরিয়ান জুয়াল (২০ লাখ), অর্জুন তেন্ডুলকার (৩০ লাখ), হৃত্বিক শোকিন (২০ লাখ), রাহুল বুদ্ধি (২০ লাখ), রমনদীপ সিং (২০ লাখ), আনমোলপ্রীত সিং (২০ লাখ), মোহাম্মাদ আরশাদ (২০ লাখ), রিলি মেরেডিথ (১ কোটি), টিম ডেভিড (৮ কোটি ২৫ লাখ), টাইমাল মিলস (১ কোটি ৫০ লাখ), ড্যানিয়েল স্যামস (২ কোটি ৬০ লাখ), জোফ্রা আর্চার (৮ কোটি), সঞ্জয় যাদব (৫০ লাখ), তিলক বর্মা (১ কোটি ৭০ লাখ), মায়াঙ্ক মার্কান্ডে (৬৫ লাখ), জয়দেব উনাদকাট (১ কোটি ৩০ লাখ)।

পাঞ্জাব কিংস

আগের ধরে রাখা: মায়াঙ্ক আগারওয়াল (১৪ কোটি), আর্শদিপ সিং (৪ কোটি)।

নিলামে: জিতেশ শর্মা (২০ লাখ), শাহরুখ খান (৯ কোটি), জনি বেয়ারস্টো (৬ কোটি ৭৫ লাখ), হরপ্রীত ব্রার (৩ কোটি ৮০ লাখ), শিখর ধাওয়ান (৮ কোটি ২৫ লাখ), ইশান পোড়েল (২৫ লাখ), কাগিসো রাবাদা (৯ কোটি ২৫ লাখ), রাহুল চাহার (৫ কোটি ২৫ লাখ), প্রবসিমরন সিং (৬০ লাখ), বেনি হাওয়েল (৪০ লাখ), ভানুকা রাজাপাক্ষে (৫০ লাখ), অথর্ব টাইডে (২০ লাখ), ন্যাথান এলিস (৭৫ লাখ), অংশ প্যাটেল (২০ লাখ), বলতেজ ধান্ধা (২০ লাখ), ঋত্ত্বিক চট্টোপাধ্যায় (২০ লাখ), বৈভব আরোরা (২ কোটি), প্রেরক মানকাড় (২০ লাখ), ঋষি ধাওয়ান (৫৫ লাখ), রাজ বাওয়া (২ কোটি), সন্দীপ শর্মা (৫০ লাখ), ওডিন স্মিথ (৬ কোটি), লিয়াম লিভিংস্টোন (১১ কোটি ৫০ লাখ)।

রাজস্থান রয়্যালস

আগের ধরে রাখা: সাঞ্জু স্যামসন (১৪ কোটি), জশ বাটলার (১০ কোটি), যাশাসবি জয়সওয়াল (৪ কোটি)।

নিলামে: কেসি কারিয়াপ্পা (৩০ লাখ), রিয়ান পরাগ (৩ কোটি ৮০ লাখ), ট্রেন্ট বোল্ট (৮ কোটি), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৫ কোটি), যুজবেন্দ্র চাহাল (৬ কোটি ৫০ লাখ), শিমরন হেটমায়ার (৮ কোটি ৫০ লাখ), প্রসিধ কৃষ্ণা (১০ কোটি), দেবদূত পাডিক্কাল (৭ কোটি ৭৫ লাখ), ডারিল মিচেল (৭৫ লাখ), রাসি ভ্যান ডার দাসেন (১ কোটি), ন্যাথান কুল্টার-নাইল (২ কোটি), জিমি নিশাম (১ কোটি ৫০ লাখ), শুভম গারওয়াল (২০ লাখ), কুলদীপ যাদব (২০ লাখ), তেজস বরোকা (২০ লাখ), ধ্রুব জুরেল (২০ লাখ), করুন নায়ার (১ কোটি ৪০ লাখ), কুলদীপ সেন (২০ লাখ), অরুনয় সিং (২০ লাখ), ওবেদ ম্যাককয় (৭৫ লাখ), নভদীপ সাইনি (২ কোটি ৬০ লাখ)।

