মোঃ আরমান কবীর সৈকত (সম্পাদক)

টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যদায় পুলিশ মেমোরিয়াল ডে পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যদায় পুলিশ মেমোরিয়াল ডে পালিত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যদায় পুলিশ মেমোরিয়াল ডে পালন করা হয়েছে। সোমবার (১ মার্চ) সকালে জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে দায়িত্ব পালন কালে আত্ম-উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের সম্মানে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পন ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

পরে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেড মিলনায়তনে আয়োজিত স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক।

আয়োজিত স্মরণ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল-সদর(৫) আসনের সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমাড্যান্ট ডিআইজি মো. ময়নুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি আ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম।

এ সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দায়িত্ব পালনকালে আত্ম-উৎর্সকারী টাঙ্গাইলের ৭৯ পুলিশ সদস্যের পরিবারকে সম্মাননা, ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয় ।এদের মধ্যে গত বছর দায়িত্ব পালনকালে আত্ম-উৎর্সকারী আট পুলিশ সদস্যের পরিবারকে আইজিপি’র পক্ষ থেকে নগদ ৫০ হাজার করে টাকা, ক্রেস্ট, সম্মাননা স্মারকসহ উপহার সামগ্রী দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মার্চ ২০২১ ০৩:৫২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চুরি মামলায় ইউপি সদস্য জেল হাজতে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চুরি মামলায় ইউপি সদস্য জেল হাজতে

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আব্দুল হাই নামে এক ইউপি সদস্যকে চুরি মামলায় জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত। সোমবার(১ মার্চ) চুরি মামলায় হাজিরা দিতে গেলে আদালতের বিচারক সুমন কুমার কর্মকার তাকে জেলহাজতে পাঠান। বাদী পক্ষের আইনজীবী গোলাম মোস্তফা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্ত আব্দুল হাই উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, আব্দুল হাই প্রায় ৬ মাস পূর্বে তরফপুর গ্রামের প্রবাসী জলিল দেওয়ানের বাড়িতে শিদ কেটে স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে পালানোর সময় গৃহকর্তৃ নুরজাহান দেখে ফেলেন। গ্রাম্য শালিসে চুরির বিষয়টি প্রমানিত হলেও স্বর্ণালঙ্কার ফেরত দেয়নি তিনি। পরে নুরজাহান বাদী হয়ে টাঙ্গাইল আদালতে মামলা করেন।

আদালত এই চুরির মামলাটি মির্জাপুর থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন। মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) একরামুল তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

সোমবার ইউপি সদস্য আব্দুল হাই টাঙ্গাইল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমন কুমার কর্মকারের আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মার্চ ২০২১ ০২:২৫:এএম ৫ বছর আগে
মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি ঘর ভাঙচুরের প্রতিবাদে ভূঞাপুরে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি ঘর ভাঙচুরের প্রতিবাদে ভূঞাপুরে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠ ডেস্ক: চাঁদা না দেয়ায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি ঘর ভাঙচুরের ঘটনায় টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে মুক্তিযোদ্ধারা। সোমবার (১ মার্চ) দুপুরে ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে মুক্তিযোদ্ধাদের আয়োজনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।

পরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে সাংবাদিক সম্মেলন করেন মুক্তিযোদ্ধা ইকরাম উদ্দিন তারা মৃধা।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ইকরাম উদ্দিন তারা মৃধা লিখিত অভিযোগে বলেন, পার্শ্ববর্তি ঘাটাইল উপজেলার গৌরাঙ্গী গ্রামে ক্রয়কৃত বাড়ি ও জমিজমা পাহাড়া দেয়ার জন্য কেয়ার টেকার রয়েছে।

সম্প্রতি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারমান কাজী আরজু মৌখিকভাবে ও মোবাইলে আমার কাছে চাঁদা দাবী করে আসছিল। পরে চাঁদার টাকা না দেয়ায় ভাইস চেয়ারম্যানের নির্দেশে তার লোকজন বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়ি ঘর ভাঙচুর ও কেয়ার টেকারের স্ত্রী আসমা বেগমকে মারধর করে নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। পরে এঘটনায় জেলা প্রশাসক ও ঘাটাইল থানা বরাবর আবেদন করেছি।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার আজিজুল হক আজিজ, গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ খানসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারা।

অভিযোগ অস্বীকার করে ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কাজী আরজু জানান, ওই মুক্তিযোদ্ধা অন্যের জমি দখল করে আছেন। যার জমি দখল করে আছেন তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর তার জমি দখলমুক্ত করতে আবেদন করেছেন। উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে আমাকে জড়ানো হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মার্চ ২০২১ ০২:৩৫:এএম ৫ বছর আগে
মোটরসাইকেল চোর সন্দেহে সখীপুরে ৩ জনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোর্পদ - Ekotar Kantho

