একতার কন্ঠ ডেক্সঃ বাংলাদেশের খ্যাতিমান কলামিস্ট, গবেষক, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক ও লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ আর নেই। মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। স্কয়ার হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগ মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সন্ধ্যা ৬টা ৯ মিনিটে তিনি মারা যান।
সৈয়দ আবুল মকসুদের জন্ম ১৯৪৬ সালের ২৩ অক্টোবর। তিনি তার গবেষণাধর্মী প্রবন্ধের জন্য সুপরিচিত। তার প্রবন্ধসমূহ দেশের রাজনীতি, সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয়। তিনি বিখ্যাত সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদদের জীবনী ও কর্ম নিয়ে গবেষণামূলক প্রবন্ধ লিখেছেন। পাশাপাশি কাব্যচর্চাও করেছেন। তার রচিত বইয়ের সংখ্যা চল্লিশের ওপর। জার্নাল অব জার্মানি তার লেখা ভ্রমণকাহিনী। বাংলা সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য তিনি ১৯৯৫ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।
এদিকে তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী।
জানা গেছে, সৈয়দ আবুল মকসুদ ১৯৪৬ সালের ২৩ অক্টোবর মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার এলাচিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সৈয়দ আবুল মাহমুদ ও মা সালেহা বেগম। তার জন্মের দুই বছর পর ১৯৪৮ সালের ২০ নভেম্বর তার মা সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মারা যান। তার মায়ের মৃত্যুর পর তার বিমাতা বেগম রোকেয়া আখতার তাকে সন্তান স্নেহে লালনপালন করেন। তার বাবা কাব্যচর্চা করতেন। তাই শৈশব থেকে তিনি দেশি বিদেশি বিভিন্ন পত্রিকা পড়ার সুযোগ পান।
আবুল মকসুদের শিক্ষাজীবনের হাতেখড়ি হয় নিজ বাড়িতে। এরপর তিনি ঝিটকা আনন্দমোহন হাই স্কুলে একেবারে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ পড়াশুনা করেছেন।
কর্মজীবন
তার কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৬৪ সালে এম আনিসুজ্জামান সম্পাদিত সাপ্তাহিক নবযুগ পত্রিকায় সাংবাদিকতার মাধ্যমে। এটি ছিল পাকিস্তান সোস্যালিস্ট পার্টির মুখপত্র। পরে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি সমর্থিত সাপ্তাহিক ‘জনতা’য় কাজ করেন কিছুদিন। পরে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ বার্তা সংস্থায় যোগ দেন। ২০০৮ সালের ২ মার্চ বার্তা সংস্থার সম্পাদকীয় বিভাগের চাকরি ছেড়ে দেন।
সাহিত্যিক জীবন
সৈয়দ আবুল মকসুদের সাহিত্যচর্চা শুরু হয় ষাটের দশকে কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ দিয়ে। তখন তিনি বিভিন্ন পত্রিকায় লিখতেন। ১৯৮১ সালে তার কবিতার বই বিকেলবেলা প্রকাশিত হয়। ১৯৮৭ সালে তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ দারা শিকোহ ও অন্যান্য কবিতা প্রকাশিত হয়। মানবাধিকার, পরিবেশ, সমাজ ও প্রেম নিয়ে তিনি কবিতা লিখেছেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের ক্ল্যাসিকধর্মী গবেষকদের মধ্যে অন্যতম।
তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বুদ্ধদেব বসু, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী প্রমুখ প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদদের জীবনী ও কর্ম নিয়ে গবেষণা করেছেন। আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে নিয়ে তিনি লিখেছেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানীর জীবন, কর্মকাণ্ড, রাজনীতি ও দর্শন (১৯৮৬) ও ভাসানী কাহিনী (২০১৩)। ভাসানী কাহিনীতে তিনি ভাসানীর বৈচিত্র্যময় ও ঘটনাবহুল দীর্ঘ জীবন এবং তার রাজনৈতিক দর্শন বর্ণনা করেছেন।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহকে নিয়ে লিখেছেন সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জীবন ও সাহিত্য (২০১১) ও স্মৃতিতে ওয়ালীউল্লাহ (২০১৪)। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জীবন ও সাহিত্য গ্রন্থে তিনি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জীবন ও তার সাহিত্যকর্ম নিয়ে লিখেছেন। এছাড়া তৎকালীন সময়ের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক দিকগুলো তুলে ধরেছেন। স্মৃতিতে ওয়ালীউল্লাহ গ্রন্থে তিনি তাকে চিনতেন এবং জানতেন এমন সব মানুষদের কাছ থেকে নানা উপাদান সংগ্রহ করেছেন। তথ্য সংগ্রহের জন্য তিনি ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে এবং পাকিস্তানে গিয়েছিলেন।