রয়্যাল চালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু

আগের ধরে রাখা: বিরাট কোহলি (১৫ কোটি), গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১১ কোটি), মোহাম্মদ সিরাজ (৭ কোটি)।

নিলামে: ফ্যাফ ডু’প্লেসি (৭ কোটি), অনূজ রাওয়াত (৩ কোটি ৪০ লাখ), জোস হ্যাজেলউড (৭ কোটি ৭৫ লাখ), আকাশ দীপ (২০ লাখ), শাহবাজ আহমেদ (২ কোটি ৪০ লাখ), দীনেশ কার্তিক (৫ কোটি ৫০ লাখ), হার্ষাল প্যাটেল (১০ কোটি ৭৫ লাখ), ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (১০ কোটি ৭৫ লাখ), ডেভিড উইলি (২ কোটি), লুবনিথ সিসোদিয়া (২০ লাখ), সিদ্ধার্থ কাউল (৭৫ লাখ), করন শর্মা (৫০ লাখ), অন্নেশ্বর গৌতম (২০ লাখ), চামা মিলিন্দ (২৫ লাখ), জেসন বেহরেনডার্ফ (৭৫ লাখ), শেরফান রাদারফোর্ড (১ কোটি), ফিন অ্যালেন (৮০ লাখ), মহিপাল লোমরোর (৯৫ লাখ)।

সানরাইজার্স হায়দারাবাদ

আগের ধরে রাখা: কেন উইলিয়ামসন (১৪ কোটি), আব্দুল সামাদ (৪ কোটি), উমরান মালিক (৪ কোটি)।

নিলামে: নিকোলাস পুরান (১০ কোটি ৭৫ লাখ), জগদীশা সূচিত (২০ লাখ), শ্রেয়াস গোপাল (৭৫ লাখ), কার্তিক তিয়াগী (৪ কোটি), ওয়াশিংটন সুন্দর (৮ কোটি ৭৫ লাখ), ভুবনেশ্বর কুমার (৪ কোটি ২০ লাখ), টি নটরাজন (৪ কোটি), প্রিয়ম গর্গ (২০ লাখ), অভিষেক শর্মা (৬ কোটি ৫০ লাখ), রাহুল ত্রিপাঠী (৮ কোটি ৫০ লাখ), ফজলহক ফারুকি (৫০ লাখ), গ্লেন ফিলিপস (১ কোটি ৫০ লাখ), বিষ্ণু বিনোদ (৫০ লাখ), সৌরভ দুবে (২০ লাখ), শশাঙ্ক সিং (২০ লাখ), আর সামর্থ (২০ লাখ), সিয়ান অ্যাবট (২ কোটি ৪০ লাখ), রোমারিও শেফার্ড (৭ কোটি ৭৫ লাখ), মারকো জানসেন (৪ কোটি ২০ লাখ), এডেন মার্করাম (২ কোটি ৬০ লাখ)।

সংবাদ সূত্র- বাংলা-নিউজ-২৪.কম

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০২:৫৫:এএম ৪ বছর আগে
যেসব কাজ করলে মনোবল দৃঢ় হয় - Ekotar Kantho

যেসব কাজ করলে মনোবল দৃঢ় হয়

একতার কণ্ঠঃ সফল হতে চাইলেই তো আর সফল হওয়া যায় না। তবে সফল হতে গেলে যেটা সবার আগে প্রয়োজন তা হলো মানসিকভাবে শক্ত হওয়া।

পরিস্থিতি যে সব সময় আপনার অনুকূল হবে তা কিন্তু নয়। পরিস্থিতি আপনার প্রতিকূলেও যেতে পারে, এটা অবশ্যই মাথায় রাখা দরকার। সেই কথা মাথায় রেখেই যেকোনো নতুন কাজ করা উচিত।

তবে মানসিকভাবে শক্ত হওয়ার জন্য নিজের মনকেই সবার আগে স্থির করতে হবে। কিন্তু অনেকেই মনের জোড় না বাড়িয়ে নিজের ভাগ্যকেই দোষারোপ করতে থাকেন। ভাগ্যকে দোষারোপ না করে নিজের মনের জোর বাড়াতে চেষ্টা করুন।