মোটরসাইকেল চোর সন্দেহে সখীপুরে ৩ জনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোর্পদ

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেল চোর সন্দেহে তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে স্থানীয়রা।  সোমবার (১ মার্চ) দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদের সামনে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো- উপজেলার কাহারতা রামখাঁ গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে রবিন আহমেদ (২৫), কালিহাতী উপজেলার সরিষাআটা গ্রামের সাত্তার মিয়ার ছেলে শাকিল হাসান (২০) এবং একই এলাকার লিটন হোসেনের ছেলে মনির হোসেন (২২)

মোটরসাইকেল মালিক লালন সিদ্দিকী বলেন, উপজেলা পরিষদের সামনে মোটরসাইকেল রেখে বীমা দিবসের অনুষ্ঠানে যাই। অনুষ্ঠান শেষে দেখি ওরা আমার মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের আটক করি।

আটকের সময় উল্টো তারাই আমাকে মারধরের চেষ্টা করে। স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে ওই তিনজনকে গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফয়সাল আহমেদ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আটককৃতরা ঘটনার সাথে জড়িত থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মার্চ ২০২১ ০১:০২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিক্ষোভ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিক্ষোভ

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ কারাবন্দী লেখক মুশতাক হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদল ।

সোমবার (১ মার্চ) সকালে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের পুরাতন বাসট্যান্ডে ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা সমবেত হয়। পরে ছাত্রদলের একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের গুরুত্ব পূর্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে বিশ্বাস বেতকা গো-ডাউন বাজারের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে সংক্ষিত বক্তব্য রাখেন, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সালে মোহাম্মদ সাফি ইথেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মোস্তফা কামাল, সহ-সম্পাদক হাফিজুর রহমান তুহিন, সদর থানা ছাত্রদলের সভাপতি আজিম উদ্দিন বিপ্লব, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাত কবির সুমন প্রমুখ ।

প্রসঙ্গত, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাবন্দী লেখক মুশতাক আহমেদকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি প্রিজন সেলে বন্ধি ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. মার্চ ২০২১ ০৯:৩০:পিএম ৫ বছর আগে
বিটরুটের জুস প্রতিদিন কেন খাবেন - Ekotar Kantho

বিটরুটের জুস প্রতিদিন কেন খাবেন

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ বিটকে বলা হয়ে থাকে পুষ্টিকর ফল। বিটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান রয়েছে; যা আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী। বিটে জিংক, আয়রন, আয়োডিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, নাইট্রেট, ফোলেট, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-৬সহ প্রচুর পরিমাণে আঁশ রয়েছে। প্রতিদিন বিটের জুস খাবার তালিকায় রাখলে কী কী উপকার পাওয়া যাবে, চলুন জেনে নেয়া যাক-

 

শরীরের রক্তস্বল্পতা কমাতে নিয়মিত ১ গ্লাস বিটের জুস খেতে পারেন। এতে বিদ্যমান আয়রন হিমোগ্লোবিন ও লোহিত রক্তকণিকা বাড়াতে সাহায্য করে। খাওয়ার সময় জুসের সঙ্গে লেবুর রস যোগ করে নিতে পারেন। লেবুতে বিদ্যমান ভিটামিন সি-সহ শরীরে আয়রন শোষণ করে।
গর্ভাবস্থায় নিয়মিত বিটের জুস খাওয়া যেতে পারে। বিটে বিদ্যামান ফোলেট গর্ভস্থ শিশুর জন্মগত  বিভিন্ন ত্রুটি প্রতিরোধ করে।

 

যারা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন তারা সকালে কিংবা বিকালে নাস্তায় বিটের জুস খেতে পারেন। এতে বিদ্যমান পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং নাইট্রেট মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে তোলে। লো ফ্যাট থাকায় ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

 

বিটে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় তা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বেশি তারা নিয়মিত বিটের জুস খেতে পারেন। এতে বিদ্যামান ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট রক্তে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। বিটেইন থাকায় যকৃতে চর্বি জমতে দেয় না। খুব সহজেই বডিকে ডিটক্সিফাই করে।

 

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে এবং চেহারায় বার্ধক্যের ছাপ কমাতে প্রতিদিন বিট ও গাজর দিয়ে বানানো জুস  খেতে পারেন।

