একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ দেশের সকল প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবীতে টাঙ্গাইলে শিক্ষক-কর্মচারীদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫মার্চ) সকালে পুরাতন আদালত সংলগ্ন টাঙ্গাইল হাইকেয়ার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় ।
টাঙ্গাইল হাইকেয়ার( বধির ) স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সদস্য সচিব ইসরাত জাহানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, আইসড়া অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৌসুমি লিজা, প্রত্যাশা অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নাজমা পারভীন ,সলিমাবাদ কমরেড আসলামউদ্দিন অটিস্টিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: বাবুল হোসেন খান , জমিরউদ্দিন ফকির অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের সভাপতি মো: শহিদুজ্জামান প্রমুখ।
মতবিনিময় সভাটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল শাখার উপদেষ্টা মোঃ নূর আলম সিদ্দিকী।
মতবিনিময় সভায় টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলার প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষিকা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার বাথুলী সাদি গ্রামে রোববার(১৪ মার্চ) সকালে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই খুনের ঘটনা ঘটেছে। নিহত আব্দুল মজিদ(৩৩) উপজেলার ওই গ্রামের সেন্টু মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ ছোট ভাই শফিকুল ইসলামকে(৩১) আহত অবস্থায় আটক করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বাসাইল উপজেলার বাথুলী সাদি গ্রামের সেন্টু মিয়ার পাঁচ ছেলে দীর্ঘদিন ধরে কাপড় তৈরির ব্যবসা করছিলেন। ব্যবসার হিসাব নিয়ে সম্প্রতি তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এক পর্যায়ে তা পারিবারিক কলহে রূপ নেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রোববার সকালে তাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ছোট ভাই শফিকুল ইসলাম ছুরি দিয়ে তার বড় ভাই আব্দুল মজিদের বুকে আঘাত করেন। গুরুতর আহতাবস্থায় স্বজনরা আব্দুল মজিদকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. হারুনুর রশিদ বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। হত্যার ঘটনায় তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির অধীনস্থ কল্যাণ তহবিলের সভাপতির বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা নানা অনিয়ম দুর্নীতি অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৩৭ জন শিক্ষকের নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।
শনিবার(১৩ মার্চ) দুপুরে সখীপুর-সাগরদিঘী সড়কের উপজেলার কচুয়া বাজার চৌরাস্তা মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ছয় শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী অংশ নেন। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত তুলা মিয়াকে তহবিলের সভাপতির পদ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত তুলা মিয়া উপজেলার কচুয়া পাবলিক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
সমাবেশে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম হোসেন, কাইয়ুম হুসাইন, মিজানুর রহমান, একে ফজলুল হক, মতিউর রহমান ভূঁইয়া, ফরমান আলী, আতিকুল হক ছমির, লাল মিয়া, বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহ মিয়া এবং টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের সদস্য গোলাম কিবরিয়া বাদল প্রমুখ বক্তব্য দেন।
সমাবেশে উপস্থিত শিক্ষকরা জানান, কল্যাণ তহবিলের সভাপতি মো. তুলা মিয়া (সংগঠনের কল্যাণ তহবিলের) ২৭ লাখ ৪৬ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করেছে। আগামী সাতদিনের মধ্যে এ টাকা পরিশোধ না করলে শিক্ষক-কর্মচারীরা কঠোর আন্দোলনে যাবেন।
তারা আরও বলেন, কচুয়া পাবলিক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তুলা মিয়া সমিতির কল্যাণ তহবিলের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার কাছে থাকা ওই তহবিলের প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা ফেরত না দেওয়ায় ওই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও তিনি উল্টো বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৩৭ জন শিক্ষকের নামে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। কল্যাণ তহবিলের সমুদয় কাগজপত্র, এফডিআর, রেজিস্টার, ব্যাংক চেকবই ফেরত দিচ্ছেন না। টাকা আত্মসাতের বিষয়ে সংগঠনের ৮ শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা আরও জানান, ইতোমধ্যে উপজেলার ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী অবসরে চলে গেছেন।