আবুল মকসুদের স্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী ছিলেন। কিছুদিন শিক্ষকতা করেছেন অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজে। তাদের দুই সন্তান। মেয়ে জিহান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্স ও মাস্টার্স করে ব্যাংকে চাকরি করছেন। ছেলে নাসিফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স ও মাস্টার্স করে দুই বছর ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এবং স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পড়িয়েছেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ করে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডে সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে চাকরি করছেন।
সংবাদ সূত্র- দৈনিক ইনকিলাব অনলাইন নিউজ পোর্টাল
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মঙ্গলবার(২৩ ফেব্রয়ারী)সকালে বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলাউদ্দিন এর সভাপতিত্বে সভায় মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা অনুষদের ডিন ও ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন।
মুল প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ এর মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ।
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. এ.এস.এম সাইফুল্লাহ। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন ইএসআরএম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রোকসানা হক রিমি ও সিপিএস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুব্রত ব্যানার্জী।
মুল প্রবন্ধের উপর আলোচনা করতে গিয়ে প্রধান আলোচক পিআইবি-এর মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ বলেন, বাংলা ভাষা সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠার জন্য স্বাধীনতার আগেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা দিয়েছিলেন।
তিনি বাংলায় সংবিধান প্রণয়ন করেছিলেন, বাংলায় জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছিলেন এবং পঞ্চাশের দশকে চীন সফরে গিয়েও বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন। এছাড়া তিনি ছিলেন বিশ্বের একমাত্র নেতা যিনি ভাষাকে ভিত্তিতে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
একতার কন্ঠ ডেস্কঃ পাকিস্থানের বালুচিস্থান প্রদেশের এক সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে। তিনি প্রদেশের জামাত উলেমা-ইল-ইসলামেরও (জেইউআই-এফ) নেতা সালাউদ্দিন আয়ুবি(৫০)। ইতোমধ্যে দেশটির পুলিশ এ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।
চিত্রালে নারীদের নিয়ে কাজ করা একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে ঘটনাটির তদন্তে নেমেছে স্থানীয় পুলিশ। এদিকে এমন ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর দেশটির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
পাকিস্থানের স্থানীয় পত্রিকায় অপ্রাপ্ত বয়স্ক ওই কিশোরীটিন নাম প্রকাশ করা হয়নি। বলা হয়েছে, ওই কিশোরী চিত্রালের দারুশ এলাকার বাসিন্দা।কিশোরীটির জন্ম ২০০৬ এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী।
পাকিস্থানী গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, সালাউদ্দিন আয়ুবির বয়স ৫০-এর কোটায়। এ প্রসঙ্গে চিত্রাল পুলিশ স্টেশন এসএইচও ইন্সপেক্টর সাজ্জাদ আহমেদ বলেন, কিছুদিন আগে এনজিওর কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ওই কিশোরীর বাড়িতে যায়। তখন তার বাবা মেয়ের বিয়ের বিষয়টি নাকচ করে দেন।