সংবাদ সূত্র- যুগান্তর আনলাইন নিউজ পোর্টাল

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. ফেব্রুয়ারী ২০২১ ০৪:২৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগের খেলোয়াড় নিলাম অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগের খেলোয়াড় নিলাম অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে আগামী ৫ মার্চ (শুক্রবার) শুরু হতে যাওয়া বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে অংশ গ্রহনকারী ১০টি ক্লাবের দল গঠনে উদ্দেশ্য ক্রিকেটারদের নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(২৭ ফেব্রয়ারী) সকালে টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম অডিটোরিয়ামে এই নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।

 

জমজমাট এই নিলামে সর্বোচ্চ দাম উঠেছে অলরাউন্ডার নাজমুল হোসেন মিলনের( ছক্কা মিলন)।মিলনকে ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব ৬৫ হাজার টাকায় দল ভূক্ত করেন।

 

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের টাঙ্গাইলের তারকা ক্রিকেটার মেহেদী মারুফকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকায় দলে টানে মারুফ স্মৃতি ক্লাব(করটিয়া)।

তৃতীয় সর্বোচ্চ দাম উঠেছে বাংলাদেশ অনুর্দ্ধ-১৫ দলের হয়ে খেলা রিজান হোসেনের। রিজানকে ৪১ হাজার টাকায় দলভূক্ত করেছে সিটি ক্লাব।

 

টাঙ্গাইলে আরেক তারকা ক্রিকেটার জয়রাজ শেখ ইমনকে ২৫ হাজার টাকায় ইষ্টার্ন স্পোর্টিং ক্লাব (থানা পাড়া) দল ভূক্ত করে।
এছাড়া ২৪ হাজার টাকায় আরেক ক্রিকেটার রাফসান জানীকে থানাপাড়া স্পোর্টি ক্লাব দলভূক্ত করে ।

 

এ ছাড়া মারুফ স্মৃতি ক্লাব ক্রিকেটার সাজিকে ৩২ হাজার টাকায়, থানাপাড়া ক্লাব ক্রিকেটার শাহীনকে ৩১ হাজার টাকায়, স্কয়ার ক্লাব ক্রিকেটার রজিনকে ৪০ হাজার টাকায় , ইস্টার্ন স্পোটিং ক্লাব আদনানকে ২৪ হাজার টাকায়, থানাপাড়া ক্লাব ইমতিয়াজকে ৩১ হাজার টাকায় কিনে নিয়েছে। এ ছাড়া থানাপাড়া ক্রিকেটার সানি ও মারুফ স্মৃতি সংঘ রানাকে ২০ হাজার টাকা দর হাকিয়ে কিনে নিয়েছে।

 

 

এবার দল গঠনে নিলামে সবোর্চ্চ খরচ করেছে থানাপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব। তাদের দল গঠন করতে গুনতে হয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এ ছাড়া মারুফ স্মৃতি ক্লাবের দল গঠন করতে খরচ ১ লাখ ৪৮হাজার টাকা। ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব খরচ করতে হয়েছে ১লাখ ৪৪ হাজার টাকা এবং থানাপাড়া ইষ্টার্ন স্পোটিং ক্লাবের খরচ হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।

 

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি আব্দুর রৌফ খানের সভাপতিত্বে খেলোয়াড় নিলামটি পরিচালনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সম্পাদক ও ক্রিকেট উপ-পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাতিনুজ্জামান খান সুখন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার অর্থ সম্পাদক আনিছুর রহমান আলো, সদস্য জহিরুল হক সম্রাট শামসুল হক শামসু, দৈনিক মজলুমেরকণ্ঠ পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টাল টি-নিউজের স্পোর্টস রিপোর্টার মোজাম্মেল হক, সাবেক ক্রিকেটার আব্দুর রহমান, জর্জ এবং রিপন সরকার। এসময় বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার লীগে অংশগ্রহনকারী ১০টি দলের র্কমকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

খেলোয়ার নিলামের পর বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে অংশগ্রহন করা ১০টি দলকে লটারীর মাধ্যমে খেলার ফিক্চার নির্ধারন করার জন্য “ক” ও “খ” দু’টি গ্রুপে ভাগ করা হয়॥

“ক”গ্রুপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কাপাপো ক্রীড়া চক্র,ইর্ষ্টান র্স্পোটিং ক্লাব, প্যাড়াডাইস পাড়া স্পোর্টিং ক্লাব, প্রগতিশীল স্বদেশী সংঘ ও টাঙ্গাইল ক্রিকেট ক্লাব।
“খ” গ্রুপে থানাপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব, ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব, সিটি ক্লাব, মারুফ স্মৃতি ক্লাব ও স্কয়ার ক্রিকেট ক্লাব রয়েছে।