তুলা মিয়া ওই টাকা ও কাগজপত্র না দেওয়ায় অবসরে যাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের মাঝে কল্যাণ তহবিলের প্রাপ্ত টাকা বিতরণও করা যাচ্ছেনা।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ “খেলাধুলায় বাড়ে বল মাদক ছেড়ে খেলতে চল” স্লোগানে মুজিব শতবর্ষ ব্যাডমিন্টন টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার(১২ মার্চ) রাতে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের দৌলতপুরে একুশে জাগরণ যুব সংঘ খেলাটির আয়োজন করে।
ফাইনালে টীম লায়নকে হারিয়ে টীম সোনার বাংলা বিজয়ী হয়। খেলায় মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে। এদিকে খেলা উপলক্ষ্যে এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করে।
ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক রতনের সভাপতিত্বে খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিহাতী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান মজনু। খেলাটির উদ্বোধন করেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম শফি।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাপলা যুব সংঘের সভাপতি আব্দুল মান্নান তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক চন্ডীচরণ তালুকদার, নারান্দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুস সামাদ, ইউনিয়ন যুব লীগের সভাপতি এ.কে ফজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমীর আলী, ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন ও শামসুল হক, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, নারান্দিয়া টিআরকেএন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক নির্জন কুমার ভৌমিক, নারান্দিয়া নির্মাণ প্রকৌশল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক মোজাম্মেল হাসান বাদল, ইব্রাহীম মিয়া, মাসুদ সরকার প্রমুখ। খেলা পরিচালনা করেন সরকারি শামসুল হক কলেজের ক্রীড়া শিক্ষক মাসুদ ভূইয়া। সার্বিক তত্বাবধায়নে ছিলেন- ক্লাবের আহ্বায়ক কৌশিক আহমেদ, সদস্য সচিব ইয়ামীন মিয়া এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মাঈন উদ্দিন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ বাংলাদেশ অনুর্দ্ধ-১৭ জাতীয় ক্রিকেট দলে ডাক পেয়েছে টাঙ্গাইল ক্রিকেটের বিস্ময় বালক ডান হাতি ব্যাটিং অলরাউন্ডার রিজান হোসেন (১৫)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান।
জানা গেছে, গত ২ মার্চ (মঙ্গলবার) বাংলদেশ ক্রিকেট বোর্ড অনুর্দ্ধ-১৭ জাতীয় ক্রিকেট দল গঠনের জন্য ৩০ জন ক্রিকেটারের প্রাথমিক নামের তালিকা তাদের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করে। সেই তালিকায় নাম রয়েছে রিজান হোসেনের।
গত ১০ মার্চ (বুধবার) মিরপুরে অবস্থিত ক্রীড়া পল্লীতে রিজানের করোনা পরীক্ষা করা হয়। করোনা ফলাফল নেগেটিভ হওয়ায় রিজান এখন বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)তে বাংলাদেশ অনুর্দ্ধ-১৭ দলের প্রধান কোচ মিজানুর রহমান বাবলুর তত্বাবধানে দশ দিনের নিবিড় প্রশিক্ষনে রয়েছে।
টাঙ্গাইলে এই কিশোর ক্রিকেটার রিজান হোসেন ইতিপূর্বে বাংলাদেশ জাতীয় অনুর্দ্ধ-১৫ ক্রিকেট দলের হয়ে খেলে টাঙ্গাইল জেলার সুনাম কুড়িয়ে এনেছে। এবার অনুর্দ্ধ-১৭ দলে ডাক পেলেন তিনি ।
টাঙ্গাইল বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটে অতিপরিচিত মুখ রিজান হোসেন টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৬ দলের অধিনায়ক হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়ও টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৪ দলের অধিনায়ক হিসেবেও সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
গত ৯ মার্চ (মঙ্গলবার) শুরু হওয়া বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে রিজানকে সিটি ক্লাব নিলামে ৪১ হাজার টাকায় দলে ভিড়িয়েছে। প্রিমিয়ার লীগে এই টাকাই তৃতীয় সর্বোচ্চ দর এবং কিশোর ক্রিকেটারদের মধ্যে রিজানের দাম সবোর্চ্চ উঠেছে।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ ও বিপিএল খেলা টাঙ্গাইলের কৃতি ক্রিকেটার নাজমুল হোসেন মিলন(ছক্কা মিলন) বলেন, রিজান অত্যন্ত প্রতিভাবান ক্রিকেটার। তারা যখন ক্রিকেট খেলেছেন, টাঙ্গাইলে ক্রিকেট প্রশিক্ষনের সুযোগ ছিল অত্যন্ত সীমিত। এখন অনেক ধরনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। সঠিক ভাবে প্রশিক্ষন পেলে টাঙ্গাইল থেকে আরো অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার বের হয়ে আসবে।তিনি রিজানের সাফল্য কামনা করেন।
বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান জানান, রিজানের সবচেয়ে বড় শক্তিশালী দিক হল পরিস্থিতি বুঝে ক্রিকেট খেলে । শারীরিক সামর্থ্যও অনেক। তার দৃঢ বিশ্বাস সঠিক ভাবে প্রশিক্ষন নিলে রিজান ভবিষ্যতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে খেলার সামর্থ্য রাখে রিজান ।
ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক ও ক্রিকেট সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাংলাদেশ জাতীয় দলে ক্রিকেটার তৈরি হয়ে আসছে। অনেক দিন হলো, বাংলাদেশ দলে টাঙ্গাইলের কোন ক্রিকেটার নেই। রিজান সেই শূন্য স্থান পূরণে সক্ষম হবে। ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে রিজানকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি ক্ষুদ্র জায়গায় রয়েছেন বলে মন্তব্য করে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেছিলেন; এটি ইতিহাসে সেভাবেই থাকবে। তিনি যুদ্ধের নির্দেশক বা পরিচালক কিছুই ছিলেন না। একটি সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন, এই টুকুই তার পরিচয়। ইতিহাসের মূল নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।’
মন্ত্রী বলেন- ‘জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগের নেতাদের অনুরোধে স্বাধীনতাপত্রটি প্রথমে নিজের নামে, পরে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে পাঠ করেন। তখন সবাই মনে করেছিলেন একজন সামরিক বাহিনীর লোক দিয়ে ঘোষণাপত্রটি পাঠ করালে গুরুত্ব বাড়ে। এ জন্য কৌশলগত কারণে তাকে দিয়ে ঘোষণাপত্রটি পাঠ করানো হয়। যতই বলা হোক, ইতিহাসে স্বাধীনতার ঘোষক বা মূল নেতা হিসেবে তিনি স্থান পাবেন না।’
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘যারা পাকিস্তানে উচ্ছিষ্টভোগী ছিল, পা চাটা কুকুর ছিল, যারা পাকিস্তানের সহায়ক হিসেবে কাজ করেছে, তারাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করতে চায়। কিন্তু সত্য উদঘাটন হয়েছে। আমাদের এ প্রজন্মও এখন মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানে। মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
তিনি আরও বলেন- ‘১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, পরবর্তীতে ৫৪’র নির্বাচন, ৬২’র স্বৈরাচারী আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬’র স্বায়ত্বশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলনের মাধ্যমে ৬ দফা আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০’র নির্বাচন ও ৭১’র মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।’
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মালবাহী একটি লরি থেকে ৭৪ কেজি গাঁজাসহ দুইজনকে আটক করেছে র্যাব-৩ এর সদস্যরা। ৭৪ কেজি গাঁজার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৯ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
শনিবার (৬ মার্চ) ভোর ৬টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গোড়াই ইউনিয়নের জোরপুকুর এলাকা থেকে ৭৪ কেজি গাঁজা, একটি মালবাহী লরি এবং ড্রাইভার ও হেলপারকে আটক করে র্যাব-৩।
আটককৃতরা হলেন, কুমিলা থানার উলুরচর গ্রামের মৃত বশরত এর ছেলে মো. জামাল (৩৬) এবং একই থানার তারাপুর গ্রামের এসহাক মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন (৩৫) বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, গ্যাসের চুলার সরঞ্জাম নিয়ে ঢাকা থেকে রাজশাহী গামী একটি লরি (চট্ট মেট্রো ঢ-৮১২২৭৫) গ্যাসের চুলার সরঞ্জামের সাথে বিপুল পরিমাণ গাঁজা নেয়া হচ্ছে। এমন গোপন তথ্য পেয়ে মহাসড়কের জোরপুকুর এলাকায় অবস্থান নেয় র্যাব-৩ এর সদস্যরা। পরবর্তীতে ওই লরি থেকে ৭৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করতে সক্ষম হয় তারা। সেই সাথে লরি, ড্রাইভার ও হেলপারকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ( ওসি) মোহাম্মদ রিজাউল হক বলেন, এ ঘটনায় আটককতৃদের বিরুদ্ধে থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ উপজেলা প্রশাসন, আওয়ামী লীগ ও পুলিশ বাহিনী সহ বিভিন্ন সংগঠনের নানাবিধ কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে রবিবার(৭মার্চ) দিনব্যাপী টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পনের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু করে প্রতিটি সংগঠন। সকালে উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত-ই-জাহানের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা জি এম ফুয়াদের সঞ্চালনায় ৭ই মার্চের তাৎপর্য নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় ৭ই মার্চের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারিন মসরুর, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো.হুমায়ুন কবীর, ছামিনা বেগম শিপ্রা, নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.আনিসুর রহমান প্রমূখ।
পরে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত ভাষন প্রতিযোগীতা, কবিতা আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে অংশ নেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো.কুদরত আলী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আব্দুল আলীম দুলাল, নাজমুল হক তপন, আব্দুস সবুর, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীদুল ইসলাম অপু, জাহিদুল ইসলাম ও শেখ শামসুল হক প্রমূখ।
অন্যদিকে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামান্য ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করায় দেশের প্রতিটি থানার ন্যায় নাগরপুর থানা পুলিশ বিকেলে থানা কমপ্লেক্স ভবনে এক আনন্দ উৎসবের আয়োজন করে। এ সময় কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন।