একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদের উপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার( ১৬ মার্চ) বিকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এ সম্মেলন করা হয়।
সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তোফায়েল আহমেদ জানান, গত ১০ মার্চ রাতে তিনি তার কয়েকজন সহযোগী নিয়ে টাঙ্গাইল শহর থেকে ঘারিন্দা নির্বাচনী এলাকায় যাচ্ছিলেন। তারা ধরাট গ্রামের জনৈক কাশেমের বাড়ির পাশে পাকা রাস্তার উপর পৌছলে পূর্ব থেকে উৎ পেতে থাকা ১৮/২০ জন সন্ত্রাসী দেশিয় অস্ত্র নিয়ে তাদের পথরোধ করে এবং হামলা চালায়।
সন্ত্রাসীরা গাড়ি ভাংচুর করে এবং তাকে সহ তাদের কয়েকজনকে মারপিট ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। এ সময় তাদের সাথে থাকা নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়। একই সাথে পরবর্তীতে সুযোগ মত পেলে মারপিটসহ খুন করা হবে বলেও হুমকি দেয়া হয়। তারপর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
হামলার ঘটনায় হুমায়ুন, মো. হোসেন, বিশাল, মিরান, মিজান, কায়সার, কামাল, আরিফ ও বিদ্যুৎসহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে আসামী করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয় এবং সুরুজ এলাকার বিশালকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলেও জানান তোফায়েল আহমেদ।
সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদের উপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়। একই সাথে মামলার সকল আসামীকে গ্রেফতার এবং আসামীদের গডফাদারদের চিহ্নিত করে তাদেরও আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। এসময় হুগড়া ইউপি চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা বক্তব্য রাখেন।
সম্মেলনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬ টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির অধীনস্থ কল্যাণ তহবিলের সভাপতির বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা নানা অনিয়ম দুর্নীতি অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৩৭ জন শিক্ষকের নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।
শনিবার(১৩ মার্চ) দুপুরে সখীপুর-সাগরদিঘী সড়কের উপজেলার কচুয়া বাজার চৌরাস্তা মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ছয় শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী অংশ নেন। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত তুলা মিয়াকে তহবিলের সভাপতির পদ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত তুলা মিয়া উপজেলার কচুয়া পাবলিক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
সমাবেশে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম হোসেন, কাইয়ুম হুসাইন, মিজানুর রহমান, একে ফজলুল হক, মতিউর রহমান ভূঁইয়া, ফরমান আলী, আতিকুল হক ছমির, লাল মিয়া, বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহ মিয়া এবং টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের সদস্য গোলাম কিবরিয়া বাদল প্রমুখ বক্তব্য দেন।
সমাবেশে উপস্থিত শিক্ষকরা জানান, কল্যাণ তহবিলের সভাপতি মো. তুলা মিয়া (সংগঠনের কল্যাণ তহবিলের) ২৭ লাখ ৪৬ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করেছে। আগামী সাতদিনের মধ্যে এ টাকা পরিশোধ না করলে শিক্ষক-কর্মচারীরা কঠোর আন্দোলনে যাবেন।
তারা আরও বলেন, কচুয়া পাবলিক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তুলা মিয়া সমিতির কল্যাণ তহবিলের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার কাছে থাকা ওই তহবিলের প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা ফেরত না দেওয়ায় ওই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও তিনি উল্টো বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৩৭ জন শিক্ষকের নামে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। কল্যাণ তহবিলের সমুদয় কাগজপত্র, এফডিআর, রেজিস্টার, ব্যাংক চেকবই ফেরত দিচ্ছেন না। টাকা আত্মসাতের বিষয়ে সংগঠনের ৮ শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা আরও জানান, ইতোমধ্যে উপজেলার ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী অবসরে চলে গেছেন।