 

উল্লেখ্য, আগামী ৫ মার্চ শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশনের প্রথম ম্যাচ মাঠে গড়াবে। ৫০ ওভারে, সাদা বল ও রঙ্গিন ড্রেসে ১০টি দল জাঁকজমক এই প্রিমিয়ারলীগে অংশ গ্রহন করবে।

 

অংশ গ্রহন কারী দল গুলো হচ্ছেঃ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন, কাপাপো ক্রীড়া চক্র,ইর্ষ্টান র্স্পোটিং ক্লাব, প্যাড়াডাইস পাড়া স্পোটিং ক্লাব, প্রগতিশীল স্বদেশী সংঘ ও টাঙ্গাইল ক্রিকেট ক্লাব। থানাপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব, ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব, সিটি ক্লাব, মারুফ স্মৃতি ক্লাব ও স্কয়ার ক্রিকেট ক্লাব রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. ফেব্রুয়ারী ২০২১ ০৩:৫৫:এএম ৫ বছর আগে
গোপালপুরে ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে নাসির খানের গণসংযোগ - Ekotar Kantho

গোপালপুরে ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে নাসির খানের গণসংযোগ

একতার কষ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে মো. মাসুদ খান নাসির চার বছর ধরে অবিরাম গণসংযোগ করছেন। তিনি হেমনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের দীর্ঘদিনের সাবেক সভাপতি মরহুম বীরমুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমান খানের ছেলে ও ইউনিয়ন আ’লীগের সদস্য।

হেমনগর ইউনিয়নের শাখারিয়া মহিলা আ’লীগের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন, ৬নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন, ৮নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল হক খান কিসলু, নলীন বাজারের ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম রুবেল, নারুচি গ্রামের মো. হাবিবুর রহমান, মো. পিন্টু মিয়া, বেলুয়া গ্রামের হাসিনুর বসনী, বানীপাড়া গ্রামের মো. নিরব হোসেন, নারুচী গ্রামের মো. আইয়ুব আলী, শিমলাপাড়া গ্রামের মোছা. আছিয়া খাতুন সহ অনেকেই জানান, মো. মাসুদ খান নাসির বিগত চার দলীয় জোট সরকারের সময় ব্যাপক হয়রানী ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার বাবা মরহুম মতিয়ার রহমান হেমনগর ইউনিয়নবাসীকে সব ধরণের সমস্যায় ছায়া দিয়ে আগলে রেখেছেন।

উত্তরাধিকার হিসেবে মো. মাসুদ খান নাসিরও বাবার অনুকরণে জনসেবা করে এলাকার মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। করোনাকালে তিনি ইউনিয়নের ১৯টি গ্রামের সাধারণ মানুষকে খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা দিয়ে সাহস দিয়েছেন। স্থানীয় মসজিদ, মাদ্রাসা, বিদ্যালয় ও মন্দিরে তিনি নিয়মিত আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকেন।

হেমনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আ’লীগের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিয়া, আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম রিন্টু সহ স্থানীয় আ’লীগের নেতাকর্মীরা জানান, গোপালপুর উপজেলা ৭১’র ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ খান নাসির একজন সৎ, পরোপকারী, সজ্জন ও প্রতিবাদী ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় পরিচিত।

স্থানীয় সালিশ-বিচারে মাতব্বরদের আর্থিক সুবিধা গ্রহনের তিনি ঘোর বিরোধী। হেমনগর ইউনিয়নের তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী ও জনপ্রিয় ব্যক্তি। আগামি ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দিতে একজন ত্যাগী ও তৃণমূলের নেতা হিসেবে মো. মাসুদ খান নাসিরকে আওয়ামীলীগের হাই কমান্ড বিবেচনা করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নলীন বাজার সিএনজি ও ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ খান নাসির জানান, তিনি পারিবারিকভাবে আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। ১৯৯০ সালে তিনি হেমনগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে রাজনীতিতে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেন। বাবার কাছ থেকে পাওয়া জনসেবাকে তিনি ব্রত হিসেবে গ্রহন করে এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। এলাকার সাধারণ মানুষের ব্যাপক আগ্রহে তিনি আসন্ন ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ফেব্রুয়ারী ২০২১ ০২:৪২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলের আদিবাসী গারোদের মাতৃভাষা ‘আচিক’ বিলুপ্ত প্রায় - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের আদিবাসী গারোদের মাতৃভাষা ‘আচিক’ বিলুপ্ত প্রায়

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের পাহাড়িয়াঞ্চল মধুপুর, ঘাটাইল ও সখীপুর এলাকার আদিবাসী গারো সম্প্রদায়ের মাতৃভাষা ‘আচিক’ কালের গর্ভে বিলুপ্ত প্রায়। আচিকের লেখ্য রূপ ইতোমধ্যে বিলুপ্ত ও গারোদের মুখে মুখে এ ভাষা অল্প বিস্তর টিকে আছে। মাতৃভাষা আচিক রক্ষার জন্য সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের দাবি জানিয়েছে আদিবাসী নেতারা। একই সাথে এ ভাষা রক্ষায় গারো শিশুদের মাতৃভাষায়(আচিক) প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা গ্রহনেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

মধুপুরের আদিবাসী গারোদের সাথে কথা বলে জানা যায়, একদা এতদাঞ্চলের গারো সম্প্রদায়ের মানুষ মাতৃভাষা ‘আচিক’ ভাষা ছাড়া অন্য কোন ভাষা জানতেন না বা ব্যবহার করতেন না। সময়ের বিবর্তণে জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে বা লেখাপড়া করতে প্রকৃতির সন্তান গারোরা আশপাশের বাঙালি প্রধান এলাকায় এসেছেন বা বাঙালিরা পাহাড়ে ব্যবসার জন্য তাদের কাছাকাছি গেছেন। আদিবাসী এলাকার বনভূমিতে বাঙালিরা বসতি স্থাপন করেছে। এভাবে এক সময় নিজ এলাকায়ই আদিবাসী গারোরা সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছে। এখন গারো শিক্ষার্থীদের স্কুলে বাংলা মাধ্যমেই লেখাপড়া করতে হয়। কর্মজীবনে অফিস-আদালতসহ সব কাজেই তাদের বাংলা ব্যবহার করতে হয়। ফলে তাদের মাতৃভাষার চর্চা কমে যায়।

জানা যায়, বাংলাদেশের টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, সিলেট, শেরপুর, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঢাকা ও গাজীপুর জেলায় গারো সম্প্রদায়ের বসবাস। এছাড়া ভারতের মেঘালয়, আসামের কামরূপ, গোয়ালপাড়া ও কারবি আংলং জেলায় গারোরা বসবাস করে থাকে।

আদিবসী গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অধিকাংশ গারোই তাদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন। গারোদের ভাষায় ‘মান্দি’ শব্দের অর্থ ‘মানুষ’। গারো ভাষা লাতিন লিপিতে লেখা হয়। গারোদের মাতৃভাষায় ‘আচিক’ শব্দের অর্থ ‘পাহাড়’।

আদিবাসী গারোদের বাসবাস সাধারণত পহাড়িয়াঞ্চলে। গোত্রভেদে গারোদের মধ্যে পৃথক পৃথক উপভাষার প্রচলন রযয়েছে। ‘আচিক’ উপভাষাটি বাংলাদেশের টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোণা এবং ভারতের মেঘালয় অঙ্গরাজ্যে বসবাসরত গারোদের ‘মাতৃভাষা’।
অন্যান্য উপভাষার মধ্যে রয়েছে- আবেং, আওয়ে, চিসাক, দাক্কা, গাঞ্চিং, কামরূপ, মাতচি।

এ ব-দ্বীপে আদিবাসী গারোদের মধ্যে ‘আবেং’ উপভাষাটিও প্রচলিত। এই উপভাষার সাথে কোচ ভাষার মিল রয়েছে। বাংলাদেশের গারোরা আবেং উপভাষায় কথা বললেও আচিক উপভাষায় লিখে থাকে।

আদিবাসী প্রবীণ নেতারা জানান, গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত। অতীতে গারোরা সবাই তাদের নিজস্ব ধর্ম পালন করত। তাদের আদি ধর্মের নাম ‘’সাংসারেক’। ১৮৬২ সালে এতদাঞ্চলের গারোরা খ্রিষ্টীয় ধর্ম গ্রহন করা শুরু করে। ধর্ম প্রচারে বন এলাকায় মিশনারীদের আগমনে বর্তমানে শতকরা ৯৮ ভাগ গারোরাই খ্রিষ্টীয় ধর্মাবলম্বী। খ্রিষ্টীয় ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার পর তাদের সামাজিক নিয়ম-কানুন ও আচার-অনুষ্ঠানে অনেক পরিবর্তন এসেছে এবং খ্রিষ্টীয় ধর্মের আচারাদির প্রভাব পড়েছে।

মধুপুরের আদিবাসী নেতাদের মতে, বাংলাদেশে প্রায় সোয়া লাখ গারো সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার মধুপুর গড়াঞ্চলে বসবাস করে। দুই বা তিন দশক আগেও গারোরা মাতৃ ভাষা ছাড়া অন্য কোন ভাষা জানত না। এখন মধুপুর গড়াঞ্চলের স্কুল পড়–য়া শিশুদের অধিকাংশই তাদের মাতৃভাষা ‘আচিক’ ভালভাবে জানেনা। কেউ কেউ নিজ বাড়িতে মা-বাবার মুখে শুনে এ ভাষা সম্পর্কে কিছুটা বুঝতে শিখলেও তারা আচিক ভাষায় অনর্গল উত্তর দিতে পারে না। বাংলা ও ইংরেজি ভাষার আধিক্যে তাদের মধ্যে ‘আচিক’ ভাষার চর্চাও কমে গেছে।

মধুপুরের আদিবাসী নেতা অজয় এ মৃ জানান, ‘আচিক’ ভাষার লিখিত কোন বর্ণমালা নেই। কথিত আছে- দুর্ভিক্ষপীড়িত তিব্বত অঞ্চল ত্যাগ করে গারোরা যখন ভারতীয় উপমহাদেশে আসছিলেন, তখন যার কাছে পশুর চামড়ায় লিখিত আচিক ভাষার পুঁথি-পুস্তকাদি ছিল, সেই ব্যক্তি পথে ক্ষুধার জ্বালা সহ্য করতে না পেরে সব পুঁথি-পুস্তক সেদ্ধ করে খেয়ে ফেলেন।

তিনি সম্পূর্ণ ব্যাপারটি গোপন রাখেন। এ উপমহাদেশে প্রবেশের পর নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা এবং স্থায়ী বাসযোগ্য স্থান নির্বাচনের জন্য দীর্ঘদিন প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে যুদ্ধবিগ্রহ করে অভিজ্ঞ গারোরা প্রাণ হারান। এ উপমহাদেশে আগমন ও বসতি স্থাপনের দীর্ঘদিন পরে পুঁথি-পুস্তক হারানোর ঘটনাটি প্রকাশ পায়। কিন্তু ততদিনে গারো বর্ণমালা বিস্মৃতির অতল গর্ভে বিলুপ্ত হয়ে যায়। ফলে আচিক ভাষার বর্ণমালা চিরতরে হারিয়ে যায়। তবে গারোদের মুখে মুখে আচিক ভাষার প্রচলন এখনও কোন কোন গারো পরিবারে রয়েছে।

মধুপুরের আচিক মিচিক সোসাইটির সভাপতি সুলেখা দ্রুং জানান, বাংলাদেশের গারো সম্প্রদায় তাদের মাতৃভাষা আচিককে টিকিয়ে রাখতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে রোমান বর্ণমালার আদলে নির্মিত আচিক ভাষার বর্ণমালার প্রচলনের চেষ্টা চলছে। ভারতে ইতোমধ্যে রোমান বর্ণমালার আদলে গারো সম্প্রদায়ের আচিক ভাষা সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে। মধুপুরেও শিশুদের রোমান অক্ষর দিয়ে আচিক ভাষার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে গারো অধ্যুষিত কয়েকটি স্কুলে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এ ব্যবস্থা নেই। তিনি পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সব স্কুলে আদিবাসীদের নিজস্ব ভাষায় পড়ানোর দাবি জানান।

আদিবাসীদের সংগঠন ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের মধুপুর শাখার কর্মকর্তারা জানান, মাতৃভাষা ধরে রাখার জন্য তারা নিজেরা বাড়িতে সব সময় আচিক ভাষায় কথা বলে থাকেন। তবু তাদের ভাষা রক্ষা করা যাচ্ছে না। বাংলার সঙ্গে ক্রমেই আচিক ভাষা মিশে যাচ্ছে।

জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ইউজিন নকরেক জানান, তাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে ২০০৮ সালে গড়াঞ্চলে ১২টি স্কুল চালু করা হয়েছিল- যেখানে গারো শিশুদের আচিক ভাষায় শিক্ষা দেওয়া হত। কয়েক বছর চলার পর দাতা সংস্থার অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় স্কুলগুলো বন্ধ হয়ে যায়। তিনি আদিবাসী শিশুদের মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান।

তিনি আরও জানান, ২০১০ সালে জাতীয় শিক্ষা নীতিমালায় শিশুদের তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত মাতৃভাষায় শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছেনা। গারো শিশুদের জন্য মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। না হলে আগামি প্রজন্ম মাতৃভাষা কী ছিল তাই জানতে পারবে না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ফেব্রুয়ারী ২০২১ ০২:৪৬:এএম ৫ বছর আগে
স্কোয়াশ চাষে  সাবলম্বী বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শাকিল - Ekotar Kantho

স্কোয়াশ চাষে সাবলম্বী বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শাকিল

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের বন্ধে কিছু একটা করার তাগিদে বাবার জমিতে স্কোয়াশ চাষ শুরু করেন শাকিল। মাত্র ৩২ হাজার টাকা খরচ করে এখন পর্যন্ত ৮৫ হাজার টাকার স্কোয়াশ বিক্রি করেছেন তিনি।

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে স্কোয়াশ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন শাকিল আহমেদ নামে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। করোনা ভাইরাসের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় অলস বসে না থেকে বাবার জমিতে বিদেশি সবজী জাতীয় ফসল স্কোয়াশ চাষ করে সফলতা পান শাকিল। এতে ভীষণ খুশি শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদ।

শাকিল দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের গোমজানি গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে। তিনি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গত বছর কৃষিতে বিএসসি পাশ করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্স্টাসে চান্স পেয়েছেন।

এ ব্যাপারে শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদ বলেন, “করোনার বন্ধে বাড়িতে এসে অলস সময় কাটাচ্ছিলাম। অলস সময়ে নিজের পিতার জমিতে কিছু একটা চাষ করার আগ্রহ প্রকাশ করি।

ইন্টারনেট ঘেটে বিদেশি সবজী জাতীয় ফসল স্কোয়াশ চাষ করার উদ্যোগ নিই। বাবার ৪০ শতাংশ জমিতে স্কোয়াশের বীজ রোপণ করি। নিজে কৃষি বিভাগের ছাত্র হওয়ায় এ বিষয়ে আগেই কিছুটা ধারণা ছিল। ইন্টারনেট থেকেই জেনে নেই বিষমুক্ত ফসল আবাদের কৌশল। নিজের কঠোর পরিশ্রমের ফল পেয়েছি। প্রথম দফাতেই স্কোয়াশের ভালো ফলন পেয়েছি। জমি জুড়ে লম্বা আকৃতির স্কোয়াশ দেখে নিজের মধ্যে আনন্দ লাগছে। স্কোয়াশ চাষে কোনো সমস্যা হলে কৃষি বিভাগের  সহযোগিতা নিয়েছি।”

তিনি বলেন, “চাষে আমার ৩২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আর এখন পর্যন্ত আমি ৮৫ হাজার টাকার স্কোয়াশ  বিক্রি করেছি। আশা করছি, এক লাখ টাকার মতো বিক্রি হবে। বাজারে আগে প্রতি কেজি এর দাম ছিলো ১২ টাকা বর্তমানে দাম ৮ টাকা।”

শাকিল আহমেদ আরো জানান, অক্টোবর ১৫ তারিখ থেকে নভেম্বর ১৫ তারিখ পর্যন্ত স্কোয়াশ চাষ করার উপযুক্ত সময়। ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে প্রতিটি গাছে ফুল ধরে। আর ৪১ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে ফলন ধরা শুরু হয়। ৩০ ইঞ্চি দূরত্ব বজায় রেখে এর চারা লাগাতে হবে। একটি গাছে সর্বোচ্চ ৫টি ফল ধরে।

ছেলের এ সফলতায় খুশি শাকিলের পিতা আব্দুল করিম। তিনি আগামীতে তার ছেলেকে আরও বেশি জমি চাষাবাদের জন্য দেবেন। শিক্ষার্থী শাকিলের পরামর্শে তারই চাচাতো ভাইও স্কোয়াশ চাষ করেছেন। তিনিও ভালো ফলন পেয়েছেন।

নিজেদের এলাকায় অচেনা ফসল স্কোয়াশে চাষের সফলতার কথা জেনে আরও অনেকেই স্কোয়াশ চাষের আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

কৃষি বিভাগ এই অঞ্চলে স্কোয়াশ চাষ সম্প্রসারণের কথা ভাবছে জানিয়ে দেলদুয়ার উপজেলা কৃষি অফিসার শোয়েব মাহমুদ বলেন, “চলতি মৌসুমে দেলদুয়ার উজেলায় ১ হেক্টর জমিতে স্কোয়াশের চাষ হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে স্কোয়াশ চাষিদের সব ধরনের সহায়তা করছে। টাঙ্গাইল জেলায় স্কোয়াশ চাষ ছড়িয়ে দেওয়া গেলে লাভবান হবেন চাষিরা।”

