মোঃ আরমান কবীর সৈকত (সম্পাদক)

প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবীতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবীতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ দেশের সকল প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবীতে টাঙ্গাইলে শিক্ষক-কর্মচারীদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫মার্চ) সকালে পুরাতন আদালত সংলগ্ন টাঙ্গাইল হাইকেয়ার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

টাঙ্গাইল হাইকেয়ার( বধির ) স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সদস্য সচিব ইসরাত জাহানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, আইসড়া অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৌসুমি লিজা, প্রত্যাশা অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নাজমা পারভীন ,সলিমাবাদ কমরেড আসলামউদ্দিন অটিস্টিক  বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: বাবুল হোসেন খান , জমিরউদ্দিন ফকির অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের সভাপতি মো: শহিদুজ্জামান প্রমুখ।

মতবিনিময় সভাটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল শাখার উপদেষ্টা মোঃ নূর আলম সিদ্দিকী।

মতবিনিময় সভায় টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলার প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষিকা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. মার্চ ২০২১ ০২:৫৪:এএম ৫ বছর আগে
মির্জাপুরে তেল ভর্তি ট্রাকে ভয়াবহ আগুন - Ekotar Kantho

মির্জাপুরে তেল ভর্তি ট্রাকে ভয়াবহ আগুন

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৪ মার্চ) সন্ধা সাড়ে ছয়টার দিকে উপজেলার পাকুল্যা বাজারে ব্যবসায়ী মনোরঞ্জন সাহার মুদি দোকানের সামনে দাঁড়ানো তেলভর্তি ট্রাক থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা মনোরঞ্জনের মুদি দোকান ও ইউপি চেয়ারম্যান আলী এজাজ খান চৌধুরী রুবেলের বাংলো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের সদস্যরা আগুন নেভাতে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। আগুনে মনোরঞ্জনের দুই কর্মচারী পাকুল্যা গ্রামের চন্ডী রাজবংশীর ছেলে পপ রাজবংশী ও মনিন্দ্র রাজবংশীর ছেলে আনন্দ রাজবংশী মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছেন। তাদেরকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. মার্চ ২০২১ ০১:০৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই খুন

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার বাথুলী সাদি গ্রামে রোববার(১৪ মার্চ) সকালে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই খুনের ঘটনা ঘটেছে। নিহত আব্দুল মজিদ(৩৩) উপজেলার ওই গ্রামের সেন্টু মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ ছোট ভাই শফিকুল ইসলামকে(৩১) আহত অবস্থায় আটক করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বাসাইল উপজেলার বাথুলী সাদি গ্রামের সেন্টু মিয়ার পাঁচ ছেলে দীর্ঘদিন ধরে কাপড় তৈরির ব্যবসা করছিলেন। ব্যবসার হিসাব নিয়ে সম্প্রতি তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এক পর্যায়ে তা পারিবারিক কলহে রূপ নেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রোববার সকালে তাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ছোট ভাই শফিকুল ইসলাম ছুরি দিয়ে তার বড় ভাই আব্দুল মজিদের বুকে আঘাত করেন। গুরুতর আহতাবস্থায় স্বজনরা আব্দুল মজিদকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত  ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. হারুনুর রশিদ বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। হত্যার ঘটনায় তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. মার্চ ২০২১ ০২:৫৯:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব বনাম গোপালপুর-ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব বনাম গোপালপুর-ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব বনাম টাঙ্গাইলের গোপালপুর-ভূঞাপুর প্রেসক্লাব সংসদীয় আসনের সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে একদিনের ক্রিকেট প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(১৩ মার্চ)সকাল ১১ টায় গোপালপুর সরকারি কলেজ মাঠে এ ক্রিকেট খেলার আয়োজন করেন গোপালপুর প্রেসক্লাব।
খেলার শুরুতে গোপালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও অধ্যাপক জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে ক্রিকেট ম্যাচের আনুষ্ঠানিকতা ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্থানীয় সাংসদ  তানভির হাসান ছোট মনির, উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সম্পাদক কাজী জাকেরুল মাওলা, গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভেজ মল্লিক, পৌর মেয়র রকিবুল হক ছানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমীর খসরু, থানা অফিসার ইনচার্জ মোশারফ হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক, ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ্ আলম প্রামাণিক,
উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ প্রমুখ।
এদিকে, ক্রিকেট প্রীতি ম্যাচে গোপালপুর-ভূঞাপুর প্রেসক্লাবকে হারিয়ে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব চ্যাম্পিয়ন হয়। খেলায় ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের খেলোয়াড় ইফতেখার অনুপম ও সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয় গোপালপুর-ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের খেলোয়াড় ইউএনও পারভেজ মল্লিক । বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার আগে মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীসহ খেলাধুলা বিষয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন গোপালপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ কুমার দত্ত।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মার্চ ২০২১ ০৪:৩৪:এএম ৫ বছর আগে
সখীপুরে অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে শিক্ষক-কর্মচারীদের সমাবেশ - Ekotar Kantho

সখীপুরে অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে শিক্ষক-কর্মচারীদের সমাবেশ

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির অধীনস্থ কল্যাণ তহবিলের সভাপতির বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা নানা অনিয়ম দুর্নীতি অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৩৭ জন শিক্ষকের নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

শনিবার(১৩ মার্চ) দুপুরে সখীপুর-সাগরদিঘী সড়কের উপজেলার কচুয়া বাজার চৌরাস্তা মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ছয় শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী অংশ নেন। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত তুলা মিয়াকে তহবিলের সভাপতির পদ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত তুলা মিয়া উপজেলার কচুয়া পাবলিক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

সমাবেশে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম হোসেন, কাইয়ুম হুসাইন, মিজানুর রহমান, একে ফজলুল হক, মতিউর রহমান ভূঁইয়া, ফরমান আলী, আতিকুল হক ছমির, লাল মিয়া, বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহ মিয়া এবং টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের সদস্য গোলাম কিবরিয়া বাদল প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সমাবেশে উপস্থিত শিক্ষকরা জানান, কল্যাণ তহবিলের সভাপতি মো. তুলা মিয়া (সংগঠনের কল্যাণ তহবিলের) ২৭ লাখ ৪৬ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করেছে। আগামী সাতদিনের মধ্যে এ টাকা পরিশোধ না করলে শিক্ষক-কর্মচারীরা কঠোর আন্দোলনে যাবেন।

তারা আরও বলেন, কচুয়া পাবলিক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তুলা মিয়া সমিতির কল্যাণ তহবিলের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার কাছে থাকা ওই তহবিলের প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা ফেরত না দেওয়ায় ওই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও তিনি উল্টো বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৩৭ জন শিক্ষকের নামে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। কল্যাণ তহবিলের সমুদয় কাগজপত্র, এফডিআর, রেজিস্টার, ব্যাংক চেকবই ফেরত দিচ্ছেন না। টাকা আত্মসাতের বিষয়ে সংগঠনের ৮ শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা আরও জানান, ইতোমধ্যে উপজেলার ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী অবসরে চলে গেছেন।

তুলা মিয়া ওই টাকা ও কাগজপত্র না দেওয়ায় অবসরে যাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের মাঝে কল্যাণ তহবিলের প্রাপ্ত টাকা বিতরণও করা যাচ্ছেনা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মার্চ ২০২১ ০৩:৪৮:এএম ৫ বছর আগে
কালিহাতীতে ব্যাডমিন্টন টূর্ণামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে ব্যাডমিন্টন টূর্ণামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ “খেলাধুলায় বাড়ে বল মাদক ছেড়ে খেলতে চল” স্লোগানে মুজিব শতবর্ষ ব্যাডমিন্টন টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার(১২ মার্চ) রাতে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের দৌলতপুরে একুশে জাগরণ যুব সংঘ খেলাটির আয়োজন করে।

ফাইনালে টীম লায়নকে হারিয়ে টীম সোনার বাংলা বিজয়ী হয়। খেলায় মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে। এদিকে খেলা উপলক্ষ্যে এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করে।

ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক রতনের সভাপতিত্বে খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিহাতী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান মজনু। খেলাটির উদ্বোধন করেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম শফি।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাপলা যুব সংঘের সভাপতি আব্দুল মান্নান তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক চন্ডীচরণ তালুকদার, নারান্দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুস সামাদ, ইউনিয়ন যুব লীগের সভাপতি এ.কে ফজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমীর আলী, ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন ও শামসুল হক, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, নারান্দিয়া টিআরকেএন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক নির্জন কুমার ভৌমিক, নারান্দিয়া নির্মাণ প্রকৌশল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক মোজাম্মেল হাসান বাদল, ইব্রাহীম মিয়া, মাসুদ সরকার প্রমুখ। খেলা পরিচালনা করেন সরকারি শামসুল হক কলেজের ক্রীড়া শিক্ষক মাসুদ ভূইয়া। সার্বিক তত্বাবধায়নে ছিলেন- ক্লাবের আহ্বায়ক কৌশিক আহমেদ, সদস্য সচিব ইয়ামীন মিয়া এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মাঈন উদ্দিন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মার্চ ২০২১ ০২:২০:এএম ৫ বছর আগে
বাংলাদেশ অনুর্দ্ধ-১৭ জাতীয় ক্রিকেট দলে ডাক পেল টাঙ্গাইলের রিজান - Ekotar Kantho

বাংলাদেশ অনুর্দ্ধ-১৭ জাতীয় ক্রিকেট দলে ডাক পেল টাঙ্গাইলের রিজান

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ বাংলাদেশ অনুর্দ্ধ-১৭ জাতীয় ক্রিকেট দলে ডাক পেয়েছে টাঙ্গাইল ক্রিকেটের বিস্ময় বালক ডান হাতি ব্যাটিং অলরাউন্ডার রিজান হোসেন (১৫)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান।

জানা গেছে, গত ২ মার্চ (মঙ্গলবার) বাংলদেশ ক্রিকেট বোর্ড অনুর্দ্ধ-১৭ জাতীয় ক্রিকেট দল গঠনের জন্য ৩০ জন ক্রিকেটারের প্রাথমিক নামের তালিকা তাদের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করে। সেই তালিকায় নাম রয়েছে রিজান হোসেনের।

গত ১০ মার্চ (বুধবার) মিরপুরে অবস্থিত ক্রীড়া পল্লীতে রিজানের করোনা পরীক্ষা করা হয়। করোনা ফলাফল নেগেটিভ হওয়ায় রিজান এখন বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)তে বাংলাদেশ অনুর্দ্ধ-১৭ দলের প্রধান কোচ মিজানুর রহমান বাবলুর তত্বাবধানে দশ দিনের নিবিড় প্রশিক্ষনে রয়েছে।

টাঙ্গাইলে এই কিশোর ক্রিকেটার রিজান হোসেন ইতিপূর্বে বাংলাদেশ জাতীয় অনুর্দ্ধ-১৫ ক্রিকেট দলের হয়ে খেলে টাঙ্গাইল জেলার সুনাম কুড়িয়ে এনেছে। এবার অনুর্দ্ধ-১৭ দলে ডাক পেলেন তিনি ।

টাঙ্গাইল বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটে অতিপরিচিত মুখ রিজান হোসেন টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৬ দলের অধিনায়ক হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়ও টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৪ দলের অধিনায়ক হিসেবেও সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

গত ৯ মার্চ (মঙ্গলবার) শুরু হওয়া বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে রিজানকে সিটি ক্লাব নিলামে ৪১ হাজার টাকায় দলে ভিড়িয়েছে। প্রিমিয়ার লীগে এই টাকাই তৃতীয় সর্বোচ্চ দর এবং কিশোর ক্রিকেটারদের মধ্যে রিজানের দাম সবোর্চ্চ উঠেছে।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ ও বিপিএল খেলা টাঙ্গাইলের কৃতি ক্রিকেটার নাজমুল হোসেন মিলন(ছক্কা মিলন) বলেন, রিজান অত্যন্ত প্রতিভাবান ক্রিকেটার। তারা যখন ক্রিকেট খেলেছেন, টাঙ্গাইলে ক্রিকেট প্রশিক্ষনের সুযোগ ছিল অত্যন্ত সীমিত। এখন অনেক ধরনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। সঠিক ভাবে প্রশিক্ষন পেলে টাঙ্গাইল থেকে আরো অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার বের হয়ে আসবে।তিনি রিজানের সাফল্য কামনা করেন।

বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান জানান, রিজানের সবচেয়ে বড় শক্তিশালী দিক হল পরিস্থিতি বুঝে ক্রিকেট খেলে । শারীরিক সামর্থ্যও অনেক। তার দৃঢ বিশ্বাস সঠিক ভাবে প্রশিক্ষন নিলে  রিজান ভবিষ্যতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে খেলার সামর্থ্য রাখে রিজান ।

ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক ও ক্রিকেট সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাংলাদেশ জাতীয় দলে ক্রিকেটার তৈরি হয়ে আসছে। অনেক দিন হলো, বাংলাদেশ দলে টাঙ্গাইলের কোন ক্রিকেটার নেই। রিজান সেই শূন্য স্থান পূরণে সক্ষম হবে। ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে রিজানকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. মার্চ ২০২১ ০৩:০৪:এএম ৫ বছর আগে
ইতিহাসের মূল নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানঃঃকৃষি মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক - Ekotar Kantho

ইতিহাসের মূল নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানঃঃকৃষি মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক

 একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি ক্ষুদ্র জায়গায় রয়েছেন বলে মন্তব্য করে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেছিলেন; এটি ইতিহাসে সেভাবেই থাকবে। তিনি যুদ্ধের নির্দেশক বা পরিচালক কিছুই ছিলেন না। একটি  সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন, এই টুকুই তার পরিচয়। ইতিহাসের মূল নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।’

মন্ত্রী বলেন- ‘জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগের নেতাদের অনুরোধে স্বাধীনতাপত্রটি প্রথমে নিজের নামে, পরে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে পাঠ করেন। তখন সবাই মনে করেছিলেন একজন সামরিক বাহিনীর লোক দিয়ে ঘোষণাপত্রটি পাঠ করালে গুরুত্ব বাড়ে। এ জন্য কৌশলগত কারণে তাকে দিয়ে ঘোষণাপত্রটি পাঠ করানো হয়। যতই বলা হোক, ইতিহাসে স্বাধীনতার ঘোষক বা মূল নেতা হিসেবে তিনি স্থান পাবেন না।’

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘যারা পাকিস্তানে উচ্ছিষ্টভোগী ছিল, পা চাটা কুকুর ছিল, যারা পাকিস্তানের সহায়ক হিসেবে কাজ করেছে, তারাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করতে চায়। কিন্তু সত্য উদঘাটন হয়েছে। আমাদের এ প্রজন্মও এখন মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানে। মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

তিনি আরও বলেন- ‘১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, পরবর্তীতে ৫৪’র নির্বাচন, ৬২’র স্বৈরাচারী আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬’র স্বায়ত্বশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলনের মাধ্যমে ৬ দফা আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০’র নির্বাচন ও ৭১’র মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।’

সোমবার (৮ মার্চ) বিকালে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানেকৃষি মন্ত্রী ড. রাজ্জাক এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক,সাংসদ আলহাজ ছানোয়ার হোসেন, আতাউর রহমান খান, ছোট মনির, হাছান ইমাম সোহেল হাজারী, আহসানুল ইসলাম টিটু সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি খ. মমতা হেনা লাভলী ,জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. মার্চ ২০২১ ০২:২৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মালবাহী লরি থেকে বিপুল পরিমান  গাঁজা উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মালবাহী লরি থেকে বিপুল পরিমান গাঁজা উদ্ধার

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মালবাহী একটি লরি থেকে ৭৪ কেজি গাঁজাসহ দুইজনকে আটক করেছে র‌্যাব-৩ এর সদস্যরা। ৭৪ কেজি গাঁজার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৯ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

শনিবার (৬ মার্চ) ভোর ৬টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গোড়াই ইউনিয়নের জোরপুকুর এলাকা থেকে ৭৪ কেজি গাঁজা, একটি মালবাহী লরি  এবং ড্রাইভার ও হেলপারকে আটক করে র‌্যাব-৩।

আটককৃতরা হলেন, কুমিলা থানার উলুরচর গ্রামের মৃত বশরত এর ছেলে মো. জামাল (৩৬)  এবং একই থানার তারাপুর গ্রামের এসহাক মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন (৩৫) বলে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, গ্যাসের চুলার সরঞ্জাম নিয়ে ঢাকা থেকে রাজশাহী গামী একটি লরি (চট্ট মেট্রো ঢ-৮১২২৭৫) গ্যাসের চুলার  সরঞ্জামের সাথে বিপুল পরিমাণ গাঁজা নেয়া হচ্ছে। এমন  গোপন তথ্য পেয়ে মহাসড়কের জোরপুকুর এলাকায় অবস্থান নেয় র‌্যাব-৩ এর সদস্যরা। পরবর্তীতে ওই লরি থেকে ৭৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করতে সক্ষম হয় তারা। সেই সাথে লরি, ড্রাইভার ও হেলপারকে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ( ওসি) মোহাম্মদ রিজাউল হক বলেন, এ ঘটনায় আটককতৃদের বিরুদ্ধে থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. মার্চ ২০২১ ০১:০২:এএম ৫ বছর আগে
প্রতিবন্ধী হয়েও জীবন সংগ্রামে থেমে নেই নয়ন - Ekotar Kantho

প্রতিবন্ধী হয়েও জীবন সংগ্রামে থেমে নেই নয়ন

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ প্রতিবন্ধী হয়েও জীবন সংগ্রামে থেমে নেই টাঙ্গাইলের বাসাইল কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের জিকাতলী পাড়া গ্রামের বাক প্রতিবন্ধী নয়ন (৩২)। নয়ন প্রতিবন্ধী ভাতা পেলেও তার উপর ভরসা না করে চা বিক্রি  করেন।২০১০  সাল থেকে চা বিক্রেতা হিসেবে কাজ শুরু করেন।
চা বিক্রেতা হিসেবে নয়ন একজন  সুপরিচিত মুখ।বাকপ্রতিবন্ধী হয়েও থেমে নেই তার কর্মজীবন।সংসারে একমাত্র উপার্জনকারী সে। কাজের মাঝেই তার পরম আনন্দ।
বাক প্রতিবন্ধী সাজেদুল ইসলাম নয়ন।ভাগ্যের নির্মমপরিহাসে বাক প্রতিবন্ধী হিসেবেই তার জম্ম।সে মনের ভাবটুকু দশজনের মত প্রকাশ করতে পারেনা।এরপরও নিজেকে খাট করে দেখেনা। দুই ভাই বোনের মধ্যে নয়ন ছোট।নয়ন স্পষ্টভাবে কথা বলতে না পারলেও ইশারায় ইঙ্গিতে কথা বলে।
সে বাকহীন হলেও তার কোন দুঃখ নেই বলতে থাকে সবই আল্লাহর ইচ্ছা।নয়নের বাবা লাল মাহমুদ কৃষি কাজ করেন  আর মা গৃহিনী । তার ছোট সংসারে এক ছেলে এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। মেয়ে তানজিনা আক্তার তুন্নি(৬)  রাশড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে পড়ে  আর ছেলে তায়েম আলী (৩) বছর। বর্তমানে সে চা বিক্রেতা হিসেবে  নিজেকে একজন কর্মমুখী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছে।
নয়ন নিজ এলাকায় ভাল একজন চা বিক্রেতা হিসেবে পরিচিত। তার চা খেতে দূর-দূরন্ত থেকে লোক আসে। এলাকায় তার রয়েছে ব্যাপক সুনাম। সবার কাছে খুবই আদরের নয়ন।সে টাঙ্গাইলের বাসাইল সদর ইউনিয়নের রাশড়া করিম বাজারে চায়ের দোকান করে।
রাশড়া করিম বাজারের ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বলেন, নয়নের দোকানে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসে চা খেতে।সবাই নয়নের প্রশংসা করে। আমরাও নয়নকে আদর করি। সে বাক প্রতিবন্ধী হয়েও নিজের সংসারের দায়িত্ব নিয়েছে।
বাসাইল মনি ক্লিনিকের পরিচালক মো: সাইদুল ইসলাম দিপু বলেন, নয়নের হাতের বানানো চা খেতে বাসাইল  থেকে রাশড়া করিম বাজারে প্রায় আসি।বাকপ্রতিবন্ধী হয়েও যে কারোও কাছে হাত না পেতেও নিজে ভালো মতো চলা যায় নয়ন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই তার হাতের বানানো চা খেতে আসে।
কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন-অর- রশীদ খান বলেন,প্রতিবন্ধী হয়েও যে নিজের কর্ম-দক্ষতায় নিজের পুরো সংসারের খরচ বহন করছে চায়ের দোকান করে।এটা সমাজের জন্য গৌরবের।নয়নকে দেখে আরো অনেক মানুষ আছে স্বাবলম্বী হতে পারে।শারীরিক বা বাকপ্রতিবন্ধী যাদের দোকান আছে তাদের যদি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।তাহলে তাদের দোকান গুলো উন্নত করতে পারবে।শারীরিক বা বাক প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থানের আওতায় আনলে এবং দোকান করার জন্য আর্থিক সহায়তা দিলে দোকান করে নিজেদের সংসারের খরচ বহন করতে পারবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মার্চ ২০২১ ০৩:৪৯:এএম ৫ বছর আগে
“গারো রাজা” পরেশ চন্দ্র মৃ এর ২৩ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত - Ekotar Kantho