তুলা মিয়া ওই টাকা ও কাগজপত্র না দেওয়ায় অবসরে যাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের মাঝে কল্যাণ তহবিলের প্রাপ্ত টাকা বিতরণও করা যাচ্ছেনা।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মালবাহী একটি লরি থেকে ৭৪ কেজি গাঁজাসহ দুইজনকে আটক করেছে র্যাব-৩ এর সদস্যরা। ৭৪ কেজি গাঁজার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৯ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
শনিবার (৬ মার্চ) ভোর ৬টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গোড়াই ইউনিয়নের জোরপুকুর এলাকা থেকে ৭৪ কেজি গাঁজা, একটি মালবাহী লরি এবং ড্রাইভার ও হেলপারকে আটক করে র্যাব-৩।
আটককৃতরা হলেন, কুমিলা থানার উলুরচর গ্রামের মৃত বশরত এর ছেলে মো. জামাল (৩৬) এবং একই থানার তারাপুর গ্রামের এসহাক মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন (৩৫) বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, গ্যাসের চুলার সরঞ্জাম নিয়ে ঢাকা থেকে রাজশাহী গামী একটি লরি (চট্ট মেট্রো ঢ-৮১২২৭৫) গ্যাসের চুলার সরঞ্জামের সাথে বিপুল পরিমাণ গাঁজা নেয়া হচ্ছে। এমন গোপন তথ্য পেয়ে মহাসড়কের জোরপুকুর এলাকায় অবস্থান নেয় র্যাব-৩ এর সদস্যরা। পরবর্তীতে ওই লরি থেকে ৭৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করতে সক্ষম হয় তারা। সেই সাথে লরি, ড্রাইভার ও হেলপারকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ( ওসি) মোহাম্মদ রিজাউল হক বলেন, এ ঘটনায় আটককতৃদের বিরুদ্ধে থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ উপজেলা প্রশাসন, আওয়ামী লীগ ও পুলিশ বাহিনী সহ বিভিন্ন সংগঠনের নানাবিধ কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে রবিবার(৭মার্চ) দিনব্যাপী টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পনের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু করে প্রতিটি সংগঠন। সকালে উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত-ই-জাহানের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা জি এম ফুয়াদের সঞ্চালনায় ৭ই মার্চের তাৎপর্য নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় ৭ই মার্চের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারিন মসরুর, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো.হুমায়ুন কবীর, ছামিনা বেগম শিপ্রা, নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.আনিসুর রহমান প্রমূখ।
পরে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত ভাষন প্রতিযোগীতা, কবিতা আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে অংশ নেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো.কুদরত আলী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আব্দুল আলীম দুলাল, নাজমুল হক তপন, আব্দুস সবুর, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীদুল ইসলাম অপু, জাহিদুল ইসলাম ও শেখ শামসুল হক প্রমূখ।
অন্যদিকে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামান্য ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করায় দেশের প্রতিটি থানার ন্যায় নাগরপুর থানা পুলিশ বিকেলে থানা কমপ্লেক্স ভবনে এক আনন্দ উৎসবের আয়োজন করে। এ সময় কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে ৯ মার্চ (মঙ্গলবার) শুরু হতে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগ। উদ্বোধনী খেলায় অংশ গ্রহন করবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কাপাপো ক্রীড়া চক্র ও ইষ্টান স্পোর্টিং ক্লাব।ইতোমধ্যে জেলা ক্রীড়া সংস্থা এই লীগের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
টাঙ্গাইল ক্রিকেটের ১০টি প্রভাবশালী ক্লাবের অংশ গ্রহনে শুরু হতে যাওয়া এই প্রিমিয়ার লীগকে ঘিরে টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম পাড়ায় এখন সাজ-সাজ রব।