উল্লেখ্য, পাকিস্থানের আইন অনুযায়ী দেশটিতে ১৬ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বিয়ে দেওয়া আইনত অপরাধ। এছাড়া কোন বাবা মা যদি ইচ্ছা কৃতভাবে এ কাজ করে তাদেরও শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
একাতার কন্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা ও রাজনীতিক মোহাম্মদ আলীর ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় একমঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয়পার্টির নেতারা। সোমবার(২২ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল ক্লাব মিলনায়তনে ওই স্মরণসভায় প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের জেলা পর্যায়ের শীর্ষনেতাদের সৌহার্দপূর্ণ উপস্থিতি জনমনে নানা আলোচনার জন্ম দেয়।
টাঙ্গাইলের বিশিষ্ট রাজনীতিক বীরমুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহনের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক(একুশে পদক প্রাপ্ত)।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি ও ভাসানী ফাউন্ডেশনের সভাপতি খন্দকার নাজিম উদ্দিন
, জেলা বিএনপি নেতা ও ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খালেক মন্ডল, ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হারুন অর রশিদ, করটিয়া সরকারি সাদৎ কলেজের সাবেক ভিপি অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলাল, জেলা কুলি-মজদুর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি উদয় লাল গৌড় প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর আদর্শে দীক্ষিত শ্রমিক নেতা মোহাম্মদ আলী আজীবন শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার থেকেছেন। জেলার বিড়ি শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে তিনি অনশন পালন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। গড্ডালিকায় গা ভাসিয়ে না দিয়ে তিনি সারা জীবন সাধারণ জীবন-যাপন করেছেন।
স্মরণসভায় জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ, বিড়ি শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মী সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ জনিত কারণে শ্রমিক নেতা মোহাম্মদ আলী ৬২ বছর বয়সে টাঙ্গাইল শহরের আদালত পাড়ার নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন।
একাতার কন্ঠ বিনোদন ডেস্কঃ পত্রিকায় প্রকাশিত কোন কোন দুঃসংবাদ পড়ে ক্ষুব্ধ শিল্পী বসে পড়তেন ক্যানভাসে। রংতুলিতে ফুটিয়ে তুলতেন নিজের রাগ, ক্ষোভ আর বেদনাবোধ। দেয়ালের শোভা বাড়ানোর জন্য নয় এই সব চিত্রকর্মের বিষয়বস্তু ছিল পীড়াদায়ক। যে কারণে ছবিগুলো ঘর থেকে তিনি বের করতেন কম। বর্তমানে সময় হয়েছে সেগুলোকে একত্র করার । তাতে যদি কিছু নতুন বার্তা দেওয়া যায় এই প্রজন্মকে।
শুক্রবার(১৯ ফেব্রয়ারী) সন্ধ্যায় ধানমন্ডির গ্যালারি চিত্রকে আরম্ভ হয়েছে শিল্পী নিসার হোসেনের একক রেট্রোস্পেকটিভ শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘ষাট বছরের খতিয়ান।’ স্থান পেয়েছে গত ৪৪ বছরে আঁকা শিল্পীর ৮০টির বেশি চিত্রকর্ম। শিল্পীর তৃতীয় একক প্রদর্শনী এটি।
তবে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হওয়া এটাই প্রথম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি জানান, ঘনিষ্ঠ কয়েকজন মানুষের সংগ্রহে থাকা নিজের কিছু ছবি চেয়ে এনেছেন তিনি। নিজের সব কটি কাজ একত্র করে দেখার ইচ্ছা, যা কখনোই করা হয়নি। তিনি বলেন,প্রদর্শনীটি আমাকে বুঝতেও সাহায্য করবে চিত্র রসিকদের।’
প্রদর্শনীটি প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর। বরেণ্য চিত্রকর রফিকুন নবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংসদ শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, প্রকৌশলী ময়নুল আবেদিন ও শিল্পানুরাগী কাজী আনিসুল মুকিত।