এবার দেখে নিন কীভাবে নিজের মনের জোর বাড়িয়ে সফলতাকে আপনার সঙ্গী করবেন…

১. নিজের প্রতি দুঃখিত না হওয়া

নিজের প্রতি কখনোই দুঃখিত বোধ করবেন না। নিজেকে আহারে, বলার কোনও দরকার নেই এতে আপনার সময়ই নষ্ট হবে। আখেরে আপনার কোনো লাভ হবে না। সেখান থেকে উঠে দাঁড়ান। কাজে দেবে।

২. লক্ষ্যে স্থির হওয়া

আপনার পাশে যদি কেউ না দাঁড়ায় তাহলে ভয় পাবেন না। নিজেই নিজের সব থেকে বড় লাঠি হয়ে দাঁড়ান। যদি কেউ আপনার সঙ্গে চলতে না চায় তাহলে একাই চলুন। সাফল্য পাওয়ার পর কারোর প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে হবে না।

৩. পরিবর্তনকে ভয় না পাওয়া

আপনার রোজকার জীবনে যদি কোনও পরিবর্তন ঘটে তাহলে ভয় পাবেন না। জানবেন, সব পরিবর্তন আপনার প্রতি এক একটা চ্যালেঞ্জ। তাই ভয় না পেয়ে পরিবর্তনকে আপন করে নিন।

৪. পছন্দ না হওয়া কাজ না করা

ধরুন এমন কাজ যা আপনার ঠিক পছন্দ নয়। তাই আপনি ঠিক পারবেন না। এমনকি আপনার মনে কাজের প্রতি অতটা আত্মবিশ্বাস নেই। তখন সেই কাজ না করাই ভালো। যে কাজ আপনি মন থেকে ভালোবাসেন সেই কাজ করুন।

৫. অন্যের কথার গুরুত্ব না দেওয়া

কে কী বলল তাতে আপনার কী! কারোর কথায় গুরুত্ব দেওয়া ছেড়ে দিন। নিজের জীবন কীভাবে কাটাবেন, কী কাজ করে ভালো থাকবেন, তা একান্ত আপনার সিদ্ধান্ত। আপনার জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব অন্য কারোর হাতে কখনোই দেবেন না।

৬. ভাগ্যকে দোষারোপ না করা

কী হয়নি তা নিয়ে বেশি ভাবনা-চিন্তা করার দরকার নেই। কী হতে পারে, সেই নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করুন। তাতে আপনার সময়ও বাঁচবে এবং নিজের মনোবলও বাড়বে।

৭. একই ভুল বারবার না করা

একই ভুল বারবার করার কোনও মানেই হয় না। বারবার একই ভুল করতে থাকলে আস্তে আস্তে নিজের মনোবল ভেঙে যাবে। তাই একই ভুল বারবার না করে ধীরে সুস্থে কাজ করুন।

৮. অন্যের খুশিতে খুশি হওয়া

অন্যের খুশিতে খুশি হওয়ার চেষ্টা করুন। মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখুন। দেখবেন আপনার সাফল্যতে এবং খারাপ সময় অনেকের সঙ্গ পাবেন। তবে যদি অন্যের খুশিতে খুশি না হন, তাহলে আপনি ভেঙে পড়বেন।

৯. প্রথমবার সফল হতে না পেরে ভেঙে পড়া

যদি প্রথমবার সফল হতে না পারেন, তাহলে আবার চেষ্টা করুন। দেখুন, চেষ্টা না করলে কেউই কখনও সফল হতে পারে না। তাই প্রথমবার যদি কোনোভাবে সফল হতে না পারেন, তাহলে ভেঙে না পড়ে, শক্ত হয়ে উঠে দাঁড়ান।

১০. একাকীত্বকে ভয় না পাওয়া

আপনার সঙ্গে কেউ না থাকলেও একাকীত্বকে ভয় পাবেন না। যদি খারাপ সময় কেউ আপনার পাশে দাঁড়াতে না চায় তাহলে ক্ষতি কী। একাই পরিস্থিতির মোকাবিলা করুন। দেখবেন, এতে আপনার মন যেভাবে শক্ত হবে তা কখনোই ভাঙা যাবে না।

১১. ধীর স্থিরভাবে কাজ করা

যখন পরিস্থিতি আপনার অনুকূল না হবে, তখন ধীর স্থিরভাবে কাজ করুন। তাড়াহুড়ো করে কাজ করলে কিছুই হবে না। অনেক ভুল হয়ে যাবে। তাই পরিস্থিতি আপনার প্রতিকূল হলে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করুন।

১২. কাজের পর নিজেকে জাহির না করা

আপনি আপনার লক্ষ্যে স্থির থাকুন। যাতে কেউ না আপনাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করতে পারে। সফল হওয়ার পর নিজেকে জাহির করবেন না। কারণ, নিজের ঢাক নিজে না পেটানোই ভালো। এতটা আপনার নিজের পক্ষেও খুব একটা ভালো হবে না।

সংবাদ সূত্র- যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০২:৩৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান

একতার কণ্ঠঃ মহান মুক্তিযুদ্ধে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতি স্বরূপ টাঙ্গাইলের নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলের অগ্নি দগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, পৌরসভার মেয়র এস. এম. সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা ক্রেস্ট, উপহার ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এর আগে নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০২:৫২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলের অগ্নি দগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের অগ্নি দগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আগুনে পুড়ে হাছিনা আক্তার (৩৫) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রয়ারি) ভোর সাড়ে চারটায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ ওসি (তদন্ত) আব্দুল হক।

এর আগে সোমবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের গারট্ট গ্রামে আগুনে দগ্ধ হন ওই গৃহবধূ। হাছিনা আক্তার ওই এলাকার আব্দুল বারেক মিয়ার স্ত্রী। ওই দম্পতির ২ ছেলে ও ২ মেয়ে সন্তান রয়েছে।

ওসি (তদন্ত) আব্দুল হক জানান, গৃহবধূ হাছিনা আক্তার সোমবার সন্ধ্যায় রান্না ঘরের চুলায় আগুন জ্বালিয়ে রাতের খাবার রান্না করছিলেন। এ সময় হঠাৎ অসাবধানতা বশত তাঁর শরীরে আগুন লেগে যায়। আগুনে ওই গৃহবধূ ৮৫ ভাগ দগ্ধ হয়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাছিনা বেগমকে প্রথমে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারী ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোরে মৃত্যু বরণ করেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০১:৫৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অপহৃত ব্যবসায়ী উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অপহৃত ব্যবসায়ী উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অপহরণ হওয়া ব্যবসায়ী মো. মশিউর রহমান খান মুরাদকে (৩৫) উদ্ধার করেছে র‌্যাব। এ সময় অপহরণকারী চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল কালেক্টরেট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এন্ড কলেজ সংলগ্ন জেলা সদর মাঠে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১২-এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন টাঙ্গাইল পৌর শহরের দেওলা এলাকার মজিদ খানের ছেলে ওয়াসীম খান (৪৫), মৃত. আ. ছালামের ছেলে মো. হাবিবুল কবির জনি (৪৮), মো. শাহজাহান ফারুকের ছেলে মেহেদী হাসান শিশির (৩০) ও কোদালিয়া এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. জুয়েল (৩৫)।

এর আগে সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে মশিউর রহমানকে অপহরণ করা হয়।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে চোলাই মদসহ এক নারী গ্রেপ্তার

র‌্যাব-১২-এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সোমবার রাতে শহরের কোদালিয়া এলাকা থেকে অস্ত্রের মুখে একদল সন্ত্রাসী মশিউর রহমাকে অপহরণ করে। পরে অপরহণকারীরা ব্যবসায়ীর পরিবারের কাছে মুক্তিপন হিসেবে দুই লাখ টাকা দাবি করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বড় ভাই টাঙ্গাইল র‌্যাব অফিসে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করে র‌্যাব। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোরে টাঙ্গাইল কালেক্টরেট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এন্ড কলেজ সংলগ্ন জেলা সদর মাঠ থেকে অপহৃতকে উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় অপহরণ চক্রের ৪ সদস্যকে।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় মশিউর রহমান টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০১:০২:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।