“গারো রাজা” পরেশ চন্দ্র মৃ এর ২৩ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

 
 একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরের চুনিয়া গ্রামে পিতা রায়চান নকরেক এবং মাতা দেঙা মৃ-এর কোলে ১৯২৯ খ্রীষ্টাব্দে পরেশ চন্দ্র মৃ এর শুভ আগমন ঘটে। মধুপুরের আদিবাসীদের বর্তমান ও ভবিষৎ প্রজন্মের চেতনাতে জাগ্রত করে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর সীমাহীন অবদানের জন্য এলাকাবাসী এই কিংবদন্তি মহাপুরুষ পরেশ চন্দ্র মৃ-কে আবিমানি “গারো রাজা” উপাধি প্রদান করেন।
 রবিবার (৭ ই মার্চ) স্বর্গীয় আবিমানি গারো রাজা পরেশ চন্দ্র মৃ ২৩ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের আয়োজনে  স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
এই অনুষ্ঠানে জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ইউজিন নকরেক এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মিঃ অজয় এ মৃ ( সহ সভাপতি বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম), মিঃ রিচার্ড বিপ্লব সিমসাং ( সিনিয়র সহ সভাপতি, জয়েনশাহী) ফাদার লরেন্স রিবেরিও সি.এস.সি ( পাল পৌরহিত পীরগাছা ধর্মপল্লী, জন জেত্রা ( সভাপতি, বাগাছাস, কেন্দ্রীয় কমিটি), মিঃ এপ্রিল পৌল মৃ ( প্রধান শিক্ষক, ভূটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়), মিঃ অরুন এ মৃ (প্রধান শিক্ষক, পীরগাছা সেন্ট পৌলস হাইস্কুল) মিঃ গৌরাঙ্গ বর্মন ( সাধারণ সম্পাদক, কোচ আদিবাসী সংগঠন, মধুপুর শাখা) মিঃ নিউটন মাজি ( সভাপতি, বাগাছাস মধুপুর শাখা) পরিবারের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মুকুল দারু সঞ্চলনা করেন মিঠুন হাগিদক ( সভাপতি, আজিয়া)।
স্মরণসভা, প্রার্থনা ও আলোচনার মাধ্যমে পালিত হলো আ.বিমানি গারো রাজা ও জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা অবিসংবাদিত নেতা স্বর্গীয় পরেশ চন্দ্র মৃ এর ২৩ তম মৃত্যু বার্ষিকী। মৃত্যুবার্ষিকীতে বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও স্মরণ  করেন। তিনি ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দের ৭ মার্চ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৬২ সনে প্রথমে শুধু চুনিয়া গ্রামের আদিবাসী পরিবার উচ্ছেদের পায়তারা করেছিল। পরেশ বাবুর নেতৃত্বে আদিবাসীদের প্রতিবাদ জোড়ালো হওয়ায় তারা এই নেতাকে পার্কের নির্ধারিত এলাকার বাইরে বা টাঙ্গাইল শহরে রাজকীয় বাড়ী অথবা ক্ষতিপূরণবাবদ তাঁর চাহিদা অনুসারে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরেশ চন্দ্র মৃ জাতির অস্থিত্বকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সকল প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে উলটো জনগণকে সংগঠিত করতে থাকেন। তিনি তখনই ঘোষণা দেন, “এই গ্রাম এবং এই বন ছেড়ে আমরা কোথাও যাবো না। আমরা বনের সন্তান, বন ছাড়া আমরা বাঁচতে পারবো না”।
এছাড়াও ১৯৬৭ সালে তখনকার পূর্ব পাকিস্তানের গর্ভনর মোনায়েম খাঁনের আদিবাসীদের উচ্ছেদ এবং পুনর্বাসনের ঘোষনা, ১৯৬৮ সনে পুনরায় চুনিয়া গ্রাম উচ্ছেদ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের নোটিশ করা হয়েছিল। ১৯৭২ সনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর  মন্ত্রীপরিষদ নিয়ে সদ্য স্বাধীনতা প্রাপ্ত বাংলাদেশের সংবিধান রচনা করার উদ্দেশে দোখলায় আসেন। তখনও শেখ মুজিব নিজেই ঘোষনা দিয়েছিলেন  আদিবাসী গ্রাম উচ্ছেদ হবেনা বলে।
অবশেষে ১৯৮০ সালে জিয়ার সামরিক শাসন আমলে সামরিক আইন অনুযায়ী আবার উচ্ছেদের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সবক্ষেত্রেই দৃঢ় মনোবলের অধিকারী বাবু পরেশ চন্দ্র মৃ এলাকার লোকজনদের সংগঠিত করে সরকারের বিভিন্ন দফতরে প্রতিবাদ লিপি পেশ করে সৎসাহস দেখিয়েছেন, সফল হয়েছেন। একারণেই তিনি গারো নেতা, একারণেই তিনি আবিমানি ‘গারো রাজা’।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মার্চ ২০২১ ০৩:০৭:এএম ৫ বছর আগে
নাগরপুরে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত - Ekotar Kantho

নাগরপুরে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ উপজেলা প্রশাসন, আওয়ামী লীগ ও পুলিশ বাহিনী সহ বিভিন্ন সংগঠনের নানাবিধ কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে রবিবার(৭মার্চ) দিনব্যাপী টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পনের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু করে প্রতিটি সংগঠন। সকালে উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত-ই-জাহানের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা জি এম ফুয়াদের সঞ্চালনায় ৭ই মার্চের তাৎপর্য নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় ৭ই মার্চের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারিন মসরুর, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো.হুমায়ুন কবীর, ছামিনা বেগম শিপ্রা, নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.আনিসুর রহমান প্রমূখ।
পরে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত ভাষন প্রতিযোগীতা, কবিতা আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে অংশ নেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো.কুদরত আলী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আব্দুল আলীম দুলাল, নাজমুল হক তপন, আব্দুস সবুর, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীদুল ইসলাম অপু, জাহিদুল ইসলাম ও শেখ শামসুল হক প্রমূখ।

অন্যদিকে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামান্য ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করায় দেশের প্রতিটি থানার ন্যায় নাগরপুর থানা পুলিশ বিকেলে থানা কমপ্লেক্স ভবনে এক আনন্দ উৎসবের আয়োজন করে। এ সময় কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মার্চ ২০২১ ০৩:৩২:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।