সভাপতির বক্তব্যে রফিকুন নবী বলেন, ‘এই প্রদর্শনীটি, আদি থেকে নিসারের সব ধরনের কাজ আছে। ছবিগুলোতে নিসারকেই খুঁজে পাওয়া যায়। নিসার কম কাজ করে। এ ক্ষেত্রে তাঁকে তুলনা করা যায় বড় শিল্পীদের সঙ্গে।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন গ্যালারি চিত্রকের নির্বাহী পরিচালক শিল্পী মো. মনিরুজ্জামান। তিনি জানান, বহু বছর পর গ্যালারি চিত্রক ফিরেছে তাঁর পুরোনো ঠিকানা ধানমন্ডির ৪ নম্বর সড়কের ২১/এ বাড়িতে। নবনির্মিত সেই ভবনের দোতলায় শিল্পী সফিউদ্দিন আহমেদের সংগ্রহশালা, তৃতীয় তলায় গ্যালারি চিত্রক, যা নবযাত্রা শুরু করল নিসার হোসেনের চিত্রকর্ম প্রদর্শনীটির মাধ্যমে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ প্রতিষ্ঠার ৩৭ বছর পর নিজস্ব অর্থায়নে এ বছর নতুন শহীদ মিনার নির্মান করেছে ভূঞাপুরের চর গাবসারা দাখিল মাদ্রাসা। পাকা ও স্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে এবারই প্রথম ২১ শে ফেব্রুয়ারি উদযাপন হয়েছে, এই আনন্দে আত্মহারা মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা। ১৯৮৪ সালে যমুনা নদীর দূর্গম চরে মাদ্রাসাটি স্থাপিত হয়।প্রতিষ্ঠার ৩৭ বছর পর এই প্রথম শহীদ মিনার হওয়াতে এলাকাবাসিও আনন্দিত।
সরেজমিনে দেখা যায়, টাঙ্গাইল শহর থেকে ৩১ কিলোমিটার দুরে ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী নৌকা ঘাট। এরপর নৌকা যোগে প্রায় ২০ মিনিট যাবার পর যমুনা নদীর পুংলীপাড়া ঘাট। তারপর কমপক্ষে ১৫ মিনিট বালু চরে পায়ে হেঁটে মাদ্রাসাটির অবস্থান।
৭৫ শতাংশ জমির উপর নির্মিত মাদ্রাসাটির ইবতেদায়ী থেকে দাখিল পর্যন্ত বর্তমানে মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৪০২ জন। শিক্ষক কর্মচারীসহ স্টাফ ১৫ জন। চরাঞ্চলের অতি সাধারণ মানুষের সন্তানদের এ প্রতিষ্ঠানটির সুনাম উপজেলা ব্যাপী থাকলেও ছিল না স্থায়ী শহীদ মিনার। ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতি বছর কলাগাছ দিয়ে শহীদ মিনার বানিয়ে ২১ শে ফেব্রুয়ারি উদযাপন করতো।
এমনকি টিন ও কাঠ দিয়ে ছোট্র করে শহীদ মিনার বানিয়ে সেটি বেঞ্জ বা চেয়ারের উপর রেখে ফুল দেওয়া হতো। তাই ছাত্র-ছাত্রীদের দীর্ঘদিনের জোরালো দাবি ছিল, একটি স্থায়ী নতুন শহীদ মিনারের।
মাদ্রাসার সুপার আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের দাবির সাথে আমরাও অনুধাবন করি একটি স্থায়ী শহীদ মিনারের। সে লক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে আর্থিক অনুদান পেতে চেষ্টা করেও ব্যার্থ হই। পরে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে, প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব অর্থে ২০২০ সালের আগষ্টে নতুন শহীদ মিনার নির্মাণ করেছি। অনেক দূরের বাজার থেকে এখানে ইট, রড়, সিমেন্ট নিয়ে আসা যে কি কষ্টের বলে বোঝাতে পারবো না।
করোনা ও বন্যার মধ্যেই বাকি করে এটি বানিয়েছি। এখনও কিছুটা কাজ অসম্পূর্ণ আছে। ২০২১ সালের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে প্রথম শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেছি।
মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম, আসিফ সরকার, নাদিয়ারা বলে, আমরা কলা গাছের শহীদ মিনার বানিয়ে ফুল দিতাম। অনেকবার স্যারদের বলেছি। আশেপাশেও ভাল কোন শহীদ মিনার নেই। এবার নিজের মাদ্রাসায় নতুন পাকা শহীদ মিনারে ফুল দিতে পেরেছি। সত্যি আমাদের খুব আনন্দ লাগছে।
এদিকে জেলা শিক্ষা অফিসার লায়লা খানম বলেন, জেলার ১২ টি উপজেলায় আমাদের ৯৮৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৮৩ টি প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। ৪০৬ টি প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার আছে। এবার মাত্র ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একেবারে নতুন শহীদ মিনার স্থাপন করা হয়েছে। যাতে এবারই ফুল দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট কবি বুলবুল খান মাহবুব বলেন, আমরা অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভাষা ও স্বাধীনতার সংগ্রামে অংশ গ্রহণ করেছিলাম। সরকারি ভাবে দৃঢ় নীতিমালা করে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ করা দরকার।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আতাউল গণি বলেন, নতুন প্রজন্মকে জানাতে এবং সবাইকে চেতনায় উজ্জীবিত করতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকা উচিত। জেলার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। করোনা প্রভাব দূর হলে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর কর্তৃপক্ষকে শহীদ মিনার স্থাপনের জন্য অনুরোধ করা হবে। প্রয়োজনে আমরা আর্থিক সহযোগিতা করবো।
নিউজ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী আব্দুর রহিমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কলেজ পরিচালানা পরিষদের সিদ্ধান্তে তাকে এই বরখাস্ত করা হয়। কলেজ পরিচালনা পরিষদের ১৫ জন সদস্যের ১৪ জনই তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ায় কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়।
এই বরখাস্তের অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম বলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। অন্যায় ভাবে তার কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে।
কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা জানান, অধ্যক্ষ আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও আর্থিক অপব্যয়সহ নানা অভিযোগ এনে শিক্ষকরা আন্দোলন করে।
পরে পরিচালনা পরিষদের সভায় সদস্যের সাক্ষ্য ও তথ্য-প্রমাণে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়। অধ্যক্ষ আব্দুর রহিমের শোকজের জবাব ও মৌখিক বক্তব্য সন্তোষজনক না হওয়ায় জাতীয় বিশ^বিদ্যালয় বিধি অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত(স্মারক-২৫২(১৩) সা/ম: বরখাস্ত/২২১, তাং-০৪/০২/২০২১ইং) করা হয়েছে।
প্রকাশ, অধ্যক্ষ আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে অন্য শিক্ষকদের সঙ্গে চরম অসৌজন্য আচরণ, কলেজের লাখ লাখ টাকা আত্মসাত, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে শিক্ষকরা আন্দোলন করছেন। সম্প্রতি গোপনে অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম কলেজ থেকে কিছু নথিপত্র নিয়ে যান এবং একটি নথি ছিঁড়ে ফেলেন।
ওই ঘটনায় কলেজের সিনিয়র সহকারী অধ্যাপক গোলাম আম্বিয়া সিদ্দিকী বাদী হয়ে অধ্যক্ষ আব্দুর রহিমকে অভিযুক্ত করে কালিহাতী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি(জিডি) করেন। তার শাস্তির দাবিতে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে তালা ঝুঁলিয়েও দেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে টাঙ্গাইলের লায়ন নজরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের পদ থেকে আব্দুর রহিমকে একই কারণে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়।
নিউজ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাংক একাউন্ট এমআইএস (ম্যানেজম্যান্ট ইনফরমেশন সিস্টেম) করার সময় ব্যাংকের শাখার নাম সখীপুরের স্থলে বাগেরহাট হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধারা তাঁদের সম্মানী ভাতা তুলতে পারছেন না। গত তিনদিন ধরে তিন শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা সোনালী ব্যাংকে এসে ভাতা তুলতে না পেরে ফিরে যাচ্ছেন। ফলে ভোগান্তিতির শিকার হচ্ছেন সখীপুরের বীরমুক্তিযোদ্ধারা।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্র জানা যায় , উপজেলায় ৯৯৮জন তালিকাভূক্ত মুক্তিযোদ্ধা থাকলেও এমআইএসের অন্তর্ভূক্ত হয়েছেন ৯৮৩জন। এরমধ্যে জীবিত মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন ৬২০জন। সম্পতি সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা ইএফটি-এর মাধ্যমে (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) সরাসরি তাঁদের ব্যাংক হিসাবে (অ্যাকাউন্টে) পৌঁছানোর উদ্যোগ নিয়েছেন।
গত সোমবার (১৫ ফেব্রয়ারী) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা জিটুপি (গভম্যান্ট টু পারসন) প্রক্রিয়ায় সরাসরি তাঁদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় এক লাখ ৬৮ হাজার মুক্তিযোদ্ধা বা তাঁদের উপকার ভোগীকে জানুয়ারি মাসের ভাতা বাবদ এক শত ৮২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরাসরি ভাতা ভোগীর ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয়।