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ফেব্রুয়ারী ২০২১ ০১:২০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছয় বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে কিশোর  সংশোধনাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছয় বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে কিশোর সংশোধনাগারে

একতার কন্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় ছয় বছরের শিশুকে খেলনা দেওয়ার প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে মো. রিপন মন্ডল নামে এক কিশোরকে বুধবার(২৪ ফেব্রুয়ারি) জেলা কারাগারের মাধ্যমে গাজিপুরের টঙ্গীস্থ কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত মো. রিপন মন্ডল(১৭) ওই উপজেলার চরদুর্গাপুর গ্রামের আনিছ মন্ডলের ছেলে।

আদালতের পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী(কালিহাতী) আদালতে অভিযুক্ত কিশোরকে উপস্থাপন করা হলে বিচারক শামসুল আলম তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করেন। বিকালে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন অভিযুক্ত রিপন মন্ডলকে জেলা কারাগারের মাধ্যমে গাজিপুরের টঙ্গীস্থ কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

জানা গেছে, কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের চরদুর্গাপুর গ্রামে মঙ্গলবার(২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে মো. রিপন মন্ডল প্রতিবেশি ছয় বছরের এক শিশুকে খেলনা দেওয়ার কথা বলে তার চাচার ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজনকে এগিয়ে আসতে দেখে মো. রিপন মন্ডল পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে ধরে ফেলে। পরে তাকে স্থানীয় মগড়া পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করে।

কালিহাতী থানার পরিদর্শক(তদন্ত) রাহেদুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাতেই অভিযুক্ত রিপন মন্ডলকে মগড়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে থানায় আনা হয়। রাতেই শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। বুধবার অভিযুক্ত রিপন মন্ডলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. ফেব্রুয়ারী ২০২১ ০৩:৩০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল কেন্দ্রিয় ঈদগাঁ থেকে ১৬টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল কেন্দ্রিয় ঈদগাঁ থেকে ১৬টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

একাতার কন্ঠ  ডেস্কঃ টাঙ্গাইল কেন্দ্রিয় ঈদগাঁয়ে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা ১৬টি দোকান ঊচ্ছেদ করা হয়েছে। বুধবার(২৪ ফেব্রয়ারী) বিকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ খায়রুল ইসলাম ওই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন।

সদর উপজেলা ভূমি অফিসের তথ্য মতে, ১৯০৫ সালে স্থাপিত টাঙ্গাইল কেন্দ্রিয় ঈদগাঁয়ের আয়তন প্রায় ৬ একর। দীর্ঘ দিন ধরে বেশ কয়েক জন অবৈধ দখলদার চায়ের দোকান,ফাষ্ট ফুড, হারবাল সরবত সহ বিভিন্ন ধরনের দোকান খুলে ব্যবসা করে আসছিলেন। উপজেলা ভূমি অফিস থেকে বেশ কয়েকবার নোটিস দেওয়ার পরও এই সব দখলদার অবৈধ দোকানগুলো সরিয়ে নেয়নি। গত ১৮ ফেব্রয়ারী (বৃহস্পতিবার) তাদেরকে চুড়ান্ত নোটিস দেওয়া হয়। অবৈধ দোকানদারগণ নোটিশটি আমলে না নেওয়ায়, এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ঈদগাঁ থেকে সদ্য উচ্ছেদ হওয়া চা দোকানি দিনেশ চৌহান বলেন, যারা ঈদগাঁয়ে দোকান করে তারা প্রায় সবাই গরীব ও হত-দরিদ্র। বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে দোকান উচ্ছেদ করাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিপদে পড়তে হবে। তিনি বলেন আশা করি, সরকার আমাদের অন্য কোথাও দোকান করার জায়গা করে দেবেন।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সহকারী কমিশনার(ভূমি) মোঃ খায়রুল ইসলাম বলেন, সরকারী জমি উদ্ধারের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। ঈদগাঁ থেকে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করে, শিশু-কিশোরদের খেলা-ধূলার জন্য মাঠটি উন্মুক্ত করা হলো। ঈদগাঁয়ের দক্ষিন পাশে সীমানা প্রাচীরের কাছে যে অবৈধ বাঁশের বাজার গড়ে উঠেছে তাও উচ্ছেদ করা হবে। আজ উচ্ছেদের মৌখিক নোটিশ দেওয়া হলো। আগামী সপ্তাহে বাঁশ বাজারে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এই উচ্ছেদ অভিযানে বিপুল সংখ্যাক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য সহ উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী গণ উপস্থিত ছিলেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. ফেব্রুয়ারী ২০২১ ০২:৩৪:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।