/ হোম / একতার কণ্ঠ
আমি প্রতিবাদই করি, লুটপাট তো আর করি না : টাঙ্গাইলে ব্যারিস্টার সুমন - Ekotar Kantho

আমি প্রতিবাদই করি, লুটপাট তো আর করি না : টাঙ্গাইলে ব্যারিস্টার সুমন

একতার কণ্ঠঃ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেছেন, বাংলাদেশে এমন কোনো মানুষ নেই যে চাপে নেই। দেশের সবাই চাপে আছে। সরকারি দলের চাপ আছে বিরোধী দলের কাছে, আবার বিরোধী দলের চাপ আছে সরকারি দলের কাছে। আমি প্রতিবাদই করি, লুটপাট তো আর করি না। প্রতিবাদ করি দেশের জন্য, ব্যক্তি স্বার্থে না।মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ‘ডুবাইল ক্রিকেট লীগ’ ম্যাচ চলাকালীন তিনি এসব কথা বলেন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে প্রবাসীর আত্মহত্যা

তি‌নি আরো  বলেন, বঙ্গবন্ধুর যে সোনার বাংলার কথা বলা হয়, সেই সোনার বাংলার জন্য একজন সোনার মানুষ হতে চাই। তরুণদের বলতে চাই, সোনার মানুষ ছাড়া কোনো দিন সোনার বাংলা বানানো সম্ভব না। দলেও যদি সোনার মানুষ না থাকে তাহলে দলটিও ভালো চলবে না।তিনি আ‌রও বলেন, এলাকায় একটি মাঠ না থাকলে এলাকাটি বেশি দিন বাঁচতে পারে না। তরুণ সমাজ মাদকে আসক্ত হওয়ার কারণ হচ্ছে এলাকায় খেলাধুলার মাঠ না থাকা। মাঠের মধ্যে বাণিজ্য মেলা, গরু-ছাগলের হাট-বাজার বসানো হচ্ছে। এতে তরুণরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং মাদকে আসক্ত হচ্ছে।ব্যারিস্টার সুমন বলেন, মনের মধ্যে যদি থাকে আপনি কবে এমপি হবেন, মন্ত্রী হবেন, এই মানসিকতা নিয়ে কাজ করলে সোনার বাংলা বানানো সম্ভব না। সোনার বাংলা গড়তে হলে বাংলাদেশকে মনের মধ্যে ধারণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুল হাসান মারুফ, ডুবাইল জাগরণী সমাজ কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি মোন্তাজ আলী, ব্যবসায়ী মো. ফয়সাল, ব্যারিস্টার মনির হোসেন প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২২ ০৪:২৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত পাঁচ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত পাঁচ

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধুসেতু-ঢাকা মহাসড়কের কালিহাতীতে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে অর্নব স্পেশাল পরিবহন বাসের সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন।এঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৫জন। মঙ্গলবার(২৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার বিয়ারামারুয়া এলাকায় ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে।বঙ্গবন্ধুসেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

নিহত লাল মিয়া (৪৫) অর্নব স্পেশাল পরিবহন বাসের সুপারভাইজার।সে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ডমেরহাট এলাকার মৃত মহিউদ্দিন মিয়ার ছেলে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে দখল ও দূষনে মৃত প্রায় লৌহজং নদী

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী অর্নব স্পেশাল পরিবহন নামের যাত্রীবাহী বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে একটি ট্রাককে ওভারটেক করতে গিয়ে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা উত্তরবঙ্গগামী ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এসময় গুরুতর আহত বাসের সুপারভাইজারসহ ৬ জনকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে বাসের সুপারভাইজার লাল মিয়া মারা যায়।

বঙ্গবন্ধুসেতু পূর্ব থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, বাস ও ট্রাকের চালক পলাতক রয়েছে।

তিনি আরো জানান, দুর্ঘটনা কবলিত যানবাহন আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২২ ০৪:১৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে প্রবাসীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে প্রবাসীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে সৌদি প্রবাসী রুবেল ( ২৫) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছে । মঙ্গলবার(২৯ মার্চ) সকালে উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়েনর নয়াপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ী থেকে লাশটি উদ্ধার করে কালিহাতী থানা পুলিশ।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বীরবাসিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছোহরাব আলী।

রুবেল ওই এলাকার সৌদি প্রবাসি সোলায়মানের বড় ছেলে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে দখল ও দূষনে মৃত প্রায় লৌহজং নদী

ইউপি চেয়ারম্যান ছোহরাব আলী নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, তাঁরা পিতা-পুত্র একই সাথে সৌদি থাকেন। গত তিন মাস আগে দুজনই ছুটিতে আসেন। ছেলেকে বিয়ে করিয়ে সৌদি চলে যান বাবা সোলায়মান। দাম্পত্য জীবনে দুর্বলতা নিয়ে স্ত্রীর সাথে কলহে এক পর্যায়ে সোমবার রাতে আলাদা ঘরে গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে মারা যায় সে।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, ময়নাতদন্ত শেষ পরিবারের নিকট মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২২ ০৩:৩২:এএম ৪ বছর আগে
কালিহাতীতে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

একতার কণ্ঠঃ অছাত্র, বিবাহিত ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা,পৌর ও এলেঙ্গা পৌর ছাত্রদলের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে ছাত্রদলের একাংশ।

জানা যায়, রবিবার ( ২৭ মার্চ) রাত ৮টায় জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ ও সদস্য সচিব আব্দুল বাতেন স্বাক্ষরিত কালিহাতী উপজেলা ছাত্রদল, পৌর ও এলেঙ্গা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে ।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী

আর এই কমিটি বাতিলের দাবিতে সোমবার ( ২৮ মার্চ) বিকেলে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড চত্ত্বরে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ছাত্রদলের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা।

 

বিক্ষোভ মিছিলটি পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কালিহাতী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শেখ মোঃ আমিনুর ইসলাম, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফ মোল্লা, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মমিন মিয়া, এলেঙ্গা পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ রকিব মোল্লা প্রমুখ।

এসময় বাংড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাওন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সায়েম, দশকিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক সবুজ, বীরবাসীন্দা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস, সল্লা ইউনিয়ন ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক তানভীর, এলেঙ্গা পৌরসভাধীন ১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি নিয়ামুল দারো, ৬নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সহিদুল ইসলাম, ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রাকিব, ছাত্রদল নেতা মোহাব্বত সহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

 

বক্তারা বলেন, অছাত্র, বিবাহিত, অযোগ্য, ছাত্রলীগের কর্মী ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে নবগঠিত এ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ছাত্রদলের যে আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে জেলা কমিটি তা সাংগঠনিক বিধিমালা না মেনে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে এই কমিটি বাতিল করতে হবে। তা না হলে আরও কঠিন কর্মসূচির ডাক দেয়া হবে।

এছাড়া সমাবেশ থেকে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন নেতাকর্মীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২২ ০৩:২২:এএম ৪ বছর আগে
সংসদে ‘গণমাধ্যম কর্মী (চাকরির শর্তাবলি) বিল-২০২২’ উত্থাপন - Ekotar Kantho

সংসদে ‘গণমাধ্যম কর্মী (চাকরির শর্তাবলি) বিল-২০২২’ উত্থাপন

একতার কণ্ঠঃ মাস শেষে সাত দিনের মধ্যে বেতন পরিশোধ করার বিধান রেখে ‘গণমাধ্যম কর্মী (চাকরির শর্তাবলি) বিল-২০২২’ সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে, কোনো গণমাধ্যমকর্মীর বেতনকাল এক মাসের অধিক হবে না। পরবর্তী মাসের সাত কর্মদিনের মধ্যে বেতন পরিশোধ করতে হবে।

সোমবার (২৮ মার্চ) তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিলটি সংসদে উত্থাপন করলে তা ৬০ দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

এই বিলে বলা হয়েছে, প্রতি পাঁচ বছর পর পর গণমাধ্যমকর্মীদের ন্যূনতম ওয়েজ বোর্ড গঠন হবে। ওয়েজ বোর্ড সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা, বেসরকারি টেলিভিশন, বেতার ও নিবন্ধিত অনলাইন মাধ্যমের জন্য প্রয়োজনে পৃথক পৃথক বেতন কাঠামো নির্ধারণ করবে। আগে শুধু সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার জন্য এই ওয়েজ বোর্ড গঠন করা হতো।

তিন বছর পর পর ১৫ দিনের শ্রান্তি বিনোদন ছুটির কথাও বিলে বলা হয়েছে বিলে।

বিলে বলা আছে, গণমাধ্যমে পূর্ণকালীন কর্মরত সাংবাদিক, কর্মচারী এবং নিবন্ধিত সংবাদপত্রের মালিকানাধীন ছাপাখানাসহ নিবন্ধিত অনলাইন গণমাধ্যমে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত কর্মীদের ‘গণমাধ্যমকর্মী’ বলা হবে। গণমাধ্যমকর্মীদের তিনটি বিভাগ করা হয়েছে এই বিলে। সেগুলো হলো- অস্থায়ী বা সাময়িক, শিক্ষানবিশ এবং স্থায়ী।

বিলে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমকর্মীকে সপ্তাহে অন্যূন ৪৮ ঘণ্টা কাজ করতে হবে। এর বেশি কাজ করাতে চাইলে অধিকাল (ওভার টাইম) ভাতা দিতে হবে।

আগে গণমাধ্যম কর্মীরা চলতেন ‘দ্য নিউজ পেপার এমপ্লয়িজ (চাকরির শর্তাবলী) আইন- ১৯৭৪’ এর আওতায়। এর সঙ্গে শ্রম আইনের কিছু বিষয় সাংঘর্ষিক হচ্ছিল।

পরে সাংবাদিকদের শ্রম আইনের আওতায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাদের শ্রমিক হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।

এই বিল পাস হলে গণমাধ্যমকর্মীরা আর শ্রমিক থাকবেন না, তাদের গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে অভিহিত করা হবে।

দ্য নিউজ পেপার এমপ্লয়িজ (চাকরির শর্তাবলী) আইনে সাংবাদিক, প্রেস শ্রমিক ও প্রেস কর্মচারীদের চাকরির শর্ত, আর্থিক বিষয় ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণ করা ছিল।

সরকার ওই আইনকে রহিত করে সব শ্রমিকের জন্য ২০০৬ সালে ‘শ্রম আইন’ প্রণয়ন করে; যাতে সংবাদপত্রের সাংবাদিক, প্রেস শ্রমিক ও প্রেস কর্মচারীদের বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

২০১৮ সালে বিলটির নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। প্রস্তাবিত এই আইনে বলা হয়েছে, একজন গণমাধ্যমকর্মী বছরে ১৫ দিন নৈমিত্তিক ছুটি পাবেন। এছাড়া প্রতি ১১ দিনে একদিন অর্জিত ছুটি অর্জন করবেন। এই ছুটি ভোগ না করলে তা জমা থাকবে এবং চাকরি শেষে সর্বোচ্চ ১০০ দিন নগদায়নের সুবিধা পাবেন।

চিকিৎসকের প্রত্যয়ন সাপেক্ষে একজন গণমাধ্যমকর্মী চাকরির মেয়াদের অন্যূন ১৮ ভাগের এক ভাগ অংশ সময় পূর্ণ বেতনে অসুস্থজনিত ছুটি পাবেন।

বিলে বলা আছে, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে একজন গণমাধ্যমকর্মী পূর্ণ বেতনে এককালীন বা একাধিকবার অনূর্ধ্ব ১০ দিন পর্যন্ত উৎসব ছুটি ভোগ করতে পারবেন। উৎসবের দিনে কাজ করালে প্রতি কার্যদিনের জন্য দুই দিনের মূল বেতন বা দুই দিনের বিকল্প ছুটি মঞ্জুর করতে হবে।

একবছর চাকরি করার পর ভবিষ্যৎ তহবিলে কর্মী ও মালিকের আট থেকে ১০ শতাংশ চাঁদার কথা বিলে বলা হয়েছে।

বিলে প্রতি প্রতিষ্ঠানে গণমাধ্যমকর্মী ও মালিকের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ‘গণমাধ্যমকর্মী কল্যাণ সমিতি’ গঠন করার বিধান রাখা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, সরকার এক বা একাধিক বিভাগীয় এলাকার জন্য গণমাধ্যম আদালত স্থাপন করতে পারবে।

এই আদালতের একজন চেয়ারম্যান এবং দুই সদস্য থাকবে। কর্মরত জেলা জজদের মধ্যে একজন চেয়ারম্যান হবেন। দুই সদস্যের একজন গণমাধ্যম মালিক ও আরেকজন গণমাধ্যমকর্মী হবেন।

প্রস্তাবিত আইনে বলা আছে, গণমাধ্যম আদালত ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্ণিত সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে অনুসরণ করবে। প্রথম শ্রেণির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর ন্যস্ত সকল ক্ষমতা গণমাধ্যম আদালতেরও থাকবে।

বিলে গণমাধ্যম আপিল আদালতেরও বিধান রাখা হয়েছে। এর চেয়ারম্যান হবেন হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত একজন বিচারক বা অতিরিক্ত বিচারক হবেন। চেয়ারম্যানকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য সরকার এক বা একাধিক সদস‌্য নিয়োগ করতে পারবেন বলে বিলে বিধান রাখা হয়েছে। সদস্যরা হবেন তিন বছর কর্মরত আছেন বা ছিলেন এমন জেলা জজদের মধ্য থেকে।

বিলে বলা হয়েছে, গণমাধ্যম আদালতের আদেশ পালন করতে অস্বীকার করলে বা ব্যর্থ হলে তিন মাসের জেল বা অনূর্ধ্ব পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা হবে।

কোনো গণমাধ্যম মালিক নারী কর্মীকে প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা না দিলে সেই মালিককে ২৫ হাজার টাকা দণ্ড দেওয়া হবে বলে বিলে বলা হয়েছে।

ন্যূনতম বেতন হারের কম বেতন দিলে এক বছরের জেল বা পাঁচ বছরের জেলের বিধান রাখা হয়েছে। কোনো গণমাধ্যমকর্মী আদালতে মিথ্যা বিবৃতি দিলে তার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের জেল হবে।

গণমাধ্যম মালিক মিথ্যা বিবৃতি হলে অনূর্ধ্ব পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা তিন মাসের কারাদণ্ড হবে। মালিকের পক্ষ থেকে অন্যায় আচরণ হলে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের জেল হবে।

বিলে বলা হয়েছে, এক বছর চাকরিরত অবস্থায় কোনো গণমাধ্যমকর্মী মারা গেলে মৃতের মনোনীত ব্যক্তি বা তার উত্তরাধিকারীকে কর্মীর প্রত্যেক পূর্ণ বছর বা ছয় মাসের অধিক সময় চাকরির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৩০ দিনের এবং কর্মরত বা কর্মকালীন দুর্ঘটনার কারণে ৪৫ দিনের বেতন প্রদান করতে হবে।

বিলে বলা হয়েছে, কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত কর্মী ছাঁটাই করতে চাইলে সরকারকে দ্রুত লিখিতভাবে জানাতে হবে। ছাঁটাই করতে হলে কর্মীকে এক মাসের লিখিত নোটিশ দিতে হবে অথবা এক মাসের মূল বেতন দিতে হবে। এছাড়া ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রতি বছর চাকরির জন্য ৩০ দিনের মূল বেতন দিতে হবে।

কোনো স্থায়ী কর্মী ৩০ দিনের নোটিশ এবং অস্থায়ী কর্মী ১৫ দিনের নোটিশ দিয়ে চাকরিতে ইস্তফা দিতে পারবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২২ ০১:২২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গাড়ি চালকদের পেশাগত দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গাড়ি চালকদের পেশাগত দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) টাঙ্গাইল সার্কেলের আয়োজনে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। টাঙ্গাইল শিশু একাডেমি মিলনায়তনে সোমবার (২৮ মার্চ) দিন ব্যাপী  ওই প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এর প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ইমরান।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী

বিআরটিএ টাঙ্গাইল সার্কেলের সহকারী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. আলতাব হোসেন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শরিফুল ইসলাম ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আহসান হাবিব চৌধুরি (বিপিএম)।

প্রশিক্ষনে প্রথম পর্বে পরিবেশ সংরক্ষণ, শব্দদূষণ, যানবাহনের ধূমপান সংশ্লিষ্ট বিধি নিষেধ সম্পর্কে আলোচনা ওপরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ে আলোচনা করেন সিভিল সার্জন এর প্রতিনিধি ডাঃ শিমু দেবনাথ।

এর পর,  ট্রাফিক সাইন সিগন্যাল ও রোড মার্কিং সম্পর্কে ধারণা প্রদান ও গাড়ি চালানোর নিয়মাবলী নিয়ে আলোচনা করেন বিআরটিএ টাঙ্গাইলের মোটরযান পরিদর্শক বশির উদ্দিন আহমেদ ও নাফিজা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক নাদিম আহমেদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন লৌহজং ট্রেনিং স্কুলের পরিচালক মাসুদুল হক। এরপর অতিথিদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মো. রাশেদ খান মেনন (রাসেল)।

প্রশিক্ষন কর্মশালায় বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস’সহ বিভিন্ন যানবাহনের ১৬১ জন পেশাদর চালক অংশ নেয়। চালকদের ট্রাফিক আইন, দুর্ঘটনার পর প্রাথমিক চিকিৎসা, সচেতনতা, দায়িত্ব কর্তব্য ও দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। সেইসাথে নিরাপদ সড়কের গুরুত্ব সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এছাড়াও ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন এবং গাড়ির ফিটনেস নবায়ন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী পেশাদার গাড়িচালকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২২ ০১:০৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার  প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জমকালো আয়োজনের মধ্যেদিয়ে দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার ১৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। সোমবার (২৮ মার্চ) সকালে এ উপলক্ষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সিনিয়ার প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন সংযোগ কর্মকর্তা শামসুল আলম শিবলী, জেলা তথ্য অফিসার তাহলিমা জান্নাত, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ছাত্তার উকিল, র‌্যাব-১২-এর পুলিশ পরিদর্শক মো. সবুজ মিয়া, প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান হাসান, প্রথম আলোর প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখর,এনটিভির প্রতিনিধি মহব্বত হোসেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দফতর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিনিধি মামুনুর রহমান, যমুনা টিভির প্রতিনিধি শামীম আল মামুন, দৈনিক আমাদের সময়ের সখীপুর প্রতিনিধি ফজলুল হক বাপ্পা, ভূঞাপুর প্রতিনিধি কিসলু, নাগরপুর প্রতিনিধি রাম কৃষ্ণ সাহা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আমাদের সময়ের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. আবু জুবায়ের উজ্জল।

বক্তারা বলেন, দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকাটি জন্মলগ্ন থেকেই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে। পাঠকদের মনও জয় করেছে। আমরা চাই পত্রিকাটি তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখুক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২২ ০১:১২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইল জেলায় গতবারের তুলনায় এবছর ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। রোগী সংখ্যা বেশি হওয়ায় সিট পূর্ণ হয়ে অনেকে হাসপাতালের মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শিশু ও মহিলা রোগীর সংখ্যাই বেশি। অবশ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে সরেজমিনে দেখা যায় সিট পূর্ণ হয়ে ভর্তি রোগীরা মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। দূরদুরান্ত থেকে আসা মহিলা ও শিশু রোগীই বেশি।তবে এখন পর্যন্ত কোন রোগী মৃত্যুবরণ করেনি।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী

ডায়রিয়া ওয়ার্ডে দায়িত্বরত সিনিয়র নার্স সালমা ইয়াসমিন বলেন, অন্য বছর এ সময়ে হাসপাতালে ডায়রিয়ার রোগী কম ছিল। কিন্তু এবার অনেক বেশি। রোগীদের মধ্যে শিশুই বেশি। এখানে একদিনে সবোর্চ্চ ৮২ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছিলেন। চলতি মাসের ২৩ মার্চ ৫২ জন, ২৪ মার্চ ৫০ জন এবং ২৫ মার্চ ৪৩ জন রোগী ভর্তি হয়।

কালিহাতী উপজেলার সল্লা থেকে আসা জুলিয়া বেগম বলেন, আমার ছোট্র ছেলে জুনায়েদকে নিয়ে হাসপাতালে ৫ দিন যাবত ভর্তি আছি। আগের থেকে ওর অবস্থা অনেক ভাল। বাসাইল থেকে আসা শাহনাজ বেগমের শিশু কন্যা হাবিবা ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে ২ দিন ধরে চিকিৎসাধীন আছে।
কয়েকজন রোগী ও রোগীর স্বজন ডায়রিয়া ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, এখানকার পরিবেশ তেমনটা ভাল নয়। আরো পরিষ্কার থাকা দরকার।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহাকরি পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক ডা: খন্দকার সাদিকুর রহমান জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগী কমে আসছে। কোন মৃত্যু নেই। তবে গত বছরের তুলনায় এবার রোগী সংখ্যা বেশি। আমরা সাধ্যমতো চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি।
তিনি আরো বলেন, আশাকরি সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২২ ১০:৫৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক জেলা কালচারাল অফিসার খন্দকার রেদওয়ানা ইসলামের নৃশংস হত্যাকান্ডের একমাত্র আসামী স্বামী মিজানুর রহমানের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে জেলা সাংস্কৃতিক কর্মী কল্যাণ সংস্থা।
সোমবার (২৮ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে জেলা সাংস্কৃতিক কর্মী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা সাংস্কৃতিক কল্যাণ সংস্থার সভাপতি জাকির হোসেন, প্রধান পরামর্শক এলেন মল্লিক, কার্যকরি সভাপতি বিপ্লব দত্ত পল্টন, পরামর্শক ফিরোজ আহমেদ বাচ্চু, সদস্য জহুরুল ইসলাম, মনোয়ারা বেগম, শাহনাজ সিদ্দিকী মুন্নী, ঝান্ডা চাকলাদার, কবি ডলি সিদ্দিকী প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা সম্প্রতি সিআইডি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া ঘাতক স্বামী দেলোয়ার হোসেন মিজানের দ্রুত ফাঁসির দাবি করেন। অন্যথায় মানববন্ধন থেকে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন তারা।

আরো পড়ুনঃস্বাধীনতা দিবসে বিএনপি নেতা খন্দকার হাবিবের শ্রদ্ধা

টাঙ্গাইলের আদালতের পুলিশ পরিদর্শক তানবীর আহমেদ জানান, গত ১৩ মার্চ মির্জাপুর বঙ্গবন্ধু আমলী আদালতে আত্মসমর্পন করেন মিজানুর রহমান। আদালতের বিচারক বাদল কুমার চন্দ্র আসামীর জামিন নামঞ্জুর করে সিআইডি পুলিশের করা আবেদনে দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। দুইদিন শেষে পুনরায় রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। এ আবেদনে আবার তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সিআইডি’র পুলিশ পরিদর্শক মো. বাবর আলী জানান, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালতে আত্মসমর্পন করেন টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক জেলা কালচারাল অফিসার খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম হত্যাকান্ডের একমাত্র আসামী স্বামী দেলোয়ার হোসেন মিজান। এরপর উচ্চ আদালতের নির্দেশে ১৩ মার্চ মির্জাপুর বঙ্গবন্ধু আমলী আদালতে আত্মসমর্পন করেন তিনি। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করে সিআইডি। আবেদনে আসামীর দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। দুইদিনের রিমান্ড শেষে ২৪ মার্চ তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২২ মার্চ মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে কন্যাসন্তান জন্ম দেন রেদওয়ানা ইসলাম। ২৭ মার্চ বিকেলে হাসপাতালের দোতলার ১১ নম্বর কেবিন থেকে মুখে বালিশচাপা ও গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় রেদওয়ানা ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করে মির্জাপুর থানা পুলিশ। দাম্পত্য কলহের জেরে সন্তান প্রসবের ৫ দিন পর ২৭ মার্চ মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালের কেবিনে স্বামী মিজান রেদওয়ানাকে হত্যা করে পালিয়ে যায় বলে নিহতের পরিবারের দাবি।

এরপর ২৮ মার্চ নিহতের ছোট ভাই খন্দকার আরশাদুল আবিদ বাদি হয়ে রেদওয়ানার স্বামী মিজানকে আসামি করে মির্জাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান গা ঢাকা দেয়।

জেলা শিল্পকলা একাডেমি টাঙ্গাইলের সাবেক জেলা কালচারাল অফিসার নিহত খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম রংপুর সদর থানার ইসলামপুর হনুমানতলার মৃত খন্দকার রফিকুল ইসলামের মেয়ে।আসামী ও স্বামী দেলোয়ার হোসেন মিজান পাবনা সদর থানার হেমায়েতপুর চরভাঙ্গারিয়া গ্রামের মো. এলাহী মোল্লার ছেলে। তিনি স্যোশাল ইসলামী ব্যাংক ভোলা সদরের মহাজনপট্টি শাখায় কর্মরত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২২ ০২:৫০:এএম ৪ বছর আগে
রাজধানীতে ‘গরিবের চিকিৎসক’ বুলবুল ছুরিকাঘাতে নিহত - Ekotar Kantho

রাজধানীতে ‘গরিবের চিকিৎসক’ বুলবুল ছুরিকাঘাতে নিহত

একতার কণ্ঠঃ রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় ছুরিকাঘাতে দন্ত চিকিৎসক ডা. আহমেদ মাহী বুলবুল নিহত হয়েছেন। পুলিশের ধারণা, ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে তিনি মারা গেছেন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা

রোববার (২৭ মার্চ) ভোর ৫টার পর শেওড়াপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাহতাব উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ভোর ৫টার পর শেওড়াপাড়া এলাকায় অজ্ঞাত ব্যক্তির ছুরিকাঘাতে বুলবুল গুরুতর আহত হন। পরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ডিসি মাহতাব আরও বলেন, এটি ছিনতাইয়ের ঘটনা হতে পারে। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করছি এবং কারা তাকে ছুরিকাঘাত করেছে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।

ডা. বুলবুল মগবাজারে রংপুর ডেন্টাল নামে একটি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা দেন। সেখানে তিনি দরিদ্র ও নিম্নবিত্তদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতেন। শুধু স্বাবলম্বীদের কাছ থেকে ফি নিতেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২২ ০৩:৩৭:এএম ৪ বছর আগে
বাসাইলে শহীদ মিনারে জুতা পায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা! - Ekotar Kantho