সরেজমিনে রবিবার (৭ মার্চ) বিকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে গিয়ে দেখা যায়, জেলা ক্রীড়া সংস্থার ক্রিকেট পরিষদের কর্মকর্তাগণ এবং ক্লাব অফিসিয়াল ব্যস্ত তাদের শেষ মূহূর্তের প্রস্তুতিতে।মাঠে অনুশীলনে ব্যস্ত বিভিন্ন ক্লাবের ক্রিকেটারগণ ।পুরো মাঠ জুড়ে রয়েছে নানা রংয়ের পোশাক পরা বিভিন্ন ক্লাবের কিশোর, তরুন ও প্রবীন ক্রিকেটারদের ভীড়। এ যেন এক ক্রিকেট মহা উৎসবের প্রস্তুতি চলছে। অনেকদিন পর টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে বসেছে নবীন-প্রবীন ক্রিকেটাদের মেলা।
স্টেডিয়ামের আউট ফিল্ডে এক দিকে অনুশীলনে ব্যস্ত থানা পাড়া ক্লাব ও কাপাপো ক্রীড়া চক্রের ক্রিকেটাররা। অন্যদিকে অনুশীলন করছে প্যাড়াডাইসপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব, স্কয়ার ক্রিকেট ক্লাব, ইষ্টান স্পোর্টিং ক্লাব সহ লীগে অংশগ্রহনকারী প্রায় সব ক্লাব । কঠোর অনুশীলনে ঘাম ঝরাচ্ছেন এই সব ক্লাবের খেলোয়াররা। আরো বেশি ব্যস্ত সময় পার করছেন পিচ কিউরেটর হায়দার আলী। দু’জন সঙ্গীকে নিয়ে তিন শ’ কেজি ওজনের রোলার দিয়ে পিচ ঠিক করছেন। এ ছাড়া দু’টি স্পন্সর প্রতিষ্ঠান হ্যাবিট টাঙ্গাইল ও হক ব্রাদার্সের কর্মচারীগন ক্রিকেট মাঠের চারিদিকে বিলবোর্ড বসাতে ব্যস্ত।
এই সব আয়োজন যাদের জন্য সেই ক্রিকেটারদের অনুভুতি অত্যন্ত আনন্দের। মারুফ স্মৃতি ক্লাবের উলফাৎ হোসেন সজিব, থানা পাড়া ক্লাবের তাসিন মাহতাব, টাঙ্গাইল ক্রিকেট ক্লাবের সাদ্দাম খান, স্কয়ার ক্রিকেট ক্লাবের মুরাদ রহমান বলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে ধন্যবাদ এই ধরনের জাঁকজমক পূর্ন ক্রিকেটলীগ আয়োজন করার জন্য। গত তিন মাস ধরে ক্রিকেটারগন ব্যস্ত সময় পার করছে। প্রথমে গত বছরের ডিসেম্বরে বঙ্গবন্ধু টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, তার পর প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লীগ শেষ হয়েছে।
এই সব প্রতিভাবান তরুন ক্রিকেটারদের প্রত্যাশা, আগামী ৯ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে টাঙ্গাইলের ক্রিকেটারগণ তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারবে। বাংলাদেশের ক্রিকেট অনেক দুর এগিয়েছে। তাদের আশা, টাঙ্গাইলের ক্রিকেটও এগিয়ে যাবে অনেক দুর ।
প্যাড়াডাইস পাড়া স্পোটিং ক্লাবের অফিসিয়াল ভ্রমর চন্দ্র ঘোষ ঝোটন ও থানা পাড়া ক্লাবের এরফানুল করিম খান আজমি বলেন, অনেক দিন পর রঙ্গিন পোশাকে লীগ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।এটা অত্যন্ত ইতিবাচক দিক। প্রিমিয়ার ডিভিশনে অংশ গ্রহন করা প্রতিটি ক্লাব খেলোয়াদের পারিশ্রমিক প্রদানের ব্যাপারে অত্যন্ত আন্তরিক। আশা করি, এবার প্রিমিয়ার ডিভিশনের প্রতিটি খেলা হবে প্রতিদ্বদ্ধিতাপূর্ন। প্রতিটি ক্লাব স্পোটিং মনোভাব নিয়ে লীগে অংশ গ্রহন করবে।
এ প্রসঙ্গে জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সম্পাদক ও ক্রিকেট উপ-পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাতিনুজ্জামান খান সুখন বলেন, দীর্ঘ পরিকল্পনা নিয়ে টাঙ্গাইল ক্রিকেট উপ-পরিষদ এগোচ্ছে। বিশেষ করে, পাইনিয়ার ক্রিকেট লীগ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে জেলা ক্রীড়া সংস্থার। যে লীগে নতুন নতুন দল অংশ গ্রহনের সুযোগ পাবে। ফলে তৈরি হবে ক্রীড়া সংগঠক ও নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটার। প্রতিবছর এই রকম ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ও লীগ আয়োজন করতে পারলে, টাঙ্গাইলের ক্রিকেটাদের সুযোগ হবে ঢাকার বিভিন্ন লীগে অংশ গ্রহন করার। সকল মহলের সহযোগীতা পেলে টাঙ্গাইলের ক্রিকেটকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু বলেন, অন্যন্য খেলা গুলোর সাথে ক্রিকেটের উপরও জোর দিচ্ছে জেলা ক্রীড়া সংস্থা। ইতোমধ্যে ভলিবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রস্তুতি চলছে কাবাডি টুর্নামেন্ট আয়োজনের। বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগের পর দ্বিতীয় বিভাগ ও পাইনিয়ার ক্রিকেট লীগের আয়োজনের প্রস্তুতিও চলছে বলে তিনি আরো জানান। টাঙ্গাইলের প্রতিভাবান ক্রিকেটারগন যেন ঢাকার বিভিন্ন লীগে অংশ গ্রহন করতে পারে সে বিষয়ে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলে তিনি আশ্বাস প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, এবার প্রিমিয়ার ডিভিশনে ৫০ ওভারের খেলায় ব্যবহার করা হবে সাদা বল। এ ছাড়া প্রতিটি দল সাদা পোশাকের পরিবর্তে গাঁয়ে জড়াবে রঙ্গিন পোশাক । এবার বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগের স্পন্সর প্রতিষ্ঠান হচ্ছে , হ্যাবিট ও হক ব্রাদার্স।
বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার লীগে অংশ গ্রহনকারী ১০টি ক্লাব হচ্ছেঃ ’ক’- গ্রুপে কাপাপো ক্রীড়া চক্র, ইষ্টান স্পোর্টিং ক্লাব, প্রগতিশীল স্বদেশী সংঘ, টাঙ্গাইল ক্রিকেট ক্লাব, প্যাড়াডাইসপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব।
’খ’- গ্রুপে থানা পাড়া ক্লাব, ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব, সিটি ক্লাব, স্কয়ার ক্রিকেট ক্লাব, মারুফ স্মৃতি ক্লাব।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ প্রথমবারের মতো জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়েছে ঐতিহাসিক ৭মার্চ। দিবসটি উপলক্ষে রবিবার(৭ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমিতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক।মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ারহোসেন।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার কাজী নুসরাত এদীব লুনা।
সম্মানিত আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল জেলা সাবেক কমান্ডার মো. ফজলুল হক (বীর প্রতিক), খন্দকার জহুরুল হক ডিপটি, টাঙ্গাইর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ জাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ।
আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ মাশরুমের চাষ করে স্বপ্ন দেখছেন টাঙ্গাইলের বাসাইল সদর ইউনিয়নের রাশড়া গ্রামের সন্তান সাইফুল ইসলাম(৩০)। সাইফুল ইসলাম উপজেলার সদর ইউনিয়নের রাশড়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাইফুল ইসলাম তার নিজ বাড়িতে শুরু করেছেন মাশরুমের খামার।তিনি তার মাশরুম খামারের নাম দিয়েছেন “সিনথিয়া মাশরুম খামার।এলাকার করিম বাজারে দিয়েছেন সিনথিয়া মাশরুম ফাস্ট ফুডের দোকান।
মাশরুম চাষি সাইফুল ইসলাম বলেন,আমি দেশের বাহিরে ছিলাম। করোনার আগে সৌদি আরব থেকে ছুটিতে নিজ বাড়িতে আসি।সারা বিশ্বে যখন করোনা মহামারি শুরু হয় তখন দেশ-বিদেশে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আমি লকডাউনে আটকা পড়ে যাই।ইতিমধ্যে আমার বিদেশ যাওয়ার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।ফলে আমি বিদেশে যেতে পারি নাই।তখন চিন্তা ভাবনা শুরু করি দেশে নিজের একটা কিছু করতে হবে।
তিনি আরোও জানান, ইউটিউবে মাশরুমের খামারের ভিডিও দেখি।স্বপ্ন দেখতে শুরু করি মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণ নিতে হবে।বাসাইল কৃষি অফিসের উপ-সহকারী রাশড়া ব্লকের আব্দুল মোতালবের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করি।তিনিই সাভার জাতীয় মাশরুম উন্নয়ন ইন্সটিটিউটের নাম্বার জোগাড় করে দেন।তারপর সাভার জাতীয় মাশরুম উন্নয়ন ইন্সটিটিউটে মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণ নেই। মহামারি করোনার সময় বাড়িতে থেকেই মোবাইলে অনলাইন প্রশিক্ষণে ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম জুম সিটিং আইডির মাধ্যমে ১০ দিনের প্রশিক্ষণ শেষ করি।
তিনি জানান,সাভারে গিয়ে ৭ দিনের অভিজ্ঞতা অর্জন করি।সাভার থেকে বীজ নিয়ে এসে বাড়িতে মাশরুম চাষ শুরু করি।তিন মাস পর থেকে মাশরুম আসা শুরু করে।তার পর থেকে প্রতিদিন ৪-৫ কেজি মাশরুম পাচ্ছি।আমার মাশরুম খামারে ৪৫০টি স্পন বীজ প্যাকেট রয়েছে।প্রতিটি প্যাকেট থেকে দুইশ থেকে তিনশ গ্রাম মাশরুম পাচ্ছি।প্রতিটি প্যাকেটে খরচ হয়েছে ১৫-২০ টাকা।এবং খড়ের প্যাকেট ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে ৫৫০ টি। প্রতিটি খড়ের প্যাকেট করতে খরচ হয়েছে ৫০-৬০ টাকা।
আমার লক্ষ্য দুই হাজার বীজের প্যাকেট করবো।এছাড়াও কেউ যদি মাশরুমের প্যাকেট বীজ নিতে চায় তাদেরকে আমি দিবো।
উপজেলা কৃষি উপ-সহকারী রাশড়া ব্লকের মোঃ আব্দুল মোতালেব বলেন,সাইফুল আমার সাথে যোগাযোগ করে আমি সাভার জাতীয় মাশরুম উন্নয়ন ইন্সটিটিউটের কথা বলি।সাভার থেকে মাশরুমের প্রশিক্ষণ নেয়।তার খামারে এখন ৪৫০ টি স্পন বীজ প্যাকেট রয়েছে।মাশরুম খামার করে সে প্রতিদিন ৪-৫ কেজি মাশরুম পাচ্ছে।তাকে বিভিন্ন ভাবে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি যাতে করে অন্যরা তাকে দেখে মাশরুম চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠে।
উপজেলা কৃষি অফিসার নাজনীন আক্তার বলেন, বৃহস্পতিবার( ৪ মার্চ)তার মাশরুম খামার দেখতে গিয়েছিলাম।কৃষি অফিস থেকে তাকে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছি।যাতে করে মাশরুম চাষ করে সে লাভবান হতে পারে।
তিনি আরো জানান,অল্প খরচে মাশরুম চাষ করে লাভবান হওয়া যায়।কম খরচে মাশরুম চাষ করা যায়।মাশরুম চাষ করতে লাখ লাখ টাকার প্রয়োজন হয় না।তাই বেকার বসে না থেকে এখনই মাশরুম চাষে আগ্রহী হওয়া।মাশরুম চাষের উপর প্রশিক্ষণ নেওয়া।
একতার কণ্ঠ ডেস্ক: চাঁদা না দেয়ায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি ঘর ভাঙচুরের ঘটনায় টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে মুক্তিযোদ্ধারা। সোমবার (১ মার্চ) দুপুরে ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে মুক্তিযোদ্ধাদের আয়োজনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।
পরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে সাংবাদিক সম্মেলন করেন মুক্তিযোদ্ধা ইকরাম উদ্দিন তারা মৃধা।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ইকরাম উদ্দিন তারা মৃধা লিখিত অভিযোগে বলেন, পার্শ্ববর্তি ঘাটাইল উপজেলার গৌরাঙ্গী গ্রামে ক্রয়কৃত বাড়ি ও জমিজমা পাহাড়া দেয়ার জন্য কেয়ার টেকার রয়েছে।
সম্প্রতি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারমান কাজী আরজু মৌখিকভাবে ও মোবাইলে আমার কাছে চাঁদা দাবী করে আসছিল। পরে চাঁদার টাকা না দেয়ায় ভাইস চেয়ারম্যানের নির্দেশে তার লোকজন বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়ি ঘর ভাঙচুর ও কেয়ার টেকারের স্ত্রী আসমা বেগমকে মারধর করে নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। পরে এঘটনায় জেলা প্রশাসক ও ঘাটাইল থানা বরাবর আবেদন করেছি।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার আজিজুল হক আজিজ, গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ খানসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারা।
অভিযোগ অস্বীকার করে ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কাজী আরজু জানান, ওই মুক্তিযোদ্ধা অন্যের জমি দখল করে আছেন। যার জমি দখল করে আছেন তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর তার জমি দখলমুক্ত করতে আবেদন করেছেন। উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে আমাকে জড়ানো হচ্ছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেল চোর সন্দেহে তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে স্থানীয়রা। সোমবার (১ মার্চ) দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদের সামনে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো- উপজেলার কাহারতা রামখাঁ গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে রবিন আহমেদ (২৫), কালিহাতী উপজেলার সরিষাআটা গ্রামের সাত্তার মিয়ার ছেলে শাকিল হাসান (২০) এবং একই এলাকার লিটন হোসেনের ছেলে মনির হোসেন (২২)
মোটরসাইকেল মালিক লালন সিদ্দিকী বলেন, উপজেলা পরিষদের সামনে মোটরসাইকেল রেখে বীমা দিবসের অনুষ্ঠানে যাই। অনুষ্ঠান শেষে দেখি ওরা আমার মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের আটক করি।
আটকের সময় উল্টো তারাই আমাকে মারধরের চেষ্টা করে। স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে ওই তিনজনকে গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফয়সাল আহমেদ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আটককৃতরা ঘটনার সাথে জড়িত থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।