সখীপুর সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল কর্মকর্তা (পিও) সাইফুল ইসলাম বলেন, তিন শতাধিক মুক্তিযোদ্ধার অ্যাকাউন্টে এখনো টাকা পৌঁছেনি। পরে তিনি খবর নিয়ে জানতে পেরেছেন মুক্তিযোদ্ধাদের এমআইএস করার সময় ভুলবশতঃ ব্যাংকের শাখার অপশনে সখীপুর লেখা হলেও অটোমেটিক বাগেরহাট হয়ে গেছে।
ফলে তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা আসেনি। গত তিনদিন ধরে বীরমুক্তিযোদ্ধারা ব্যাংকে এসে টাকা তুলতে না পেরে ফিরে যাচ্ছেন।
ওই ব্যাংক কর্মকর্তা আরও বলেন, সখীপুরে ১৩২জন বীরমুক্তিযোদ্ধা তাঁদের ভাতার বিপরীতে তিন লাখ টাকা করে ঋণ নিয়েছেন।
প্রতিমাসে আমরা ওই ভাতা থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকা কিস্তি হিসেবে সমন্বয় করি। তাঁদের ভাতা না আসায় ঋণের কিস্তিও সমন্বয় করা যাচ্ছে না।
এ ব্যাপারে উপজেলার গোহাইলবাড়ী গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা মিয়া উল্লাহ, বাঘেরবাড়ী গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলম, বহুরিয়া গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা ময়েজ উদ্দিন বলেন, আমরা তিনদিন ধরে দুই শত টাকা খরচ করে ভাতা তোলার জন্য সোনালী ব্যাংকে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করে, ভাতা না পেয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছি। ভাতা কবে তুলতে পারব তা কেউ বলতে পারছে না। আগামী সোমবারেও ভাতা পাওয়া নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মনসুর আহমেদ বলেন, এমআইএস করার সময় তথ্য পূরণে আমাদের কোনো ভুল হয়নি। তবে শাখার অপশনে অটোমেটিক সখীপুরের স্থলে বাগেরহাট হয়েছে। বিষয়টি সংশোধনের জন্য পাঠানো হয়েছে। আশা করি, শিগগিরই বিষয়টি সমাধান হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রগুলো থেকে বিএনপি’র এজেন্টদের বের করে দেওয়া, মিথ্যা অভিযোগে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তিসহ পুনরায় নির্বাচনের দাবি করেছেন বিএনপি দলীয় মেয়র প্রার্থী মাহমুদুল হক সানু । তিনি এই নির্বাচনকে প্রহসনের নির্বাচন বলে আখ্যায়িত করে পুন:র্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।
শনিবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে
সদ্য অনুষ্ঠিত পৌরসভার নির্বাচনে ভোট কারচুপি, মিথ্যা অভিযোগে আটক দলীয় নেতাকর্মীদের মুক্তিসহ নানা অভিযোগ তুলে ধরেন বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক সানু।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা ভোট কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় বোমাবাজি করে কেন্দ্র দখল করে নেয়। অপরদিকে, দেওলা কেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুল হামিদসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ। এছাড়া পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দিয়ে নৌকা সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থকরা জাল ভোট প্রদান করে।
এছাড়াও নির্বচনী এলাকার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে আটক হওয়া দেলোয়ার হোসেন, হাসিবুল হাসান, রাকিব সরকার, এহসানুল হক নয়ন, সোহানুর রহমান সোহান, আশরাফুল ইসলামসহ প্রায় ১৯জন বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেন তিনি।
মেয়রপ্রার্থী মাহমুদুল হক সানু আরও বলেন, এই প্রহসনের নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন দিতে হবে এবং প্রশাসনের কাছে মিথ্যা অভিযোগে আটক সকল পর্যায়ের বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কারাগারে বন্দি বিরোধী দলের নেতাদের মা, বাবা, স্ত্রী, মেয়ে, ছেলেসহ স্বজনরা কাঁদছে। কিন্তু তা এই সরকারের হৃদয়ে নাড়া দেবে না। তারা নিজেদের অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের জেলে ঢুকাচ্ছে।
উল্লেখ্য, শনিবার (৩০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর ৬৬ হাজার ৬১৭ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ছিলেন বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হক সানু, তিনি পেয়েছেন ২২ হাজার ৯০০ ভোট।