বাসাইলে শহীদ মিনারে জুতা পায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার মঞ্চ করা হয়েছিল শহীদ মিনারে।

আরো পড়ুনঃ  টাঙ্গাইলে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা

শনিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টায় উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথিরা ছিলেন জুতা পরেই। মুক্তিযোদ্ধাদের পায়েও ছিল জুতা। এ ঘটনায় সমালোচনার ঝড় বইছে। সংবর্ধনার কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ছবিতে দেখা যায়, শহীদ মিনারের বেদিতে তৈরি মঞ্চে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন, পৌর মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম কমান্ডারসহ বাসাইল উপজেলার বিশেষ ব্যক্তিরা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর মিয়া বীরপ্রতীকের হাতে সংবর্ধনার ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন। এ সময় পায়ে জুতা নিয়েই অতিথিরা মঞ্চে উঠে ক্রেস্ট দিচ্ছেন এবং সংবর্ধিত মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর বীরপ্রতীক নিজের পায়ে জুতা নিয়েই বেদিতে উঠেছেন এবং অতিথিদের হাত থেকে ক্রেস্ট নিচ্ছেন।

এ সংক্রান্ত ছবি বাসাইলের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

এ বিষয়ে আব্দুল গফুর বীরপ্রতীক বলেন, সংবর্ধনা মঞ্চে সব অতিথিরাই জুতা পায়ে ছিলেন। আমার নাম ডাকায় আমিও তাদের সঙ্গে মঞ্চে উঠে যাই। ঘটনাটি অতি দুঃখজনক।

এ বিষয়ে বাসাইল জোবেদা রোবেয়া সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মশিউর রহমান আপেল বলেন, শহিদ মিনার একটি সম্মানের জায়গা। এ জায়গার সম্মান রক্ষা করাটা প্রত্যেকের বিবেক ও শিক্ষা। যদি কেউ সেটি না করে তাকে ব্যক্তিগতভাবে জবাবদিহি করতে হবে।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার জহুরুল হক ডিপটি বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক, কষ্টদায়ক ও অপ্রত্যাশিত। দিকনির্দেশক প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের কাছ থেকে এটি অপ্রত্যাশিত। বিষয়টি নিয়ে আমি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলব।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীনের অফিসিয়াল মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২২ ০২:২৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদ  সহ্য করতে না পেরে তোতা মিয়া  নামে অবসরপ্রাপ্ত  এক সেনা কর্মকর্তা  ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারনা করা হচ্ছে। রবিবার (২৭ মার্চ) সকালে উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের পালবাড়ী গ্রামের নিজ বাড়ির গোয়াল ঘরে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন তিনি। মধুপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট নিহত

জানা যায়, তোতা মিয়া ও তার স্ত্রী জোহরা বেগম দুজনেই ওই বাড়িতে বসবাস করতেন। শনিবার রাতে তারা প্রতিদিনের ন্যায় ঘুমিয়ে পড়েন। রবিবার সকালে জোহরা বেগম ঘুম থেকে জেগে দেখেন তার স্বামী তোতা মিয়া বিছানায় নেই। ঘরের দরজাও বাইরে থেকে লাগানো।এ সময় তিনি চিৎকার করলে প্রতিবেশিরা এসে দরজা খুলে দেন। সবাই মিলে তোতা মিয়াকে খুঁজতে গিয়ে গোয়াল ঘরে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

এলাকাবাসী জানায়, তোতা মিয়ার স্ত্রী জোহরা বেগমের নিকট স্থানীয় এক মহিলা পরকীয়ার অভিযোগ তোলেন। ওই বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর কথা কাটাকাটি হয়। পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদ সইতে না পেরে তোতা মিয়া আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন তারা।

মধুপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন জানান, তোতা মিয়ার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আত্মহত্যার কারণ উদঘাটনের জন্য স্থানীয় কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে এখনও কোন মামলা দায়ের করা হয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২২ ০২:১৪:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।